সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়

রাজধানীতে ‘লেগুনা’ নিষিদ্ধ

দেশের খবর: রাজধানীর সড়কগুলোতে সবচেয়ে বেশি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয় লেগুনার কারণে। সড়কে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণও এই লেগুনা। কাজেই রাজধানীতে আর লেগুনা চলবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে মাসব্যাপী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘লেগুনার কোনো রুট পারমিট নেই। রাজধানীতে এতদিন যারা লেগুনা চালিয়েছে, তারা অবৈধভাবে তা চালিয়েছে। তাই রাজধানীতে তাদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।’
‘রাজধানীতে বাস থামানোর জন্য ১২১টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে’ জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এগুলোতে বোর্ড লাগানো হচ্ছে। এসব স্থানের বাইরে কেউ বাস থামাতে পারবে না। পাশাপাশি বাস স্টপেজ ছাড়া অন্য কোথাও বাসের দরজা খুলবে না, বন্ধ থাকবে। যাত্রীরাও বাস স্টপেজ ছাড়া অন্য কোথাও নামতে পারবেন না।’
আছাদুজ্জামান মিয়া আরও বলেন, আমরা ইতিমধ্যে পেট্রল পাম্প মালিকদের সাথে কথা বলেছি। কোনো মোটরসাইকেল চালকের যদি হেলমেট না থাকে তাহলে তারা তেল সরবরাহ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
‘পেট্রলপাম্পগুলোর মালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি, মোটরসাইকেলে যাদের হেলমেট থাকবে না, তাদের তেল দেওয়া হবে না। মোটরসাইকেলে তিনজন যাত্রী উঠতে পারবেন না। যাত্রীকে অবশ্যই হেলমেট পরতে হবে। ফুটওভার ব্রিজ, জেব্রাক্রসিং ও আন্ডারপাস ছাড়া রাস্তা পার হওয়া যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘রিকশার শৃঙ্খলা আনার জন্য ঢাকা শহরের নিবন্ধন নেই এমন রিকশা চলতে দেওয়া হবে না। বাসের মধ্যে চালকের মোবাইল নম্বর ও ছবি টাঙিয়ে রাখতে হবে। বাসের চালকদের চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া যাবে না, বেতনভুক্ত করতে হবে।’
প্রত্যেক চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘গত ছয় মাসে চালক ও যানবাহনের বিরুদ্ধে ৬ লাখ ২৬ হাজার আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঈদের আগে যে ১০ দিন ট্রাফিক সপ্তাহ ছিল, ওই সময়ে ৮৮ হাজার ২৯৩ মামলায় ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’
‘ট্রাফিক আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের চাপ বা প্রভাব বিবেচনা করা হবে না’ জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ হবে। আইন না মানায় আইনে পরিণত হয়েছে। এটা এক দিনে তৈরি হয়নি। এটা ভাঙতে সময় লাগবে। তিনি সবাইকে ট্রাফিক আইন মেনে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
‘দখল হওয়া ফুটপাত মুক্ত করার’ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘রাজউক ও সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বসে ঢাকার বিভিন্ন দখল হওয়া ফুটপাত উদ্ধার করা হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘গুজব ছড়িয়ে যারা সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের বিরুদ্ধে সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘এলোমেলো জীবন’ এ আসিফ-কর্নিয়া

বিনোদনের খবর: আবারও জুটি বেঁধে শ্রোতাদের সামনে হাজির হচ্ছেন আসিফ আকবর ও কর্নিয়া। ‘এলোমেলো জীবন’ শিরোনামের নতুন এই গানটির কথা, সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন তরুণ মুন্সী। একই সঙ্গে গানের ভিডিওতেও দেখা গেছে আসিফ-কর্নিয়ার রোমান্টিক পারফরম্যান্স। সৈকত নাসির নির্মিত গানের ভিডিওটি প্রকাশ করছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)।
জানা গেছে, আগামী বৃহস্পতিবার ধ্রুব মিউজিক স্টেশন তাদের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করবে ‘এলোমেলো জীবন’ গানটির ভিডিও। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে ডিএমএস ওয়েব সাইট, জিপি মিউজিক এবং বাংলালিংক ভাইবে।
এর আগে, ‘কি করে তোকে বোঝাই’ শিরোনামের একটি গানে জুটিবদ্ধ হতে দেখা গেছে আসিফ আকবর ও কর্নিয়াকে। গানটি প্রকাশের পরপরই শ্রোতা মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ভিডিওতে এই জুটির পারফরম্যান্সও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটে ফিরছেন ডি ভিলিয়ার্স

খেলার খবর: হঠাৎ করে দক্ষিণ আফ্রিকা দল থেকে অবসর নেওয়া মারকুটে ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স ক্রিকেটে ফিরছেন। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) হয়ে এবার খেলবেন এ প্রোটিয়া ক্রিকেটার।
এ বছরের শুরুর দিকে আচমকা জাতীয় দল থেকে অবসর নেন এবি। পরে জানান, ঘরোয়া লিগ ও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলবেন।
এবার আরও একটি টি ২০ লিগে তার খেলার কথা জানা গেল। পিএসএলে ডি ভিলিয়ার্সের খেলাড় সম্ভাবনার কথা আগেও পিএসএলের টুইটারে জানানো হয়েছিল। তখন অবশ্য খেলেননি।
শুধু ডি ভিলিয়ার্সই নন, পিএসএলে খেলার ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে নিষিদ্ধ দুই অস্ট্রেলিয়ান তারকা ডেভিড ওয়ার্নার এবং স্টিভ স্মিথও।
এই তিনজনের ব্যাপারে দলগুলোর সিদ্ধান্ত চলতি মাসের মধ্যে শেষ হবে। অক্টোবরের মাঝামাঝি পিএসএলের চতুর্থ আসর বসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও গুলিসহ ১জন আটক

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও গুলিসহ আব্দুল মাজেদ তরফদার (৫২) কে আটক করেছে। সে থানা এলাকার রতনপুর ইউনিয়নের তেরুলিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার তরফদারের পুত্র। অস্ত্র আইনে তার বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের হয়েছে।

থানা সুত্রে জানাগেছে, কালিগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমানের নির্দেশে থানার উপ-পরিদর্শক মোমরেজ ইসলাম ও জাহিদ সহ সঙ্গীয় ফোর্স মঙ্গলবার ( ৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১ টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আব্দুল মাজেদের নিজ বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় তাঁর বসত ঘর থেকে ১ টি পাইপগান, ১ টি ইয়ারগান ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে এবং তাকে আটক করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদক বিরোধী প্রচারণায় সঞ্জয় দত্ত

বিনোদনের খবর: সঞ্জয় দত্ত। বলিউডের তুখোড় অভিনেতাদের একজন। তবে ব্যক্তি জীবনে সঞ্জয় দত্ত এক সময় মাদকাসক্ত ছিলেন। সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন ছেড়ে রীতিমতো নেশার জগতে বুঁদ হয়েছিলেন এই অভিনেতা। এজন্য মাদক নিরাময় কেন্দ্রেও ভর্তি ছিলেন তিনি। তার জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘সাঞ্জু’ সিনেমাতেও এসব বিষয় উঠে এসেছে।
এবার এই অভিনেতা মাদক বিরোধী প্রচারণায় নামছেন। তাকে ভারতের উত্তরাখণ্ড সরকারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত করা হয়েছে। গত শনিবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ব্যক্তিগত জীবনে মাদকাসক্ত ছিলেন সঞ্জয় দত্ত। ফলে তিনি যতটা নেশার ক্ষতিকর দিকটা তুলে ধরতে পারবেন, তা অন্য কেউ পারবেন না। তাই সঞ্জয়কে এই প্রচারে যুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, এ বিষয়ে সঞ্জয়ের সঙ্গে এক দফা কথাবার্তাও সেরে রেখেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেও সঞ্জয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন মন্ত্রী। এই প্রচারে সঞ্জয়কে যুক্ত করায় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষা ক্যাডা‌রে শীঘ্রই বড় ধর‌নের প‌দোন্ন‌তি আস‌ছে

অনলাইন ডেস্ক: বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে শিগগিরই বড় ধরনের পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর-মাউশি। এ তালিকা নিয়ে আগস্টের শেষ সপ্তাহে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে শিক্ষা ক্যাডারের ‘বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি’র (ডিপিসি) সভা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। শিগগিরই আরেকটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এবার প্রায় এক হাজার কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। যদিও এই ক্যাডারে এ মুহূর্তে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তা রয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার।
এ ব্যাপারে মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিতে শিগগিরই ডিপিসি সভায় বসে এ বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে, পদোন্নতির খবরে সারাদেশের সরকারি কলেজগুলোতে শিক্ষকরা নড়েচড়ে বসেছেন। দীর্ঘদিন পর তারা পদোন্নতির খবর পেয়ে আশায় বুক বেঁধেছেন।

পদোন্নতির তালিকা নিয়ে অভিযোগ: শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা জানান, তিনভাবে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা নিয়োগ পান। সরাসরি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে, বেসরকারি কলেজ থেকে আত্তীকরণ এবং রাষ্ট্রপতির ১০ শতাংশ কোটায়। এই ক্যাডারের কর্মকর্তারা সরকারি কলেজে সরাসরি শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশ সার্ভিস রুল ১৯৮১-এর ৫, ৬ ও ৭ বিধি অনুযায়ী, শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদোন্নতির জন্য পাঁচ বছর, সহযোগী অধ্যাপকের জন্য তিন বছর এবং অধ্যাপক পদের জন্য দুই বছর অর্থাৎ ফিডার পদে ১০ বছর থাকতে হবে। ফিডার সার্ভিস বলতে শিক্ষা ক্যাডারের মূল পদ সরকারি কলেজে কর্মরত থাকতে হবে। এ ছাড়াও সব ক্যাডার পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের শুরুতে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ, বিভাগীয় পরীক্ষায় পাস ও শিক্ষানবিশকাল শেষ করে চাকরি স্থায়ীকরণ বাধ্যতামূলক। পদোন্নতির জন্য পরীক্ষায় পাসও বাধ্যতামূলক। যারা এসব যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হবেন, তাদের চাকরির মেয়াদ ১৫ বছর পূর্ণ হলে পরীক্ষা প্রমার্জন সাপেক্ষে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হবেন। কিন্তু এসব আইন ভঙ্গ করে ২০০৬ সাল থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষা ক্যাডারে চরম অসন্তোষ ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। আদালতে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। তার পরও মাউশি আবারও বিধি লঙ্ঘন করে অধ্যাপক পদে পদোন্নতির খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আগস্টের শেষ সপ্তাহে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে ‘বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সভা হয়। সেখানে প্রস্তাবিত তালিকা থেকে বিষয়ভিত্তিক ২০ শতাংশ সহযোগী অধ্যাপককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তালিকায় পদার্থবিদ্যার ৪৯, পরিসংখ্যানে দুই, প্রাণিবিদ্যায় ৬৩, বাংলায় ৮০, ব্যবস্থাপনায় ৬৯, ভূগোলে সাত, মৃত্তিকা বিজ্ঞানে তিন, মনোবিজ্ঞানে চার, রসায়নে ৪২, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৭৮, সমাজবিজ্ঞানে ১৩, সমাজকল্যাণে ২৯, সংস্কৃতে এক, হিসাববিজ্ঞানে ৬৩, অর্থনীতিতে ৮১, আরবিতে আট, ইসলামী শিক্ষায় ২৭, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ৭২, ইংরেজিতে ৭৯, ইতিহাসে ৭৯, উদ্ভিদবিদ্যায় ৭৮, গার্হ্যস্থ অর্থনীতিতে ছয়, গণিতে ৫৯ এবং দর্শনে ৮৫ জন রয়েছেন। এ ছাড়া টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ইতিহাসে একজন, ভূগোলে একজন, বিজ্ঞানে একজন, শিক্ষা নয়জন, গাইডেন্স অ্যান্ড কাউন্সিলিং বিষয়ে একজন রয়েছেন।

মাউশি জানায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অধ্যাপকদের অবসরে যাওয়ার তালিকা হিসাব করে ১৯টি বিষয়ের অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য এক হাজার ৯১ জনের একটি খসড়া তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সারাদেশের সরকারি কলেজের বর্তমানে ৯৮টি অধ্যাপক পদ শূন্য রয়েছে। আর ডিসেম্বরে আরও ৮০ জন অবসরে যাবেন। মাউশির হিসাব মতে, ১৭৮টি পদে অধ্যাপকের পদোন্নতি যোগ্য। তবে গত বছরের ১০ নভেম্বর ২৭৪ জনকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫৮ জন আগের পদে বহাল আছেন।

বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষা ক্যাডারে বিসিএস পরীক্ষায় পাস না করেও আত্তীকৃত শিক্ষক, পরিদর্শক থেকে পদোন্নতিসহ বিভিন্নভাবে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। বিধি অনুযায়ী, শিক্ষা ক্যাডারের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে যোগদানের তারিখ থেকে। পদোন্নতির খসড়া তালিকা করার ক্ষেত্রে এ বিধানও মানা হয়নি। নিয়ম মেনে পদোন্নতি না দেওয়ায় ৭ম থেকে ১৪তম বিসিএস পর্যন্ত শিক্ষা ক্যাডারের প্রায় দেড় হাজার কর্মকর্তা পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন। এবারের পদোন্নতির তালিকায় বিভাগীয় পরীক্ষায় পাসসহ নিয়মিত পদোন্নতিপ্রাপ্ত ও মেধাবীদের নাম রয়েছে অপেক্ষাকৃত নিচের দিকে। এতে করে তারা পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। মাউশির এক শ্রেণির কর্মকর্তারা অর্থের বিনিময়ে অযোগ্যদের তালিকার শীর্ষে রাখছেন বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে মাউশির মহাপরিচালক বলেন, কিছু ব্যক্তি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। পদোন্নতির যোগ্যতায় কারও ঘাটতি থাকলে তাকে পদোন্নতি দেওয়া হবে না। পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো রকম অনিয়ম হবে না।

চাকরিবিধি ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে গত সাত বছরে প্রায় এক হাজার বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষায় ফেল করেছেন। কারও আবার চাকরিই স্থায়ী হয়নি। তবুও অধ্যাপক হয়েছেন। এসব পদোন্নতির ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির একটি সিন্ডিকেট মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কলকাঠি নেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে অবৈধভাবে পদোন্নতি দিতে গিয়ে বলি দেওয়া হয়েছে পদোন্নতিযোগ্য প্রায় দেড় হাজার কর্মকর্তাকে।

২০০৬ থেকে ২০১৭ সালের অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জ্যেষ্ঠতা তালিকা, ফিট লিস্ট বিশ্নেষণ করে দেখা যায়, ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ও ২৩ অক্টোবর দুই দফায় ৫৮৭ পদোন্নতিপ্রাপ্ত অধ্যাপকের মধ্যে ১৫৪ জন বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষায় ফেল করা। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর পদোন্নতিপ্রাপ্ত ৩৬৭ অধ্যাপকের মধ্যে দুই শতাধিক ফেল করা ও ১৪৮ জন পদোন্নতির অযোগ্য ছিলেন। শর্ত পূরণ না করায় তাদের চাকরিও স্থায়ী হয়নি। তবুও তারা অধ্যাপক হয়েছেন।

কারা পাবেন পদোন্নতি: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কলেজ) ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ হলো, পদোন্নতিযোগ্য যত বেশি কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া যায়, দিতে হবে। সে লক্ষ্যে তারা কাজ করছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কলেজ উইং থেকে জানা গেছে, তদবিরের চাপ এড়াতে এবার পদোন্নতি আদেশের সঙ্গে সঙ্গেই পদায়নও করা হবে। অধ্যাপক পদে বিভিন্ন বিষয়ে এবার প্রায় আড়াইশ’ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হবে। যদিও মাউশি এক হাজার ৮১ জনের একটি খসড়া তালিকা প্রস্তুত করেছে। এর বাইরে রিজার্ভ পদের বিপরীতেও পদোন্নতি দেওয়া হবে। অধ্যাপক পদের জন্য বিসিএসের ১৪তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের এবার বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এই ব্যাচে প্রায় ১৮০০ কর্মকর্তা থাকলেও ১১৭০ জন পদোন্নতিযোগ্য। তবে এই ক্যাডারে বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদের বিপরীতে পদোন্নতি দেওয়া হয় বিধায় মাউশির তৈরি করা পদোন্নতিযোগ্য এই ১১৭০ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ ২০০ জনের ভাগ্যের শিকে ছিঁড়তে পারে।

উল্লেখ্য, এই ব্যাচের বেশিরভাগ কর্মকর্তা ২০১৩ সাল থেকে অধ্যাপকের স্কেলে বেতন পাচ্ছেন। তাদের পদোন্নতি দেওয়া হলে সরকারের কোনো ব্যয় বাড়বে না। আর সহযোগী অধ্যাপক পদে প্রায় ৩০০ জন এবার পদোন্নতি পাবেন। সহযোগী অধ্যাপক পদে এবার বিসিএসের ১৭, ১৮ ও ২০, ২১ ও ২২তম ব্যাচের কর্মকর্তারা ডিপিসির বিবেচনায় রয়েছেন।

অন্যদিকে, প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে এবার প্রায় ৫০০ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। সহকারী অধ্যাপক হওয়ার জন্য এবার বিসিএসের ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তারা বিবেচিত হচ্ছেন। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পদোন্নতির তালিকা চূড়ান্ত করা হলে সেদিনই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের এবারের পদোন্নতি সম্পর্কে এই কর্মকর্তাদের সংগঠন ‘বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি’র সভাপতি অধ্যাপক আইকে সেলিমউল্লাহ খন্দকার বলেন, তাদের ক্যাডারের প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মকর্তা বিভিন্ন স্তরে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করে বসে আছেন। তাদের কারও কারও পদোন্নতি দেওয়া হলে তাতেও সরকারের ব্যয় বাড়বে না। অথচ পদশূন্যতার অভাবে তাদের পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছে না। এজন্য নতুন পদ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এনাম কমিটির সুপারিশ অনুসারে তাদের ক্যাডারে আরও সাড়ে ১২ হাজার পদ প্রাপ্য রয়েছে। এসব পদ সৃষ্টির জন্য তারা সরকারের কাছে দাবি করে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে এই প্রস্তাবও সরকারের সংশ্নিষ্ট মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন।

বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজের শিক্ষকরা জানান, তাদের একই পদে ১২ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত চাকরি করতে হয়। পদোন্নতির জন্য আর কোনো ক্যাডারে এভাবে অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয় না। এ বিষয়ে সেলিমউল্লাহ খন্দকার বলেন, ১৪তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা ২৫ বছর ধরে চাকরি করেও এখনও অধ্যাপক হতে পারেননি। এই বঞ্চনা সহ্য করার মতো নয়।
জানা গেছে, শিক্ষা ক্যাডারে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চনা চলছে। অন্যসব ক্যাডারে ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি দেওয়া হলেও এই ক্যাডারে বিষয়ভিত্তিক পদোন্নতি দেওয়া হয়। ফলে বিভিন্ন কলেজে জুনিয়ররা চাকরিতে সিনিয়রদের ওপরে উঠে গেছেন।

মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, দেশের ৩২৭টি সরকারি কলেজসহ সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকের পদ রয়েছে ১৫ হাজার ১১২টি। এর মধ্যে বর্তমানে শূন্য রয়েছে প্রায় তিন হাজার পদ। এর প্রায় সবই ঢাকার বাইরের উপজেলা ও মফস্বল এলাকার কলেজের। এর বাইরে সম্প্রতি আরও ২৭৬টি বেসরকারি কলেজকে সরকারিকরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহিদুলের জামিন শুনানিতে বিব্রত হাইকোর্ট

দেশের খবর: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেফতার দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের জামিন শুনানি শুনতে বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ।

মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিব্রতবোধ করেন।
আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন দেওয়ান।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছাত্র হত্যা ও ছাত্রী ধর্ষণের গুজব ছড়ানো হয় পরিকল্পিতভাবে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এই গুজব ছড়িয়ে যে পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা ছিল তা অবশ্য সফল হয়নি।

এই গুজব ছড়ানোর ঘটনায় পাঁচ নারী, শিক্ষার্থীসহ বহুজন আটক হয়েছে। আটকদের মধ্যে আছেন প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলম।
গত ৫ আগস্ট রা‌তে ধানমন্ডির বাসা থেকে শ‌হিদুল আলম‌কে তুলে নেয় ডিবি। এরপর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ‘উস্কানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখা‌নো হয়। প‌রদিন এই মামলায় শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এরপর গত ১২ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় শহিদুল আলমের জা‌মিন আবেদন নামঞ্জুর ক‌রে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

১৪ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। এরপর ১৯ আগস্ট শুনানির তারিখ এগোনোর জন্য আবেদন করা হলে তা গ্রহণ করেননি আদালত। ২৬ আগস্ট শহিদুল আলমের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে ওই আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় ২৮ আগস্ট হাইকোর্টে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। ২৯ আগস্ট আবেদনটি শুনানির জন্য আরজি জানানো হয়। আদালত এ ধরনের ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত দাখিল করতে বলেন।
গতকাল শহিদুল আলমের পক্ষে জামিনের আবেদন হাইকোর্টের কার্যতালিকায় থাকলেও জামিন শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেন হাইকোর্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে বন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জাতিসংঘের

বিদেশের খবর: মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দণ্ডিত রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের নতুন মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার মিশেল ব্যাশেলেট।
সেই সঙ্গে মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য যে সাংবাদিকদের আটক রাখা হয়েছে, তাদের সবাইকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের তথ্য সংগ্রহের সময় গ্রেপ্তার রয়টার্সের সাংবাদিক ওয়া লোন (৩২) এবং কিয়াও সো ওকে (২৮) সোমবার দোষী সাব্যস্ত করে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ইয়াংগনের একটি আদালত।
রাখাইনের সেনা অভিযানের সময় ইনদিন গ্রামে ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যা করে লাশ পুঁতে ফেলার একটি ঘটনা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছিলেন ওই দুই সাংবাদিক।

বরাবরই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আসা এই দুই সাংবাদিক মামলার বিচারের সময় আদালতকে বলেছিলেন, গত ১২ ডিসেম্বর ইয়াংগনের এক রেস্তোরাঁয় দাওয়াত দিয়ে নিয়ে দুই পুলিশ সদস্য তাদের হাতে কিছু মোড়ানো কাগজ ধরিয়ে দেন এবং তার পরপরই সেখান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার এক বিবৃতিতে মিশেল ব্যাশেলেট বলেন, যে আইনি প্রক্রিয়ায় ওই দুই সাংবাদিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে, তাতে স্পষ্টতই আন্তর্জাতিক মানের বত্যয় ঘটেছে।

“এই রায় মিয়ানমারে দায়িত্বরত সব সাংবাদিককে এটাই বলছে- তারা সেখানে নির্ভয়ে কাজ করতে পারবেন না। হয় তাদের ঘটনা চেপে যেতে হবে নইলে কারাগারে যাওয়ার ঝুঁকি নিতে হবে “

গতবছরের ২৫ অগাস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েক ডজন নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার জবাবে সেনাবাহিনী ওই নির্মম দমন অভিযান শুরু করে। জাতিসংঘ বলছে, সেনাবাহিনীর ওই অভিযানে এ পর্যন্ত দশ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
রাখাইনে সেনাবাহিনীর ওই দমন-পীড়নের মুখে গতবছর অগাস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেখা হচ্ছে দক্ষিণ এ অঞ্চলের সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে ওঠা শরণার্থী সঙ্কট হিসেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest