সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

অভিনয় না করেই পোস্টারে অমিত হাসান

বিনোদনের খবর: সাফটা চুক্তির আওতায় শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সারা দেশে মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান অভিনীত কলকাতার ছবি ‘নাকাব’। ছবিটি মুক্তিকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণার জন্য লাগানো হয়েছে পোস্টার। আর এই পোস্টারকে কেন্দ্র করেই যত গণ্ডগোল। ছবিতে কোন চরিত্রেই অভিনয় করেননি বাংলাদেশের নায়ক ও খলনায়ক অমিত হাসান। কিন্তু, পোস্টারে ঠিকই দেখা যাচ্ছে তাকে।
এ বিষয়ে অমিত হাসান অভিযোগ করে বলেন, আমি মগবাজার দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ দেখি নাকাব ছবির পোস্টারে আমি। অথচ আমি এই ছবিতে অভিনয় করিনি। যেখানে আমি অভিনয়ই করিনি সেখানে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা পরিবেশক কোনো ভাবেই আমার ছবি ব্যবহার করতে পারেন না। এটা অনৈতিক।
বাংলাদেশে ছবিটি পরিবেশনা করছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন কিনা জানতে চাইলে অমিত হাসান বলেন, এখনও বলিনি, তবে বলব।
এ ব্যাপারে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিইও আলীমুল্লাহ খোকন বলেন, বিষয়টি আমি জানি না, জেনে পরে বলতে পারব।
এছাড়া জাজ মাল্টিমিডিয়ার এক কর্মকতা দাবি করেন, তিনি (অমিত হাসান) অভিনয় করেননি এটা সত্য, ভুলটা আমাদের নয় এটা যিনি পোস্টার ডিজাইন করেছেন সে ভুল করেছে হয়তো।
‘নাকাব’-এ শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন টালিউডের দুই জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত ও সায়ন্তিকা। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজীব বিশ্বাস। প্রযোজনা করেছে কলকাতার প্রতিষ্ঠান শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস (এসভিএফ)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অপূর্ব এখন পাঠাও চালক

বিনোদনের খবর: মানুষের জীবনে কখন কি ঘটে বলা যায় না। জীবিকার প্রয়োজনে মানুষকে কত কিছুই না করতে হয়। আসলে হঠাৎ করেই বিপদে পড়ে গেলেন অপূর্ব। তাইতো উপায় না পেয়ে পাঠাও চালক হলেন। যে ছেলে পড়াশোনায় মন নেই সারাদিন বাইক নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। কোন বাজে নেশা না থাকলেও কিন্তু মানসিকভাবে প্রচণ্ড অলস।
কিন্তু একদিন হুট করে স্ট্রোক করে তার বাবা মারা যায়। ফলে তার জীবনের পৃথিবীতে অন্ধকার নেমে আসে। যে ছেলে কোন দিন বাজারে যায়নি তার কাঁধে এখন পুরো সংসারের দায়িত্ব।
তাইতো পাল্টে যায় তার জীবনের গল্পটা। যে বাইক ছিল তার সারাদিনের সঙ্গী। সেই বাইকই হয়ে যায় জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। পাঠাও রাইডে সার্ভিস দিয়ে ফাঁকা সময়ে চালক হিসেবে ঘুরে বেড়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত।
তাইতো বাস্তবতায় ডুবে প্রেমিকা হারানোর কষ্টও এখন আর টলাতে পারে না অপূর্বকে। কেননা, তার অলসতার কারণে একদিন ভয়ানক ঝগড়া লাগে তার গার্লফ্রেন্ড মিতুর সাথে। ফলে তাকে ছেড়ে যায় মিতু।
মূলত, এটি একটি নাটকের গল্প। সম্প্রতি এমন একটি নাটক নির্মাণ করেছেন নির্মাতা নাজমুল রনি। রিফাত আদনান পাপনের রচনায় নাটকটির নাম ‘জীবনের দিন-রাত’। পাঠাও নিবেদিত, ফ্যাক্টর থ্রি সলিউশনস প্রযোজিত নাটকে পাঠাও চালকের চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা অপূর্বকে।
এ বিষয়ে রনি জানান, নাটকের গল্পে দেখা যাবে জীবন বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। খুব আদরে বড় হয়েছে তাই বাস্তব জ্ঞান নাই বললেই চলে। কোন দিন একবিন্দু দায়িত্বও তাকে নিতে দেখা যায়নি। বেশি আদরে কিছুটা বিগড়ে গেছে বললেও ভুল হবে না।
নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন, শবনম ফারিয়া, শেলী আহসান, আশরাফুল আলম সোহাগ, মনির, তালহা খান প্রমূখ।
আগামী ১৯ নভেম্বর নাটকটি রাত ৯টায় নাগরিক টিভিতে প্রচারিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অচেনা রঙে ৬ সবজি, যা দেখেননি আগে

অনলাইন ডেস্ক: হেমন্তের আগমনে শুরু হয়েছে পাতা ঝরার পালা, এসেছে নতুন নতুন সবজি৷ তবে পশ্চিমা দেশগুলোতে চেনা এসব সবজি এসেছে অচেনা রঙে৷ সাদা ফুলকপি নিয়েছে বেগুনি রং, শাক হয়েছে সাতরঙা৷
আসুন ছবিতে দেখে নেই অচেনা রঙে ৬ সবজি

কমলা ও বেগুনি রঙের ফুলকপি

ফুলকপির বেগুনি রঙের পেছনে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অ্যানথোসায়ানিন, যা লাল বাঁধাকপি ও রেড ওয়াইনেও থাকে৷ আর ফুলকপি কমলা রঙ নিচ্ছে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য, যা শরীর ভিটামিন-এ তে রূপান্তর করে৷ কানাডার একটি ক্ষেতে প্রাকৃতিকভাবেই এই চেহারা নিয়েছে এসব ফুলকপি৷ রঙিন এসব ফুলকপির রয়েছে হালকা বাদামি গন্ধ৷

সোনালি জুকিনি

অনেকটা শসার মতো দেখতে পাশ্চাত্যের এই সবজি মূলত সবুজ রঙের হলেও হলদে বা সোনালি রঙেও পাওয়া যায় তা৷ শীতের সঙ্গে সঙ্গে তা রান্নাঘরে নিয়ে আসে নতুন শোভা৷ ভিন্ন রঙের এসব জুকিনি সবুজ রঙেরটার চেয়ে কিছুটা মিষ্টিও৷

বেগুনি গাজর

বেগুনি গাজর দেখতে কিছুটা অদ্ভূতই লাগবে৷ কিন্তু আমাদের চেনা চেহারা হলুদ বা কমলা রঙ আসার আগে গাজর বেগুনি বা সাদাই থাকে৷ প্রাকৃতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়েই রঙ বদলে তা হলুদ-কমলা হয়৷ এখন বাজারে বেগুনি, কমলা থেকে হলুদ নানা রঙের গাজর পাবেন৷

সাতরঙা শাক

অনেকটা পুঁইশাকের মতো এই শাক দেখতে হাঁসের পায়ের মতো৷ ‘শার্ড’ নামের এই শাক ভিটামিন এ, কে ও সি তে ভরপুর, পাশাপাশি এতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও পটাসিয়ামসহ অনেক খনিজ৷ সবুজ ছাড়াও গোলাপি, বেগুনি, লাল, হলুদ, কমলা ও সাদা রঙে পাওয়া যাচ্ছে এই শাক৷

ভুট্টা হয়েছে নীল

সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চল ও মেক্সিকোতে পাওয়া যায় নীল রঙের ভুট্টা, সেখানে ঐতিহ্যবাহী খাবারের একটি এটি৷ আমাদের চেনা ভুট্টা এই রঙ নেয় অ্যানথোসায়ানিনের প্রভাবে, যেটা ব্লু বেরিতেও পাওয়া যায়৷ নীল ভুট্টার চিপস ও রুটি শুধু দেখতেই ভিন্ন নয়, হলুদ ভুট্টার চেয়ে এতে প্রোটিনও বেশি থাকে।

বেগুনি আলু

এটা দেখে বোকা বনে যাওয়ার কোনো মানে নেই-এগুলো খেতে আমাদের পরিচিত আলুর মতোই৷ পেরু ও বলিভিয়ায় এই আলু হলেও এখন পশ্চিমা বিভিন্ন দেশের সুপারমার্কেটগুলোতে নিয়মিতই তা পাওয়া যায়৷ গাছেই তৈরি হওয়া ফাইটোকেমিকেলের সংশ্লেষে আলু্র এই বাহারি রঙ, যা সোনালি, লাল এমনকি নীলও হয়ে থাকে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ মুহূর্তের গোলে লিভারপুলের হোঁচট

খেলার খবর: লোরেনজো ইনসিগনে’র ৯০ মিনিটের গোলে গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপোলির কাছে হেরে গেল চ্যাম্পিয়নস লিগের বর্তমান রানারআপ লিভারপুল। প্রথম ম্যাচে ফরাসি জায়ান্ট পিএসজির সঙ্গে ৩-২ গোলে জিতলেও এই ম্যাচে তাদের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া হলো না।
তবে ভেলকি দেখিয়েছে ন্যাপোলি। অখ্যাত রেড স্টার বেলগ্রেডের সঙ্গে ড্র করে মৌসুমের শুরু করলেও শক্তিশালী অলরেডদের বিপক্ষে ঠিকই জয় আদায় করে নিয়েছে ইতালিয়ান ক্লাবটি।
বুধবার (৩ অক্টোবর) লিগের অন্যান্য ম্যাচে ঘরের মাঠে গ্যালাতাসারেকে ১-০ গোলে হারিয়েছে পোর্তো। এদিকে সিগন্যাল ইদুনা পার্কে মোনাকোর কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে মোনাকে।
আর মস্কোতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ১-০ এর জয় তুলে নিয়েছে শালকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসির জোড়া গোলে বার্সেলোনার রোমাঞ্চকর জয়

খেলার খবর: দ্বিতীয়ার্ধের ৬৬ মিনিটে লামেলার গোলে ৩-২ এ ব্যবধান কমিয়ে সমতায় ফিরতে ম্যাচের বাকি সময় অলআউট ফুটবল খেলেছে টটেনহ্যাম। আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বারবারই বার্সেলোনার রক্ষণ ভাঙতে চেয়েছে। কিন্তু হয়ে ওঠেনি। উল্টো ৯০ মিনিটে জর্দি আলবার পাস থেকে পেনাল্টি সীমানায় বল পেয়ে গোলরক্ষক লরিসকে বোকা বানিয়ে টটেনহ্যামের হারের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন লিওনেল মেসি।
নিজেদের মাঠে ৪-২ এ হেরে যায় টটেনহ্যাম। আর বার্সেলোনা পেল রোমাঞ্চে মোড়া এক জয়। যেখানে মেসি একাই করেছেন ২ গোল। বাকি দু’টির একটি এসেছে ফিলিপ কুতিনহো ও ইভান রাকিতিচের পা থেকে।
আর টটেনহ্যামের গোলদাতা হ্যারি কেইন ও এরিক লামেলা।
অবশ্য বুধবার (৩ অক্টোবর) শুরু থেকেই নিজেদের মাঠে গোছালো খেলা উপহার দিয়েছে বার্সেলোনা। সাফল্যও এসেছে বলতে গেলে হাতেনাতে। ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ২ মিনিট। প্রায় মাঝমাঠ থেকে বাতাসে বল ভাসিয়ে লেফ্টফ্ল্যাংকে জর্দি আলবাকে বল দিলেন মেসি। গোলবার থেকে তিনি ২০ গজ দূরে। সেখানে তাকে ট্যাকেল করতে গোলবার ফাঁকা রেখে উঠে এলেন টটেনহ্যাম গোলি লোয়োরিস। ফল হলো উল্টো। লরিসকে কাটিয়ে আলবা বলটি ঠেলে দিলেন পেনাল্টি সীমানায় দাঁড়ানো ফিলিপ কুতিনহোকে। লুফে নিয়েই জালে ঠেলে দিলেন কুতিনহো। শুরুতেই হোঁচট খেল হটস্পাররা।
২৮ মিনিটে কুতিনহোর এগিয়ে দেওয়া বল দুর্দান্ত ভলি বানিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইভান রাকিতিচ।
সমতায় ফিরতে প্রথমার্ধেই বার্সা রক্ষণ ভাঙতে চেয়েছে টটেনহ্যাম। ঠিক তেমনি এক প্রচেষ্টা দেখা গিয়েছিল ৩৩ মিনিটেও। দারুণ লং শটে জালে বল জড়াতে চেয়েছিলেন হ্যারি কেন। যদিও ব্যর্থ হয়েছেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যর্থ হননি। ৫২ মিনিটে লামেলার পা থেকে আসা বল বার্সা জালে ঠেলে ব্যবধান ২-১ নামিয়ে আনেন।
মিনিট পাঁচেক অতিক্রম না হতেই আবার গোল। তবে এবার তা গেলো বার্সেলোনার পক্ষে। আর গোলদাতা মেসি। ৫৬ মিনিটে জর্দি আলবার আরেকটি অ্যাসিস্ট থেকে হটস্পার গোলরক্ষক লোরিসকে পরাস্ত করে ৩-১ এ ব্যবধান বাড়ান এ আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।
ব্যবধানটি মিনিট দশেকও ধরে রাখতে পারেনি কাতালান শিবির। ৬৬ মিনিটে সন হিউন মিংয়ের এগিয়ে দেওয়া বল থেকে স্কোর লাইন ৩-২ নিয়ে যান এরিক লামেলা। সমতার স্বপ্ন জাগে স্বাগতিক শিবিরে। কিন্তু ম্যাচের শেষ মুহুর্তে মেসি আঘাতে স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা নিয়েই তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছে ইইউ

অনলাইন ডেস্ক: রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের ঘটনায় মিয়ানমারের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের তিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত হলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য ব্লকে মিয়ানমারের পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা কেড়ে নেওয়া হতে পারে।
রয়টার্স লিখেছে, ইউরোপীয় কমিশনে আলোচনার পর্যায়ে থাকা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় মিয়ানমারের টেক্সটাইল শিল্পকেও রাখা হতে পারে। সেক্ষেত্রে মিয়ানমারে বহু লোক কর্মহীন হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হবে না। মূলত এর মাধ্যমে চাপ দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ করতে চায়, যাকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বলে আসছে জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলো।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার আগে মিয়ানমারকে ছয় মাসের সময় বেঁধে দেওয়া হতে পারে, যার মধ্যে তাদেরকে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণের বিষয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণ করতে হবে।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ‘গণহত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে’ রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ চালিয়েছে মর্মে অগাস্টে জাতিসংঘের দেওয়া প্রতিবেদন এবং দেশটির দুটি সামরিক ইউনিটের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এবার ইইউ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিতে তৎপর হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
ইউরোপীয় কমিশনের এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স লিখেছে, “মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হলে জনগণের ওপর এর যে প্রভাব পড়বে তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। কিন্তু মিয়ানমারের সামরিক অভিযানকে গণহত্যা হিসাবে তুলে ধরে প্রকাশিত জাতিসংঘ প্রতিবেদনও আমরা আমলে না নিয়ে পারি না।”
ইইউ এখন পর্যন্ত মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্যের সম্পদ জব্দ করাসহ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে।
তবে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়নি ইইউ। গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সেনাপ্রধানসহ মিয়ানমারের শীর্ষ ছয় জেনারেলকে বিচারের মুখোমুখি করার সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন।
জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনকে ‘একপেশে’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার। গতবছর অগাস্ট থেকে রোহিঙ্গদের ওপর চালানো সেনা অভিযানকে ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনসিদ্ধ অভিযান’ বলে দাবি করে আসছে মিয়ানমার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এপিএল খেলতে আফগানিস্তান গেলেন তাসকিন

খেলার খবর: ক্রিকেটবিশ্বে টি-টোয়েন্টি একটা বিনোদন হিসেবে সবার মনে জায়গা করে নিয়েছে।অস্ট্রেলিয়া,উইন্ডিজ,দক্ষিন আফ্রিকা,ভারত এবং বাংলাদেশ থেকে শুরু করে প্রায় সব ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোতে এখন নিয়মিত ভাবেই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হচ্ছে।
সেখানে আফগানিস্তানই বা বাদ থাকবে কেন। তাই আফগানরাও অবশেষে চালু করতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি লিগ। আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ সংক্ষেপে এপিএল। বাংলাদেশ থেকে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের খেলার কথা ছিল এই লিগে।কিন্তু দু’জনেই বর্তমানে চোটে ভুগছেন। তাই তামিম-মুশফিকের কারোরই এবার আর এপিএলে খেলা হচ্ছে না।
পরে ৩০ হাজার ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় ২৫ লাখ টাকা। এই টাকায় টাইগার গতি তারকা তাসকিন আহমেদকে কিনে নিয়েছে কান্দাহার নাইটস। তামিম-মুশফিককে কিনে নিয়েছিল নাঙ্গরহার। দূর্ভাগ্য যে তাদের কেউই আফগান লিগে খেলতে পারছেন না।
ইতিমধ্যে তাসকিন সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছে গেছেন। এই প্রথম তিনি কোনও বিদেশী লিগে খেলছেন। তাই রোমাঞ্চটাও তাসকিনের বেশি। তবে সেটি কয়েকগুন বাড়িয়ে দিয়েছে তাঁর বাবা হওয়া। পুত্র সন্তানের জনক হয়েছেন তাসকিন। এখন দেখার, এপিএল তাঁর জন্য জাতীয় দলের দরজা খুলে দেয় কি না।
এপিএলে পাঁচটি দল অংশ নেবে। তাসকিনের কান্দাহারের নেতৃতে রয়েছে নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। সতীর্থ হিসেবে বাংলাদেশ তারকা পাবেন পাকিস্তানের ওয়াহাব রিয়াজ, আফগানিস্তানের অধিনায়ক আসগর আফগান, আয়ারল্যান্ডের পল স্টালিংয়ের মতো তারকাদের। এপিএল ৫ অক্টোবর শুরু হয়ে চলবে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত। ফাইনালসহ মোট ২৩টি ম্যাচ হবে এপিএলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাথার পেছনটায় ‘আলু’ হয়ে আছে

অনলাইন ডেস্ক: গতকাল সারাদিন দুইবোন একা একা সময় কাটিয়েছি। দুইজন আবার একা হয় কি করে…? একথা যারা ভাবছেন তাদের বলছি, ”পরিচিতদের হাত থেকে কোনোরকমে পালিয়ে টরন্টোর ডাউনটাউনের ভিড়কে অগ্রাহ্য করে যখন এলোমেলো হেঁটে বেড়িয়েছি দুইবোন, তখন মনে হয়েছে পুরো পৃথিবীতে আমরা একা…।”

আমরা ছোটবেলার কথা মনে করে হাসলাম। কোনো এককালের মন কষাকষির কথা বলতে গিয়ে একসাথে কাঁদলাম। এ সময়ের আলোড়ন সৃষ্টি করা ভূতের ছবি ‘NUN’ দেখতে দেখতে হলের মধ্যে ঘুমিয়েও পড়লাম। ছোটবোনের অ্যাপার্টমেন্টের ব্যালকনিতে বসে ১০ ডিগ্রী তাপমাত্রার ঠাণ্ডায় কাঁপতে কাঁপতে রাতের খাবার খেলাম। কষ্ট করে বোনের বানানো কফির কাপ টেবিলের কোনা থেকে ফেলে কাপ তো ভাঙলামই- তারপর মেহমানগিরি বাদ দিয়ে ছোটবোনের সাথে হাত লাগিয়ে সারাঘরে ছড়ানো কফি আর ভাঙা কাঁচ পরিষ্কারও করলাম। এরপর আয়েশ করে বিছানায় শুয়ে পান মসলা চিবাতে চিবাতে দুইজনে মিলে অক্ষয় কুমার এর ‘PADMAN’ ছবিখানা দেখে ফেললাম।
কাল সারাদিন নিজেদের মতো কাটিয়ে আজকের সকালটা খুব সুন্দর লাগছিল তাই।

কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই দু’দিনের জন্য চলে এসেছিলাম টরন্টো, বোনটাকে দেখতে। মাত্র ২ দিন! তাও মনে হলো অনেককিছু নিয়ে গেলাম- অনেক উপদেশ(!) দিয়েও গেলাম।

আজ রাত ৮.২৫ এ নিউইয়র্ক ফেরার ফ্লাইট। ২ দিনে হাজার দুয়েক উপদেশ শুনে রাগতো এবং আমার ফিরে যাবার শোকে কাতর বোনকে পিছে রেখে Uber এ উঠে রওনা হলাম। হাইওয়ে ধরে চলছিল গাড়ি, বাইরে হালকা ঝিরিঝিরি বৃষ্টি- আমি বাইরে তাকিয়ে আকাশচুম্বি দালানে একটা একটা করে রাতের আলো জ্বলে ওঠা দেখছি। আমার গাড়িচালক রেডিওতে তার দেশি (খুব সম্ভবত Caribbean) কোনো এক বিরহের গান ছেড়ে রেখেছে। হঠাৎ মাথায় শক্ত কোনোকিছুর আঘাত অনুভব করলাম। কয়েক মুহূর্তের জন্য বুঝি চোখের সামনে সব অন্ধকার হয়ে গেল। চোখ খোলার পর দেখলাম আমার বাহন মাটি থেকে কয়েক ইঞ্চি উপরে শূন্যে উড়ে গিয়ে আমাদের সামনে চলা শান্তশিষ্ট এক গাড়ির গায়ে বিস্ময়কর সাফল্যের সঙ্গে দুড়ুম করে পড়ল। আমি চোখ বন্ধ করে ফেললাম। আশপাশে হইচই- পুলিশের সাইরেন, কানের কাছে কে যেন বারবার বলছে” is the passenger alright?” “Ma’am will you plz get down and go to the hospital emergency with us?”

আমার মাথায় তখন একটা কথাই ঘুরছে- ফ্লাইট মিস করা যাবে না। আমি তখনও জানি না যে এই দুর্ঘটনার মূল হোতা আমার পেছনের বৃদ্ধ চাইনিজ ভদ্রলোকের চালানো গাড়ি। তার গাড়ি ভারসাম্য হারিয়ে আমার বাহনে তুমুল ধাক্কা দেয়, যার ফলাফল স্বরূপ আমার Uber খানা কিছুক্ষণের জন্য ‘উড়াও’ সার্ভিসে পরিণত হয়। এক ঘণ্টা ৩ গাড়ির ড্রাইভাররা নিজেদের মধ্যে দরবার করলেন- পুলিশ ভাইদের সাথে কাগজ আদান প্রদান করলেন। আমার প্রবল অাপত্তির কারণে হাসপাতালে যাওয়ার হাত থেকে মুক্তি পেলাম আমি। প্রায় দৌড়াতে দৌড়াতেই এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন পার করে নিউইয়র্কের প্লেনে চেপে বসলাম। ইসসস! মাথার পেছনটায় একটা আলু হয়ে আছে। চেক ইন কাউন্টারের হাস্যমুখী তরুণী আমার দুর্ঘটনার কথা শুনে এয়ারক্রাফটের পেছনের দিকের পাশাপাশি তিনটা সিট দিয়ে দিল! “You must lie down & take some rest” আমি বাধ্য মেয়ের মতো শুয়ে পড়লাম। ‘বাচ্চাদু’টার কারণে হয়তো এতো ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফিরে এসেছি’ একথা ভাবতে ভাবতে চোখ লেগে এলো। ‘অনেক উপর থেকে পড়ে যাচ্ছি- পড়ছি তো পড়ছিই’ এরকম এক দুঃস্বপ্ন দেখে ধরফরিয়ে উঠলাম। ওমা! দেখি ফ্লাইটের সবাই ভিত সন্ত্রস্ত হয়ে নিচু গলায় কথা বলছে। আমি উঠে বসে কান পাতলাম। স্বপ্নে উঁচু জায়গা থেকে পড়ে যাওয়া দেখার মতো করেই প্লেন হঠাৎ হঠাৎ অতি উপরে উঠে যাচ্ছে আবার হঠাৎ করেই নিচে নেমে যাচ্ছে। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি রাত ১১টা! অথচ নিউইয়র্কে যে রাত ১০টার মধ্যে পৌঁছানোর কথা। পাইলটের বক্তব্য থেকে যা বুঝতে পারলাম- তুমুল বজ্রপাত এবং ঝড়ের কারণে অনেক চেষ্টা করেও নিউইয়র্কে অবতরণের অনুমতি মিলছে না এয়ারক্রাফট এর। LaGuardia Airport এর ওপর চক্কর কাটছে আমাদের প্লেন। এয়ারক্রাফট এর ফুয়েলও শেষ হওয়ার পথে। সিদ্ধান্ত জানালো পাইলট- ফিরে যাওয়া হচ্ছে টরন্টোতে! পরদিন আবহাওয়া ভালো হলে নতুন করে ফ্লাইটের সময় নির্ধারণ করা হবে।

মানে কি! আবার টরন্টো ফিরে যেতে হবে! পরবর্তী ফ্লাইটের কোনো নিশ্চয়তা নেই! পরদিন যে আমার অনেকগুলো ব্যস্ততা। আবহাওয়াজনিত কারণে ফ্লাইট ফিরে আসায় এয়ারলাইনস কোনো কিছুর দায়িত্ব নেবে না। আমার পরিচিত সবাই থাকে অন্তত এক দেড় ঘণ্টার দূরত্বে! টরন্টো ফিরে যেতে যেতে রাত বেজে গেল ১২টা। কখন ফিরতে পারব তা জানার জন্য ভোর ৪টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অপেক্ষা করার মতো জুতসই কোনো জায়গা পাচ্ছি না, সব খাবার দোকান বন্ধ- এমনকি কফির কোনো দোকানও চোখে পড়ছে না! আর আঘাত পাওয়ার কারণে হওয়া মাথার আলুটাও বারবার নিজের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।
অক্টোবর ২, রাত ১২টা। Toronto Pearson Airport। হ্যাঁ… এই ছিল আমার গতকাল রাতের অবস্থা। ভোগান্তি আমার পিছু ছাড়ে না। ভুল বললাম- ভোগান্তি আমাকে ভালোবাসে, আমার জন্য তার পেট পুড়ে…।

(ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest