সর্বশেষ সংবাদ-
নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণতালার নুরু বিশ^াস ও যুব জামায়াতের নেতা ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অন্যের ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগজেলা পরিষদের প্রশাসক কে সারসা বাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শুভেচ্ছাসাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিললেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই প্রবাসীর মরদেহ সাতক্ষীরায় : শোকের ছায়াসাতক্ষীরায় সীমানা পিলার উদ্ধার আটক -৪সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সামনে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দোকান ঘর দখলের অভিযোগ 

সমালোচনার ভয়ে জাতিসংঘে গেলেন না সুচি

বিদেশের খবর: রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এবারও জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন বর্জন করেছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি। তার পরিবর্তে এবারের অধিবেশনে বর্মী প্রতিনিধি দলের নের্তৃত্ব দিচ্ছেন স্টেট কাউন্সিলর কার্যালয়ের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী টিন্ট শোয়ে। খবর নিউইয়র্ক টাইমস, আল-জাজিরা ও মিয়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের।

এর আগে ২০১৭ সালের জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনও বয়কট করেন মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি এই নেত্রী। অধিবেশনে কয়েক দিন আগে মিয়ানমার জানিয়ে দেয় সুচি যাচ্ছেন না। তবে এ ব্যাপারে কোন কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

মিয়ানমারের রাখাইনে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিহত হয় বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। ২০১৮ সালের আগস্টে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয় এ অভিযানের পর থেকে প্রায় ৭ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানে গণহত্যার উপাদান রয়েছে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ বিষয়ে এরই মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখন প্রবল আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে চাপে পড়েছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অং সান সুচিও। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের সমালোচনার ভয়েই জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন বয়কট করেছেন সুচি।
তবে জাতিসংঘে না যাওয়াটা সমালোচনার ভয়ে নয় বলে দাবি করেছে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল। দলটির মুখপাত্র অং শিন আল-জাজিরাকে বলেন, ‘তিনি কোন সমালোচনার ভয়ে ভীত নন, হয়তো সুচি ভেবেছেন মিয়ানমারে অবস্থান করলে তিনি আরও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয়ে কাজ করতে পারবেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক: পর্তুগালের ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে এবার ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক মার্কিন নারী। শুধু তাই নয়, ওই ঘটনা চেপে যাওয়ার জন্য অভিযোগকারীনীকে প্রায় ৩ কোটি ১১ লাখ টাকা দিয়েছিলেন বলে খবর প্রকাশ করে জার্মানির একটি সংবাদমাধ্যম।
খবরে বলা হয়, ৩৪ বছর বয়সী ওই নারীর নাম ক্যাথরিন মায়ারগা। তার দাবি, ২০০৯ সালে ছুটি কাটাতে লাস ভেগাসে গিয়েছিলেন রোনালদো। সেখানে একটি হোটেলে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন পর্তুগাল অধিনায়ক। সন্ধ্যায় একটি পার্টিতে অংশ নেওয়ার পরে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ক্যাথরিন।
জার্মানির সংবাদমাধ্যমটি ক্যাথরিনের বক্তব্যের একটি ভিডিও প্রকাশ করে এই অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে ডয়েচে ভেল জানায়, রোনালদোর আইনজীবী খ্রিস্টান স্কার্টজ বলেন, অভিযোগটি সত্য নয়। জার্মানির সংবাদমাধ্যমটি কোনো যাচাই না করে শুধুমাত্র ভিত্তিহীন খবর প্রকাশ করেছে। ওই সংবাদমাধ্যমকে আইনি নোটিস পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছে রোনালদোর পক্ষে।
এদিকে ক্যাথরিনের আইনজীবী দাবি করেছেন, যে আর্থিক চুক্তি হয়েছিল তার শর্তপূরণ করা হয়নি। তাছাড়া তার মক্কেলের সঙ্গে সেই শারীরিক সম্পর্কের জন্য প্রচুর শারীরিক সমস্যা হয়েছে। সেকারণেই তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে: মিয়ানমার

বিদেশের খবর: জাতিসংঘে দেয়া ভাষণে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর কার্যালয়ের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী টিন্ট শোয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের কাছে ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট।
টিন্ট শোয়ে বলেন এ পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ৩টি চুক্তি করেছি। তবু দেশটি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
রোহিঙ্গা বিরোধী সামরিক অভিযানে গণহত্যার উপাদান রয়েছে দাবি করে জাতিসংঘের দেয়া রিপোর্টেরও সমালোচনা করেন মিয়ানমারের এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিবেদনটি শোনা কথার উপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়েছে। এতে কোন প্রমাণ নেই।
এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেন, ‘মিয়ানমার চুক্তি করলেও তা বাস্তবায়ন না করে কালক্ষেপণের কৌশল নিয়েছে’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘এ এশিয়া কাপটাই বাংলাদেশের কাছে সেরা’

খেলার খবর: দুবাইয়ে কাল এশিয়া কাপের ফাইনালে ৩ উইকেটে হেরে আরও একবার ফাইনাল হারের যন্ত্রণা পোহাতে হয়েছে বাংলাদেশকে। শিরোপা জিততে পারলে নিশ্চিত ৫৬ হাজার বর্গ মাইলে আনন্দের ঢেউ উঠত। সেটি হয়নি, দুর্দান্ত খেলে তবুও এবারের এশিয়া কাপটা মনে রাখার মতো অনেক কিছুই করেছেন মাশরাফিরা। হারের যন্ত্রণার মধ্যেও বিশ্লেষকদের চোখে তাই এই প্রাপ্তিগুলো বড় হয়ে উঠেছে।

আরও একটি ফাইনাল হার, স্বাভাবিকভাবে আফসোস, আক্ষেপে পুড়ছে বাংলাদেশ। যদি দৃষ্টিটা আরও ছড়িয়ে দেন, এই টুর্নামেন্টে প্রাপ্তির ডালিটা একেবারে শূন্য নয়, বরং সেখানে অনেক মণি–মুক্তায় ভরা! কঠিন কন্ডিশনে রাজ্যের ভ্রমণ ধকল সামলে চোটজর্জর একটা দল তাদের গুরুত্বপূর্ণ দুজন খেলোয়াড়কে হারিয়ে ফেলার পরও ফাইনালে উঠেছে। বিশ্ববিখ্যাত ব্যাটিং লাইনআপের সামনে ২২৩ রানের লক্ষ্য দিয়েও শেষ পর্যন্ত লড়েছে। শিরোপা ছুঁয়ে দেখার সুযোগ হয়নি। তবুও এই এশিয়া কাপটা কেন বাংলাদেশের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, সেটিই বিশ্লেষণ করেছেন হাবিবুল বাশার, খালেদ মাসুদ ও শাহরিয়ার নাফীস—

হাবিবুল বাশার, সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে নির্বাচক
‘এই এশিয়া কাপটাই সেরা বলব। সূচিটা অনেক কঠিন ছিল, আমরা ফাইনাল খেলেছি এক দিনের বিরতিতে। ভারত সেখানে দুই দিনের বিরতি পেয়েছে। এটা কিন্তু খেলায় অনেক প্রভাব ফেলে। কন্ডিশনের কারণেই ফেলে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দলটা চোটজর্জর। তামিম (ইকবাল) নেই, সাকিব (আল হাসান) সবশেষ দুইটা ম্যাচ খেলতে পারেনি। মূল একাদশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়কে ছাড়াই খেলতে হয়েছে আমাদের। এমনিতে প্রচণ্ড গরম, এর মধ্যে ছিল ভ্রমণ ঝক্কি। দুবাই থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের আবুধাবি থেকে রাত তিনটায় খেলে ফিরেছে। এক দিন পর আবার খেলতে নামতে হয়েছে। ফাইনালে প্রতিপক্ষকে অতটা ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।
গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তানের কাছে আমরা যে ম্যাচটা হেরেছি, সেটা নিয়ে ভাবি না। পরের ম্যাচে আমাদের একাদশ তৈরিই ছিল মূল ভাবনা। সুপার ফোরে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটাই শুধু খারাপ করেছি। বাকি ম্যাচগুলো তো আমরা ভালো খেলে জিতেছি। যে জিনিসটা সবচেয়ে খারাপ লাগে, প্রথম ম্যাচ জেতার পর মনে হলো আমরা যুদ্ধে জিতেছি। খেলোয়াড়েরা সবাই জাতীয় বীর! পরের দুইটা ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর আমাদের সিস্টেম খারাপ হয়ে গেল, ক্রিকেট বোর্ড খারাপ হয়ে গেল! বলা হলো, আমাদের হাতে পর্যাপ্ত বিকল্প খেলোয়াড় নেই। এই নেই, সেই নেই! এগুলোই সবচেয়ে খারাপ লাগে। অনেকে আমাদের খেলোয়াড়দের দেশপ্রেম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তখন। এই পারফরম্যান্সের পরও যদি দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, তাহলে বলার কিছু নেই। সাকিব-তামিম না থাকার পরও বাংলাদেশ যে খেলাটা খেলেছে, অনেক তৃপ্ত।
আমরা আশা করেছিলাম কাল ভারতের যে ব্যাটিং লাইনআপ, তাতে ২৮০-২৯০ করতে হবে। পরে দেখলাম ২২২ করেছি, আর ২০টা রান বেশি করতে পারলে ম্যাচের গল্প অন্য রকম হতো। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এ অবস্থায় আমরা কিন্তু হাল ছেড়ে দিইনি। সব সময় বলা হয়, পাকিস্তান বোলিংয়ে অনেক শক্তিশালী। কাল যে উইকেটে খেলা হয়েছে, এই উইকেটে ভারত কিন্তু ওদের উড়িয়ে দিয়েছে। সব সময়ই নেতিবাচক দিক না খুঁজে এবার বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। এই এশিয়া কাপটা সবার ওপরেই রাখব। আগের দুই এশিয়া কাপেও ফাইনাল খেলেছি। এটাকে এগিয়ে রাখব এই কারণে, এবার আমাদের ফাইনাল খেলতে হয়েছে অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়েরা যে চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে, অবশ্যই খুশি।’

খালেদ মাসুদ, সাবেক অধিনায়ক
‘বাংলাদেশ দলের ইতিবাচক দিক অনেক কিছুই আছে। একটা টুর্নামেন্ট খেললে আপনি ইতিবাচক অনেক কিছুই পাবেন। ইতিবাচক ছিল বলেই তো বাংলাদেশ ফাইনালে খেলেছে। যেমন শ্রীলঙ্কা দল অনেক নেতিবাচক ছিল বলে তারা সুপার ফোরেও উঠতে পারেনি। এবার আমাদের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার অধিনায়কত্ব। আমরা জানি, এই দলটা দাঁড়িয়ে আছে পাঁচ স্তম্ভের ওপর। এর মধ্যে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল নেই। সাকিব না থাকাটা বিরাট ক্ষতি, বাঁহাতি স্পিনের সঙ্গে টপ অর্ডারে তাঁর সার্ভিস, প্রতিপক্ষ সব সময়ই এমন খেলোয়াড় নিয়ে চাপে থাকে। ভালো খেলোয়াড় রান না–ও পেতে পারে, উইকেট না–ও পেতে পারে। তবে প্রতিপক্ষের জন্য সে সব সময়ই চাপের। কারণ, ক্রিকেট অনেকটাই মনস্তাত্ত্বিক খেলা।
ব্যাটিংয়ে শুধু মুশফিক ধারাবাহিক রান করেছে। মাহমুদউল্লাহ, মিঠুন, লিটনও ভালো খেলেছে। তবে ধারাবাহিকতা ছিল না। বোলিংয়ে অবশ্য মোস্তাফিজ ধারাবাহিক ভালো করেছে। যে ম্যাচগুলো জিতেছি, একেক ম্যাচে একেকজনের অবদান ছিল। মূল ঘাটতিটা ছিল দল হিসেবে খেলতে পারিনি আমরা। এরপরও দল যে ফাইনালে উঠেছে, ফাইনালে শেষ বল পর্যন্ত লড়েছে। তাদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। দল হিসেবে খেলতে পারলে ভবিষ্যতে ফাইনালে হারের দুঃখটা আর থাকবে না। তবে এর জন্য আরও ট্যাকটিক্যাল হতে হবে। এই পর্যায়ে এসে ব্যাটসম্যানদের সহজে উইকেট দেওয়া যাবে না। ভালো লার্নার হতে হবে, আজকের ভুলকে কাল শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। এখানে এখনো ঘাটতি রয়ে গেছে আমাদের, এটি উন্নতি করতে পারলে ভবিষ্যতে ফাইনাল জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হবে না।
সব মিলিয়ে আমরা এই এশিয়া কাপে ভালো খেলেছি। বোলিং বিভাগটা অসাধারণ করেছে। ফিল্ডিংও ভালো হয়েছে। তবে ব্যাটিংয়ে অনেক ঘাটতি ছিল। এক-দুজন জ্বলে উঠেছে প্রতি ম্যাচে। ব্যাটিংয়ে সম্মিলিত পারফরম্যান্স হলে অনেক খুশি হতাম। সব মিলিয়ে ভালো হয়েছে। খারাপ বলা যাবে না।’

শাহরিয়ার নাফীস, ওপেনার
‘ক্রিকেটে এশিয়া কাপটা চ্যাম্পিয়নস লিগ বা ইউরো ফুটবলের মতো। সারা বিশ্বই খেলে। ফুটবলের বেশির ভাগ শক্তিশালী দল ইউরোপে, ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন বা তাদের দর্শক বেশি। এশিয়া কাপও তা-ই। দর্শক, দল বা চ্যাম্পিয়ন সবকিছুই বেশি এই অঞ্চলে। এমন গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ গত চারবারের তিনবার শিরোপার জন্য লড়েছে। বড় গলায় বলতে পারি, বাংলাদেশ এখন এশিয়ার দ্বিতীয় শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানের চেয়ে আমরা অনেক বড় দল, সেটা প্রমাণ হয়েছে। এটাই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জন।
সাকিব-তামিম না থাকার পরও বাংলাদেশ ফাইনালে দুর্দান্ত লড়াই করেছে, এর অর্থ শক্তিশালী দল হিসেবে আমরা দাঁড়িয়ে গেছি। নির্দিষ্ট দু-একজনের ওপর নির্ভর না থেকে বাংলাদেশ যে দলগত পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভরশীল, সেটাও প্রমাণ হয়েছে। এই এশিয়া কাপটা আমাদের কাছে স্পেশাল হয়ে থাকবে। আমাদের অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ফাইনালে উঠতে হয়েছে। সবকিছু চিন্তা করলে এই এশিয়া কাপটা এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের কাছে সেরা এশিয়া কাপ।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন বিভাগে মহাসমাবেশের ঘোষণা ১৪ দলের

দেশের খবর: রাজশাহী, নাটোর ও খুলনা বিভাগীয় সমাবেশের পর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট।
শনিবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ১৪ দল আয়োজিত কর্মী সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।
তিনি জানান, ৯ অক্টোবর রাজশাহী, ১০ অক্টোবর নাটোর ও ১৩ অক্টোবর খুলনায় ১৪ দল বিভাগীয় সমাবেশ করবে। তারপর নেত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে।
তিনি বলেন, ওরা বলেছে অক্টোবর থেকে মাঠে থাকবে। অক্টোবর তোমাদের জীবনে আসবে না। ডিসেম্বরে নির্বাচনের আগে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠ গরম করব।
১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশ সঞ্চালন করেন ঢাকা মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক শাহে আলম মুরাদ।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাংলাদেশ জাসদ সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, জেপি মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন, বাংলাদেশ জাসদ সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাদেনের চেয়েও জনপ্রিয় তার মডেল ভাইঝি

অনলাইন ডেস্ক: ওসামা বিন লাদেন। এই নামটি শোনার পর বহু মানুষের মন আজও কেঁপে ওঠে। পশ্চিমা বিশ্বে যাকে সবাই ত্রাস বলেই চেনেন।
তবে অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ওসামা বিন লাদেনের চেয়েও তার ভাইঝিকে বেশি মানুষ চেনে। হ্যাঁ, এটা অবশ্য সত্য।
নাম ওয়াফা দুফোর। বর্তমান সময়ে মার্কিন মুলুকের এক নম্বর মডেল ওসামা বিন লাদেনের এই ভাইঝি। তিনি একের পর এক মার্কিন গ্ল্যামার হান্ট কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
সম্প্রতি মার্কিন একটি পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে ওয়াফা দুফোরের আসল পরিচয়। একই সঙ্গে ওয়াফা জানিয়েছেন, তার এই পরিচয়ে একদমই বিরক্ত নন তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে পাকিস্তানের অজ্ঞাতবাস থেকে মার্কিন সেনার হাতে নিহত হওয়ার পর থেকে ওসামা বিন লাদেনের সম্পর্কে একাধিক তথ্য জানা গেছে। লাদেনের একাধিক স্ত্রী ছিল বলে জানা যায়। লাদেনের প্রায় ৪০০ ভাইপো-ভাইঝি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। তার মধ্যে একজন ওয়াফা দুফোর। বর্তমানে তিনি মার্কিন মুলুকের এক নম্বর মডেল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে শ্যামনগর হাসপতালের প্যাথলজি বিভাগ 

আব্দুল আলিম শ্যামনগর : ডাক্তার নেই,নার্স সংকট,ঔষাধ নেই, নানামুখি সমস্যার মধ্য দিয়ে কোন রকমে দিন পার করছে শ্যামনগর হাসপতালটি। সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় এক্স- রে বিভাগটি দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ।প্যাথলজি বিভাগের দ্বায়িত্বে থাকা রাশেদুল ইসলাম রাশেদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আউটডোরে ব্যাপক রোগি হলেও আমাদের প্যাথলজিতে রোগি আসেনা, আসতে চাইলে আসতে দেয়া হয়না,কারন ডাক্তারের কাছ থেকে প্রিসকেপ্শন নিয়ে বাহিরে আসার সাথে সাথে বাহিরের প্যাথলজির লোকজন জোর করে রোগিদদের ধরে তাদের প্যাথলজিততে নিয়ে যায়। একারনে হাসপতালের প্যাথলজিতে রোগি কম হয়।তিনি আরো বলেন গত মাসে মাত্র আউটডোর থেকে রোগি এসেছিল ৩৫ জন।অথচ আউটডোরে রোগির সংখ্যাছিল ৪৩৩৬ জন ( চার হাজার তিন শত ছত্রিশ জন)। তিনি বলেন, প্যাথলজিতে আমি ছাড়া আরো জনের পদ রয়েছে খালি। পর্য্যাপ্ত ঔষাধ নাথলে ও প্রয়োজনীয় সকল ঔষাধ আছে।বিষয়টি নিয়ে কথা হয়, নতুন যোগদানকারী স্বাথ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুল গফফার। তিনি বলেন,আমি নতুন এসেছি, এখনও সব কিছু বুঝে উঠতে পারিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বেলজিয়াম বাংলাদেশের পাশে আছে

অনলাইন ডেস্ক: বেলজিয়াম হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভস-এর প্রেসিডেন্ট শিকফ্রেড ব্রেক বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা দ্রুত সমাধানে বেলজিয়াম বাংলাদেশের পাশে আছে এবং থাকবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তার সঙ্গে শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলজিয়াম পার্লামেন্টে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ কথা বলেন।
শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের জনসংযোগ দফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক ও মানবিক সব সূচকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অভূতপূর্ব। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত উন্নত দেশে পরিণত হবে।’
ড. শিরীন শারমিন বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নারীর এ অগ্রযাত্রা মাইলফলক হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে স্পিকার, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী, সংসদ উপনেতা ও বিরোধীদলের নেতা সকলেই নারী। জাতীয় সংসদে সর্বমোট ৭৩ জন নারী সংসদ সদস্যের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রশাসনিক,বিচারবিভাগীয় ও সামরিক বাহিনীতে নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এছাড়াও ব্যবসা বাণিজ্যেও নারী উদ্যোক্তাদের অবদান আজ দৃশ্যমান। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিশ্চিত হয়েছে জেন্ডার সমতা।
এ সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পী এমপি ও বেলজিয়ামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে স্পিকার ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টারি ডেলিগেশন ফর রিলেশনস উইথ কান্ট্রিস অফ সাউথ এশিয়া এর চেয়ার জেন ল্যাম্বার্ট এমইপি এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি জলবায়ু ইস্যূতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশিদারিত্বমূলক ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করতে এশিয়া-ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টারি পার্টনারশিপকে (আসেপ) শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে বলে এ সময় জেন ল্যাম্বার্ট উল্লেখ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest