সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়

অল্প সময়ে সুন্দরী হওয়ার উপায়

অনলাইন ডেস্ক: নারী মাত্রই সুন্দরী হওয়ার প্রবল আকাঙ্খা রয়েছে। সুন্দর মুখশ্রী, কোমল ত্বক আর আকর্ষণীয় অবয়বের জন্য মেয়েদের মাঝে রয়েছে তুমুল প্রতিযোগিতা। তবে হাতের কাছে থাকা একটি জিনিস দিয়ে অধরা এই সৌন্দর্য আয়ত্ব করতে পারবেন যে কোনো নারী; আর সেটি হল-মসুর ডাল।
এই ডালটিতে উপস্থিত প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেড, ডায়াটারি ফাইবার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ, সি, ই, কে এবং থিয়েমিন নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। সেই সঙ্গে ত্বকের অন্দরে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানদের বের করে দিয়ে স্কিনকে সুন্দর করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
প্রসঙ্গত, বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত মসুর ডাল দিয়ে বানানো নানাবিধ ফেস মাস্ক মুখে লাগাতে শুরু করলে ত্বকের অন্দরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর হয়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠতেও সময় লাগে না।
তবে এখানেই শেষ নয়। মসুর ডাল আরও নানাভাবে ত্বকের উপকারে লেগে থাকে। যেমন-
ত্বককে উজ্জল করে তোলে: অল্প সময়ে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক, এমনটা চান নাকি? তাহলে ত্বকের পরিচর্যায় মুসুর ডালকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! এক্ষেত্রে ৫০ গ্রাম মুসুর ডালকে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন সকালে উঠে জলটা ছেঁকে নিয়ে ডালটা বেটে নিতে হবে। তারপর ডালের পেস্টটির সঙ্গে ১ চামচ কাঁচা দুধ এবং পরিমাণ মতো বাদাম তেল মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর পেস্টটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে কম করে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে উষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফলতে হবে মুখটা। এইভাবে প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে সময় লাগবে না।
ত্বককে নিমেষে সুন্দর করে তোলে: ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে বেসন এবং দইয়ের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। তার উপর যদি এই মিশ্রনে অল্প করে মসুর ডাল মিশিয়ে দিতে পারেন, তাহলে তে কথাই নেই! কারণ এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে বানানো পেস্টটি এত মাত্রায় পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর হয় যে ত্বক সুন্দর হয়ে উঠতে সময়ই লাগে না।
এখন প্রশ্ন হল, কী মাত্রায় এই তিনটি উপাদানকে মেশাতে হবে? এই পেস্টটি বানাতে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ বেসন এবং দই মেশাতে হবে। সঙ্গে যোগ করতে পারেন অল্প করে হলুদও। এবার সবকটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে।
ফেস ওয়াশ হিসেবে কাজে লাগানে যায়: নানা কাজে সারা দিন আমাদের রাস্তায় কাটাতে হয়। ফলে পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের বারোটা বেজে যেতে সময় লাগে না। এমন পরিস্থিতিতে দিনের শেষে মসুর ডালকে কাজে লাগিয়ে যদি ত্বককে পরিষ্কার করা যায়, তাহলে স্কিন টোনের উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে এক চামচ মুসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে ২ চামচ দুধ, অল্প পরিমাণে হলুদ এবং ৩ ড্রপ নারকেল তেল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রনটি সারা মুখে লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ভাল করে ধুয়ে ফলতে হবে মুখটা।
ত্বকের অন্দরে আদ্রতার ঘটতি দূর করে: আপনার ত্বক কি বেজায় ড্রাই। সেই সঙ্গে বলি রেখাও দেখা দিতে শুরু করেছে নাকি? তাহলে আর সময় নষ্ট না করে মসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে নিয়ে নিয়মিত মুখে লাগাতে শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন ধীরে ধীরে বলি রেখা কমতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ত্বকের ড্রাইনেসও কমে যাবে। এক্ষেত্রে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মেশাতে হবে। এরপর ভাল করে দুটি উপাদান মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রনটি মুখে লাগাতে হবে। ১৫ মিনিট পেস্টটি মুখে ঘষার পর হালকা গরম জল দিয়ে মুখটা দুয়ে নিলেই কেল্লাফতে!
ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করে: পরিমাণ মতো মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ গাঁদা ফুল মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিয়ে এই পেস্টটি বানাতে হবে। তারপর সেটি কম করে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলতে হবে।
প্রসঙ্গত, ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ব্রণর প্রকোপ কমাতে এবং ত্বককে নরম তুলতুলে করে তুলতেও এই ফেস মাস্কটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এছাড়া ফেস হেয়ার পরিষ্কার করা ও মৃত কোষের স্তর সরিয়ে ফেলার কাজেও মসুর ডাল হতে পারে আপনার মোক্ষম অস্ত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ছোটবেলায় তোতলামির সমস্যা ছিল হৃত্বিকের’

বিনোদনের খবর: বলিউড তারকা হৃত্বিক রোশনের ছোটবেলায় তোতলামির সমস্যা ছিল। নিজেই চেষ্টার মধ্য দিয়ে সেই সমস্যা থেকে বেড়িয়ে এসেছেন বলিউডের এই সুপারস্টার। এমনটিই জানিয়েছেন তার বড় বোন সুনয়না।
সুনয়না তার নিজের ব্লগে লিখেছেন, আমার জীবনের সেরা বন্ধু, আমার জীবনের সুবর্ণ অর্থ। আমি আজীবন তোমাকে ভালোবাসি। আমি সব সময় পাশে আছি, চিরকাল থাকব। হৃত্বিক বয়সে তার চেয়ে দুই বছর কম হতে পারেন কিন্তু সুনয়নার কাছে সব সময়ই ‘বড় ভাই’ হৃত্বিক। স্কুল জীবনের লাজুক কিশোর থেকে বড় হয়ে ওঠা, নিজের কথা বলার সমস্যা কাটিয়ে তোলা, একগুঁয়ে যৌবন অবস্থা সবই ধরা পড়েছে সুননয়ার ব্লগ পোস্টে।
হৃত্বিক রোশন স্বাভাবিকভাবেই তার বোনের এই কাজে আপ্লুত। তিনি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে সুনয়নার ব্লগ পোস্ট করেছেন এবং লিখেছেন, ‘আমার মিষ্টি বোন! আমাকে স্মৃতির পথ ধরে কোথায় নিয়ে চলে গেল। তোমাকে ভালোবাসি।’
সুনয়না আরও জানিয়েছেন, প্রথম প্রথম কথা বলতে সমস্যা হতো হৃত্বিকের। কথা বলতে গেলে আটকে যেত। ‘তোতলামির সমস্যাটা কমাতে ও যথেষ্ট লড়াই করেছে নিজের সঙ্গে। ওর ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত দেখতাম ও বসে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ছে। সকাল বিকেল বাথরুমে বসেও পড়তে দেখেছি ওকে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐশ্বরিয়ার সামনেই অভিষেককে অপমান

বিনোদনের খবর: ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন। সাবেক এই বিশ্ব সুন্দরী বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীও। স্বাভাবিকভাবে সাংবাদিকদের একটু বেশি নজর থাকে তার দিকে। আর সেটাই এবার স্বামী অভিষেক বচ্চনের জন্য অপমানজনক হয়ে দাঁড়ালো।
ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, গোটা পরিবার নিয়ে ক্যামেরার সামনে হাজির হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। জয়া বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, শ্বেতা বচ্চন, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, নিখিল নন্দা এবং নভ্যা নভেলি নন্দার সঙ্গে দেখা যায় বলিউড মেগাস্টারকে। সম্প্রতি একটি ফ্যাশন স্টোরের উদ্বোধনে প্রায় গোটা পরিবার নিয়ে এভাবে হাজির হন তিনি। আর সেখানেই বচ্চন পরিবারকে ক্যামেরাবন্দি করে সাংবাদিকরা।
বচ্চন পরিবারকে ক্যামেরাবন্দি করার পর একসঙ্গে পোজ দেন অভিষেক এবং ঐশ্বরিয়া। যেখানে ডিজাইনার আবু জানি এবং সন্দীপ খোসলার পোশাক পরে হাজির হন রাই সুন্দরী। আর অভিষেক, ঐশ্বরিয়াকে হাতের কাছে পেয়ে যখন তাঁদের বিভিন্ন মুডে ধরার চেষ্টা চালানো হয় সেই সময় সাংবাদিকদের দাবি মেনে পোজও দেন এই দম্পতি। বেশ কয়েক মুহূর্ত ক্যামেরার সামনে স্বামী-স্ত্রীর পোজ দেওয়ার পর ঐশ্বরিয়াকে আলাদা করে ফটোসেশন করার দাবি তোলেন সাংবাদিকরা। ঐশ্বরিয়া ‘সোলো’ ‘সোলো’ বলে চিৎকার করতে শুরু করেন তাঁরা। কিন্তু, সাংবাদিকদের কোনোভাবে আলাদা করে পোজ দেননি নায়িকা। তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়ে সেখান থেকে সরে যান অভিষেকপত্মী।
প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয় এর আগেও অনেকবার অভিষেকের পাশ থেকে সরে গিয়ে ঐশ্বরিয়ার ছবি তুলার আবদার করেন সাংবাদিকরা। আর তাতেই খেপে যান জুনিয়র বচ্চন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাক ডাকা বন্ধ করার সহজ সমাধান

অনলাইন ডেস্ক: নাক ডাকার বদভ্যাসের কারণে নিজের যেমন গভীর ঘুম হয় না, তেমনই পাশে শুয়ে থাকা মানুষটিরও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। নাক ডাকা কমানোর জন্য পাশে ফিরে শোয়া, সাইলেন্সার লাগানোর মতো অনেক চেষ্টাই করে থাকি আমরা। কিন্তু নাক ডাকার অভ্যাস কমানো বেশ কঠিন কাজ। নাক ডাকার সমস্যা কমাতে গেলে আগে বুঝতে হবে নাক কেন ডাকে এবং কীভাবে সেই সমস্যা দূর করা যায়।
কেন নাক ডাকি আমরা:
ন্যাজাল প্যাসেজে অতিরিক্ত মিউকাস জমে যাওয়ার কারণে ঘুমের সময় নাক ডাকে। রাতে ঘুমনোর আগে তাই খেয়ে নিন এই পানীয়, যা ন্যাজাল প্যাসেজ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ফলে ঘুমের সময় নাক ডাকবে না।
কী কী লাগবে: গাজর- ২টি, আপেল- ২টি, আদা- ১ টুকরো, লেবু- ১/৪ অংশ, পানি- আধ কাপ।
যেভাবে বানাবেন:
সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন।
যখন খাবেন:
ঘুমোতে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এই মিশ্রণ পান করুন। সেই সঙ্গেই এড়িয়ে চলতে হবে কিছু খাবার। রাতে ঘুমনোর আগে অ্যালকোহল, প্রসেসড ফুড, সোডা, চকোলেট বা ভাজাভুজি জাতীয় খাবর খেলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্ট অ্যার্টাকের সম্ভাবনা আগে থেকেই জানা যাবে

স্বাস্থ্য কণিকা: আরও একবার সামনে এল বিজ্ঞানের ইতিবাচক দিক৷ নতুন উদ্ভাবনের কথা জানালেন বিজ্ঞানীরা৷ জানা গেল, সেই উদ্ভাবনটির দৌলতে আগে থেকেই জানা যাবে হার্ট অ্যার্টাকের সম্ভাবনা৷
অতীতে বহুবার গবেষণা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে। সামনে এসেছে অজানা তথ্য৷ সম্প্রতি,বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন এক উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি স্ক্যান৷ যেটিই সাধারণ মানুষকে এই আকস্মিক ব্যাধির প্রকোপ সর্ম্পকে সর্তক করবে৷
হার্ট অ্যার্টাকের বিভিন্ন কারণ উঠে এসেছে বিজ্ঞানীদের নতুন এই গবেষণায়৷ রক্ত চলাচলের পথে রক্ত জমাট বেঁধে স্বাভাবিক রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি করলে হতে পারে হার্ট অ্যার্টাক৷ পুরুষ এবং নারী বিশেষে হার্ট অ্যার্টাকের লক্ষণ আলাদা আলাদা রকমের হয়ে থাকে৷ তবে সাধারণ লক্ষণগুলি হল চেস্ট পেন, অস্বস্তি, ক্লান্তি, অস্বাভাবিক হার্টবিট, হাত গলা ঘাড়ে যন্ত্রণা ইত্যাদি৷ সঠিক কোন কারণটি হার্ট অ্যার্টাকের জন্য দায়ী, বিষয়টি নিয়ে এখনও দ্বিধায় বিশেষজ্ঞরা৷
গবেষকরা জানিয়েছেন, সাধারণ রিডিংযুক্ত মানুষের থেকে অস্বাভাবিক এফএআই রিডিং যুক্ত মানুষদের মারাত্মক হার্ট অ্যার্টাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে প্রায় নয় গুণ বেশি৷ নয়া এই উদ্ভাবনটি সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা রোগীদেরকে চিহ্নিতকরণে সাহায্য করবে বিশেষজ্ঞদের৷
যার ফলে আরও বেশি কিছু প্রাণকে বাঁচানো সম্ভব হবে৷ সারা বিশ্বে বেশীরভাগ মৃত্যুর জন্য দায়ী দুটি রোগ, হার্ট অ্যার্টাক এবং স্ট্রোক৷ গবেষকরা আশা করছেন, নতুন এই প্রযুক্তি প্রাথমিকভাবে হার্ট অ্যার্টাকের প্রবণতাকে প্রতিরোধে সাহায্য করবে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালমান শাহ’র ৪৭তম জন্ম উৎসবে থাকছে চমক

বিনোদনের খবর: ঢাকাই চলচ্চিত্রের বরপুত্র খ্যাত অভিনেতা সালমান শাহর ৪৭তম জন্মবার্ষিকী আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর। আসন্ন জন্মদিনে বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে চিরসবুজ এই নায়ককে স্মরণের উদ্যোগ নিয়েছে সালমান শাহ স্মৃতি পরিষদ।
জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১৯ সেপ্টেম্বর দিনব্যাপী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি) চত্বরে কেক কাটা, স্মৃতি সম্মাননা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও তারকা মেলার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওইদিন জনপ্রিয় নায়ক-নায়িকা, গায়ক-গায়িকা, পরিচালক-প্রযোজক, বরেণ্য মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ সাংবাদিকরা সালমান শাহ উত্সবে উপস্থিত থাকবেন। চলচ্চিত্র টেলিভিশন ও সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় তারকাশিল্পীরাও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।
সালমান মাত্র ৪ বছরের অভিনয় জীবনে ২৭টি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রই উপহার দেননি, বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় নাটক, টেলিফিল্ম এবং বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে মানসম্মত কাজ করে গেছেন সাফল্যের এই বরপুত্র। দু’টি চলচ্চিত্রে শ্রুতিমধুর গানও গেয়েছেন। ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের বছর সিলেটে জন্ম নেওয়া এই মহানায়কের মৃত্যুর রহস্যের জট একদিন খুলবেই। এ প্রত্যাশায় পুরো জাতি প্রতিক্ষায় এখনো। হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর পুণ্যভূমি সিলেটে বেদনার জমিনে চিরদিনের মতো ঘুমিয়ে আছে সালমান।
সালমান অভিনীত ২৭টি চলচ্চিত্র হল—কেয়ামত থেকে কেয়ামত, তুমি আমার, অন্তরে অন্তরে, সুজন সখী, বিক্ষোভ, স্নেহ, প্রেমযুদ্ধ, কন্যাদান, দেনমোহর, স্বপ্নের ঠিকানা, আঞ্জুমান, মহামিলন, আশা ভালোবাসা, বিচার হবে, এই ঘর এই সংসার, প্রিয়জন, তোমাকে চাই, স্বপ্নের পৃথিবী, সত্যের মৃত্যু নেই , জীবন সংসার, মায়ের অধিকার, চাওয়া থেকে পাওয়া, প্রেম পিয়াসী, স্বপ্নের নায়ক, শুধু তুমি, আনন্দ অশ্রু,বুকের ভেতর আগুন।
সালমান ছিলেন অভিনয়ে, আছেন হৃদয়ে, থাকবেন অনন্তকাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গায়ে জ্বর তবুও গানে শুটিং করলেন শাকিব

বিনোদনের খবর: গতকাল রাতে শেষ হয়েছে রাশেদ রাহা পরিচালিত ‘নোলক’ ছবির একটি গানের শুটিং। রোমান্টিক এই গানের শুটিংয়ে অংশ নেন শাকিব খান ও ইয়ামিন হক ববি। জ্বর নিয়ে গত দুদিন গানের শুটিং করেছেন শাকিব খান। তাই আগামী দুদিন বিশ্রাম নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
শাকিব খান বলেন, ‘আসলে ছবির কাজটি অনেক আগেই করার কথা ছিল, আমার ব্যস্ততার কারণে শিডিউল মেলাতে পারিনি। কিছুদিন পর নতুন ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাব। যে কারণে গায়ে জ্বর নিয়েও কাজ করেছি। বিষয়টি কাউকে বুঝতে দিইনি, কারণ এতে করে শুটিংয়ে সমস্যা হতো। পুরো ইউনিট যেভাবে কাজটি শেষ করেছে, জ্বর জানলে সেভাবে কাজটি করতে পারত না।’
চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বিশ্রাম নিচ্ছেন শাকিব। বলেন, ‘আমি এখন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রাম নিচ্ছি। আগামী দুদিন বিশ্রাম নেওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। তারপর নতুন ছবির মহরত হবে। শুটিংয়ের তারিখ শরীরের ওপর নির্ভর করছে। দেশের সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে কাজে ফিরতে পারি।’
‘নোলক’ ছবির গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ফেরারী ফরহাদ। ফরহাদ বলেন, ‘আমরা গতকাল রাত ১২টার দিকে ছবির একটি গানের শুটিং শেষ করেছি। এরই মধ্য দিয়ে ঢাকায় আমাদের ছবির কাজ শেষ হয়েছে। আরো দুটি গানের শুটিং বাকি আছে। সেগুলো দেশের বাইরে করার কথা রয়েছে। তবে কবে কোথায় হবে, তা এখনো ঠিক হয়নি। আমরা পুরো টিম শাকিব ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ আমরা জানতাম না, তিনি জ্বর নিয়ে আমাদের শুটিং করছেন। আমরা বিষয়টি বুঝতেও পারিনি। শুটিং শেষে গায়ে হাত দিয়ে দেখি উনার জ্বর।’
‘নোলক’ ছবিতে শাকিব ও ববি ছাড়া আরো অভিনয় করছেন ওমর সানি ও মৌসুমী। ছবিটি প্রযোজনা করছে বি হ্যাপি এন্টারটেইনমেন্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাটা স্থান থেকে রক্তক্ষরণ দ্রুত বন্ধ করতে করণীয়

স্বাস্থ্য কণিকা: সাধারণত ধমনি কাটা পড়লে ক্ষতস্থান থেকে তীব্র বেগে রক্ত বের হতে থাকে। এই রক্ত উজ্জ্বল লাল বর্ণের হয়। ধমনি কাটা পড়লে এবং রক্তক্ষরণ দ্রুত বন্ধ না করলে রক্তপাতের কারণে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে আপনি যা করবেন
* ক্ষতস্থানটি হাত দিয়ে কিংবা কাপড় পেঁচিয়ে জোরে চেপে ধরুন। জীবাণুমুক্ত ব্যান্ডেজ খুঁজতে গিয়ে অযথা সময় নষ্ট করার দরকার নেই। কারণ, আপনাকে দ্রুত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে হবে।
* ব্যান্ডেজ ভিজতে থাকলে হাতের তালু ক্ষতস্থানটিতে সজোরে চেপে রাখুন। প্রয়োজনে আরেকটি প্যাড চাপিয়ে তারপর হাত দিয়ে চেপে ধরুন।
* কাপড়ের বা ব্যান্ডেজের নিচে রক্ত জমাটবদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। কারণ, রক্ত জমাট বাঁধলে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে। যদি রক্ত জমাট না বাঁধে এবং প্যাড ভিজতে থাকে, তাহলে প্যাডটি সরাবেন না বা ব্যান্ডেজ খুলবেন না। স্থানটিকে আরো পুরু কাপড় দিয়ে জড়ান এবং হাতের চাপ অব্যাহত রাখুন। ব্যান্ডেজ করার সময় খেয়াল রাখবেন, তা যেন খুব আঁটসাঁট না হয়। কারণ, বেশি আঁটসাঁট হলে ওই স্থানে স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হবে। তবে তীব্র রক্তপাত বন্ধ করতে টাইট ব্যান্ডেজের কখনো কখনো প্রয়োজন হয়।
* ক্ষতস্থানটি সর্বদা উঁচু করে রাখতে হবে এবং সেটা যেন হৃৎপিণ্ড বরাবর হয়।
* রক্তপাত বন্ধ করতে টুরনিকুয়েট ( সংকোচন বা কমপ্রেসিং ডিভাইস। এটি আর্টারি ও শিরার রক্ত সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে) ব্যবহার করবেন না। কারণ, তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। যদি রক্ত ফিনকি দিয়ে বের হয় এবং কোনো কিছুতে তা বন্ধ করা যাচ্ছে না এমন হয়, সে ক্ষেত্রে টুরনিকুয়েট ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে টুরনিকুয়েট যেন দুই ইঞ্চি চওড়া হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
* টুরনিকুয়েট ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে তা ক্ষতস্থানের একটু ওপরে বাঁধতে হবে। ক্ষতস্থান বরাবর যেন টুরনিকুয়েট বাঁধা না হয়। যদি ক্ষতস্থানটি অস্থিসন্ধি এলাকায় কিংবা অস্থিসন্ধির নিচে হয়, তা হলে অস্থিসন্ধির একটু ওপরে টুরনিকুয়েট বাঁধতে হবে।

টুরনিকুয়েটটি শক্তভাবে দুবার পেঁচ দিয়ে বাঁধতে হবে এবং গিটটা অর্ধেক দিতে হবে। পরে একটি ছোট শক্ত কাঠি স্থাপন করে আরেকটি গিট দিতে হবে। রক্তপাত বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কাঠিটা ঘুরিয়ে টুরনিকুয়েটের বাঁধনটা শক্ত করা যেতে পারে, তবে চেষ্টা করতে হবে টুরনিকুয়েট ব্যবহারের আগেই যাতে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest