সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

হেফাজত কখনো আমার শত্রু ছিল না: প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, হেফাজতে ইসলাম কখনো আমার শত্রু ছিল না। হেফাজতের কর্মীরা পড়াশোনা করে কওমি মাদ্রাসায়। আমি কওমি মাদ্রাসাকে মান দিয়ে তাদের উপকার করেছি। তারা এখন আমার জন্য দোয়া করছে। এখন তারা যদি আওয়ামী লীগে আসতে চান, আমি তাদের ধন্যবাদই জানাবো।
বুধবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরপর্বে ‘ শেখ হাসিনার প্রতি হেফাজতের আমির আল্লামা শফির সমর্থন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মুসলমানদের শিক্ষার যাত্রা শুরু হয় মাদরাসা দিয়ে আর হিন্দুদের টং থেকে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কওমি মাদ্রাসাগুলোতে ১৪ থেকে ১৫ লাখ ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখছে। তাদের ভবিষ্যৎ ছিল না। তারা কি করতো কোথায় যেত কোনো ঠিকানা ছিল না। আমি তাদের জন্য ভবিষ্যৎ ঠিকানা করে দিয়েছি।

মাতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতের তান্ডব চালানোর ঘটনা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, হেফাজত আমার শত্রু ছিল না। হেফাজতের ঘটনার রাতের আগে খালেদা জিয়া সবাইকে আহ্বান জানালেন আপনারা সবাই ঢাকা চলে আসেন। আমার মতো চেষ্টা করেছি পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য। ওই রকম পরিস্থিতি যেন বাংলাদেশে না ঘটে। খালেদা জিয়া তাকে ওপেন সমর্থন দিয়েছিলেন, জামায়াত আল্লামা শফীকে সমর্থন দিয়েছিল।

তিনি বলেন, ওই রাতে মতিঝিল শাপলা চত্বরসহ মানুষ যে টেনশনে ছিল তাদের তো টেনশনমুক্ত করেছি। এজন্য আমি তো ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। সে সময় অনেকে বলেছে আমি তো ধর্মই বিশ্বাস করি না। এ রকম একটা ভাবনা অনেকের মধ্যে ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদরাসা শিক্ষার ব্যাপারে বলবো যে, ওখানে লাখ লাখ ছেলে-মেয়ে পড়াশোনা করে। তাদের কোনো স্বীকৃতি ছিল না। তারা নিজেরা নিজেদের মতো করে জীবন যাপন করতো।আপনারা যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন, উপমহাদেশে শিক্ষার যাত্রা শুরু হয় মাদরাসা দিয়ে। হিন্দু ধর্মের জন্য টং থেকে। কাজেই এটাকে একবারে বাদ দেয়া যাবে না। কারণ ১৪ থেকে ১৫ লাখ ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া শিখছে। তাদের জন্য ভবিষ্যৎ ঠিকানা করে দিয়েছি।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ পরিষদে তার অংশগ্রহণ সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি জানান, এবারের সফরে তিনি রোহিঙ্গা সঙ্কট, সাইবার নিরাপত্তা, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী শিক্ষা এবং বৈশ্বিক মাদকদ্রব্য সমস্যা নিয়ে কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ ছাড়া তিনি ইউএস চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজ ও গোলটেবিল বৈঠকেও অংশ নেন।

এছাড়া নেদারল্যান্ডসের রানী ম্যাক্সিমা, এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালজুলেইদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেইও-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া সংবর্ধনা সভায়ও যোগ দেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাতে ঘুমানোর আগে পানি পান করবেন যেসব কারণে

অনলাইন ডেস্ক: পানিশূণ্যতা হলে যে, একাধিক শারীরিক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তাই রাতে ঘুমোতে যাওয়া আগে বেশি নয়, মাত্র এক গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। তবে এমনটা করা যদি শুরু করেন, তাহলে যে শুধু দেহের ভেতরে চাহিদা মিটবে, তাই নয়। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু শারীরিক উপকার মিলবে, যেমন:-

১. মানসিক অবসাদের মতো সমস্যা দূরে থাকে: রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে পানি পান না করলে দেহের ভেতরে এত মাত্রায় পানির ঘাটতি দেখা দেয় যে, যা ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে যুক্ত হয় অ্যাংজাইটিও। তাই এমন ঘটনা যাতে না ঘটে তা সুনিশ্চিত করতেই ঘুমতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, এমন অভ্যাস করলে মন-মেজাজ তো চাঙ্গা হয়ে ওঠেই, সেই সঙ্গে ঘুমও বেশ ভল মতই হয়।

২. শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে রাত্রিরে শুতে যাওয়ার আগে কম করে এক গ্লাস পানি পান করলে পেশি এবং জয়েন্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, সেই সঙ্গে এনার্জি লেভেলও বাড়ে। শুধু তাই নয়, দেহের ভেতরে পানির ঘাটতি মেটার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হরমোনের ক্ষরণও ঠিক মতো হতে শুরু হয়। ফলে সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠতে যে সময় লাগে না।

৩. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: বেশ কিছু কেস স্টাডির পর একথা প্রমাণিত হয়েছে যে, রাত্রে শোওয়ার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়। ফিরে আসে আদ্রতা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিন উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে বলিরেখাও কমতে শুরু করে।

৪. সারা শরীরে রক্ত চলাচলের উন্নতি ঘটে: রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে পানি খেতে পারলে আরেকটি উপাকার পাওয়া যায় তা হল, সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের ভাইটাল অর্গ্যানদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ধমনীতে জমে থাকা বর্জ পদার্থও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা বহালের দাবিতে আন্দোলনকারীদের পাশে থাকবে ছাত্রলীগ

অনলাইন ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালের দাবিতে শাহবাগে আন্দোলনরতদের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।
বুধবার (০৩ অক্টোবর) রাতে শাহবাগে অবস্থান নেওয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের অবস্থান কর্মসূচিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
গোলাম রাব্বানী শাহবাগ মোড়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করতে এলে মুক্তিযুদ্ধ সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আতিকুল ইসলাম বাবু গোলাম রাব্বানীকে একাত্বতা ঘোষণা করতে বলেন। পরে তিনি তাদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
এসময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই যৌক্তিক আন্দোলনে ছাত্রলীগ আপনাদের পাশে থাকবে। তবে সড়ক অবরোধ করে জনগণকে দুর্ভোগে না ফেলার জন্য আন্দোলনকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারকেল তেলের বিস্ময়কর কিছু ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক: আমরা সাধারণত চুলের যত্নে ব্যবহার করি নারকেল তেল। কেউ কেউ আবার ত্বক পরিচর্চার জন্যও ব্যবহার করে এটি। তবে এখানেই এর পুষ্টিগুণ শেষ নয়। নারকেল তেলকে বলা হয় ‘মিরাকেল অয়েল’। কারণ চুল কিংবা ত্বক পরিচর্চার পাশাপাশি অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধান করে থাকে এই নারকেল তেল। চলুন জেনে নেই নারকেল তেলের এমনই অজানা কিছু ব্যবহার।

১। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে বগলে কিছু পরিমাণ নারকেল তেল ম্যাসাজ করে লাগান। নারকেল তেলে থাকা উপাদান ঘাম শুষে নেয়, যা দুর্গন্ধ হওয়া রোধ করে।

২। হজমের সমস্যা দূর করতে
নারকেল তেলে কিছু উপকারি ফ্যাট রয়েছে। এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান পাকস্থলীর ইনফেকশন দূর করে। ফলে হজমের সমস্যা দূর হয়।

৩। অনিদ্রা দূর করতে
ঘুমের সমস্যা দূর করে দেবে নারকেল তেল। প্রতিদিন তিন টেবিল চামচ বিশুদ্ধ নারকেল পান করুন। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া ঠিক রাখে। যা আপনাকে ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

৪। ছোটখাটো জ্বালাপোড়া
হঠাৎ করে হাত পুড়ে গেলে সেখানে কিছু পরিমাণ নারকেল তেল ব্যবহার করুন। দেখবেন জ্বালাপোড়া অনেকটা কমে গেছে। কিছুক্ষণ পর পর পুড়ে যাওয়া স্থানে নারকেল তেল ব্যবহার করুন।

৫। এ্যার্নাজি বৃদ্ধিতে
খাবার উপযুক্ত নারকেল তেল প্রতিদিন খেলে তা দেহের এনার্জি বৃদ্ধি করে। এছাড়া নারকেল তেলের থাকা অ্যাসিড মস্তিষ্ক রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। তবে রান্নায় বিশুদ্ধ নারকেল তেল ব্যবহার করা উচিত।

৬। ব্যথা প্রশমিত করতে
জয়েন্টের ব্যথা কিংবা হাঁটু ব্যথাতে কুসুম গরম নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

৭। ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে
ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে নারকেল ব্যবহার করা হয়। লোশন ব্যবহার না করে ত্বকে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং রিংকেল দূর করে দেয়।

৮। বলিরেখা দূর করতে
বলিরেখা এবং রিংকেল প্রতিরোধ করতে নারকেলের জুড়ি নেই। দিনে দুইবার ত্বকে নারকেল তেল ম্যাসাজ করে লাগান। এটি নিয়মিত করুন। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বলিরেখা পড়া রোধ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোনালদোর প্রভাব রিয়ালে সূর্যের মতো বিস্তৃত ছিল: নাভাস

খেলার খবর: বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর থেকেই নানা আলোচনা-সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটি। এরই মধ্যে রাশিয়ার লুঝনিকি স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে মস্কোর কাছে ১-০ গোলে হেরে গেছে রিয়াল। মস্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পরপর তিন ম্যাচে কোন গোল করতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। এমন পরিস্থিতির আবারও সামনে চলে এসছে রোনালদো প্রসঙ্গ।
রোনালদো ছাড়া রিয়াল মাদ্রিদ কতটা এলোমেলো তা এরই মধ্যে পরিষ্কার হয়ে গেছে। দলে রোনালদোর অভাবের কথা অস্বীকার করা কঠিন। রোনালদোর সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ কেইলর নাভাসও মানছেন সেটা। তার মতে রোনালদোর প্রভাব রিয়াল মাদ্রিদে সূর্যের মতো বিস্তৃত ছিলেন, ‘রোনালদো গোলবারটাকে অনেক বড় করে রেখে গেছেন। এটা গোপন কিছু না। আপনি চাইলেই সূর্যকে এক আঙুল দিয়ে ঢাকতে পারবেন না। তবে রোনালদো এখন আমাদের অতীত। আমরা তাকে নিয়ে আর ভাবছি না।’
উল্লেখ্য, রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদে নয় বছর কাটিয়ে এসেছেন। ক্লাবের হয়ে ক্যারিয়ারে সবকিছু জিতেছেন তিনি। এরপর রিয়াল ছেড়ে জুভেন্টাসে গেছেন পর্তুগিজ তারকা। তার দল ছাড়ার পরই হতশ্রী রিয়ালের দেখা মিলেছে। নতুন কোচ লোপেতেগুইয়ের অধীনে বেল-বেনজেমার জুটিতে দারুণ মৌসুম শুরু করে রিয়াল। এরপর পথ হারায় লস ব্লাঙ্কোসরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেইমারের হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল রেড স্টার বেলগ্রেড

খেলার খবর: চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। সঙ্গে অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এডিনসন কাভানির গোলে রেড স্টার বেলগ্রেডকে ৬-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে পিএসজি।
বুধবার নেইমাররা প্যারিসে শক্তির বিচারে যোজন যোজন এগিয়ে থাকা পিএসজি প্রথমার্ধেই ৪ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ২০ মিনিটে ২২ গজ থেকে নেওয়া নেইমারের ফ্রি কিকে প্রথম গোলের দেখা পায় প্যারিসের ক্লাবটি। ঠিক তার দুই মিনিট পর এমবাপ্পেকে বল এগিয়ে দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ডান পায়ের শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার।
প্রথমার্ধে আরও দুটি গোলের দেখা পান নেইমাররা। এর মধ্যে ৩৭তম মিনিটে ডি-বক্সে দুজনকে কাটিয়ে কাভানির শট আরেক জনের পায়ে লেগে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৩-১ এ। আর ৪১তম মিনিটে তমা মুনিয়ের বাড়ানো ক্রসে ফ্লিক থেকে লক্ষ্যভেদ করেন অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া।
বিরতির পর পিএসজির গোল উৎসবে যোগ দেন ফ্রান্সের বিস্ময় বালক এমবাপ্পে। ৬৯ মিনিটে তার গোলের পর দিশেহারা হয়ে পড়ে গোটা রেড স্টার বেলগ্রেড। আর ৮১ মিনিটে রেড স্টারের কফিনে শেষ পেরেকটা ঢুকান ব্রাজিলিয়ান তারকা। ৮১ মিনিটে আবার মানব প্রাচীরের উপর দিয়ে রংধনু ফ্রি কিকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।
রেড স্টার বেলগ্রেডের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন মার্কে ম্যারিন। এর আগে লিগের প্রথম ম্যাচে লিভারপুলের মাঠে ৩-২ গোলে হেরেছিলেন নেইমাররা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘জোঁক থেরাপি’ সারাবে ক্যান্সার, নিয়ন্ত্রণে রাখবে ডায়াবেটিস

স্বাস্থ্য কণিকা: মরণব্যাধী ক্যান্সারের কথা শুনলেই শরীর শীতল হয়ে আসে। আর জোঁককে ভয় পান না এমন মানুষ বিরল। অথচ ভয়ঙ্কর এই ক্যান্সারকে ভীতিকর জোঁক দিয়ে দূর করার পদ্ধতি চিকিৎসাসেবায় যুক্ত হয়েছে। যাকে বলা হচ্ছে-‘জোঁক থেরাপি’। বেশ কয়েকটি জটিল রোগের চিকিৎসায় জোঁককে কীভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে-

জোঁককে কাজে লাগিয়ে এই চিকিৎসা শুরু হয় যেভাবে : জোঁককে কাজে লাগিয়ে জটিল রোগ নিরাময়ের থেরাপির নাম ‘জোঁক থেরাপি’। এই অভিনব পদ্ধতিতে চিকিৎসা শুরু হয় ২০০৪ সালে। এই সময় একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয় যে, জোঁক বাস্তবিকই নানাভাবে মানবশরীরের উপকারে আসে।

হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: ২০১১ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, ঠিক পদ্ধতিতে জোঁককে ব্যবহার করলে সারা শরীরে রক্তের সঞ্চালন বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে। আসলে জোঁকের স্যালাইভা বা লালা এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অলটারনেটিভ মেডিসিন রিভিউ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ব্লাড ক্লট এবং পা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা কমাতেও এই পদ্ধতি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

ক্যান্সারের প্রকোপ কমায়: এই মরণ রোগের চিকিৎসায় বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে জোঁক। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, অন্য ওষুধের পাশাপাশি ক্যান্সার রোগীর শরীরে যদি জোঁকের স্যালাইভা প্রবেশ করানো যায়, তাহলে স্তন, মেলানোমা, ফুসফুস এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের প্রকোপ অনেকাংশেই কমানো সম্ভব।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে: বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী ২০ বছরের মধ্যে সারা বিশ্বে প্রায় ৩৬ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগবে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কারণে হওয়া নানাবিধ জটিলতা কমাতে জোঁক থেরাপি দারুণ কার্যকর।

ছোঁয়াচে রোগের প্রকোপ কমায়: জোঁকের শরীরে থাকা ডেস্টাবিলেস নামক এক ধরনের প্রোটিন আমাদের শরীরে প্রবেশ করার পর সব ধরনের জীবাণুকে মেরে ফেলে রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।

প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে, জোঁকের শরীরে থাকা নিউরোসিগনালিং এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পেপটাইড যে কোনো ধরনের সংক্রমণকে কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসা: জয়েন্টে ব্যথা হলে সেসব জায়গায় কিছু সময় জোঁককে রাখলে সেখানে রক্ত সরবরাহ প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। ফলে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগীরা অনেক উপকৃত হন।

কানের যন্ত্রণা কমায়: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কানের ক্রণিক যন্ত্রণা কমাতে জোঁকের কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে একটা জোঁক কানের পিছনে, আর একটি কানের সামনে কিছু সময় রেখে দিতে হবে। এমনভাবে ৩-৪ দিন করলেই যন্ত্রণা একেবারে কমে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বার্লি চা’র অনেক গুণ

অনলাইন ডেস্ক: কোরিয়া, জাপান, চীনসহ বিশ্বের অনেক দেশেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে বার্লি চা। এসব দেশে বোরিচা, মুগিচা কিংবা মাইচা নামে পরিচিত এই চা। ঠাণ্ডা বা গরম খাওয়া যায়।

পুষ্টি উপাদান
এতে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ আছে। আরো মিলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো এসিড, সেলেনিয়াম, মেলাটনিন ও ট্রিপটোফান। খুব সামান্য পরিমাণে ক্যাফেইন আছে এতে। কাজেই দেহ-মন চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করে। ক্যালরি নেই বললেই চলে। তাই মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

হজম
একে প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড বলা হয়। কাজেই বার্লি চা অতিরিক্ত এসিডিটি দূর করে ভারসাম্য আনে। এই পানীয় ফাইবারে ভরপুর। তাই খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের ভয় থাকে না। হজম সমস্যা দূর করে। ফলে অর্শ্বরোগ, বমি ভাব, পেটব্যথা ও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় না।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট
কয়েক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একই খাবারে মেলা সহজ কথা নয়। অতি জরুরি খনিজ সেলেনিয়ামও আছে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস প্রতিরোধ করে এবং ক্যান্সার ও হৃদরোগের মতো ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমায়।

রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা
বার্লিতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘সি’ আছে। কাজেই দেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে তোলে। রক্তের শ্বেতকণিকার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক। আবার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এমনিতেই দেহের দূষিত উপাদান দূর করে।

রক্তপ্রবাহ
আচরণগতভাবেই বার্লি চা বেশ প্রভাবশালী। দেহে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে। এতে করে দেহে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি তৈরি হয় না। ফলে অ্যাথেরোসক্লেরোসিস, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের ঝুঁকি কমে আসে।

ঘুম
যাদের ঘুমের সমস্যা আছে, তাঁরা বার্লি চা থেকে ওষুধের মতো কাজ পাবেন। ট্রিটটোফান ও মেলাটোনিন যে মাত্রায় পাবেন, তা গভীর ঘুম এনে দেবে। যারা ইনসমনিয়ায় ভুগছে, তাদের জন্যে বার্লি চা খুবই উপকারী।

ডায়াবেটিস
এতে চিনি নেই বললেই চলে। এত কম আছে যে তা গায়ে লাগে না। কাজেই যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা নিশ্চিন্তে উপভোগ করতে পারে বার্লি চা। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে বার্লি চা খায় তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি একেবারে কমে আসে।

যেভাবে বানাবেন
বার্লি ভেজে গুঁড়া করে নিন। মোটামুটি বাদামি রং না আসা পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। দুই লিটার পানিতে ছয় টেবিল চামচ পরিমাণ বার্লি দিন। এবার এটা চুলোয় দিন। ফুটাতে থাকুন। এতে চাইলে লেবু বা মধু মেলাতে পারেন। মাঝে মাঝে নেড়ে নিতে পারেন। ছাঁকনিতে ছেঁকে নিতে হবে। এতে করে পরিষ্কার তরল পাবেন। এটাই অনেক গুণের বার্লি চা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest