সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

একসঙ্গে কাজ করবে বিজিবি-বিএসএফ

অনলাইন ডেস্ক: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে ৪৭তম সীমান্ত সম্মেলন আজ জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশন (জে আর ডি) স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া সীমান্ত সম্মেলন শেষে আজ সীমান্ত হত্যা বন্ধ, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীদের অনুসন্ধান ও মানবপাচার রোধসহ আটটি বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছে একসঙ্গে কাজ করার যৌথ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

ঐক্যমতে পৌঁছানো বিষয়গুলো হল সীমান্ত হত্যা বন্ধে পদক্ষেপ, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর অনুসন্ধান, সীমান্ত লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, মানবপাচার রোধ, জাল মুদ্রা পাচার রোধ, আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তে উন্নয়ন, ক্রাইম ফ্রি জোন ঘোষণা, সুসম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করা।

শুক্রবার দিল্লির লোধি রোডে অবস্থিত বিএসএফ’এর সদর দফতর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ-বিজিবি)-এর ডিজি পর্যায়ের ৪৭ তম বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই বাহিনীর ডিজি উপস্থিত ছিলেন। সেখানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজিবি’র ডিজি মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে ভারতের মাটিতে বড় ধরনের কোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি। আপনারা জানেন এই মুহূর্তে বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার চলছে, আমাদের জিডিপি এখন ৭.১ শতাংশ এবং দেশের মানুষ প্রকৃত অর্থেই খুব সুন্দর জীবন উপভোগ করছেন। তাই সংঘবদ্ধভাবে বা বিশাল সংখ্যায় দেশত্যাগ করার কোন ঘটনা নেই।’
বিজিবি ডিজি’র অভিমত যে সমস্ত বাংলাদেশি নাগরিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসেন, তারা মূলত সাংস্কৃতিক বন্ধন ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কারণেই সীমান্ত অতিক্রম করেন। তিনি জানান ‘অনেক বাংলাদেশি নাগরিকেরই আত্মীয়-স্বজনরা এপারে (ভারত) থাকেন। সেই সম্পর্কের খাতিরেই তারা এপারে আসেন। তাই প্রধান এই কারণেই অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে। কিন্তু বন্ধু ও পরিবারের সাথে দেখা করে তারা আবার ফিরেও আসেন এবং সেই সংখ্যটাও নগন্য।’
অন্যদিকে বিএসএফ ডিজি কে. কে. শর্মা বলেন, ‘ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে চলতি বছরে ১৫২২ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৬৬ জন অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, বাকিরা পাচার হয়ে আসা। নির্যাতিত ও অপরাধীদের মধ্যে পার্থক্য বোঝার জন্য আমাদের সেনাবাহিনীকে আরও সংবেদনশীল করা হয়েছে।
সীমান্ত বরাবর গবাদি পশু পাচারের ঘটনাও কমেছে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন দুই দেশের ডিজি। তাদের অভিমত সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে গবাদি পশু পাচারের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে-এর প্রথম কারণ সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি, দ্বিতীয়ত বাংলাদেশে গবাদি পশুর লালন-পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
অন্যদিকে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর হার কমেছে বলে জানান বিজিবি’র ডিজি। তিনি বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা নিয়ে বাংলাদেশ যথেষ্ট উদ্বিগ্ন এবং যারা পাচারের সাথে জড়িত থাকে তাদের সাথেই এই জিনিস বেশি হয়ে থাকে। এই বিষয়টি অনুধাবন করে দুই বাহিনী একযোগে কাজ করছে। আমরা এই সীমান্ত হত্যার সংখ্যা শূণ্যে নামিয়ে আনতে চাই। সীমান্তে যাতে গবাদি পশু পাচারের ঘটনা না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক রয়েছি। তাছাড়া পাচারের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ছে কিন্তু পাচার কম হওয়ার ফলে দেশের মানুষও স্বয়ং সম্পূর্ণ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
বিএসএফ ডিজিও আরো বলেন, ‘আমি খুবই খুশি যে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত সীমান্তে একটিও বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনা নেই।’
রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে কে. কে. শর্মা জানান, ‘আমরা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত রয়েছি। মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে প্রচুর সংখ্যায় রোহিঙ্গা নাগরিক আশ্রয় নিয়েছে এবং সেখান থেকে ছোট ছোট দলে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা তাদের সেই প্রচেষ্টাকে সফল হতে দেইনি। তাই সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে বড় সংখ্যায় কোন রোহিঙ্গা প্রবেশের ঘটনা নেই। দেশে এখনও পর্যন্ত যে রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে, তারাও কিছু কিছু জায়গায় যথেষ্ট চাপে রয়েছে এবং সেই কারণেই তারা এখন পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিচ্ছেন। কারণ এই রাজ্যটিতে তারা কিছুটা স্বস্তি অনুভব করার কারণেই দেশের অন্য প্রান্ত থেকে সেখানে আসছে এবং সেই রোহিঙ্গাদের জন্য শিবিরও খোলা হয়েছে।’ এখনও পর্যন্ত রাজ্যটিতে ৭০ টি পরিবারের খোঁজ মিলেছে বলেও জানান তিনি।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সতর্ক রয়েছে বিজিবিও। বিজিবি প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে প্রচুর রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন এবং বিজিবিসহ অন্য নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি সবসময় তাদের ওপর নজর রাখছে এবং একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু তার পরেও দেশের অন্য প্রান্তে তারা চলে যাচ্ছেন।’
ভারত সফরকালে বিজিবি ডিজি সফিনুল ইসলাম গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং’এর সাথেও সাক্ষাত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব মাথাব্যথাকে অবহেলা নয়; হতে পারে মারাত্মক রোগের লক্ষণ

স্বাস্থ্য কণিকা: কম-বেশি সকলেই মাথা ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকেন। রোদে ঘোরাঘুরি, ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, মাইগ্রেন-সহ অন্যান্য অনেক কারণেই মাথা ব্যথার সমস্যা হতে পারে। আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনেকেই মাথা ব্যথার সমস্যাকে খুব অবহেলা করি। কখনও কম, কখনও বেশি এ সব ব্যথাকে আমরা অধিকাংশ সময়েই তেমন একটা গুরুত্ব দিতে চাই না। অথচ এ সব ব্যথাই হতে পারে অনেক বড় কোনও সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ যা ভবিষ্যতে মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হয়ে দাঁড়াতে পারে! তাই এ সব ব্যাথাকে মোটেই অবহেলা করা উচিত নয়। হয়তো আপনার অবহেলার কারণে মারাত্মক সমস্যাটি বেড়েই চলেছে দিনের পর দিন! তাই জেনে রাখা ভাল কোন ধরণের মাথাব্যথা মারাত্মক রোগের লক্ষণ হতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক…
১। হুট করে শুরু হয়ে মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে অসম্ভব রকমের মাথাব্যথার সমস্যা শুরু হওয়া অনেক মারাত্মক একটি সমস্যা। আর এই মাথাব্যথার কারণ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, স্ট্রোক এবং অ্যানিউরিজম। সুতরাং, সতর্ক থাকুন!
২। মাথায় কোনও আঘাত পাওয়ার পর থেকে মারাত্মক ব্যথা শুরু হলে তা মোটেই অবহেলা করবেন না। অনেকেই ভাবেন আঘাত পেলে ব্যথা তো করবেই! কিন্তু আপনার অবহেলার কারণে আপনি পড়তে পারেন মারাত্মক সমস্যায়। খুব সামান্য আঘাতের কারণেও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে যা মাথার খুলিতে চাপের সৃষ্টি করে।
৩। প্রতিদিন সকালে উঠে কি মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন? মাথাব্যথা সেই সাথে বমি করার সমস্যা প্রায় নিয়মিত লক্ষ্য করলে তা অবহেলা করা মোটেই উচিত নয়। এটি হতে পারে মারাত্মক একটি রোগের লক্ষণ। যদি বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা কমতে থাকে, আবার হাঁটাচলা, শারীরিক পরিশ্রম, মাথা নিচু করা ইত্যাদির সঙ্গে সঙ্গে মাথাব্যথা বাড়তে থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিত্সকের পরামর্শ নিন কারণ, এটি ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ হতে পারে।
৪। সবচেয়ে মারাত্মক মাথাব্যথার সমস্যা হচ্ছে সেলেব্রাল অ্যানিউরিজমের। মাথার সঙ্গে এই ব্যথা গলা, ঘাড়েও অনুভূত হতে থাকে, সেই সঙ্গে বমি বা বমি বমি ভাব। এরই সঙ্গে আলোতেও ব্যথা বাড়ার প্রবনতা দেখা দেয়। এই সমস্যা লক্ষ্য করলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সংসদে দুই নম্বর চেয়ারে বসতে চাই না’

দেশের খবর: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘আমরা আর বিরোধী দলে থাকতে চাই না, এবার আমরা ক্ষমতায় যেতে চাই। সংসদে দুই নম্বর চেয়ারে বসতে চাই না।’
আজ শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পার্টির যৌথসভায় প্রমাণ হবে, আমরা শক্তি অর্জন করেছি। আমরা ক্ষমতায় যেতে প্রস্তুত।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি।
শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় এখানে জাতীয় পার্টির যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলা, উপজেলা ও মহানগর ছাড়াও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা এতে উপস্থিত থাকবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গোপন নথির বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

দেশের খবর: তৎকালীন পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে করা গোপন নথি নিয়ে ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক ১৪ খণ্ডের বইয়ের প্রথম খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে গণভবন প্রাঙ্গণে বইটির প্রকাশনা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথম খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি হিসেবে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্যাতিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু আন্দোলন করেছেন, আত্মত্যাগ করেছেন। কিন্তু স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুকে সময় দেয়া হয়নি। ৭৫-এ নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই দেশে উন্নয়ন। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে দেশের উন্নয়নে কাজ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। তাই আজ বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।
ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।
অন্যদের মধ্যে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) দায়িত্বপালনের সময় এসব গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংগ্রহে সহায়তাকারী বর্তমান পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান, হাক্কানী পাবলিশার্সের প্রকাশক গোলাম মোস্তফা।।
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে অমূল্য এসব ডকুমেন্ট দেশ, জাতি ও বহির্বিশ্বে পৌঁছে দেয়ার প্রয়াসে ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক ১৪ খণ্ডে বই আকারে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্রীর চাপেই রানির সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য হন গোবিন্দ

বিনোদনের খবর: সুনিতাকে বিয়ে করেছেন। নর্মদা আহুজা এবং যশবর্ধন নাম দুই সন্তানকে নিয়ে আপাতত সুখেই সংসার করছেন অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ। কিন্তু সুনিতার সঙ্গে বাগদান পর্ব সেরেও প্রথমে সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন তিনি। কিন্তু কেন?
গোবিন্দর বর্তমান থেকে যদি বেশ কয়েক ধাপ পিছিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে এমন কিছু সত্যি সামনে আসবে, যা শুনলে চমকে যাবেন আপনিও। গোবিন্দ যখন উঠতি নায়ক, সেই সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় নিলমের। বলিউডের সেই সময়ের নবাগতা নিলমকে দেখে কী মনে হয়েছিল, তখন একটি সাক্ষাতকারে তা প্রকাশ করেন তিনি।
সেই সাক্ষাতকারে গোবিন্দা বলেন, সাদা শর্টস পরে, চুল ছেড়ে দেওয়া নিলমকে যখন দেখেছিলেন, তখন যেন নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি তিনি। প্রাণলাল মেহতার অফিসে নিলমের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর থেকেই যেন তাকে ভুলতে পারছিলেন না গোবিন্দা। এরপর নিলমের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ারও শুরু করেন তিনি। কিন্তু কোনভাবেই নিলমকে মনের কথা বলে উঠতে পারেননি।
এসবের মাঝেই সুনিতার সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করে দেওয়া হয় বাড়ির তরফ থেকে। কিন্তু কোনভাবেই নিলমকে ভুলতে পারছিলেন না তিনি। এমনকি, মায়ের চাপে যখন সুনিতাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যান গোবিন্দ, তখন হবু স্ত্রীকে পাল্টে ফেলার চেষ্টা করেন তিনি।
সেই সাক্ষাতকারে গোবিন্দ বলেন, নিলমের মত করে নিজেকে তৈরি করতে হবে বলে বার বার চাপ দিতেন সুনিতাকে। যাতে রেগে যেতেন সুনিতা। কোনভাবেই নিজেকে পরিবর্তন করতে পারবেন না বলেও গোবিন্দাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন সুনিতা। শুধু তাই নয়, নিলমের সঙ্গে কি সম্পর্ক আছে? সুনিতা সেই প্রশ্নও বার বার করতেন। ফলে হবু স্ত্রীর উপর রেগে যান তিনি। এবং বাগদান ভেঙে দেন।
বাগদান ভেঙে দেওয়ার পর সুনিতা নাকি ৫ দিন ধরে তার সঙ্গে কথা বলেননি। যোগাযোগও করেননি। এরপর গোবিন্দর মায়ের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত সুনিতাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যান গোবিন্দা। এরপর নিলমও ক্রমশ বলিউডের অন্য অভিনেতাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার শুরু করেন। যে দেখে মনে মনে রেগে যেতেন বলেও জানান গোবিন্দা। কিন্তু ততদিনে সবকিছু হাতের বাইরে চলে যায়। মন থেকে চেয়েও নিলমকে এই কারণেই আর বিয়ে করতে পারেননি বলে সেই সাক্ষাতকারে জানান গোবিন্দা।
শুধু তাই নয়, নিলমের পাশাপাশি জুহি চাওলা এবং দিব্যা ভারতীকেও তার ভাল লাগত। দিব্যা এমন একজন অভিনেত্রী, যাকে দেখে যে কোনও পুরুষেরও ভাল লাগতে পারে বলেও মন্তব্য করেন গোবিন্দা। শুধু তাই নয়, যদি কখনও তিনি চান এবং তার কুন্ডলীতে লেখা থাকে, দ্বিতীয় বিয়ের কথা, তাহলে তিনি অবশ্যই করবেন। এর জন্য সুনিতাকে সব সময় মনের দিক থেকে তৈরি থাকতে হবে বলেও জানান গোবিন্দা।
যদিও তা আর হয়নি। সুনিতার সঙ্গেই সুখে সংসার করছেন বলিউডের এই জনপ্রিয় নায়ক। তবে শুধু নিলম, জুহি বা দিব্যাই নন, রানি মুখার্জির সঙ্গেও এক সময় সম্পর্কে জড়ান গোবিন্দা। শোনা যায় ‘হাদ কর দি আপনে’-র শুটিংয়ের সময় রানির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। রানিকে নিয়ে মুম্বইতে থাকতেও শুরু করেন গোবিন্দ।
রানিকে ফ্ল্যাট কিনে দেওয়া থেকে শুরু করে দামি উপহার এবং গাড়ি, কোনও কিছু দিতেই কসুর করেননি তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রানির সঙ্গেও ভেঙে যায় গোবিন্দর সম্পর্ক। শোনা যায়, স্ত্রী সুনিতার চাপে পড়েই শেষ পর্যন্ত রানির সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য হন গোবিন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরিতে উত্তর কোরিয়ার নাগরিক : যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার এক নাগরিককে দায়ী করে তার পরিচয় প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পার্ক জিন হিয়ক নামের ওই কম্পিউটার প্রোগ্রামারকে ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সনি করপোরেশন এবং ২০১৭ সালে বিশ্বজুড়ে ‘ওয়ানাক্রাই র‍্যানসমওয়্যার’ সাইবার হামলার ঘটনায় দায়ী করেছে মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে আইনজীবী ট্র্যাসি উইলকিনসন এক সংবাদ সম্মেলনে পার্ক জিন হিয়কের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের কথা জানান। উত্তর কোরিয়া সরকার হ্যাকারদের সহযোগিতা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার একটি গ্রুপ বিশ্বের বিভ্ন্নি ব্যাংকে ২০১৫ সাল থেকে সাইবার হামলা করে আসছে এবং এখন পর্যন্ত এক বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলারের বেশি চুরি করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন (আট কোটি ১০ লাখ) মার্কিন ডলার চুরির ঘটনা একটি।
রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্র উদ্যোগ নিলেও নিজেদের এই নাগরিককে উত্তর কোরিয়া বিচারের জন্য ওয়াশিংটনের হাতে তুলে দেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। দুই দেশের মধ্যে অপরাধী হস্তান্তরের কোনো চুক্তিও নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, পার্ক জিন হিয়ক ‘লাজারাস গ্রুপ’ নামে একটি হ্যাকার দলের সদস্য। এদের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা করা। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে পার্ক জিন হিয়ক এবং তিনি যে চীনা কোম্পানিতে কাজ করেন, সেই চোসান এক্সপোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

তবে উত্তর কোরিয়ায় বসবাসরত এই সাইবার হামলাকারীর বিচারের উদ্যোগ মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয় নিলেও, দুই দেশের মধ্যে আসামি বা বন্দি হস্তান্তরের কোনো চুক্তি না থাকায় তা সফল হবে কি না তা স্পষ্ট নয়।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে (ফেড) রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ভুয়া সুইফট বার্তা পাঠিয়ে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো দুই কোটি ডলার লোপাট আটকানো গেলেও ফিলিপাইনে যাওয়া আট কোটি ১০ লাখ ডলার জুয়ার টেবিল ঘুরে হাতবদল হয়ে যায়। তার মধ্যে প্রায় দেড় কোটি ডলার ফিলিপাইন সরকার উদ্ধার করে ফেরত দিলেও বাকি অর্থের হদিস মেলেনি।

২০১৭ সালের জুন জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের মধ্যে তিন কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার উদ্ধার করা হয়েছে।

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫)-এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৪ ধারায় ও ৩৭৯ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাজর ও বিটের রসের উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: গাজর এবং বিটে উপস্থিত ‘ডিটক্সিফায়ার’ শরীরের অন্দরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে দেহের অন্দরে বিষাক্ত উপাদানের মাত্রা বেড়ে গিয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। শুধু তাই নয়, মেলে আরও অনেক উপকার, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নিয়মিত এক গ্লাস করে বিটের রস খাওয়া শুরু করলে শরীরের যে যে উপকারগুলি হয়ে থাকে, সেগুলো হলো-
১. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত বিটরুট বা বিটের রস খেলে হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হৃদপিণ্ডের অন্দরে প্রদাহ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। ফলে কোনো ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও কমে। এই কারণেই তো যাদের পরিবারে হার্টের রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের ৩০-এর পর থেকেই নিয়মিত বিটের রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
২. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: বাড়ির বাইরে খেতে খেতে পাকস্থলি কাজ করা বন্ধ করে দিতে বসেছে। ফলে বাড়ছে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ? ফিকার নট! কাল থেকে এক গ্লাস করে বিট রুটের রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন স্টমাক তার হারিয়ে যাওয়া ক্ষমতা ফিরে পাবে। ফলে হজম ক্ষমতা এমন বেড়ে যাবে যে অম্বল ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। রাশি অনুসারে এই সপ্তাহটা কেমন যাবে জেনে নিতে চান নাকি? বাড়ির এই জায়গায় লাফিং বুদ্ধার মূর্তি রাখলে দেখবেন দুঃখ আপনাকে ছুঁতে পর্যন্ত পারবে না! জন্মাষ্টমী দিন ভগবান কৃষ্ণের মন জয় করতে বিভিন্ন রাশির জাতকদের কি কি নিয়ম মেনে পুজো করতে হবে?
৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে: যেভাবে স্ট্রেস আমাদের ঘিরে ধরছে, তাতে রক্তের আর কি দোষ বলুন! রাগে-দুঃখে-হতাশায় সে ফুলে ফেঁপে উঠছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে রক্তচাপ। এমন অবস্থায় রক্তকে ঠাণ্ডা করতে পারে একমাত্র বিটের রক্তিম রস। আসলে রক্তের মতোই দেখতে এই রসটিতে রয়েছে নাইট্রেস, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. লিভার ফাংশনের উন্নতি ঘটে: প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম, বিটেইন, ভিটামিন বি, আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে এই সবজিটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। কারণ সবকটি উপাদানই নানাভাবে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, লিভারের অন্দরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানেরা যাতে ঠিক মতো বেরিয়ে যেতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে বিটের অন্দরে থাকা বিটেইন এবং ফাইবার।
৫. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: মস্তিষ্কের সোমাটোমটোর কটেক্স অঞ্চলে অক্সিজেনেশানের উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে ব্রেন নিউরোপ্লাস্টিসিটি বাড়াতে বিটের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আর একবার মস্তিষ্কের এই বিশেষ অংশটির ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে স্মৃতিশক্তির উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে বুদ্ধির বিকাশ ঘঠতেও সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, বিটের অন্দরে থাকা নাইট্রেট শরীরে প্রবেশ করে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে যায়, যা ব্রেণের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুমার শানুর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

বিনোদনের খবর: ভারতের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী কুমার শানু পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়েছেন। নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরও রাতে গানের অনুষ্ঠান চলায় কুমার শানু ও আয়োজকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিহারের মুজাফফরপুরের একটি অনুষ্ঠানে লাউড স্পিকারে গান চালানো হয়। সেই অনুষ্ঠানে পারফর্ম্যান্স করছিলেন কুমার শানু। আর সময় নির্ধারণ করা ছিল রাত ১০টা পর্যন্ত। কিন্তু সময় অতিক্রম করা হলেও গান থামানো হয়নি। তাই এলাকাবাসী আয়োজকদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। আর সেই অভিযোগে ৬০ বছর বয়সী গায়ক কুমার শানুর নামও যুক্ত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest