সর্বশেষ সংবাদ-
নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণতালার নুরু বিশ^াস ও যুব জামায়াতের নেতা ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অন্যের ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগজেলা পরিষদের প্রশাসক কে সারসা বাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শুভেচ্ছাসাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিললেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই প্রবাসীর মরদেহ সাতক্ষীরায় : শোকের ছায়াসাতক্ষীরায় সীমানা পিলার উদ্ধার আটক -৪সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সামনে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দোকান ঘর দখলের অভিযোগ 

যুক্তরাষ্ট্রের আগে ঢাকায় ‘জনি ইংলিশ স্ট্রাইকস এগেইন’

বিনোদনের খবর: ‘জনি ইংলিশ’ সিরিজের তৃতীয় ছবি ‘জনি ইংলিশ স্ট্রাইকস এগেইন’। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে ছবিটি মুক্তি পাবে অক্টোবরে। কিন্তু বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য আর অপেক্ষা নয়। স্টার সিনেপ্লেক্সে আজ মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। ডেভিড কের পরিচালিত গোয়েন্দা কমেডি নির্ভর এ ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোয়ান অ্যাটকিনসন। এছাড়া বেন মিলার, এমা থম্পসনসহ আরো অনেকে রয়েছেন।
ছবিতে রোয়ান অ্যাটকিনসনকে দুর্ধর্ষ অথচ মজার গোয়েন্দা হিসেবে দেখা যাবে। কঠিন কঠিন সব রহস্যের অভিযান শক্ত হাতে কমেডির সাথে জয় করবেন তিনি।
ছবির ট্রেইলারে দেখা যায়, অ্যাটকিনসন মিসাইল ছুঁড়ছেন তো ফরাসি রেস্তোরাঁয় আগুন লাগিয়ে দিচ্ছেন! তার চারপাশের সবকিছুতে পুরো ওলট-পালট ঘটে যাচ্ছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এমা থম্পসন তাকে বলছেন, দেশজুড়ে চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা’, কিন্তু জনি ইংলিশ নির্বিকার।
জনি ইংলিশ এবং অ্যাটকিনসনের আরেক চরিত্র কিংবদন্তি মি. বিনের অ্যানিমেশন সিরিজ ১৯৫টি দেশে প্রচার হয়। তবে ৬৩ বছর বয়সী রোয়ান অ্যাটকিনসন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মি. বিন’ থেকে অবসর নিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটবিশ্ব দেখল এক নতুন বাংলাদেশ : আনন্দবাজার

অনলাইন ডেস্ক: গতকাল অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত মুখোমুখি হয়। এতে যদিও ভারত জয় পেয়েছে কিন্তু বাংলাদেশ দলের লড়াকু মনোভাবের প্রশংসা করেছে ভারত তথা দেশটির বাংলাভাষীদের জনপ্রিয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার। ‘ক্রিকেটবিশ্ব দেখল এক নতুন বাংলাদেশ’ বলে মন্তব্য করেছে পত্রিকাটি।

আনন্দবাজার বলছে…

এক সময় ১২০-০। সেখান থেকে ২২২ রানে অলআউট! এ যেমন বাংলাদেশের একটা দিক, তেমনই ২২২ রান তুলেও ভারতের ৭ উইকেট ফেলে দিয়ে শেষ বল পর্যন্ত জেতার লড়াইয়ে থাকা। এটা বাংলাদেশের আরেকটা দিক। শুক্রবার দুবাইয়ে এশিয়া কাপে যে বাংলাদেশকে দেখল ক্রিকেটবিশ্ব, তা এক নতুন বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের মতো বিশ্বকাপজয়ী দল যখন ক্রমশ ব্যর্থতার অন্ধকারে ঢেকে গেছে, তখন বাংলাদেশের এই উত্থান এশিয়ার ক্রিকেটের পক্ষে অবশ্যই ভালো খবর।

এশিয়া কাপ ফাইনাল নিশ্চয়ই ক্রিকেটবিশ্বের কাছে এই বার্তা দিল যে, ভারত কোনো পরিস্থিতিতেই হার না মানা দল। সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটাররা এটাও বুঝলেন যে, কোনো প্রতিপক্ষকেই কম গুরুত্ব দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কয়েক মাস আগে শ্রীলঙ্কায় নিদাহাস ট্রফির ফাইনালেও এই বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই শেষ ওভারে ভারতকে যেভাবে শেষ বলে উদ্ধার করেছিলেন দীনেশ কার্তিক, শুক্রবার সেভাবেই শেষ বলে ভারতকে জেতালেন কেদার যাদব।

এই দুই ঘটনায় এটাই বোঝা যায়, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশ কিন্তু ক্রমশ ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করে দিয়েছে। সমানে সমানে টক্কর দেওয়াটা এখন তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। শুধু অভিজ্ঞতার অভাবে এই চাপ কাটিয়ে জিততে পারছে না তারা, এই যা। অভিজ্ঞতার অভাবেই হয়তো সেটা হচ্ছে। এই সমস্যাটা কাটিয়ে উঠতে তাদের খুব বেশি সময় লাগবে না বোধহয়। যেভাবে ভারতকে এ দিন শুরু থেকেই চাপে ফেলে দেন মাশরফি মর্তুজারা, তারপরে একথা স্বীকার করতেই হচ্ছে। ১৭ ওভারের মধ্যেই শিখর ধওয়ন, অম্বাতি রায়ডু ও রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে মর্তুজারা যে চাপটা তৈরি করেছিলেন, ৩০ ওভারের পরে দীনেশ কার্তিক ও মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে ফিরিয়ে তা আরও বাড়িয়ে তোলেন। যা শেষ বল পর্যন্ত রেখেছিলেন তাঁরা।

ওপেনাররা ছাড়া বাংলাদেশের অন্য ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হলেও ওদের বোলারদের নিখুঁত স্টাম্প টু স্টাম্প বোলিং আর অনবদ্য ফিল্ডিংই ওদের জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে চলে এসেছিল। কিন্তু অভিজ্ঞতার অভাবই ওদের শেষ বলে জয় পেতে দেয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাটকের পরিচালকদের সভাপতি লাভলু, সম্পাদক অলিক

বিনোদনের খবর: ছোট পর্দার নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড এর নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এবারের নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জনপ্রিয় নাট্য পরিচালক সালাউদ্দিন লাভলু। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী হয়েছেন নির্মাতা এস এ হক অলিক।

এবারের নির্বাচনে লড়াই করেছেন ৫২ জন প্রার্থী। তারমধ্যে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত লাভলুর প্রতিপক্ষ ছিলেন সৈয়দ আওলাদ। তিনটি সহসভাপতি পদে অ্যালবার্ট খান, জামালউদ্দীন জামাল, চয়নিকা চৌধুরী ও সকাল আহমেদকে পরাজিত করেছেন বদরুল আনাম সৌদ, কচি খন্দকার ও শহীদ রায়হান।

সাধারণ সম্পাদক পদে এস এ হক অলিক পরাজিত করেছেন এস এম কামরুজ্জামান সাগর ও মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজকে।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে তুহিন হোসেন জয়ী হয়েছেন দীন মোহাম্মদ মন্টু ও রিয়াজুল রিজুকে হারিয়ে।
দুটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন হৃদি হক ও ফরিদুল হাসান। তারা পরাজিত করেছেন নোমান রবিন ও হামেদ হাসান নোমানকে। অর্থ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন মো. সাজ্জাদ হোসেন সনি। তিনি হারিয়েছেন ফিরোজ খানকে। প্রচার সম্পাদক পদে রাকিবুল হাসান চৌধুরী (পিকলু চৌধুরী) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পরাজিত করেছেন ফয়েজ আহমেদ রেজাকে।

এছাড়া ১০টি কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য পদে জয়ী হয়েছেন গাজী রাকায়েত, রাশেদা আক্তার লাজুক, শেখ রুনা, শিহাব শাহীন, প্রীতি দত্ত, মারুফ মিঠু, ফেরারী অমিত, মাহমুদ দিদার, সাজ্জাদ সুমন, সহিদ-উন-নবী। তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এস এম মাসুদ করিম, সাইফ উদ্দিন আহমেদ, এম এইচ এম মোনতাসির রিপন, তারেক মোহাম্মদ হাসান, শৌর্য দীপ্ত সূর্য, ইকরাম পারওয়াইজ, মো. মনিরুজ্জামান চৌধুরী, সাইফ চন্দন, মো. সাইদুর রহমান আরিফ, মুক্তি মাহমুদ, সাখাওয়াত মানিক, মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, শাহজাদা মামুন, জহির খান, কাজী সোহাগ, আহসান হাবীব শাকিল, আরিফ এ আহনাফ, রাজু আলীম, যোশেফ মার্শেল গোমেজের সঙ্গে।

এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন খ্যাতিমান চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ ও নির্মাতা কাওসার চৌধুরী। আপিল বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম। এই কমিটির সদস্য হিসেবে ছিলেন নাট্যজন আবুল হায়াত ও সাইদুল আনাম টুটুল।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি)-এর পরিচালক সমিতি কক্ষে গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তার ফল প্রকাশ হয় আজ শনিবার দুপুর ৩টায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২০১৯ সালের মধ্যে সবার হাতে স্মার্ট কার্ড

দেশের খবর: চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ৯ কোটি স্মার্টকার্ড দিতে না পারলেও, ২০১৯ সালের মধ্যে ১০ কোটি ভোটারের হাতে এ কার্ড তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
এন আইডি কর্মকর্তারা জানায়, তরুণদের কাজে লাগিয়ে দেশে স্মার্ট কার্ড তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে এসব কার্ড দেশের ৫৪ জেলায় বিতরণের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে সব নাগরিকই স্মার্টকার্ড পাবেন। দেশের কোনও ভোটার বাদ যাবেন না, সবাই স্মার্টকার্ড পাবেন। দেশের সব নাগরিক স্মার্ট কার্ড পাওয়ার পর, রপ্তানিতে যাব আমরা। বর্তমানে যে মেশিন রয়েছে, সেগুলো দিয়ে স্মার্টকার্ড তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
এদিকে ভারতসহ চারটি দেশ জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারে ঢুকতে চেয়েছিল বলে যে নিউজ বের হয়েছিল সেটি সঠিক ছিল না। কখন কোন দেশ ইসির সার্ভারে ঢোকতে চায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানাগেছে।
অন্যদিকে ফ্রান্সের কোম্পানি অবার্থুর টেকনোলজিসের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে ইসি দেশের জনবল দিয়ে স্মার্ট কার্ড উৎপাদন করছে এবং ফ্রান্সের কোম্পানি থেকে প্রায় ১৩৯ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করেছে।
ইসি সূত্র জানায়, গ্লোবালভিশন টোয়েন্টিফোর ডটকমসহ কয়েকটি অনলাইনে ২৬ নভেম্বর ২০১৭ সালে খবর বের হয়েছিল ভারতসহ চারটি দেশ জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারে ঢুকতে চেয়েছিল এটি সঠিক ছিল না। পরবর্তীতে ইসির পক্ষ থেকে তদন্ত করে দেখে জানাযায়, এটি ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়নি।
এদিকে গ্লোবালভিশন টোয়েন্টিফোর ডটকম এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফ্রান্সের কোম্পানির যায়গায় অসাবধানতা বসত ডেস্কের একজন অন্য দেশের নাম লিখেছে। পরবর্তীতে এটি দ্রুত সংসশোধন করে এবং নিউজটি উঠিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে বাংলাদেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হবে বাংলাদেশে তৈরি ব্ল্যাঙ্ক স্মার্টকার্ড। ফলে আগামীতে স্মার্টকার্ড রপ্তানির বিষয়টিকে সম্ভবনাময় খাত হিসেবেই দেখছে নির্বাচন কমিশন(ইসি)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদ্মা সেতুর নামকরণ হবে ‘শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু’

দেশের খবর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুর নামকরণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা বার বার বলেছেন পদ্মা নদীর নামে সেতুর নাম হবে। পার্লামেন্টের সদস্যরা, বাহিরের জনমত অনুযায়ী একই বক্তব্য।
প্রধানমন্ত্রী সৎ সাহস দেখিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধুর বীর কন্যা। সে কারণে ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে নিজস্ব ফান্ডে সেতু নির্মিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জনমতের প্রতিফলন ঘটাতে চায়। সেতুর নামকরণের বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে বহু চিঠিপত্র আসে, সবার অভিমত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে নামকরণ হোক।
‘শেখ হাসিনা-পদ্মা সেতু’ নামকরণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে লেখা হয়েছে ও সেজন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে সামারি পাঠানো হয়েছে। জনমতের চাপ প্রতিনিয়ত অনভুব করছি।
শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টার দিকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের সেতু প্রকল্প এলাকায় তিনি এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে সরে যাওয়ার পর নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের সাহস দেখায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এ সাহসকে সম্মান, তার একক সাহসের সোনালি ফসল পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। তার একক অবদানের জন্য এই সেতু নির্মিত হচ্ছে। স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি সাহায্য ছাড়াই সেতু নির্মাণ হচ্ছে। ৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতুর নামে নামকরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি ‘শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু’। পদ্মা সেতুর সার্বিক অগ্রগতি ৫৯ শতাংশ ও মূল সেতুর অগ্রগতি ৭০ শতাংশ।’
আগামী ১৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্প এলাকায় এসে ৬০ শতাংশ কাজের উদ্বোধন করবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম, পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভয়ঙ্কর নাশকতার ছক শি‌বিরের!

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে ভয়ঙ্কর নাশকতার ছক কষেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
পুলিশ সদস্যদের মনোবল ভেঙে দিতে সিনিয়র পুলিশ অফিসারদের তালিকা করে টার্গেট কিলিংয়ের পরিকল্পনা করেছে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবির।
নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে তারা মাঠে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে। সারা দেশে প্রশিক্ষিত ক্যাডার ছড়িয়ে দিয়েছে সংগঠনটি।
বিশেষ অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। ঢাকা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন শিবির নেতাকে বিস্ফোরকসহ গ্রেফতারের পর এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে অক্টোবর থেকে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে শিবিরের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী।
তাদের টার্গেটে রয়েছে- সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দফতর, স্পর্শকাতর বিদ্যুৎ স্টেশন ও বঙ্গবন্ধু সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ নানা স্থাপনা।
নির্বাচনের আগে পুলিশের মনোবল ভাঙতে টার্গেট কিলিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে সিনিয়র অফিসারদের একটি তালিকাও প্রস্তুত করেছে ছাত্রশিবির।
তাদের হিটলিস্টে রয়েছে প্রভাবশালী মন্ত্রী ও আমলার নাম। নাশকতা ও হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছেন।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি সোহেল রানা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে ছাত্রশিবির সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। শিবিরসহ বিভিন্ন সংগঠনের অপতৎপরতার ওপর নজরদারি করা হচ্ছে।
নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আবদুল বাতেন বলেন, কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠীর নাশকতা মোকাবেলা করার সক্ষমতা পুলিশের আছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অস্ত্র ও বিস্ফোরক হামলার প্রশিক্ষণ দিয়ে ছাত্রশিবির ক্যাডারদের সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়েছে।
এরপর বিশেষ অ্যাপসের (প্রটেকটিভ টেক্স, টেলিগ্রাম, ভাইবার ও হোয়াটসআপ) মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও হামলা-প্রস্তুতির নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। অক্টোবরে মাঠে নামা ও হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে বার্তা আদান-প্রদানের এ তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এসব বিশেষ বার্তায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর ওয়ারী থেকে ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শফিউল আলমসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৫ কেজি বিস্ফোরক, লিফলেট, চাঁদা তোলার (বায়তুল মাল) বই জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার নেতাকর্মীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এসব স্বীকার করেছেন। নির্বাচনকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল করতে দেশব্যাপী ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছেন তারা। একাধিক গোপন বৈঠক করেছেন তারা।

সহিংসতার উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তারা বিস্ফোরক সংগ্রহ করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা আরও জানান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত, সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসেন, দফতর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক খালেদ মাহমুদসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গোপন বৈঠক করেছেন।
ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা করতে তারা নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধা সৃষ্টি করতে ২০১৪ সালে সারা দেশে ব্যাপক নাশকতা চালায় জামায়াত ও শিবির নেতাকর্মীরা। রাজধানীতে ব্যাপক নাশকতা চালিয়ে এবং তা প্রচার করে তারা দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছিল। তখন দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত-শিবির ব্যাপক নাশকতা চালালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে রাজধানীতে তারা বড় সহিংসতা করতে পারেনি। আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যর্থ হয়ে এবার তারা আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকায় সহিংসতার টার্গেট করেছেন।

সাংস্কৃতিক জোট ও গোষ্ঠীর ব্যানারে সংগঠিত হচ্ছে শিবির: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির পরও অত্যন্ত কৌশলে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাচ্ছে ছাত্রশিবির। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, জোট ও গোষ্ঠীর ব্যানারে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছে। বাসাবাড়িতে গোপন বৈঠকের পাশাপাশি খেলার মাঠে বসেও নেতাকর্মীদের সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন: পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারির মধ্যেও বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে ছাত্রশিবির। বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন তাদের আর্থিক সহায়তা করছে। এসব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে- ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফেডারেশন অব স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন (আইআইএফএসও) ও ওয়ার্ল্ড অ্যাসেম্বলি অব মুসলিম ইয়ুথ। সংগঠন দুটি বিশ্বব্যাপী কাজ করছে। এছাড়া পাকিস্তানি ইসলামী জামায়াত-এ-তালাবা, মালেশিয়ার মুসলিম ইয়ুথ মুভমেন্ট অব মালয়েশিয়া, স্টুডেন্ট ইসলামিক অর্গানাইজেশন অব ইন্ডিয়া, শ্রীলংকা মুসলিম স্টুডেন্ট ফেডারেশন, এশিয়া ফেডারেশন অব মুসলিম ইয়ুথ ও ইসলামী ইউওয়া সাং নেপাল আর্থিকভাবে সহায়তা করছে বলে তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভূমিকম্প ও সুনামিতে ইন্দোনেশিয়া যেন মৃত্যু উপত্যকা, নিহতের সংখ্যা ৪০০

বিদেশের খবর: ভূমিকম্প ও সুনামিতে মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে ইন্দোনেশিয়া। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪শ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার দেশটির সুলাওয়েসি দ্বীপে ভূমিকম্পের পর ভয়াবহ সুনামি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫। সুনামির ফলে সৃষ্ট ছয় থেকে সাত ফুট উঁচু ঢেউ সুলাওয়েসির পালু শহরকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।
ভূমিকম্পে একটি মসজিদসহ বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে সুনামির বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত লোকজন ভয়ে চিৎকার করে কাঁদছে, কেউ কেউ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় পালিয়ে যাচ্ছে। ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকবার পরাঘাতের (আফটার শক) কারণে ক্রমাগত কাঁপছে সুলাওয়েসি শহর। কয়েকশ বাড়ি, হাসপাতাল এবং শপিং সেন্টার ধ্বংস হয়ে গেছে।
সুনামির পর ইতোমধ্যেই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। তবে বেশির ভাগ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকার কারণে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় উদ্ধার অভিযান ব্যহত হচ্ছে।

পালুর প্রধান সড়কগুলো ভূমিধসের কারণে বন্ধ হয়ে আছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিজ ধসে পড়েছে। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৮৪ জন প্রাণ হারিয়েছে। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কমপক্ষে ৫৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার লম্বোক দ্বীপে কয়েক দফা ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মধ্যে গত ৫ অাগস্টের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে লম্বোক দ্বীপেই ৪৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ভূমিকম্পে প্রায় ৪শ জন নিহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মুখপাত্র সুতোপো পুরও নুগরোহো বলেন, আমরা সঠিক তথ্য জানতে পারছি না কারণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সুনামিতে ভেসে যাওয়া অনেক মরদেহ সমুদ্রের তীর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু মৃতের প্রকৃত সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। তাছাড়া হতাহতের কারণ ভূমিকম্প নাকি সুনামি তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পালু এবং এর কাছাকাছি অবস্থিত ডংগালা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। পালু শহরে তিন লাখের বেশি এবং দুই শহর মিলিয়ে ৬ লাখের বেশি মানুষের বসবাস। ইতোমধ্যেই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। কিন্তু এক মন্ত্রী জানিয়েছেন, শহরের রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যহত হচ্ছে।

শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ২ মিনিটে পালু সুলাবেসির ৭৮ কিলোমিটার উত্তরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। মার্কিন ভূতাতত্ত্বিক জরিপ জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই সতর্কতা তুলে নেয়া হয়।

প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো শনিবার এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সুনামি আঘাত হানার পর পালুর প্রধান বিমানবন্দরটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

এক মন্ত্রী জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেখানে হেলিকপ্টার ল্যান্ড করানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। রাজধানী জাকার্তা থেকে কার্গো বিমানে করে ত্রাণ সহায়তা পাঠিয়েছে সেনাবাহিনী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রথম সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে একটি সর্বাধুনিক এফ-৩৫বি জয়েন্ট স্ট্রাইক ফাইটার বিধ্বস্ত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সাউথ ক্যারোলিনা অঙ্গরাজ্যের মেরিন কোরের ঘাঁটির কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
দেশটির মেরিন সেনারা সাধারণত এ ধরনের বিমান ব্যবহার করে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রে সর্বাপেক্ষা উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি এফ-৩৫ স্টিলথ বিমান বিধ্বস্তের এটাই প্রথম কোনো ঘটনা। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিমানটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সময় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। একে বড় ধরনের ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest