সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়

উত্তরপাড়ার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই- ড. কামাল

দেশের খবর: বাংলাদেশে নতুন একটি রাজনৈতিক জোট এবং তাদের নেতাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে যেভাবে ঠাট্টা তামাশা করেছেন – তা বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
যুক্তফ্রন্ট নামে সদ্য-গঠিত ঐ জোটের নেতাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে পত্র-পত্রিকায়, সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ চর্চা চলছে।
যেমন নতুন জোটের অন্যতম নেতা ড. কামাল হোসেন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন — তিনি যখন গরম বক্তৃতা দেবেন, তখন ধরে নেবেন তার প্লেন রেডি।
তার এবং তাদের জোট সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের মন্তব্যকে তিনি কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এসব নিয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে চান না।
তবে তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা যে নতুন জোটকে স্বাগত জানিয়েছেন সেটা ইতিবাচক।
জনগণের কাছে নতুন এই জোটের গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে যে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন সে বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা তো ওনার সমর্থনে কিছু করিনি, স্বাধীনভাবে করেছি, তাই এবিষয়ে তো তিনি প্রশ্ন তুলতেই পারেন।”

ড. কামাল হোসেন বলেন, “মানুষ এটা ভালোভাবেই জানে যে ২০০৮ সালে আমরা কী করেছিলাম। আমাদের জোটে যারা আছেন, ২০০৮ সালে নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে তাদের কী অবদান সেটা সবাই জানেন।”
“ভোটার তালিকা বাতিল করার জন্যে আমি মামলা করেছিলাম। তখন এক কোটি ৪৪ লাখ ভোট বাতিল করা হলো। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করালাম। ইয়াজউদ্দিন আহমদকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের পদ থেকে সরালাম। তখন আমাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা হলো। এসব অবদানের কথা তো অনস্বীকার্য,” বলেন তিনি।

যুক্তফ্রন্টের এই নেতা বলেন, তাদের নতুন জোট চাইছে বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে। “যদি জনমত নেওয়া যায় তাহলে দেখবেন যে ১০০% সমর্থন এর পক্ষে আছে।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশে গত চার/পাঁচ বছরে গণতন্ত্রের কথা বলা হয়েছে কিন্তু সেরকম কিছুই করা হয়নি। “মনোনীত লোকজনদের নিয়ে সংসদ বানানো হয়েছে কিন্তু সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম গন্ধ কেউ পায় নি।”
এটা করার জন্যে নতুন জোটের সেই শক্তি কি আছে- এই প্রশ্নের জবাবে ড. হোসেন বলেন, “আমাদের শক্তি শূন্য বলে ধরে নিচ্ছি কিন্তু জনগণের সেই শক্তি আছে। আমাদের কথাবার্তা তো জনগণের কাছে নিয়ে যাচ্ছি। জনমত যাচাই করে দেখেন তারা পরিবর্তন চাচ্ছে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন এই জোটের কয়েকজন নেতাকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করেছেন। তাদের নিয়ে ছড়াও কেটেছেন।
যুক্তফ্রন্টের নেতাদের ইঙ্গিত করে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বাংলাদেশে কিছু মানুষ আছে যারা গণতন্ত্রের কথা বলেন কিন্তু তারা অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করেন। তারা উত্তর পাড়ার (ক্যান্টনমেন্ট) দিকে তাকিয়ে থাকেন- এই মন্তব্যের জবাবে কামাল হোসেন বলেন, এই বক্তব্য তাদের ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়।

শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “আদৌ নির্বাচন হবে কিনা যারা বলেন তারা হয়তো বসে আছেন…কোন কিছু হলে সব উত্তর পাড়ার দিকে তাকিয়ে বসে থাকে। এটাই তো বাস্তবতা। যেমন আমার বাবাকে হত্যা করেছে। যিনি এই দেশটা স্বাধীন করে দিয়ে গেলেন তাকে যারা খুন করতে পারে তো সেদেশে কীনা হতে পারে!”
এর জবাবে কামাল হোসেন বলেছেন, “২০০৮ সালে আমরা যা করেছি সেটা তো গোপনে করিনি। আমি মামলা করে সব ভুয়া ভোটার বাতিল করলাম, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করলাম- এসব উত্তর পাড়ার কোন ব্যাপার নয়। তাদের সাথে আমাদের কোনদিন সম্পর্ক ছিল না।”

বিএনপির সাথে যুক্তফ্রন্টের কোন রাজনৈতিক ঐক্য হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে কামাল হোসেন বলেন, এবিষয়ে বিএনপির সাথে তাদের কোন কথা হয়নি। তবে এবিষয়ে নীতিগত ইস্যুতে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
“যদি হয় তখন দেখা যাবে,” বলেন তিনি। তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মর্মাহত লতা মঙ্গেশকর

মর্মাহত লতা মঙ্গেশকর

কর্তৃক daily satkhira

বিনোদনের খবর: হিন্দি গানের রিমিক্স ভার্সান নিয়ে এর আগেও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। আবারও বলিউডি গানের রিমিক্স স্টাইল নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর। তাঁর গাওয়া এক কালজয়ী গানের রিমিক্স ভার্সান নিয়ে তিনি যে একেবারেই খুশি নন, তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন।
কিংবদন্তিসম ‘পাকিজা’ ছবির ‘চলতে চলতে’ গানই নতুন করে গেয়েছেন আতিফ আসলাম। ‘মিত্র’ নামের একটি নতুন বলিউডি ছবির জন্যই এই গান গেয়েছেন আতিফ। যা আপনার শ্রবণের পীড়া বাড়াবে।
আতিফের ওই গান না শুনলেও এ নিয়ে সরব হয়েছেন লতা। তিনি বলেছেন, তিনি শুনতে চান না ওই গান। পুরনো গানের এই রিমিক্স করার ট্রেন্ড তাঁর খারাপ লাগে। তিনি আরো বলেছেন, তিনি শুনেছেন গানের কথাও বদলে দেওয়া হয় রিমিক্স ভার্সানে। কার অনুমতিতে এসব হয় সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুরসম্রাজ্ঞী। সুরকার এবং গীতিকারদের সৃজনশীলতা নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারো নেই বলেও আওয়াজ তুলেছেন প্রবাদপ্রতিম এই সংগীতশিল্পী।
এ প্রসঙ্গে সরব হয়েছেন সংগীতশিল্পী তথা বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়ও। তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, আতিফ আসলামকে সম্মান জানিয়েই বলছি, একজন গায়ক হিসেবে এ ব্যাপারে মন্তব্য করার চেয়ে দুই মিনিট নীরবতা পালন করব বরং। কবি-শিল্পীদের স্বাধীনতাও যে আজ বিলুপ্তির পথে, সে ব্যাপারেও মন্তব্য করেন বাবুল।

‘সত্যমেব জয়তে’ ছবিতে বলিউডের আরেক সংগীতশিল্পী অলকা ইয়াগনিকের গাওয়া ‘দিলবর দিলবর’ গানটি রিমিক্স করা হয়েছে। এ নিয়ে অলকা বলেন, কেন ওঁরা নতুন কোনো গান বানান না…..একটা সুপারহিট গানকে ব্যবহার করে তা বিকৃত করে গান বানান…..এবং বলেন যে, কত জনপ্রিয় হয়েছে গান?
তিনি আরো বলেন, তাঁদের পুরনো গান নিয়ে এসব করা হচ্ছে…..কিন্তু নতুনদের ‘ঔদ্ধত্য’ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এখন ওঁরা লতাজির গানের সঙ্গেও এমনটা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজনীতি উত্তপ্ত; নির্বাচনের প্রস্তুতি ও আন্দোলনের কৌশল দু’পক্ষে

দেশের খবর: আসছে ভোটের দিন। আর সেই আবহ ক্রমশ উত্তাপ বাড়াচ্ছে রাজনীতির অঙ্গনে। চলতি মাসেই নানা নির্বাচনমুখী কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মিত্র জোট সম্প্রতি আগামী জাতীয় নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতির পাশাপাশি মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে নির্বাচনের তফসিল হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। সরকারবিরোধীদের সম্ভাব্য আন্দোলন মোকাবেলার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটছে তাদের।

অন্যদিকে, রাজপথের সরকারবিরোধী প্রধান দল বিএনপি এবং তার জোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে ‘কঠোর আন্দোলনের’ হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, নিরপেক্ষ ‘নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার’ গঠন এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক সংলাপের দাবি আদায় না হলে আগামী নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সতর্কবার্তাও দিচ্ছে তারা। এ ছাড়া নির্বাচন কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী উভয় পক্ষের জোট-মহাজোটের নানা সমীকরণ মেলানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজনীতিতে এখন বেশ গরম হাওয়াই বইতে শুরু করেছে। সামনের দিনগুলোতে যা আরও গনগনে হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন বিশ্নেষকরা।

এমন প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনায় নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। এ পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে ‘ডিজিটাল কারচুপি’র শঙ্কা জানিয়ে বিরোধিতা করছে বিএনপি। বামপন্থি দলগুলোর একটি বড় অংশও ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা থেকে সরে না এলে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে। এ ইস্যুতেও রাজপথ গরম হতে পারে।

অবশ্য রোববারের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচন হবেই। এই নির্বাচন ঠেকানোর শক্তিও কারও নেই। বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে না কিংবা অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো বাধাও দেবে না। বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ কিংবা আলোচনা হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য নিয়ে অক্টোবরের শেষ ভাগ অথবা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি রয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। তফসিল ঘোষণার পরপরই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ছোট আকারের ‘নির্বাচনকালীন সরকার’ হবে বলে জানানো হয়েছে সরকারের দায়িত্বশীল মহলের পক্ষ থেকে। সে ক্ষেত্রে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন হতে পারে বর্তমান সংসদের সর্বশেষ অধিবেশন। এসব কারণে সেপ্টেম্বর মাসকে পুরোদমে নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নামার ‘যথার্থ সময়’ হিসেবে বিবেচনা করছে সরকারি দল। একই বিবেচনায় আন্দোলনে নামার জন্যও এ মাসকে ‘উপযুক্ত সময়’ হিসেবে মনে করছে বিরোধী মহল। ফলে একদিকে নির্বাচনী প্রস্তুতি, অন্যদিকে আন্দোলনের হুমকি বনাম তা মোকাবেলার পাল্টা হুমকি মিলিয়ে চলতি মাসকে আগামী দিনের রাজনীতির ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে সব মহল থেকেই।

আওয়ামী লীগে আন্দোলন মোকাবেলা ও নির্বাচনের প্রস্তুতি: আওয়ামী লীগে নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকেই। দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ের পাশে আলাদা নির্বাচনী কার্যালয় স্থাপন করে প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই বঙ্গবন্ধু এভিনিউর নবনির্মিত কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও আলাদা নির্বাচনী সেল কাজ শুরু করবে। দলের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নে কাজ শুরু করেছে। এ ছাড়া নির্বাচনে জনমত দলের পক্ষে আনতে মানুষের মধ্যে প্রচারের লক্ষ্যে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম এবং বিএনপি-জামায়াত জোটের নাশকতার চিত্রসংবলিত পুস্তিকা, তথ্যচিত্র ও ভিডিওচিত্র তৈরির কাজও চলছে।

ক্ষমতাসীন দলের আগামী নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইকাজও এগিয়েছে অনেকটা। ৩০০ আসনেই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ও জয়ী হতে সক্ষম প্রার্থী মনোনয়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার তত্ত্বাবধানে দল ও বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে দফায় দফায় জনমত জরিপ করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ থেকে এর মধ্যেই জোট-মহাজোট শরিকদের ৬৫ থেকে ৭০টি আসন ছাড় দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সূত্রগুলো বলছে, আগামী নির্বাচনের ধরন নিয়েও সরকারি মহলে নানা আলোচনা রয়েছে। বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলো নির্বাচন বর্জন করলে মহাজোট শরিক জাতীয় পার্টিকে দিয়ে ৩০০ আসনে আলাদাভাবে এবং জোট-মহাজোটের বাইরের দলগুলোকে অধিক সংখ্যায় নির্বাচনে নিয়ে আসার কথা ভাবা হচ্ছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও ঘোষণা দিয়েছেন, বিএনপি না এলে ৩০০ আসনে এককভাবে এবং বিএনপি এলে মহাজোটগত সমঝোতায় নির্বাচনে যাবে তার দল। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বিএনপি নির্বাচনে না এলে দলের একটি অংশ বেরিয়ে নতুন আলাদা দল গঠন করে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে।

বিএনপি অংশ না নিলে নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে অধিকসংখ্যক দলকে নির্বাচনে আনার চেষ্টাও চলছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এরই মধ্যে বামপন্থি আটটি দলের নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক বাম জোটের’ শরিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এই জোটের শরিক সিপিবি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি তিনি টেলিফোনে কথা বলেছেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামানের সঙ্গে। বৈঠক অথবা ফোনালাপ করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবসহ অন্যদের সঙ্গে। গণতান্ত্রিক বাম জোট নেতারা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি এখনও পরিস্কার করেননি। তবে তারা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেতৃত্বাধীন কোনো জোটেই তারা যুক্ত হবেন না।

নির্বাচনের মাঠে দল ভারী করতে ১৪ দলীয় জোট সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সমমনা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন দলকে জোটে আনার চেষ্টাও চলছে। বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী ও তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ন্যাশনাল এলায়েন্স (বিএনএ) তথা জাতীয় জোটসহ নয়টি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে ১৪ দলের সঙ্গে মতবিনিময় বৈঠক করে সরকারের শরিক হিসেবে থাকার আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে ১৪ দলের বর্তমান শরিকদের এতে আপত্তি থাকায় দলগুলোকে মহাজোটে যুক্ত করা হতে পারে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি দলীয় ফোরামের এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রস্তুতির পুরো কার্যক্রম সেপ্টেম্বরের প্রথমেই শুরু হয়ে মাসের শেষদিকে চূড়ান্ত রূপ পাবে। বড়জোর তা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, জোট শরিকদের জন্য ৬৫ থেকে ৭০টি আসন ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে!

দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের তালিকা প্রায় প্রস্তুত। তিনি বলেছেন, বিএনপি ২০১৪ সালের মতো এবারও বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশ-জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে সেটা তাদের জন্য মারাত্মক ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ চক্রান্ত আবারও শক্তভাবে প্রতিহত করা হবে।

বিএনপি ও তার মিত্রদের সম্ভাব্য আন্দোলন মোকাবেলার কৌশল প্রণয়ন প্রক্রিয়াও চলছে সরকারি দলে। এক্ষেত্রে সরকারবিরোধীরা মাঠে নেমে নাশকতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালালে আইনগত প্রক্রিয়ায় এগোনোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ সময় রাজনৈতিকভাবে মাঠ দখলের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ দেশজুড়ে সভা-সমাবেশ, জনসভাসহ নানা কর্মসূচি নেবে। রাজপথে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক অবস্থানের কর্মসূচিও ঘোষণা করতে পারে। ১৪ দলের সর্বশেষ বৈঠকে ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

১৪ দলের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানিয়েছেন, নির্বাচন নিয়ে সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে ১৪ দল ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পর্যন্ত মাঠে থাকবে।

বিএনপির টার্গেট কঠোর আন্দোলন: এদিকে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি চলছে বিএনপিতে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে দলকে পুরোপুরি সংগঠিত করার পাশাপাশি সরকারবিরোধী সব রাজনৈতিক দলকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শেষ করতে চাইছে দলটি। এসব কার্যক্রম শেষে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে কিংবা পরপরই রাজপথে কঠোর আন্দোলনে যেতে চাইছে দলটি। আর এ আন্দোলন শুরুর জন্য মধ্য সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবরকে নিজেদের ‘ভাগ্য নির্ধারণের মাস’ হিসেবে গণ্য করছেন বিএনপি নেতারা।

বিএনপি সূত্রগুলো জানাচ্ছে, আগামী আন্দোলন আর জাতীয় নির্বাচনকে তারা বাঁচা-মরার লড়াই হিসেবে দেখছেন। সরকারের মনোভাবের ওপর নির্ভর করে কর্মকৌশল নির্ধারণ করার কৌশল নিয়েছে দলীয় হাইকমান্ড। সরকারের ফাঁদে যাতে পা না পড়ে, সে জন্য প্রতিদিনই নিজেদের মধ্যে আলোচনা আর বৈঠক করে কর্মকৌশল নির্ধারণ করছেন তারা। এরই অংশ হিসেবে দলটি ধাপে ধাপে আন্দোলনে যাওয়ার কৌশল থেকে নির্দিষ্ট সময়ে চূড়ান্ত আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক সপ্তাহ থেকে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে আন্দোলনের গন্তব্যে পৌঁছানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন তারা।

এর আগে ক্ষমতাসীন দলকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা করার জন্যও পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায়ই বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন দলের নীতিনির্ধারক নেতারা। অন্যদিকে আগামী আন্দোলন সফল করতে ২০ দলীয় জোট শরিকদের আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ চলছে। শরিক জামায়াতের সঙ্গে দূরত্ব ঘুচিয়ে তাদের আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় করার প্রক্রিয়াও শেষ করেছে বিএনপি। দলটির নেতারা বলছেন, এর আগে ধাপে ধাপে আন্দোলনে যাওয়ার কর্মসূচি ঘোষণার উদ্যোগও ছিল তাদের। গত শনিবার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর জনসভা থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণার সিদ্ধান্ত থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়। এ কর্মসূচির অজুহাতে সরকারকে হার্ডলাইনে যাওয়ার সুযোগ দিতে চান না বলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপি নেতারা। একই বিবেচনায় আন্দোলনে যাওয়ার আগে ‘জাতীয় ঐক্য’ গড়ার বিষয়টিকেও প্রাধান্য দিয়ে কাজ করছেন তারা।

এ ক্ষেত্রে সরকারের বাইরে থাকা দল, সংগঠন ও ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক অথবা আলোচনা চলছে বিএনপির। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় মহাজোট শরিক জাতীয় পার্টিসহ সরকারের বাইরে থাকা সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। কয়েকটি দল জাতীয় ঐক্যে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত না হলেও যাতে যুগপৎ আন্দোলনে থাকে- এমন কৌশলও নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বামপন্থি দলগুলোর নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক বাম জোট’ ছাড়াও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মতো দলও রয়েছে।

এদিকে চলতি মাসের মধ্যেই জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে বেগবান করতে পুরো মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছেন সংশ্নিষ্ট নেতারা। বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে সভা-সমাবেশ করার পরিকল্পনাও নিয়েছেন তারা। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে যুক্তফ্রন্ট ও গণফোরামের সমাবেশের পর চাঁদপুরে একটি সমাবেশের চিন্তা রয়েছে তাদের। বিএনপির অংশ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হলেও এসব কর্মসূচিতে তারাও সমর্থন দেবেন। আর ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশে ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর এক প্ল্যাটফর্মে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তফ্রন্টের এক নেতা।

অন্যদিকে, আন্দোলনের প্রস্তুতি হিসেবে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করার কাজও চলছে। দ্রুত দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গকরণসহ সারাদেশে নানা কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমকালকে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, তফসিলের আগে সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন, নির্বাহী ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং ইসি পুনর্গঠন তাদের ন্যায্য দাবি। এসব দাবি পূরণে তারা সর্বাত্মক আন্দোলনে নামবেন। দাবি পূরণে সরকারকে বাধ্যও করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফা বর্ষসেরা কোচের তালিকায় দেশ্যম, দালিচ ও জিদান

খেলার খবর: ২০১৮ সালের ফিফার বর্ষসেরা কোচের তালিকায় রাশিয়া বিশ্বকাপের প্রভাব পড়েছে। যেখানে সংক্ষিপ্ত ৩ জনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতানো ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশ্যম ও ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে নিয়ে আসা জ্লাতকো দালিচ। তবে ক্লাব ফুটবলে রিয়ালকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানো আরেক ফরাসি তারকা জিনেদিন জিদানও জায়গা করে নিয়েছেন।

জিদান গতবার এই পুরস্কারটি পেয়েছিলেন। এবারও রয়েছেন তালিকায়। যেখানে ইতিহাসের প্রথম কোনো কোচ হিসেবে টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি জিতেছেন তিনি। সর্বশেষ লিভারপুলকে হারিয়ে ট্রফিটি জেতেন।
ফরাসি এ তারকা গত আসরে চেলসির সে সময়ের কোচ অ্যান্তোনিও কোন্তে ও জুভেন্টাসের কোচ ম্যাসিমিলিয়ানো অ্যালিগ্রিকে হটিয়ে পুরস্কারটি ঘরে তোলেন।
এদিকে বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে দেশ্যম অধিনায়ক ও কোচ হয়ে বিশ্বকাপ জেতার অনন্য কীর্তি অর্জন করেন। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী দলে নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। সেবার আবার সতীর্থ হিসেবে ছিলেন জিদান। আর এবারের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে তারকা শিষ্যরা শিরোপায় চুমু খায়।
এদিকে একটি সাধারণ দলকে বিশ্বকাপে অসাধারণ খেলিয়ে ফাইনালে নিয়ে যান ক্রোয়েট কোচ দালিচ। এরই পুরস্কার হিসেবে তালিকায় জায়গা করে নিলেন।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর লন্ডনে ফিফার অনুষ্ঠানে সেরা কোচের পুরস্কার দেয়া হবে। একই দিন বর্ষসেরা ফুটবলার, সেরা গোলরক্ষক ও সেরা গোলের পুরস্কার দেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফা বর্ষসেরা গোলরক্ষের তালিকায় কুর্তোয়া, লোরিস, ক্যাসপার

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপে প্রতি ম্যাচেই দাপট দেখিয়েছে গোলরক্ষরা। প্রতিপক্ষের স্ট্রাইকারদের সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দীতা গড়ে তুলেছেন তারা। দারুণ সব গোল ঠেকিয়ে নজর কেড়েছেন অনেকেই। আর এদের মধ্যেই ফিফা বর্ষসেরা গোলরক্ষকের সেরা তিন জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হলো। এরা হলেন বেলজিয়ামের থিবাউ কুর্তোয়া, ফ্রান্সের হুগো লোরিস ও ডেনমার্কের ক্যাসপার স্মাইকেল।
ইতোমধ্যে রাশিয়া আসরের গোল্ডেন গ্লাভস জিতে নিয়েছেন কুর্তোয়া। এছাড়া জাতীয় দলকে তৃতীয় করে ব্রোঞ্জ জয়ে সাহায্য করেছেন। পাশাপাশি, ক্লাব চেলসির হয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ১৫ ম্যাচে কোনো গোল হজম করেননি তিনি।
রাশিয়ায় নিজেকে প্রমাণ করেছেন লোরিস। বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রান্স দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। আর দলকে ফাইনালে নিতে চার ম্যাচে কোনো গোল হজম করেননি। এছাড়া টটেনহ্যাম হটস্পারসদের হয়ে ১৫টি ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন।
রাশিয়া বিশ্বকাপে গোল পোস্টের আরেক চমকের নাম ক্যাসপার। নিচে ৯১ শতাংশ শট সেভ করেন ডেনমার্কের এই গোলরক্ষক। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে তিনটি পেনাল্টি শট সেভ করেছেন। জাতীয় দল ডেনিশদের হয়ে ৫৭২ মিনিট অপরাজিত থেকে রেকর্ড গড়েন।
লন্ডনে ফিফার অনুষ্ঠানে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার দেয়া হবে। একই দিন বর্ষসেরা ফুটবলার সেরা কোচ ও সেরা গোলের পুরস্কার দেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রাজিলের জাদুঘরে অগ্নিকাণ্ড, দুই কোটি নিদর্শন পুড়ে ছাই

বিদেশের খবর: ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ২০০ বছর পুরনো একটি জাতীয় জাদুঘর। দেশটির সবচেয়ে পুরনো এই জাদুঘরে বিরল প্রত্নসম্পদ থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক স্মারক মিলিয়ে প্রায় দুই কোটি নিদর্শন সংরক্ষিত ছিল।
স্থানীয় সময় রবিবার রাতে এই অগ্নিকাণ্ডে নিদর্শনগুলোর বেশিরভাগই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জানা যায়, রবিবার রাতে জাদুঘর বন্ধ হওয়ার পর কোনও এক সময় ওই ভবনে আগুন লাগে। তবে কীভাবে আগুন লাগে তা এখনও স্পষ্ট নয়। জাদুঘরের ভেতরে কাঠের ফ্লোর ও কাগজের মতো দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়েছে কি না- সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি এখনও।

ব্রাজিলের সবচেয়ে প্রাচীন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত এ জাদুঘরটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও সরকারিভাবে এখনও জানানো হয়নি। চলতি বছরের শুরু দিকে জাদুঘরটির দুশো বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়। একসময় পর্তুগিজ রাজপরিবারের বাসস্থান ছিল এই জাদুঘরটি।
প্রেসিডেন্ট মিশেল তেমের এক টুইট করে লেখেন, ‘ব্রাজিলিয়ানদের জন্য এটা একটা দুঃখের দিন। ওই ভবনের সঙ্গে আমাদের ইতিহাসের অপূরণীয় ক্ষতি হল।’
জানা গেছে, ব্রাজিলের পাশাপাশি মিশরসহ বিভিন্ন দেশের প্রত্নসম্পদ সংরক্ষিত ছিল ওই জাদুঘরে। ডাইনোসরের হাড় এবং ১২ হাজার বছর আগের এক মানুষের মাথার খুলিও সংরক্ষিত ছিল জাদুঘরটিতে। ১৮১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ব্রাজিলের দেখভালের দায়িত্বে যৌথভাবে ছিল রিও ডি জেনিরো ফেডারেল ইউনিভার্সিটি এবং ব্রাজিলের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। রাষ্ট্রায়ত্ত বিএনডিইএস ব্যাঙ্কের সঙ্গে জাদুঘর ভবনের সংস্কারের জন্য কিছুদিন আগে চুক্তিস্বাক্ষর করা হয়েছিল বলে জানান জাদুঘরের উপ-পরিচালক লুইজু দুয়ার্চি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্প টয়লেট টিস্যুর ব্যাপক চাহিদা!

অনলাইন ডেস্ক: নানা কারণে বিতর্ক পিছু ছাড়ছেনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এবার আলোচনার নতুন টপিকস টয়লেট টিস্যু। ট্রাম্পের ছবি সম্বলিত টয়লেট পেপার তৈরি করেছে বিশ্বের কয়েকটি কোম্পানী। চীনের একটি কম্পানি ট্রাম্পের মুখের ছবি দেয়া টয়লেট পেপার তৈরি করেছে। খোদ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেই এখন এই টিস্যুর রমরমা ব্যবসা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২টি ট্রাম্প টয়লেট পেপার রোলের মূল্য ৯.৯৫ ডলার। ৫টি ট্রাম্প টয়লেট পেপার রোলের মূল্য ১৬.৯৫ ডলার এবং ১০টি ট্রাম্প টয়লেট পেপার রোলের মূল্য ২৬.৯৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এই টয়লেট পেপারের প্রত্যেকটি শিটে রয়েছে ট্রাম্পের চুম্বনরত ক্ল্যাসিক ছবি।

জানা গেছে, দোকানে এসেই লোকে নাকি ট্রাম্প টয়লেট টিস্যুর খোঁজ করছেন। ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলনে চীনের আরো কয়েকটি কোম্পানির স্লোগান, ‘ডাম্প উইথ ট্রাম্প।’

চীনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করার কারণেই চীনের শত্রু হতে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। তাঁর অভিযোগ ছিল, আমেরিকার কর্মসংস্থান চুরি করে আমেরিকার বাজারই দখলে নিয়েছে চীন। এই অভিযোগের প্রতিবাদ জানাতেই চীনের বিভিন্ন কম্পানি ট্রাম্প টয়লেট পেপার তৈরি করা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুকে ১৫হাজার লাইক ছাড়া মিলবে না নমিনেশন

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের রাজনীতির মাঠে গণসংযোগ ও প্রচারণায় এবার গুরুত্ব পাচ্ছে ভার্চুয়াল জগত। ভোটের লড়াইয়ে নজড় কাড়তে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই বেশি মনোনিবেশ করছে দেশটির রাজনৈতিক দলগুলো। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে বিজেপি পুরনো সদস্য হলেও পাল্লা দিয়ে চলেছে বিরোধী কংগ্রেসও।
আর তাই মধ্যপ্রদেশের আগামী বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট পেতে হলে এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলোয়ার থাকতেই হবে কংগ্রেস নেতাদের। এমনই নির্দেশ মধ্যপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেসের।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস কমিটি একটি চিঠিতে জানিয়েছে, যে সব কংগ্রেস নেতা ভোটে টিকিট পেতে ইচ্ছুক, তাঁদের ফেসবুকে ১৫ হাজার লাইক, টুইটারে ৫ হাজার ফলোয়ার এবং হোয়াটসঅ্যাপে তৃণমূল স্তরে মজবুত একটি গ্রুপ থাকতেই হবে। না থাকলে, টিকিট কংগ্রেসের টিকিট পাওয়া যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কংগ্রেসের এই নির্দেশিকায় বিধায়ক এবং সদস্যদেরও বলা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদেরকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার জন্য। ভোটে টিকিট পেতে ইচ্ছুক প্রার্থীরা আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাঁদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পরিকল্পনার খসড়া জমা দিতে হবে ।
প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশে ‘সাইবার ওয়ারিয়রস’ নামে একটি শক্তিশালী আইটি সেল রয়েছে বিজেপির। সেখানে প্রতি দিন ৬৫ হাজার কর্মী কাজ করে চলেছেন। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে কংগ্রেস তৈরি করেছে ‘রাজীব কা সিপাহি’ নামে একটি আইটি সেল। রাজীব গান্ধীর হাত ধরেই প্রথম দেশে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটে বলে দাবি কংগ্রেসের। সেই কারণেই এই নাম রাখা হয়েছে। তাদের এই সেলে প্রায় ৪ হাজার কংগ্রেস কর্মী কাজ করছে।
মধ্যপ্রদেশ বিজেপির আইটি সেলের প্রধান শিবরাজ সিং ধাবি জানিয়েছেন, গত তিন মাসে ৬৫ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই আরও ৫ হাজার কর্মী নিযুক্ত করা হবে।
তবে বিজেপির আইটি সেলের প্রধানের মতে, ফেসবুক, টুইটারের থেকে হোয়াটসঅ্যাপে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবারের নির্বাচনে। প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হোয়াটসঅ্যাপকেই প্রধান হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest