সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল পৌরসভাসাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তরদেবহাটায় ইছামতীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনশরৎ এলো — নাসির খলিলআশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ৪তালায় এক স্কুলেই ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে : প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপএসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থীমাদক ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: ওসি শাহিনদুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রাম

ইস্কো-মার্সেলোদের ছাড়াই মাঠে নামছে রিয়াল

খেলার খবর: শিরোপাপ্রত্যাশী রিয়াল মাদ্রিদ লা লিগায় আজ মাঠে নামবে দেপোর্তিভো আলাভেসের বিপক্ষে। তবে এই ম্যাচে কোচ হুলেন লোপেতেগুই দলে পাচ্ছেন না ইস্কো, মার্সেলো এবং দানি কারভাহালদের মত অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের।
দুর্দান্ত শুরুর পর হঠাত্ করেই যেনো পথ হারিয়ে ফেলেছে রিয়াল। যার শুরুটা হয়েছিলো সেভিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরে। এরপরে ঘরের মাঠে মাদ্রিদ ডার্বি ড্র করে লস ব্ল্যাঙ্কোসরা। লা লিগার দুঃসময়ের ছাপ গিয়ে পড়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও। সিএসকেএ মস্কোর কাছেও তারা হারে ১-০ ব্যবধানে। তাই আলাভেসের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে নামার আগে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন রিয়াল কোচ।
লোপেতেগুই বলেন, ‘এখন আমরা আলাভেসে মনোনিবেশ করবো। যারা শেষ ছয় ম্যাচে হারেনি এবং নিজেদের দর্শকদের সামনে খেলবে।’
সবকিছু মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এক ম্যাচেরই আভাস পাচ্ছেন রিয়াল কোচ। আর তাই তিনি মনে করেন আলাভেসকে হারাতে সেরা খেলাটাই দিতে হবে তার দলকে। লোপেতেগুইয়ের ভাষায়, ‘আমি একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচই আশা করছি। তাদের ভালো ধারণা আছে এবং সম্পদের যথাযোগ্য ব্যবহার তারা করতে জানে। তাদের ভালো কিছু খেলোয়াড় আছে যারা আলাভেসের হয়ে ভালো ছন্দে আছে। তাদের হারানোর জন্য আমাদেরকে খুবই ভালো খেলতে হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক বোতল হুইস্কির দাম আট কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক: হুইস্কির প্রতি অনেকেই আসক্ত। তবে এক বোতল হুইস্কির দাম যদি হয় আট কোটি ১৫ লাখ টাকা, তাহলে তো চমকে যাওয়ারই কথা! স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে নিলামে এই বিপুল দামেই বিক্রি হয়েছে বিরল হুইস্কির একটি বোতল।
বিশ্বের অন্যতম সেরা স্বাদের বিরল একটি হুইস্কির বোতল ছিল এটি। চলতি বছরের মে মাসে এই একই সংস্থার একটি হুইস্কির বোতল বিক্রি হয় প্রায় ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকায়। তাকেও ছাপিয়ে গেল এটি। বিক্রি হলো প্রায় আট কোটি ১৫ লাখ টাকায়।
তবে এই বোতলটি কে কিনেছেন, তা জানানো হয়নি। তবে রিচার্ড হার্ভে নামে এক হুইস্কি বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, এশিয়ার এক ব্যক্তি নিলামে কিনেছেন ওই বোতলটি।
১৯২৬ সালে প্রথম এই হুইস্কি তৈরি হয়। তারপর ম্যাককালান ডিস্টেলারিতে এটি রাখা ছিল। বোতলে ভরা হয় ১৯৮৬ সালে।
মোট ২৪টি বোতলে ভরা হয়েছিল এটি। এর মধ্যে ১২টিতে পপ আর্টিস্ট পিটার ব্লেক ও ১২টিতে ভালেরিও আদেমি লেবেল লাগানো হয়েছিল। সেই ভালেরিও আদেমির বয়স এখন ৮৩। ছবি ও কমিক আর্ট তার সবচেয়ে পছন্দের।
এক ভেন্ডর ম্যাককালান ডিস্টেলারি থেকে বোতলগুলো সরাসরি কেনেন। মালিকই নাকি বিক্রি করেছিলেন এগুলো। এই মুহূর্তে কতগুলো বোতল অবশিষ্ট রয়েছে তা অবশ্য জানা নেই। ২০১১ সালে জাপানের সুনামিতে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল একটি। একটি বোতল কেউ নাকি পান করেও ফেলেছেন।
বোনহামস সংস্থার কাছে এখনো এই হুইস্কির তিনটি বোতল রয়েছে। বোনহামসের হুইস্কি স্পেশালিস্ট বলেন, নতুন রেকর্ড গড়ে আমরা খুশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাশিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৩

বিদেশের খবর: রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় ভের শহরে মিনিবাসের সঙ্গে একটি হাইওয়ে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুরে মস্কো থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে একটি মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ভির অঞ্চলের গর্ভনর ইগর রুদেনা এক বিবৃতিতে জানান, একটি ফোর্ড মিনিবাসের সঙ্গে বড় একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মিনিবাসটিতে থাকা ১৩ যাত্রী নিহত হয়েছেন। খবর রুশ বার্তা সংস্থা তাসের।
দুর্ঘটনায় বাস চালকসহ আরও ১৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাশিয়ায় মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

বিদেশের খবর: রাশিয়ায় একটি শক্তিশালী যুদ্ধবিমান ‘মিগ-২৯’ বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো প্রাণহানী হয়নি। শুক্রবার মস্কোর কাছাকাছি বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানা গেছে।
বিমানটি বিধ্বস্ত হলেও পাইলট নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন বলে সংবাদমাধ্যম তাস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে। তবে কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি দেশটি।
মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান দেশটির অত্যাধুনিক বিমানগুলোর মধ্যে একটি। সোভিয়েত আমলে রাশিয়া প্রথম এ বিমান তৈরি শুরু হয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশের বিমানবহরে এটি বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্নীতির দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের কারাদণ্ড

বিদেশের খবর: দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট লী মিং-বাককে ১৫ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গতকাল শুক্রবার তার বিরুদ্ধে ওই রায় ঘোষণা করে আদালত।
২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন লী মিং-বাক। ৭৬ বছর বয়সী লী ২০০৮ সালে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) থেকে প্রেসিডেন্ট হন।
ঘুষ ও অর্থ আত্মসাতের দায়ে ক্ষমতায় থাকাবস্থায় তিনি অপরাধী সাব্যস্ত হয়েছেন। সিউল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট তাকে ১৩ বিলিয়ন ওন (১১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) জরিমানা করেছে।
গত এপ্রিল মাসে লী মিং-বাকের বিরুদ্ধে ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারসহ ১৬টি অভিযোগ আনা হয়।
সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ ঢাবি’র ৫১তম সমাবর্তন

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫১তম সমাবর্তন আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবর্তনে ২১ হাজার ১১১ জন গ্রাজুয়েট রেজিস্ট্রেশন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই সংখ্যা সর্বাধিক।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ভবন সংলগ্ন আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান এই তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, ৫১তম সমাবর্তনে কৃতী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ৯৬টি স্বর্ণ পদক, ৮১ জনকে পিএইচডি ও ২৭ জনকে এমফিল ডিগ্রি প্রদান করা হবে। সমাবর্তন বক্তব্য দিবেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
সমাবর্তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের গ্রাজুয়েটবৃন্দ ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজ ভেন্যু থেকে সরাসরি অনুষ্ঠানে অংশ নিবেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে উপাচার্য জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্টারপোলের প্রেসিডেন্ট নিখোঁজ

অনলাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের প্রেসিডেন্ট মেং হংওয়ে চীনে যাবার পথে নিখোঁজ হয়েছেন। এমন অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে ফরাসি পুলিশ।
ইন্টারপোলের সদর দপ্তর, ফ্রান্সের লিয়ন শহর থেকে গত সেপ্টেম্বর মাসে তিনি চীনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার পর থেকে তার পরিবার আর কোন খোঁজ পায়নি।
তদন্তের সঙ্গে জড়িত এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, তিনি ফ্রান্সে নিখোঁজ হননি। একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট লিখেছে, ৬৪ বছরের মেংকে চীনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কিন্তু এটা পরিষ্কার নয় কেন চীনের আইন শৃঙ্খলারক্ষী কর্তৃপক্ষ তার বিষয়ে তদন্ত করছে বা কোথায় তাকে রাখা হয়েছে।মেং এর বিষয়ে প্রকাশ্যে কোন মন্তব্য করেনি চীনের কর্মকর্তারা।
মেং হংওয়ের স্ত্রী ফরাসি পুলিশের কাছে তার স্বামী নিখোঁজ থাকার অভিযোগ জানানোর পর তদন্ত শুরু করে ফরাসি কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিকভাবে তাকে উদ্ধৃত করে ফরাসি পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বরের পর থেকে তারা মেং এর কোন খোঁজ পাননি।
তবে পরে ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আসলে তারিখটি হবে ২৫ সেপ্টেম্বর। চীনের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানানো হয়েছে। ইন্টারপোলের প্রেসিডেন্টের অবস্থা নিয়ে ফ্রান্স ধাঁধায় পড়েছে এবং তার স্ত্রীর ওপর হুমকি নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। এর বাইরে আর বিস্তারিত কিছু জানায়নি ফরাসি মন্ত্রণালয়।
মেং হংওয়ের চীনে নিখোঁজের ঘটনার সঙ্গে দেশটির কম্যুনিস্ট পার্টির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে অনেক মিল রয়েছে। সন্দেহের তালিকায় থাকা কর্মকর্তাদের হঠাৎ করে জনসম্মুখ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ওই ব্যক্তি নিখোঁজ বলে জানানো হয়।
সাধারণত দল থেকে সংক্ষিপ্ত একটি বিবৃতি জারি করা হয় যে, নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। দলের পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে তার কারাদণ্ডের কোন শাস্তি ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালে শি জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর দেশটিতে ১০ লাখের বেশি দলের কর্মকর্তাদের এভাবে শৃঙ্খলাজনিত শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।
তবে মেং হংওয়ের ঘটনাটি অনেকগুলো কারণে উল্লেখযোগ্য। প্রথমত, তার স্ত্রী ফরাসি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন যে তার স্বামী কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। সাধারণত বেশি শাস্তি হতে পারে, এরকম আশংকায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনরা বিদেশি কোন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ তোলেন না।
তার স্ত্রী কি ভেবেছেন, তার জন্য এখন আর কোন বিকল্প নেই? একসময় চীনা কর্তৃপক্ষ তাকে ইন্টারপোলের প্রেসিডেন্টের মতো লোভনীয় পদ পাইয়ে দিয়েছিল। তিনি যদি চীনা রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যেই নিখোঁজ হন, তাহলে কাকে তিনি ক্ষুব্ধ করে তুলেছিলেন? তিনি এমন কি করেছেন যাতে, বেইজিং প্রকাশ্যে এভাবে ইন্টারপোলের শীর্ষ পদটি বাতিল করে দেবে?
একটি বিবৃতিতে ইন্টারপোল বলছে, মেং এর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে তারা অবগত আছে। এটা ফ্রান্স ও চীনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, ১৯২টি দেশের এই সংস্থাটির প্রতিদিনের কার্যক্রম মহাসচিব দেখভাল করে থাকেন, প্রেসিডেন্ট নয়।
প্রেসিডেন্ট হিসাবে মেং নির্বাহী কমিটির নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন, যা ইন্টারপোলের সার্বিক নীতিমালা এবং পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে থাকে। ২০১৬ সালে তিনি ইন্টারপোলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তার মেয়াদ ২০২০ সালে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। মাদক, সন্ত্রাসবাদ বিরোধী এবং সীমান্ত রক্ষার মতো কাজে তার ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ইন্টারপোলের দায়িত্ব নেয়ার আগে মেং চীনের জননিরাপত্তা বিষয়ক উপমন্ত্রী ছিলেন। তার নির্বাচনের সময় মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল যে, এই নিয়োগ বিদেশে পালিয়ে যাওয়া চীনা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আটক করতে চীনকে সহায়তা করবে।
কোন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ধরিয়ে দিতে আন্তর্জাতিক রেড নোটিশ জারি করতে পারে ইন্টারপোল। তবে কোন দেশের ভেতর কর্মকর্তা পাঠিয়ে কাউকে গ্রেফতার করা বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা নেই সংস্থাটির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৈষম্যের শিকার ২৬ ক্যাডারের কর্মকর্তারা

অনলাইন ডেস্ক: প্রশাসনে বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বৈষম্য দূর হচ্ছে না। পদোন্নতিতে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মধ্যে। সম্প্রতি যুগ্ম-সচিব এবং অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতিতেও অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করায় এ ক্ষোভ আরও বেড়েছে।
বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলছেন, নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে পদোন্নতিতে বৈষম্য সৃষ্টি করা হচ্ছে।
যুগ্ম-সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রশাসন ক্যাডারের জন্য পদ না থাকলেও ঢালাও পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা।

গত ২০ সেপ্টম্বর যুগ্মসচিব পদে ১৫৪ জনের মধ্যে অন্যান্য ক্যাডারের মাত্র ১৯ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এর আগেও গত বছরের ২১ ডিসেম্বর যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতিতে ১৯৩ জনের মধ্যে অন্যান্য ক্যাডারের স্থান পেয়েছেন মাত্র ২১ জন।
প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য পদোন্নতিতে অলিখিত বিশেষ পদ্ধতি অব্যাহত রাখায় অন্যান্য ২৬ ক্যাডার থেকে উপসচিব হওয়া কর্মকর্তাদের যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি প্রাপ্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রশাসন ক্যাডারের ৮/১০ ব্যাচ জুনিয়র কর্মকর্তারা ‘বস’ হিসেবে তাদের মাথার ওপর বসছেন। এতে ভেঙে পড়ছে প্রশাসনের চেইন অব কমান্ড।

বঞ্চিত কর্মকর্তারা জানান, উপসচিব পদে পদোন্নতিতে প্রশাসন ক্যাডারের জন্য শতকরা ৭৫ ভাগ এবং অন্যান্য ২৬ ক্যাডারের জন্য ২৫ ভাগ পদ সংরক্ষিত রাখার ফলে অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রশাসন ক্যাডারের সম-ব্যাচের সঙ্গে উপসচিব পদে পদোন্নতি পাচ্ছেন না। বরং প্রশাসন ক্যাডারের ৮ থেকে ১০ ব্যাচ জুনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের উপসচিব করা হচ্ছে।

২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়ার আগ পর্যন্ত ২০০২ সালের পদোন্নতি বিধিমালা অনুযায়ী যোগ্যতা অর্জিত হলেই সব ক্যাডারের উপসচিবদের পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হতো। তবে ওই বছরের ২১ ডিসেম্বর ও চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে এক অলিখিত নিয়ম চালু করা হয়েছে বলে অভিযোগ বঞ্চিতদের।

প্রশাসন ক্যাডারের যে ব্যাচের সঙ্গে অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা উপসচিব হয়েছেন সেই ব্যাচের সঙ্গে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে অন্যান্য ক্যাডার উপসচিবরা আরো পেছনে পড়ছেন।

পদোন্নতি বিধিমালা-২০০২ অনুযায়ী, অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির জন্য ২০ বছরের মোট চাকরিসহ উপসচিব পদে ৩ বছরের চাকরি প্রয়োজন। অপরদিকে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ১৫ বছরের মোট চাকরিসহ ৫ বছরের উপসচিব পদে চাকরি দরকার। এ অলিখিত নিয়ম চালু করায় অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা পদোন্নতির সব যোগ্যতা অর্জন করার পরেও প্রশাসন ক্যাডারের ৮ থেকে ১০ ব্যাচ জুনিয়র কর্মকর্তাদের পদোন্নতির যোগ্যতা শর্তপূরণ না হওয়ার কারণে অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিবদের পদোন্নতি অযৌক্তিকভাবে আটকে রাখা হচ্ছে।

বঞ্চিত একাধিক কর্মকর্তা বলেন, এভাবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সরকারের যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে ২৬ ক্যাডারের কর্মকর্তা শূন্য করে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করা প্রশাসন ক্যাডারের উদ্দেশ্য।

কর্মকর্তারা অভিযোগ করে বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সূত্র থেকে বলা হয়, বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের যে ব্যাচের সঙ্গে অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা উপসচিব হয়েছেন, যুগ্ম-সচিব পদোন্নতি তাদের সঙ্গেই হবে। যদিও এরকম কোনো বিধি-বিধান বিদ্যমান নেই। কিন্তু প্রশাসন ক্যাডারের উপসচিবদের স্বার্থে গত ২০ সেপ্টেম্বরের যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিতে তারও ব্যত্যয় করা হয়েছে। ওই পদোন্নতিতে মূলত প্রশাসন ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

পদোন্নতি বিধিমালা-২০০২ অনুযায়ী, যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির সব শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও অন্যান্য ক্যাডারের ১৩তম, ১১তম, ১০ম, ৯ম, ৮ম ব্যাচের প্রায় শতাধিক কর্মকর্তাকে পদোন্নতির জন্য বিবেচনাই করা হয়নি। অথচ ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল প্রশাসন ক্যাডার থেকে উপসচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ১১তম বিসিএসের ৭ জন, ১৩তম বিসিএসের ৫ জন এবং ১৫তম ব্যাচের ৮ জনসহ মোট ২০ জনকে যুগ্ম-সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর উপসচিব হিসেবে যোগদান দেওয়া ক্যাডাররা এদের চেয়ে জ্যেষ্ঠতার হলেও প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্যান্য ক্যাডারের ৮ম, ৯ম, ১০ম, ১১তম, ১৩তম ব্যাচের কোনো কর্মকর্তাকেই পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। প্রশাসন ক্যাডারের ১১তম, ১৩তম ও ১৫তম ব্যাচের উক্ত কর্মকর্তাদের বিবেচনার পূর্বেই অন্যান্য ক্যাডারের জ্যেষ্ঠ ৮ম, ৯ম, ১০ম, ১১তম, ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের বিবেচনা না করে নিজেদের অলিখিত নিয়মও ভঙ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

কর্মকর্তারা বলছেন, এ ধরনের অলিখিত পদ্ধতি চালু থাকায় অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা বারবার লঙ্ঘিত হচ্ছে। তারা দারুণভাবে বৈষম্যের শিকার ও বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের ৫/৭ ব্যাচ জুনিয়র কর্মকর্তাদের অধীনে চাকরি করতে হচ্ছে।

অন্যান্য ক্যাডার কর্মকর্তারা এ বৈষম্য এবং বঞ্চনাকে জ্যেষ্ঠতার অপমান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন গৃহীত পরীক্ষার অবমূল্যায়ন হিসেবে মনে করছেন।

তারা বলছেন, ২২ থেকে ২৮ বছর ধরে দক্ষতা, যোগ্যতা, দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেও পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়ায় তারা পারিবারিক, সামাজিক ও দাফতরিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন। বিষয়টি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বঞ্চিত কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest