সর্বশেষ সংবাদ-
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভা

প্রিয়াঙ্কার উপর চটেছেন সালমান খান

বিনোদনের খবর: তখনও কেউ আন্দাজ করতেই পারেনি যে নিজের রোকা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। সবাইকে চমকে দিয়ে ধূমধাম করে পপ গায়ক নিক জোনাসের সঙ্গে রোকা অনুষ্ঠান সেরে ফেললেন তিনি। কিন্তু তার আগে যা করলেন তা দেখে গোটা বলিউডের চক্ষু চড়কগাছ।
আগাম কিছু না জানিয়ে সালমান খানের সিনেমা ‘ভারত’ থেকে বেরি যান প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সালমানের মুখের উপর ‘না’ বলে দেওয়ার হিম্মত ইন্ডাস্ট্রিতে খুব কম জনই দেখাতে পেরেছেন। শোনা যাচ্ছিল তাতে নাকি প্রিয়াঙ্কার উপর বেজায় চটেছিলেন সালমান। যদিও প্রিয়াঙ্কার রোকা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালমানের বোন অর্পিতা। নিক আর প্রিয়াঙ্কার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অর্পিতার ছবি ভাইরালও হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এ প্রসঙ্গে ‘বিগ বস’-এর ১২তম সিজনের উদ্বোধনে সংবাদমাধ্যমকে সালমান বলেন, ‘না না। আমি কেন প্রিয়াঙ্কার উপর রাগ করতে যাব? নিকের সঙ্গে এনগেজমেন্ট ওর জীবনের একটা সেরা মুহূর্ত। অর্পিতা তো ওই অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিল।’
তবে প্রিয়াঙ্কার মুখে ‘না’ শুনে সালমান একটু আশাহত হয়েছেন তা পরিষ্কার। সালমান বলেন, ‘তবে দুঃখের বিষয়টা হল ভারত সিনেমায় প্রিয়াঙ্কার আর থাকা হল না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিষেক-রানির ‘বন্ধুত্ব’ সম্পর্ক মেনে নেননি ঐশ্বরিয়া

বিনোদনের খবর: বলিউডের তারকা অভিনয় শিল্পী রানি মুখার্জি ও অভিষেক বচ্চন। দুজনে জুটি বেঁধে বেশ কিছু সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই দুজনের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি হয়। যে কারণে বান্টি অউর বাবলি’-তে শেষবারের মতো তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। ‘বান্টি অউর বাবলি’ বলিউডে দমদার ব্যবসা করার পরও অভিষেক-রানিকে একসঙ্গে দেখা যায়নি।
জানা যায়, ‘বান্টি অউর বাবলি’-র সময় থেকেই নাকি রানির সঙ্গে অভিষেকের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। বলিউডের একাংশের মতে, ওই সময় নাকি রানির সঙ্গে বন্ধুত্বের চেয়ে কয়েক ধাপ বেশি মাত্রার সম্পর্ক গড়ে ওঠে অভিষেকের। মাঝে মধ্যেই তাঁদের একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও দেখা যেত বলে শোনা যায়। কিন্তু, কোনও কারণে সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সেই সঙ্গে ‘চলতে চলতে’-র সময় থেকেই ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে রানির অশান্তি শুরু হওয়ায়, বচ্চনরা রানিকে দূরেই ঠেলে দেন। এমনকী, অভিষেক, ঐশ্বরিয়ার বিয়েতেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রানিকে। ফলে অভিষেক, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে রানির সম্পর্ক একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকে।
ফলে ‘বান্টি অউর বাবলি’-র সিক্যুয়েল তৈরি হলে সেখানে অভিষেক বচ্চনকে আর রাখা হবে কী না, সে বিষয়ে যথেষ্ঠ সন্দিহান জুনিয়র বচ্চন। তিনি বলেন, কোনও সিনেমার প্রজেক্টের জন্য তাঁকে বেছে নেওয়া হলে, আদিত্য চোপড়া নিজে তাঁকে ফোন করে সেই কথা জানান। কিন্তু, ‘বান্টি অউর বাবলি’ পার্ট টু-এর জন্য আদিত্যর কাছ থেকে তিনি এখনও কোনও ডাক পাননি বলেই জানান অভিষেক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক: চুল মানুষের সৌন্দর্যের একটি বড় অনুষঙ্গ। তাই শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রতঙ্গের মধ্যে মানুষের কাছে চুলের কদর অনেক বেশি। তবে ঋতু পরিবর্তন এবং দূষণের কারণে মানুষ তার বড় সাধের চুল হারাতে পারেন। পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের কাছেই এটি একটি গুরুতর সমস্যা। কিন্তু নির্দিষ্ট পদ্ধতি অবলম্বনে চুল পড়া রোধ করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক চুল পড়া বন্ধের তিনটি উপায়।
প্রোটিং সমৃদ্ধ খাদ্যগ্রহণ: আমাদের হাড়, কার্টিলেজ, ত্বক, চুল এবং শরীরের অন্যান্য অংশের গঠনের জন্য প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের চুল প্রোটিন থেকেই তৈরি। আমাদের দেহের বিভিন্ন কোষের গঠনের জন্য প্রোটিন প্রয়োজন। দেহে পর্যাপ্ত প্রোটিনের অভাবে আমাদের চুলের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। তাই চুল পড়া ও অন্যান্য সমস্যা দূর করতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য, বাদাম রাখতে হবে।
মাথায় ম্যাসাজ করান: নারকেল কিংবা ক্যাস্টার তেল আমাদের চুলের জন্য উপকারী। তাই সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন হলেও তেল দিয়ে মাথার তালুতে ৫ থেকে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করান। এতে মাথার ফলিকলগুলো অ্যাক্টিভ থাকবে এবং মাথার তালুতে পর্যাপ্ত রক্তসঞ্চালন সম্ভব হবে ও চুল পড়া বন্ধ হবে।
গরম পানিতে চুল ধোয়া বন্ধ করুন: শীতকালে গরম পানি স্নান করতে মজা লাগলেও এটা চুলকে শুষ্ক করে দেয়। তাই গরম পানি চুলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে চুল পড়ার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। তাই চুল পরার সমস্যা দূর করার জন্য ঠাণ্ডা পানিতে চুল ধোয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মদ পানে প্রতি বছর ২৮ লাখ মানুষের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: মাদক ও ধূমপানের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে নানা রকম প্রচার লক্ষ্য করা যায়। সিগারেটের প্যাকেট থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপন সবখানেই সতর্কবার্তা দেখা গেলেও মদপান রুখতে তেমন প্রচার দেখা যায় না। তবে কেবল মদপানের কারণে প্রতি বছর পৃথিবীতে মারা যাচ্ছে লাখ লাখ মানুষ।
সম্প্রতি লানসেট জার্নালে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় জানা গেছে, পুরো বিশ্বে মদপানের কারণে প্রতিবছর ২৮ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। কেবল তাই নয়, ১৫ থেকে ৪৯ বছরের মানুষের প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যুর জন্য দায়ী অপরিমিত মদপান।
সমীক্ষায় আরও জানানো হয়, ১৯৯০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে অ্যালকোহল ব্যবহার ও শরীরের উপর তার কুপ্রভাব ছড়িয়েছে ১৯৫টি দেশে। ধূমপানের মতোই মদ্যপানের ফলেও ক্যানসারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
সমীক্ষায় দেখা যায়, বর্তমান বিশ্বে তিনভাগের একভাগ (৩২ দশমিক ৫ শতাংশ) মানুষ মদ্যপানে আসক্ত। যার প্রায় ২৫ শতাংশই নারী। মদ্যপায়ীদের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিভিন্ন দেশে পড়াশুনার খরচ যেমন

শিক্ষা সংবাদ: পৃথিবীর অনেক দেশেই স্কুলে নতুন সেশনের ক্লাস শুরু হয় সেপ্টেম্বরে। আবার কোনো কোনো দেশে সেশন শুরু হয় জানুয়ারি মাসে। একেক দেশে স্কুলের একক নিয়ম-কানুন। সারা বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে অনেক পার্থক্য। বিভিন্ন দেশের কোমলমতি শিশুদের লেখাপড়ার সবচেয়ে বড় পার্থক্যটা পরিলক্ষিত হয় শিক্ষার পেছনে পরিবারের খরচের ক্ষেত্রে।

যুক্তরাষ্ট্রে কিন্ডারগার্টেন থেকে মাধ্যমিক স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর পেছনে গড়ে একটি পরিবারের খরচ হয় ৬৮৫ ডলার। গত এক যুগে খরচ দ্বিগুণের মতো বেড়েছে। এ হিসেবে সব খরচ এক সাথে যোগ দিলে যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৮ শিক্ষা বছরে অভিভাবকদের মোট খরচের পরিমাণ দাঁড়াবে ২ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হয় কম্পিউটারের পেছনে। প্রত্যেক পরিবারে এ খরচ ২৯৯ ডলার। তারপরে রয়েছে স্কুলের ইউনিফর্ম, পোশাক বাবদ খরচ হয় ২৮৬ ডলার। ট্যাবলেট ও ক্যালকুলেটরের মতো ইলকেট্রনিক যন্ত্রপাতি কিনতে লাগে ২৭১ ডলার। আর সবচেয়ে কম অর্থ খরচ হয় যেসব জিনিসের পেছনে তার মধ্যে রয়েছে ফাইল, ফোল্ডার, বই, হাইলাইটারসহ অন্যান্য সামগ্রী। এ সব জিনিসের পেছনে খরচ গড়ে ১১২ ডলার।

সন্তানের লেখাপড়ায় কত খরচ করতে হবে তা নির্ভর করছে কোন দেশে পড়াচ্ছেন তার ওপর। দেশ ভেদে এ পার্থক্য এক লাখ ডলারও ছাড়িয়ে যেতে পারে। স্কুলের বেতন, বইপত্র কেনা, স্কুলে যাওয়া আসার খরচ, থাকা-খাওয়া সব একসাথে যোগ করলে হংকং-এ প্রাথমিক স্কুল থেকে কলেজ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি খরচ হয়। অর্থাত্ স্কুলে লেখাপড়ার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হংকং। এবং অন্যান্য দেশের খরচের তুলনায় এটা খুব বেশি। হংকং-এ বৃত্তি, ঋণ, রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা এ সব বাদ দিলেও একজন শিক্ষার্থীর পেছনে অভিভাবকদের তাদের নিজেদের পকেট থেকে খরচ করতে হয় আরো ১ লাখ ৩১ হাজার ১৬১ ডলার।

এরপরেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেখানে অভিভাবকদের খরচ হয় ৯৯ হাজার ডলার। সিঙ্গাপুরে ৭১ হাজার ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮ হাজার ডলার। কিন্তু ফ্রান্সে একটি পরিবারকে তাদের সন্তানের শিক্ষা জীবনের পেছনে খরচ করতে হয় ১৬ হাজার ডলার।

গবেষণায় দেখা গেছে, ৩৩টি উন্নত দেশের মধ্যে রাশিয়ায় শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে কম সময় স্কুলে কাটাতে হয়। এক বছরে তারা স্কুলে থাকে গড়ে ৫শ ঘণ্টার মতো। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে এ সময় গড়ে ৮শ ঘণ্টা। তার মানে রাশিয়ায় একজন শিক্ষার্থী প্রতিদিন গড়ে পাঁচ ঘণ্টার মতো স্কুলে কাটায়। স্কুল খোলা থাকে আট মাস। আবার স্কুলে সময় কাটানোর জন্য রাশিয়ার ছেলে-মেয়েরা যে লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়ছে বিষয়টি তেমন নয়। রাশিয়ায় সাক্ষরতার হার ১০০%।

রাশিয়ার পরেই রয়েছে ডেনমার্কের অবস্থান। ডেনমার্কে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বছরে গড়ে এক হাজার ঘণ্টা ক্লাসে কাটাতে হয়। অর্থাত্ রাশিয়ার শিক্ষার্থীদের তুলনায় তাদের দুই মাস বেশি ক্লাস করতে হয়। ডেনমার্কে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন লম্বা সময় ধরে স্কুলে থাকতে হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা তাদের সদস্য দেশগুলোর শিক্ষার মান নিয়ে যে জরিপ পরিচালনা করে থাকে তাতে দেখা যায় ডেনমার্কের অবস্থান তালিকার শীর্ষস্থানীয় পাঁচটি দেশের ভেতরে। তার অর্থ কেউ কেউ এভাবেও ব্যাখ্যা করতে পারেন যে, বেশি সময় ধরে স্কুলে থাকলে তার একটা ভালো দিকও থাকে।— বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল গ্রেফতার

দেশের খবর: সড়ক মহাসড়কে পরিবহন দুর্ঘটনা রোধ ও দুর্ঘটনা কাজ করে আসা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার নিজ বাসা থেকে বুধবার দিনগত রাত সাড়ে ৩ টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সামসুদ্দিন চৌধুরী পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন, মিরপুর মডেল থানা পুলিশ প্রথমে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এবং পরে উপরের নির্দেশে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপি’র মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার এএসআই রিয়াজুল ইসলাম জানান, দুলাল নামের এক ব্যক্তি গতকাল থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। মামলা নং ১৪। ওই মামলায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছে।

সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘ঈদুল আজহায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন ২০১৮’ প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

সেখানে মোজাম্মেল হক বলেন, এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদযাত্রা শুরুর পর থেকে ঈদ শেষে ঢাকা ফেরার পথে মোট ২৩৭টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২৫৯ জনের।

বিগত তিনটি ঈদুল আজহায় ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার চিত্র তুলে ধরে মোজাম্মেল হক বলেন, গত ২০১৬ সালের ঈদুল আজহায় ১৯৩ দুর্ঘটনায় ২৪৮ জন মারা যায়, আহত হয় ১০৫৫ জন, ২০১৭ সালে ২০৫ দুর্ঘটনায় মারা যান ২৭৪ জন আর আহত হয় ৮৪৮ জন। দুর্ঘটনায় ১২ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১২ জন, ৪ জন চিকিৎসক, দু’জন প্রকৌশলী, ২ জন সাংবাদিক, দু’জন করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, ৪২ চালক ও হেলপার, ৫৯ জন নারী, ৩৪ শিশু ও ৮ জন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।
এসব তথ্য তুলে ধরার পর সড়ক দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু কমিয়ে আনতে ১০ দফা সুপারিশ করেন তিনি। গত ৪ বছর ধরে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ৭টি বিষয় পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতার আলোকে এ সুপারিশ করে সংগঠনটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ বছর বয়সেই সুপারমডেল!

ভিন্ন স্বাদের খবর: যে বয়সে খেলাধুলা, ছোটাছুটি আর অল্প বিস্তর পড়াশুনো নিয়ে থাকার কথা, সেই বয়সে একটি মেয়ে শিশু পৃথিবীজুড়ে সাড়া ফেলেছে তার অপূর্ব সৌন্দর্যের জন্য। তার বয়স সবে মাত্র ছয়; নাম অ্যানাস্তাসিয়া অ্যানা। এ বয়সেই বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ফলাও করে ছাপছে তার খবর। নিজের ইনস্টাগ্রামে রেকর্ডসংখ্যক অনুসারী রয়েছে তার এবং তারাই তাকে ‘বিশ্ব সুন্দরী’র খেতাবও দিয়েছে। ভবিষ্যতের সুপার মডেল হিসেবে এখনই তাকে নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

ইংলিশ জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড ‘মেট্রো’ জানিয়েছে, অ্যানার মা তাকে একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খুলে দেন। অবিশ্বাস্য ব্যাপার হল, অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পর পরই আড়াই মিলিয়ন অনুসারী যোগ দেয় তার ইনস্টাগ্রামে। ইতোমধ্যে সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ মিলিয়নেরও অধিক।

বলা যায়, অ্যানাকে এ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া কিংবা তাকে সুন্দরী হিসেবে বিশ্বের সামনে হাজির করার পেছনের কারিগর তার মা। যিনি নিয়মিত মেয়ের মডেলিং অ্যাডভেঞ্চারের ছবিগুলো ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন।

সামাজিক মাধ্যমে অ্যানার তুমুল জনপ্রিয়তা দেখে ইউরোপের মিডিয়া তাকে নতুন ‘থিলান ব্লনডিউ’ আখ্যা দিতে শুরু করেছে। কারণ ফরাসি মডেল থিলান ব্লনডিউয়ের মতোই অ্যানার রয়েছে আকর্ষণীয়া নীল চোখ আর বাদামি চুল। ছোটবেলায় দেখতে ঠিক এমনই ছিলেন ফরাসি মডেল থিলান ব্লনডিউ।

অ্যানার জনপ্রিয়তা দেখে হুমড়ি খাচ্ছে বড়সড় প্রতিষ্ঠানও। তাদের লক্ষ্য অ্যানাকে দিয়ে পণ্যের বিজ্ঞাপন করানো। ভক্তরাও তার গুণগানে পঞ্চমুখ। এক ভক্ত বলেই দিয়েছেন, অ্যানা একদিন রাশিয়ান সুপার মডেল ইরিনা শায়েকের আসন দখলে নেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেস্ট টিউবে জন্মানো বিশ্বের প্রথম সিংহশাবক

ভিন্ন স্বাদের খবর: বিশ্বে প্রথমবারের মতো জন্ম নিল টেস্ট টিউব সিংহশাবক। দক্ষিণ আফ্রিকার একটি অভয়ারণ্যে কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে জন্মানো এ সিংহশাবক দুটির একটি ছেলে ও অপরটি মেয়ে।

বলা হচ্ছে, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, তুষার চিতাসহ বিভিন্ন বিপন্ন বিড়াল প্রজাতিকে বিলুপ্তির কবল থেকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এ পদ্ধতি।

দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব প্রিটোরিয়ার একদল গবেষক বিড়াল প্রজাতির এ কৃত্রিম প্রজননবিষয়ক গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

তারা একটি পুরুষ সিংহের স্পার্ম নিয়ে একটি নারী সিংহের ভেতর স্থাপন করেন। প্রায় সাড়ে তিন মাস পর নারী সিংহটি দুটি স্বাস্থ্যবান শাবক জন্ম দেয়।

প্রিটোরিয়া ইউনিভার্সিটির স্তন্যপায়ী প্রাণী গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রফেসর আন্দ্রে গান্সউইন্দ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে জৈববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে।

বিগ ক্যাট বা বড় বিড়াল প্রজাতিগুলোও এতে আক্রান্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। এদের বিলুপ্ত হওয়া ঠেকাতেই আমাদের এ গবষণা।

জানা যায়, বিড়াল প্রজাতির প্রাণীদের বিলুপ্ত হওয়ার কবল থেকে রক্ষাবিষয়ক এক গবেষণামূলক প্রজেক্টের প্রাথমিক চেষ্টার ফসল এই সিংহশাবক দুটি।

কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিটি আফ্রিকান সিংহের ওপর প্রয়োগ করা হলেও বিড়াল প্রজাতির বাকি সদস্যদের ক্ষেত্রেও তা কার্যকর হবে এমনটাই আশা গবেষকদের।

প্রজেক্টের প্রধান গবেষক ইসাবেল বলেন, এ পদ্ধতিতে প্রজনন সিংহের জন্য এটাই প্রথম। এখন আমরা এই অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বিপন্ন বিড়াল প্রজাতির সদস্যদের রক্ষার কাজ চালাব। ভবিষ্যতে তুষার চিতা ও বাঘের ওপর এ পদ্ধতি প্রয়োগ করতে চলেছি আমরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest