সর্বশেষ সংবাদ-
নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণতালার নুরু বিশ^াস ও যুব জামায়াতের নেতা ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অন্যের ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগজেলা পরিষদের প্রশাসক কে সারসা বাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শুভেচ্ছাসাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিললেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই প্রবাসীর মরদেহ সাতক্ষীরায় : শোকের ছায়াসাতক্ষীরায় সীমানা পিলার উদ্ধার আটক -৪সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সামনে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দোকান ঘর দখলের অভিযোগ 

এশিয়া কাপের যে ছবি ভাইরাল

এশিয়া কাপের যে ছবি ভাইরাল

কর্তৃক daily satkhira

খেলার খবর: এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের কাছে হেরে আরও একবার খুব কাছে গিয়েও ট্রফি ছোঁয়া হলো না টাইগারদের। খেলায় জয়-পরাজয় থাকবে, তাই এটা মেনে নিতে খুব একটা কষ্ট হওয়ার কথা নয় বাংলাদেশেরও। কিন্তু খেলার মাঠে তো আর প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াতে পারেন না ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আম্পায়াররা। দুঃখজনক হলেও সত্য, এমন ঘটনাই ঘটে সব বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এবং যখন আবার তাদের প্রতিপক্ষ থাকে ভারত। ২০১৫ সালের রোহিত শর্মাকে আউট না দেওয়ার দগদগে ক্ষতটা এখনও বাংলাদেশিদের পীড়া দেয়। সেটাই রেশ কাটতে না কাটতে আবারও আম্পায়ারদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বলি সেই বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষও সেই ভারত।

এশিয়া কাপের ফাইনালে দুর্দান্ত সূচনার পর দ্রুত উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল বাংলাদেশ, তখন সৌম্য সরকারের সঙ্গে জুটি গড়ে প্রতিরোধের আভাস দিচ্ছিলেন লিটন দাস। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লিটন দাসকে কোনোভাবেই যখন ভারতীয় বোলাররা পরাস্ত করতে পারছিল না। চার-ছক্কার ফুলঝুড়িতে সেঞ্চুরি করা সেই লিটন দাসের ওপরই নেমে এলো আম্পায়ারের খড়গ। ৪১তম ওভারের শেষ বলে (কুলদীপ যাদবের) এগিয়ে মারতে চেয়েছিলেন লিটন।

টিভি রিপ্লাইয়ে দেখা গেছে, প্রথম পর্যায়ে পা ঠিক না থাকলেও ধোনি বল স্ট্যাম্পিং করার আগে নিরাপদে পা ছিল লিটন দাসের। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে থার্ড আম্পায়ার লিটন দাসকে আউট ঘোষণা করেন। এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে। শুধুই কি এতটুকু, না ভারতকে জেতানোর জন্য আরও কিছু করা হয়েছে, এসব খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন ক্ষুব্ধ বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীরা। ইতোমধ্যে আর দু’একটি বিতর্কিত বিষয় খুঁজে বের করেছেন তারা। ম্যাচের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে জাদেজার ব্যাট ছুঁয়ে মুশফিকের হাতে গেলেও আউট না দেওয়া আরেকটি ইস্যু। যদিও হাতে রিভিউ ছিল বলে বাংলাদেশ তা কাজে লাগিয়ে জাদেজাকে সাজঘরে পাঠায়। কিন্তু ব্যাটে লাগার শব্দ সবাই শুনতে পেলেও মাঠের দুই আম্পায়ার কেন শুনতে পেলেন না? নাকি শুনেও না শোনার ভান করেছিলেন- সেটা নিয়েও প্রশ্ন নেটিজেনদের।

এরই মধ্যে একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ম্যাচ শুরুর আগে দু’দলের খেলোয়াড়রা যখন পাশাপাশি দাঁড়িয়েছিলেন, তখন ট্রফিটা মাঝামাঝি না রেখে ভারতের দিকে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। যা নিয়ে নেটিজেনদের মন্তব্য করছেন, ট্রফি তো ম্যাচ শুরুর আগেই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মাঠে শুধু ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতা। সেটার পথে যখন লিটন দাস বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন তাকে সরিয়ে দেওয়ার এর চেয়ে উত্তম পথ আর খোলা ছিল না। মোড়ল বলে কথা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেট ভক্তদের হৃদয় আমরা জয় করে নিয়েছি : মাশরাফি

খেলার খবর: গতবারের মতো এবারও এশিয়া কাপের ফাইনাল জিততে পারল না টাইগাররা। শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করেছে তারা। কিন্তু ভাগ্যটাই হয়তো বাংলাদেশের পক্ষে ছিল না। তাই এবারও তিন উইকেটে হেরে স্বপ্নভঙ্গ টাইগারদের।
তবে মাশরাফি মনে করেন, দুবাইয়ে তার দল যে ক্রিকেট নৈপুণ্য দেখিয়েছে তা ক্রিকেট ভক্তদের মন জয় করে নিয়েছে।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি অনেকের হৃদয় আমরা জয় করে নিয়েছি। শেষ বল পর্যন্ত আমরা লড়াই করেছি। কিন্তু আমরা আজ মাঠে প্রচুর ভুল করেছি- ব্যাটিংয়ে এবং বোলিংয়েও।
এদিন টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারতকে ২২৩ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় শেষ বল পর্যন্ত ভারতকে জয়ের জন্য লড়াই করতে হয়। সে জন্য দলের বোলারদেরও কৃতিত্ব দিয়েছেন মাশররাফি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতিসংঘে শহিদুল আলমসহ ৬ সাংবাদিকের মুক্তি দাবি

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলমসহ ৬ সাংবাদিকের মুক্তি দাবিতে ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জাতিসংঘে চলতি ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনের পাশাপাশি প্যানেল ডিসকাশন হয়েছে। জাতিসংঘ ভবনের ইকসোক মিলনায়তনে এ শুনানির আয়োজন করে সারাবিশ্বের পেশাদার সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কর্মরত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস(সিপিজে)।
স্বাধীন সাংবাদিকতায় প্রতিকূল পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এ সময়। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরতার তথ্য সংগ্রহ করার সময় গ্রেফতার হওয়া রয়টার্সেরর সাংবাদিক ওয়া লোন এবং কিয়াউ সো ও, কিরগিস্তানের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী আজিমজন আসকারভ, মিশরের ব্লগার আলা আবদেলফাত্তাহ এবং ফটো-সাংবাদিক মাহমুদ আবু যায়েদ এবং বাংলাদেশের ফটোসাংবাদিক শহিদুল আলমের গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয় এ আলোচনায়।
শুনানিতে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতি উদাত্ত আহবান জানানো হয়, স্বাধীন সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার জন্যে।
এ আলোচনার অন্যতম প্যানেলিস্ট সিপিজের নির্বাহী পরিচালক জুয়েল সাইমন বলেন, আজ আমরা যে সব সাংবাদিকের মুক্তি দাবিতে কথা বলছি, তারা নিজের জীবন বিপন্ন জেনেই নিজ দেশবাসী তথা গোটাবিশ্বের কাছে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন করছিলেন। সাংবাদিকদের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু প্রচার ও প্রকাশে বাধা প্রয়োগে সংশ্লিষ্টরা সফলও হচ্ছে। আর এর মধ্য দিয়ে সর্বসাধারণের কাছে সত্যিকারের তথ্য পরিবেশনের যে অধিকার তা ব্যাহত করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি জাতিসংঘ উপেক্ষা করতে পারে না।

মিয়ানমারের সংবাদ সংগ্রহের সময় গ্রেফতার হওয়া রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এদের জন্যে আইনগত লড়াই চালনাকারী ব্যারিস্টার অামাল ক্লুনি বলেন, প্রায় এক বছর হলো এই দুই সাংবাদিক তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। তাদেরকে সাজানো মামলায় আদালতে হাজির করা হয়। তাদেরকে দণ্ড প্রদানের ঘটনাটি সভ্য সমাজকে বিস্মিত করেছে। এখন তাদের মুক্তির ব্যাপারটি নির্ভর করছে মিয়ানমার প্রশাসনের ওপর।

রয়টার্সের প্রধান সম্পাদক স্টিফেন জে এডলার জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের কাছে উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন গ্রেফতারকৃত সাংবাদিকদের মুুক্তির জন্যে। স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ ব্যাহত করা হলে তার পরিণাম কারো জন্যেই শুভ হবে না বলেও মন্তব্য করেন এডলার।

এর আগের দিন অর্থাৎ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের সময় বাইরে শহিদুল আলমের গ্রেফতারের নিন্দা ও অবিলম্বে মুক্তি দাবিতে একটি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশিদের সঙ্গে আমেরিকানরাও অংশ নেন।

সদর দফতরের প্রধান প্রবেশ পথের সামনে ফার্স্ট এভিনিউ এবং ৪৭ স্ট্রিটের কর্নারে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শহিদুল আলমের মুক্তির দাবি সংবলিত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়। এ সময় স্লোগান উঠে, ‘হোয়াট ডু উই ওয়ান্ট-ফ্রি শহিদুল’, হোয়েন ডু উই ওয়ান্ট-নাউ’। বিক্ষোভ চলাকালে দেশাত্মবোধক সংগীতও পরিবেশন করেন অংশগ্রহণকারিরা। বিক্ষোভে শহিদুল আলমের বোন শামীমা খানসহ পরিবারের চার সদস্যও অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাজায় ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে শিশুসহ নিহত ৬ ফিলিস্তিনি

বিদেশের খবর: অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে ৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরো ৫০৬ জন। গতকাল শুক্রবার ‘গ্রেট মার্চ অফ রিটার্ন’-এর অংশ হিসেবে ইসরাইল সংলগ্ন সীমান্তে বিক্ষোভে নামে ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা। টানা ২৭ সপ্তাহ ধরে প্রতি শুক্রবার সীমান্ত অঞ্চলে বিক্ষোভ করে আসছে তারা।
১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার সময় সেখান থেকে লাখ লাখ ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করে দেওয়া হয়। শরণার্থী এই বছরের মে মাস থেকে নিজের পিতৃপুরুষের ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকারের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে আসছে সেসব শরণার্থীর বংশধররা। ৩০ মে থেকে প্রতি শুক্রবার এই বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে তারা। এখন পর্যন্ত বিক্ষোভে নিহত হয়েছে অন্তত ১৮০ ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছে ১৮ হাজারের বেশি।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবারের বিক্ষোভে ইসরাইলী বাহিনীর গুলিতে নিহতদের মধ্যে দুই বালক রয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামাস নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে রকেট হামলা চালানোর পর তারা গুলি চালায় এবং বিমান থেকে হামলা করে। -আল জাজিরা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নওয়াজের মহিষ নিলামে তুললেন ইমরান খান
বিদেশের খবর: গাছের মধ্যে বাঁধা রয়েছে গোটা আট মহিষ। সেগুলোকে দেখতে ভিড়ও জমিয়েছেন প্রচুর মানুষ। কেউ কেউ বেশ খুঁটিয়ে দেখছেন মহিষগুলোকে। হাত কয়েক দূরেই হাঁকডাক চলছে মহিষের দর নিয়ে। এক লাখ, দুই লাখ করে দাম বাড়ছিল। স্থান পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন চত্বর।
বাসভবনের পেছনের খোলা একটি জায়গায় এভাবেই চলছিল মহিষের নিলাম। ২০১৪ সালে মহিষগুলো কিনেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। সরকারি ব্যয় কমাতে সেই মহিষগুলোই বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সূত্র- এনডিটিভি।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে মাশরুমের স্যুপ

অনলাইন ডেস্ক: আপনার প্রিয় রান্নাগুলোর মধ্যে অন্যতম হতে পারে স্যুপ। শুধু খেতে ভালো বলেই নয়, এই স্যুপ আপনার স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। নানা রকমভাবে বানানো যেতে পারে স্যুপ।
আপনি সবজি ভালবাসলে স্যুপে গাজর, পেঁয়াজ কলি, ডাল, মিষ্টি আলু যোগ করতে পারেন। মাংস প্রেমীরা মুরগি, মাটন, পর্ক দিয়েও বানাতে পারেন স্যুপ। সবুজ শাক ও হলুদ দিয়ে মাশরুমের স্যুপ। মাশরুম ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এতে আছে সেলেনিয়াম যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন সবুজ শাক ও হলুদ দিয়ে মাশরুমের স্যুপ।

উপকরণ
২ কাপ শিটেক এবং কাটা বাটন মাশরুম, ১ পেঁয়াজ, কাটা, ৬ টা কাটা রসুন ১ ইঞ্চি কাটা হলুদ কন্দ, লবণ ও মরিচ স্বাদ অনুযায়ী, ১ টা কাটা বোক চয় ১/২ কাপ কুচোনো পেঁয়াজকলি।

যেভাবে তৈরি করবেন
১০ মিনিট ধরে তেল গরম করে নিয়ে পেঁয়াজ, রসুন এবং মাশরুম ভাজুন। হলুদ এবং সিজনীং যোগ করে ৩ কাপ পানি দিন। ৩০ মিনিটের জন্য ফুটিয়ে সবুজ সবজি মিশিয়ে দিন। ১০ মিনিটের জন্য গরম করে নিয়ে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যশোরে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

অনলাইন ডেস্ক: যশোর শহরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে সোহাগ হোসেন নামে এক যুবক খুন হয়েছেন।
শুক্রবার দিনগত রাতে শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সোহাগ কাজীপাড়া এলাকার মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
নিহতের ভাই সমরাজ জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাজীপাড়া আমতলায় মনিরের বাড়ির সামনে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা সোহাগকে ছুরি মেরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তার আগেই সোহাগের মৃত্যু হয়।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কাজল মল্লিক জানান, রাত পৌনে ১টার দিকে সোহাগকে হাসপাতালে আনা হয়। কিন্তু তার আগেই মৃত্যু হয়েছে যুবকের। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা গেছেন সোহাগ।
যশোর কোতয়ালী থানার এসআই শাহাজুল সোহাগ জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়েছি। তবে কারা কী কারণে তাকে খুন করেছে, তা এখনও জানা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সংসদে প্রতিনিধিত্বকারীদের নিয়েই নির্বাচনকালীন সরকার’

দেশের খবর: আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে একটি সরকার গঠন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে শেখ হাসিনার অংশগ্রহণ সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি বিরোধী দলীয় নেত্রীর (রওশন এরশাদ) সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছি। তারা যদি চান আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সব রাজনৈতিক দল যদি চায় তাহলে আমরা তাদের প্রতিনিধি নিয়ে সরকার গঠন করতে পারি। তারা ক্ষমতাসীন অথবা বিরোধী দল কিনা সেটা কোনো বিষয় না। তবে নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে এখানে কোনো সংজ্ঞা নেই।’
সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার আত্মজীবনী প্রকাশের পেছনে কারা রয়েছে তা খুঁজে বের করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে জানি, কিন্তু আমি আপনাদের বলব না। বরং আমি আপনাদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাই এবং আমি চাই এ বই প্রকাশের পেছনে কারা রয়েছে তা আপনারা খুঁজে বের করবেন।’
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিচারপতি সিনহার একটি আত্মজীবনী সম্প্রতি আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। এতে সাবেক প্রধান বিচারপতি তার পদত্যাগের বিভিন্ন কারণ তুলে ধরেছেন।
‘এ ব্রোকেন ড্রিম : রুল অব ল,’ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’শীর্ষক এ বইয়ের কপিরাইট হচ্ছে ললিতমোহন- ধনাবাতি মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের নামে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবের কথা রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ বইয়ের পাণ্ডুলিপি কতবার বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে আনা হয় তা সাংবাদিকদের খুঁজে বের করতে হবে। এ বই প্রকাশনায় কারা অর্থ দিয়েছে এবং আপনাদের মতো কোনো সাংবাদিক এর সঙ্গে জড়িত কিনা এবং কী পরিমাণ অর্থ দিয়েছে তা অনুগ্রহ করে উন্মোচন করুন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো বড় আইনজীবী এ বইয়ের পান্ডুলিপি সংশোধন করে দিয়েছেন কিনা অথবা কোনো সংবাদপত্র অথবা মালিক এর পৃষ্ঠপোষক কিনা তা আপনারা খুঁজে বের করুন।’

যুক্তরাষ্ট্রে সিনহার ভাইয়ের নামে একটি বাড়ি ক্রয় সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে বাড়ি কেনা কঠিন কিছু নয়। বিপুল দামের কারণে বাংলাদেশে কেনা কঠিন। অর্থ জমা করলে যুক্তরাষ্ট্রে যেকোনো ব্যক্তি বাড়ি কিনতে পারেন।
শেখ হাসিনা বলেন, কে এবং কীভাবে এ বাড়ি ক্রয় করেছে সে ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। আপনারা খুঁজে বের করুন এবং তথ্য দিন। যদি কোনো ব্যক্তি এ ব্যাপারে দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধ এখন একটি আলোচ্য বিষয়। সব দেশ এ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে এ আইন প্রণয়ন করেছি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নয়। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের পর সাইবার অপরাধ এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সাংবাদিকদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা সবসময় আইনের শুধু একদিক দেখেন।’ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদেও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবাই এ ব্যাপারে শঙ্কিত। কারণ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী কার্যক্রমকে সাইবারের মাধ্যমে উস্কে দেয়া হয়।’
‘শিশু থেকে তরুণ পর্যন্ত সবাই যখন ভুল পথে চলে যাচ্ছে অথবা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে, তখন বিভিন্ন সামাজিক ও ডিজিটাল মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য কিনা‘ প্রশ্ন করেন।
তিনি বলেন, ‘যদি কোনো সাংবাদিক সুষ্ঠু সাংবাদিকতার চর্চা করেন তাহলে তিনি কেন শঙ্কিত হবেন?’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এ সময় মঞ্চে ছিলেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ-বিন-মোমেন সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest