সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষায় যৌথ অভিযানে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

দেশের খবর: সারা দেশে নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বয়ে শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান। আগামী সপ্তাহের প্রথমদিকে এ অভিযান পরিচালনা করবে যৌথ বাহিনী।

এ অভিযানের লক্ষ্য হচ্ছে- সারা দেশে নির্বাচনী পরিবেশ নির্বিঘ্ন করা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, পলাতক জঙ্গিদের গ্রেফতার, রাজনৈতিক ক্যাডারদের আধিপত্য দমন ও তালিকা অনুযায়ী নাশকতাকারীদের গ্রেফতার করা। একই সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী গ্রুপের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ক্যাডারদেরও আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে যৌথ বাহিনী। পুলিশ সদর দফতরের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল রোববার বলেন, যেখানে যে মাত্রার অভিযান প্রয়োজন, সেখানে তেমন অভিযান চালানোর নির্দেশনা দেয়া আছে। নির্বাচনের পরিবেশ নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে তথ্য বিনিময় করছে।

এতে যেখানে নাশকতা বা বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে তা প্রতিহত করতে কাজ করছে। সাঁড়াশি অভিযানের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন যে মাত্রার অভিযান প্রয়োজন তা চলমান আছে, তবে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের পর অভিযানের ধরন বদলে যেতে পারে। সেটা পরিস্থিতি বলে দেবে।

জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই ভোট কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিতে করণীয় ঠিক নির্ধারণে একটি খসড়া করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে মাঠপর্যায়ের পুলিশকে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি ভোট কেন্দ্র থেকে অন্যটির দূরত্ব কত এবং কোন ভোট কেন্দ্রে কতসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য প্রয়োজন তার প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে।

এ প্রতিবেদনের নিরিখে চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রে কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দেয়া হবে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রের তালিকা, কোন কোন কেন্দ্রে এর আগে বিশৃঙ্খলা হয়েছে তাও রিপোর্টে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রভিত্তিক হামলা বা বিশৃঙ্খলাকারীর দলীয় পরিচয়সহ তালিকা করে পাঠাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন (সিএমপি) পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান রোববার বলেন, কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ চলছে। কোন কোন কেন্দ্রে কী ধরনের ঝুঁকি আছে তা এখন থেকেই রিপোর্ট আকারে প্রস্তুত করা হচ্ছে। যেহেতু সামনে নির্বাচন তাই সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশনা এসেছে।

তিনি বলেন, একটি কেন্দ্রে কী ধরনের ঝুঁকি এবং কারা হামলা বা বিশৃঙ্খলা করতে পারে সে বিষয়ে পরিপূর্ণ তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের পরই সাঁড়াশি অভিযানের প্রস্তুতি রয়েছে। এ কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনের পরিবেশ রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপযুক্ত সময়ে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করবে।

পুলিশ সদর দফতরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের অপেক্ষায় আছেন তারা। তবে তাদের পূর্ণ প্রস্তুতি এখনই রয়েছে। নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের পর দেশের ভেতরে যাতে কোনো গোষ্ঠী অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সে বিষয়টি মাথায় রেখেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুতি নিয়ে আছে।

এ কর্মকর্তা আরও জানান, দুই সপ্তাহ ধরে যে অভিযান অব্যাহত আছে; তাতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এছাড়া সব রেঞ্জ, মেট্রোপলিটন ও জেলা পুলিশকে আগের চেয়ে সতর্ক প্রহরায় থাকতে নির্দেশনা রয়েছে।

এর কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এ ধরনের নির্দেশনা এসেছে। বিশেষ কোনো গোষ্ঠী যেন আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে না পারে সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তিনি আরও জানান, পুলিশ সদর দফতরে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে চলতি সপ্তাহে। এ বৈঠকের পরপরই পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করে রেঞ্জের ডিআইজি, বিভিন্ন মেট্রোপলিটনের কমিশনার, জেলা এসপিসহ অপারেশনাল ইউনিটের দায়িত্বশীলদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকের পরই শুরু হবে যৌথ বাহিনীর অভিযান। ইতিমধ্যে এ অভিযানের একটি রূপরেখা প্রাথমিকভাবে তৈরি করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এজন্য স্বাভাবিক অভিযানের বাইরে যৌথ বাহিনী লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান চালাবে। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পুলিশ সদর দফতর হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কার্যালয়ে পাঠানো হবে।

পুলিশ সদর দফতর সূত্র আরও জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশের সর্বত্র অভিযান চলছে। এ অভিযানের সঙ্গে যোগ হবে যৌথ বাহিনী, যার পরিধি বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন রকমের হবে। প্রতি বড় জেলায় যৌথ বাহিনীর সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ জন সদস্য থাকবে।

ছোট আয়তনের জেলায় থাকবে ২০০ থেকে ২৫০ জন। আগের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহিংসতাকবলিত জেলা, সন্ত্রাসকবলিত জেলা ও সরকারবিরোধীদের নাশকতার জন্য টার্গেট করা জেলা হিসেবে ক্যাটাগরি করেছে। তবে এসব স্থান থেকে প্রতিদিনই সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিশৃঙ্খলার চেষ্টায় মদদদাতা হিসেবে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী রয়েছে গ্রেফতার তালিকায়।

সরকারের একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা বিশৃঙ্খলা করতে পারে। এজন্য যৌথ বাহিনীর অভিযানে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে বাছাই করা কর্মকর্তাদের নিয়োজিত করা হচ্ছে।

সরকারবিরোধী চক্রের লোকজন যেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার করে সরকারকে বিব্রত করতে না পারে সেজন্য প্রযুক্তিগত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে র‌্যাবের গোয়েন্দারা এ ধরনের দু’জন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে। যারা সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের নিয়ে অপ্রপচারের ছক করেছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কী ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জানতে চাইলে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতে সন্ত্রাসী গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলছে।

একই সঙ্গে যারা নাশকতাকারী তাদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে যে ধরনের অভিযান প্রয়োজন তা চলছে। অপরদিকে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমেদ বলেন, যে কোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। খুব দ্রুত সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, অভিযানে দলীয় লোকের পরিচয় মুখ্য নয়, শাসক দল ও এর বিদ্রোহী গ্রুপের কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের দমনেও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।

পুলিশ সদর দফতরের এডিশনাল ডিআইজি (ইন্টিলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গোয়েন্দারা মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করছে। বিশেষ করে জঙ্গি-সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারীরা কোনোভাবে মাথাচাড়া দিচ্ছে কিনা, তারা কোনো সুযোগ নিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। তবে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে গোয়েন্দা রাডারে তাদের ধরা পড়তে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বি চৌধুরীর ফর্মুলা; বিএনপির ১৫০ যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্য প্রক্রিয়ার ১২০ আসন!

রাজনীতির খবর: যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা সভাপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিএনপির সঙ্গে ঐক্যের নতুন ফর্মুলা দিয়েছেন। এতে বিএনপিকে ১৫০ আসন এবং যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়ার সম্ভাব্য জোটকে ১২০ আসন দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া জামায়াতকে বাদ দিয়ে ২০ দলীয় জোটের শরিক অন্য ১৮ দলকে ২০টি আসন এবং সুধীসমাজের মধ্য থেকে ১০ জনকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সূত্র মতে, বি চৌধুরীর ফর্মুলায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বিএনপির পছন্দ অনুযায়ী হবে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি ও ন্যায়পাল পদে মনোনয়ন হবে যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়ার পছন্দ অনুযায়ী।

সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে লিখিত ওই প্রস্তাব তুলে দেওয়া হয়েছে বলে যুক্তফ্রন্টের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপি ওই প্রস্তাবে গুরুত্ব দিতে চাইছে না। বরং এ ধরনের প্রস্তাবকে তারা বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করছে। গতকাল রাতে জেএসডির সভাপতি আ স ম রবের বাসায় অবশ্য ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ঐক্যে আগ্রহী দলগুলোর দাবিদাওয়া নিয়ে অবশ্যই আলোচনা হবে। তিনি বলেন, আলোচনা চলছে, আলোচনা চলবে।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়টি আমরাও চাই। তবে সেটি আলোচনার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসবে।’

ফর্মুলার প্রথম ধাপ : চার ধাপে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে ফর্মুলায়। প্রথম ধাপের প্রস্তাবে যুক্তফ্রন্টভুক্ত তিন দল (বিকল্পধারা, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য), গণফোরামের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া এবং বিএনপিসহ ১৮ দলকে জাতীয় ঐক্যে সম্পৃক্ত করার কথা বলা হয়েছে। জোটের নাম হবে জাতীয় যুক্তফ্রন্ট। কৌশলে বিএনপির প্রধান শরিক জামায়াতকে বাদ দিয়ে বলা হয়েছে, স্বাধীনতাবিরোধীদের বাদ দিয়ে জোট করা হোক। প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে, জোট ঘোষিত হওয়া মাত্র ২০ দলীয় জোটের কর্মকাণ্ড স্থগিত ও নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে এবং জাতীয় যুক্তফ্রন্টের নামে কর্মসূচি পালন করা হবে। তবে দলগুলো নিজ নিজ উদ্যোগে নিজস্ব কর্মসূচি পালন করতে পারবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়।

দ্বিতীয় ধাপ : ‘সংসদে ভারসাম্য=ক্ষমতার ভারসাম্য= স্বেচ্ছাচারমুক্ত বাংলাদেশ’ এভাবে উল্লেখ করে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এই নীতিতে জাতীয় যুক্তফ্রন্ট সংসদে একটি ভারসাম্য আনতে চেষ্টা করবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে লড়াই করবে। এই ভাগে বিএনপি ১৫০, ১৮ দল ২০টি আসন, যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়া ও অন্যান্য ১২০ আসন এবং সুধীসমাজকে ১০টি আসন ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেন বি চৌধুরী। তবে সুধীসমাজের জন্য ছেড়ে দেওয়া ১০টি আসনের মধ্যে পাঁচটি বিএনপির পছন্দে এবং পাঁচটি যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়া পছন্দ অনুযায়ী মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলা হয় প্রস্তাবে। বি চৌধুরীর প্রস্তাব অনুযায়ী সুধীসমাজের পাঁচজনের মনোনয়নসহ বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোটকে ১৭৫ আসনে মনোনয়নের এখতিয়ারের কথা বলা হয়।

তৃতীয় ধাপ : প্রস্তাবে বলা হয়, বিএনপি, যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া প্রত্যেকেই নিজ নিজ দল বা জোটের নির্বাচনী ইশতেহার প্রস্তুত করবে পরে। এগুলো সমন্বয় করে একটি ইশতেহার ঘোষণা করতে হবে। আর চূড়ান্ত ইশতেহারের সঙ্গে কয়েকটি আইনের খসড়া প্রস্তাবও সংযুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়। যেমন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনী, অ্যার্টনি জেনারেল ও দুর্নীতি দমন কমিশনের গঠন নিয়োগ কিভাবে হবে ইত্যাদি।

চতুর্থ ধাপ : এ ভাগের প্রস্তাবে সরকারের ভারসাম্য আনার জন্য রাষ্ট্রপতি ও ন্যায়পাল—এ দুটি পদে নিয়োগের জন্য নাম যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্যপ্রক্রিয়া প্রস্তাব করবে বলে বি চৌধুরী উল্লেখ করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রস্তাব অনুযায়ী হবে। এ ছাড়া তিনি বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার পদ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেন।

এর আগে গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও তাঁর ছেলে মাহী বি চৌধুরী দেড় শ আসনে মনোনয়ন চেয়ে আলোচিত হন। বিএনপি ওই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয় বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হচ্ছে জানিয়ে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মিথ্যা প্রকাশনার নাম করে বিজ্ঞাপন চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ আদায়ের জন্য জালপত্র পাঠানো হচ্ছে।
এ ধরনের জালপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বহিঃপ্রচার) এর ফোন নম্বরে (৯৫৬২৯৫২) যাচাই করার জন্য বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতিসংঘ জলবায়ু রিপোর্ট: ভয়াবহ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘের জলবায়ু রিপোর্ট বলছে, আগে যা ভাবা হয়েছিল তার চেয়েও কঠোর পরিণতির মুখে পড়বে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল সমুদ্র উপকূলীয় দেশগুলো। বাড়বে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, ঘন ঘন খরা, বন্যা ও দাবদাহ দেখা দেবে।
রিপোর্টে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে আগে ভাবা হয়েছিল শিল্পপূর্ব যুগের তুলনায় তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে সমস্যা কম হবে। কিন্তু নতুন গবেষণা দেখা গেছে দেড় ডিগ্রি বাড়লেই দেখা দেবে বিপর্যয়। আর এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উপকূলীয় কৃষি নির্ভর অর্থনীতিগুলো।
দিল্লিভিত্তিক সেন্টার ফর সায়েন্স এন্ড এনভায়রনমেন্টের মহাপরিচালক সুনিতা নারাইন বলেন, ‘বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রাক-শিল্পযুগের তুলনায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে কিছুটা বেশি বেড়েছে। এতেই নানা দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছে উপকূলীয় দেশগুলোর কৃষি খাত। এটি আরও বাড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।’
বর্তমানে বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৬ষ্ঠ। ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০ সালে এই সূচকে কৃষি নির্ভর বদ্বীপ বাংলাদেশকে রাখা হয়েছিল ১ নম্বরে।
জাতিসংঘের জলবায়ু রিপোর্ট ২০১৮ অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উপকূলীয় কৃষি ও মৎস্য খাত। এতে বাংলাদেশেই কয়েক কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সূত্র-বিবিসি, এনডিটিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন দুই মার্কিনি

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং বৃহদাকার অর্থনৈতিক গবেষণা করে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের জন্য এবার অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ উইলিয়াম ডি. নর্ডহাস ও পল এম. রোমার।
সোমবার (০৮ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমের কারোলিনস্কা অ্যাকাডেমিতে স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় পৌনে ৪টা) যৌথভাবে তাদের নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস।
তাদের পুরস্কার দেওয়ার কথা জানিয়ে বিবৃতিতে নোবেল কমিটি জানিয়েছে, এবার অর্থনীতিতে নোবেল জয়ীদের মধ্যে উইলিয়াম ডি. নর্ডহাস বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থনীতির গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দিক বের করে এনেছেন। এছাড়া আরেক বিজয়ী এম. রোমার বড় পরিসরে অর্থনৈতিক গবেষণা করে বিশ্বে টেকসই উন্নয়নে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের বিপ্লব ঘটিয়েছেন।
গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের প্রকৃত প্রভাব পরিমাপ করতে যেখানে নীতিনির্ধারকরা ব্যর্থ হচ্ছেন, সেখানে এমন মডেলগুলো ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দিক প্রবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেল ইয়েল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর নর্ডহাস। এজন্য তিনি জলবায়ু অর্থনীতি বিষয়ে গবেষক হিসেবে মার্কিনিদের কাছে সুপরিচিত ব্যক্তি।
আর নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত শিক্ষক রোমার বিশ্বব্যাপী টেকসই প্রবৃদ্ধিকে কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় তার বিষয়ে গবেষণা করে সফলতা পান।
পুরস্কার হিসেবে একটি করে সোনার মেডেল পাবেন দু’জনে। সেইসঙ্গে পুরস্কারের ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার ভাগ করে নেবেন তারা।
সোমবার অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হলো এ বছরের নোবেল আসর। প্রতিবছরের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠানটি চিকিৎসা, পদার্থ, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি- এ ছয়টি খাতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বিশ্বব্যাপী এ পুরস্কার ঘোষণা করে। এটি ১৯০১ সাল থেকে নিয়মিতই ঘোষণা করা হচ্ছে।
যদিও এবার সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়নি। ২০১৯’এ এ বছরেরটি যোগ করে একসঙ্গে দু’টি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নোবেল কমিটি।
এর আগে ১ অক্টোবর (সোমবার) চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ বছরের আসর। সেদিন চিকিৎসায় যৌথভাবে নোবেল পেয়েছিলেন মার্কিন গবেষক জেমস পি. অ্যালিসন ও জাপানের তাসুকো হনজো।
ধারাবাহিকভাবে পরেরদিন ২ অক্টোবর (মঙ্গলবার) পদার্থবিদ্যায় ‘লেজার ফিজিক্সে’ বিশেষ উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান তিন বিজ্ঞানী আর্থার আসকিন, জেরার্ড মোরউ ও ডোননা স্ট্রিকল্যান্ড।
৩ অক্টোবর (বুধবার) রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন- ফ্রান্সেস এইচ আর্নল্ড, জর্জ পি. স্মিথ ও স্যার গ্রেগরি পি. উইন্টার। এনজাইমের বিবর্তনে পরিচালনা এবং পেপটাইড ও অ্যান্টিবডির ফেজ প্রদর্শন করার জন্য তাদের এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
৫ অক্টোবর (শুক্রবার) যুদ্ধে যৌন-সন্ত্রাস বন্ধে প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে শান্তিতে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান কঙ্গোর চিকিৎসক ডেনিস মুকওয়েগে এবং ইরাকের ইয়াজিদি মানবাধিকারকর্মী নাদিয়া মুরাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মমতাজের নতুন গান ‘ডালিম গাছ’

বিনোদনের খবর: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত নির্মাতা মাসুদ পথিকের নতুন চলচ্চিত্র মায়া-দ্য লস্ট মাদার-এ গাইলেন মমতাজ। চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের চিত্রকর্ম ‘নারী’ এবং কবি কামাল চৌধুরীর ‘যুদ্ধশিশু’ কবিতা অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্রটি।
এতে ‘ডালিম গাছ’ শিরোনামের একটি গানে সম্প্রতি কণ্ঠ দিলেন মমতাজ। মাসুদ পথিকের লেখা ‘ডালিম গাছ’ নামের গানটির সুর করেছেন প্লাবন কোরেশী ও সংগীতায়োজন করেছেন মুশফিল লিটু।
‘বাড়ির ওই পূর্বধারে একটা ডালিম গাছ/ বুকের ভেতর গোপন বাসা দুইটা পাখির বাস’- এমন কথার গানটির তিনটি আলাদা ভার্সন তৈরি করা হয়েছে। রাজধানীর একটি স্টুডিওতে সম্প্রতি রেকর্ড শেষ হলো গানটির।
এটি শিগগিরই ইউটিউবে প্রকাশ হবে জানিয়ে নির্মাতা মাসুদ পথিক বলেন, “মমতাজ আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় একজন শিল্পী। মাটি ও মানুষের গানে তার কণ্ঠ যেন মধু হয়ে ঝড়ে। আমার ছবির ‘ডালিম গাছ’ গানটিতেও তিনি দারুণ গেয়েছেন। গানের কথা, সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মমতাজের গায়কী শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।”
গানটি প্রসঙ্গে মমতাজ বলেন, “খুব চমৎকার বিষয় নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করছেন পরিচালক মাসুদ পথিক। তার লেখায় ‘ডালিম গাছ’ গানটিও বেশ সুন্দর। প্রেম, আদর, বিরহ মেশানো গানটি গেয়ে খুব আরাম পেয়েছি। আমার মনে হয় দর্শক-শ্রোতারা গানটি গ্রহণ করবেন ভালোবেসেই।”
এদিকে নির্মাতা জানালেন, শুটিং শেষে বর্তমানে ‘মায়া’ রয়েছে সম্পাদনার টেবিলে। ছবিটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন কলকাতার মুমতাজ সরকার ও জ্যোতিকা জ্যোতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটে ‘বাজি ধরা’ বৈধ হোক: প্রীতি জিনতা

অনলাইন ডেস্ক: টি-টোয়েন্টির সংস্করণ আসার পর থেকেই অর্থের মোহ বেড়েছে। ক্রিকেট বাণিজ্যে পরিণত হওয়ার পর থেকেই বাজিকরদের কারণে ভদ্র লোকের খেলা ক্রিকেটে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। লাগামহীন হয়ে যাচ্ছে ক্রিকেট বেটিং তথা ‘বাজি ধরা।’
আর এই বেটিংকে যেহেতু কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না সেহেতু আইন কর তা বৈধ করে দেয়া উচিত। এমনটিই মনে করছেন, আইপিএলের দল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের ফ্রাঞ্চাইজি মালিক প্রীতি জিনতা।
সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রীতি বলেছেন, ‘অনেকেই এখন ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে জড়িত। যেহেতু কোনো ভাবেই ম্যাচ গড়াপেটা বন্ধ করা যাচ্ছে না। সেহেতু আইন করে বেটিং বৈধ করে দেয়া উচিত। এতে করে সরকারের কোষাগারে অনেক টাকা জমা পড়বে।’
সম্প্রতি বলিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার, সালমান খানের ভাই আরবাজ খান নিজে স্বীকার করেছেন আইপিএলে জুয়া খেলে তিনি প্রায় তিন কোটি টাকা হারিয়েছেন।
২০১৩ সালে আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের কারণে বেশকিছু ক্রিকেটার ধরা পড়েছিলেন। শুধু ক্রিকেটারই নয়, বেটিং কাণ্ডে ফ্র্যাঞ্চাইজিদেরও নির্বাসনে যেতে হয়েছে। এবার সেই বেটিংকেই আইনত বৈধতা দেয়ার ব্যাপারে মত দিয়েছেন প্রীতি জিনতা।
শুধু আইপিএলেই নয়, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কারণে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। নিষিদ্ধ হয়েছেন কয়েকজন ফ্রাঞ্চাইজি মালিকও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদ্মা সেতু থেকে পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেললাইন হবে

দেশের খবর: আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি পদ্মা সেতু থেকে পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেল ব্যবস্থা নিশ্চিত করবো। এ নিয়ে কাজ চলছে। আমরা ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছি যেহেতু তারাই শতবর্ষ আগে রেলপথ নির্মাণ করেছিল। জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এদেশের সব উন্নয়ন কাজ থেমে গিয়েছিল।
সোমবার (০৮ অক্টোবর) বিকেলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসকরা ঠিকমতো স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে না। সরকার প্রতিষ্ঠান বানিয়ে দেবে আর চিকিৎসক সংকটে মানুষ সেবা পাবে না তা হতে দেয়া হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এ অঞ্চলে শিক্ষার জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। আমরা এ অঞ্চলে যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ করেছি। এখানে যেন যাতায়াত ব্যবস্থা আরো সহজ হয় সে ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest