সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়

কেন্দ্রীয় সভাপতি-সম্পাদকের সাথে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নব-নির্বাচিত সভাপতি মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। মঙ্গলবার ঢাকায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বাসভবনে এ শুভেচ্ছা বিনময়কালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, যুগ্ন সম্পাদক আসিফ শাহাবাজ খান, সদর উপজেলা সভাপতি শাহিন আলম সাদ্দাম, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী শাহেদ পারভেজ ইমন, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ মহিদুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ আবু সাইদ ও সাধারণ সম্পাদক শাকিল খান জজ, তালা উপজেলার সভাপতি শেখ শাদি ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর আলম সুমন, আশাশুনি উপজেলার সভাপতি মোঃ আসমাউল হুসাইন, শ্যামনগর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম সবুজ, কালিগঞ্জ উপজেলার সভাপতি শাওন আহমেদ সোহাগ, দেবহাটা উপজেলা সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিসিহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলা, কলেজ ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফুসফুসের সমস্যার তিন লক্ষণ

স্বাস্থ্য কণিকা: শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে ফুসফুস অন্যতম। আমরা শ্বাস নিলে সুস্থ ফুসফুস অক্সিজেন গ্রহণ করে। এরপর এই অক্সিজেন রক্তের মধ্যে ছড়িয়ে যায়। এই অক্সিজেন পরিবাহিত হয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পৌঁছায়। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, অর্থাৎ ফুসফুস সুস্থ রাখা জরুরি।
বিশ্বব্যাপী বহু মানুষ ফুসফুসের সমস্যায় আক্রান্ত। ফুসফুসের সমস্যার একটি বড় কারণ ধূমপান। এ ছাড়া পরিবেশদূষণ, গাড়ির কালো ধোঁয়া, ধুলাবালি ইত্যাদি ফুসফুসের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।
ফুসফুসের সমস্যার কিছু লক্ষণ:
১. দীর্ঘমেয়াদি কাশি
ফুসফুস ঠিকঠাকমতো কাজ করছে না, এর অন্যতম লক্ষণ হলো দীর্ঘমেয়াদি কাশি। একে ফুসফুসের সমস্যার প্রথম লক্ষণও বলা যায়। ওষুধ খাওয়ার পরও কাশি ভালো না হলে বা কাশি চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

২. ছোট শ্বাস বা শর্ট ব্রেথ
ছোট শ্বাস বা শর্ট ব্রেথ ফুসফুসের সমস্যার আরো একটি লক্ষণ। এর মানে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে ফুসফুসের কষ্ট হচ্ছে। যদি শ্বাস ছোট হয়, তাহলে কেবল বয়স বাড়ছে, এটি না ভেবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৩. শ্লেষ্মা তৈরি হওয়া
শ্লেষ্মা ফুসফুসে আটকে থাকা জীবাণু বের করে দেয়। তবে ঠান্ডা বা কোনো রোগ ছাড়াই অনেক বেশি শ্লেষ্মা তৈরি হলে, এটি ফুসফুসের সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। এমন হলে চিকিৎসকের কাছে যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমালোচনায় পুড়ছে ভারত

সমালোচনায় পুড়ছে ভারত

কর্তৃক Daily Satkhira

খেলার খবর: ইংল্যান্ডের কাছে সাউদাম্পটন টেস্ট হেরে এক ম্যাচ বাকী রেখেই সিরিজ খুইয়েছে সফরকারী ভারতীয় ক্রিকেট দল। দলের পারফরমেন্সের সমালোচনা করে ভারতীয় খেলোয়াড়দের ‘মেরুদণ্ডহীন’ বলছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

ভারতের জনপ্রিয় পত্রিকা টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, ‘আধুনিক ক্রিকেট ইতিহাসে সেরারূপে ফেরার স্বপ্ন খুব সহজেই পূরণ হতে পারতো কিন্তু মেরুদণ্ডহীন ব্যাটিং-এর কারণে ঘরের বাইরে আরও একটি সিরিজ হারলো কোহলির দল। যা অত্যন্ত হতাশার।’

সিরিজের চতুর্থ টেস্ট জয়ের জন্য ২৪৫ টার্গেট পায় ভারত। কিন্তু ইংল্যান্ড বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে তারা। চতুর্থ দিনের চা-বিরতির পর ১৮৪ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। ফলে এক ম্যাচ বাকী রেখে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

এর আগে এ বছর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারে ভারত। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাউদাম্পটন টেস্টেও উভয় ইনিংসে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছে ভারত। ব্যাটসম্যানদের মেজাজ ও টেকনিক নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস শিরোনাম করেছে, ‘যথেষ্ট ভালো পারফরমেন্স ছিলো না এবং এমন হার কষ্ট দিবে ও শেখাবে।’ ইংরেজী দৈনিকটি লিখেছে, ‘তারা খুব কাছে যেতে পারে কিন্তু ব্যর্থই হয়, লক্ষ্য অতিক্রম করতে পারে না।’

পত্রিকাটির রিপোর্টে বলা হয়, ‘প্রতিপক্ষের জন্য কোহলিদের চ্যালেঞ্জ যথেষ্ট নয় এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ জয়ের উপায় বের করতে হবে ভারতকে।’ ভারতের আরেকটি জনপ্রিয় পত্রিকা দ্য হিন্দুস্থান টাইমস বলে, ‘বিদেশে সাফল্য পাবার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলো ভারতের বোলাররা। কিন্তু ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ। কোহলি ছাড়া অন্য ব্যাটসম্যানরা মান ও ধারাবাহিকতা থেকে অনেক দূরেই ছিলো।’

সিরিজের প্রথম চার টেস্টে ৬৮ গড়ে দু’টি সেঞ্চুরি ও তিনটি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৫৪৪ রান করেন ভারতের অধিনায়ক কোহলি। চলমান সিরিজে কোহলিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।

সম্প্রতি ব্যাট হাতে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছেন না কুক। শেষ ১০ ইনিংসে মাত্র একটি হাফ-সেঞ্চুরি রয়েছে তার। ভারতের বিপক্ষে চলমান সিরিজে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন কুক। তাই ভারতের বিপক্ষেই ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলার সিদ্বান্ত নিয়েছেন তিনি।

কুকের এমন সিদ্ধান্তকে সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়রা সাধুবাদ জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য কুককে শুভ কামনাও জানান। এমনকি অনেকে বলেছেন, শেষ টেস্টে বড় স্কোর করে বিদায় নিতে। কিন্তু ইংল্যান্ডের সাবেক খেলোয়াড় ও কোচ ডেভিড লয়েড সবার সাথে একমত হতে পারছেন না। কুকের বিপক্ষেই কথা বললেন তিনি।

১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড দলের কোচের দায়িত্ব পালন করা লয়েড বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে ওভাল টেস্টে কুককে ইংল্যান্ড দলে দেখতে চাই না। তাকে খেলানোর পক্ষে নই আমি। কুক বলছে, তার সময় শেষ। এর অর্থ, সময় শেষ। তাই আরও একটি টেস্টে তাকে খেলানোর পক্ষে আমি নই। কুক যখন অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তখন আর খেলানোর কোনো প্রয়োজন নেই। ম্যাচের আগে তাকে বড় ধরনের সংবর্ধনা দেওয়া হোক এবং বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সুযোগও করে দেওয়া হোক। পরবর্তীতে ড্রেসিং রুমে বসে খেলাটা উপভোগ করুক কুক।’

কুককে বিদায়ী টেস্ট খেলতে দেওয়ার পক্ষে না থাকলেও বড় ফরম্যাটে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীর প্রশংসা করেছেন লয়েড, ‘অ্যালিস্টেয়ার কুক অসাধারণ খেলোয়াড়। অধিনায়ক হিসেবেও দারুণ করেছে সে। সে ক্রিকেটের দূত। ইংল্যান্ডের হয়ে টানা ১৫৮ টেস্ট খেলার বিশ্বরেকর্ড আছে তার। এমন রেকর্ড বড় বড় খেলোয়াড়রা করতে পারে না, যা সে করেছে। এমনকি দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানও করেছে সে। তার জন্য শুভ কামনা থাকলো।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘যত খুশি সাজা দিন, বারবার আসতে পারব না’-আদালতকে খালেদা

দেশের খবর: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আজ বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে বিচার অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার।

সেখানে মামলার প্রধান আসামি বলেছেন, ‘এখানে ন্যায়বিচার নেই। যা ইচ্ছে তাই সাজা দিতে পারেন। যত ইচ্ছে সাজা দিতে পারেন। আমি অসুস্থ। আমি বারবার আদালতে আসতে পারব না। আর এভাবে বসে থাকলে আমার পা ফুলে যাবে। আমার সিনিয়র কোনো আইনজীবী আসেনি। এটা জানলে আমি আসতাম না।’

এই আদালতের বিচারক ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। বেলা ১১টার দিকে তিনি আদালতে আসেন। আজ মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ছিল।

খালেদা জিয়াকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আদালতে হাজির করা হয়। হুইল চেয়ার বসিয়ে তাকে আনা হয়। পরনে ছিল বেগুনি রঙের শাড়ি। চেয়ারে বসা অবস্থায় তার পায়ের ওপরের অংশ থেকে নিচ পর্যন্ত সাদা চাদর দিয়ে ঢাকা ছিল।

আধা ঘণ্টারও কম সময় আদালতের কার্যক্রম চলার পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা না থাকায় শুনানি মুলতবি করে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ ঠিক করে দেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান।

আদালতকে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এখানে বিচার পাওয়া যাবে না। তাকে জেলে রাখতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ।’

তার আইনজীবীদের আসতে দেয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার শুনানি এতদিন চলছিল কারাগারের কয়েকশ গজ দূরে বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন কারা অধিদপ্তরের মাঠে বিশেষ এজলাসে।

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষকে আদালত ঘোষণা করে সেখানেই দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার শুনানি করার নির্দেশ দেয়।

এ কারাগারেই আরেকটি ভবনের দোতলার একটি কক্ষে গত সাত মাস ধরে বন্দি রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এতিমখানা দুর্নীতির মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি একই বিচারক তাকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডি‌সেম্ব‌রে জনগণ নতুন সরকার গঠন কর‌বে : প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: আগামী ডি‌সেম্ব‌রে জনগণ তা‌দের ভোটা‌ধিকার প্র‌য়োগ ক‌রে নতুন সরকার গঠন কর‌বে। যারাই ক্ষমতায় আসুক দে‌শের উন্নয়ন যেন থে‌মে না যায়। বাংলা‌দেশ যেন পি‌ছি‌য়ে না যায়। জনগণ অনেক আশা আকাঙ্ক্ষা নি‌য়ে আপনা‌দের ভোট দি‌য়ে‌ছে। তা‌দের আশা পূর‌ণে আপনা‌দের কাজ কর‌তে হ‌বে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যাল‌য়ে রাজশাহী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠা‌নে তি‌নি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণ যেন সম্পদশালী হয় সে দি‌কে লক্ষ্য রে‌খে আপনা‌দের কাজ ক‌রে যে‌তে হ‌বে। দলীয় প‌রিচ‌য়ে নয়, নির্বা‌চিত জনপ্র‌তি‌নি‌ধি হি‌সে‌বে সব ধরনের সু‌যোগ সু‌বিধা পা‌বেন। য‌দি সেখা‌নে অনিয়ম হয়, দুর্নী‌তি হয়, সন্ত্রাস ও জ‌ঙ্গিবা‌দের স‌ঙ্গে জড়া‌নোর কোনো অ‌ভি‌যোগ উঠে তাহ‌লে যে দ‌লের নেতাই হন না কেন, রেহায় পা‌বেন না।

প্রধানমন্ত্রী ব‌লেন, যেই সরকার গঠন করুক না কেন তারা নি‌জে‌দের সম্পদশালী না ক‌রে যেন জনগণ‌কে সম্পদশালী ক‌রে। তাহ‌লে দে‌শের উন্নয়ন হ‌বে, দেশ এ‌গি‌য়ে যা‌বে। স্থানীয় সরকার সচিব ড. জাফর আহমেদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যাল‌য়ের মূখ্য স‌চিব মো. ন‌জিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক-৫৬

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপি-জামায়াতের চার নেতা কর্মী ও মাদক মামলার দুই আসামীসহ ৫৬ জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে আশাশুনি থানা এলাকা থেকে দুইটি বোমা সদৃশ্যবস্তু, ফেন্সিডিল ও ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৩ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৭ জন, তালা থানা ৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৮ জন, শ্যামনগর থানা ১৩ জন, আশাশুনি থানা ৭ জন, দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পত্রদূত সম্পাদক আলাউদ্দীন হত্যার বিচার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরায় দৈনিক পত্রদূতের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, বিশিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক শহীদ স.ম. আলাউদ্দীনের হত্যার বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আয়োজনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচিটি পালিত হয়।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আবু বক্কর সিদ্দিক, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হাসানুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদার, মুক্তিযোদ্ধা হাসানুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোমিন, শহীদ আলাউদ্দিন কন্যা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আলাউদ্দিন হত্যার দীর্ঘ ২২ বছর অতিবাহিত হলেও আজও হত্যাকারীদের বিচার সম্পন্ন হয়নি। আসামীরা বিভিন্ন অজুহাতে মামলার বিচার কার্যক্রম বাঁধাগ্রস্ত করে আসছে। ইতিমধ্যে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার পাবলিক স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রভাবশালী আসামীরা মামলার ন্যায় বিচার বাধাগ্রস্ত করতে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। বক্তারা এ ব্যাপারে সাতক্ষীরাবাসীকে সজাগ থাকার আহবান জানান এবং দ্রুত বিচার শেষ করার দাবী জানান। মানববন্ধন থেকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে শহীদ স.ম আলাউদ্দিন হত্যার বিচার বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটি আহবানে মানববন্ধনে সর্বস্তরের সাতক্ষীরাবাসীকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্কুলশিক্ষক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ধনী

অনলাইন ডেস্ক: ইচ্ছা থাকলে জীবনে অসম্ভব কিছুই না। কোনও বাধাই আপনাকে আটকাতে পারবেন না। আর সেটাই প্রমাণ করেছিলেন ই-কমার্স আলিবাবা’র প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা। কীভাবে একজন শিক্ষক থেকে তিনি ২.৭১ লাখ কোটি টাকার মালিক হয়েছে উঠেছেন।
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী জ্যাক মা’র জীবন নিয়ে লেখা ‘আলিবাবা: দ্যা হাউস দ্যাট জ্যাক মা বিল্ট’ বই-এ বলা হয়েছে- ১৯৯৯ সালে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে জ্যাক যখন আলিবাবা নামে সংস্থা খুলেছিলেন তখন সকলে তাকে সন্দেহের চোখে দেখতেন। প্রতারক ভাবতেন অনেকেই। পরে অবশ্য মানুষ বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি প্রতারক নয়। বরং তার উদ্যোগে সাধারণ মানুষের জীবনে অনেক কিছু আরও সহজ হয়ে উঠতে চলেছে।
বিল গেটস বা স্টিভ জোবসের মত কম্পিউটার সায়েন্সের কোনও ব্যাকগ্রাউন্ড নেই তার। ছোটবেলায় কোনদিন তিনি কম্পিউটার ব্যবহার করেননি। অঙ্কে একবার তিনি ১২০ এর মধ্যে ১ পেয়েছিলেন। এরপর ১৯৮০ সালে স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন।
ব্যবসার কারণে ১৯৯৪ সালে তিনি যখন আমেরিকায় গিয়েছিলেন তখন ইন্টারনেট পরিষেবা দেখে চমকে গিয়েছিলেন। হয়রান হয়ে গিয়েছিলেন কীভাবে মানুষ বাড়িতে বসেও বন্ধু ও আত্মীয়দের সঙ্গে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতে পারেন।
এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ সালে জ্যাক মা আলিবাব’র কার্যক্রম হাতে নেন। এজন্য ১৭ জন বন্ধুকে তৈরি করেছিলেন। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি জ্যাক মাকে। গোটা বিশ্বে ই-কমার্স সাইটের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে জ্যাক মার সংস্থা। সূত্র: নিউজ১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest