সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচারLes jeux de casino incontournables à essayer absolument sur GTBetদেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাLes critères qui font de Boomerang Casino un choix incontournableসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলLe Cashback des Casinos Modernes : Analyse d’une Tendance qui Révolutionne les Bonus

যেভাবে জন্ম হয় যমজ সন্তানের

অনলাইন ডেস্ক: একই গর্ভে দুটি ভ্রূণের একসঙ্গে বেড়ে ওঠা। ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় কেউ একটু আগে, কেউ একটু পরে পৃথিবীর আলো দেখে। তবে দুজনের গঠন প্রায় একরকমই হয়। কখনও দুটি ভ্রূণ থেকেই দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়, আবার কখনও দুই পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।
তবে দুটি ভ্রূণ থেকে একটি পুত্র সন্তান অপরটি কন্যাসন্তানের জন্মের ঘটনা বিরল। সাধারণত এমনটা ঘটেনা। গর্ভবতী হওয়ার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া কম বেশি সবারই জানা, তবে গর্ভে যমজের জন্ম দেয়ার বৈজ্ঞানিক দিকটি এখনও সবার কাছে পরিষ্কার নয়।
কেউ কেউ যমজ শিশু পছন্দ করেন না। আবার অনেকেই তা খুব পছন্দ করেন। একজন মহিলার যমজ শিশুর ইচ্ছে হলে কী কী করবেন, তা নিয়েই পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ভিটামিন জাতীয় খাদ্য আহার:
টুইনসের (যমজ) জন্ম দেওয়ার প্রাথমিক শর্ত হল, মায়ের সুস্বাস্থ্য। গর্ভবতী হওয়ার আগে যত বেশি পুষ্টি শরীরে থাকবে তা যমজের জন্ম দেয়ার পক্ষে পরিপন্থী। ফলিক অ্যাসিড এক্ষেত্রে সব থেকে উপকারী।

গর্ভবতী হওয়ার অভিজ্ঞতা:
কোন মহিলা যদি আগে গর্ভবতী হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে টুইনসের জন্ম দেয়া তুলনামূলক বেশি সাফল্যের। এক্ষেত্রে শিশুর জন্ম দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে কোন সমস্যা আছে কিনা, তাও আগে থেকে জানতে পারা যায়।

ডায়েট:
দুধ এবং দুগ্ধজাতীয় খাদ্য আহার যমজের জন্ম দেওয়ার জন্য আবশ্যক। গর্ভধারিণীকে অবশ্যই নিজের ডায়েট সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

বংশ-গতিবিদ্যা:
বংশে আগে যমজের জন্ম দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে থাকলে তা আবারও যমজের জন্মে প্রভাব বিস্তার করে। যাকে ইংরাজিতে বলা হয় জেনেটিক্স। জীনতত্ত্বেই যমজ জন্মের সম্ভাবনা থাকে সর্বাধিক।

বয়স:
যমজের জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে শিশুর মায়ের বয়স অবশ্যই ৪০ বছরের নীচে হতে হবে। ৪০ উর্দ্ধ হলেই নারীর গর্ভধারণ ক্ষমতা তুলনামূলক কমতে থাকে।

জন্ম নিয়ন্ত্রণ:
এক সন্তানের জন্ম দেয়ার পর পরের সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে একটা বড় ব্যবধান আবশ্যিক। জন্ম নিয়ন্ত্রণ দেহের অভ্যন্তরীণ হরমোনকে বেশি শক্তিশালী করে। যার ফলে কোন সন্তান জন্মের অনেক দিন পর ফের গর্ভবতী হলে, যমজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ে করে সমস্যায় ভুগতে চাই না

বিনোদনের খবর: বলিউডের সুপারস্টার সালমান খান। ১৯৬৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে জন্ম। এ অভিনেতার পুরো নাম আবদুর রশিদ সেলিম সালমান খান। পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি উচ্চতার এ অভিনেতার বর্তমান বয়স ৫২। কিন্তু পাঁচ দশক পরেও তিনি মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর। তাই তার বিয়ে নিয়ে গত দুই যুগ ধরে ভক্তদের মধ্যে আগ্রহের কমতি নেই।
তবে তিনি এ নিয়ে মোটেই চিন্তিত নন। বরং বিয়ে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সালমান খান।বললেন, ‘বিয়ে করে সমস্যায় ভুগতে চাই না।’
সোমবার টিভি রিয়্যালিটি শো বিগবসের ১২ তম আসরে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, যারা বিয়ে করেছে তারা আমাকে এই প্রশ্ন করেন। তাদের উদ্দেশ্যে এ তারকা বলেন, তোমরা বিয়ে করে নানা সমস্যায় জর্জরিত। আমায় কেন সেখানে জড়াতে চাচ্ছো? আমি এভাবেই অনেক সুখে আছি।
দাবাং-খ্যাত এ সুপারস্টারের বিয়ে নিয়ে মিডিয়া পাড়ায় গুঞ্জনের শেষ নেই। সালমানের বিয়ে নিয়ে বের হয় নানা চাঞ্চল্যকর সংবাদ। কিন্তু কোনো সংবাদের সত্যতা আর পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবেন না সাকিব

খেলার খবর: মেয়ের অসুস্থতাজনিত কারণে দেশে ফিরে আসছেন সাকিব আল হাসান। ফলে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলা হচ্ছে না তার।
জানা গেছে, বাবা-মায়ের সঙ্গে হোটেলে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়ে মেয়ে আলাইনা। তাকে দেশে রেখে আসতেই এশিয়া কাপের মাঝপথে দেশে ফিরছেন সাকিব।
সূত্র জানায়, অসুস্থ আলাইনাকে দেশে রেখে আসতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই বুধবার দেশে ফিরছেন সাকিব। বুধবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বিমান ধরবেন সাকিব।
সাকিব আগামী ১৯ অথবা ২০ তারিখে দুবাই ফিরতে পারেন বলে সূত্র জানিয়েছে।
এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে টাইগারদের পিছু ছাড়ছে না ইঞ্জুরি। ইঞ্জুরির কারণে আজই দেশে ফিরে আসতে হচ্ছে তামিম ইকবালকেও।
মুশফিকুর রহীমেরও ইঞ্জুরি। তাই মাশরাফি, রিয়াদ আর নয়জন তরুণ দিয়ে গড়া দলের বাংলাদেশের খেলা দেখতে হবে আফগানদের বিপক্ষে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যু

দেশের খবর: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামির মৃত্যু হয়েছে।

রাজনগর থানার ওসি শ্যামল বনিক বলেন, সোমবার অজ্ঞাত স্থানে আনিছ মিয়ার (৮০) মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়রা জানালেও কোথায় তিনি মারা গেছেন তা জানা যায়নি।

বিকালে উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিমভাগে গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে বলে ওসি জানান।

চলতি বছরের ১৭ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার চার রাজাকারের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়।

রাজনগরে গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণের মত মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার দায়ে তাদের এ দণ্ড দেওয়া হয়।

এরা হলেন আকমল আলী তালুকদার (৭৯), আব্দুন নূর তালুকদার ওরফে লাল মিয়া (৬৬), আনিছ মিয়া (৮০) ও আব্দুল মোছাব্বির মিয়া (৬৭)। রায় ঘোষণার সময় এদের মধ্যে আকমল আলী তারুকদার ছাড়া বাকি তিনজন পলাতক ছিলেন।

ওসি শ্যামল বনিক জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে মরদেহ গ্রামের বাড়ি রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিমভাগে আনা হলে এলাকাবাসীর কাছে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা নিশ্চিত হন।

“পরে পুলিশের সামনেই বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।”

মানবতাবিরোধী মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আনিছ মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি আদালতকে অবগত করবেন বলে জানান ওসি শ্যামল।

পাঁচগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামসূন নূর আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, “পলাতক অবস্থায় আনিছ মিয়া কোথায় মারা গেছেন তা সঠিক জানি না। তবে পরিবারের কাছ থেকে যতটুকু জানতে পেরেছি সোমবার সকালে সিলেটের অজ্ঞাত স্থানে তার মৃত্যু হলে তাকে সেখান থেকে পশ্চিমবাগে আনা হয়।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের শেয়ারবাজারে একদিনে এক লক্ষ কোটি টাকা গায়েব!

বিদেশের খবর: ভারতে একদিকে চলছে টাকার দামের পতন, অন্যদিকে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি। আর আর্থনীতির এই দুর্দিনে ভারতের শেয়ার বাজার সেনসেক্স ও নিফটিতে ব্যাপক ধসের ঘটনা ঘটলো।

সোমবার এই দুই শেয়ারবাজারে একদিনেই বিনিয়োগকারীদের এক লাখ কোটি টাকা (ভারতীয় মুদ্রায়) গায়েব হয়ে গেছে।

সোমবার সেনসেক্সের সূচক ৫০৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৩৭ হাজার ৫শ ৮৫ পয়েন্টে। আর নিফটির সূচক ১৩৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১১ হাজার ৩শ ৭৭ পয়েন্ট। দিনের শুরুতে বাজার ঊর্ধ্বগতি থাকলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী থাকেনি। বিনিয়োগকারীরা বাজার পতনের জন্য টাকার দাম কমে যাওয়া ও জ্বালানির মূল্য বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করছেন।

এদিকে ভারতে টাকার দামের পতন অব্যাহত আছে। সোমবার বাজারের শুরুতেই টাকার দাম পড়ে যায় ৮১ পয়সা। মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রূপির মূল্য দাঁড়ায় ৭২.৬৫। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর রেকর্ড পতন হয়েছিল টাকার। সে দিন টাকার দাম দাঁড়িয়েছিল ৭২.৬৭। তার পর থেকে আর ঘুরে দাঁড়ায়নি পরিস্থিতি। আর এই পরিস্থিতিই ভারতের অর্থনীতি ও বাণিজ্যক্ষেত্রে উত্তরোত্তর উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।

টাকার দাম বাড়ার আর কোনোও সম্ভবনা আছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন না। এই পরিস্থিতিতে ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক বেশ কয়েকটি পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছে। রিজার্ভ ব্যাংকের এই ঘোষণায় কিছুটা হলেও আশার আলো দেখা দিয়েছিল। কিন্তু সেই পদক্ষেপ সকলকে আশাহতই করেছে। পরিস্থিতির কোনও উন্নতিই হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ব বাণিজ্যে চীন-আমেরিকার বাণিজ্যযুদ্ধ এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এদিকে পেট্রোল-ডিজেলের ঊর্ধ্বমুখী দামকে নিয়ন্ত্রণ করতে নানা রকম পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। টাকার পতনকে ঠেকাতেও নানা কৌশল অবলম্বনের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফুটবলে ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ

বিনোদন সংবাদ: দুয়ারে কড়া নাড়ছে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ। জাতির জনকের নামকরণে আন্তর্জাতিক এই ফুটবলের পর্দা উঠবে ১ অক্টোবর। আয়োজনের সব কিছুই সম্পন্ন। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের থিম সংও ঠিক হয়ে গেছে। রাকিব হাসান রাহুলের কথায় ও অদিত্যির সুরে এই গান গেয়েছেন দেশের জনপ্রিয় শিল্পী মমতাজ বেগম। রবিবার বাফুফে ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে থিম সং প্রকাশ করা হয়। এ সময় সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বাফুফে সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদী এমপি, টুর্নামেন্টের স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহাদ করিমসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা ছাড়াও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ এবার সিলেট ও কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হবে। মমতাজের গাওয়া এই থিম সং ম্যাচের আগে ও বিরতির সময় বাজানো হবে। ফুটবলে দর্শক আসতে শুরু করেছে। সিলেট ও কক্সবাজারে উপচেপড়া দর্শকের সমাগম হবে আশা করা যাচ্ছে।

‘আরে— দিন এসেছে আজ এগিয়ে যাওয়ার। মাঠ জুড়ে মানুষের জোয়ার। ফ্রি কিকে-হেডে-পাসে জোরালো শটে গোল হবে খেলা জমবে আবার।’ মমতাজের এই গান ফুটবল প্রেমীদের কাছে জনপ্রিয়তা পাবে আশা করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দশ বছরে রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ

দেশের খবর: দেশে গত ১০ বছরে রেমিটেন্স প্রবাহ তিন দশমিক ৫৬ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা বাংলাদেশের একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার পথে অন্যতম মাইল ফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) তথ্য অনুযায়ী প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত দেশে পাঠিয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৮৫৯ দশমিক শূণ্য চার মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই অর্থ পূর্ববর্তী ১০ বছরের চেয়ে ৯৪ হাজার ৮২২ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন ডলার বেশি।

অনাবাসিক বাংলাদেশিরা (এনআরবি) ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছর থেকে ২০০৭-০৮ অর্থবছর পর্যন্ত পাঠিয়েছে প্রায় ৩৭ হাজার ৩৬ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেন, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কারণে এই রেমিটেন্স প্রবাহে গত দুই বছরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে বিদেশে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

দেশে অর্থ প্রেরণের প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে এবং বর্তমানে দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে বাংলাদেশি প্রবাসীরা মোবাইল ফিনেসিয়াল সার্ভিস সুবিধাও পাচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক বৈধ উপায়ে রেমিটেন্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

সকরারি তথ্য অনুযায়ী চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম দু’মাসে অভিবাসী শ্রমিকরা দুই হাজার ৭২৯ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছে।

অপরদিকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পাঠিয়েছে ১৪ হাজার ৯৮১ দশমিক ৬৯ মিলিয়ন ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১২ হাজার ৭৬৯ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৯৩১ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১৫ হাজার ৩১৬ দশমিক ৯১ মিলিয়ন ডলার, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৪ হাজার ২২৮ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৪৬১ দশমিক ১৪ মিলিয়ন ডলার, ২০১১-১২ অর্থবছরে ১২ হাজার ৮৪৩ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন ডলার, ২০১০-১১ অর্থবছরে ১১ হাজার ৬৫০ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১০ হাজার ৯৮৭ দশমিক ৪০ মিলিয়ন ডলার এবং ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৯ হাজার ৬৮৯ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছে।

এনআরবি ২০০৭-০৮ অর্থবছরে পাঠিয়েছে ৭ হাজার ৯১৪ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন ডলার, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ৫ হাজার ৯৯৮ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ডলার, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ৪ হাজার ৮০২ দশমিক ৪১ মিলিয়ন ডলার, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৮৪৮ দশমিক ২৯ মিলিয়ন ডলার, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৭১ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন ডলার, ২০০২-০৩ অর্থবছরে ৩ হাজার ৬১ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন ডলার, ২০০১-০২ অর্থবছরে ২ হাজার ৫০১ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ডলার, ২০০০-০১ অর্থবছরে ১ হাজার ৮৮২ দশমিক ১০ মিলিয়ন ডলার, ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে ১ হাজার ৯৪৯ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার এবং ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ১ হাজার ৭০৫ দশমিক ৭৪ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার নীতি অনুসরণ করছে ট্রাম্প’

বিদেশের খবর: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত দুই বছর শুধু মার্কিন গণতন্ত্রের ওপর আঘাতই হেনেছেন। তাই আমেরিকানদের উচিত গণতন্ত্র উদ্ধার করতে লড়াই চালিয়ে যাওয়া। এমনই আহ্বান জানিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন।

হিলারি লিখেছেন, রিপাবলিকানরা আমাকে পরাজিত করে সীমান্তে অভিবাসী পরিবারগুলো আলাদা করাসহ অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার নীতি অনুসরণ করছে। ট্রাম্প এবং তার সহযোগীরা এমন সব ঘৃণ্য কাজ করছেন, যেগুলো ঠিক করা প্রায় অসম্ভব।

তিনি লিখেছেন, আমি মনে করি বিন্দুর মতো কিছু একটা আমাদের হতবুদ্ধি করে রেখেছে। তাই আমাদের চোখ বলের ওপর পড়ছে না। আর বলটি হলো আমেরিকান গণতন্ত্রকে রক্ষা করা। নাগরিক হিসেবে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এটি। কারণ এখন আমাদের গণতন্ত্র সঙ্কটের মুখে।

রবিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী দ্য আটলান্টিকে প্রকাশিত এক নিবন্ধে হিলারি এসব কথা লিখেছেন বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

দেশটির গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেয়া এই ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী লিখেছেন, আমি ‘সঙ্কট’ শব্দটি হালকা হিসেবে ব্যবহার করিনি। রাস্তাগুলোতে কোনও ট্যাংক নেই। কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনের নৃশংসতা ও অযোগ্যতা একেবারেই অস্বাভাবিক।

তিনি লিখেছেন, আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও প্রথাগুলো অবরুদ্ধ। তাই এগুলোকে মুক্ত করতে আমাদের যা যা করা দরকার, সেগুলো করতে হবে। ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে হারিকেন মারিয়াতে বিধ্বস্ত পুয়ের্তো রিকো দ্বীপের প্রতি অবহেলা দেখানোর অভিযোগও এনেছেন তিনি।

২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প এবং তার নীতির সমালোচনা করে আসছেন হিলারি। অন্যদিকে রাজনৈতিক সমাবেশগুলোতে ট্রাম্প তাকে পরাজিত বলে উল্লেখ করছেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে হিলারির নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কার্যক্রম তদন্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest