সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়

কষ্টদায়ক ব্যথা ফ্রোজেন সোল্ডার

স্বাস্থ্য কণিকা: যতগুলো ব্যথা আমাদের পীড়া দেয় তার মধ্যে কাঁধ ব্যথা বা ফ্রোজেন সোল্ডার সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক। এই রোগে স্বাভাবিক সময় যেমন হাত বিশ্রামে রাখলে বা আক্রান্ত হাত দিয়ে কোনো কাজ না করলে সাধারণত কোনো ব্যথা অনুভূত হয় না। ব্যথাতুর হাত দিয়ে কিছু ধরতে গেলে কাঁধে বিদু্যুৎ চমকের মতো তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।
অনেক রোগী রাতে ঘুমাতে পারেন না। আক্রান্ত পাশে পাশ ফিরলে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায় এবং গভীর রাতে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। একবার ব্যথা শুরু হলে এ ব্যথা আর থামতে চায় না। এমনকি ব্যথার ওষুধও কাজ করে না। রোগীরা গরম পানি সেঁক, মালিশ ইত্যাদি দিতে থাকেন। এসবেও কাজ হয় না।

কারণ: ডায়াবেটিস রোগীদের এই ব্যথা সবচেয়ে বেশি হয়। ভারি কাজ করলে বা অন্য কোনো কারণে কাঁধে সামান্য আঘাত পেলে ধীরে ধীরে কাঁধ জমে যেতে থাকে। অনেক রোগী প্রাথমিক অবস্থায় ব্যথার ধরন বুঝতে পারেন না।
ভাবেন সামান্য ব্যথা এমনিতেই সেরে যাবে। ধীরে ধীরে এই ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে এবং এক সময় রোগী পেছনের দিকে হাত নিতে পারেন না এমন কি জামা পরতে বা টয়লেটিং করতেও ভীষণ ব্যথা অনুভব করেন। ডায়াবেটিস ছাড়াও সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস রোগীরা এই রোগের জটিলতা হিসেবে ফ্রোজেন সোল্ডারে আক্রান্ত হতে পারেন।

চিকিৎসা: ডায়াবেটিস থাকলে ইন্ট্রাআর্টিকুলার ইঞ্জেকশন না দেয়াই ভালো। এতে ডায়াবেটিস বেড়ে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রেই ব্যথা ভালো হয় না। দীর্ঘমেয়াদি ইলেকট্রোথেরাপি থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ ও ম্যানিপুলেশনের সমন্বয় অর্থাৎ আইপিএম এই ক্ষেত্রে কার্যকর।
এক্ষেত্রে রোগীকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে, ফ্রোজেন সোল্ডারের ব্যথা নিমিষেই দূর করা সম্ভব নয়। পুরোপুরি ব্যথা ভালো হতে ২-৩ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

উপদেশ: ডায়াবেটিস রোগীরা কাঁধের ব্যথার ব্যাপারে খুব সজাগ থাকুন। যাত্রাপথে গাড়িতে বা বাসায় কোনো কাজ করতে গিয়ে হাতে ঝাঁকুনি খেলে বা আঘাত পেলে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে হালকা ব্যথা অনুভব করলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী আইপিএম চিকিৎসা শুরু করে দিন।

যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হবে তত খরচ ও চিকিৎসার দীর্ঘসূত্রতা কমবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলা-ইংরেজির সংমিশ্রণে কোনো বার্তা না দেয়ার নির্দেশ বিটিআরসির

দেশের খবর: বিভিন্ন অফার বা প্যাকেজের তথ্য গ্রাহকদের জানাতে এখন থেকে আর মিশ্র ভাষা ব্যবহার করতে পারবে না টেলিকম অপারেটররা। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে বাংলা-ইংরেজির সংমিশ্রণে কোনো এসএমএস পাঠানো যাবে না। এছাড়াও সরকার বা বিভিন্ন কোম্পানির প্রচারণামূলক এসএমএসের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম মেনে চলতে হবে। এগুলোও সাধারণত ইংরেজি অক্ষরে বাংলায় লেখা হয়। সেগুলোও এখন বন্ধ হয়ে যাবে।
অপারেটরদের মাধ্যমে অনেক বাণিজ্যিক এসএমএসও পাঠানো হয়, যেগুলো একইভাবে ইংরেজি অক্ষরে বাংলা লেখা হয়। এগুলোর অধিকাংশই বাংলার বিকৃতি হয় বলে মনে করছে বিটিআরসি। তাই তা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিডনি ভালো রাখবে যেসব খাবার

স্বাস্থ্য কণিকা: চোখ, মস্তিষ্ক, হৃদপিন্ড, পাকস্থলীর মতোই শরীরের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো কিডনি। এটি শরীরের পানি সরবরাহ ঠিক রেখে দূষিত রক্ত দূর করে থাকে। একটু অসতর্কতা হলে এই অঙ্গটির বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। যা পরবর্তীতে কিডনি ড্যামেজের মত সমস্যাও হতে পারে। তবে কিছুটা সচেতন হলে কিডনির সমস্যা অনেকেটা প্রতিরোধ করা সম্ভব। কিছু খাবার আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে কিডনি রোগের ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।
এমন কিছু খাবারের নাম পাঠকদের জন্য-

আপেল: প্রচলিত আছে ‘প্রতিদিন একটা আপেল খান আর ডাক্তারকে দূরে রাখুন’। কথাটা কিডনির ক্ষেত্রেও সত্য। আপেল উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার, এতে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটোরি আছে যা বাজে কোলেস্টেরল দূর করে হৃদ রোগ প্রতিরোধ করে থাকে। এছাড়া এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। আপেল কাঁচা বা রান্না করে অথবা প্রতিদিন এক গ্লাস আপেলের জুস খাওয়ার চেষ্টা করুন।

ক্যাপসিকাম: কিডনি সুস্থ রাখতে ক্যাপসিকাম হতে পারে প্রথম পছন্দ। সালাদ কিংবা যেকোন রান্নাকে সুস্বাদু করতে এর জুড়ি নেই। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, ফলিক এসিড এবং ফাইবার বা আঁশ। এছাড়াও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপিন, যা কিনা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক।

পেঁয়াজ: কিডনি সুস্থ রাখার আরেকটি অন্যতম উপাদান হল পেঁয়াজ। এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনোয়েড রয়েছে। যা রক্তের চর্বি দূর করে থাকে। এছাড়া এতে কুয়ারসেটিন আছে যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে থাকে। পেঁয়াজে পটাশিয়াম,প্রোটিন আছে যা কিডনির জন্য অনেক বেশি উপকারী।

রসুন: রসুনের গুণের কথা আমাদের সবারই জানা। এটি কিডনি প্রদাহ উপশম করার পাশাপাশি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিডনি রোগীদের জন্য রসুন বেশ উপকারী।

বাঁধাকপি ও ফুলকপি: বাঁধাকপি ও ফুলকপিকে বলা যায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-এর খনি। এরা শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি রেডিকেলস এর বিরুদ্ধে কাজ করে কিডনিকে শক্তিশালী করে। পাশাপাশি ক্যান্সার এবং হৃদরোগ প্রতিরোধেও এরা কাজ করে। দামে সস্তা হলেও এগুলোতে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি-৬ ও ফলিক এসিড। ফুলকপির একটি বিশেষ গুণ হচ্ছে, এটি শরীর থেকে বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সহায়তা করে।

ডিমের সাদা অংশ: ডিমের সাদা অংশে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস এবং অ্যামিনো এসিড আছে যা কিডনি রোগ প্রতিরোধ করে কিডনিকে সুস্থ রাখে। ডিম সিদ্ধ করে বা অমলেট করে খেতে পারেন। তবে হ্যাঁ ডিমের সাদা অংশ শুধু।

মাছ: কিডনিকে সুস্থ রাখার অন্যতম খাবার হল মাছ। এতে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ওমেগা থ্রি এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটোরি ফ্যাট আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখে। আমেরিকান ডায়াবেটিকস এসোসিয়েশনের মতে দিনের খাদ্যতালিকায় দুই থেকে তিন বেলা মাছ রাখুন। এটি আপনার হৃদযন্ত্র ঠিক রাখার পাশপাশি ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে থাকে।

অলিভ অয়েল: একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রতিদিনের রান্নায় অন্যান্য তেলের চেয়ে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা বেশি স্বাস্থ্যকর। এতে অলিক এসিড, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ফ্যাটি এসিড আছে যা কিডনি সুস্থ রাখার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালমান খানের কারণে শাহরুখ আজ ‘কিং খান’

বিনোদনের খবর: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা কিং খানকে সবাই চেনে। তার অভিনয় দক্ষতায় আজ তিনি কিং খানে পরিণত হয়েছেন। তিনি বলিউড বাদশা শাহরুখ খান।
তবে তার এই বাদশা হওয়ার পেছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশি, কে বা কারা রয়েছেন তার পেছনের গল্পে, হয়তো অনেকেরই জানা নেই?
যার জন্য আজ শাহরুখের যশ, খ্যাতি তিনি আর কেউ নন তিনি বলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের বাবা সেলিম খান।
সম্প্রতি একটি চ্যানেলে সালমান খানের সঞ্চালনায় ‘দশ কা দম’-৩ এর ফাইনাল রাউন্ডে অতিথি হিসাবে এসে সেলিম খানের অবদানের কথা স্মরণ করেছেন শাহরুখ।
শাহরুখ খান বলেন, যখন আমি প্রথমবার মুম্বাই এসেছিলাম, তখন আমি একজন সাধারণ এক অভিনেতা ছিলাম। মুম্বাইতে ভালো থাকা খাওয়ারও স্থান ছিলনা আমার। সে সময় সালমানের বাড়িতেই আমি খাবার খেয়েছিলাম। সেলিম খানজী আমাকে ভীষণভাবে সাহায্য করেছিলেন। বলতে গেলে ওনার সাহায্যেই আজ আমি শাহরুখ হয়েছি।
সালমান-শাহরুখের বন্ধুত্ব সর্বজনবিদিত। বিটাউনে তাদের বন্ধুত্ব করণ-অর্জুন উপাধিতে পরিচিত। তাই এ বন্ধুত্বের বন্ধনকে যেন আরও দৃঢ় করলেন শাহরুখ, আমি এই শোয়ে এসেছি শুধুমাত্র সালমানের জন্য। ও আমাকে যেখানে যেতে বলবে আমি যেতে রাজি।
সেলিম খান বলিউডের একজন খ্যাতনামা চিত্রনাট্যকার। তিনি ‘জাঞ্জির’,‘সীতা অউর গীতা’এবং‘সীতা অউর গীতা’র মত ছবির চিত্রনাট্যকার তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে নিমপাতা

স্বাস্থ্য কণিকা: আমাদের চারপাশেই রয়েছে এমন অনেক কিছু, যার নিত্য ব্যবহারের ফলে নানাবিধ রোগ থাকবে দূরে। আর এর মধ্যে নিমপাতার প্রচুর উপকার রয়েছে। মাত্র কয়েকটা নিমপাতা নিয়মিক খেলে বিভিন্ন রোগের থেকে নিরাময় পাওয়া সম্ভব।

নিমপাতা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে পারে। চামড়ার ইনফেকশন রোধে এছাড়া ব্রণ, চুলকানি ও অ্যালার্জি রোধে নিমপাতা অনেক উপকারি। এছাড়া শরীরের ব্যথা, কেটে গেলে, পুড়ে গেলে, কানব্যথা, মচকানো, মাথাব্যথা, জ্বর কমাতে নিমপাতা ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। আসুন জেনে নেই, নিম পাতা আর যেসব অসুখে কাজে লাগে-

১। শরীরের ব্যথা, কেটে গেলে, পুড়ে গেলে, কানব্যথা, মচকানো, মাথাব্যথা, জ্বর কমাতে নিমপাতা ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

২। শিশুদের পেটে কৃমি নির্মূল করতে নিমের জুড়ি নেই। শিশুরাই বেশি কৃমির শিকার হয়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়ো দিন ৩ বার সামান্য গরম পানিসহ খেতে হবে।

৩। অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রস সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতীদের জন্য ঔষধটি নিষেধ।

৪। সকালে খালি পেটে ৫টি গোলমরিচ ও ১০টি নিম পাতা বেটে খেলে তা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।

৫। নিম পাতা সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।

৬। পোকা মাকড় কামড় দিলে বা হুল ফোঁটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।

৭। নিমের পাতা ও ছালের গুড়ো কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দাঁতের রোগ থেকেও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টুথপেস্টের আরও ১০ ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক: প্রতিদিন সকালে উঠে আর রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই দাঁত মাজা উচিত৷ এমনটাই শিখে এসেছে সবাই ছোটবেলা থেকে৷ তবে এখন যদি বলা হয়, টুথপেস্ট দাঁত মাজা ছাড়াও আরও অনেক কারণেই ব্যবহার করা যায়।

যেমন-বাড়ির কাজ, ধরুন, পুরানো গয়নাকে নতুন করে দেওয়া৷ এই ধরণের বিভিন্ন কাজে লাগে টুথপেস্ট৷ আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে আমাদের পাঠকদের জন্য রইলো, কখনও কোনও সমস্যায় পড়লে কিভাবে টুথপেস্ট সমস্যার সমাধান করবে-

১। গাড়ির কাঁচ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করুন টুথপেস্ট৷ নতুন গাড়ি কেনার সময় যেমন কাঁচ চকচক করত, টুথপেস্ট দিয়ে পরিষ্কার করলেও তেমনই করবে৷

২। জামায় বিভিন্ন কারণে লিপস্টিকের দাগ লেগে পারে৷ কিংবা খেতে গিয়ে সসও পড়ে যায়৷ সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে যান আপনি৷ তা না করে টুথপেস্ট দিয়ে ঘষে নিন জায়গাটা৷ দেখবেন দাগ চলে গেছে৷

৩। রুপার গয়না একটু পুরানো হয়ে গেলই কালচে হয়ে যায়৷ ব্রাশে একটু টুথপেস্ট লাগিয়ে গয়নাটি ভালো করে পরিষ্কার করুন৷ ভালো করে ঘষে নিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন৷ তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ দেখবেন গয়না আগের মতো হয়ে গেছে৷

৪। কাঠের ফার্নিচার হোক বা অ্যালুমিনিয়ামের৷ দাগ পড়ে গেলে আপনি নানা রকমের চেষ্টা করে সেই দাগ তোলার চেষ্টা করেন৷ কিন্তু সেই চেষ্টা বিফলে যায়৷ তাই টুথপেস্ট দিয়ে পরিষ্কার করুন৷ দাগও উঠবে এবং চকচকেও হবে৷

৫। নেলপলিশ বা নখে লেগে থাকা গাঢ় দাগ তুলতে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন৷ আঙুলে একটু পেস্ট নিয়ে ঘষে নিন৷ দেখবেন দাগ উঠে গেছে৷

৬। হারমোনিয়াম বা সিন্থেসাইজারের রিডে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতেও টুথপেস্ট কার্যকরী৷ একটা ভেজা টুকরো কাপড়ে একটুখানিক টুথপেস্ট নিয়ে হালকা করে ঘষতে থাকুন। দাগ উঠে যাবে নিমেষে৷

৭। মাছ ধরলে, ধুলে হাতে আষ্টে গন্ধ হয়ে যায়৷ পেঁয়াজ, রসুন কাটলেও এমনটাই হয়৷ সেই গন্ধ দূর করুন টুথপেস্ট দিয়ে৷ কারণ সাবানও যে কাজে ফেল টুথপেস্ট সেই কাজ করে দেয়৷

৮। ফোনে স্ক্রিনগার্ড লাগালেও স্ক্র্যাচ পড়ে যায়৷ নতুন স্ক্রিনগার্ড না কিনে তুলোয়ে টুথপেস্ট নিয়ে ঘষে নিন৷ আসতে করে ঘষবেন৷ ভালো করে মুছে নিন৷ দেখবেন আগের মতো হয়ে গেছে ফোনের স্ক্রিন৷

৯। আয়রনের দাগ তুলতেও টুথপেস্ট উপকারী৷ এবং বেসিন বা বাথরুমের স্টিলের কলে ময়লা জমলেও টুথপেস্ট লাগিয়ে রেখে দিন৷ তারপর ধুয়ে নিন৷ দেখবেন ময়লা উঠে গেছে৷

১০। ব্রুণ হলে আগের টুথপেস্ট নিয়ে ব্রুণের ওপর লাগিয়ে রাখুন৷ দেখবেন পরের দিন সকালে কমে গেছে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করণের সব ‘গোপনীয়তা’ রণবীরের কাছে

বিনোদনের খবর: রণবীর কাপুরের ভক্তের সংখ্যা গুনে শেষ করা যাবে না। কিন্তু অন্যদের মতোই সহজে ভক্তদের কাছে ধরা দেন না তিনি। কারণ ফেসবুক, টুইটার হোক বা ইনস্টাগ্রাম, কোনও সোশ্যাল মিডিয়াতেই নিজেকে রাখেননি রণবীর।
তবে নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায় না থাকলেও অন্য একজনের সোশ্যাল মিডিয়ার খুঁটিনাটি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল রণবীর। তিনি হলেন বলিউডের প্রথম সারির পরিচালক করণ জোহর। সম্প্রতি আনাইতা শ্রফের চ্যাট শো ‘ফিট আপ উইথ দ্য স্টারস’-এর মঞ্চে এক প্রশ্নের জবাবে করণ এই ‘সিক্রেট’ ফাঁস করেন।
করণ বলেন, ‘‘আমার জীবন সম্পর্কে আমার থেকে বেশি রণবীর খবর রাখে। রণবীর আমার ফোনের পাসকোড জানে। এমনকি, নিয়মিত আমার হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমেল চেক করে।’’
রণবীর প্রসঙ্গের সঙ্গে ক্যাটরিনার ব্যাপারে আনাইতা প্রশ্ন করেন, ক্যাটরিনার মানানসই বলিউডে কে রয়েছেন। উত্তরে করণ বলেন, ‘‘আমি ক্যাটরিনাকে সত্যি ভালবাসি। ক্যাটরিনার জন্য যথেষ্ট কেউ আমার ধারে কাছে নেই।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরো ১১ মামলা

দেশের খবর: বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল ও বিজয়ী ক্ষুদ্র ঋণের প্রবক্তা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ফের মামলা করা হয়েছে। বকেয়া পরিশোধ না করায় তার বিরুদ্ধে ১১ টি মামলা করা হয়েছে। এই ১১ টি মামলাসহ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত মোট ৯০টি মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার শ্রম আদালতে তার বিরুদ্ধে ১১টি মামলা করেন ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি গ্রামীণ টেলিকমে বর্তমানে কর্মরত ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারী। মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল হাসানকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনে এক-তৃতীয়াংশ শেয়ার রয়েছে গ্রামীণ টেলিকমের। প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব পল্লীফোন ছাড়াও নকিয়া ও হুয়াওয়ের সার্ভিস দিয়ে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা কর্মীদের মাঝে বণ্টন করে দেয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা দেয়া হয়নি। ২০০৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ টেলিকমের মুনাফা হয়েছে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু এ মুনাফা কর্মীদের পরিশোধ করা হয়নি। গত দশকে প্রতিষ্ঠানটির নিট মুনাফা ২১ হাজার কোটি টাকার ৫ শতাংশ অর্থাৎ ১০৮ কোটি টাকা কর্মী ও সরকারকে দেয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ওই অর্থের ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ও বর্তমান কর্মীদের পরিশোধ, ১০ শতাংশ সরকার এবং ১০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের কল্যাণ ফান্ডে জমা দেয়ার কথা।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জাফরুল হাসান শরীফ জানান, মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল হাসান এবং এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিবাদী করা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় আরো ৭৯টি মামলা করা হয়েছে। এ নিয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০টি।

দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest