সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারการเลือกเกมที่ตอบโจทย์สไตล์การเล่นของคุณใน playbet casinoLes jeux de casino incontournables à essayer absolument sur GTBetদেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাLes critères qui font de Boomerang Casino un choix incontournableসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতন

শহীদ আলাউদ্দীন এর হত্যার দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে  মানববন্ধব

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় কদমতলা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা শহীদ স. ম আলাউদ্দীন এর হত্যাকারীদের দ্রত বিচার ও ফাসির দাবিতে মানববন্ধব ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে কদমতলা বাজারস্থ বৈকারী সড়কে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও সমাবেশে কদমতলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সেলিম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিল্লুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক পত্রদূতের বার্তা সম্পাদক এস এম শহীদুল ইসলাম, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, সেলিম হোসেন, সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম, ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দীন, জেলা সৈনিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম, বল্লী ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শামীম আক্তার, আগরদাড়ি ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন বয়াতী, আগরদাড়ি ইউপি সদস্য এরশাদ আলী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান, ইকরামুল কবির, আব্দুল হাকিম, আশিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের আগরদাড়ি ইউনিয়নের কবিরুল ইসলাম, মোমিন, রবিউল ইসলাম, আবুল কালাম, বাবলু, খায়রুল, বাবুল, আসাদুল, আসারুল, সোহেল, শফিকুল, নুর ইসলাম, শাহীনুর, মিঠু, শওকত, জাহিদ, রফিকুল সহসকল পেশাজীবীবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ স .ম আলাউদ্দীন ছিলেন সাতক্ষীরার গর্ব। তিনি ছিলেন ভোমরাস্থল বন্দরের প্রতিষ্ঠাতা, আধুনিক সাতক্ষীরার রুপকার। তিনি পত্রিকা অফিসে কর্মরত অবস্থায় কিছু দুস্কৃতিকারীদের গুলিতে নিহত হন। তাঁর বিচারিক কার্যক্রম এখনও চলমান। স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহন প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুনিরা এখনও স্বোচ্চার রয়েছে যাতে করে স্বাক্ষীরা স্বাক্ষ্য দিতে না পারে। সমাবেশে বক্তারা খুনিদের খুজে বের করে দ্রুত বিচার কার্যকর ও ফাঁসির দাবি জানান। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের চাঞ্চল্যকর ইউছুফ হত্যার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চাঞ্চল্যকর ইউছুফ হত্যার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শরু হয়েছে। মামলার বাদী’র স্বাক্ষ্য নিয়েছেন বিজ্ঞ বিচারক। এদিকে, মামলার অন্য স্বাক্ষীরা যাতে আদালতে স্বাক্ষ্য দিতে আসতে না পারে সেজন্য আসামী পক্ষ নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে বাদী পক্ষ জানিয়েছেন। এমনকি নিরাপত্তাহীনতায়ও ভুগছেন তারা।
মামলার বাদী সাতক্ষীর্রা কালিগঞ্জ উপজেলার মুড়াগাছা গ্রামের মোহর আলী গাজীর ছেলে আব্দুস সাত্তার গাজী জানান, একই গ্রামের অমেদ আলী গাজীর ছেলে মোমিন গাজী ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম ওরফে মুন্নী প্রতিবেশি হওয়ায় উভয় পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে মোমিনের স্ত্রী রহিমা বেগম শ্যামনগর উপজেলার গুমানতলী গ্রামে তার বাবা বশির সরদারের বাড়ীতে যেয়ে বসবাস শুরু করে। এরপরও তাদের সাথে তার (বাদী) সেজো ভাই ইউছুফ আলী গাজী যোগাযোগ রাখে এবং ওই বাড়ীতে যাতায়াত করে। ২০১৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রহিমা বেগমের বাড়ীতে দাওয়াত খেতে যায় তার ভাই ইউছুফ। রহিমার জামাই কালিগঞ্জের মুড়াগাছা গ্রামের মানিক সরদারের ছেলে জালাল উদ্দীন ইউছুফকে সন্ধ্য বেলা বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ইউছুফ আলী নিখোঁজ থাকে। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে ১৪ সেপ্টেম্বর শ্যামনগরের চুনা নদীতে বস্তায় ভরা পঁচা, ফুলে ফেপে যাওয়া ইউছুফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিকল্পিতভাবে ইউছুফকে হত্যা করে চটের বস্তায় ভরে ইট দিয়ে চুনা নদীতে ফেলে দেয় হত্যাকারীরা। এব্যাপারে ইউছুফের ভাই আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৫। তারিখ-১৪-০৯-২০১৩। ধারা ৩০২/৩৪/২০১ পেনাল কোড। মামলায় আসামী করা হয় অমেদ আলী গাজীর ছেলে মোমিন গাজী , স্ত্রী রহিমা বেগম ওরফে মুন্নী ও জামাই জালাল উদ্দীন গাজীসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন। বাদী আরো জানান, দাওয়াত খেতে যাওয়ার দিন তাদের মাছের ঘরের আদায়কৃত এক লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা সাথে করে নিয়ে যায় তার ভাই ইউছুপ।
ঘটনার কয়েক বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচার কার্যক্রমে স্বাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলেও হুমকি ধামকিসহ আসামীদের নানান ধরণের চাপ অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে বাদী আব্দুস সাত্তার আরো জানিয়েছেন, মামলা দায়েরের কয়েকমাস পর ২০১৪ সালের ১৯ আগষ্ট তারিখে সাতক্ষীরা আদালত থেকে বিকালে বের হলে আসামীরাসহ কয়েকজন ছুরি, ইট ও লোহার রড দিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। এতে তিনি মারাত্মক জখম হন। এব্যাপারে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আরো একটি মামলা করেন বাদী। মামলা নং-সি,আর,পি ৩৪৭/১৪ (সাতঃ)।
বাদী পক্ষের আইনজীবি জহুরুল হক জানান, সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত ১১ সেপ্টেম্বের মামলার বাদী স্বাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার অপর স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য নেবেন বিজ্ঞ বিচারক। আইনজীবি আশা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত মামলার রায় পাবো এবং হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবেন আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে আসাদুজ্জামান বাবুর সৌজন্য সাক্ষাত

 

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন সাতক্ষীরা সদর- ২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাতক্ষীরা উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু। বুধবার সন্ধ্যা ৭.১৫ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনে উপস্থিত হয়ে তিনি নেত্রীর সাথে সাক্ষাত করেন। এসময় জননেত্রী সদর উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সার্বিক খোজ খবর নেন। উল্লেখ্য: আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু দীর্ঘদিন ধরে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় বিভিন্ন এলাকার মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, মসজিদের মুসুল্লীদের মাঝে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রচারসহ বিভিন্ন ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক সবুজ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন শাখার ১৪সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম হাফিজ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন- আহবায়ক মোঃ এনামুল হোসেন সবুজ, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ বকুল হোসেন, মোঃ মহরম হোসেন, ইয়াছিন আরাফাত, শ্রী নীষাণ কুমার গাইন, সদস্য সচিব নাজমুল হুদা, সদস্য সবুজ হোসেন, সালাম হোসেন জয়, শ্রী সাগর কুমার মন্ডল, আলফাজ হোসেন, সজীব হোসেন, জাকির হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, শিমুল হোসেন, আলী হোসেন প্রমুখ। উক্ত আহবায়ক কমিটিকে ৯০ দিনের মধ্যে সম্মেলন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। এবং মোঃ আলফাজ হোসেনকে দেবহাটা উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মনোনিত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৭ বছর পর আসিফের সঙ্গে ফিরলেন নিশো

বিনোদনের খবর: বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত আসিফ আকবরের গানের মডেল হলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ফারহানা নিশো। ‘তোমাকে যেন ভুলে যাই’ গানটির ভিডিতে মডেল হয়েছেন তিনি। গানটির কথা, সুর সঙ্গীত করেছেন তরুন মুন্সী। গেলো শুক্রবার এবং শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে মিউজিক ভিডিওটির শুটিং হয়েছে।
আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া ‘কষ্ট’ গানের ভিডিওতে মডেল হয়েছিলেন টেলিভিশন উপস্থাপক ফারহানা নিশো। সেটা ২০০১ সালের কথা। মাঝে আর কোনো গানের ভিডিওতে পাওয়া যায়নি মডেল নিশোকে। এবার দীর্ঘ ১৭ বছর পর আসিফ আকবরের গাওয়া ‘তোমাকে যেন ভুলে যাই’ গানের ভিডিওতে মডেল হিসেবে ফিরলেন নিশো। এ ভিডিওতে নিশোর সঙ্গে গায়ক আসিফকেও দেখা যাবে।

এ প্রসঙ্গে প্রসঙ্গে নিশো বলেন, ‘আমি জানতাম না এই গানের মডেল হতে হবে আমাকে। আসিফ ভাই আমাকে গানটি শোনান। আর গানটি শুনেই ভীষণ ভালো লেগে যায়। তারপর বলা হলো কাজটিতে আমাকে নেয়ার ব্যাপারে। আসিফ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পারাটা আনন্দের। আমি তো মডেল নই। একজন উপস্থাপক। তবে এবার আসিফ ভাইয়ের উত্সাহেই গানের মডেল হয়েছি।’
ভিডিওর গল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এতে আসিফ আকবর ও আমার বাস্তব জীবন তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আমাকে একজন সফল উপস্থাপক ও আসিফ আকবরকে সফল গায়ক দেখানো হয়েছে।’
আসিফ আকবর বলেন, ‘গানটি মেলো রোমান্টিক ঘরানার। এতে আমার বিপরীতে রয়েছেন ফারহানা নিশো। ও অনেক বছর পর কোনও গানের ভিডিওতে কাজ করছে। এটা দারুণ একটি বিষয়। আমার ভক্তদের জন্যে এটা দারুণ এক উপহার হতে যাচ্ছে।’
গানটির ভিডিও পরিচালনা করেছেন সৈকত নাসির। নির্মাতা জানান, ২৭ সেপ্টেম্বর ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে গানটির ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জোছনাময়ীতে গুরুর সঙ্গে চঞ্চল-খুশি

বিনোদনের খবর: নতুন ধারাবাহিক নির্মাণ করছেন জনপ্রিয় নাট্যকার ও নির্মাতা অনিমেষ আইচ। নাগরিক টিভির জন্য নির্মিত এই নাটকের নাম ‘জোছনাময়ী’। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন আশনা হাবিব ভাবনা।
নাটকটিতে ভাবনার বিপরীতে দেখা যাবে দর্শকনন্দিত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। এই নাটকের শুটিং চলছে বর্তমানে। চঞ্চলের সঙ্গে নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছেন মামুনুর রশীদ ও শাহনাজ খুশিও।
অনেকদিন পর নিজের অভিনীত নাটকে মামুনুর রশীদকে পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত চঞ্চল চৌধুরী। তারসঙ্গে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে দেখা গেছে তার প্রিয় বন্ধু শাহনাজ খুশিকেও। চঞ্চল ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘মামুন ভাই…..আমার/আমাদের নাট্যগুরু মামুনুর রশীদ। আরণ্যক নাট্যদলের প্রাণপুরুষ। আমার অভিনয়ের হাতেখড়ি তার কাছেই। অনেকদিন পর আমি, খুশি, মামুন ভাই একসাথে অনিমেষ আইচের ধারাবাহিক নাটক ‘জোসনাময়ী’-তে অভিনয় করছি।’
চঞ্চল চৌধুরী মজা করে মামুনুর রশীদকে নিয়ে আরও লিখেছেন, ‘সাদা চুল দেখে জিজ্ঞাস করলাম, ‘মামুন ভাই, চুল কলপ করাবেন না?’ মামুন ভাইয়ের উত্তর, মিসির আলি চরিত্রে আমার সাদা চুল নাকি উনার ভালো লেগেছে, তাই আপাতত সাদাই রাখবেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দশম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

অনলাইন ডেস্ক: দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তারই সিনিয়রদের বিরুদ্ধে। দেহরাদূনের একটি বোর্ডিং স্কুলের এ ঘটনা ঘটেছে। একমাস আগে গণধর্ষণের শিকার হয় দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী।
সম্প্রতি পেটে ব্যথা শুরু হলে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় ওই ছাত্রীকে। চিকিৎসকরা জানান, সে এক মাসের অন্তঃসত্ত্বা। স্বাভাবিকভাবেই তাকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হয়। তখনই সে তার বড়বোনদের ধর্ষণের কথা জানায়। বলে, একমাস আগে তাকে ধর্ষণ করে উঁচু ক্লাসের কয়েকজন ছাত্র।
বড় বোনের সঙ্গে বোর্ডিংয়েই থাকত ঘটনার শিকার কিশোরী (১৬)। অভিযোগ, গত ১৪ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি উপলক্ষে তাকে বোর্ডিংয়েরই স্টোর রুমে ডেকে নিয়ে যায় চার সিনিয়র ছাত্র। সেখানেই ছাত্রীটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে সে।
স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে ওই ছাত্রী বিষয়টি জানিয়ে সুবিচার চায়। কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা, স্কুলের কর্মীরা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। শুধু তাই নয়, বিষয়টি যাতে পাঁচ কান না হয়, গোপনে ছাত্রীটিকে গর্ভপাত করানোর জন্য নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়।
ছাত্রীর বড়বোন গোটা বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানানোর পরই মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এ ঘটনা। চার ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন তারা। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করায় স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ স্কুলের চার কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। আটক করা হয়েছে অভিযুক্ত চার ছাত্রকে।
পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিজি অশোক কুমার জানিয়েছেন, ঘটনার কথা তারা জানেন। এক মাস আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্লাস টেনের ওই নির্যাতিতা। উপরের ক্লাসের ছাত্রদের দিকে সে আঙুল তুলেছে। তার কথার উপর ভিত্তি করে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি চেপে দিতে চেয়েছিল। তাদের বক্তব্য ছিল এতে স্কুলের ভাবমূর্তি খারাপ হতে পারে। কিন্তু পুলিশ সেই কথায় আমল দেয়নি। তারা নিজেদের মতোই তদন্ত করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অশোক কুমার।
নির্যাতিতা তিন চারজনের নাম প্রকাশ করেছে। জানিয়েছে, ওই ছাত্ররাই তাকে ধর্ষণ করেছে। নির্যাতিতা ওই ছাত্রী স্কুলের বোর্ডিংয়ে থাকত। তার সঙ্গে তার দিদিও থাকত বলে জানা গিয়েছে। ধর্ষণের কথা দিদিকে জানানো মাত্রই সে পরিবারকে সেকথা জানায়। পরিবারের লোকেরা স্কুলে পৌঁছায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশও। সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট ও শিশু কল্যাণ কমিটির অফিসাররা। নির্যাতিতার বয়ান ইতোমধ্যেই লিপিবদ্ধ করেছে পুলিশ। স্কুল কর্তৃপক্ষকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে তারা।
রাজ্যের শিশু সুরক্ষা ও অধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন উষা নেগি ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। উষার অভিযোগ, স্কুল প্রশাসক ও তার স্ত্রী গর্ভপাতের জন্য ছাত্রীটিকে ওষুধ মেশানো পানীয় খাইয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরীরের কালো দাগ দূর করতে ৩টি জিনিস

অনলাইন ডেস্ক: বিউটি পার্লারে গিয়ে বিউটি ট্রিটমেন্ট করানোর ফলে কিছুদিন পর পর পকেট থেকে মোটা অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে। তাই মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন কথায় কথায় বিউটি পার্লারে যাওয়া। পকেট কেটে আর নয় বিউটি ট্রিটমেন্ট। ঘরে বসেই খুব সহজে আপনি সুন্দর রাখতে পারেন ত্বক। রান্নাঘরের কিছু জিনিস দিয়ে সহজেই ঝকঝকে হয়ে উঠতে পারেন মাত্র এক সপ্তাহে। চাই শুধু তার সঠিক ব্যবহার।
রান্নাঘরে ব্যবহৃত প্রতিদিনের জিনিস দিয়েই রূপচর্চা সেরে নেয়া যায়। আর তা ব্যবহারে ত্বকের কোনো ক্ষতিও হয় না। কেমিক্যাল না থাকায় এর নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকও ভালো থাকে। চামড়ায় ভাঁজ পড়ছে? সঙ্গে সঙ্গে আমরা বোটোক্স ট্রিটমেন্টের জন্য ছুটছি। আবার ত্বকে কালো ছাপ পড়ছে? ব্লিচিং বা ফেয়ারনেস ফেসিয়াল এর পিছনে ছুটছি। এই সমস্ত ট্রিটমেন্টে বেশির ভাগই ব্যবহার হয়ে থাকে কেমিক্যাল। যা কিনা সহজেই ত্বকের ক্ষতি করে। কিন্তু এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় খুব সহজেই। আর সেই দাওয়াই আপনার ঘরেই রয়েছে।

চলুন জেনে নেয়া যাক, ঘরে বসে সহজেই কিভাবে ঘাড়, কনুই ও হাঁটুর কালো দাগ দূর করা যায়।

বেকিং সোডা: রান্নাঘরে বেকিং সোডা থাকবেই। আর জানেন কি? বেকিং সোডা ত্বকের পক্ষে খুব উপকারী। বিশেষ করে ত্বকের কালো ছোপ দূর করতে বেকিং সোডা খুবই কার্যকরী। কনুই বা গলার নিচে কালো ছোপ দূর করার জন্য সামান্য পরিমাণ বেকিং সোডা পানিতে মিশিয়ে নিন, এরপর পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ছোপের জায়গায় লাগিয়ে ২ মিনিট রেখে দিন৷ এর পর তা পরিস্কার ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে দুই দিন এই পেস্ট লাগালে, খুব সহজেই কালো ছোপ দূর হবে।

অ্যালোভেরা: কালো ছোপ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরা শুস্ক ত্বকের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী।

আলু: আলু থেঁতো করে কালো ছোপে লাগান। এমনকি আলুর খোসাও লাগাতে পারেন কনুই বা হাঁটুর কালো ছোপে। এভাবে সপ্তাহে দুই দিন করুন। খুব সহজেই দেখবেন কালো ছোপ দূর হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest