সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলΟδηγός για αρχάριους στο Casino Spinfest και πρώτα βήματα επιτυχίαςMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটার ঈদগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় কুইজ প্রতিযোগীতা (৫ম শ্রেনী) ২০১৮ অনুষ্টিত হয়েছে। দেবহাটা উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মঞ্জুরুল ইসলামের সার্বিক আয়োজনে ও ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত স্কুল শিক্ষার্থীদের এই মেধা যাচাই ও তাদেরকে উন্নত শিক্ষা দানের লক্ষ্যে এই কুইজ প্রতিযোগীতায় প্রধান অতিথি ছিলেন সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন। সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মঞ্জুরুল ইসলাম। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঈদগাহ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হারুন-অর রশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ইনষ্ট্রাকটর লোকমান হোসেন ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মুনীর হোসেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম, ইউপি সদস্য নির্মল কুমার মন্ডল, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুর রব লিটু, ইউপি সদস্যা আলফাতুন্নেছা, আব্দুল আলিম প্রমুখ। কুইজ সঞ্চালনা করেন প্রধান শিক্ষক নিত্য কুমার ও সহকারী শিক্ষক সাইফুল্লাহ আল তারিক। কুইজে সখিপুর দীঘিরপাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় বিজয়ী হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যে’র অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : অনিয়ম,দূর্ণীতি,স্বেচ্ছাচারিতা ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তার স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ট অফিসের কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষ।
সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ৩ মে মুন্সী রুহুল ইসলাম সাতক্ষীরা জেলা রেজিষ্টার হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে তিনি দলিল লেখকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মানষিক নির্যাতন চালান। দলিল লেখকের লাইসেন্স প্রদানের জন্য একটি লাইসেন্স’র জন্য জেলা রেজিষ্ট্রার তার কর্মচারী রাশিদ আলীর মাধ্যমে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
এদিকে সাতক্ষীরা জেলা রেজিষ্ট্রারকে সকল উপজেলা অফিস থেকে দলিল প্রতি ১’শ টাকা হারে দিতে হয়। এছাড়া জেলার সব কয়টি অফিস থেকে মাসে ৭০ হাজার থেকে শুরু করে ১’লাখ টাকা করে মাসহারা দিতে হয়। দলিল রেজিষ্ট্রি কম হওয়ার কারনে শুধু মাত্র সখিপুর অফিসের জন্য মাসে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারন করেছেন জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলাম।
এখানেই থেমে নেই তার দূর্ণীতি জেলার সব কয়টি অফিস থেকে প্রতি ছয় মাস একবার অডিট বিল হিসাবে জেলা রেজিষ্ট্রার কে দিতে হয় এক থেকে দেড় লাখ টাকা। যে কোন অফিস থেকে দলিলের নকল তুলতে গেলে জেলা রেজিষ্ট্রারের নামে অতিরিক্ত ১’শ ৫০ টাকা করে আদায় করা হয় গ্রাহকদের কাছ থেকে।
জেলা রেজিষ্ট্রারের সকল ধরনের অবৈধ অর্থ কালেকশনের জন্য জেলা অফিসের সহকারী রাশিদুজ্জামান রাশিদ দায়িত্ব পাওয়ার পর সকল উপজেলা অফিসের কর্মচারীদের কাছে এখন মূর্তিমান আতঙ্ক রাশিদ। জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলাম যোগদানের পরে অফিস সহকারী রাশিদ তার বিশস্থ হয়ে ওঠেন যার কারনে জেলা রেজিষ্ট্রারের সকল অবৈধ কাজের মূল হাতিয়ার হিসাবে রাশিদ কাজ করে।
প্রতি উপজেলা অফিস থেকে জেলা কর্তার মাসিক টাকা উত্তোলনের সময় তাকেও দিয়ে হয় আরো ১০ হাজার টাকা।
এছাড়া প্রত্যেক উপজেলা অফিসের টিসি সহকারীদের বেতন বিল ক্যাশ করার সময় ১’হাজার ৫’শ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়।
জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলাম যোগদানের পরে তার চাহিদা পুরণ করার জন্য সকল উপজেলা অফিস গুলো দূর্ণীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে।
অপরদিকে সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের ৮৭ জন দলিল লেখক ইতোমধ্যেই জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে জেলা রেজিষ্ট্রারের ঘুষ, অনিয়ম ও দূর্ণীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন বর্তমানে অভিযোগ টি জেলা প্রশাসকের নির্দেশে একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তদন্ত করছেন। এব্যাপারে এক বার শুনানিও হয়েছে।
এঘটনায় জেলা রেজিষ্ট্রার গত কাল মঙ্গলবার সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। এসময় তিনি কয়েকজন দলিল লেখকদের কাছে তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করার কারন জানতে চান এবং এসব থেকে বিরত থাকার হুমকি প্রদান করেন বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।
এব্যাপারে জেলা রেজিষ্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলাম’র সহকারী রাশিদ জানান, আমি আর ২মাস পরে অবসরে যাবো। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ চাপিয়ে দিচ্ছে একটি মহল। আমার দ্বারা কোন অন্যায় কাজ হয় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহি গুড় পুকুরের মেলা শুরু হচ্ছে ১৬ সেপ্টেম্বর

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাতক্ষীরার তিন শ বছরের ঐতিহ্যবাহি গুড় পুকুরের মেলা শুরু হচ্ছে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি মুলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ ইফতেখার হোসেনের সভাপতিত্বে এ সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ তওহীদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক তরফদার মাহমুদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাফ্ফারা তাসনিন, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, এনডিসি দেওয়ান আকরামুল হক, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, শেখ শফিক-উদ দ্দৌলা সাগর, কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, পৌর সচিব সাইফুল ইসলাম বিশ্বাস। সভায় আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মেলা উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রতিদিন সকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মাস ব্যাপী মেলা চলবে। খুলনা রোড মোড় হতে ইটাগাছা পর্যন্ত বিভিন্ন নার্সারীর দোকান বসবে। পলাশপোল স্কুলের আশেপাশে বেত ও বাশের তৈরী সামগ্রী বিক্রয় হবে। শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মনোহরী সহ বিভিন্ন প্রকারের দোকান বসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ ২ব্যক্তি আটক

কলারোয়া প্রতিনিধিঃ সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কলারোয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৫ বোতল ফেনসিডিল সহ ২ব্যক্তিকে আটক করেছে। মঙ্গলবার সকালে থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহম্মেদ জানান-সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ সোনাবাড়ীয়া থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার সহ উপজেলার বোয়ালীয়া গ্রামের সাবর আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম(২৫) ও একই এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে কামরুল সরদার(২৭)কে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা ২৫ বোতল ফেনসিডিল নিয়ে দক্ষিণ সোনাবাড়ীয়া গ্রামের খালিদের মুদি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলো। এসময় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। এঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি মামলা নং-১৩(০৯)১৮ দায়ের হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় পাইপগান, বোমা ও ছোরা উদ্ধার

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেশি পাইপগান, ককটেল বোমা ও ছোরা উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার সকালে থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহম্মেদ জানান-সোমবার রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তার নির্দশনায় থানার এসআই নাজিমউদ্দিন, এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন, বিপ্লব রায়, রইচউদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে উপজেলা কেড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালীয়া গ্রাম থেকে এসব দেশীয় অস্ত্র মোবা ও পাইপগান উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত মালের মধ্যে রয়েছে-দেশিও একটি পাইপ গান, দুইটি ছোরা ও দুইটি ককটেল বোমা। এঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বোলায়ীয়া গ্রামের মৃত মোজাম্মেল গাজীর ছেলে মনিরুল ইসলাম মনি ওরফে চামড়া মনি (৩৫) ও তার ভাই মফিজুল ইসলাম (৩০) কে আসামী করে কলারোয়া থানায় একটি মামলা নং-১২(০৯)১৮ দায়ের হয়েছে। তবে এঘটনায় কেউ আটক হয়নী। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যহাত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দরগাহপুর স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্ণামেন্টে বুধহাটা-আনুলিয়া ড্র

আশাশুনি ব্যুরো ঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট (অনুর্ধ-১৭) ২০১৮ এর সোমবারের খেলায় বুধহাটা ইউনিয়র পরিষদ দল ও আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ দল ১-১ গোলে ড্র করেছে। দরগাহপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৪ টায় অনুষ্ঠিত খেলায় বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ ও আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ মুখোমুখি হয়। মুহুর্মুহু আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের মধ্যদিয়ে পুরা সময় খেলা অনুষ্ঠিত হলেও প্রথমার্থে আনুলিয়া দলের মুরাদ প্রথম গোলের মুখ দেখে। এরপর থেকে খেলার শেষ সময়ের কয়েক মিনিট আগে বুধহাটা দলের আব্দুল্লাহ ড্র সূচক গোলেটি করে বুধহাটা ইউনিয়নবাসীর মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে। খেলা পরিচালনা করেন ফিফা রেফারী নাসির উদ্দিন। সহকারী রেফারী ছিলেন বাবলুর রহমান, অরুন কুমার ও ইমরান। মঞ্চে বসে খেলা উপভোগকারী অতিথিদের মধ্যে ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শামিউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারী স ম সেলিম রেজা সেলিম, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আবম মোছাদ্দেক, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, দরগাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলি, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, এসকে হাসান, গোলাম মোস্তফা, হাসান ইকবাল মামুন, সোহরাব হোসেন, দরগাহপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শেখ হিজবুল্লাহ, সেক্রেটারী রবিউল ইসলাম, দক্ষিণ বাংলা অন-লাইন পত্রিকার সম্পাদক প্রভাষক শেখ আশিকুর রহমান, সাংবাদিক শেখ রুবেল হোসেন এবং খরিয়াটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধাংশু কুমার রাহা ও ইউপি সদস্যবৃন্দ। ধারাভাষ্যে ছিলেন জি এম সুরোত আলি বক্স, শাহ আলম বাচ্চু ও আশরাফ উদ্দিন। বুধবার বিকালে টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের যত্নে বেইকিং সোডা

অনলাইন ডেস্ক: ত্বক সুন্দর রাখার পাশাপাশি উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে।
রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে বেইকিং সোডা ব্যবহারের পাঁচটি পদ্ধতি এখানে দেওয়া হল।
ত্বকের রং হালকা করতে: খুব সহজেই বেইকিং সোডা দিয়ে ত্বকের রং হালকা করতে পারেন। এক টেবিল-চামচ লেবুর রস ও এক টেবিল-চামচ নারিকেল তেলে এক টেবিল-চামচ বেইকিং সোডা মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ১০ মিনিট মালিশ করুন। লেবুর রসের ভিটামিন সি ত্বক প্রাকৃতিকভাবে করে উজ্জ্বল। আর বেইকিং সোডা দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করবে।

ব্রণ কমাতে: বেইকিং সোডায় আছে প্রদাহরোধী উপাদান। ব্রণের সমস্যা থাকলে এক টেবিল-চামচ বেইকিং সোডা ও সামান্য পানি মিশিয়ে ব্রণের উপরে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে এটা ব্রণের প্রতিকারক হিসেবে কাজ না করে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে।

ত্বকের ভারসাম্যহীনতা থেকে রক্ষা: গোলাপ জল ত্বকের পিএইচ’য়ের ভারসাম্য রক্ষা করার পাশাপাশি লালচেভাব দূর করতে সাহায্য করে। ত্বকের ভারসাম্য রক্ষা করতে এই দুয়ের সংমিশ্রণের তুলনা নেই।

সমপরিমাণ বেইকিং সোডা ও গোলাপ জল মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগান। শুকিয়ে আসলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

ব্ল্যাকহেডস দূর করতে: বেইকিং সোডা খুব ভালো এক্সফলিয়েটর। এটা ব্ল্যাকহেডস দূর করতেও সাহায্য করে।

সামান্য টুথপেস্টের সঙ্গে বেইকিং সোডা মিশিয়ে তা নাক বা অন্যান্য ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানের উপর লাগান এবং কয়েক মিনিট ঘষুন। এতে দৃশ্যমান সকল ব্ল্যাকহেডস দূর হয়ে যাবে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা: অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং বয়সের ছাপ কমায়। ত্বক ভালো রাখতে এক টেবিল-চামচ বেইকিং সোডার সঙ্গে দুই টেবিল-চামচ ভিনিগার মিশিয়ে মুখের নির্জীব অংশে লাগান। আলতোভাবে মালিশ করুন, শুকিয়ে আসলে ধুয়ে নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন; চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্র ৪০ হাজার ১৯৯টি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪০ হাজার ১৯৯টি ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশনের মাঠ প্রশাসন। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির ১০টি আঞ্চলিক কার্যালয় তাদের চূড়ান্ত ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের তালিকা পাঠিয়েছে ইসিতে। তবে আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাঠানো এ সব ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের সংখ্যাও শেষ মুহূর্তে এসে পরিবর্তন হতে পারে। তাদের পাঠানো তালিকা যাচাই-বাছাই করে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ২৫ দিন আগে চূড়ান্ত তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করবে কমিশন।

তালিকা অনুযায়ী মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৪০ হাজার ১৯৯টি এবং ভোট কক্ষ ২ লাখ ৬ হাজার ৫৪০টি। এর আগে একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৫ আগস্ট সারা দেশে ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। খসড়া তালিকা অনুযায়ী ভোট কেন্দ্র ছিল ৪০ হাজার ৬৫৭টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭ হাজার ৪১৬টি। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, খসড়া তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি গ্রহণের শেষ তারিখ ছিল ১৯ আগস্ট ; নিষ্পত্তির শেষ হয় গত ৩০ আগস্ট। দাবি আপত্তি-নিষ্পত্তির পর গত ৬ সেপ্টেম্বর সারাদেশে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

খসড়া তালিকার সঙ্গে আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাঠানো চূড়ান্ত তালিকার তুলনা করলে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা কমেছে এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা বেড়েছে। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা কমেছে ৪৫৮টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা বেড়েছে ৮৭৬টি। আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাঠানো ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের সংখ্যা সমন্বয় করে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন।

গত ১০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের ২৫ দিন আগে গেজেট আকারে ভোট কেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করব। ৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর, কোনো ভোট কেন্দ্র কোনো প্রার্থীর বাড়ির কাছে অথবা প্রভাব বলয়ের মধ্যে পড়েছে বলে কোনো প্রার্থীর কাছে প্রতীয়মান হলে তিনি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করতে পারবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা তদন্ত করে অভিযোগের যথার্থতা নিশ্চিত করে প্রতিবেদন দাখিল করলে নির্বাচন কমিশন তা পরিবর্তন করে দিতে পারে। ইসির তালিকা অনুযায়ী, ১০টি অঞ্চলের মধ্যে প্রত্যেকটিতেই ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষের সংখ্যা বেড়েছে। দশম জাতীয় নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৭০৭টি, ২ হাজার ৪৯২টি ভোট কেন্দ্র বেড়ে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ১৯৯টি।

রংপুর অঞ্চলে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৪ হাজার ৩৩৫টি, একাদশ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৯২; রাজশাহী অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৪ হাজার ৮১৫, একাদশে তা ৫ হাজার ১১১; খুলনা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৪ হাজার ৫৮২টি, একাদশে তা ৪ হাজার ৮৩৪; বরিশাল অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২ হাজার ৩৪২, একাদশে তা ২ হাজার ৬৭৬; ময়মনসিংহ অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৪ হাজার ৪৯৭, একাদশে তা ৪ হাজার ৭৫৯; ঢাকা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৫ হাজার ৭৪৯, একাদশে তা ৬ হাজার ১৫; ফরিদপুর অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ১ হাজার ৯১৭, একাদশে তা ২ হাজার ৭৪; সিলেট অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২ হাজার ৬২৪, একাদশে তা ২ হাজার ৮০২; কুমিল্লা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৩ হাজার ৯৯৫, একাদশে তা ৪ হাজার ৩৫৪ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২ হাজার ৮৫১, একাদশ নির্বাচনে হয়েছে তা ২ হাজার ৯৮২টি ভোট কেন্দ্র।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোট কক্ষের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ১৭ হাজার ৪৬২টি ভোট কক্ষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৫৪০টি। এর মধ্যে পুরুষ ভোট কক্ষের সংখ্যা ৯৭ হাজার ৮৫৯টি এবং নারী ভোট কক্ষ ১ লাখ ৮ হাজার ৬৮১টি।
তালিকা অনুযায়ী, রংপুর অঞ্চলে দশম জাতীয় নির্বাচনে ভোট কক্ষের সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৫১০টি, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৯৩৩টি; রাজশাহী অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২৫ হাজার ২১০টি, একাদশে তা ২৭ হাজার ৭৩৭টি; খুলনা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২৩ হাজার ৩৮৭টি, একাদশে তা ২৪ হাজার ২০২টি; বরিশাল অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ১১ হাজার ৭৪০টি, একাদশে তা ১৩ হাজার ৪৪৫টি; ময়মনসিংহ অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২৩ হাজার ৩০৯টি, একাদশে তা ২৫ হাজার ১৫৪টি; ঢাকা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২৭ হাজার ৯০৬টি, একাদশে তা ৩০ হাজার ৭০৭টি; ফরিদপুর অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ৮ হাজার ৭৮৭টি, একাদশে তা ৯ হাজার ৭৩৩টি; সিলেট অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ১১ হাজার ৫৭১টি, একাদশে তা ১৩ হাজার ৫৯৬টি; কুমিল্লা অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ২১ হাজার ১২০টি, একাদশে তা ২৩ হাজার ৩১২টি এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে দশম নির্বাচনে ছিল ১৪ হাজার ৫৩৮টি, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭২১টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest