সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলΟδηγός για αρχάριους στο Casino Spinfest και πρώτα βήματα επιτυχίαςMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

রক্তশূন্যতার কারণ ও উপসর্গ

স্বাস্থ্য কণিকা: মানবদেহে বয়স ও লিঙ্গ ভেদে রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় প্রয়োজনীয় পরিমাণ হিমোগ্লোবিনের একটি নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কমে গেলে তাকে রক্তস্বল্পতা বা রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) বলে। বয়স ও লিঙ্গ ভেদে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। সাধারণত নবজাতকের শরীরে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বেশি থাকে যা ২০০-২১০ প্রাম/লিটার। পুরুষদের ক্ষেত্রে ১৩০-১৮০ গ্রাম/লিটার এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ১১৫-১৬৫ গ্রাম/লিটার। একজন পূর্ণ বয়স্ক মহিলা বা পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ৭০-৮০ গ্রাম/লিটারের নিচে নেমে গেলে মারাত্মক রক্তশূন্যতা দেখা যায়। বিভিন্ন কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে। সাধারণত মহিলা এবং শিশুরা এতে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

রক্তশূন্যতার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হল:
খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে লৌহের জোগান না থাকা। দীর্ঘ মেয়াদি কোন অসুখ যেমন: হজমে সমস্যা, অন্ত্রের অসুখ, দীর্ঘদিন আমিষ জাতীয় খাবারের ঘাটতি, পাকস্থলীর বাইপাস অপারেশন ইত্যাদি। জন্মগতভাবে অতিরিক্ত পরিমাণে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়া। রক্তক্ষরণ, পেপটিক আলসার, পাইলস, কৃমির সংক্রমণ, মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, ঘন ঘন গর্ভধারণ ইত্যাদি কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে রক্তশূন্যতা হতে পারে। এছাড়া কোন কারণে লোহিত রক্তকণিকা কম তৈরি হলে।

রক্তশূন্যতার উপসর্গগুলোর মধ্যে অন্যতম হল:
অবসাদগ্রস্ত থাকা, ক্লান্তি অনুভব করা, স্বল্প পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট, মাথা ঝিম ঝিম করা, চোখে ঝাপসা দেখা মাথাব্যথা করা, বুক ধড়ফড় করা, বুকে চাপ বা ব্যথা অনুভব করা, শরীর হাত ও পা ফ্যাকাসে হয়ে আসা ইত্যাদি। রক্তশূন্যতার উপসর্গ দেখা দিলে চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু পরীক্ষা করতে হতে পারে। রক্তশূন্যতার সঠিক কারণ নির্ণয় করে যথাযথ চিকিত্সা গ্রহণ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালো আঙ্গুরের অজানা গুণ

অনলাইন ডেস্ক: ছোট-বড় সবাই কালো আঙ্গুর খেতে পছন্দ করে। তবে কালো আঙ্গুরের গুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। কালো আঙ্গুরের গুণ শুনলে সত্যি অবাক হতে হয়। স্বাস্থ্য, ত্বক, চুল বা চোখ সব কিছুর জন্যই উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ছোট এই কালো ফলটি। আর এ জন্যই আঙ্গুরকে ফলের রানী “কুইন অব ফ্রুট” বলা হয়।

আসুন জেনে নেই কালো আঙ্গুরের কয়েকটি গুণের অজানা কথা।

ক্যানসার প্রতিরোধ
ব্রেস্ট, লাং, প্রোস্টেট ক্যানসারের মতো রোগেরও প্রতিরোধ করে কালো আঙ্গুর।

হার্ট ভালো রাখে
কালো আঙ্গুর খেলে হৃৎপিণ্ডে রক্ত চলাচল ভালো হয়। এর ফাইটোকেমিক্যাল হার্টের পেশিকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

দৃষ্টিশক্তি
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে নিয়মিত আঙ্গুর খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ
শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে কালো আঙ্গুর।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা
কালো আঙ্গুরের ফ্ল্যাবনয়েডস, খনিজ, অরগ্যানিক অ্যাসিড কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমের সমস্যা দূর করে। দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ত্বক
ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর কালো আঙ্গুর ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। ফলে বলিরেখা, কালো ছোপ, শুষ্ক ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় কালো আঙ্গুর খান ও ত্বকে মেখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। কয়েক দিনের মধ্যেই পার্থক্য লক্ষ করুন।

চুলের জন্য বেস্ট!
কালো আঙুরের বীজ পেস্ট করে, অলিভ অয়েলে মিশিয়ে চুলে ম্যাসাজ করতে পারেন। এই তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই। ভিটামিন ই চুল পড়ার সমস্যা কমায় ও চুল সাদা হয়ে যাওয়াও প্রতিরোধ করে।

স্বাদে ও গুণে কালো আঙ্গুর অতুলনীয়। তাই নিয়মিত কালো আঙ্গুর খাওয়ার অভ্যাস করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা-বার্নিকাট বৈঠক; আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে

দেশের খবর: আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া ব্লুম বার্নিকাটকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন আয়োজনে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেভাবেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বার্নিকাট। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ওই কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, তারা পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তাদের আলোচনায় আসন্ন নির্বাচন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা এবং বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার বিষয় উঠে আসে।
শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘অনেক নির্বাচনেই আমরা পরাজয় বরণ করেছি, এমনকি খুব সামান্য ব্যবধানেও পরাজিত হয়েছি। কিন্তু কোনো নির্বাচনেই প্রভাব খাটিয়ে বিজয়ী হওয়ার চেষ্টা করি নাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে কোনো ধরনের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলকে আগামী নির্বাচনকালে স্বাগত জানাতে তার দল প্রস্তুত রয়েছে।’
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্যক্ত করে বার্নিকাট বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে এলএনজি রফতানি করতে আগ্রহী।’ বাংলাদেশের জ্বালানি খাত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেই বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করছে, কারণ উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টিই এর উদ্দেশ্য।
বার্নিকাট প্রধানমন্ত্রীকে জানান, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আগামী সভাপতি হিসেবে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বলিষ্ঠ ভূমিকা গ্রহণ করবে। প্রেস সচিব বলেন, দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বিষয়টিও আলোচনায় স্থান পায়।
রাষ্ট্রদূতকে প্রধানমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ গত বছর ৬১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ম্যাকগ্রাকে ছাড়িয়ে চূড়ায় অ্যান্ডারসন

খেলার খবর: বোল্ড করে শুরু। বোল্ড করেই চূড়ায়! ২০০৩ সালে অভিষেক টেস্টে লর্ডসে জিম্বাবুয়ের মার্ক ভারমিউলেনকে বোল্ড করে শুরু হয়েছিল উইকেট শিকার অভিযান। মঙ্গলবার ওভালে মোহাম্মদ শামিকে বোল্ড করে পা রাখলেন সর্বোচ্চ উচ্চতায়। গ্লেন ম্যাকগ্রাকে ছাড়িয়ে টেস্ট ইতিহাসের সফলতম পেসার এখন জেমস অ্যান্ডারসন।
ভারতের বিপক্ষে ওভাল টেস্টের চতুর্থ বিকেলে দুই উইকেট নিয়ে অ্যান্ডারসন স্পর্শ করেছিলেন ম্যাকগ্রাকে। পরের ধাপে যেতে আরেকটি বিকেলের অপেক্ষা। দারুণ এক ইনকাটারে শামিকে বোল্ড করে গুটিয়ে দিলেন ভারতকে। ছুঁয়ে ফেললেন কাঙ্ক্ষিত উচ্চতা। উইকেট নম্বর ৫৬৪।
টেস্ট ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে ৫০০ উইকেট নিয়েছিলেন কোর্টনি ওয়ালশ। বাংলাদেশের এখনকার বোলিং কোচ ৫১৯ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারের ইতি টানেন ২০০১ সালে। পরে তাকে ছাড়িয়ে যান ম্যাকগ্রা। এই অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি ২০০৭ সালে ক্যারিয়ার শেষ করেন ৫৬৩ উইকেট নিয়ে। ১১ বছর পর রেকর্ড হারালেন তিনি অ্যান্ডারসনের কাছে।
ম্যাকগ্রা অবশ্য ৫৬৩ উইকেট নিয়েছিলেন ১২৪ টেস্ট খেলে। অ্যান্ডারসন ছাড়িয়ে গেলেন ১৪৩ টেস্ট খেলে।
টেস্ট উইকেট শিকারে এই তিন পেসারের ওপরে আছেন তিন স্পিনার। ১৩২ টেস্টে ৬১৯ উইকেট নিয়েছেন অনিল কুম্বলে। ১৪৫ টেস্ট খেলে শেন ওয়ার্ন নিয়েছেন ৭০৮ উইকেট। আর ১৩৩ টেস্টে ৮০০ উইকেট নিয়ে টেস্ট ইতিহাসের সফলতম বোলার মুত্তিয়া মুরালিধরন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কল‌ম্বিয়া‌কে হারা‌তে পা‌রে‌নি আ‌র্জে‌ন্টিনা

খেলার খবর: কোনো অস্ত্রই ব্যবহার করতে বাকি রাখেনি আর্জেন্টিনা। কিন্তু কলম্বিয়ার জমাট রক্ষণ কোনোভাবেই ভাঙতে পারেনি দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের রুখে দিয়েছে কলম্বিয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে শুরু হওয়া ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে।
গুয়াতেমালাকে হারানো দল থেকে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনেন আর্জেন্টিনার অন্তর্বর্তীকালীন কোচ স্কালোনি। শুরু থেকে খেলেন মাউরো ইকার্দি। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামেন পাওলো দিবালা।
গনসালো মার্তিনেস, ইকার্দি ও মাক্সিমিলিয়ানো মেসায় গড়া আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ শুরু থেকে চেপে ধরে কলম্বিয়াকে। দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের প্রচেষ্টাগুলো ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক দাভিদ অসপিনা।
প্রথম ২৪ মিনিটে আর্জেন্টিনা লক্ষ্যে শট নেয় তিনটি। ২৭তম মিনিটে প্রথম ফ্রাঙ্কো আরমানিকে পরীক্ষায় ফেলতে পারে কলম্বিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে দিবালা মাঠে আসার পর আক্রমণের ধার বাড়ে আর্জেন্টিনার। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসোর জায়গায় মাঠে আসেন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ক্রিস্তিয়ান পাভোন। তার ক্রসে ৭২তম মিনিটে একটুর জন্য মাথা ছোঁয়াতে পারেননি ইকার্দি।
৮১তম মিনিটে একটুর জন্য তাগলিয়াফিকোর ক্রসের নাগাল পাননি ইন্টার মিলান ফরোয়ার্ড ইকার্দি। বাকি সময়ে কোনো দলই তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫-০ গো‌লে জয় ‌পে‌য়ে‌ছে ব্রা‌জি‌ল

খেলার খবর: গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করালেন দারুণ খেলা নেইমার। জাতীয় দলের হয়ে প্রথমবার শুরুর একাদশে নেমেই জোড়া গোল করলেন রিশার্লিসন।তাতে এল সালভাদরকে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল।
গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করালেন দারুণ খেলা নেইমার। জাতীয় দলের হয়ে প্রথমবার শুরুর একাদশে নেমেই জোড়া গোল করলেন রিশার্লিসন। তাতে এল সালভাদরকে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে ৫-০ গোলে জিতে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। শুরুতে দলকে এগিয়ে দেওয়ার পর তিন সতীর্থের গোলে অবদান রাখেন অধিনায়ক নেইমার।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়ার পর তিতের দলের এটা টানা দ্বিতীয় জয়। তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল।
ফিফা রাঙ্কিংয়ের ৭২তম স্থানে থাকা দলের বিপক্ষে জয় নিয়ে মোটেও ভাবতে হয়নি ব্রাজিলকে। ম্যাচের শুরুর দিকে অল্প সময়ের মধ্যে দুই গোলে এগিয়ে যায় তারা।
চতুর্থ মিনিটে নেইমারের সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। রিশার্লিসন প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। আর ষোড়শ মিনিটে নেইমারের পাস ডি-বক্সে পেয়ে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন এভারটন ফরোয়ার্ড রিশার্লিসন।
তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচেও পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেছিলেন নেইমার। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোল হলো ৫৯টি। ব্রাজিলের হয়ে তার চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল রোনালদো (৬২) ও পেলের (৭৭)। পাঁচ মিনিট পর নেইমারের জোরালো শট ক্রসবারে বাধা পায়।
৩০তম মিনিটে দারুণ এক পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান আরও বাড়ান কৌতিনিয়ো। বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা নেইমার অনেকটা দৌড়ে একজনকে কাটিয়ে বল বাড়ান ডান দিকে। আর ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে বল ঠিকানায় পাঠান বার্সেলোনা মিডফিল্ডার। জায়গা থেকে নড়ার সুযোগ পাননি গোলরক্ষক।
বিরতির আগে ব্যবধান আরও বাড়াতে পারতেন নেইমার। বল পায়ে একা ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন পিএসজি ফরোয়ার্ড, তাকে আটকাতে গিয়ে পড়ে যান গোলরক্ষক; কিন্তু ফাঁকা জাল পেয়েও সুবর্ণ সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন রিশার্লিসন। ডি-বক্সে প্রতিপক্ষের ট্যাকলে কৌতিনিয়ো পড়ে গেলে আলগা বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে কাছের পোস্ট ঘেঁষে লক্ষ্যভেদ করেন ২১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
আর নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ মিনিটে নেইমারের কর্নার থেকে হেডে সালভাদরের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন পিএসজির ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস। পুরো ম্যাচে একবারের জন্যও ব্রাজিলের গোলরক্ষক নেতোকে পরীক্ষা ফেলতে পারেনি সালভাদর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার্থী‌দের ভোট পাওয়া নি‌য়ে শঙ্কায় ১৪ দল

‌দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের চাপে সরকার সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়েছে। নতুন আইন হচ্ছে জেনে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন বন্ধ করে ঘরে ফিরে গেছে। কিন্তু আন্দোলনের শেষ দিকে সরকারি দলের কর্মীদের হামলা এবং পরবর্তী মামলা ও পুলিশের হয়রানির বিষয়টি ভালোভাবে নিতে পারেনি বহু শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার। একই ভাবে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থাও তাই। সারা দেশে লাখো তরুণের আন্দোলন দমন, মামলা-গ্রেপ্তার ও দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা পূরণ না করায় ক্ষমতাসীনদের ওপর মনঃক্ষুণ্ন হয়েছেন তাঁরা।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিক দলের অনেক নেতাই বলছেন, দুটি আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যতটা না তৎপরতা দেখিয়েছে, তার চেয়ে কয়েক গুণ তৎপরতা দেখিয়েছে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ, যা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল না।
তবে এখন ভোটের সময় ঘনিয়ে আসায় ক্ষমতাসীন জোটের নেতাদের মনে সংশয় ও শঙ্কা দেখা দিয়েছে—এবারের নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা তাঁদের ভোট দেবেন তো? তাই ১৪-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের অনেকে শিক্ষার্থীদের মনের এই কষ্ট দ্রুত উপশমের ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ বোধ করছেন। তবে ঠিক কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে দলটি এখনো কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি।
১৪-দলীয় জোটের শরিক দল ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘এ কথা সত্য যে নিরাপদ সড়ক ও সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মনের মধ্যে গভীর ক্ষত নিয়ে ফিরে গেছে। এই ক্ষত আগামী নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টিকে অবহেলা করা যাবে না। এই ক্ষত নিবারণের জন্য সরকার ও ক্ষমতাসীনদের জোট ১৪ দলের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’ রাশেদ খান মেনন জানান, তিনি সরাসরি দেখা করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোটপ্রধান শেখ হাসিনাকে অনুরোধ জানাবেন।
অবশ্য আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এক নেতা বলেন, সাধারণত আওয়ামী লীগের যাঁরা ভোটার তাঁরা আওয়ামী লীগকেই ভোট দেন। তবে ভাসমান ভোটারদের বিষয়টি তাদের ভাবাচ্ছে। কেননা প্রতিটি আসনে তরুণদের মধ্যে যাঁরা ভাসমান ভোটার বা আওয়ামী লীগের কট্টরপন্থী সমর্থক নন, তাঁদের ভোট নিয়ে শঙ্কাটা বেশি। এসব তরুণের কারণে তাঁদের পরিবারের অন্য সদস্যদের ভোটও আওয়ামী লীগকে হারাতে হতে পারে। ওই নেতা বলেন, প্রতিটি ভোট গুরুত্বপূর্ণ। ভোটের আগে তরুণদের মনের ক্ষত দূর করা উচিত, অন্যথায় সেটি আওয়ামী লীগ বা ১৪-দলের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে।
গত ২৯ জুলাই শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী আবদুল করিম রাজীব ও দিয়া খানম বাসের চাপায় পিষ্ট হয়ে মারা যায়। পরদিন থেকে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় কোটা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরাও। ৬ আগস্ট মন্ত্রিসভায় সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া পাসের আগ পর্যন্ত এই আন্দোলন চলে। ১০ দিন ধরে চলা এই আন্দোলনে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হামলায় আহত হয় কয়েক শ শিক্ষার্থী। তবে পুলিশ এবং ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের কেউ কেউও গুরুতর আহত হন।
সরকারি দলের এবং তাদের শরিক দলগুলোর একাধিক শীর্ষ নেতার মতে, সরকার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে শুরুতে গুরুত্ব দেয়নি। গুরুত্ব যখন দিয়েছে, তখন তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত অনেকটা বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি আইন পাসের প্রস্তাব করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কোটা আন্দোলনের ক্ষেত্রেও সরকার বিলম্বে পদক্ষেপ নিয়েছে। দুটি আন্দোলনকেই শুরু থেকে গুরুত্ব দেওয়া হলে পরিস্থিতি এত দূর গড়াত না।
১৩ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে কোটা সংস্কারে গঠিত কমিটির প্রধান ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, কমিটি কোটা তুলে দিয়ে মেধাকে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে।
নিরাপদ সড়ক আন্দোলন চলাকালে এবং আন্দোলনের পর ছাত্রদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান নিয়েও আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিক ১৪ দলের একাধিক নেতা হতাশা প্রকাশ করেছেন। সর্বশেষ গোয়েন্দা পুলিশ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ শিক্ষার্থীকে আটক করার বিষয়টি নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আওয়ামী লীগের কয়েকজন শীর্ষ নেতা মনে করেন, শিক্ষার্থী ও তরুণেরাই ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের পেছনে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছিলেন। এবারের নির্বাচনেও জয়-পরাজয় নির্ধারণে এঁদের ভোট বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে।
ভোটার তালিকায় কী পরিমাণ শিক্ষার্থী ও তরুণ ভোটার রয়েছেন, সেটা নিয়েও ভাবতে শুরু করেছেন আওয়ামী লীগ ও তাদের জোটের শীর্ষ নেতারা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩০-এর মধ্যে। আর ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা ১৫ শতাংশের মতো। অর্থাৎ প্রতিটি আসনে গড়ে এই বয়সী ভোটারের সংখ্যা ৫০ হাজারের কম-বেশি। এঁদের বেশির ভাগই শিক্ষার্থী।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, এবারের হালনাগাদ শেষে নতুন ভোটারের সংখ্যা ৪৩ লাখের বেশি। সব মিলিয়ে এবার ভোটার সংখ্যা ১০ কোটি ৪১ লাখের বেশি। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার মতে, ৫০ হাজারের কম-বেশি ভোটার যেকোনো আসনের জয়-পরাজয় নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা বলেন, বিষয়টি তাঁরা দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে জানাবেন। সূত্র: প্রথমআ‌লো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফখরুল‌কে চি‌ঠি দি‌য়ে বিএন‌পি‌ জাতিসংঘ মহাস‌চি‌বের আমন্ত্রণ

দেশের খবর: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি জানতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের একটি প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সম্প্রতি বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক কার্যালয়ের মাধ্যমে বিএনপি মহাসচিব বরাবর চিঠি পাঠিয়ে ওই আমন্ত্রণ জানানো হয় বলে বিএনপির বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য ছাড়াও কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতা ওই চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে রাজি হননি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল।

বিএনপির অন্য একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে অবশ্য জানা গেছে, দলীয় প্রতিনিধিদল জাতিসংঘে না গেলেও ফখরুল শিগগিরই জাতিসংঘের উদ্দেশে রওনা দেবেন। দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলেও দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আগামী নির্বাচনে সহায়তা চেয়ে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গত ফেব্রুয়ারি মাসে চিঠি দিয়েছিল বিএনপি। ওই চিঠিতে ‘অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের পথে কী কী বাধা রয়েছে তা তুলে ধরার পাশাপাশি খালেদা জিয়ার সাজা-পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতিও ব্যাখ্যা করা হয়েছিল বিএনপির পক্ষ থেকে।
চিঠিতে বলা হয়েছিল, মূলত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো একতরফা আরেকটি নির্বাচনের পথে অগ্রসর হয়েছে সরকার।

সূত্র মতে, ওই চিঠি ছাড়াও বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ‘ব্রিফ’ করেছে বিএনপি। সম্প্রতি ঢাকায় কূটনীতিকদের একাধিকবার ডেকে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছে দলটি। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির কাছে জাতিসংঘ মহাসচিবের এই চিঠি এলো।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব বান কি মুন বাংলাদেশের দুই নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে দুই দফা চিঠি দিয়ে সংলাপে বসার তাগিদ দিয়েছিলেন। একই বছরের ২৩ আগস্ট দুই নেত্রীর সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে কথা বলেও সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন বান কি মুন।
এ ছাড়া তখনকার জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ ওই সময় মোট তিনবার বাংলাদেশ সফর করেন এবং প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রীর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। এ ছাড়া তারানকোর মধ্যস্থতায় ২০১৪ সালের ১০ ও ১১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের মধ্যে মোট তিন দফা বৈঠক হয়েছিল, যা থেকে শেষ পর্যন্ত কার্যকর কোনো ফল বেরিয়ে আসেনি।
দুই নেত্রীর বাইরে বাংলাদেশে একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মহাসচিবকে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠি দেওয়া বা আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনা এই প্রথম। তবে আগের নির্বাচনপূর্ব সময়ের মতো এবার বিএনপির অন্য পক্ষ আওয়ামী লীগকে কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতিসংঘের কোনো চিঠির কথা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, ‘বিএনপি হয়তো অ্যাপয়েনমেন্ট চেয়েছে তাই পেয়েছে। আমরা কেন যাব? আমাদের জবাবদিহি জনগণের কাছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest