সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক আলিমের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম আর নেইস্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে ডাঃ শিহাবের তত্ত্বাবধানে শুরু হলো অত্যাধুনিক লিভারের পরীক্ষা ফাইব্রোস্ক্যানসাতক্ষীরায় পাঁচ দিনে ৭২ ডেঙ্গু রোগী, সচেতনতায় বাড়ি বাড়ি স্বেচ্ছাসেবকবিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্তসাতক্ষীরার কালিন্দী নদী সীমান্তে পুশ-ইনের অপচেষ্টা বিএসএফের : প্রতিহত করল বিজিবিসাতক্ষীরায় অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পৌরসভাসাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তরদেবহাটায় ইছামতীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনশরৎ এলো — নাসির খলিল

জাতীয় শ্রমিকলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদন

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জাতীয় শ্রমিকলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর’১৮ তারিখে জাতীয় শ্রমিকলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ছাইফুল করিম সাবু ও সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক স্বাক্ষরিত এক পত্রে উক্ত কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি ঢালী মোঃ সামছুল আলম, সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদ, রবিউল ইসলাম(নবু), আলমগীর হোসেন, আবুল কাশেম খোকা, ইমাদুল হক, আহসান গাজী, রাশিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান (বিপুল), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহারিয়ার স্বপন, আবু মুছা (রনি), সাংগঠনিক সম্পাদক শিমুল হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মফেজ গাজী, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন, দপ্তর সম্পাদক তারিকুল ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, অর্থ বিষয়ক সাজেদুর রহমান (ছোট), সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বাহারুল ইসলাম, আইন ও দর কষাকষি বিষয়ক সম্পাদক মেছের আলী গাজী, সহ-আইন ও দরকষাকষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মজিদ, শিক্ষা-সাহিত্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক দেবব্রত চক্রবর্তী, সহ-শিক্ষা-সাহিত্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রাজু আহমেদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, সহ-ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, শ্রমিক কল্যাণ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সহ-শ্রমিক কল্যাণ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ইবাদুল মোড়ল, ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক সাইফুর রহমান সুজন, সহ-ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক শংকর কুমার মন্ডল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা শম্পা খাতুন, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা রেহানা আক্তারসহ বাকীদের সদস্য করে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন মায়া

দেশের খবর: দুদকের করা দুর্নীতির মামলায় খালাস পেয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।
সোমবার এ মামলায় ১৩ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুর করে তাকে অব্যাহতি দেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
এর আগে ১৪ আগস্ট পুনঃশুনানি শেষে হাইকোর্ট রায়ের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ঠিক করেছিলেন। পরে রোববার ফের শুনানি শেষে সোমবার রায় দেয়া হয়।
আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার, ড. বশির আহমেদ ও সাঈদ আহমেদ রাজা।
রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহরীন ও এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।
পরে সাঈদ আহমেদ রাজা জানান, আদালত তার আপিল মঞ্জুর করেছেন। ফলে তিনি খালাস পেয়েছেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, আদালত ত্রাণমন্ত্রীর আপিল মঞ্জুর করেছেন, ফলে তিনি ১৩ বছরের দণ্ড থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নুরুল আলম সূত্রাপুর থানায় এ মামলাটি করেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ জজ আদালত মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে জরিমানাও করেন। আপিলের পর ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর আওয়ামী লীগের এ নেতার ১৩ বছরের কারাদণ্ড বাতিল করেছিলেন হাইকোর্ট।
এর বিরুদ্ধে দুদকের আবেদনের পর ২০১৫ সালের ১৪ জুন মায়াকে হাইকোর্টের দেয়া খালাসের রায় বাতিল করেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ।
একই সঙ্গে হাইকোর্টে নতুন করে আপিল শুনানির নির্দেশও দেয়া হয়। পরে রিভিউ খারিজ করেন আপিল বিভাগ। এর পর আপিল বিভাগের আদেশ অনুসারে হাইকোর্টের এ বেঞ্চে পুনরায় শুনানি হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘরকে পোকামুক্ত রাখার কিছু সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক: পোকামাকড় নেই এমন বাসা খুঁজে পাওয়া ভার। পোকামাকড় একবার বাড়িতে ঘাঁটি গেড়ে বসলে তা দূর করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে ঘরকে পোকামুক্ত করা যে পুরোপুরি অসম্ভব তা কিন্তু নয়। একটু সচেতন হলেই এই সমস্যা দূর সম্ভব। আসুন জেনে নেই, ঘরকে পোকামুক্ত রাখার কিছু সহজ উপায়।

১. ভিনেগার
রান্নাঘরের উপাদান ভিনেগার দিয়ে দূর করতে পারেন পোকামাকড়। এক অংশ ভিনেগার এবং দুই অংশ পানি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ঘরের আনাচে কানাচে ব্যবহার করুন। দেখবেন পোকার বংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

২. শসা দূর করে তেলাপোকা
শসা কাটার সময়ে দুপাশের অংশ আমরা ফেলেই দেই। এগুলো না ফেলে সংরক্ষণ করুন। এগুলোকে রেখে দিন বিভিন্ন কোনায়, কাপবোর্ডের ভেতরে, আলমারির ভেতরে। এগুলোতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান তেলাপোকা পছন্দ করে না ফলে তারা এসব জায়গায় আসবে না।

৩. গোল মরিচের পেস্ট
তেলাপোকা নামের যন্ত্রণাদায়ক উপদ্রবের হাত থেকে রেহাই করবে একটি পেস্ট। গোলমরিচ গুঁড়া, পেঁয়াজ, রসুন এবং পানি দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। পেষ্ট কিছুটা তরল করে তৈরি করবেন। এবার এটি স্প্রের বোতলে ভরে রাখুন। যেখানে তেলাপোকা দেখবেন সেখানে স্প্রে করুন। দেখবেন তেলাপোকা পালিয়ে গেছে। শুধু তেলাপোকা না অন্যান্য পোকা মাকড়ের হাত থেকে আপনার ঘরকে রক্ষা করবে।

৪. ইঁদুর রোধ করতে ব্যবহার করুন স্টিলের স্ক্রাবার
ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র বা দেয়ালে ফুটো থাকলে ইঁদুর সেখানে আরও বড় গর্ত করে ফেলে এবং আসবাবপত্রের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এই যন্ত্রণা রোধ করতে এসব ফুটো হয় মেরামত করে ফেলুন নয়তো এখানে স্টিলের স্ক্রাবার গুঁজে দিন যাতে ইঁদুর এসব জায়গা দিয়ে যাতায়াত করতে না পারে।

৫. পিপারমেন্ট অয়েল
পোকা পিপারমেন্ট অয়েলের গন্ধ সহ্য করতে পারে না। কিছু পরিমাণ পানির সাথে আট ফোঁটা পিপারমেন্ট অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি স্প্রের বোতলে ভরে রাখুন। ঘরের প্রতিটি কোনায় এটি স্প্রে করুন। ভিনেগার এবং পিপারমেন্ট এসেনশিয়াল অয়েল একসাথে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।

৬. পুদিনা পাতা
পোকা দূর করতে পুদিনা পাতা বেশ কার্যকর। কিছু পরিমাণ পুদিনা পাতা কুচি করে বিছানা বা ম্যাট্রেসের চারপাশে ছিটিয়ে দিন। এছাড়া কাপড়ের ভিতরে রাখতে পারেন পুদিনা পাতা। পোকা দূর করার পাশাপাশি কাপড়ে একটি সুন্দর গন্ধ পাবেন।

৭. বাধা তৈরি করুন পিঁপড়ার রাস্তায়
পিঁপড়া অনেক ছোট হবার কারণে তাদের থামিয়ে দেওয়াটা একটু সহজ বড় প্রাণী বা পোকার তুলনায়। মরিচের গুঁড়ো, গোলমরিচের গুঁড়ো অথবা লবণের একটা লাইন তৈরি করুন তাদের চলাচলের রাস্তার ওপরে। এছাড়াও সাধারণ চক দিয়েই দাগ টেনে দিতে পারেন তাদের রাস্তার ওপর। তারা এসব ওপর দিয়ে চলাচল করতে চাইবে না এবং অন্য পথে চলে যাবে। এছাড়াও পুদিনা রাখতে পারেন তাদের রাস্তায় অথবা যেখানে এদের উৎপাত বেশি সেখানে লবঙ্গ বা ইউক্যালিপটাসের তেল মেখে রাখতে পারেন।

৮. বেকিং সোডা
প্রাকৃতিক কিলার হিসেবে পরিচিত বেকিং সোডা। ঘরের যে সকল স্থান দিয়ে পোকা মাকড় প্রবেশ করতে পারে সে সকল স্থানে বেকিং সোডা ছিটিয়ে রাখুন। কিছুদিন পর ভ্যাকিউম ক্লিনার দিয়ে বেকিং সোডা পরিষ্কার করে ফেলুন। তারপর আবার বেকিং সোডা ছিটিয়ে রাখুন ঘরের বিভিন্ন স্থানে। এটি ঘরের পোকা মাকড় দূর করে দেবে।

৯. পাইপের ফুটো মেরামত করে ফেলুন দ্রুত
ঘরের বিভিন্ন পাইপ এবং কলে লিক বা ফুটো দেখা যেতে পারে। এগুলো দ্রুত সারিয়ে নিন। কারণ এই পানি চুইয়ে যে স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থার তৈরি করে তা তেলাপোকা এবং অন্যান্য পোকাগুলোর খুব প্রিয় জায়গা। মেরামত না করলে এখানেই এরা বংশবৃদ্ধি শুরু করবে।

১০. সিলিকা জেল
ওষুধের মাঝে ছোট ছোট যে প্যাকেট থাকে সেটাকে সিলিকা জেল বলে। এই সিলিকা জেল পোকা তাড়াতে বেশ কার্যকর।

১১. কিচেন রাখুন পরিষ্কার এবং গোছানো
একটা দিন কিচেন পরিষ্কার না করলেই দেখবেন কী পরিমাণে পোকা এসে উপস্থিত হয়েছে। যে কোনো ময়লা পড়লে সেটা উঠিয়ে ফেলুন। উচ্ছিষ্ট খাবার ফ্রিজে অথবা মিটসেফে তুলে রাখুন। ওভেন এবং ফ্রিজ পরিষ্কার করুন নিয়মিত। এতে সারাবছর কিচেন থাকবে পোকামুক্ত।

১২. জিনিসপত্র নাড়াচাড়া করুন
প্লাস্টিকের ব্যাগ, তোয়ালে, বিছানাপত্র, কসমেটিক্স, বাক্স- এসব হালকা জিনিস কিছুদিন পর পরই নেড়েচেড়ে অন্য জায়গায় রাখুন, ঝেড়েমুছে নিন। কারণ এগুলোর মাঝে তেলাপোকা এবং বিভিন্ন পোকামাকড় বাসা বাঁধতে পারে যদি বেশি সময় একই জায়গায় থেকে ধুলো জমতে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক যুগ পর জম্মু-কাশ্মীরে হচ্ছে পৌরসভা নির্বাচন

বিদেশের খবর: এক যুগেরও বেশি সময় পর আজ সোমবার ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে পৌরসভা নির্বাচন হচ্ছে। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোট চলবে বিকাল ৮টা পর্যন্ত।
তবে এ নির্বাচন বয়কট করেছে রাজ্যের দুই প্রধান দল-ন্যাশনাল কনফারেন্স ও মেহবুবা মুফতির পিপল’স ডেমোক্রেটিক পার্টি। খবর এনডিটিভির।
প্রথম দফায় আজ রাজ্যের ১১০০ পৌর ওয়ার্ডের মধ্যে ৪২২টি ওয়ার্ডে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচন কেন্দ্র করে গোটা উপত্যকাকে মুড়ে দেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায়।
এ নির্বাচনে রয়েছে লাদাখ, জম্মু ও পিরঞ্জল কেন্দ্র থেকে ২৬ আসন ও ১৪৯ আসন কাশ্মীর থেকে। মোট প্রার্থীর সংখ্যা দুই হাজার ৯৯০ জন। চার দফায় হবে এ নির্বাচন, যা চলবে আগামী ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত।
তবে ইতিমধ্যে কাশ্মীরের ২৪০ প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়ই জিতে গেছেন। বিজেপি জানিয়েছে, কাশ্মীরের সাত পৌরসভা কমিটির ক্ষমতায় এসেছে তারা। তাদের ৭৫ প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মনোনীত হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিমানে টাকায় মেলে বিমানবালা

অনলাইন ডেস্ক: বহু বছর ধরেই ব্রিটিশ এয়ারলাইন্সগুলোর বেশ কিছু উড়োজাহাজের বিমানবালাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে আসছে প্রথম শ্রেণির ধনী যাত্রীরা। বিমানবালারাও মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ওই সমস্ত ধনী যাত্রীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন বলে জানা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বিমানবালা তার ১৫ বছরের কর্ম জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে বেশ কিছু অজানা তথ্য প্রকাশ করেছেন। খবর ডেইলি মিরর ও নিউইয়র্ক টাইমস।
ওই বিমানবালা বলেন, ‌‘আমি আমার আকাশ জীবনের ছোট্ট অভিজ্ঞতায় দেখেছি, বিমানের পাইলটরা প্রায়ই এয়ার হোস্টেসদের সঙ্গে ককপিটে যৌনকর্ম করছে। তাছাড়া একটু নীরব পরিবেশ পেলে এয়ারলাইন্সের সহকর্মীরাও একে অন্যের সঙ্গে উদ্যাম যৌন সম্পর্কে মেতে ওঠেন।’
তিনিআরও বলেন, ‘বিমানে এমন কিছু ধনী যাত্রী থাকেন, যারা এত বেশি অর্থ সম্পদের মালিক যে, তা আমি কখনো কল্পনাও করতে পারি না। একবার এ রকম কিছু প্রথম শ্রেণির যাত্রীদের সঙ্গে পতিতাবৃত্তির অভিযোগ এসেছিল দু’জন বিমানবালার ওপর। আর এসব মানুষদেরও যেহেতু টাকার অভাব নেই, তাই তারা বেশ খুশি মনেই মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিমানবালাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।’
সেই বিমানবালা বলেন, ‘এসবের বাইরে যাত্রীবাহী বিমানের বিমানবালাদের রাতের বেলায় অন্তরঙ্গ ডিনারের আমন্ত্রণ, হোটেল রুমে ডাকা, এমনকি নোংরা ভাবে এয়ার হোস্টেসদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেওয়াটা তাদের কাছে খুবই স্বাভাবিক বিষয়।’ বলেন ওই বিমানবালা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জসিম চলে যাওয়ার দুই দশক

বিনোদনের খবর: ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হয় আশি ও নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক জসিম।
সোমবার (০৮ অক্টোবর) ঢাকাই সিনেমার এই অ্যাকশন তারকার ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে বিএফডিসিতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
জসিম ছিলেন একাধারে অভিনেতা, প্রযোজক ও ফাইট ডিরেক্টর। তার প্রকৃত নাম আবদুল খায়ের জসিম উদ্দিন। ১৯৫০ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার কেরানিগঞ্জের বক্সনগর গ্রামে তার জন্ম হয়।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন তিনি। লেখাপড়া করেন বিএ পর্যন্ত। ১৯৭৩ থেকে তার অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিলো।
সিনেমায় জসিমের আগমন হয় খলনায়ক হিসেবে। সময়ের পরিক্রমায় দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের কাতারে পৌঁছে যান তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বড়পর্দায় দেখা গেছে তার দাপুটে পদচারণা। ঢাকার সিনেমায় তিনি নতুন ধারার মারামারির প্রচলন শুরু করেন।
দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘দোস্ত দুশমন’ সিনেমার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় জসিমের অভিষেক ঘটে। এটি ছিলো হিন্দি ‘শোলে’ সিনেমার রিমেক। এতে তিনি গাব্বার সিং চরিত্রে কাজ করে ব্যাপক আলোচিত হন। এরপর ঢালিউডে খলনায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন একক রাজত্ব করেন জসিম।
বেশ কয়েক বছর পর দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর পরিচালনায় ‘সবুজ সাথী’ সিনেমায় প্রথমবার নায়ক হিসেবে হাজির হন তিনি। এটি জনপ্রিয়তা পাওয়ায় পর খলনায়ক হিসেবে আর অভিনয় করেননি তিনি। বরং শোষিত, নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন পর্দায়।
আশি ও নব্বই দশকের প্রায় সব জনপ্রিয় নায়িকার বিপরীতেই দেখা গেছে তাকে। এর মধ্যে শাবানা ও রোজিনার সঙ্গে তার জুটিই সবচেয়ে বেশি দর্শকপ্রিয়তা পায়।

জসিমের প্রথম স্ত্রী ছিলেন নায়িকা সুচরিতা। পরে তিনি ঢাকার প্রথম সবাক সিনেমার নায়িকা পূর্ণিমা সেনগুপ্তর মেয়ে নাসরিনকে বিয়ে করেন। জসিমের নামে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার (বিএফডিসি) একটি ফ্লোরের নামকরণ হয়েছে।

জসিম প্রায় দুইশ’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এরমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো-‘তুফান’, ‘জবাব’, ‘নাগ নাগিনী’, ‘বদলা’, ‘বারুদ’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, ‘লালু মাস্তান’, ‘নবাবজাদা’, ‘অভিযান’, ‘কালিয়া’, ‘বাংলার নায়ক’, ‘গরিবের ওস্তাদ’, ‘ভাইবোন’, ‘মেয়েরাও মানুষ’, ‘পরিবার’, ‘রাজা বাবু’, ‘বুকের ধন’, ‘স্বামী কেন আসামী’ ইত্যাদি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐশ্বরিয়াকে চান উইল স্মিথ

বিনোদনের খবর: বলিউডের মশলাদার ছবি দেখতে কে না ভালোবাসে? ভালোবাসেন অস্কারজয়ী অভিনেতা উইল স্মিথও। আর এজন্যই বলিউডে একটি ভরপুর মশলাদার ছবিতে অভিনয় করার সুযোগ চান তিনি। তবে শর্ত হলো নায়িকা হিসেবে চান ঐশ্বরিয়াকে।
উইল বলেন, ‘ আমার বাকেট লিস্টের একটি হলো বলিউডের কোনো গানে নাচা। ১৫ বছর আগে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল, কথা হয়েছিলো একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে। কিন্তু তা আর হয়নি। তার সঙ্গে একটি ছবিতে অভিনয় করতে চাই।’
শনিবার, ‘হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিট ২০১৮’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উইল স্মিথ। সেখানে অভিনেতা ফারহান আখতারের সঙ্গে কথা বলার সময় এ কথা বলেন তিনি।
আলী, দ্য পারসুইট অব হ্যাপিনেস, মেন ইন ব্ল্যাক, ইন্ডিপেনডেন্ট ডে, আই অ্যাম লিজেন্ড, সুইসাইড স্কোয়াড ইত্যাদি একাধিক ব্যবসা সফল ছবিতে অভিনয় করা এই শিল্পী জানান, ভারতে আসতে তার ভালো লাগে। কারণ, ভারতের বৈচিত্র্য তাকে আকৃষ্ট করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোনালদোর পাশে পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে জটিলতা ক্রমশই বাড়ছে। ধর্ষণ অভিযোগের সঙ্গে আবার উঠে এসেছে নতুন এক যৌন অভিযোগ, যেটা ঘটেছিল সাত বছর আগে। নতুন অভিযোগ আবার ইতালিতে, যেখানে তিনি বর্তমানে খেলছেন। তবে এসবের মধ্যেই সিআর সেভেনের পাশে দাঁড়িয়েছেন তার দেশের প্রধানমন্ত্রী।
পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনিও কোস্তা বলেছেন, ‘রোনালদো একজন দুর্দান্ত ক্রীড়াবিদ, দুর্দান্ত এক ফুটবলার এবং এমন একজন যে পর্তুগালকে অনেক সম্মান এনে দিয়েছেন। সবাইকে এটা মাথায় রাখতে হবে যে, একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠা আর দোষী প্রমাণিত হওয়া এক কথা নয়।
প্রধানমন্ত্রীর মতো সাবেক রিয়াল তারকার পাশে দাঁড়িয়েছেন পর্তুগিজ জাতীয় দলের কোচ ফার্নান্ডো স্যান্টোস। তিনি বলেছেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার ফুটবলারদের সমর্থন করি। আর এক্ষেত্রে আমি বিশ্বাস করি, রোনালদো যে কথাটা প্রকাশ্যে বলেছে সে কথাকে। সে মনে করে, ধর্ষণ একটি ঘৃণ্য অপরাধ এবং নিজেকে সে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলেছে। আমি ক্রিস্টিয়ানোকে ভালোভাবেই চিনি, তিনি এই কাজ করতেই পারেন
প্রধানমন্ত্রী ও কোচের আগে তার ক্লাব জুভেন্টাসও পাশে দাঁড়িয়েছে রোনালদোর।
যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ জানিয়েছে, তারা জেরা করতে পারেন পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলারকে। ঘটনাচক্রে তাদের এই মামলার সঙ্গে উঠে এসেছে রোনালদোর একটি পুরনো যৌন কেচ্ছার প্রসঙ্গ।
এই মামলার রিপোর্টেই উল্লেখ আছে, ২০১০ সালের একটি ঘটনা, যেটি ঘটেছিল ইতালিতে। করিমা এল মাহরুগ নামের একজন যৌনকর্মী অভিযোগ করেছেন, তার সঙ্গে সময় কাটানোর পর তাকে ৩৫০০ পাউন্ড দিয়েছিলেন রোনালদো। কিন্তু তখন করিমার বয়স ছিল ১৭ বছর।
ইতালিতে ১৮ বছরের নীচে কোনো যৌনকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক করা বা তাকে অর্থ দেয়া অপরাধ। মিডিয়ার খবর, মার্কিন কর্মকর্তারা এই করিমার সঙ্গেও কথা বলতে চান।
শুধু যৌনকর্মীই নয়, রোনালদোর বিরোধী আইনজীবীরা কথা বলবেন গেমা অ্যাটকিনসনের সঙ্গেও। কে এই অ্যাটকিনসন? রোনালদো ক্যাথেরিন মায়োরগা নামের যে মার্কিন নারীকে ধর্ষণ করেছিলেন বলে অভিযোগ, তখন পর্তুগিজ তারকার বান্ধবী ছিলেন এই অ্যাটকিনসন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest