সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

কলারোয়ায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন, পুড়ে ছাঁই ৪টি দোকান

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় বৈদ্যুতের শট-সার্কিট থেকে আগুন লেগে চারটি ফার্নিচারের দোকন পুড়ে ভুস্মিভুত হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ফার্নিচার ও কাঠ। শুক্রবার ভোরে কলারোয়া বাজারের বলফিল্ড সংলগ্ন সড়কের পাশে অবস্থিত চারটি দোকানে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত নাইসা ফার্নিচারের মালিক বদরুজ্জামান জানান, শুক্রবার ফজরের নামাজের পর কোন একটি দোকান থেকে বৈদ্যতিক শট সার্কিট থেকে আগুন লেগে চারটি দোকান ভুস্মিভুত হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল। সাতক্ষীরা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রেনে আনে বলে তিনি জানান। ক্ষতিগ্রস্ত চারটি দোকান হলো, নাইসা ফার্নিচার, আকরাম ফার্নিচার, খালেক ফার্নিচার ও গাজী ফার্নিচার।
সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিসের সহকারি পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, দোকানে আগুন লাগার খবর শুনে তার নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই চারটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায় বলে তিনি জানান।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, চারটি ফার্নিচারের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দোকান মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি জানান। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৫

আসাদুজ্জামান: নাশকতার লক্ষ্যে জড়ো হয়ে গোপন বৈঠককালে দুটি পৃথক অভিযানে জামায়াত ও বিএনপির পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে তাদেরকে শ্যামনগরের বালিয়াপুর ও আশাশুনির বসুখালি থেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি ককটেল, কিছু ধারালো অস্ত্র এবং সাংগঠনিক ও জ্বিহাদি বইপত্র ছাড়াও বিপুল পরিমান লিফলেট জব্দ করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক শাহরিয়ার হাসান জানান, গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম ও ফিংড়ি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আজহারুল ইসলাম। তাদের কাছ থেকে সাংগঠনিক বইপত্র ও লিফলেট জব্দ করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন একই রাতে আশাশুনির বসুখালি বাজারের খায়রুলের মাছের ঘরে গোপন বৈঠক করছিল নাশকতার বহু মামলার তিন আসামি উপজেলার গোদাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান, বসুখালির আলি হায়দার ও মো. আশরাফুল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বেশ কয়েকটি ধারালো অস্ত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পিতাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করলেন শ্যামনগর আ.লীগ নেতা দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সাতক্ষীরার সাবেক সংসদ সদস্য এস এম ফজলুল হক ও সাংসদ পুত্র শ্যামনগর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আতাউল হক দোলন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর স্নেহ ভালবাসায় সিক্ত হন তরুণ নেতা দোলন।
এস এম আতাউল হক দোলন বলেন, ‍”আমার রাজনৈতিক জীবন ধন্য হয়েছে। ” তিনি দাবি করেন, সৌজন্য সাক্ষাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসনে মনোনয়ন বিষয়ে তাকে আশ্বস্ত করেছেন।
এব্যাপারে আতাউল হক দোলন তার নিজ ফেসবুক এ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ” গণভবনে বঙ্গবন্ধু কন্যা,মাননীয় তিনি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা,র সাথে সাক্ষাৎ ছিল আমার রাজনৈতিক জীবনের বড় প্রাপ্তি। ছোট থাকায় বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা হয়নি কখনও শুনেছি তিঁনি নেতা কর্মীদের অন্তর দিয়ে ভালোবাসতেন। গত কাল ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধায় গণভবনে তাঁরই সুযোগ্য উত্তরসুরি সেটির প্রমান দিলেন। আমার পিতা এ,কে,ফজলুল হক গণপরিষদ সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য তিঁনি যখন বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং নেত্রীর সাথে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে স্মৃতি চারন করে আমাকে প্রিয় নেত্রীর হাতে তুলেদিয়ে আবেগ জড়িত কষ্ঠে বলছিলেন আমি মৃত্যু মুখে হয়তো আপনার সাথে আর দেখা করতে পারবো না। আমার ছেলে টাকে আপনার হাতে দিয়ে গেলাম রাজনীতি করার জন্য ওকে একটু দেখবেন তখন নেত্রীর হাতে আমার ও আমার পিতার হাত আমি আবেগ বসত আমার অপর হাত দিয়ে নেত্রীর অপর একটা হাতের বাহু ধরে কথা বলছিলাম তখন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে এস,এস,এফ এর সদস্য বৃন্দ আমাকে সরিয়ে দিতে চাইলে তিঁনি তাদের উপর রেগে উঠে বলেন ওকে সরতে বলছেন কেন?জবাবে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ বলেন উনি আপনার হাত ধরে কথা বলছে সে জন্য। তখন উঁনি তাদের উপর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন যে সে আমার কর্মী আমার জন্য জীবন দিতে পারে হাত ধরেছে তাতে কি হয়েছে।সে তো পারমিশান নিয়েই এসেছে। আমি নিরাপত্তা কর্মীদের ভয়ে প্রিয় নেত্রীর হাত ছেড়ে দেই পরে নেত্রী পুনরায় বলে আমার হাত ধরতে। আমি দু,হাতে আমার মমতাময়ী নেত্রীর হাত ধরলাম আর নেত্রী অপর হাত দিয়ে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করে দিলেন এবং বললেন তোমার দলীয় কর্মকান্ডে আমি খুশি সে সময় আমি সাতক্ষীরা-৪ নির্বাচনী এলাকায় সরকারের যে উন্নয়ন ও সফালতার চিত্র তুলে ধরে যে লিফলেট জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করেছি তার কয়েকটা কপি উঁনাকে দেখালে উঁনি আরও খুশি হন এবং বলেন এটাই বেশী বেশী প্রচার করতে হবে যেটা ঐ সময়ে গনভবণে সাক্ষাতকালে আসা অনন্য সকল ব্যক্তিবর্গ ও গনভবণে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ প্রত্যাক্ষ করেছে। পরে প্রিয়নেত্রী তাঁর ক্যমেরা ম্যানকে বলেন আমাদের ছবি তুলতে। সত্যি এটা আমার রাজনৈতিক জীবনের সব চেয়ে বড় পাওয়া।”
এসময় সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন, “সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দলীয় কোন্দল; ‘ক্ষুব্ধ’ শেখ হাসিনার কঠোর বার্তা

দেশের খবর: আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দেশের নানা স্থানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কোন্দল বেড়েই চলেছে। ইতোমধ্যে বরগুনা ও দিনাজপুরে দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করেছে। সেখানকার দুই এমপিকে অবাঞ্ছিতও ঘোষণা করার মতো ঘটনা ঘটেছে।
দলের এমন কোন্দল নিয়ে ক্ষুব্ধ খোদ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ নিয়ে সাংগঠনিক সম্পাদকদের শাসিয়েছেন এবং দলে বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘অনেক কষ্ট করে আজকে আওয়ামী লীগ ও নৌকা মার্কাকে এই অবস্থানে নিয়ে এসেছি। নৌকার বিপক্ষে যারা কাজ করবে তাদেরকে কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না। আমাদের দলের নেতাকর্মী যারা আছেন তাদের যদি স্থানীয় সংসদ সদস্য বা দলের নেতাদের প্রতি কোনো বক্তব্য থাকে, সেটা তারা লিখিত আকারে আমাদের দলকে জানাক। কিন্তু সেটা না করে দলের এমপিদেরকে এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা, এমপিদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করা, এটা দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী; সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না।’
স্থানীয় সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে যারা এমন আচরণ করেছেন, তাদেরকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিতে এবং যেসব এমপির বিরুদ্ধে এমন ঘটনা ঘটেছে, কেন তাদের বিরুদ্ধে এটা ঘটেছে, তা জানতে চেয়ে চিঠি দিতে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বৈঠকে উপস্থিত আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
একই সাথে যেসব নেতা ও এমপি এখনো অন্য দলের নেতাদের দলে ভিড়াচ্ছেন, তাদের তালিকা করারও নির্দেশ দিয়েছেন দলের প্রধান।
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, দেশের বিভিন্ন জায়গায় দলীয় কোন্দল দেখা দিয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলীয় কোন্দল নিরসনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে এসব দূরত্ব মিটিয়ে ফেলতে চায় দলটি। এজন্য দলের কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিংয়ে এসব বিষয় উঠে এসেছে।
রাতের বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের কাছ থেকে তাদের সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক বিভাগের খোঁজ খবর নেন এবং যেসব এলাকায় সমস্যা রয়েছে, ওই সব সমস্যা দ্রুত মিটিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন তিনি। এসময় অনেক সাংগঠনিক সম্পাদককে শাসান শেখ হাসিনা।
এছাড়াও দলের ওই বৈঠকে সদ্য অনুষ্ঠিত সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করা হয়। সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরুদ্দিন আহমেদ কামরান পরাজয়ের কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিলেট সিটি আওয়ামী লীগের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার জন্য করণীয় নিয়ে নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সংসদের বৈঠকে সূচনা বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রায় সবাই উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রিচার্ডসকে ছোঁয়ার অপেক্ষায় কোহলি

খেলার খবর: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এরইমধ্যে টেস্ট সিরিজ হেরেছে টিম ইন্ডিয়া। শেষ টেস্ট জিতে তাই সমালোচনার জবাব দিতে চায় ভারতের। পাশাপাশি ওভালে ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ভিভিয়ান রিচার্ডসকে ছোঁয়ার হাতছানি রয়েছে অধিনায়ক বিরাট কোহলির।
ইংলিশদের বিপক্ষে ভারত টেস্ট সিরিজ হারলেও ব্যক্তিগত রেকর্ডে অনেককেই পিছনে ফেলেছেন কোহলি। গড়েছেন নতুন রেকর্ড। সিরিজের শেষ টেস্টেও ভিভিয়ান রিচার্ডসকে ছাপিয়ে যাওয়ার হাতছানি রয়েছে তার। ইংল্যান্ড সফরের প্রথম চারটি টেস্ট দু’টি সেঞ্চুরি এসেছে কোহলির ব্যাট থেকে। কেনিংটন ওভালে সেঞ্চুরি করলে ‘কিং অফ ক্রিকেট’ রিচার্ডসের ২৪টি টেস্ট শতরান ছুঁয়ে ফেলবেন বিরাট।
পাশাপাশি আরও একটি হাতছানি রয়েছে কোহলির। দ্য ওভালে ৫৮ রান করলেই ইংল্যান্ডের মাটিতে রাহুল দ্রাবিড়কে ছুঁয়ে ফেলবেন তিনি। ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজে ভারতীয় হিসেবে সর্বাধিক ৬০২ রান রয়েছে দ্রাবিড়ের। ২০০২ সিরিজে ৬শ’ রানের মাইলস্টোন ছুঁয়েছিলেন ‘দ্য ওয়াল’। আর চলতি সিরিজে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম চারটি টেস্ট দু’টি সেঞ্চুুরিসহ ৫৪৪ রান করেছেন কোহলি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ এবং জ্বরে করণীয়

স্বাস্থ্য কণিকা: ডেঙ্গু জ্বর যা ব্রেকবোন ফিভার নামেও পরিচিত, একটি সংক্রামক ট্রপিক্যাল ডিজিজ যা ডেঙ্গু ভাইরাস-এর কারণে হয়। সম্প্রতি রাজধানীসহ সারাদেশে বেড়েছে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। তবে জ্বর হলেই যে ডেঙ্গু হবে তা কিন্তু নয়। তবে জ্বরের প্রকোপ আপনার কাছে বেশি মনে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
ডেঙ্গু জ্বর হলে প্রাথমিক পরিচর্চা হিসেবে দ্রুত জ্বর কমানো জরুরি। জ্বর কমানোর জন্য মাথায় পানি দিতে হবে এবং ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর বারবার মুছে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে কোনো অবস্থাতেই রোগীকে এসপিরিন জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো যাবে না। রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল ও স্বাভাবিক খাবার খেতে দিতে হবে, বিশেষ করে ফলের রস ও স্যালাইন খেতে দিতে হবে।
ডেঙ্গু জ্বর কী?
ডেঙ্গু জ্বর হল ভাইরাসজনিত এক ধরনের তীব্র জ্বর। এ জ্বরের বাহক এডিস মশা। এডিস মশা ডেঙ্গুর জীবাণু বহন করে থাকে। জীবাণু বহনকারী এডিস মশা কাউকে কামড়ালেই ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। এ বছর রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। যার সংখ্যা ৫২৬ জন। গত ১০ বছরের মধ্যে এ সংখ্যা সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আসুন জেনে নেই ডেঙ্গু জ্বরের ৫ লক্ষণ:
উচ্চমাত্রায় জ্বর
ডেঙ্গু হলে আপনার সর্বোচ্চ ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত জ্বর উঠতে পারে। আর এ জ্বরটি থাকবে চার থেকে সাতদিন পর্যন্ত। যদি আপনার জ্বর হয়ে থাকে এবং চারদিনের বেশি হয় তাহলে খুব তাড়াতাড়িই ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

প্রচণ্ড মাথা ব্যথা
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে প্রচণ্ড মাথা ব্যথার সাথে সাথে চোখের ভেতরের দিকে ব্যথা করে। মাথাব্যথা ডেঙ্গু রোগের অন্যতম পূর্বলক্ষণ।

শরীর ব্যথা
হাড় ভাঙলে যেরকম তীব্র ব্যথার অনুভূতি হয় মানুষের, ডেঙ্গু হলেও ঠিক এইধরনের হাড়ভাঙার মতো ব্যথা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে শরীরের জয়েন্টে তীব্র ব্যথা হয়, এর পাশাপাশি ব্যথা হয় পেশীতেও। এমনকি ডেঙ্গু সেরে গেলেও এই ব্যথাগুলো অনেকদিন শরীরে থাকে।

র‌্যাশ
জ্বর হওয়ার এক থেকে দুইদিনের সময় সারা শরীরে লালচে র‌্যাশ দেখা যায়। যাকে বলা হয় স্কিন র‌্যাশ, অনেকটা অ্যালার্জি বা ঘামাচির মতো। এসময় আক্রান্তের চোখ হলদেটে এবং ত্বক বেশ শুষ্ক দেখায়।

রক্তকণিকা
ডেঙ্গু হওয়ার আশঙ্কা থাকলেই খুব তাড়াতাড়ি করে নেবেন প্লেটলেট টেস্ট। এসময় প্লেটলেট কিংবা রক্তকণিকার পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়। প্লেটলেট কাউন্ট যদি ২০ হাজার এর নিচে হয় তাহলে রোগীর রক্তজনিত জটিলতা দেখা দিতে পারে।

বমি বমি ভাব
ডেঙ্গু হলে আক্রান্তের বমি বমি ভাব হয়, মাঝে মাঝে এমনকি বমি হতে পারে। রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে এবং রুচি কমে যায়।

ডেঙ্গুজ্বর একধরনের ভাইরাস থেকে হয়। এর অপর নাম ‘ব্রেকবোন ফিভার’। কারণ ডেঙ্গুজ্বরে প্রচুন্ড শরীর ব্যথা হয় যা হাড় ভাঙ্গা ব্যথার মত তীব্র। আমাদের দেশে জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাসে এর প্রাদুর্ভাব বেশী হয়। এডিস জাতীয় মশার কামড়ে ডেঙ্গুজ্বর হয়।
ডেঙ্গু ভাইরাস কয়েক প্রকারের। একধরণের ভাইরাস দিয়ে সংক্রমণ হলে সে ভাইরাস দিয়ে আর ভবিষ্যতে ডেঙ্গু হবে না। তবে তার যদি অন্য প্রকার ভাইরাস দিয়ে পরবর্তীতে ডেঙ্গুজ্বর হয় তা খুব মারাত্মক হতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে, রাজধানীতে গত আট মাসে ডেঙ্গু জ্বরে মারা গেছে সাতজন, যাদের সবাই নারী ও শিশু। ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে বাসা বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা নিধনের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে নগর কর্তৃপক্ষ প্রচারণার কথা জানালেও, তা খুব একটা দৃশ্যমান নয় বলে জানায় নগরবাসী।

ডেঙ্গু জ্বর হলে করণীয়
ডেঙ্গু জ্বর ভাইরাসজনিত রোগ। মশার কামড়ের মাধ্যমে এ রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে অ্যাডিস মশা কামড়ালে ডেঙ্গু ভাইরাস রক্তের সঙ্গে মশার দেহে চলে যায়। মশার শরীরে এ ভাইরাস বংশবৃদ্ধি করে। ৮ থেকে ১০ দিন পর ওই মশা অন্য কাউকে কামড়ালে তার শরীরে ভাইরাস ঢোকে এবং জ্বরে আক্রান্ত হন।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ অন্য ভাইরাস জ্বরের মতোই। হঠাৎ করেই প্রচণ্ড জ্বরে (১০৩-১০৪ ডিগ্রি) আক্রান্ত হন। এর সঙ্গে থাকে মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, চোখের নিচে ব্যথা (চোখ নড়ালে ব্যথা অনুভূত হয়)। শরীরে বা জয়েন্টে বেশি ব্যথা হয় বলে এ জ্বরের অন্য নাম ব্যাকবোন ফিভার। জ্বরের সঙ্গে শরীরে র‌্যাশ বা লালচে ভাব দেখা দেয়। সাধারণত জ্বরের দ্বিতীয় দিন থেকে ত্বক লালচে ভাব ধারণ করে এবং জ্বর ২ থেকে ৭ দিন পর কমে যায়। জ্বর কমে যাওয়া মানেই রোগমুক্তি নয়, বরং তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। জ্বর কমার ২-৩ দিন পরের সময় বেশি মারাত্মক। এ সময় জটিলতা দেখা দেয়।

রক্তে অণুচক্রিকা কমে গেলে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় বেশি সচেতন থাকতে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি বারবার বমি বা রক্তবমি করতে পারে, পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হতে পারে, নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে, মাড়ি থেকে রক্তপাত হতে পারে, চোখে রক্তজমাট বাঁধতে পারে। এ ছাড়া শরীরের ভেতরে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রচ- পেটব্যথা, আলকাতরার মতো কালো দুর্গন্ধযুক্ত মল হতে পারে, মল ও প্রসাবের সঙ্গে রক্ত পড়তে পারে। একেই বলে ডেঙ্গু হেমোরজিক ফিভার।

এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হলে আক্রান্ত ব্যক্তি শকে চলে যেতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিনা নোটিশে কেন্দ্রীয় নেতাদের জেলা সফরের নির্দেশ

দেশের খবর: দলের বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থা দেখার জন্য বিনা নোটিশে জেলা-উপজেলায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সফরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। আচমকা সফর করে এসে সেই চিত্র দলীয় সভাপতিকে অবহিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন
এছাড়া যেসব নেতা বিভিন্ন দল থেকে এসে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন তাদেরও তালিকা প্রস্তুত করতে দলের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তারা জানিয়েছেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেসব সম্ভাব্য প্রার্থী ও নেতারা উন্নয়নের প্রচার না করে একে-অপরের বিষোদগার করছেন তাদের খোঁজ-খবর নিতে বলা হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত নেতারা আরও জানিয়েছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একে-অপরের বিরুদ্ধে অবস্থানগ্রহণ করে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন- এটা শৃঙ্খলাভঙ্গ মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের শোকজ করতে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে কোনো স্তরের কমিটি ভাঙা যাবে না। শোকজ করার পরও ঠিক না হলে সরাসরি বহিষ্কার করা হবে প্রয়োজনে। কোনোভাবেই শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধ বরদাস্ত করা হবে না জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাবারের সঠিক পুষ্টি পেতে কয়েকটি পন্থা

অনলাইন ডেস্ক: রান্নার পদ্ধতির কারণে খাবার পুষ্টিগুণ হারায়। তাই খাবার থেকে সঠিক পুষ্টি পেতে কয়েকটি পন্থা জেনে রাখা প্রয়োজন।
পুষ্টিবিজ্ঞানে কাঁচা-খাবারকে সবচাইতে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণ প্রচলিত রান্নার পদ্ধতি যেমন- ভাজা বা বেইক করার কারণে খাদ্যের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়।
ভারতীয় রেস্তোরাঁ বিষয়ক অ্যাপ ‘আপলোড ফুডি’য়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা যোগেশ ঘোরপাড়ে এবং ভারতীয় চিকিৎসাকেন্দ্র ‘মমস্প্রেসো’র পুষ্টিবিদ আস্থা জেসিকা খাবারের পুষ্টিগুণ ধরে রাখার উপায়গুলো জানিয়েছেন।

* মাছ, মাংস ডিম এবং ফলের পুষ্টিগুণ ধরে রাখার ক্ষেত্রে পোচ করা একটি চমৎকার উপায়। চুলায় অল্প পানিতে খাবারটিকে এমনভাবে ছেড়ে দিতে হবে যেন তা আর্দ্রতা এবং পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে পারে। যেহেতু পানি খাবারে কোনো বাড়তি চর্বি যোগ করতে পারে না, তাই এই উপায় বেশ স্বাস্থ্যকর।

* ফল কিংবা সবজির রস তৈরির সময় তা চিপে বের করা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করার চাইতে ভালো। কারণ চিপে রস বের করলে ফল বা সবজিটির সকল আঁশজাতীয় উপাদান ফেলে দিয়ে শুধু মিষ্টি রসটুকু রাখা হয়। তবে ব্লেন্ড করলে পুরো খাবারটাই আপনার পেটে যাবে।

* বেশিরভাগ ফল ও সবজির খোসাতেই পুষ্টি থাকে বেশি। তাই এগুলো যতটা সম্ভব খোসাসহ খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আর রান্নার সময় এদের পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে খোসাসহ সিদ্ধ, গ্রিল কিংবা পোচ করতে হবে। তবে আগে ফল কিংবা সবজি ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

* খাবার সবচাইতে কমমাত্রায় পুষ্টিগুণ হারায় গ্রিল করলে। সঙ্গে গলে যায় চর্বি। গ্রিলের প্রচণ্ড তাপ খাবারের তেল বা আর্দ্রতা খাবারেই আটকে রাখে। ফলে বাড়তি তেল বা মাখন দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। আবার সবজিও সবচাইতে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ ধরে রাখতে পারে এই পদ্ধতিতেই।

* খাবার সিদ্ধ করার পর পানিটুকু ফেলে না দিয়ে পরে ব্যবহারের জন্য রেখে দিতে পারেন। কারণ সিদ্ধ করার সময় অনেকটা পুষ্টি উপাদান এই পানিতে মিশে যায়। আর সিদ্ধ করা উচিত ঢাকনাওয়ালা পাত্রে, প্রেশার কুকার হলে সবচাইতে ভালো হয়।

* ফল ও সবজি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ না করে যতটা সম্ভব তাজা থাকতেই খেয়ে ফেলা উচিত।

* যতটা সম্ভব টাটকা রান্না করা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি খাবার পুনরায় গরম না করাই ভালো। কারণ এতে খাবারের পুষ্টিগুণের রাসায়নিক গঠন নষ্ট হয়ে যায়।

* ফল ও সবজি কাটার আগেই ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। কাটার পর ধুলে পুষ্টিগুণও অনেকটা ধুয়ে যায়।

* উচ্চ তাপমাত্রায় ক্ষতিকর জৈবরাসায়নিক পদার্থ কর্মক্ষম হয়। তাই ভালো উপায় হল আগে গরম করা পাত্রে কিংবা সিদ্ধ করার সময় ফুটন্ত পানিতে খাবার গরম করা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest