সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক আলিমের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম আর নেইস্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে ডাঃ শিহাবের তত্ত্বাবধানে শুরু হলো অত্যাধুনিক লিভারের পরীক্ষা ফাইব্রোস্ক্যানসাতক্ষীরায় পাঁচ দিনে ৭২ ডেঙ্গু রোগী, সচেতনতায় বাড়ি বাড়ি স্বেচ্ছাসেবকবিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্তসাতক্ষীরার কালিন্দী নদী সীমান্তে পুশ-ইনের অপচেষ্টা বিএসএফের : প্রতিহত করল বিজিবিসাতক্ষীরায় অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পৌরসভাসাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তরদেবহাটায় ইছামতীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনশরৎ এলো — নাসির খলিল

বি চৌধুরীর ফর্মুলা; বিএনপির ১৫০ যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্য প্রক্রিয়ার ১২০ আসন!

রাজনীতির খবর: যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা সভাপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিএনপির সঙ্গে ঐক্যের নতুন ফর্মুলা দিয়েছেন। এতে বিএনপিকে ১৫০ আসন এবং যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়ার সম্ভাব্য জোটকে ১২০ আসন দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া জামায়াতকে বাদ দিয়ে ২০ দলীয় জোটের শরিক অন্য ১৮ দলকে ২০টি আসন এবং সুধীসমাজের মধ্য থেকে ১০ জনকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সূত্র মতে, বি চৌধুরীর ফর্মুলায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বিএনপির পছন্দ অনুযায়ী হবে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি ও ন্যায়পাল পদে মনোনয়ন হবে যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়ার পছন্দ অনুযায়ী।

সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে লিখিত ওই প্রস্তাব তুলে দেওয়া হয়েছে বলে যুক্তফ্রন্টের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপি ওই প্রস্তাবে গুরুত্ব দিতে চাইছে না। বরং এ ধরনের প্রস্তাবকে তারা বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করছে। গতকাল রাতে জেএসডির সভাপতি আ স ম রবের বাসায় অবশ্য ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ঐক্যে আগ্রহী দলগুলোর দাবিদাওয়া নিয়ে অবশ্যই আলোচনা হবে। তিনি বলেন, আলোচনা চলছে, আলোচনা চলবে।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়টি আমরাও চাই। তবে সেটি আলোচনার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসবে।’

ফর্মুলার প্রথম ধাপ : চার ধাপে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে ফর্মুলায়। প্রথম ধাপের প্রস্তাবে যুক্তফ্রন্টভুক্ত তিন দল (বিকল্পধারা, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য), গণফোরামের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া এবং বিএনপিসহ ১৮ দলকে জাতীয় ঐক্যে সম্পৃক্ত করার কথা বলা হয়েছে। জোটের নাম হবে জাতীয় যুক্তফ্রন্ট। কৌশলে বিএনপির প্রধান শরিক জামায়াতকে বাদ দিয়ে বলা হয়েছে, স্বাধীনতাবিরোধীদের বাদ দিয়ে জোট করা হোক। প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে, জোট ঘোষিত হওয়া মাত্র ২০ দলীয় জোটের কর্মকাণ্ড স্থগিত ও নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে এবং জাতীয় যুক্তফ্রন্টের নামে কর্মসূচি পালন করা হবে। তবে দলগুলো নিজ নিজ উদ্যোগে নিজস্ব কর্মসূচি পালন করতে পারবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়।

দ্বিতীয় ধাপ : ‘সংসদে ভারসাম্য=ক্ষমতার ভারসাম্য= স্বেচ্ছাচারমুক্ত বাংলাদেশ’ এভাবে উল্লেখ করে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এই নীতিতে জাতীয় যুক্তফ্রন্ট সংসদে একটি ভারসাম্য আনতে চেষ্টা করবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে লড়াই করবে। এই ভাগে বিএনপি ১৫০, ১৮ দল ২০টি আসন, যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়া ও অন্যান্য ১২০ আসন এবং সুধীসমাজকে ১০টি আসন ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেন বি চৌধুরী। তবে সুধীসমাজের জন্য ছেড়ে দেওয়া ১০টি আসনের মধ্যে পাঁচটি বিএনপির পছন্দে এবং পাঁচটি যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়া পছন্দ অনুযায়ী মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলা হয় প্রস্তাবে। বি চৌধুরীর প্রস্তাব অনুযায়ী সুধীসমাজের পাঁচজনের মনোনয়নসহ বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোটকে ১৭৫ আসনে মনোনয়নের এখতিয়ারের কথা বলা হয়।

তৃতীয় ধাপ : প্রস্তাবে বলা হয়, বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া প্রত্যেকেই নিজ নিজ দল বা জোটের নির্বাচনী ইশতেহার প্রস্তুত করবে পরে। এগুলো সমন্বয় করে একটি ইশতেহার ঘোষণা করতে হবে। আর চূড়ান্ত ইশতেহারের সঙ্গে কয়েকটি আইনের খসড়া প্রস্তাবও সংযুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়। যেমন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনী, অ্যার্টনি জেনারেল ও দুর্নীতি দমন কমিশনের গঠন নিয়োগ কিভাবে হবে ইত্যাদি।

চতুর্থ ধাপ : এ ভাগের প্রস্তাবে সরকারের ভারসাম্য আনার জন্য রাষ্ট্রপতি ও ন্যায়পাল—এ দুটি পদে নিয়োগের জন্য নাম যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়া প্রস্তাব করবে বলে বি চৌধুরী উল্লেখ করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রস্তাব অনুযায়ী হবে। এ ছাড়া তিনি বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার পদ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেন।

এর আগে গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও তাঁর ছেলে মাহী বি চৌধুরী দেড় শ আসনে মনোনয়ন চেয়ে আলোচিত হন। বিএনপি ওই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয় বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হচ্ছে জানিয়ে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মিথ্যা প্রকাশনার নাম করে বিজ্ঞাপন চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ আদায়ের জন্য জালপত্র পাঠানো হচ্ছে।
এ ধরনের জালপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বহিঃপ্রচার) এর ফোন নম্বরে (৯৫৬২৯৫২) যাচাই করার জন্য বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতিসংঘ জলবায়ু রিপোর্ট: ভয়াবহ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘের জলবায়ু রিপোর্ট বলছে, আগে যা ভাবা হয়েছিল তার চেয়েও কঠোর পরিণতির মুখে পড়বে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল সমুদ্র উপকূলীয় দেশগুলো। বাড়বে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, ঘন ঘন খরা, বন্যা ও দাবদাহ দেখা দেবে।
রিপোর্টে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে আগে ভাবা হয়েছিল শিল্পপূর্ব যুগের তুলনায় তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে সমস্যা কম হবে। কিন্তু নতুন গবেষণা দেখা গেছে দেড় ডিগ্রি বাড়লেই দেখা দেবে বিপর্যয়। আর এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উপকূলীয় কৃষি নির্ভর অর্থনীতিগুলো।
দিল্লিভিত্তিক সেন্টার ফর সায়েন্স এন্ড এনভায়রনমেন্টের মহাপরিচালক সুনিতা নারাইন বলেন, ‘বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রাক-শিল্পযুগের তুলনায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে কিছুটা বেশি বেড়েছে। এতেই নানা দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছে উপকূলীয় দেশগুলোর কৃষি খাত। এটি আরও বাড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।’
বর্তমানে বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৬ষ্ঠ। ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০ সালে এই সূচকে কৃষি নির্ভর বদ্বীপ বাংলাদেশকে রাখা হয়েছিল ১ নম্বরে।
জাতিসংঘের জলবায়ু রিপোর্ট ২০১৮ অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উপকূলীয় কৃষি ও মৎস্য খাত। এতে বাংলাদেশেই কয়েক কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সূত্র-বিবিসি, এনডিটিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন দুই মার্কিনি

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং বৃহদাকার অর্থনৈতিক গবেষণা করে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের জন্য এবার অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ উইলিয়াম ডি. নর্ডহাস ও পল এম. রোমার।
সোমবার (০৮ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমের কারোলিনস্কা অ্যাকাডেমিতে স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় পৌনে ৪টা) যৌথভাবে তাদের নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস।
তাদের পুরস্কার দেওয়ার কথা জানিয়ে বিবৃতিতে নোবেল কমিটি জানিয়েছে, এবার অর্থনীতিতে নোবেল জয়ীদের মধ্যে উইলিয়াম ডি. নর্ডহাস বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থনীতির গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দিক বের করে এনেছেন। এছাড়া আরেক বিজয়ী এম. রোমার বড় পরিসরে অর্থনৈতিক গবেষণা করে বিশ্বে টেকসই উন্নয়নে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের বিপ্লব ঘটিয়েছেন।
গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের প্রকৃত প্রভাব পরিমাপ করতে যেখানে নীতিনির্ধারকরা ব্যর্থ হচ্ছেন, সেখানে এমন মডেলগুলো ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দিক প্রবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেল ইয়েল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর নর্ডহাস। এজন্য তিনি জলবায়ু অর্থনীতি বিষয়ে গবেষক হিসেবে মার্কিনিদের কাছে সুপরিচিত ব্যক্তি।
আর নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত শিক্ষক রোমার বিশ্বব্যাপী টেকসই প্রবৃদ্ধিকে কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় তার বিষয়ে গবেষণা করে সফলতা পান।
পুরস্কার হিসেবে একটি করে সোনার মেডেল পাবেন দু’জনে। সেইসঙ্গে পুরস্কারের ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার ভাগ করে নেবেন তারা।
সোমবার অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হলো এ বছরের নোবেল আসর। প্রতিবছরের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠানটি চিকিৎসা, পদার্থ, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি- এ ছয়টি খাতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বিশ্বব্যাপী এ পুরস্কার ঘোষণা করে। এটি ১৯০১ সাল থেকে নিয়মিতই ঘোষণা করা হচ্ছে।
যদিও এবার সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়নি। ২০১৯’এ এ বছরেরটি যোগ করে একসঙ্গে দু’টি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নোবেল কমিটি।
এর আগে ১ অক্টোবর (সোমবার) চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ বছরের আসর। সেদিন চিকিৎসায় যৌথভাবে নোবেল পেয়েছিলেন মার্কিন গবেষক জেমস পি. অ্যালিসন ও জাপানের তাসুকো হনজো।
ধারাবাহিকভাবে পরেরদিন ২ অক্টোবর (মঙ্গলবার) পদার্থবিদ্যায় ‘লেজার ফিজিক্সে’ বিশেষ উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান তিন বিজ্ঞানী আর্থার আসকিন, জেরার্ড মোরউ ও ডোননা স্ট্রিকল্যান্ড।
৩ অক্টোবর (বুধবার) রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন- ফ্রান্সেস এইচ আর্নল্ড, জর্জ পি. স্মিথ ও স্যার গ্রেগরি পি. উইন্টার। এনজাইমের বিবর্তনে পরিচালনা এবং পেপটাইড ও অ্যান্টিবডির ফেজ প্রদর্শন করার জন্য তাদের এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
৫ অক্টোবর (শুক্রবার) যুদ্ধে যৌন-সন্ত্রাস বন্ধে প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে শান্তিতে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান কঙ্গোর চিকিৎসক ডেনিস মুকওয়েগে এবং ইরাকের ইয়াজিদি মানবাধিকারকর্মী নাদিয়া মুরাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মমতাজের নতুন গান ‘ডালিম গাছ’

বিনোদনের খবর: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত নির্মাতা মাসুদ পথিকের নতুন চলচ্চিত্র মায়া-দ্য লস্ট মাদার-এ গাইলেন মমতাজ। চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের চিত্রকর্ম ‘নারী’ এবং কবি কামাল চৌধুরীর ‘যুদ্ধশিশু’ কবিতা অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্রটি।
এতে ‘ডালিম গাছ’ শিরোনামের একটি গানে সম্প্রতি কণ্ঠ দিলেন মমতাজ। মাসুদ পথিকের লেখা ‘ডালিম গাছ’ নামের গানটির সুর করেছেন প্লাবন কোরেশী ও সংগীতায়োজন করেছেন মুশফিল লিটু।
‘বাড়ির ওই পূর্বধারে একটা ডালিম গাছ/ বুকের ভেতর গোপন বাসা দুইটা পাখির বাস’- এমন কথার গানটির তিনটি আলাদা ভার্সন তৈরি করা হয়েছে। রাজধানীর একটি স্টুডিওতে সম্প্রতি রেকর্ড শেষ হলো গানটির।
এটি শিগগিরই ইউটিউবে প্রকাশ হবে জানিয়ে নির্মাতা মাসুদ পথিক বলেন, “মমতাজ আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় একজন শিল্পী। মাটি ও মানুষের গানে তার কণ্ঠ যেন মধু হয়ে ঝড়ে। আমার ছবির ‘ডালিম গাছ’ গানটিতেও তিনি দারুণ গেয়েছেন। গানের কথা, সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মমতাজের গায়কী শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।”
গানটি প্রসঙ্গে মমতাজ বলেন, “খুব চমৎকার বিষয় নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করছেন পরিচালক মাসুদ পথিক। তার লেখায় ‘ডালিম গাছ’ গানটিও বেশ সুন্দর। প্রেম, আদর, বিরহ মেশানো গানটি গেয়ে খুব আরাম পেয়েছি। আমার মনে হয় দর্শক-শ্রোতারা গানটি গ্রহণ করবেন ভালোবেসেই।”
এদিকে নির্মাতা জানালেন, শুটিং শেষে বর্তমানে ‘মায়া’ রয়েছে সম্পাদনার টেবিলে। ছবিটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন কলকাতার মুমতাজ সরকার ও জ্যোতিকা জ্যোতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটে ‘বাজি ধরা’ বৈধ হোক: প্রীতি জিনতা

অনলাইন ডেস্ক: টি-টোয়েন্টির সংস্করণ আসার পর থেকেই অর্থের মোহ বেড়েছে। ক্রিকেট বাণিজ্যে পরিণত হওয়ার পর থেকেই বাজিকরদের কারণে ভদ্র লোকের খেলা ক্রিকেটে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। লাগামহীন হয়ে যাচ্ছে ক্রিকেট বেটিং তথা ‘বাজি ধরা।’
আর এই বেটিংকে যেহেতু কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না সেহেতু আইন কর তা বৈধ করে দেয়া উচিত। এমনটিই মনে করছেন, আইপিএলের দল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের ফ্রাঞ্চাইজি মালিক প্রীতি জিনতা।
সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রীতি বলেছেন, ‘অনেকেই এখন ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে জড়িত। যেহেতু কোনো ভাবেই ম্যাচ গড়াপেটা বন্ধ করা যাচ্ছে না। সেহেতু আইন করে বেটিং বৈধ করে দেয়া উচিত। এতে করে সরকারের কোষাগারে অনেক টাকা জমা পড়বে।’
সম্প্রতি বলিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার, সালমান খানের ভাই আরবাজ খান নিজে স্বীকার করেছেন আইপিএলে জুয়া খেলে তিনি প্রায় তিন কোটি টাকা হারিয়েছেন।
২০১৩ সালে আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের কারণে বেশকিছু ক্রিকেটার ধরা পড়েছিলেন। শুধু ক্রিকেটারই নয়, বেটিং কাণ্ডে ফ্র্যাঞ্চাইজিদেরও নির্বাসনে যেতে হয়েছে। এবার সেই বেটিংকেই আইনত বৈধতা দেয়ার ব্যাপারে মত দিয়েছেন প্রীতি জিনতা।
শুধু আইপিএলেই নয়, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কারণে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। নিষিদ্ধ হয়েছেন কয়েকজন ফ্রাঞ্চাইজি মালিকও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদ্মা সেতু থেকে পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেললাইন হবে

দেশের খবর: আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি পদ্মা সেতু থেকে পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেল ব্যবস্থা নিশ্চিত করবো। এ নিয়ে কাজ চলছে। আমরা ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছি যেহেতু তারাই শতবর্ষ আগে রেলপথ নির্মাণ করেছিল। জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এদেশের সব উন্নয়ন কাজ থেমে গিয়েছিল।
সোমবার (০৮ অক্টোবর) বিকেলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসকরা ঠিকমতো স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে না। সরকার প্রতিষ্ঠান বানিয়ে দেবে আর চিকিৎসক সংকটে মানুষ সেবা পাবে না তা হতে দেয়া হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এ অঞ্চলে শিক্ষার জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। আমরা এ অঞ্চলে যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ করেছি। এখানে যেন যাতায়াত ব্যবস্থা আরো সহজ হয় সে ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিম্বাবুয়ে সিরিজে হারলেই বিপদ বাংলাদেশের

খেলার খবর: র‌্যাঙ্কিংয়ের নিচের দলের সঙ্গে খেললে সুবিধার চেয়ে অসুবিধাই বেশি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে একটি ওয়ানডে হারলেও বিপদ বাংলাদেশের। সিরিজ জিতেও পয়েন্ট হারাতে পারে টাইগাররা।
আসন্ন সিরিজে বাংলাদেশ যদি ৩-০ ব্যবধানে জিতে তবেই কেবল একটি রেটিং পয়েন্ট পাবে। বর্তমানে টাইগারদের পয়েন্ট ৯২। তখন হবে ৯৩। তবে হারলেই বিপদ।
যদি বাংলাদেশ একটি ম্যাচ হেরে যায় আর ২-১ ব্যবধানে জিতে, তবে ২টি রেটিং পয়েন্ট হারাবে। টাইগারদের তখন পয়েন্ট হবে ৯০। আর কোনো কারণে যদি জিম্বাবুয়ে সিরজে জিতে যায়, তবে তো কথাই নেই।

২-১ ব্যবধানে জিম্বাবুয়ে জিতলে ৫টি রেটিং পয়েন্ট হারাবে বাংলাদেশ। হবে ৮৭ পয়েন্ট। আর ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হলে টাইগাররা হারাবে ৭ রেটিং পয়েন্ট। তখন পয়েন্ট হবে ৮৫।
হোয়াইটওয়াশ হলেও অবশ্য র‌্যাঙ্কিংয়ের অবস্থান হারানোর কথা না বাংলাদেশের। এখন তারা আছে সপ্তম অবস্থানে। অষ্টম অবস্থানে থাকা শ্রীলঙ্কার রেটিং পয়েন্ট ৭৭। অর্থাৎ বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হলেও লঙ্কানদের থেকে ৮ পয়েন্ট এগিয়ে থাকবে।
তবে একটি যদি কিন্তুর হিসেব আছে। যদি জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জিতে আর শ্রীলঙ্কা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জিতে, তবে র‌্যাঙ্কিংয়ে লঙ্কানদের পেছনে পড়ে যাবে টাইগাররা। তখন শ্রীলঙ্কার রেটিং পয়েন্ট হবে ৮৬, বাংলাদেশের ৮৫।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest