সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পৌরসভাসাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তরদেবহাটায় ইছামতীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনশরৎ এলো — নাসির খলিলআশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ৪তালায় এক স্কুলেই ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে : প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপএসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থীমাদক ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: ওসি শাহিনদুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রাম

হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে খালেদা জিয়াকে

দেশের খবর: চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকা বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এরই মধ্যে হাসপাতালের ভেতরে ও বাহিরে অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইতোমধ্যে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে গাড়ি যোগে রওয়ানা দিয়েছেন খালেদা জিয়া।

শনিবার (০৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টার পর বেগম জিয়াকে হাসাপাতালে নেয়া হবে বলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কেবিন ব্লক বিল্ডিং এর ৬১২ নম্বর কেবিনে খালেদা জিয়াকে রাখা হবে। ড্যাবের নেতা ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরাও হাসপাতালে এসেছেন।

এর আগে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসা নিতে সম্মতি দিয়েছেন। সে হিসেবে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেয়া হচ্ছে।

সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উনাকে আজকেই আনা হবে বলে কারা কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছে। আমরাও প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

এদিকে, তিনটি লাগেজে করে খালেদা জিয়ার কাপড়-চোপড় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে তার বাসার কেয়ারটেকার আবদুল জলিলকে এসব লাগেজ দিয়ে যেতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে কারা সূত্র জানায়, চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হবে। এজন্য তার কাপড়-চোপড় দিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। ইতোমধ্যে খালেদা জিয়ার বাসার কেয়ারটেকার তিনটি লাগেজে করে তার কাপড়-চোপড় দিয়ে গেছেন।

এর আগে কারাগারে যাওয়ার পর গত এপ্রিল মাসে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একবার তাকে বিএসএমএমইউতে নেওয়া হয়েছিল।

যদিও বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়ার দাবি করে ছিল। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বিএসএমএমইউতে নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।

বিএনপি এই প্রস্তাবে রাজি হচ্ছিল না, আর খালেদা জিয়াও সেখানে যেতে অসম্মতি দেখিয়েছিলেন বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশুদের ‘ময়ূরপক্ষী’তে পরীমণি

বিনোদন সংবাদ: পরীমণি। হালের আলোচিত অভিনেত্রী। অভিনয় তাঁর ধ্যান-জ্ঞান। তবে এর বাইরেও বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কাজের সঙ্গে দেখা মেলে তাকে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার দেখা গেল ‘ময়ূরপক্ষী’ নামক এক সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে। রাজধানীর মিরপুর-৬ নম্বরে প্রতিষ্ঠানের অফিসে গিয়ে সময় কাটালের সুবিধাবঞ্চিত ক্ষুদে শিশুদের সঙ্গে। শুনলেন তাদের কবিতা আবৃত্তি, গান। পরীমণি তাদের সঙ্গে গলা মেলালেন, গল্প করলেন। এক কথায় এই শিশুদের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে যান আলোচিত এই অভিনেত্রী।

জানা গেছে, ‘ময়ূরপক্ষী’ একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। যেখানে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির আমন্ত্রণেই শনিবার বেলা ১১টার দিকে সেখানে যান পরীমণি। এরপর আড়াই ঘণ্টাব্যাপী সেখানে অবস্থান করেন। এই সময়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মন হাশি-খুশিতে ভরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরীমণি তার প্রিয় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমগ্র উপহার দিয়েছেন সেই স্কুলে। সেই সঙ্গে শিশুদের হাতেও বই তুলে দেন এই তারকা অভিনেত্রী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরীমণি বলেন, হ্যাঁ, সেখানে গিয়েছিলাম। তিনি বলেন, আমি আগে থেকেই বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত আছি। ময়ূরপক্ষীতে যাওয়া তারই অংশ। এছাড়া বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটানো আমি উপভোগ করি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৫০ মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেন সালমান

বিনোদন সংবাদ: এই সময়ে বাংলাদেশের মিডিয়া জগতে হট টপিক সালমান মুক্তাদির। মিডিয়া জগতে তারচেয়ে সিনিয়র নারীদের সঙ্গেও গড়ে উঠেছিল সালমানের অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। রেডিও ক্যাপিটাল ৯৪.৮ এর একটি অনুষ্ঠানে এ তথ্য তিনি নিজেই জানিয়েছেন। এ সময় তারসঙ্গে ছিলেন মিস ওয়াল্ডখ্যাত জেসিয়া।

ওই অনুষ্ঠানে তারা দুজন নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন। সেখানেই সালমান জানান, ১৫০টি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল আমার। এর মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড ছিল, ফ্লিং (অল্প সময়ের জন্য কোনো কিছু উপভোগ/উদযাপন) ছিল। ইন্ডাস্ট্রিতে বয়সে বড় এমন নারীর সঙ্গেও অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল আমার।

তিনি আরও বলেন, আমি বাংলাদেশে যৌনতার প্রসার ঘটাচ্ছি। যা নিয়ে আমি গর্বিত। অনেকে ভাবেন বিষয়টা নিয়ে আমি গর্বিত। আমি আমার ব্যক্তিগত বিষয়গুলো সবার সঙ্গে শেয়ার করেই আজকের সালমান হয়েছি। জেসিয়ার সঙ্গে যে ক্লোজ ছবি শেয়ার করেছি তা সত্য। জেসিয়ার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে আমার অতীত জানানোর মাধ্যমে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাগরিক নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাংবাদিক, যুদ্ধাপরাধী মামলার স্বাক্ষী ও নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের নেতা হাফিজুর রহমান মাসুমের বাড়ির সামনে গভীর রাতে সন্ত্রাসী বাহিনীর উপস্থিতির প্রতিবাদে ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ সাতক্ষীরার আয়োজনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ,সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জজ কোটের পিপি এড. ওসমান গনি, সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেজুতি, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, কেন্দ্রিয় জাসদের সহ-সম্পাদক শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলু,স্বপন কুমার শীল, শুধাংশু শেখর সরকার জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহেদুজ্জামান টিটু, লোদী ইকবাল। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রশিদ, জাসদ নেতা আশরাফ কামাল, দৈনিক কালেরচিত্রের মফস্বল বার্তা সম্পাদক মেহেদীআলী সুজয়, সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, অর্থ সম্পাদক সেলিম হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ শাহবাজ খান, সায়েম ফেরদৌস মিতুল, আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, সাংবাদিক আরাফাত হোসেন, আলাউদ্দিন, ও জেলা, উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকবৃন্দ সহ সাতক্ষীরার সচেতন নাগরিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল।

এসময় বক্তারা বলেন, গত ২৮সেপ্টেম্বর গভীর রাতে সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মাসুম ও সাংবাদিক মেহেদীআলী সুজয়ের বাড়ির সামনে একদল অস্ত্রধারীরা মুখ বেধে খালি গাঁয়ে ঘোরা ফেরা করছিল। তখন সাংবাদিক মেহেদীআলী সুজয়কে সামনে পেয়ে ওই অস্ত্রধারীরা তার গলায় অস্ত্র ধরে বলে চিৎকার করলে তোর লাশ ফেলে দেবো। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের রহস্যজনক আচরণ ও তাদের ওৎ পেতে থাকার ঘটনা জানাজানি হওয়ায় সকলের মধ্যে নানা জল্পনা কল্পনা বাসা বেধেছে। সবার প্রশ্ন- তারা আসালে কারা ছিলেন? সাংবাদিক সুজয় তাদের সামনে হঠাৎ উপস্তিত হওয়ায় তাকে ভীতি প্রদর্শন করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কোথায় চলে গেলো? তারা কি আসলে অন্য কারও জন্য অপেক্ষা করছিল?
সাংবাদিক সুজয়ের বাড়ির সামনের রাস্তার অপরপাশেই বসবাস করেন সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মাসুম। তিনি সাতক্ষীরায় যুদ্ধাপরাধ মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন সাতক্ষীরার মামলাগুলোর সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পাশাপাশি তিনি নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরাসহ একাধিক সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত। যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে সাতক্ষীরায় গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ও সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিবের দায়িত্বও পালন করেছেন। আমরা ধারনা করছি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে বা সংবাদ প্রকাশে ক্ষীপ্ত হয়ে একজন নির্ভীক তরুণ সাংবাদিকের কণ্ঠরুদ্ধ করতে সাতক্ষীরার কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি বা চক্র ওই সন্ত্রাসীদের ভাড়া করেছে? ভুলবশতঃ সাংবাদিক সুজয় সামনে পড়ার কারণে তাদের মিশন ব্যর্থ হয়েছে। যদি সাংবাদিকদের বাড়ির সামনে এধরনের অস্ত্রধারীদের উপস্থিত পরিলক্ষিত হয়। তাহলে নাগরিকদের নিরাপত্তা কোথায়।
বক্তারা অবিলম্বে ওই ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় আনা এবং নাগরিক নিরাপত্তার দাবিতে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ”টেকসই উন্নয়ন,স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন” ও ”হাত ধোব নিয়মিত, থাকব সবাই স্বাস্থ্যসম্মত” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জাতীয় স্যানিটেশন মাস উদযাপিত হয়েছে।
শনিবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পিএন বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল যেয়ে শেষ হয়।
র‌্যালীতে নেতৃত্ব দেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মো: ইফতেখার হোসেন, এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতী, উপজেলা নির্বাহী অফিসর তহমিনা খাতুন ও রাজা মিয়া প্রমুখ। পিএন বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুলে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ স্যানিটেশন কর্মসুচি সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরলস ভাবে কাজ করে যেতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শতভাগ ঠিক হবে না সাকিবের আঙুল!

অনলাইন ডেস্ক: একটু অসচেতনতা কতটা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে, সেটা ভাবলেও চমকে উঠতে হয়। বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুলের যে ইনজুরিতে পড়েছিলেন, সেটার সময়মত অস্ত্রোপচার না করানো এবং জোর করে খেলার কারণে সেখানে ইনফেকশন হয়ে যাওয়ার ফলে যে অবস্থা তৈরি হয়েছে, তাতে আঙ্গুল আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন খোদ সাকিব আল হাসান।
আঙুলের চিকিৎসা করানোর উদ্দেশ্যে শুক্রবার রাতে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে বিমান বন্দরে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এ তথ্য নিজেই জানান সাকিব। আঙুলের অবস্থা ডাক্তারকে দেখানোর জন্য শুক্রবার রাতেই অস্ট্রেলিয়াগামী বিমানে উঠেছেন তিনি। পাঁচদিন সেখানে থেকে ফিরে আসবেন। এরপর আবারও যাবেন, ইনফকেশন জিরোতে নেমে আসলে অস্ত্রোপচার করার জন্য। তার আগে ডাক্তার হাতই দেবে না বলে জানান সাকিব।
জানুয়ারিতে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলার সময়ই আঙুলের ইনজুরিতে পড়েন সাকিব। এরপর বেশ কিছুদিন খেলার বাইরে ছিলেন এবং আঙ্গুলের চিকিৎসা করিয়ে মাঠে ফেরেন তিনি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার সময়ই জানা গেছে, পুরোপুরি সুস্থ হতে হলে আঙ্গুলে অস্ত্রোপচার করাতে হবে।
সাকিব চেয়েছিলেন এশিয়া কাপ না খেলে অস্ত্রোপচারটা করে ফেলতে। কিন্তু বিসিবি সভাপতি চেয়েছিলেন সাকিব এশিয়া কাপটা খেলুক। যদিও তিনি সিদ্ধান্তের ভার সাকিবের ওপর ছেড়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ফিজিওর রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই সাকিব এশিয়া কাপ খেলার সিদ্ধান্ত নেন। ব্যাথা নাশক ইনজেকশন দিয়ে এবং ঔষধ খেয়ে সাকিব এশিয়া কাপ খেলে যান।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারেননি খেলতে। সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার আগেই আঙ্গুলের ব্যাথা এতটাই তীব্র হয় যে তিনি ব্যাটই ধরতে পারছিলেন না। বোলিং তো দুরে থাক। শেষ পর্যন্ত সে অবস্থায়ই দেশে ফিরে আসেন সাকিব। খেলতে পারেননি পাকিস্তানের বিপক্ষে সুপার ফোরের শেষ ম্যাচ এবং ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল।
দেশে আসার পর ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়ার পর বুঝতে পারেন, মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গেছে। সংক্রমণ এতটাই হয়েছে যে, পুরো আঙুল পুঁজে ভরে গেছে। অস্ত্রোপচার করে আগে সেই পুঁজ বের করা হয়। সাকিব শঙ্কা প্রকাশ করেন, আরেকটু হলেই সেই সংক্রমণ হাতের কব্জি ধরে ফেলতো এবং পুরো হাতই নষ্ট হয়ে যেতো।
তবুও, আগে সংক্রমণ কমাতে হবে এবং এরপর অস্ত্রোপচার করে ভাঙ্গা হাঁড় ঠিক করতে হবে। এ জন্য অন্তত তিনমাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে সাকিবকে। আঙুলের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাই সাকিবকে স্মরণাপন্ন হতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান শল্যবিদের।
অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সঙ্গে আলাপকালে সাকিব বলেন, ‘ইনফেকশটাই আমার সবচেয়ে বড় টেনশনের জায়গা। কারণ ইনফেকশন থাকলেই সার্জন আর ওখানে হাত দেবে না। ইনফেকশনের সময় হাত দিলে সেটা হাঁড়ে চলে যাবে, হাঁড়ে গেলে তখন পুরো হাতই নষ্ট হয়ে যাবে।’
সাকিব ভয়ঙ্কর এক তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘আঙুলটা আর কখনো পুরোপুরি (শতভাগ) ঠিক হবে না। কারণ, যে হাড্ডিটা ভেঙেছে সেটা নরম হাড্ডি। যেটা কখনও জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই।’
তাহলে কি আর কখনও খেলতে পারবেন না সাকিব? তিনি নিজেই জানালেন সে সম্ভাবনার কথা। সাকিব বলেন, ‘পুরোপুরি ঠিক হবে না। তবে সার্জারিটা এমনভাবে করা হবে যেন তারা (ডাক্তাররা) হাতটাকে খেলার উপযোগি করে তুলতে পারেন। যেখান থেকে আমি ভালোভাবে ব্যাট ধরতে পারবো। ক্রিকেট খেলাটা চালাতে পারবো।’ তবে তার আগে সংক্রমণ একেবারে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে বলে জানান সাকিব।
কত সময় লাগতে পারে সাকিবের মাঠে ফিরতে? নিজেই জানালেন, আগামী বিপিএলের আগে পুরোপুরি সুস্থ হতে পারছেন না তিনি। সাকিব বলেন, ‘মূল যে অস্ত্রোপচারটা করার কথা, সেটা হলে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লাগে। সাধারণত ৬ সপ্তাহের ভেতরেই ঠিক হয়ে যায়। ২ সপ্তাহ অতিরিক্ত হাতে রাখা হয়। ৬ সপ্তাহের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়, তাহলে তো বিপিএলের বেশ আগেই ফিট হয়ে যাবো।’
এর অর্থ, চলতি বছর আর খেলতে পারছেন না সাকিব। জিম্বাবুয়ে কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ- কোনোটাতেই না। তার না থাকার প্রভাব কি তাহলে দলের ওপর পড়বে। সাকিব তেমনটা মনে করেন না। তিনি মনে করেন, তার না থাকার কারণে যারা দলে আসবে তারা নিজেদের প্রমাণ করার একটা বড় সুযোগ পেয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও কলঙ্কিত পাকিস্তান ক্রিকেট, শেহজাদ ৪ মাস নিষিদ্ধ

খেলার খবর: পাকিস্তানের অন্যতম তারকা ব্যাটসম্যান আহমেদ শেহজাদকে ডোপের আইন ভঙ্গ করার দায়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে চার ‍মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। চলতি বছরের ১০ জুলাই থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।
ডোপের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেন, ‘ক্রিকেটারদের নিষিদ্ধ কোনো পদার্থ সেবনের ব্যাপারে আমরা এক বিন্দুও ছাড় দেব না।’
এর আগে পাকিস্তানের ঘরোয়া টুর্নামেন্টর পকিস্তান কাপ চলাকালে নিষিদ্ধ পদার্থ সেবনের অভিযোগ প্রমাণিত হয় এই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে।
পিসিবির অ্যান্টিং ডোপিং আইনের দুটি ধারা লঙ্ঘন করেছেন শেহজাদ। তবে আইন ভঙ্গ করার বিষয়টি মেনে নিলেও তিনি জানান, কোনো ধরনের প্রতারণা বা পারফরম্যান্স ভালো করার উদ্দেশ্যে এমনটি করেননি।
আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে শেহজাদের এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে নভেম্বরের ১০ তারিখ। এর মাঝে পিসিবি তাকে পুনর্বাসনে রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও প্রার্থী হচ্ছেন শিরীন শারমিন, ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: নবম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের সদস্য ছিলেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর তিনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। তৎকালীন স্পিকার মো. আবদুল হামিদ ২০১৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে স্পিকারের মহান দায়িত্ব পড়ে ড. শিরীন শারমিনের ওপর। দশম সংসদেও স্পিকার নির্বাচিত হন তিনি। এর আগে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেড়ে দেওয়া রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসন থেকে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আগামী সংসদ নির্বাচনেও এই আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে ড. শিরীন শারমিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গেছে।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি সংসদ ভবনে সপ্তাহে অন্তত এক দিন ওই এলাকার জনগণের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের কাছ থেকে এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকি করেন। নিজের পক্ষে এখনো সরাসরি ভোট না চাইলেও বিভিন্ন কর্মসূচিতে উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, স্পিকার নিজের পক্ষে ভোট না চাইলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর পক্ষে ভোট চেয়েছেন। গত ৪ অক্টোবর উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার উপকারভোগী মানুষের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় করেন। এ সময় ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন ওই আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। মতবিনিময়ের একপর্যায়ে বক্তৃতা করছিলেন উপকারভোগী প্রতিবন্ধী আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, ‘আমি হঠাৎ গুরুতর এক অসুখে অচল হয়ে যাই। আপনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের গড়ে তোলা অটিস্টিক চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়ে এখন ভালো আছি। আমাদের এমপি শিরীন শারমীন চৌধুরীও এলাকার প্রতিবন্ধী ও গরিবদের অনেক সহযোগিতা করেছেন। যে কারণে আমরা এখন ভালো আছি।’
সাধারণ একজন গ্রামবাসীর এমন বক্তব্যে অভিভূত হন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শিরীন আমার আরেক কন্যা। আগামীতে তাঁকে ভোট দেবেন তো?’ ওই সময় রংপুরে ভিডিও সেটের সামনে উপস্থিত সবাই হাত তুলে হ্যাঁসূচক জবাব দেয়।
সম্প্রতি স্পিকারের দপ্তরে এ বিষয়ে আলাপকালে ড. শিরীন শারমিন বলেন, ‘নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে যেটুকু দায়িত্ব আছে, তা পালনের চেষ্টা করছি। আর নির্বাচনে মনোনয়নের বিষয়টি দলের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।’
তবে নিজের নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে বক্তৃতাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আগামী নির্বাচনেও সমর্থন চাইতে দেখা দেখা গেছে স্পিকারকে। চলতি সংসদের ২২তম অধিবেশন শেষে গত ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেন। ওই সব কর্মসূচিতে তিনি ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আগামী দিনেও অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। পীরগঞ্জের বড় দরগাহ ও ভেণ্ডাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ আয়োজিত উন্নয়নমূলক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও অর্জন তুলে ধরেন।
প্রসঙ্গত, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) নির্বাচিত চেয়ারপারসন হিসেবে তিন বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া রোহিঙ্গা, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিসহ নানা ইস্যুতে তিনি জাতিসংঘ, আইপিইউসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest