সর্বশেষ সংবাদ-
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভা

বাংলা সিনেমার নতুন নায়িকা রোদেলা

বিনোদন সংবাদ: রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ‘শাহেনশাহ’ ছবির মহরত অনুষ্ঠিত হয়ে গেল।

আগেই জানা গিয়েছিল, ছবিটিতে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান এবং নুসরাত ফারিয়া অভিনয় করবেন। কিন্তু, শাকিব খানের বিপরীতে আরেক নায়িকা কে হতে যাচ্ছেন তা জানা ছিল না।
অবশেষে ছবিটির সদ্যসমাপ্ত মহরত অনুষ্ঠানে সেই নবাগত নায়িকাকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হল। নতুন এই নায়িকার নাম হলো- রোদেলা জান্নাত। সবকিছু ঠিক থাকলে শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত এই ছবিটির শুটিং খুব শিগগিরই শুরু হবে বলে জানা গেছে।কে এই রোদেলা? যে সব দর্শকদের মনে এমন প্রশ্ন জমে আছে তারা জেনে নিন, শাকিব খানের এই নতুন নায়িকা মালয়েশিয়ার লিমককউইং ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি’র ছাত্রী। একটি বেসরকারি চ্যানেলে সংবাদ পাঠিকা হিসেবে কিছুদিন কাজও করেছেন রোদেলা। এছাড়াও নবাগত এই নায়িকা ক্ল্যাসিকাল নাচেও বেশ পারদর্শী।

অবশ্য এ নিয়ে ফিল্ম পাড়ার কেউ কেউ বলছেন রোদেলা নাকি ‘শাহেনশাহ’ ছবির পরিচালক রনির ‘ঘনিষ্ঠ’ বন্ধু। আর সে সুবাদেই নাকি রোদেলার নায়িকা হওয়ার পথটি তরান্বিত হল।

প্রসঙ্গত, ছবিটির পরিচালক শামীম আহমেদ রনি এর আগে শাকিব খানকে নিয়ে ‘রানা পাগলা: দ্য মেন্টাল’,‘বসগিরি’ও ‘রংবাজ’ নির্মাণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফ্রেঞ্চ লিগ থেকে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ এমবাপে

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। নিজের গতি আর ড্রিবলিং দিয়ে তিনি মন জয় করে নিয়েছেন সবার।

তবে বিশ্বকাপের নজরকাড়া পারফরমেন্সের পর ক্যারিয়ার জীবনে প্রথম লাল কার্ডের দেখা পেলেন এমবাপে। ফলে ফ্রেঞ্চ লিগ কমিটি থেকে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ হলেন ফ্রান্সের এ তরুণ তারকা।

পিএসজি শনিবারের ম্যাচে নিমেস অলিম্পিকের বিরুদ্ধে ৪-২ গোলে জয় পায়। ম্যাচটিতে এমবাপে তৃতীয় গোলটি করেন আর আরেকটি গোল করার ক্ষেত্রে অবদান রাখেন।

আর সে ম্যাচে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় ট্রেজি স্যাভানিয়ারকে ধাক্কা মারায় লাল কার্ড দেখতে হল তাকে। তবে এই ঘটনার জন্য তিনি পিএসজি সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। যদিও লাল কার্ডের জন্য তার কোন অনুশোচনা ছিল না।

তিনি বলেন, একই ঘটনা ঘটলে আবার ওই কাজ করবেন তিনি।

লাল কার্ডের ঘটনাটি ম্যাচের একেবারই শেষের দিকে ঘটে। ম্যাচের তখন কয়েক সেকেন্ড বাকি তখন একটি ট্যাকলের জন্য স্যাভানিয়ারকে ধাক্কা মারেন এমবাপে।

ঘটনাটি রেফারির নজরে আসলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখানো হয়। এর আগে ম্যাচের ১৮ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখতে হয় তাকে। ফলে দ্বিতীয় বার হলুদ কার্ড দেখায় স্বাভাবিকভাবে সেটি লাল কার্ড হয়ে যায়।

এ দিকে ওই ঘটনায় নিজের ভূমিকার জন্য চার ম্যাচ নিষিদ্ধ হন স্যাভানিয়ার। আগে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ থাকায় তার সামনে এখন পাঁচ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের আগে যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পদে পদোন্নতি শিগগিরই

দেশের খবর: জাতীয় নির্বাচনের আগেই প্রশাসনের আরও দুই স্তরের (যুগ্ম সচিব ও উপসচিব) পদোন্নতি আসছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে কয়েকটি বৈঠকও করেছে প্রশাসনের পদোন্নতির সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি)।

এবার যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পদে তিনশ’রও বেশি কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হতে পারে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এপিডি) শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, প্রশাসনে ইতিমধ্যে ১৬৩ অতিরিক্ত সচিবের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এবার যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পদে পদোন্নতির জন্য যোগ্য কর্মকর্তাদের তথ্য-উপাত্ত চাওয়া হয়েছে। এ দুই পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ চলছে। প্রক্রিয়া শেষে শিগগিরই পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জানা গেছে, এই দুই পদে নির্ধারিত পদের তুলনায় অতিরিক্ত কর্মকর্তা কর্মরত থাকলেও পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের তথ্য-উপাত্ত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে চেয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি উপসচিব পদে পদোন্নতি বিবেচনার জন্য প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্যান্য ক্যাডারের কাছ থেকেও নামের তালিকা চাওয়া হয়েছে।

গত ২৯ আগস্ট ১৬৩ অতিরিক্ত সচিবের পদোন্নতির পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৪ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে উপসচিবের নিয়মিত (ডিউটি) ১০০৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১৭৫৬ জন। আর যুগ্ম সচিবের ৪১১টি স্থায়ী পদের বিপরীতে আছেন ৬১৩ জন।

সূত্র জানায়, উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিসিএস ১৫তম ব্যাচকে পদোন্নতির জন্য নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৭ ও ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তাদেরও পদোন্নতির জন্য আমলে নেয়া হতে পারে।

এর মধ্যে ১৫তম ব্যাচের ১০৫ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৮১ জন, ১৭তম ব্যাচের ৫১ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৪০ জন ও ১৮তম ব্যাচের ৮৯ কর্মকর্তার মধ্যে ৭৬ জন পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

পদোন্নতির সব যোগ্যতা অর্জন করলেও ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের এখনই পদোন্নতি দেয়ার বিষয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন এসএসবি সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আগে পদোন্নতিবঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মকর্তাকে এই পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের গোয়েন্দা প্রতিবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেনি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদের পদোন্নতিতে নিয়মিত হিসেবে ২৫তম ব্যাচকে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই ব্যাচের ১৮৯ কর্মকর্তার মধ্যে উপসচিব পদে ১৫৮ জন কর্মকর্তা পদোন্নতির জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন। প্রশাসন ক্যাডারের পাশাপাশি অন্যান্য ক্যাডার থেকেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হবে।

এছাড়া যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আগে পদোন্নতিবঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কিছু কর্মকর্তাকেও এই পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হতে পারে। সব মিলে এই দুই স্তরে তিন থেকে সাড়ে তিনশ’ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হতে পারে। তবে উপসচিব পদে পদোন্নতির বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল উপসচিব পদে পদোন্নতির জন্য আগ্রহী বা যোগ্য বিভিন্ন ক্যাডারের ২৫তম ব্যাচ পর্যন্ত কর্মকর্তাদের তালিকা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছে, যেসব কর্মকর্তার সিনিয়র স্কেল পদে নূ্যূনতম পাঁচ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে অন্যূন ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে তাদের মধ্য থেকে ১০ জনের (জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে) নামের তালিকা ১০ মের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বর্তমান ঠিকানা ( টেলিফোন/মোবাইল নম্বরসহ), স্থায়ী ঠিকানা এবং চাকরির পূর্ণ বৃত্তান্ত আলাদা কাগজে পাঠাতে বলা হয়।

অযোগ্য কর্মকর্তাদের তালিকা না পাঠানোর নির্দেশনা দিয়ে চিঠিতে আরও বলা হয়, উপসচিব হতে অনাগ্রহী কর্মকর্তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

এছাড়া সিনিয়র স্কেলে চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ না হলে ও ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের যোগদানের জন্য নির্ধারিত তারিখের পরে যারা ক্যাডার সার্ভিসে যোগ দিয়েছেন তাদের নামও তালিকায় রাখা যাবে না।

একই সঙ্গে জ্যেষ্ঠতা সম্পর্কে কোনো আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকলে এবং ওই সব কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হলে আদালত অবমাননা হতে পারে এমন কর্মকর্তাদের নামও রাখা যাবে না। কর্মকর্তাদের তালিকার জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী সঠিক এবং নির্ভুলভাবে পাঠাতে হবে।

কোনো ব্যত্যয়ের কারণে কোনো কর্মকর্তা যদি ভুলক্রমে পদোন্নতি পান বা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হন তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে এর দায়িত্ব বহন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, সর্বশেষ যুগ্মসচিব পদে গত বছরের ২১ ডিসেম্বর ১৯৩ জন পদোন্নতি দেয়া হয়। আর উপসচিব পদে চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ৩৯৬ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে এবং গত ২৯ আগস্ট ১৬৩ জনকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেয় সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেখানে সুবিধা বেশি সেখানেই যাবেন এরশাদ

রাজনীতির খবর: ভোটের আগেই জোটের পাওনা নিশ্চিত করতে চান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। যেখানে গেলে সুবিধা বেশি, সেখানেই যাবেন তিনি। যার সঙ্গে জোট করলে বেশি আসন পাওয়ার সুযোগ এবং সরকার গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে- সেই দলের সঙ্গেই জোট করবে তার নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি (জাপা)। গতকাল বুধবার বনানীতে জাপা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলটির প্রেসিডিয়াম ও সংসদীয় দলের যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিএনপি অংশ নিলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে অংশ নেবে জাপা, অন্যথায় এককভাবে নির্বাচন করবে তারা। এরশাদ নিজেই এ সম্ভাবনার কথা বলে আসছেন কয়েক মাস ধরে।

কিন্তু গতকালের বৈঠকে দলের নেতাদের বক্তব্য শোনার পর এরশাদ বলেন, যে দলের সঙ্গে জোটে জাপা লাভবান হবে, তার সঙ্গেই যাবেন। বৈঠক সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেন, ‘আমরা কারও সঙ্গে আগ বাড়িয়ে জোটে যাওয়ার কথা কেন বলব?’

১৯৯৬ সালের নির্বাচনের পর সরকার গঠনে আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়ে মন্ত্রিসভায় শরিক হয়েছিল জাপা। ১৯৯৯ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটে যোগ দেয়। এক বছরের মাথায় বিএনপির জোট ছাড়েন এরশাদ। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচন করে সরকারের শরিকানা পায়। এরশাদ বর্জন করলেও রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাপার একাংশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে গত নির্বাচনে অংশ নেয়। বিএনপিবিহীন সংসদে প্রধান বিরোধী দলের আসনে রয়েছে এরশাদের দল। সরকারেও শরিকানা রয়েছে। জাপা নেতাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগকে দুবার সমর্থন দিয়েও ন্যায্য পাওনা পাননি তারা।

একাদশ নির্বাচনে আর মাত্র চার মাস বাকি। অতীতের মতো এবারও ভোটের আগে জাপায় নড়াচড়া দেখা যাচ্ছে। গতকালের বৈঠকে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এমপিরা এরশাদকে অনুরোধ করেন, ন্যায্য হিস্যা আদায় করে জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিতে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করার আগে শতবার চিন্তা করারও পরামর্শ দেওয়া হয়। কত আসন দেওয়া হবে, সরকার গঠন করতে পারলে কতটি মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে- ভোটের আগেই আওয়ামী লীগের কাছ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চান জাপা নেতারা।

নেতাদের বক্তব্যে জাপার সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ বলেন, কারও কাছে আসন চাইব না। মন্ত্রিত্বও নয়। বিরোধী দল বা সরকারের অংশীদার হতে রাজনীতি করছি না। রাজনীতি করছি ক্ষমতায় গিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে। সরকার গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনা করব। তবে নির্বাচনী রাজনীতিতে জোট করা যায়। কিন্তু এবার আমরা কারও সঙ্গে আগ বাড়িয়ে জোটে যাওয়ার কথা কেন বলব?

বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের জবাবে এরশাদ বলেন, রওশন এরশাদের বক্তব্যে তিনি খুশি হয়েছেন। উৎসাহিত হয়েছেন। প্রয়োজন হলে আরও বৃহৎ জোট করবেন। এবার ন্যায্য হিস্যা আদায় করেই জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

সভার শুরুতে জাপার মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বক্তব্য দেন। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে দলের নেতাদের আহ্বান জানান তিনি।

পীর ফজলুর রহমান মেজবাহ এমপি বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করলে জাপাকে যেসব আসন দেওয়া হয়, সেখানেই বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড় করিয়ে দেয়। এবারও তা করতে পারে, তাই তাদের সঙ্গে জোট করার আগে বুঝেশুনে করতে হবে।

কুমিল্লার এমপি নুরুল ইসলাম মিলন বলেন, জাপাকে আসন ছেড়ে দিয়েও সেখানে নৌকার প্রার্থী দেয় আওয়ামী লীগ। আবার বিএনপি নির্বাচনে না এলে জাপার আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী দেয়। এমন আসন সমঝোতায় কী লাভ, তা দলের চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চান তিনি।

প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি বলেন, জোট যার সঙ্গেই হোক, জাপার স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।

বৈঠকে জাপার কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ উপস্থিত থাকলেও কথা বলেননি।

বৈঠকে বক্তব্য দেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ সাত্তার, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, সালমা ইসলাম এমপি, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, মীর আবদুস সবুর আসুদ, জিয়াউল হক মৃধা এমপি, নুরুল ইসলাম ওমর এমপি, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, ইয়াহহিয়া চৌধুরী, সেলিম উদ্দীন এমপি প্রমুখ।

সূত্র: সমকাল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Negli ultimi anni, i casinò online hanno guadagnato una popolarità incredibile, offrendo un’opportunità unica per divertirsi e possibilmente vincere. Una delle piattaforme che si distingue per la sua qualità è Wincasino. Ma cosa rende Wincasino così speciale? In questo articolo esploreremo in dettaglio caratteristiche uniche, vantaggi del wincasino e come iniziare il tuo viaggio di gioco online.

Come Effettuare il Wincasino Login

Accedere a Wincasino è semplice e intuitivo. Una volta sul sito, troverai un pulsante per il login in alto a destra. Dopo aver cliccato, inserisci le tue credenziali: nome utente e password. Non solo il processo di wincasino login è semplice, ma il sito utilizza anche un sistema di sicurezza avanzato per proteggere i tuoi dati personali e finanziari.

Esplorare gli Incentivi: Wincasino Bonus

Uno dei principali vantaggi di Wincasino è la varietà di bonus offerti ai nuovi utenti e ai giocatori fedeli. Interessanti offerte di benvenuto possono includere giri gratuiti e bonus di deposito. Ogni offerta ha i suoi termini e condizioni, quindi è essenziale leggere attentamente le regole per massimizzare i vantaggi del tuo wincasino bonus. Questi bonus non solo aumentano le tue possibilità di vincita, ma rendono anche l’esperienza di gioco ancora più coinvolgente.

Gioca Ovunque con la Wincasino App

In un mondo sempre più mobile, Wincasino ha sviluppato una app che consente di portare il divertimento ovunque tu sia. La wincasino app è disponibile per dispositivi Android e iOS, offrendo una gamma completa di giochi senza sacrificare la qualità. L’applicazione è progettata per essere user-friendly e include tutte le funzionalità della versione desktop ricreando un’esperienza di gioco fluida e coinvolgente.

Banner Wincasino

Adesso che hai una panoramica di ciò che Wincasino ha da offrire, perché non esplorare di persona il sito e iniziare la tua avventura di gioco oggi stesso? Con la sicurezza dei tuoi dati, bonus attraenti e la possibilità di giocare ovunque tramite la app, Wincasino si conferma come una delle piattaforme di gioco migliori sul mercato.

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের শাহাদাৎবার্ষিকী পালিত
মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে কাশিপুরে বুধবার সকালে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

৪৯’বিজিবির পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন উপ-অধিনায়ক মেজর নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক ইমাম হোসেন।

গার্ড অব অনার শেষে শার্শা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, সরকারী বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মাদ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আমিনুল হক প্রমূখ। শ্রদ্ধাঞ্জলীর পর রুহের মাগফিরাতের জন্য মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোয়া অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জৈষ্ঠ্য পুত্র মো. মোস্তফা কামাল।

মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনে সহযোদ্ধাকে কাঁধে নিয়ে শত্রুর সঙ্গে প্রাণপণ লড়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গণ করেন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।

১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকিস্তানী বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শাহাদাৎ বরণ করেন রণাঙ্গনের লড়াকু সৈনিক নূর মোহাম্মদ। পরে শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাঁকে সমাহিত করা হয়। জাতির সূর্যসন্তান নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডীবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। যা বর্তমানে নূর মোহাম্মদ নগর নামে পরিচিত। নূর মোহাম্মদের বাবার নাম মোহাম্মদ আমানত শেখ এবং মাতার নাম জেন্নাতুন্নেছা মতান্তরে জেন্নাতা খানম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সম্পদের শেষ নেই এসপি মীজানের, দুদকের দুই মামলা

দেশের খবর: পুলিশ সুপার (এসপি) মীজানুর রহমানের অঢেল সম্পদের রহস্য উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মীজান ও তাঁর স্ত্রী সালমা আক্তার ওরফে নীপা মীজানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সংস্থাটি।

মীজানুর রহমান ঢাকার রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের (আরআরএফ) কমান্ড্যান্ট (বদলির আদেশাধীন)।

বুধবার রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দুটি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ। তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, মীজানুর রহমান ১৯৮৯ সালে সার্জেন্ট (এসআই) হিসেবে তৃতীয় শ্রেণির পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। পরে ১৭তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৯৮ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে পুলিশে যোগ দিয়ে বর্তমানে পুলিশ সুপার পদমর্যাদায় কর্মরত আছেন। এই সময়ে তিনি নিজ নামে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ১৮ শতাংশ জমিতে ২ তলা বাড়ি ও ১ হাজার ২৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ কৃষিজমি, ঢাকার তেজকুনিপাড়ায় ১ হাজার ৭১৮ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ও ১ হাজার ৮০০ বর্গফুট ফ্ল্যাটের অর্ধেক অংশ, জুরাইনে একটি দোকান, ঢাকায় ১৫ শতাংশ জমি, রাজউকের উত্তরা তৃতীয় ফেজে ৩ কাঠা জমির মালিক হয়েছেন। এ ছাড়া দুইটি মাইক্রোবাস, আসবাব, ব্যাংকে স্থায়ী আমানত (এফডিআর), ইলেকট্রনিকস, মেয়ের নামে শেয়ার, হাতে ও নগদে প্রায় দুই কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ হস্তান্তর/রূপান্তর করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। একজন সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হয়ে সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়াই স্ত্রী, মেয়ে ও বাবার নামে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে রেজিস্ট্রিভুক্ত কেরানীগঞ্জে একটি সার কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। ওই প্রতিষ্ঠানের সব ব্যাংক হিসাব আসামি মীজানুর রহমান পরিচালনা ও প্রতিষ্ঠানের তদারকির দায়িত্ব নিজে পালন করেন। এ ছাড়া নামে-বেনামে মেঘনা ফার্টিলাইজার, মেসার্স খোয়াজ ফার্টিলাইজার কোম্পানি ও ফার্ম নেস্ট অ্যান্ড মিল্ক প্রডাক্টস নামে আরও তিনটি কারখানার মালিক।

মীজানুর রহমানের স্ত্রী নীপা মীজানের নামেও রয়েছে অঢেল সম্পদ। এজাহারে বলা হয়, ২০০৩ সালে মীজানুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় নীপার। একজন সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী হয়ে স্বামীর ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে রেজিস্ট্রিভুক্ত কেরানীগঞ্জে একটি সার কারখানার মালিক হন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য সম্পদের মধ্যে রয়েছে ঢাকার মিরপুর মাজার রোডে ৫ কাঠা জমির ওপর তিন তলা ভবন, ঢাকার কেরানীগঞ্জে ১০ শতাংশ জমিতে ২ তলা বাড়ি, ঢাকা ও কেরানীগঞ্জে ৬৬ শতাংশ জমি, মিরপুর মাজার রোডে ২ কাঠা জমিতে দোকান, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৫৩৮ শতাংশ জমি, তেজকুনিপাড়ায় ১৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট। এ ছাড়া ব্যবসায়িক মূলধন, হাতে নগদ অর্থসহ অস্থাবর সম্পদ রয়েছে বিপুল পরিমাণ।

দুদকের অনুসন্ধান
২০১২ সাল থেকে মীজানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান হলেও সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকার পরও তাঁকে দায়মুক্তি দিয়েছিল সংস্থাটি।
দুদক সূত্র জানায়, ২০১৬ সাল থেকে আবারও অনুসন্ধান শুরু হয় তাঁর বিরুদ্ধে। নিজের বাড়ি নির্মাণের সময় পুলিশের ৬০ জন সদস্যকে রাজমিস্ত্রির সহকারী বা জোগালির কাজ করানোর অভিযোগ ওঠে মীজানের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ ছিল, সাভারের হেমায়েতপুরের আলীপুর ব্রিজ-সংলগ্ন ৮৪ শতাংশ জমির ওপর বাড়ি তৈরি ও ঢাকার মিরপুরের মাজার রোডের আলমাস টাওয়ারের পাশে আরও একটি বাড়ি নির্মাণে জোগালি ও শ্রমিক হিসেবে সাব-ইন্সপেক্টরসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার ৫০ থেকে ৬০ জন পুলিশ সদস্যকে দিয়ে কাজ করান মীজানুর রহমান। সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত কাজে খাটানোর অভিযোগ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মীজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামেন দুদকের উপপরিচালক এস এম মফিদুল ইসলাম। এর মধ্যে মীজানের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
পরে অনুসন্ধানের ক্ষেত্র আরও বেড়ে যায়। মিজানের বিরুদ্ধে নকল সার কারখানা পরিচালনার অভিযোগ ওঠে। এটিও যুক্ত হয় অভিযোগের নথিতে। এর মধ্যে নতুন করে অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মীজান ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধ মামলা করলেন।

নকল সার কারখানা পরিচালনা
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মীজান ফসল উৎপাদনে বহুল ব্যবহৃত টিএসপি বা ট্রিপল সুপার ফসফেট সার নকল করার চারটি বড় কারখানার পরিচালনা করেন। এর মধ্যে দুটি কারখানা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আর অন্য দুটির একটি ঢাকার অদূরে হেমায়েতপুরে এবং অন্যটি কেরানীগঞ্জে। ওই চারটি কারখানায় প্রতিদিন এক হাজার টন নকল টিএসপি সার উৎপাদন করা হয়, যার দাম প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর এসব সার দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সরকারি টিএসপি সারের বস্তায় ভরে। কিছু সার বিক্রি হয় ‘তিউনিসিয়া টিএসপি’ নামে। গণমাধ্যমে এ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর দুদক তা আমলে নেয় এবং এ-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে।

বারবারই ধরাছোঁয়ার বাইরে মীজান
২০১২ সালে মীজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দুদক যে অনুসন্ধান করেছে, তখন সংস্থার চারজন কর্মকর্তা আলাদাভাবে অনুসন্ধান করেও তাঁর অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাননি। একাধিকবার অনুসন্ধান কর্মকর্তা পরিবর্তন করেও মামলা করার মতো কিছু পায়নি দুদক। তাই অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে মীজানকে অব্যাহতি দিয়েছিল সংস্থাটি। তবে এ বিষয়ে দুদকেও কানাঘুষা ছিল। প্রভাব খাটিয়ে দুদক থেকে দায়মুক্তির সনদ নিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর এসেছিল।

দুদক সূত্র জানায়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মীজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১২ সালে অনুসন্ধান শুরু হয়। উপপরিচালক গোলাম মোরশেদ অনুসন্ধান শুরু করলেও পরে আরেক উপপরিচালক ফজলুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুজনই মীজানুর রহমানকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দিলেও কমিশন তা গ্রহণ করেনি। পরে আবার অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয় উপপরিচালক হামিদুল হাসানকে। হামিদুল হাসানও অভিযোগটি নথিভুক্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তির সুপারিশ করেন। এ সুপারিশ অগ্রাহ্য করে উপপরিচালক মো. আবদুস সোবহানকে পুনরায় অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয় কমিশন।
দুদকে আসা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৪ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে ২০১২ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ বছরে তিনি কয়েক শ বিঘা স্থাবর সম্পত্তি কিনেছেন। ব্যাংকে তাঁর নগদ অর্থ রয়েছে ১০ কোটি টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রীর নামে লাইসেন্স নেওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ বৈধ করেন। এসব রেকর্ডে মীজানের স্ত্রী নীপা মীজানের সংশ্লিষ্টতা থাকায় তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চান অনুসন্ধান কর্মকর্তা হামিদুল হাসান। কিন্তু কমিশনের ওপর মহল থেকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে অদৃশ্য ইশারায় অনুসন্ধান নথিভুক্তির সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।

সর্বশেষ অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. আবদুস সোবহানের অনুসন্ধান চলার সময় নোটিশ ছাড়াই বেশ কয়েকবার এসপি মীজানুর রহমানকে দুদকে আসতে দেখা যায়। এ সময় তিনি সাক্ষাৎ করেন দুদকের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা ও অনুসন্ধান কর্মকর্তার সঙ্গে। আর এর ফলে পুনঃ অনুসন্ধান প্রতিবেদনেও তাঁর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়েরের পরিবর্তে নথিভুক্তির সুপারিশ আসে।

এর আগে ২০১১ সালে এসপি মীজানের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ অনুসন্ধান করেন দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের তৎকালীন অনুসন্ধান কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম। অনুসন্ধানে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় স্ত্রী নীপা মীজানের নামে ব্যবসা পরিচালনা, ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে ব্যবসায়িক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা। তিনি মীজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর সুপারিশ করলেও মামলা না করে অভিযোগটি নথিভুক্ত হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়ে সাফ শুরু চ্যাম্পিয়ন ভারতের

খেলার খবর: জয় দিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করলো ভারত। বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ৭ বারের চ্যাম্পিয়ন ভারত ২-০ গোলে হারিয়েছে শ্রীলংকাকে। দুই অর্ধে দুই গোল করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

দক্ষিণ এশিয়ার এ টুর্নামেন্ট ভারতের কাছে ডালভাত। আগের ১১ বারের ৭ বার ট্রফি জিতেছে তারা। যদিও বিগত কয়েক বছর ধরে এ টুর্নামেন্টকে দেশটি খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। যে কারণে এবারও তারা পাঠিয়েছে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। ভারতের যুব দলের কাছেই পাত্তা পেলো না শ্রীলংকা, যারা এক সপ্তাহ আগে নীলফামারীতে বাংলাদেশকে হারিয়েছে ১-০ গোলে।

তিন দলের গ্রুপ ‘বি’। তাই এ জয়ে ভারত সেমিফাইনালের পথে অনেকটা এগিয়ে থাকলো। মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করলেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে তাদের।

ম্যাচের শুরু থেকে প্রাধান্য বিস্তার করে খেললেও ভারতকে গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৩৫ মিনিট পর্যন্ত। লংকান খেলোয়াড়দের ভুলপাস ধরে আশিক কুরুনিয়ান বক্সে ঢুকেই পায়ের শটে বল জড়ান লঙ্কানদের জালে।

চ্যাম্পিয়নরা ব্যবধান দ্বিগুণ করে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর দ্বিতীয় মিনিটেই। লালিয়ানজুয়ালা বাম প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ক্রস করলে তা গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে আবারও চলে যায় শ্রীলঙ্কার জালে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest