সর্বশেষ সংবাদ-
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভা

আমাকে ব্যান করবেন না প্লিজ: কোহলি

খেলার খবর: বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা বিরাট কোহলি। যেকোন শক্তিশালী প্রতিপক্ষের জন্যই আতঙ্ক তিনি। তবে ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে মেজাজ হারিয়ে বিরাট এক বিতর্কে জড়ান কোহলি। ওই সফরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিডনি টেস্টে দর্শকদের দিকে ‘মধ্যমা’ দেখিয়ে তীব্র মসালোচনার শিকার হন এই ভারতীয় ক্রিকেটার। সেই ঘটনা নিয়ে এই প্রথম মুখ খুললেন ভারত অধিনায়ক।
২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে সিডনিতে দ্বিতীয় টেস্টে বাউন্ডারি লাইনের ধারে ফিল্ডিং করছিলেন কোহলি। তখন বেশ কিছু অস্ট্রেলিয়ান সমর্থক কোহলিকে উদ্দেশ্যে করে কিছু কথা বলেছিলেন। যা বিরাট সহ্য করতে পারেননি। মাথা গরম করে দর্শকদের দিকে খারাপ অঙ্গভঙ্গি করেছিলেন তিনি। নিজের ‘মধ্যমা’ দর্শকদের দেখিয়েছিলেন। গোটা ঘটনাটি ভিডিও ক্যামেরায় ধরাও পড়ে।
উইজডনের এক সাক্ষাত্কারে কোহলি বলেন, “‌২০১২ সালে সিডনি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ান দর্শকদের মধ্যমা দেখিয়েছিলাম। পরের দিন ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মধুগালে আমাকে নিজের ঘরে ডেকে পাঠান। তিনি আমাকে বলেন, বাউন্ডারি লাইনের ধারে কী হয়েছিল?‌ আমি বলেছিলাম, তেমন কিছুই না। এরপরেই তিনি খবরের কাগজটা আমাকে খুলে দেখান, যেখানে প্রথম পাতায় ছিল আমার ছবিটা। আমি এরপর ওনাকে বলেছিলাম সত্যি আমি দু:খিত। আমাকে ব্যান করবেন না প্লিজ। সত্যি বলতে রঞ্জন মধুগালে খুব ভাল মানুষ ছিলেন। আমায় শাস্তি দেননি। কারণ উনি বুঝেছিলেন আমার বয়স তখন কম। কম বয়সে এমন ভুল মানুষ করে ফেলে।”
প্রসঙ্গত, সেই ঘটনার জন্য কোহলিকে শুধু ম্যাচ পারিশ্রমিকের ৫০ শতাংশ কেটে নিয়েই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই অস্ট্রেলিয়া সফরে বেশ ভালই খেলেছিলেন কোহলি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়ায় দুঃস্থ ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্ধকৃত ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুলতানা জাহানের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন। এসময় তিনি বলেন-জননেত্রী শেখ হাসিনা অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে বিশে^র দরবারে মানবতার মা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে এগিয়ে নিতে এবং জাতির ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ আ.লীগ সরকার উন্নয়নের সরকার। আ.লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের জনগণ শান্তিতে থাকে। দেশের সাধারণ মানুষ উন্নয়নের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় বসাবে। কলারোয়া উপজেলার ২৭জন দুঃস্থ ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে ৬৭ ব্যান্ডেল ঢেউ টিন এবং চেক বিতরণ করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ, ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার নুরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম মনি, শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, এসএম মনিরুল ইসলাম, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি শিক্ষক দীপক শেঠ, কলারোয়া রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খান চৌধুরী পলাশ, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, কলারোয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কম্পিটার সহকারী রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় শিক্ষাবৃত্তির চেক ও সাইকেল বিতরণ

কলারোয়া প্রতিনিধি : দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে কলারোয়া উপজেলা পরিষদের এডিপি অর্থায়ণে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের শিক্ষাবৃত্তির চেক ও সাইকেল বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বেলা ১০টার দিকে কলারোয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মিলনায়তনে ইউএনও মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ, ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার নুরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম মনি, শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, এসএম মনিরুল ইসলাম, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি শিক্ষক দীপক শেঠ,কলারোয়া রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খান চৌধুরী পলাশ, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি ৭৭জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২লাখ ৩০হাজার টাকার চেক ও ২৫টি বাইসাইকেল বিতরণ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরীক্ষা হলে সন্ত্রাসীদের হামলায় দুই শিক্ষার্থী আহত

অনলাইন ডেস্ক: কিশোরগঞ্জে একটি কারিগরি শিক্ষা কেন্দ্রের পরীক্ষা হলে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা প্রায় এক ঘণ্টা কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে রাখে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ সায়েন্স এন্ড মেডিকেল টেকনোলজির নার্সিং, ফিজিওথেরাপি ও ল্যাবরোটরি বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষা চলছিল সদর উপজেলার বৌলাই এলাকায় সাস্ট ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি নামক একটি প্রতিষ্ঠানে। এ সময় বহিরাগত একদল সন্ত্রাসী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ এনে প্রথমে শিক্ষকদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু করে। এক পর্যায়ে দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে রিয়াদ ও মনিকা নামে ফিজিওথেরাপি বিভাগের দুজন পরীক্ষার্থী আহত হন।
ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ সড়কের বৌলাই সড়কে অবস্থান নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। এর ফলে দুদিক থেকে বিভিন্ন যানবাহন আটকা পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে বিচারের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেন।
সদর মডেল থানার ওসি আবুশামা মো. ইকবাল হায়াত জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাহিমা আক্তার নামে এক শিক্ষার্থীকে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ হামলার পিছনে তার ইন্দন থাকতে পারে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মা সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মা সমাবেশ একটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। একটি শিক্ষিত জাতি গঠনে একটি শিক্ষিত মায়ের প্রয়োজন এটা আমরা সকলেই জানি। শিশুদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে একজন মায়ের ভূমিকা অগ্রগন্য। প্রত্যেকটি শিশুর বিষয়ে একজন মা‘ই জানে তার সন্তানটি কেমন। একটি শিশুর স্কুলে আসা ও যাওয়া, লেখাপড়ার শেখার জন্য মায়েরদের ভ’মিকা অগ্রগন্য। একজন শিশুকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে ঐ শিশুটির স্কুলে লেখাপড়া ও বাড়িতে লেখাপড়ার খোজ খবর নেয়া, বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করা, স্কুলের ড্রেস পরে স্কুলে আসা, কোন অভদ্র আচরন না করা, স্কুলের টিফিন নিয়ে আসা, বই খাতা নিয়ে আসা, সময় মত স্কুলে আসা, স্কুলের ক্লাশ ঠিকমত করা এইসব বিষয়গুলো অনস্বীকার্য। আর এই সমস্ত কাজে মায়ের সহায়তা কামনা করে প্রত্যেকটি স্কুলে মা সমাবেশ করা অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়। আর এর অন্যতম একটি কারন হচ্ছে একটি শিশু সবচেয়ে তার মাকে বেশী মেনে চলে। তাই প্রত্যেক মাসে যদি মায়েদের সাথে স্কুলের শিক্ষকদের একটি মতবিনিময় করা হয় তবে সেটা খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রত্যেকটি শিশুকে সুশিক্ষা দেয়ার জন্য সকল কাজে মায়ের সহায়তা কামনা করে মা সমাবেশ করা প্রয়োজন। মায়েদের সাথে শিক্ষকদের মতবিনিময় ও অবহিতকরন সভা করা হলে মায়েরাও তাদের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সচেতন হন এবং তাদের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে ড়গে তুলতে কাজ করতে পারেন। মায়েরা যদি তাদের সন্তানদের দিকে খেয়াল না রাখেন তাহলে ঐ শিশুটি কখনো মানুষের মতো মানুষ হতে পারেনা। তাই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মা সমাবেশ একটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। — মোঃ হাফিজ-আল আসাদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দেবহাটা, সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৯ মাদ্রাসা শিক্ষক আটক, গোপন বৈঠকের দাবি পুলিশের

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদরের বকচরা মাদ্রাসার নয়জন শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। মাদ্রাসায় তারা গোপন মিটিং করছিলেন বলে দাবি পুলিশের।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম জানান, জামায়াত সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজন শিক্ষক বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় চাকুরি করেন। তারা বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদ্রাসার একটি কক্ষে গোপন মিটিং করছিলেন। এ সময় তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে জামায়াতের দুই নেতার নাম জানা গেছে। এরা হলেন সাতক্ষীরা সদর পশ্চিম জামায়াতের সেক্রেটারি মওলানা শাহাদাত হোসেন ও আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মওলানা আবদুস সামাদ। এছাড়া আরও রয়েছেন গোলাম সরোয়ার, হাফিজুর রহমান, আবুল খায়ের, মোজাম্মেল হক, মোজাফফর হোসেন, আজম ফারুক, আবদুল হামিদ। তারা সবাই ওই মাদ্রাসার শিক্ষক।
মাদ্রাসার সুপার মো. রমজান আলি জানান তিনি গত ১ এপ্রিল ওই মাদ্রাসায় যোগদান করেছেন। যাদের আটক করা হয়েছে তাদের কেউ জামায়াত করেন কিনা তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেন নি। তিনি জানান আটকের সময় সবাই ক্লাসরুমে ক্লাস নিচ্ছিলেন। তবে তিনি ছুটিতে ছিলেন।
পুলিশ পরিদর্শক আরও জানান আটকের পর যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোহলিকে ছাড়িয়ে ফিটেস্ট ক্রিকেটার হাসান আলি

খেলার খবর: সময়টা দারুণ যাচ্ছে পাকিস্তানের স্পিডস্টার হাসান আলির। সেই ধারাবাহিকতায় ইয়ো-ইয়ো টেস্টে তিনি সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। ফিটনেস পরীক্ষায় সর্বাধিক নম্বর পেয়েছেন হাসান আলি (২০)। যা কিনা বিরাটের বেঞ্চমার্ককেও (১৯) টপকে গেছে। পাক-ভারত ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনিই এখন ফিটেস্ট ক্রিকেটার।
এছাড়া অবাক করা পারফরম্যান্স দিয়ে সবার চোখ কপালে তুলে দিয়েছেন সরফরাজ আহমেদ এবং শোয়েব মালিকও। ৩১ বছরের পাক তারকা সরফরাজ ফিটনেস্ট পরীক্ষায় বিরাটের থেকে কেবল আট পয়েন্ট পিছিয়ে। পাকিস্তানের ফিটেস্ট ক্রিকেটারদের মধ্যে সামনের সারিতেই আছেন ৩৬ বছরের শোয়েব মালিকও। ইয়ো-ইয়ো টেস্টে তার অর্জিত পয়েন্ট ১৭.২।
ইয়ো-ইয়ো টেস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের সবচেয়ে ফিট ক্রিকেটার ভারতীয়-এ দলের অধিনায়ক মনীষ পান্ডে (১৯.২)। তারপরেই আছেন বিরাট কোহলি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বদঅভ্যাস থেকে মুক্তির ৫ উপায়

অনলাইন ডেস্ক: মানুষ অভ্যাসের দাস। অভ্যাস যে খারাপ কোনও জিনিস তা নয়, তবে বদঅভ্যাস না থাকাই শ্রেয়। সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঠিক কীভাবে পাঁচটি পন্থা অনুসরণ করে বদঅভ্যাসের জাল থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক ধাপগুলো সম্পর্কে-

১. কমিয়ে আনুন দুশ্চিন্তার মাত্রা
এক গবেষণা্য় উঠে এসেছে, মানুষ দুশ্চিন্তায় থাকলে ধূমপান কিংবা মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে। এর কারণ হচ্ছে, মস্তিষ্কে সে সময় ডোপেমেইন নামক একটি কেমিক্যাল কাজ করা শুরু করে যা ক্ষণিকের জন্য মানুষকে দুশ্চিন্তার হাত থেকে রেহাই দেয়। কিন্তু বিষয়টি স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভাল নয়, উল্টো ক্ষতিকর। আর তাই গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে ধূমপান বা মিষ্টি জাতীয় দ্রব্যাদি গ্রহণের পরিবর্তে ঘুমানোর সময় বাড়িয়ে দেওয়া, ভালো গান শোনা, ব্যয়াম করা। এতে করে ক্ষণিকের জন্য নয় নয়, বেশ দীর্ঘ সময়ের জন্যই কমবে দুশ্চিন্তা।

২. অভ্যাসের কারণ সম্পর্কে জানুন
প্রতিটি অভ্যাসের তিনটি পর্যায় থাকে- কারণ, নিয়ম, পুরস্কার। আপনি যদি আপনার বদঅভ্যাসের প্রথম ধাপটি সম্পর্কে অবহিত থাকেন, তাহলে বদঅভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়টি অনেকটাই সহজ হয়ে আসে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি একটি কাজ পুনরায় তখনই করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, যখন আপনি তা এর আগেও করেছেন এবং সাময়িক আনন্দ পেয়েছেন। সেজন্য গবেষকরা জানিয়েছেন, যে অভ্যাসটি ত্যাগ করতে চাচ্ছেন, সেটির কারণ সম্পর্কে জানুন। তাহলে অভ্যাস ত্যাগ করার রাস্তাটি সহজ হয়ে আসবে অনেকটাই।

৩. গড়ে তুলুন ভালো কোনও অভ্যাস
বদঅভ্যাসটির পরিবর্তে ভালো কোনও অভ্যাস গড়ে তুলুন। আর বদঅভ্যাস মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠতে চাইলেই তা দমন করুন ভালো অভ্যাসের মাধ্যমে। তবে মনে রাখবেন, কাজটি সহজ নয়। এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধূমপানের কথা। ধরে নেওয়া যাক, আপনি ধূমপায়ী এবং সে অভ্যাস থেকে বের হয়ে আসতে চাচ্ছেন। এখানে ভালো অভ্যাস হিসেবে গড়ে তুলুন, চুইংগাম চিবানো বা চকোলেট জাতীয় কিছু খাওয়া। যখনই বদঅভ্যাস মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে চাইবে তখনই ভালো অভ্যাসটি প্রয়োগ করুন। গবেষকদের মতে, এ পন্থাটি ভালো কাজে দেয়।

৪. অভ্যাস ত্যাগের যুক্তিসংগত কারণ খুঁজে বের করুন
গবেষকরা জানিয়েছেন, কেন অভ্যাসটি ত্যাগ করতে চাইছেন, তার একটি দৃঢ় একটি যুক্তিসংগত কারণ খুঁজে বের করুন। এতে করে আপনি নিজেই নিজেকে সামলে রাখতে পারবেন অনেকটা। যুক্তিসংগত কারণের মধ্যেই খুঁজে পাবেন অভ্যাস ত্যাগের প্রেরণা। কারণ যখন দেখবেন, অভ্যাসটি আদতে ভালো কিছু বয়ে আনেছে না আপনার জন্য, তখন আপনি আক্ষরিক অর্থেই তা মন থেকে ত্যাগ করতে চাইবেন।

৫. লক্ষ্য তৈরি করুন
একবারেই অভ্যাস ত্যাগের চিন্তা না করে, স্বল্পমেয়াদী সময়সীমা নির্ধারণ করুন। এই সময়সীমা হতে পারে কয়েক ঘন্টা বা কয়েক মাস, সম্পূর্ণ বিষয়টিই আদতে নির্ভর করছে আপনার ওপর। সময়সীমা নির্ধারণের পর সেগুলোকে লক্ষ্য হিসেবে নিন এবং পূরণ করার চেষ্টা করুন। গবেষকদের মতে, এতে করে নিজের সঙ্গেই একটি মানসিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয় এবং স্বল্পমেয়াদী হয় বলে অধিকাংশ মানুষ সহজে ওই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারে। এভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে থাকুন, দেখবেন একটি সময় অভ্যাস ত্যাগের জন্য আর মনের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest