সরকার‌বি‌রোধীরা সংগ‌ঠিত হ‌চ্ছে; আ‌লো দেখ‌ছে বিএন‌পি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ধীরে ধীরে সংগঠিত হচ্ছে বিএনপিসহ সরকারের বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলো। যদিও এসব দলের মধ্যে সবাই এখনই নির্বাচনী জোট গড়ে তুলতে যাচ্ছে না। তবে ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচন আদায়ের প্রশ্নে দলগুলোর পক্ষ থেকে ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে সাদৃশ্য ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে।
কর্মসূচির এ সাদৃশ্যকে ঐকমত্য হিসেবে গণ্য করে বিএনপি মনে করছে, এই ‘ঐকমত্যই’ একসময়ে রাজপথে সরব আন্দোলনে রূপ নেবে। ফলে রাজপথের সবচেয়ে বড় এই দলটির মধ্যে এক ধরনের আশাবাদ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও দলটির তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের নামে নতুন করে আবার ব্যাপক হারে মামলা দেওয়া শুরু হয়েছে।
বিএনপি আরো মনে করে, নির্বাচন প্রশ্নে বর্তমান সরকারের ‘নেতিবাচক উদ্দেশ্য’ও তারা বহির্বিশ্বে ঠিকমতো প্রচার করতে পেরেছে। সে কারণে বিএনপির প্রতিনিধিদলকে ডেকে দেশের নির্বাচনপূর্ব পরিস্থিতি জেনেছে জাতিসংঘও। গত বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক সময় সকালে (বাংলাদেশ সময় রাতে) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থার সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ জেনকার সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসব তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত সরকার চাপের মুখে পড়বে বলে মনে করে বিএনপি ও এর মিত্ররা।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রশ্নে সরকারের নেতিবাচক অবস্থানের কারণেই রাজনৈতিক দলগুলো একসুরে কথা বলছে। এখন সবার কমন দাবি হলো সুষ্ঠু নির্বাচন। তা ছাড়া আন্তর্জাতিক মহলও এ দেশের নির্বাচনপূর্ব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।’ তাঁর মতে, এটি বিএনপির আশাবাদের কারণ হতে পারে। তবে তাদের দাঁড়াতে হবে নিজের শক্তির ওপর ভর করে।
বিএনপিসহ যুক্তফ্রন্টের অন্তর্ভুক্ত তিনটি দল (বিকল্পধারা, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য), জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া (গণফোরামসহ দু-একটি দল) এবং আটটি দলের সমন্বয়ে গঠিত বাম গণতান্ত্রিক জোটের ঘোষিত কর্মসূচি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মোটা দাগে তাদের সবার মূল দাবিগুলো প্রায় একই এবং তা বিএনপির দাবির কাছাকাছি।
সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপি যেসব দাবি তুলছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সরকারের পদত্যাগ তথা সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন, আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইভিএম বাতিল। প্রায় এই একই রকম পাঁচটি দাবি ও ৯ দফা লক্ষ্য নিয়ে আজ শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যৌথ ঘোষণা দেবে যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। কর্মসূচি প্রণয়নের জন্য যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএনপির ১৫ দফা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা যায়।
এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নে সাম্প্রতিককালে সিপিবি-বাসদ ও গণসংহতি আন্দোলনসহ বামপন্থী আটটি দলের সমন্বয়ে গঠিত বাম গণতান্ত্রিক জোটের কর্মসূচিও প্রায় একই রকম। নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশিশক্তি বন্ধ করাসহ আরো কিছু দাবি বামপন্থী দলগুলোর কর্মসূচিতে থাকলেও নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপি ও ‘উদারপন্থী’ (যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া) দলগুলোর উত্থাপিত দাবির সঙ্গে কোনো অমিল নেই। তবে বিএনপির ১৫ দফায় দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকলেও অন্য দলগুলোর কর্মসূচিতে তা নেই। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অবসান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্র ক্ষমতায় ভারসাম্য আনার বিষয়ে ‘উদারপন্থী’ দলগুলোর কর্মসূচির সঙ্গে মিল রয়েছে বিএনপির ১৫ দফার।
রাজনৈতিক সংকট উত্তোরণে গত বৃহস্পতিবার গণসংহতি আন্দোলন যে নতুন জাতীয় সনদ ও অঙ্গীকার ঘোষণা করেছে তাতেও এসব দাবির কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে রেখে ঐকমত্যের সরকার হবে না। এ ছাড়া আগামী তিনটি নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি চালু, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধাপরাধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মোকাবেলার কথাও বলা হয়েছে গণসংহতির প্রস্তাবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন এবং সংসদ ভেঙে নির্বাচন দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে আগামী ৫ অক্টোবর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি মুহাম্মদ রেজাউল করীম। গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, সংকট উত্তোরণ করা না গেলে বিশ্বের অনেক সংঘাতপূর্ণ দেশের মতো বাংলাদেশেও গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে।
যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সবাই এক জায়গায় আসার চেষ্টা করছি, দেখা যাক কী হয়!’ তিনি আরো বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আদায়ের প্রশ্নে বিভিন্ন দলের ঘোষিত কর্মসূচিতে অনেক মিল রয়েছে। কিন্তু এটি বৃহত্তর ঐক্যের জায়গায় নিয়ে যাবে কি না তা পরিস্থিতি বলে দেবে।
এ প্রসঙ্গে যুক্তফ্রন্টের মুখপাত্র নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘যুক্তফ্রন্ট ও ঐক্য প্রক্রিয়ার মধ্যে ঐক্য হওয়ায় আমরা আশাবাদী হয়ে উঠেছি। আশা করছি এই ঐক্যই বৃহত্তর ঐক্যের সিঁড়ি তৈরি করবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী জোট গঠনের বিষয়টি পরের আলোচনা। কিন্তু সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আদায়ের আন্দোলনে সবাইকে দরকার। আর বিষয়টি সবাই উপলব্ধি করেছেন বলেও মনে হয়।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকির মতে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এ মুহূর্তে দেশের বেশির ভাগ দল ও মানুষের দাবি বলেই জনমত সংগঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এ দাবির কথা ২০১৪ সাল থেকে আমরা বলে আসছি।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী জোট একটি ইস্যু, কিন্তু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য দাবিদাওয়া ভিন্ন ইস্যু। আমরা এখন সকলে পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আন্দোলন করছি। ফলে সব দলের ভাষা তো এক হবেই।’

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আসলে সরকারের বিরুদ্ধে নয়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায়ের ইস্যুতে সবাই যে যার অবস্থান থেকে মাঠে নেমেছে। এতে মনে হচ্ছে সবাই সংগঠিত হচ্ছে।’ তাঁর মতে, বিএনপির সঙ্গে ঐকমত্য বড় কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো, এখন যেভাবে নির্বাচন হচ্ছে সেটি কেউ মানতে রাজি নয়। নির্বাচন প্রশ্নে তাই কতগুলো কমন ইস্যু সামনে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘জান্নাত’ সাতক্ষীরায় ধর্মীয় রাজনী‌তির শিকার হওয়ায় বি‌স্মিত নায়ক সাইমন

বিনোদনের খবর: একজন মুসলিম হিসেবে সবার আগে আমার ধর্ম, একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে সবার আগে আমার রাষ্ট্র। ছোটবেলা থেকে যারা আমাকে কাছ থেকে চেনে জানে তারা অন্তত জানে, আমার নিজস্ব ধর্মীয় অনুভূতি কতটা প্রকট। সিনেমায় অভিনয় করি বলেও ধর্মীয় দায়বদ্ধতা থেকে কখনওই পিছপা হইনি, হওয়ার সম্ভাবনাও নেই।
আমি বিশ্বাস করি, ধর্ম হল মনে, ধর্মীয় কর্তব্য পালনে। লোক দেখানো কোনো কিছুতে নয়। আর নাগরিক হিসেবে নাগরিকের দায়বদ্ধতা থেকে দেশের জন্য নাগরিক কর্তব্য পালন করা আমার দায়িত্ব, আমার অধিকার। সে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কতটুকু পেরেছি বা পারছি জানিনা, তবে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আর সেই দায়িত্ববোধ থেকেই ‘জান্নাত’ সিনেমাতেও চুক্তিবদ্ধ হই, অভিনয় করি।
জান্নাত সিনেমাতে আমার জানামতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার মতো কিছুই করা হয়নি। কারণ আমি মানি মুসলিম হিসেবে আমার ইসলাম ধর্মই শ্রেষ্ঠ। আঘাত লাগার মতো সেরকম কিছু হলে সবার আগে আমার অনুভূতিকেই নাড়া দিতো। যাক, ঈদের দিন থেকে ‘জান্নাত’ সাফল্যের চতুর্থ সপ্তাহে এসেও দেশের কোথাও কোনো মানুষ ‘জান্নাত’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার কথাও কেউ বলেনি। সেখানে আজকে সাতক্ষীরায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার অজুহাতে প্রদর্শনী বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় ‘অনুভূতি রক্ষার মশালধারী কর্তাব্যক্তিরা’।
অথচ সেন্সরবোর্ড বিনা কর্তনে ছাড়পত্র দিয়েছিল ‘জান্নাত’ কে। যদি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার মতো কিছু থাকতো তাহলে নিশ্চয়ই সেন্সরবোর্ড ছাড়পত্র না দিয়ে আটকে দিতো। আজ কষ্ট হচ্ছে এই ভেবে যে, ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় প্রবল অনুভূতি ও দায়বদ্ধতা থাকার পরও আমার, আমাদের জান্নাত কিনা অবশেষে ধর্মীয় রাজনীতির শিকার হল। যাক, আল্লাহ্‌ একমাত্র মালিক, তিনিই সবকিছু ভালো জানেন। শুধু একটু বলবো-আল্লাহ্‌ যেন উনাদের প্রকৃত ধর্মজ্ঞানে হেদায়েত দান করেন। আমিন…..।
(অভিনেতার ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে দে‌শে ৭০ হাজার শতবর্ষী মানুষ আ‌ছে

অনলাইন ডেস্ক: সেঞ্চুরি শব্দটা বললেই একটা দারুণ কিছু বলে মনে হয়। কখনো ক্রীড়াক্ষেত্রে, কখনও সম্মানের ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির মানই আলাদা। আর যখন কোনও মানুষ শতবর্ষে পৌঁছান তাকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে পৌঁছায়।
তবে আমার বা আপনার পরিচিত সার্কেলে কটাই বা মানুষ আছে যারা সেঞ্চুরি পেরিয়েছেন।
জাপানে কতজন শতবর্ষ পার করা মানুষ আছেন জানেন? এই মাসে সেই সংখ্যা পৌঁছাল ৬৯,৭৮৫ তে। যা একটি রেকর্ড। এই সেঞ্চুরি করা মানুষদের মধ্যে ৮৮.১ শতাংশ নারী। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নতির জন্য এই ঘটনা সম্ভব হয়েছে।
গত দু’দশকের চেয়ে ২০১৪ জন বেড়েছে এক বছরে। যা সাতগুণ বেড়ে গেছে এক ধাক্কায়। এই জনসংখ্যায় ৬১, ৪৫৪ জন নারী কিন্তু পুরুষ মাত্র ৮,৩৩১। এরমধ্যে রয়েছেন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুহিরো নাকাসোনে। তিনি মে মাসে ১০০ বছর হয়েছেন।
১৯৭১ থেকে ধারাবাহিক ভাবে এই ট্রেন্ড চলছেই। জাপান সরকার আশা করছে এই ধারা জারি থাকবে।
আগামী পাঁচ বছরে এই সংখ্যা বেড়ে এক লাখ হবে এবং ১২ বছরে সেটা হবে এক লাখ ৭০ হাজার।
ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ পপুলেশন অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি রিসার্চ এই তথ্য জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিলিস্তিনির ৩ কিশোরকে গুলি করে হত্যা

বিদেশের খবর: গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনির ৩ শিশু-কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। শুক্রবার নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করার সময় দখলদার সেনাদের হাতে শহীদ হয় ওই তিন ফিলিস্তিনি।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজার জাবালিয়া শহরে ১২ বছর বয়সী শিশু শাদি আব্দুল আজিজ মাহমুদ আব্দুলাল শহীদ হয়েছে। তার মাথায় গুলি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কিদরা আরও জানিয়েছেন, আল-বুরেইজ শরণার্থী শিবিরের পূর্ব দিকে বিক্ষোভ করার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন ২১ বছর বয়সী মোহাম্মাদ শাকুরা। এছাড়া রাফায় শহীদ হয়েছেন ২১ বছর বয়সী হানি রামজি আফানা। এছাড়া বহু ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকটি শিশুও রয়েছে।
গত ৩০ মার্চ থেকে ফিলিস্তিনিরা নিজেদের ভূমি ফিরে পেতে নতুনকরে আন্দোলন গড়ে তুলেছে। প্রতি শুক্রবার বিক্ষোভের মাত্রা বেড়ে যায়। ৩০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ১৭৫ জন ফিলিস্তিনি বিক্ষোভের সময় শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৯ হাজার ফিলিস্তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশুর বুদ্ধি বিকাশে সহায়ক খাবার

স্বাস্থ্য কণিকা: পৃথিবীতে সন্তানকে নিয়ে যারা সব চেয়ে বেশি চিন্তা করেন, তারা হলেন বাবা-মা। বাবা-মার এ চিন্তা লেগে থাকে কীভাবে তার শিশুর মেধা ও বিকাশ বৃদ্ধি হবে। শিশুর কিছু নিয়মিত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার দৈহিক ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করে থাকে। তবে এটাও ঠিক, সব খাবারে একই পুষ্টিগুণ থাকে না, এমন কিছু খাবার আছে যার মধ্যে অনেক বেশি পুষ্টিগুণ বিদ্যমান।
যা শিশুর মস্তিষ্ক সক্রিয় ও সতেজ রাখে। মস্তিষ্ক সক্রিয় এবং সতেজ থাকলে শিশুর মেধা ও বুদ্ধি বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। যেহেতু শিশুদের বেড়ে ওঠায় কিছু খাবার অনেক বেশি ভূমিকা রাখে; সেহেতু আমাদের মনে রাখতে হবে সেই খাবারগুলো শিশুদের যাতে বেশি করে দেয়া যায়।
এ বিষয়ও দেখতে হবে যে ছোট বাচ্চাদের পাকস্থলি ছোট থাকে তাই তাদের পেট অল্পতেই ভরে যায়। এক্ষেত্রে আপনাকে চেষ্টা করতে হবে অল্প পরিমাণ খাদ্য দিয়ে কীভাবে বেশি করে পুষ্টি দিতে পারেন। পনির প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি দুধজাতীয় খাবার। এতে আছে প্রচুর আমিষ এবং ক্যালসিয়াম, যা সুস্থ হাড় ও দাঁতের জন্য আবশ্যক।
একই সঙ্গে পনির মুখের ভেতর যে অ্যাসিড দাঁতের ক্ষয়ের জন্য দায়ী, সেগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। সুতরাং এ খাবার শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মস্তিষ্ক মানবদেহের অন্যান্য অংশের বিকাশ ও সঠিক পরিচালনা অনেকাংশেই নির্ভর করে। শিশুকালেই এ অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির উপযুক্ত বিকাশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। জেনে নেই মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে সন্তানকে কোন খাবারগুলো খেতে দেয়া বেশি দরকার।

মায়ের দুধ: শিশুকে অন্তত ছয় মাস বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত। কারণ মায়ের দুধ পান করলে শিশুর বুদ্ধিমত্তা বাড়ে। ব্রাজিলের একদল গবেষক সাড়ে ৩ হাজার শিশুর ওপর দীর্ঘদিন নজর রাখার পর এ সিদ্ধান্তে আসেন।

শাকসবজি: কিছু কিছু শাকসবজিও রয়েছে যেগুলো শিশুর মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। পাতাকপি ও পালংশাকে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন কে এবং বিটা ক্যারোটিন। যা শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। পুষ্টিগুণে গুণান্বিত টমেটো। এটি মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। প্রতিদিন শিশুকে সালাদে নানাভাবে টমেটো খাওয়াতে চেষ্টা করুন।

ডিম: ডিম খাওয়া নিয়ে প্রায় শিশুদেরই অনীহা থাকে। অনীহা থাকলেও শিশুকে প্রতিদিন অন্তত একটি ডিম খাওয়াতে চেষ্টা করুন। গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রতিদিন অন্তত একটি ডিম খায় তাদের স্মৃতিশক্তি অন্যদের তুলনায় অন্তত ৭০ ভাগ বেশি ভালো থাকে। ডিমে রয়েছে প্রচুর আয়রন। যা লোহিত কণিকা তৈরি করে রক্তের উপাদানে সঠিক মাত্রা বজায় রাখে। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ হয়। যা চিন্তাশক্তি ও বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়।

সামুদ্রিক মাছ ও মাছের তেল: মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সামুদ্রিক মাছ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কে থাকা ফ্যাটি এসিডের ৪০ ভাগ হচ্ছে ডিএইচএ, যা সামুদ্রিক ও মাছের তেলে পাওয়া যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হিসেবে। এ ধরনের যৌগিক উপাদান অন্য খাবারে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই শিশুর বয়স এবং দেহের গঠন অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে সামুদ্রিক মাছ ও মাছের তেল সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন খাওয়াতে চেষ্টা করুন।

কলা: কলা এমন একটি ফল, যাতে আছে প্রচুর পরিমাণে বলকারক কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা। সকালে নাস্তার কিছু সময় পর হালকা স্ন্যাক হিসেবে একটি কলা খেলে আপনার বাচ্চাটি সকালজুড়েই তার শক্তি ধরে রাখতে পারবে। ফলে যে কোনো কাজে তার মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতাও বাড়বে। তাই টুকিটাকি স্ন্যাক হিসেবে সন্তানের ব্যাগে চিপস বা বিস্কিটের প্যাকেটের বদলে একটি কলা দিয়ে দিন।

শুকনো ফল: যেসব ফল শুকিয়ে রাখা যায় সেগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। এগুলো হল ব্যাপক শক্তির উৎস। তাই শিশুদের শুকনো ফল খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হবে। তাহলে শিশুর মেধা বিকাশে অনেক প্রসারতা লাভ করবে। মায়েদের উচিত চকলেট খেতে না দিয়ে শুকনা ফল দেয়ার অভ্যাস করানো। এতে শিশুর দাঁতও ভালো থাকবে।

পনির: ফ্যাট কম, ফাইবার বেশি এ ধরনের খাদ্য গ্রহণের গাইডলাইন বড়দের জন্য, ছোটদের জন্য নয়। শিশুদের বর্ধিষ্ণু দেহের জন্য দরকার তুলনামূলক বেশি ফ্যাট ও কম শর্করা। এতে তারা দেহে বেশি শক্তি পায় এবং বিভিন্ন কাজ অনেক ভালোভাবে করতে পারে।

বাদাম: শিশুকে প্রতিদিনই কয়েকটি করে বাদাম খেতে দিন। কারণ বাদামে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’ যা মস্তিষ্কের সমন্বয় সাধনের ক্ষমতা বাড়ায়। কাজুবাদাম, পেস্তা বাদাম, চীনাবাদামসহ যে কোনো ধরনের বাদামই শিশুর মানসিক বৃদ্ধিতে সহায়ক।

কালোজাম: কালোজামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যা ক্ষতির হাত থেকে হার্ট ও মস্তিষ্ককে বাঁচায়। একই সঙ্গে হার্টে রক্ত সঞ্চালনও বাড়িয়ে দেয় এ ফলটি। তাই শিশুর প্রতিদিন ১-২টা করে কালোজাম খেতে দিতে চেষ্টা করবেন।

লাল আপেল: আপেলের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এছাড়া এতে রয়েছে এমন উপাদান যা মস্তিষ্ককে ক্ষুরধার করার পাশাপাশি হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। আপেল অনেক শিশু খেতে ভালোবাসে, তাই শিশুকে আপেল খেতে দেবেন বেশি করে।

কুমড়ার বীজ: কুমড়া যেমন উপকারী তেমনই এর বীজে রয়েছে নানা খনিজ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ও মস্তিষ্ককে ক্ষুরধার করে তোলে। সুতরাং কুমড়ার বীজ না ফেলে দিয়ে শিশুকে ভেজে দিতে চেষ্টা করবেন।

মধু: স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উপকারিতায় কোনো খাবার সম্ভবত মধুকে টেক্কা দিতে পারবে না। সব রোগের নিরাময় করতে মধু প্রয়োজন হয়। এতে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি। হার্ট ও মস্তিষ্কের জন্যও মধু একই রকম প্রয়োজনীয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়া কাপের সময়সূচি

এশিয়া কাপের সময়সূচি

কর্তৃক daily satkhira

খেলার খবর: সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া কাপের পর্দা উঠবে শনিবার। উদ্বোধনী ম্যাচেই শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ছয় দেশকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে হবে এবারের আয়োজন।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে ২০১৬ সালে এশিয়া সেরার আসর হয়েছিল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। এশিয়ান ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই আসর এবার ফিরছে ওয়ানডে ফরম্যাটে। এই টুর্নামেন্টে দেখা যাবে ব্যাট-বলের দুর্দান্ত সব যুদ্ধ। ফেবারিটদের তালিকায় সবার উপরে আছে ভারত আর পাকিস্তানের নাম। তবে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে যেমন উন্নতি করেছে, তাতে টাইগারদেরও শিরোপার দাবিদার বলছেন অনেকেই।
দুই বছর পর হতে চলা এবারের আসরের ছয় দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ভারত এবং পাকিস্তান আছে একই গ্রুপে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে হংকং। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’তে আছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা আর আফগানিস্তান।
ইউএইর’ দুটি কেন্দ্র আবুধাবি ও দুবাইয়ে হবে ম্যাচগুলো। দুটি গ্রুপ থেকে দুটি করে চারটি দল সুপার ফোরে উঠবে, দুটি দল বিদায় নেবে। সুপার ফোরে চারটি দল একে অপরের সঙ্গে খেলবে।

এশিয়া কাপের সময়সূচি

গ্রুপ পর্ব
১৫ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা (দুবাই)
১৬ সেপ্টেম্বর – পাকিস্তান বনাম হংকং (দুবাই)
১৭ সেপ্টেম্বর – শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান (আবুধাবি)
১৮ সেপ্টেম্বর – ভারত বনাম হংকং (দুবাই)
১৯ সেপ্টেম্বর – ভারত বনাম পাকিস্তান (দুবাই)
২০ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান (আবুধাবি)

সুপার ফোর
২১ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ এ বিজয়ী বনাম গ্রুপ বি রানার আপ (দুবাই)
২১ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ বি বিজয়ী বনাম গ্রুপ এ রানার আপ (আবুধাবি)
২৩ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ এ বিজয়ী বনাম গ্রুপ এ রানার আপ (দুবাই)
২৩ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ বি বিজয়ী বনাম গ্রুপ বি রানার আপ (আবুধাবি)
২৫ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ এ বিজয়ী বনাম গ্রুপ বি বিজয়ী (দুবাই)
২৬ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ এ রানার আপ বনাম গ্রুপ বি রানার আপ (আবুধাবি)

ফাইনাল
২৮ সেপ্টেম্বর – ফাইনাল (দুবাই)

(সব কটি ম্যাচ বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে শুরু) ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আটকের পর জাতীয় দলের ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিলো পুলিশ

খেলার খবর: সাতক্ষীরা সদরের বাঁকাল এলাকায় ফুটবল খেলার সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের সময় পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণ করার অভিযোগে জাতীয় দল থেকে ছিটকে পড়া ক্রিকেটার রবিউল ইসলাম শিবলুকে আটক করে পুলিশ। তবে পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে শহরের ইটাগাছা জাগ্রত যুব সংঘ ও সুলতানপুর টাউন স্পোটিং ক্লাবের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষ হওয়ার চার মিনিট পূর্বে রেফারির একটা কর্নার ধরাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে উত্তেজিত দুই পক্ষকে লাঠিচার্জ করে নিয়ন্ত্রণে আনে। ইটাগাছা জাগ্রত যুব সংঘের এক সমর্থক জানান, কর্নার না হলেও রেফারি এটাকে কর্নার হিসেবে ধরেছে। যা নিয়ে শুরু হয় সংঘর্ষ। তবে খেলার রেফারি আবু আহম্মেদ বলেন, কর্নার ধরাটি সঠিক ছিল।
সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রবিউল ইসলাম শিবলুকে নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাটি অমীমাংসিতভাবে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২ বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরলেন স্টেইন

খেলার খবর: প্রায় দুই বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে ওয়ানডে দলে জায়গা পেলেন ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার ডেল স্টেইন। চলতি মাসের শেষের দিকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে দলে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। সবশেষ ২০১৬ সালের অক্টোবরে জাতীয় দলের জার্সিতে ওয়ানডে খেলেছিলেন এই তারকা।
এছাড়া, শ্রীলঙ্কায় সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে বিশ্রামে থাকা ইমরান তাহিরও দলে ফিরেছেন। সঙ্গে আছেন দুই স্পিনার কেশভ মহারাজ আর তাবারেজ শামসি। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে দলে জায়গা পাননি ডেভিড মিলার। দলের বাইরে রয়েছেন কুইন্টন ডি ককও। তবে প্রোটিয়া ম্যানেজম্যান্ট জানিয়েছে, ফর্মে থাকা এ দুই তারকাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে।

ওয়ানডে দল:
ফাফ ডু প্লেসিস (অধিনায়ক), হাশিম আমলা, জেপি ডুমিনি, রিজা হেনড্রিকস, ইমরান তাহির, ক্রিশ্চিয়ান জোঙ্কার, হেনরিক ক্লাসেন, কেশভ মহারাজ, এইডেন মার্করাম, উইয়ান মালডার, লুঙ্গি এনগিদি, আন্দেলো ফেলকুয়া, কাগিসো রাবাদা, তাবারেজ শামসি, খায়া জন্দো, ডেল স্টেইন।

টি-টোয়েন্টি দল:
ফাফ ডু প্লেসিস (অধিনায়ক), গিহাহন ক্লোয়েটে, জুনিয়র ডালা, কুইন্টন ডি কক, জেপি ডুমিনি, রবি ফ্রাঙ্কলিন, ইমরান তাহির, ক্রিশ্চিয়ান জোঙ্কার, হেনরিক ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, লুঙ্গি এনগিদি, ডেন পিটারসন, আন্দেলো ফেহলুখায়ো, রসি ভ্যান ডার ডাসেন, তাবারেজ শামসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest