সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক আলিমের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম আর নেইস্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে ডাঃ শিহাবের তত্ত্বাবধানে শুরু হলো অত্যাধুনিক লিভারের পরীক্ষা ফাইব্রোস্ক্যানসাতক্ষীরায় পাঁচ দিনে ৭২ ডেঙ্গু রোগী, সচেতনতায় বাড়ি বাড়ি স্বেচ্ছাসেবকবিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্তসাতক্ষীরার কালিন্দী নদী সীমান্তে পুশ-ইনের অপচেষ্টা বিএসএফের : প্রতিহত করল বিজিবিসাতক্ষীরায় অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পৌরসভাসাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তরদেবহাটায় ইছামতীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনশরৎ এলো — নাসির খলিল

ট্রাকচাপায় বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩

নওগাঁর পত্নীতলায় ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের তিন আরোহী নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে উপজেলা পৌরসভার নজিপুর-নওগাঁ রোডের কাল্লাকাটি মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আব্দুস সালাম (৪৫), তার ছেলে তৌফিক (২৭) এবং মোটরসাইকেল চালক রনি (২৮)।

পত্নীতলা থানার ওসি পরিমল কুমার চক্রবর্তী যুগান্তরকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নিহতরা মোটরসাইকেলযোগে মহাদেবপুর থেকে পত্নীতলা সদর নজিপুরে যাচ্ছিলেন। নজিপুর-নওগাঁ রোডের কাল্লাকাটি এলাকায় পৌঁছলে পেছন থেকে একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ঘনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

ওসি বলেন, নিহত আব্দুস সালামের বাড়ি মহাদেবপুর উপজেলার চকদৌলত গ্রামে। আর মোটরসাইকেল চালক রনি নজিপুর ঈদগাঁও পাড়ার আহাদ আলীর ছেলে।

নিহতদের লাশ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে মোস্তফা কামাল এর যোগদান

ড‌েস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে উত্তাল সাতক্ষীরার প্রথম শহিদ আব্দুর রাজ্জাকের মাজারে পুষ্পাঞ্জলি অর্পনের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের দায়িত্বভার গ্রহন করলেন এসএম মোস্তফা কামাল। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসকের বাংলোতে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের কাছ থেকে দায়িত্বভার বুঝে নেন তিনি।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শাহ আবদুল সাদী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রায়, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তহমিনা খাতুনসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা।
নবাগত জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল এর আগে গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০০৮ সাল থেকে এক বছর যাবত সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় সহকারি কমিশনার (ভুমি) পদে কর্মরত ছিলেন। পরে তিনি সাতক্ষীরায় স্বল্প সময়ের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন। মঙ্গলবার সাতক্ষীরার ২০ তম জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এসএম মোস্তফা কামাল। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির সন্তান এসএম মোস্তফা কামাল ২১তম বিসিএস এর কর্মকর্তা।
জেলা প্রশাসকের অফিস সূত্রে জানা গেছে, এসএম মোস্তফা কামাল অফিসিয়াল দায়িত্ব গ্রহনের পরপরই শহরের শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্কে আসেন। তিনি শহিদ আবদুর রাজ্জাকের মাজারে পুষ্পাঞ্জলি অর্পন করেন। সেখানে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। পরে তিনি জেলা প্রশাসকের অফিসে ফিরে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।
এদিকে সাত মাস তিনদিন জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করে বদলি হলেন মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন। তিনি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে উপসচিব হিসাবে যোগ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লুটেপুটে খায় এমন প্রার্থীদের বর্জনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশের খবর: সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ লুটেপুটে খায় এমন প্রার্থীদের বর্জন করে ভালো মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেন, যে দলকে ভোট দিলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি হয়, দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যায় সেই দলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা উচিত। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে সৎ, যোগ্য ও ভালো মানুষকে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন দিতে হবে। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ লুটেপুটে খায় এমন প্রার্থীদের বর্জন করে ভালো মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে।

সোমবার বিকেলে কিশোরগঞ্জ শহরের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় কিশোরগঞ্জ নাগরিক কমিটি রাষ্ট্রপতিকে এ গণসংবর্ধনা দেয়।

হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে সংবর্ধনার জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই প্রিয় ক্যাম্পাসে আমার জীবনের দীর্ঘ সময় কেটেছে। কিশোরগঞ্জের মাটি ও মানুষের ভালোবাসায় আমি বেড়ে উঠেছি। রাজনীতি করার সময় রিকশাওয়ালা-ফেরিওয়ালার কাছ থেকেও সহযোগিতা নিয়েছি। তাই আমি তাদের কাছে ঋণী। আজকে আমার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পেছনেও তাদের অবদান আছে বলে আমি মনে করি।

সরকারি কর্মচারী ও রাজনীতিবিদদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মানুষকে ভালোবাসতে শিখেন। মানুষকে মানুষ বলে মনে করতে হবে। তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগাম‌িকাল ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়

দ‌েশের খবর: রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে নৃশংস গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামীকাল বুধবার। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচার শাহেদ নূর উদ্দিন রায়ের জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

এক যুগ আগে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুতর আহত হন। মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আইভি রহমানসহ নিহত হন ২৪ জন। আহত হন আরো কয়েকশ নেতাকর্মী।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার অধিকতর তদন্ত শেষে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হুজি নেতা মুফতি হান্নান, সাবেক মন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ও লুৎফুরুজ্জামান বাবরসহ ৫২ জনকে আসামি করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কীভাবে বুঝবেন আপনার ফেসবুক হ্যাক হয়েছে

প্রযুক্তি ডেস্ক: ফেসবুকে ভুয়া বার্তার ছড়াছড়ি। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে নিয়েছে, এর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ত্রুটি ঘটার কথা।

এ ত্রুটির কারণে প্রায় ৫০ মিলিয়ন অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে আছে ফেসবুক নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ ও শেরিল স্যান্ডবার্গের অ্যাকাউন্টও। ফেসবুক হ্যাক হওয়ার পরই ভুয়া বার্তা পাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা।

যেভাবে বুঝবেন আপনার ফেসবুক হ্যাক হয়েছে

যদি মনে হয় যে আপনার ফেসবুক হ্যাক হয়েছে কিংবা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান তাহলে ফেসবুকের ‘সেটিংস’ সেকশনে যান। এরপর ‘সিকিউরিটি ও লগইন’ ট্যাবে ক্লিক করুন। এটা আপনাকে জানাবে কোথায় এবং কোন ডিভাইস থেকে আপনার ফেসবুকে প্রবেশ করা হয়েছে। যদি স্থান ও ডিভাইস আপনি শনাক্ত করতে না পারেন কিংবা আপনার সন্দেহ হয় তাহলে ‘নট ইউ’ বাটন ক্লিক করুন।

আপনার অ্যাকাউন্টে আপনি নিজে লেখেননি এমন কিছু পোস্ট করা হচ্ছে কী না লক্ষ্য রাখুন। আপনার কাছে আসা এবং আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য কারও কাছে যাওয়া ফ্রেন্ড রিকুয়েস্টের বিষয়েও সতর্ক থাকুন।

আপনার সম্মতি ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য ও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়ে যাওয়াটাও হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়ার লক্ষণ।

ফেসবুককে হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়া থেকে বাঁচাতে অবশ্য করণীয় হল নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা এবং পাসওয়ার্ড অবশ্যই শক্তিশালী হতে হবে। সূত্র: ডেইলি মেইল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় দেবরের পুরুষাঙ্গ কেটে নিলেন ভাবি!

দেবহাটা ডেস্ক: ভাবির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে যেয়ে পুরুষাঙ্গ হারিয়েছে এক যুবক। শনিবার রাত ১০টার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার মাঘরি চণ্ডিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবককে গোপনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা বাজারের শেরে বাংলা ক্লিনিক এণ্ড ডায়গোনেষ্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপক সাঈদুল ইসলাম সাঈদ জানান, দেবহাটা উপজেলার বেজোরাটি গ্রামের আব্দুর রহমানের স্ত্রী নাজমা খাতুনকে প্রতিনিয়ত উত্যক্ত করতো তারই চাচাত দেবর মাসুদ রানা। বিষয়টি মেনে নিতে না পারায় নাজমা শনিবার বিকেলে বাপের বাড়ি দেবহাটার মাঘরি চণ্ডিপুরে যান। রাত ১০টার দিকে মোবাইল ফোনে রানা তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলে। একপর্যায়ে কৌশলে তাকে নির্জন জায়গায় ডেকে এনে রানার পুরুষাঙ্গ কেটে নেন ভাবি। মারাত্মক জখম অবস্থায় মাসুদ রানাকে তার ক্লিনিকে নিয়ে এলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে মাসুদ রানার বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ক্ষতি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সারা দেশে রেড অ্যালার্ট জারি

দেশের খবর: বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘিরে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে রাজধানীসহ সারা দেশে। মামলার অভিযোগপত্রে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম থাকায় এবং রায়ে তার সাজা হলে নাশকতার আশঙ্কা করছেন গোয়েন্দারা। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ঝটিকা মিছিল এমনকি ব্যাপক তাণ্ডব চালাতে পারেন— এমন খবর রয়েছে গোয়েন্দাদের কাছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সড়কপথ, রেলপথ, নৌপথে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা। পুলিশ ও র‌্যাব সদর দফতর থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে বিশেষ নির্দেশনা। আজ থেকে রাজধানীতে প্রবেশের ক্ষেত্রে থাকছে বিশেষ কড়াকড়ি। রায়ের আগে ও পরে সারা দেশে নেওয়া হয়েছে চার স্তরের বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। যদিও রায় ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা নেই বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

গতকাল ঢাকা ক্লাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একটি অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছেন, দেশের জনগণ এ মামলার রায়ের জন্য অধীর আগ্রহে রয়েছে। এ রায়ের মাধ্যমে জাতি একটি কলঙ্ক থেকে মুক্ত হবে। ওই নৃশংস গ্রেনেড হামলার বিচার মানুষ দেখতে চায়। তাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে দেশে কোনো বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা নেই।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে করা দুই মামলার রায় ঘোষণার জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল। ১৮ সেপ্টেম্বর পুরান ঢাকার ১ নম্বর অস্থায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দীন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। আলোচিত এ মামলায় ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও ২০ জনের সাফাই সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

একাধিক সূত্র বলছে, রায় ঘিরে যে কোনো ধরনের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৯ অক্টোবর দুপুর থেকেই রাজধানীতে থাকবে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা। পুলিশ সদর দফতর থেকে রাজধানীর সব থানায় মোতায়েন করা হবে বাড়তি পুলিশ। নিরাপত্তাব্যবস্থায় থাকবে জলকামান, এপিসিসহ অন্যান্য ব্যবস্থাও। র‌্যাবের রিজার্ভ ফোর্সসহ রাজধানীর সব কটি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা থাকবেন রাজধানীর সড়কে। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) ও ফায়ার সার্ভিসকে। ওই দিন সকাল থেকেই পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের বিশেষ আদালত ঘিরে নেওয়া হবে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। জাতীয় প্রেস ক্লাব, হাই কোর্ট, শাহবাগ, বাংলামোটর, ফার্মগেট, পল্টন, জিরো পয়েন্ট, মগবাজার, মালিবাগ, আজিমপুর মোড়সহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সব পয়েন্টে পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকবে। রাস্তায় সতর্ক পাহারায় থাকবে র‌্যাব। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য রাজধানীর প্রবেশদ্বারগুলোয় থাকছে র‌্যাব ও পুলিশের অন্তত ২০ নিরাপত্তা চৌকি। তবে এর বাইরেও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় থাকবে অর্ধশতাধিক চেকপোস্ট।

এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, রায় ঘোষণা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আদালতের রায়কে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে কেউ যদি এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় তাহলে তাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে।

জানা গেছে, রেলপথে দুর্বৃত্তদের যে কোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। রেলওয়ে পুলিশ সদর দফতর থেকে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দেওয়া হয়েছে বিশেষ নির্দেশনা। এ ছাড়া রেলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেলপথসংলগ্ন পুলিশ ও র‌্যাবের কার্যালয়গুলোর সহায়তা চেয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। একই অবস্থা থাকছে মহাসড়কগুলোতেও।

রেলওয়ে পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবুল কাশেম বলেন, রায়কে কেন্দ্র করে অন্য সময়ের চেয়ে রেলের নিরাপত্তা কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি রেলগাড়ি ও রেললাইনে নির্দিষ্ট স্থান অন্তর পুলিশ পাহারা থাকবে যাতে কোনো ধরনের নাশকতার ঘটনা না ঘটে।

পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি (ইনটেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স) মনিরুজ্জামান বলেন, ১০ অক্টোবর বড় ধরনের একটা মামলা রায়ের দিন। এ দিনে যে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা থেকেই যায়। তবে এসব মোকাবিলায় পুলিশের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি ছাড়াও বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। নিরাপত্তা তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ব্যক্তির নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

২১ আগস্ট হামলা মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতা-কর্মী। ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর মামলাটি যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষায় যৌথ অভিযানে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

দেশের খবর: সারা দেশে নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বয়ে শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান। আগামী সপ্তাহের প্রথমদিকে এ অভিযান পরিচালনা করবে যৌথ বাহিনী।

এ অভিযানের লক্ষ্য হচ্ছে- সারা দেশে নির্বাচনী পরিবেশ নির্বিঘ্ন করা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, পলাতক জঙ্গিদের গ্রেফতার, রাজনৈতিক ক্যাডারদের আধিপত্য দমন ও তালিকা অনুযায়ী নাশকতাকারীদের গ্রেফতার করা। একই সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী গ্রুপের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ক্যাডারদেরও আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে যৌথ বাহিনী। পুলিশ সদর দফতরের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল রোববার বলেন, যেখানে যে মাত্রার অভিযান প্রয়োজন, সেখানে তেমন অভিযান চালানোর নির্দেশনা দেয়া আছে। নির্বাচনের পরিবেশ নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে তথ্য বিনিময় করছে।

এতে যেখানে নাশকতা বা বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে তা প্রতিহত করতে কাজ করছে। সাঁড়াশি অভিযানের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন যে মাত্রার অভিযান প্রয়োজন তা চলমান আছে, তবে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের পর অভিযানের ধরন বদলে যেতে পারে। সেটা পরিস্থিতি বলে দেবে।

জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই ভোট কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিতে করণীয় ঠিক নির্ধারণে একটি খসড়া করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে মাঠপর্যায়ের পুলিশকে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি ভোট কেন্দ্র থেকে অন্যটির দূরত্ব কত এবং কোন ভোট কেন্দ্রে কতসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য প্রয়োজন তার প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে।

এ প্রতিবেদনের নিরিখে চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রে কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দেয়া হবে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রের তালিকা, কোন কোন কেন্দ্রে এর আগে বিশৃঙ্খলা হয়েছে তাও রিপোর্টে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রভিত্তিক হামলা বা বিশৃঙ্খলাকারীর দলীয় পরিচয়সহ তালিকা করে পাঠাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন (সিএমপি) পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান রোববার বলেন, কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ চলছে। কোন কোন কেন্দ্রে কী ধরনের ঝুঁকি আছে তা এখন থেকেই রিপোর্ট আকারে প্রস্তুত করা হচ্ছে। যেহেতু সামনে নির্বাচন তাই সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশনা এসেছে।

তিনি বলেন, একটি কেন্দ্রে কী ধরনের ঝুঁকি এবং কারা হামলা বা বিশৃঙ্খলা করতে পারে সে বিষয়ে পরিপূর্ণ তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের পরই সাঁড়াশি অভিযানের প্রস্তুতি রয়েছে। এ কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনের পরিবেশ রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপযুক্ত সময়ে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করবে।

পুলিশ সদর দফতরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের অপেক্ষায় আছেন তারা। তবে তাদের পূর্ণ প্রস্তুতি এখনই রয়েছে। নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের পর দেশের ভেতরে যাতে কোনো গোষ্ঠী অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সে বিষয়টি মাথায় রেখেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুতি নিয়ে আছে।

এ কর্মকর্তা আরও জানান, দুই সপ্তাহ ধরে যে অভিযান অব্যাহত আছে; তাতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এছাড়া সব রেঞ্জ, মেট্রোপলিটন ও জেলা পুলিশকে আগের চেয়ে সতর্ক প্রহরায় থাকতে নির্দেশনা রয়েছে।

এর কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এ ধরনের নির্দেশনা এসেছে। বিশেষ কোনো গোষ্ঠী যেন আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে না পারে সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তিনি আরও জানান, পুলিশ সদর দফতরে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে চলতি সপ্তাহে। এ বৈঠকের পরপরই পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করে রেঞ্জের ডিআইজি, বিভিন্ন মেট্রোপলিটনের কমিশনার, জেলা এসপিসহ অপারেশনাল ইউনিটের দায়িত্বশীলদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকের পরই শুরু হবে যৌথ বাহিনীর অভিযান। ইতিমধ্যে এ অভিযানের একটি রূপরেখা প্রাথমিকভাবে তৈরি করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এজন্য স্বাভাবিক অভিযানের বাইরে যৌথ বাহিনী লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান চালাবে। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পুলিশ সদর দফতর হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কার্যালয়ে পাঠানো হবে।

পুলিশ সদর দফতর সূত্র আরও জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশের সর্বত্র অভিযান চলছে। এ অভিযানের সঙ্গে যোগ হবে যৌথ বাহিনী, যার পরিধি বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন রকমের হবে। প্রতি বড় জেলায় যৌথ বাহিনীর সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ জন সদস্য থাকবে।

ছোট আয়তনের জেলায় থাকবে ২০০ থেকে ২৫০ জন। আগের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহিংসতাকবলিত জেলা, সন্ত্রাসকবলিত জেলা ও সরকারবিরোধীদের নাশকতার জন্য টার্গেট করা জেলা হিসেবে ক্যাটাগরি করেছে। তবে এসব স্থান থেকে প্রতিদিনই সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিশৃঙ্খলার চেষ্টায় মদদদাতা হিসেবে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী রয়েছে গ্রেফতার তালিকায়।

সরকারের একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা বিশৃঙ্খলা করতে পারে। এজন্য যৌথ বাহিনীর অভিযানে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে বাছাই করা কর্মকর্তাদের নিয়োজিত করা হচ্ছে।

সরকারবিরোধী চক্রের লোকজন যেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার করে সরকারকে বিব্রত করতে না পারে সেজন্য প্রযুক্তিগত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে র‌্যাবের গোয়েন্দারা এ ধরনের দু’জন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে। যারা সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের নিয়ে অপ্রপচারের ছক করেছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কী ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জানতে চাইলে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতে সন্ত্রাসী গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলছে।

একই সঙ্গে যারা নাশকতাকারী তাদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে যে ধরনের অভিযান প্রয়োজন তা চলছে। অপরদিকে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমেদ বলেন, যে কোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। খুব দ্রুত সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, অভিযানে দলীয় লোকের পরিচয় মুখ্য নয়, শাসক দল ও এর বিদ্রোহী গ্রুপের কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের দমনেও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।

পুলিশ সদর দফতরের এডিশনাল ডিআইজি (ইন্টিলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গোয়েন্দারা মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করছে। বিশেষ করে জঙ্গি-সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারীরা কোনোভাবে মাথাচাড়া দিচ্ছে কিনা, তারা কোনো সুযোগ নিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। তবে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে গোয়েন্দা রাডারে তাদের ধরা পড়তে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest