সর্বশেষ সংবাদ-
ষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোকলেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতমWie Slots-Boni Ihnen helfen können, Ihre Spielziele zu erreichen

সরকারি হলো আরও ২৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক: দেশের আরও ২৫টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এসব বিদ্যালয় সরকারিকরণের ঘোষণা দেওয়া হয়। যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই, সেখানে একটি করে কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করছে সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরে সোয়া শ’ বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি হওয়া এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অন্যত্র বদলি হতে পারবেন না। মৌলভীবাজারের জুড়ী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালীর কবিরহাট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামের পোমরা বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুরের বিরল পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবং পটুয়াখালীর দশমিনা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি হয়েছে।

বরগুনার তালতলী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান (মডেল) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ঝালকাঠির নলছিটি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নরসিংদীর বেলাব পাইলট মডার্ন মডেল হাই স্কুল, নরসিংদীর চরসিন্দুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামের গাছবাড়িয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবং ফেনীর পরশুরাম মডেল পাইলট হাই স্কুলকে সরকারি করা হয়েছে।

শেরপুরের তারাগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুরের মিঠাপুকুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকার ধামরাই হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, ঢাকার জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এবং ঢাকার নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছে সরকার।

এছাড়া গাজীপুরের কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, টাঙ্গাইলের যদুনাথ পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জের সোনারং পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর এম এম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবং কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এ আর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামী মাসেই বাজারে আসছে বিশ্বের প্রথম উড়ন্ত গাড়ি

অনলাইন ডেস্ক: আগামী মাসেই বাজারে আসছে বিশ্বের প্রথম উড়ন্ত গাড়ি। আগামী মাস থেকেই গাড়িটির বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছে গাড়িটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেরাফুজিয়া। দুজন যাত্রী বহনে সক্ষম এই হাইব্রিড-ইলেকট্রিক গাড়িটি চালানো অবস্থাতেই গতি বদল করা যাবে।

অর্থাৎ রাস্তায় গাড়িটি চলছে এমন অবস্থায় সুইচ অন করলেই সেটি উড়তে শুরু করবে। আর এজন্য সময় লাগবে দুই মিনিটেরও কম। সমতল থেকে দশ হাজার ফুট উচ্চতায় চলাচল সক্ষম এই গাড়িটি বাজারে আসছে বলে জানিয়েছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানটি।

এই গাড়িটি তৈরি করছে বিশ্বের বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা ভলবোর সহযোগী প্রতিষ্ঠান টেরাফুজিয়া। তাদের মতে, গাড়িটি একবারে ৬৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারবে এবং এর সর্বোচ্চ গতি হবে ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা শিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাড়িটির মূল্য এখনও নির্ধারণ করা হয়নি কিন্তু অভিজাত এই গাড়িটির প্রথম মডেল বিক্রি শুরু হবে চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যেই।

কম্পানির তরফ থেকে বলা হয়েছে, সম্প্রতি গাড়িটিকে আরও আধুনিক করা হবে। নতুনভাবে গাড়িটিতে যুক্ত হয়েছে হাইব্রিড-ইলেকট্রিক মটর এবং সিটের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
এছাড়াও গাড়িটিতে এখন থাকবে লাগেজ রাখার ব্যবস্থা, সিট বেল্ট এবং এয়ারব্যাগ। আর গাড়িটিতে বুস্ট মুড ছাড়াও থাকবে ব্যাক ক্যামেরা এবং নতুন প্যারাস্যুট সিস্টেম। বুস্ট মুডের কারণে গাড়িটি উড়ন্ত অবস্থায় আরো বেশি শক্তি নিয়ে চলাচল করতে পারবে বলে জানিয়েছে টেরাফুজিয়া।

২০১৬ সালে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন গাড়িটিকে লাইট স্পোর্ট এয়ারক্রাফট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এছাড়াও গাড়িটি ন্যাশনাল হাইওয়ে এবং ট্রাফিক সেফটি স্ট্যান্ডার্ডে উত্তীর্ণ হয়েছে; তবে গাড়িটি চালাতে হলে ক্রেতাদের পাইলট হিসেবে লাইসেন্স লাগবে।
কম্পানির বিশ্বাস গাড়িটি পাইলটদের চলাচলের জন্য খুব কাজের হবে, কারণ তারা ছোট কোনো বিমানবন্দরে গাড়িটি নামিয়ে সোজা বাড়ি যেতে পারবেন।
গাড়িটির বিভিন্ন অংশগুলো থাকবে ভাঁজ করা এবং এর ওজন হবে ১৩০০ পাউন্ড। এছাড়াও গাড়িটি অবতরণের জন্য থাকবে নির্দিষ্ট গিয়ার। এই উড়ন্ত গাড়িটি সর্বোচ্চ ১০ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে পারবে।
কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় যাত্রীরা তাদের গন্তব্য কম্পিউটারে টাইপ করলেই সে অনুযায়ী গাড়িটি নির্দিষ্ট স্থানে অবতরণ করবে। অবতরণের জন্য কোনো বিমানবন্দরের প্রয়োজন হবে না। এটা যে কোনো রাস্তা কিংবা মহাসড়কে চলাচল করতে পারবে।
গাড়িটির নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস জরান বলেন, নতুন এই প্রযুক্তি আমাদেরকে নানাধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং নতুন কিছু তৈরি করার সুযোগ করে দেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাশরাফি : যেন লড়াকু বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি

খেলার খবর: মিডউইকেটের ওপর দিয়ে বলটা পার করে দিতে চেয়েছিলেন শোয়েব মালিক। কিন্তু বাজপাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়লেন সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মাশরাফি বিন মর্তুজা। ফিল্ডারদের সবচেয়ে দুর্বলতম জায়গা, বাম পাশ। লাফ দিয়ে ওঠার পরই দু’হাত পেছন দিকে বাড়িয়ে শরীরটাকে ধনুকের মতো বাঁকিয়ে দিলেন তিনি। এরপর লুফে নিলেন ক্যাচটা। আউট হয়ে গেলেন পাকিস্তানের সেরা ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিক। ম্যাচটাও তখন প্রায় পকেটে পুরে নিল বাংলাদেশ।

ক্যাচ ধরে মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন মাশরাফি। আঙুলে ব্যথা পেয়েছেন। তবুও কাল বিলম্ব না করে উঠে দাঁড়ালেন। হাত তুলে বলটা নিয়ে সটান দাঁড়িয়ে থাকলেন ০.৮৪ সেকেন্ড। ২.৫৪ মিটার উঁচুতে তুলে ধরলেন ক্যাচ ধরা বলটা। ০.৮৪ সেকেন্ডের ওই সময়টায় মাশরাফিকে দেখে মনে হচ্ছিল, যেন একটি ভাস্কর্য। যেন প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়ামে রাখা তার মোমের মূর্তি। বিস্ময়ে হতবাক হয়ে সেটাকে এসে জড়িয়ে ধরলেন সৌম্য সরকার! এরপর একে একে অন্যরা!!

মাশরাফির চেহারায় তখন দৃঢ়তার চাপ। চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞায় ভাস্বর পুরো মুখমণ্ডল। ক্যাপটা মাথা থেকে একটুও নড়েনি। যথাস্থানেই রয়ে গেছে। মাথার উপরে তুলে ধরা বাম হাতের তর্জনি এবং বৃদ্ধাঙুলের বন্ধনে আবদ্ধ সাদা বলটি। নিচে নামানো ডান হাতটিতে বজ্রমুষ্ঠি। যেন একজন লড়াকু বীরের পুরো প্রতিচ্ছবি। এমন একজন বীর সেনানির অধীনে যখন পুরো বাংলাদেশ, তখন তাদেরকে হারায় সাধ্য কার?

ইমাম-উল হকের দুর্দান্ত ব্যাটিং, শোয়েব মালিক, আসিফ আলি কিংবা সরফরাজ আহমেদের লড়াই তো এমন লড়াকু বীরের চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞার সামনেই এসে লুটোপুটি খাওয়ার কথা। রুবেল হোসেনের বলে শোয়েব মালিকের ক্যাচটি নেয়ার পরই ব্যথাটা টের পেয়েছিলেন। ডান হাতের কনিষ্ঠায় চোট। তা নিয়ে চলে গেলেন মাঠের বাইরে। তিন ওভার পর চোট পাওয়া সেই আঙুল নিয়ে মাঠে প্রবেশ করলেন আবারও। এরপর ব্যান্ডেজ বাধা আঙুল নিয়ে বোলিং করলেন দুই ওভার।

লড়াকু বীর না হলে এমনটা কারও পক্ষে শোভা পাওয়ার কথা নয়। সেটা পেয়েছে কেবল মাশরাফি বলেই। সত্যিকারার্থেই ‘টাইগার’-এর প্রতিচ্ছবি। এমনিকেই মাশরাফির উইকেটের উদযাপনের চেহারাটা দেখলে প্রতিপক্ষের যে কারও ভয় পেয়ে যাওয়ার কথা। মাশরাফির চেহারাটা যে তখন হয়ে ওঠে, গর্জনরত একটি বাঘেরই মুখমণ্ডল! যার হুঙ্কারে কেঁপে ওঠে প্রতিপক্ষের প্রতিটি গলি-ঘুপচি পর্যন্ত।

পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করার পর ভারতীয় মিডিয়ার কাছে মাশরাফিরা এখন ‘বাংলার বাঘ’। বাঘের গর্জন এখন আর কালে-ভদ্রে বিশ্ব শোনে না, নিয়মিতই শোনে। বিশ্ব জানে, সুন্দরবন নয় শুধু, এখন বাঘেদের বিচরণ পুরো বাংলাদেশে। এখান থেকেই বাছাই করা বাঘেরাই চলে যায় বিশ্ব জয় করতে। অচীরেই হয়ত বিশ্ব পদানত হয়ে পড়বে এই বাঘেদের হাতেই। যার প্রারম্ভিক জ্বালা ভালোমতোই টের পেয়েছে শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান। সাবেক দুই বিশ্বজয়ী যে, মাশরাফিদের গর্জনের মুখে পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হয়েছে!

মাশরাফি একটি প্রেরণার নাম। পুরো দলের জন্য প্রেরণার বাতিঘর। খুব বেশি দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এই এশিয়া কাপেরই তো ঘটনা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তামিম হাতে আঘাত পেয়ে মাঠ ছেড়েছেন। হাসপাতালে গিয়ে হাতের কব্জিতে ব্যান্ডেজ বেঁধে এসেছেন। স্লিংয়ে ঝোলানো হাত। মাঠে এসে তিনি দেখলেন একা মুশফিক লড়াই করছে। অন্যরা শুধু আসা-যাওয়ার মিছিল করছেন। এমন অবস্থায়, তামিম নিজেও পূনরায় ব্যাট হাতে মাঠে নেমে যাবেন, তা ভাবেননি।

কিন্তু ভেবেছেন একজন। অধিনায়ক মাশরাফি। তামিম হাসপাতাল থেকে স্লিংয়ে হাত ঝুলিয়ে মাঠে প্রবেশ করার পরই তামিমকে বারবার মাশরাফি বলেছেন, তাকে মাঠে নামতে হবে। প্রথমে তামিম মনে করেছিলেন ঠাট্টা। কিন্তু পরে বুঝলেন মাশরাফি সত্যি সত্যিই চান তামিম মাঠে নামুক। আর তাদের ওপর মাশরাফির প্রভাব এতটাই প্রবল যে, তার চাওয়াও দলের অন্যদের কাছে আদেশ হয়ে দাঁড়ায়। পুরো দল একবাক্যে মেনে নেয় মাশরাফির সব কথা এবং নির্দেশ।

মাশরাফির কথাতে উজ্জীবিত হয়েই মাঠে নামেন তামিম এবং একহাতে ব্যাট করে দারুণ অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। মুশফিকও সে অনুপ্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে করলেন দুর্দান্ত ব্যাটিং (১৪৪ রান, ৩২ রান এসেছিলেন তামিমের সঙ্গে শেষ উইকেট জুটিতে) এবং বাংলাদেশ জিতলো ১৩৭ রানের বিশাল ব্যবধানে।

পাঁজরে ব্যথা নিয়েও বীরের মতো লড়াই করে যাচ্ছেন মুশফিকুর রহীম। প্রথম ম্যাচে খেলেছেন ১৪৪ রানের ইনিংস। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও তার করা ৯৯ রানই বাংলাদেশের পুঁজিটা সমৃদ্ধ করে দেয়। পরে ঝাঁপিয়ে পড়ে সরফরাজের একটি ক্যাচও নিলেন তিনি। এমন আঘাত এবং ব্যথা নিয়ে এতটা সাহস কোত্থেকে পেলেন মুশফিক? প্রশ্ন ছিল তার কাছে।

সে সাহসের রহস্য জানাতে গিয়ে মাশরাফির প্রসঙ্গই টেনে আনলেন মুশফিক। অধিনায়ক যে তাদের জন্য কত বড় অনুপ্রেরণার নাম, সেটা অকপটে স্বীকার করলেন সাবেক টেস্ট অধিনায়ক। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিলেন, ‘মাশরাফি ভাই আমাদের একটা কথা বলেন, আমরাও বলি : যুদ্ধের সময় পেছনে তাকানো যায় না। যদি আপনি ভাবেন আমি যুদ্ধে গিয়ে নিরাপদে থাকার চেষ্টা করব, তবে কাজ হবে না। হয় মারো, না হয় মরো-যে কোনো একটা করো। এটা আসলে বড় প্রেরণা। কারণ আপনি যখন যুদ্ধে থাকবেন, তখন আপনার অধিনায়ক কে, সেটি দেখবেন না, কে সেখানে আছে বা নেই তা-ও দেখবেন না।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচেই দেখুন না! শোয়েব মালিকের ক্যাচ ধরতে গিয়ে আঙুলে ব্যথা পেলেন। বোলিং করা হাতের (ডান হাত) কনিষ্ঠা আঙুলে ব্যথা পেলেন। ব্যান্ডেজ বাধা হলো। সেই হাত নিয়ে দিব্যি খেলেতে নেমে গেলেন। ঝাঁপিয়ে পড়ে ফিল্ডিং করলেন, সাদাব খানের ক্যাচ ধরতে গিয়ে আবারও ব্যথা পেলেন। নিজেকে নিরাপদ জায়গায় রাখলেন না। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন। এমনকি ব্যান্ডেজ বাধা হাত নিয়ে বোলিং করতে নেমে সবাইকে অবাক করে দিলেন। লড়াকু বীর না হলে কি এমন কিছু করে দেখানো সম্ভব?

যার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ইনজুরির ভয়াল থাবা। ছোট-বড় মিলিয়ে ১১টি অস্ত্রোপচার হাঁটুতে। যেখানে এত অস্ত্রোপচারের পর হাঁটু ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়ার কথা, সেখানে মাশরাফি দিব্যি খেলে যাচ্ছেন। দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার উপস্থিতিতে দলের চেহারা বদলে যায়। সম্প্রতি শেষ হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের শুরুতে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে খুব বাজেভাবে হারের কারণে পুরো দলেরই যখন মানসিক বিধ্বস্ত অবস্থা, তখন গিয়ে যোগ দিলেন মাশরাফি এবং পুরো দলের মানসিক অবস্থা বদলে ফেললেন তিনি। করে তুললেন দারুণ উজ্জীবিত। যেখান থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জয় করলো বাংলাদেশ। সেই অনুপ্রেরণায় বলিয়ান হয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজও বাংলাদেশ জিতে নিলো ২-১ ব্যবধানে (যদিও টি-টোয়েন্টিতে নেই মাশরাফি)।

২০১৪ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর যে বিপ্লব মাশরাফি ঘটিয়ে দিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে, তা অবিশ্বাস্য। একবার তো এমনও খবর এসেছে, অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের এই বদলে যাওয়া নিয়ে গবেষণা চলছে। মাশরাফি এমনই এক জিয়ন কাঠির নাম, যার ছোঁয়ায় বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এখন বিশ্ব ক্রিকেটের পরাশক্তিগুলোর দরজায় গিয়ে হুঙ্কার ছাড়ছে। টানা দ্বিতীয়বার খেলছে এশিয়া কাপের ফাইনালে। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু করে খেলেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল। আগামী বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ যে অনেক দুর যাবে, তা বলেই দেয়া যায়। সেটা সম্ভব হবে শুধুমাত্র মাশরাফির তুখোড় নেতৃত্ব আর বজ্রকঠিন লড়াকু মানসিকতার কারণে।

শোয়েব মালিকের ক্যাচটি নেয়ার পর মাশরাফির গুণমুগ্ধ বাংলাদেশের এক প্রথিতযশা ক্রীড়া সাংবাদিক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘তার ওই ক্যাচের রিপ্লে মনের আয়নায় দেখব বহুকাল। তার এ ম্যাচের অধিনায়কত্ব ক্রিকেট ক্লাসে দেখানো হবে বহুবার…। এ জয় মাশরাফির। এ জয় বাংলাদেশের। কারণ মাশরাফিই বাংলাদেশ।’

সত্যিই তো, মাশরাফিই বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশের লড়াকু মানসিকতা যে মাশরাফির চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা এবং বজ্রমুষ্ঠিতে ধরা ক্রিকেট বলের মধ্য দিয়েই প্রকাশ পাচ্ছে। ভারতের বিপক্ষে এই চেহারা দিয়েই হয়তো প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ট্রফি মাশরাফি উপহার দেবেন বাংলাদেশকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ-ভারতের ফাইনালের সঙ্গে ১২ ব্যান্ডের কনসার্ট

বিনোদনের খবর: এশিয়া কাপের ফাইনালে কাল শুক্রবার বিকেলে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেই খেলা সরাসরি সম্প্রচার করবে মাছরাঙা টেলিভিশন। ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া ‘কনসার্ট ফর অটিজম অ্যাওয়ারনেস’- এ অংশ নেয়া দর্শকরা মাঠে বসেই সেই খেলা উপভোগের সুযোগ পাবেন।
আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য কনসার্টে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের সৌজন্যে বড় পর্দায় সরাসরি দেখানো হবে। এর ফলে দর্শকরা বহুল প্রত্যাশিত ম্যাচটি উপভোগ করতে পারবেন গানের তালে তালে
আর্মি স্টেডিয়ামে গাইবে দেশের জনপ্রিয় ১২টি ব্যান্ড। কনসার্টটি যৌথভাবে আয়োজন করছে পিএফডিএ-ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার (পিএফডিএ-ভিটিসি), বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশন (বামবা), সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্ক্যাইট্র্যাকার লিমিটেড।
বামবার প্রধান ও মাইলস ব্যান্ডের দলনেতা হামিন আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচের দিকে দেশের প্রতিটি মানুষের চোখ থাকবে। আবার একই দিনে প্রায় কাছাকাছি সময়ে আর্মি স্টেডিয়ামে অটিজম অ্যাওয়ারনেস নিয়ে যে আয়োজনটি করছি সেটিও সবার জন্য দরকারি একটি বিষয়। সে ভাবনা থেকেই আমরা চেষ্টা করছি গান আর খেলা-দুটো বিষয় একসঙ্গে রাখতে। যাতে করে কনসার্টে এসে কেউ খেলাটাকে মিস না করেন।’
আর্মি স্টেডিয়ামের কনসার্ট শুরু হবে এদিন বেলা ৩টায়। চলবে রাত অবধি। এতে পরিবেশনায় অংশ নেবে মাইলস, ওয়ারফেজ, সোলস, দলছুট, ফিডব্যাক, শিরোনামহীন, মাকসুদ ও ঢাকা, পাওয়ারসার্জ, নেমেসিস, ভাইকিংস, আর্বোভাইরাস ও দৃক।
কনসার্টের আয়োজকরা জানায়, অনলাইনসহ নির্ধারিত বিভিন্ন স্টোরে টিকিট কেনাবেচা চলছে। এর দাম ধরা হয়েছে ২০০ টাকা এবং পাওয়া যাবে নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বপ্ন আউটলেটগুলোতে এবং অনলাইনে টিকেট পাওয়া যাবে বাগডুম ডট কম-এ।
শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে ব্যান্ডপ্রেমীরা আর্মি স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় আসছেন মিস্টার বিন

বিনোদনের খবর: বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য আবারও চমকপ্রদ খবর! যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের আগেই বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে অভিনেতা রোয়ান এ্যাটকিনসনের নতুন ছবি ‘জনি ইংলিশ স্ট্রাইকস এগেইন’! রোয়ান এ্যাটকিনসনকে মিস্টার বিন নামেই মানুষ চেনেন বেশি। এই চরিত্রে অভিনয় করেই বিশ্ব কাঁপিয়েছেন তিনি। এবার তাকে দেখা যাবে বাংলাদেশের বড় পর্দায়।
দেশের দর্শকদের এই চমকটি দিচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স। যুক্তরাজ্যে ৫ অক্টোবর এবং যুক্তরাষ্ট্রে ২৬ অক্টোবর ছবিটি মুক্তি পাবে। আর বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটি মুক্তি পাবে ২৮ সেপ্টেম্বর। ডেভিড কের পরিচালিত গোয়েন্দা কমেডিনির্ভর এ ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোয়ান এ্যাটকিনসন। এ ছাড়া বেন মিলার, এমা থম্পসনসহ আরো অনেকে রয়েছেন।
ছবিতে রোয়ান এ্যাটকিনসনকে দুধর্ষ অথচ মজার গোয়েন্দা হিসেবে দেখা যাবে। কঠিন কঠিন সব রহস্যের অভিযান শক্তহাতে কমেডির সাথে জয় করবেন তিনি। ছবির ট্রেইলারে দেখা যায়, অ্যাটকিনসন মিসাইল ছুড়ছেন তো ফরাসি রেস্তোরাঁয় আগুন লাগিয়ে দিচ্ছেন! তার চারপাশের সবকিছুতে পুরো ওলট-পালট ঘটে যাচ্ছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এমা থম্পসন তাকে বলছেন: দেশজুড়ে চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা…’, কিন্তু জনি ইংলিশ নির্বিকার, নিষ্কম্প।
’জনি ইংলিশ স্ট্রাইকস এগেইন’ ছবিটি ‘জনি ইংলিশ’ সিরিজের তৃতীয় ছবি। ২০০৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল প্রথম ছবিটি, ‘জনি ইংলিশ’ নামেই। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রোয়ান অ্যাটকিনসন। জনপ্রিয় এই ব্রিটিশ অভিনেতা যেখানে আছেন, সেখানে হাসতে হাসতে পেটে খিল তো লাগবেই। সেবার দারুণ ব্যবসাসফল হয়েছিল এই স্পাই কমেডি। সিরিজের দ্বিতীয় ছবি ‘জনি ইংলিশ রিবর্ন’-এও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন অ্যাটকিনসন। আর তার বসের ভূমিকায় ছিলেন এক্স ফাইলস তারকা গিলিয়ান অ্যান্ডারসন। দ্বিতীয় ছবিটিও বক্সঅফিসে সুপারহিট ব্যবসা করে।
জনি ইংলিশ এবং অ্যাটকিনসনের আরেক চরিত্র কিংবদন্তি মি. বিনের অ্যানিমেশন সিরিজ ১৯৫টি দেশে প্রচার হয়। তবে ৬৩ বছর বয়সী রোয়ান অ্যাটকিনসন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মি. বিন’ থেকে অবসর নিয়েছেন। আর ‘স্ট্রাইকস এগেইন’ও হয়তো জনি ইংলিশ হিসেবে এ অভিনেতার শেষ ছবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজীবন সদস্য পদ ও সম্মাননা পেলেন ছটকু আহমেদ

বিনোদনের খবর: ঢাকাই ছবির বরেণ্য চিত্রনির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার ছটকু আহমেদ। ১৯৭২ সালে ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ চলচ্চিত্রে নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের সহকারী পরিচালক হিসেবে আগমন করেন। এরপর থেকে কাজ করেছেন বহু চলচ্চিত্রে। চিত্রনাট্য,কাহিনী ও সংলাপ রচনা করেছেন প্রায় সাড়ে তিনশত’র ও বেশি। এখন পর্যন্ত নির্মাণ করেছেন পনেরোটি ছবি।
সম্প্রতি কানাডার টরেন্টোতে স্কারবুরো কেনেডি কনভেনশন হলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদান রাখায় সরকারিভাবে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয় এ গুণী নির্মাতাকে।অন্যদিকে জাতীয়সহ বাচসাস ও নানা পুরস্কারে ভূষিত প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ছটকু আহমেদকে গত শনিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ‘আইডিইবি’ স্বর্ণপদকে ভূষিত করেন। একজন প্রকৌশলী হয়েও চলচ্চিত্রের বিভিন্ন শাখায় অসামান্য অবদান রাখায় ছটকু আহমেদকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এছাড়াও গেলো কদিন আগে এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয় ‘অন্ধকার জগত’ ছবির অডিও প্রকাশনা উৎসব। সেখানে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও শিল্পী ঐক্যজোট এ বরেণ্য নির্মাতাকে আজীবন সদস্যপদ দেয়। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী ঐক্যজোটের সভাপতি ডিএ তায়েব, সাধারণ সম্পাদক জিএম সৈকত, চলচ্চিত্র পরিবারের আহবায়ক ও প্রবীণ অভিনেতা ফারুক, বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
সদস্যপদ প্রসঙ্গে ছটকু আহমেদ বলেন, ‘ শিল্পী ঐক্যজোট থেকে আজীবন সদস্যপদ পাওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। শিল্পী ঐক্যজোট শিল্পীদের নিয়ে কাজ করে। নির্মাতা, শিল্পীসহ নির্বিশেষে সবার কল্যাণে পাশে দাঁড়ায়। আমি চেষ্টা করব সংগঠনটির সকল ইতিবাচক কমর্কান্ডের সঙ্গে নিজে সম্পৃক্ত থাকতে।’
ছটকু আহমেদ ছাড়াও এই সংগঠনের আজীবন সদস্যপদ পেয়েছেন অভিনেতা মিশা সওদাগর। এছাড়া এর আগে এ সংগঠন থেকে আজীবন সদস্যপদ পেয়েছেন সোহেল রানা, আনোয়ারা, খালেদা আক্তার কল্পনা, সুজাতা, মায়া ঘোষ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনের ‘ওয়ান বেল্ট’ ঠেকাতে ইউরোপের নতুন ‘এশিয়া কৌশল’

অনলাইন ডেস্ক: চীনের উচ্চাভিলাষী প্রকল্প ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’কে (ওবিওআর) টেক্কা দিতে নতুন এশিয়া কৌশল আনছে ইউরোপ। চীনা অবকাঠামো প্রকল্পের লোভে ঋণের জালে ফেঁসে যাচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো।
ঋণের ভাগাড় থেকে তাদের টেনে তুলতে চীনের বিকল্প নয়া কৌশল নিয়ে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে আঞ্চলিক নেতারা। আগামী ১৮-১৯ অক্টোরব বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১২তম এশিয়া-ইউরোপ সম্মেলনে (আসেম)।
দু’দিনব্যাপী এ সম্মেলনে জোটের ৫৩ সদস্য রাষ্ট্র নতুন ‘এশিয়া সংযোগ কৌশল’ চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে বলে জানা গেছে। খবর এএফপির।
ইউরোপের কূটনৈতিক প্রধান ফেডেরিকা মোঘেরিনি বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে এশিয়ার নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ইউরোপের নতুন কৌশল বাস্তবায়নে তারা আগ্রহী।’
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হবে কর্মসংস্থান তৈরি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের অগ্রগতি নিশ্চিত করা।’
ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যঁ ক্লদ জাঙ্কারও চীনা প্রকল্পের বিরোধী। এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করতে ইউরোপের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও বলিষ্ঠ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অংশকে এক সংযোগে আনার প্রত্যয় নিয়ে ২০১৩ সালে ওবিওআর প্রকল্পের ঘোষণা দেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এ প্রকল্পের জন্য পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় ধার্য করেন তিনি। পাশাপাশি তার দেশ এ প্রকল্পে ছয় হাজার কোটি ডলার দেবে বলেও প্রতিশ্র“তি দেন জিনপিং।
ইতিমধ্যে বিশ্বের বহু দেশ চীনের ঋণের ফাঁদে পড়েছে। বড় বড় অবকাঠামো তৈরির জন্য অর্থ নিয়ে শোধ দিতে পারছে না। শ্রীলংকা, পাকিস্তান, মালয়েশিয়ার মতো এশিয়ার দেশগুলো এ প্রকল্পে অর্থ ঢেলেছে। হাম্বানটোটা সমুদ্রবন্দরের উন্নয়নের জন্য চীনকে ৯৯ বছরের জন্য ইজারা দিয়েছে শ্রীলংকা।
বন্দরটি সংস্কারে প্রয়োজনীয় ১০৪ কোটি ডলার ব্যয়ে অক্ষম হওয়ায় বেইজিংকে ইজারা দিতে বাধ্য হয়েছে দেশটি। মালয়েশিয়া চীনের সহায়তায় তিনটি প্রকল্প উন্নয়নের জন্য দুই হাজার কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে।
কিন্তু পরে কীভাবে সে অর্থ পরিশোধ করা হবে তা নিয়ে চিন্তিত দেশটি। পাকিস্তানের নতুন ইমরান খান সরকার চীনের অর্থ নিয়ে বেশ আশাবাদী। কিন্তু ঋণ পরিশোধ নিয়ে শঙ্কিত ইসলামাবাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাক-ভারত বিবাদে বছরে ক্ষতি ৩৫ বিলিয়ন ডলার

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের সঙ্গে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশ ভারতের বার্ষিক বাণিজ্য সম্ভাবনা ৩৭ বিলিয়ন ডলারের। কিন্তু বর্তমানে মাত্র ২.১ বিলিয়ন ডরালের লেনদেন হচ্ছে।
চিরবৈরী দুই দেশের মধ্যে অব্যাহত রাজনৈতিক অস্থিরতা ও স্বাভাবিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক না থাকায় উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এই ক্ষতির পরিমাণ নেহাত কম নয়। প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর ওপরেও এর ছায়া পড়ছে। দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্য সম্পর্কিত এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
‘এ গ্লাস হাফ ফুল: দ্য প্রোমিজ অব রিজিওনাল ট্রেড ইন সাউথ এশিয়া’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি সোমবার প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতির কয়েকটি বড় কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মধ্যে আমদানি-রফতানির যে পণ্য তালিকা রয়েছে সেখানে শুল্ক রেয়াতের কোনো বালাই নেই। দুই দেশই একে অপরের বহু পণ্য নিষিদ্ধ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং এই নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রেখেছে। স্বাভাবিক বাণিজ্যিক সম্পর্কের অভাবে আঞ্চলিক সম্পর্ক গভীরতর হওয়ার ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest