সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

কফি সম্পর্কে ১০টি অজানা তথ্য

অনলাইন ডেস্ক: বর্তমানে শহরকেন্দ্রিক সমাজ ব্যবস্থায় কফি নিয়ে যতটা হইচই এবং আলোচনা হয়ে থাকে, তা আগে কখনো ছিল না বললেই চলে। প্রতিদিনের কাজ শুরু করার আগে, দুপুরের লাঞ্চের পর অথবা অলস বিকেলে অনেকটা অভ্যাসবশতই কফি পান করার চল অনেকের মধ্যেই রয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল কফি অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ সালে সারা বিশ্বে ৬০ কেজি ওজনের কফির ব্যাগ বিক্রি হয়েছিল ৯ কোটি। এবছর সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ১৬ কোটিতে।

১.কফি আসলে এক ধরণের চেরি ফল
যেই বীজগুলো চোলাই করে কফি উৎপাদন করা হয় সেগুলো আসলে একধরণের ফলের রোস্ট করা বীজ, যে ফলগুলোকে কফি চেরি বলা হয়। কফির ভেতরের মূল চেরি ফলটিতে কামড় দিলে অনেকটা ডিম্বাকার দুই ভাগ হয়ে যায় বীজটি।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় কফি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ৫% কফিতে ‘পিবেরি’ নামক একটি বীজই থাকে। এই ‘পিবেরি’ জাতীয় কফি হাতে আলাদা করা হয়। কড়া স্বাদ এবং চমৎকার মিশ্রণের জন্য এই ধরণের কফি বীজ বিখ্যাত।

২.কোথাও কোথাও মানুষ কফি পান করে না, খায়
মানুষ যুগযুগ ধরে কফি পান করে আসলেও কোথাও কোথাও এটি খেতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে মানুষ। নষ্ট হয়ে যাওয়া কফি চেরি দিয়ে ময়দা তৈরি করে কফি তৈরিকারী অনেক প্রতিষ্ঠানই। এই ময়দা দিয়ে রুটি, চকলেট, সস বা কেক তৈরি করা হয়ে থাকে।
এর স্বাদ পুরোপুরি কফির মত থাকে না; বীজের জাতের ওপর নির্ভর করে এর স্বাদ পরিবর্তিত হয়ে থাকে।

৩.বিষ্ঠা থেকে তৈরি কফি হতে পারে অনেক দামী!
‘সিভেট’ নামের স্তন্যপায়ী এক ধরণের বিড়াল অথবা হাতি – পৃথিবীর সবচেয়ে দামী কফি এই দুই প্রাণীর যে কোনো একটির পরিপাকতন্ত্র হয়ে মানুষের কাছে পৌঁছায়।
‘কোপি লুয়াক’ এক ধরণের কফি যা সিভেট নামক একধরণের ইন্দোনেশিয়ান স্তন্যপায়ী বিড়ালের বিষ্ঠা থেকে তৈরি হয়।
বিড়ালের পরিপাকতন্ত্র দিয়ে যাওয়ার সময় স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতে কফি চেরিগুলো গাঁজানো হয়, পরবর্তীতে সেগুলো সংগ্রহ করে বিক্রি করা হয়। ঐ ধরণের কফির ৫০০ গ্রামের দাম হতে পারে ৭০০ ডলার (প্রায় ৬০ হাজার টাকা) পর্যন্ত।
তবে বর্তমানে এই ধরণের কফিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে ফেলছে ব্ল্যাক আইভরি কফি। হাতে আলাদা করা কফি চেরি খাওয়ার পর থাইল্যান্ডের হাতিদের বিষ্ঠা থেকে তৈরি হয় এই জাতের কফি।
ব্লেক ডিঙ্কিন নামের একজন কানাডিয়ান আবিষ্কার করেছিলেন এই ব্ল্যাক আইভরি কফি। যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫ গ্রাম পরিমাণ ব্ল্যাক আইভরি কফির মূল্য প্রায় ৮৫ ডলারের কাছাকাছি।

৪.কফি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো
কফিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। এগুলো আমাদের দেহের কোষগুলোকে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ ও রাসায়নিকের মিশ্রণ ঠেকাতে সাহায্য করে। এ বছরের শুরুতে প্রকাশিত হওয়া এক গবেষণায় উঠে আসে যে, দিনে অন্তত তিন কাপ কফি পান করলে হার্ট অ্যাটাক সহ অনেক জটিল রোগের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা সম্ভব।
১৬ বছর ধরে ইউরোপের দশটি দেশের ৫ লাখ মানুষের তথ্য নিয়ে চালানো হয় ঐ গবেষণাটি। কফি’র ক্যাফেইন উপাদানটি মানুষের সতেজতা ও ক্রীড়া তৎপরতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৫. তবে অতিরিক্ত পরিমাণেও নয়
স্নায়ু উত্তেজক হিসেবে, অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে ক্যাফেইনের কিছু ক্ষতিকর প্রভাবও দেখা যায়। গর্ভবতী অবস্থায় ক্যাফেইন গ্রহণ কমিয়ে আনা ভাল। শিশু জন্মের সময় কম ওজন নিয়ে জন্ম নেয়ার সাথে ক্যাফেইন গ্রহণের উচ্চমাত্রার সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়।
অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইনের কারণে গর্ভপাত হতে পারে বলেও ধারণা করা হয়। বৃটিশ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে একজন গর্ভবতী নারীর দিনে ২০০ মিলিগ্রামের বেশি কফি (এক মগ পরিমাণ ফিল্টার কফি বা দুই মগ ইনস্ট্যান্ট কফি) পান করা উচিত নয়।

৬.কফি বীজ দুই ধরণের হয়
ইথিওপিয়ায় জন্ম নেয়া কফি গাছ থেকে পাওয়া কফিকে বলা হয় অ্যারাবিকা। এই ধরণের কফি সাধারণত মিহি, হালকা এবং সুবাসযুক্ত হয়ে থাকে। এই জাতের কফির দামও অপেক্ষাকৃত বেশি হয়ে থাকে এবং বিশ্বের প্রায় ৭০% কফিই এই জাতের।
স্বাদে কিছুটা তিতকুটে এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন সমৃদ্ধ আরেক ধরণের কফি হলো রোবাস্টা এই ধরণের কফি সাধারণত ইন্সট্যান্ট কফি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু এলাকায় এবং ব্রাজিলে সাধারণত এধরণের কফি জন্মায়।

৭. ইথিওপিয়ায় ছাগলের মাধ্যমে আবিষ্কার হয়েছিল কফি!
পুরোনো কিংবদন্তী অনুযায়ী, নবম শতকে কালদি নামের একজন ছাগল পালক প্রথম তার ছাগলদের বেরি জাতীয় গাছ থেকে ফল খেতে দেখে। পরবর্তীতে সে লক্ষ্য করে যে তার ছাগলগুলো সারারাত না ঘুমিয়ে পার করে দেয়।
একদল সন্ন্যাসীকে তার পর্যবেক্ষণ জানানোর পর ঐ ফল থেকে পানীয় তৈরি করে তারা; উদ্দেশ্য ছিল সারারাত জেগে প্রার্থনা করা।

৮.প্রথম ক্যাফেগুলো ছিল মধ্যপ্রাচ্যে
কফি যে শুধু ঘরেই উপভোগ করা হতো, তা কিন্তু নয়। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন শহরে কফির দোকানগুলোকে বলা হতো ‘কাহভেহ খানেহ।’ ঐসব কফির দোকানগুলো পরবর্তীতে দৈনন্দিন আড্ডা, জমায়েতের জায়গা হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

৯.তবে সবচেয়ে বেশি কফি পান করে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মানুষ
আন্তর্জাতিক কফি সংস্থার মতে, ফিনল্যান্ডের অধিবাসীরা গড়ে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ কফি পান করে থাকে। ফিনল্যান্ডের একজন ব্যক্তির বছরে গড় কফি গ্রহণের পরিমাণ প্রায় ১২ কেজি।
এছাড়া নরওয়ে ও আইসল্যান্ডের মানুষের গড় কফি গ্রহণের পরিমাণ বছরে ৯ কেজির ওপর। ডেনমার্ক ও সুইডেনের অধিবাসীরাও বছরে গড়ে ৮ কেজির বেশি কফি গ্রহণ করে থাকে।

১০. চা না কফি?
আপনার দেশে কোনটা জনপ্রিয় – চা না কফি? বৃটিশ কফি অ্যাসোসিয়েশনের মতে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় কফি। প্রতিদিন বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি কাপ কফি পান করা হয়।
কিন্তু সমীকরণটা কি আসলেই এত সহজ? বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দু’টি দেশ – ভারত আর চীন – কফির চেয়ে চা’কেই বেশি প্রাধান্য দেয়।
অ্যামেরিকা আর ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে কফি জনপ্রিয়; তবে এশিয়া মহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে আর সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে চা’ই এখনো বেশি সমাদৃত।
ভূগোলবিদ ডেভিড গ্রিগ তার ২০০৬ সালে প্রকাশিত এক প্রকাশনায় উল্লেখ করেন যে চা ও কফির এই দ্বন্দ্ব মেটাতে ওজন দিয়ে নয়, কত কাপ চা বা কফি পান করা হলো সেই বিবেচনায় হিসেব করা প্রয়োজন।
তার মতে, তুলনাটা করা উচিত কত লিটার চা বা কফি পান করা হলো সেই হিসেবে। কারণ ওজনের হিসেবে প্রতিবছর পৃথিবীতে যেই পরিমাণ চা পান করা হয় তার চেয়ে প্রায় ৮০% বেশি কফি পান করা হয়।

কিন্তু এক কাপ চা বানাতে ২ গ্রামের মত চা-পাতা প্রয়োজন হলেও, এক কাপ কফি বানাতে প্রায় ১০ গ্রাম কফি বীজ প্রয়োজন হয়। এই হিসেব অনুসারে, তার মতে, ‘এক কাপ কফির সমানুপাতিক হতে পারে তিন কাপ চা।’ বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শহরে গভীর রাতে আবারও সশস্ত্র বাহিনীর আনাগোনা; নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ মানুষ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা শহরে উপর্যুপরী দা বাহিনির হাতে মুখ ঢাকা সন্ত্রাসী বাহিনীর মহড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সাতক্ষীরা শহরবাসী। গত ২৮ সেপ্টেম্বর পত্রিকা অফিসের কাজ শেষে বাড়ি ফিরে নিজ বাড়ির সামনেই ওই দা বাহিনীর সামনে পড়েন দৈনিক কালেরচিত্রের মফস্বল সম্পাদক মেহেদীআলী সুজয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি সেলাইরেন্স উদ্ধার করে। এঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ঘটনাস্থলের সম্মুখের বাসিন্দা সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মাসুম।
ঘটনার ৩দিন অতিবাহিত হতে না হতেই গত ১ অক্টোবর গভীর রাতে আবারো ওই দা বাহিনীর হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন এক নৈশ প্রহরী। তিনি পলাশপোল এলাকার বিল্লাল হোসেন।
ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন জানান, তিনি প্রতিদিনের ন্যায় পলাশপোল হাইস্কুল থেকে নবজীবনের সামনের রাস্তায় পাহারা দিচ্ছিলেন। একপর্যায়ে নবজীবনের পিছন দিকে গেলে তিনি দুই ব্যক্তিকে নারিকেল গাছের নিচে লুকিয়ে থাকতে দেখেন। তিনি ‘কে ওখানে’ বলতেই দুই ব্যক্তি তার গলায় দা ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে বলে, ‘আজ থেকে নাইটগার্ডের চাকরি ছেড়ে দিয়ে ভ্যান চালাবি, কাল থেকে তোকে যেন আর নাইটগার্ডের চাকরিতে না দেখি। তাহলে কিন্তু দুই ভাগ করে দেবো।” সে সময় তারা বিল্লালের ব্যহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। পরবর্তীতে কাকুতি মিনতির পরে তারা ফোনটি ফেরত দিয়ে চলে যায়। তিনি সে সময় আরো ৪/৫ ব্যক্তিকেও দা হাতে দেখেন। তবে তাদের প্রত্যেকের গামছা দিয়ে মুখ বাঁধা ছিলো, পায়ে কেডস, গায়ে কালো শার্ট, কালো প্যান্ট পরা ছিলো। এঘটনায় নৈশ প্রহরী বিল্লাল সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। এঘটনায় সাতক্ষীরা শহরে চরম আতংক বিরাজ করছে।
এদিকে পরপর দুইবার এধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার এখনো পর্যন্ত কোন ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এঘটনায় জনমতে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে ওই সন্ত্রাসী দা বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক(আইসিটি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমরা খুবই গুরুত্বের সাথে দেখছি। আশা করি দ্রুত ওই বাহিনীকে আইনের আওতায় আনতে পারবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকায় ভোট চেয়ে নজরুল ইসলামের নির্বাচনী গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে নজরুল ইসলামের নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহীদ নাজমুল স্মরনী সড়কে এ নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল হোসেন মাসুম, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, সদস্য কামরুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সদস্য সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, কুখরালী আমতলা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নূর মনোয়ার সহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এসময় নেতৃবৃন্দ শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের লিফলেট সম্বলিত হ্যান্ডবিল বিতরণ করেন এবং শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড জনগনের মাঝে তুলে ধরেন। এসময় নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যহত রাখতে নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: সংসদের পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, আমরা ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে মানুষের বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মতো মৌলিক অধিকার হরণের সুযোগ সৃষ্টির প্রয়াসকে আত্মঘাতী ও অগণতান্ত্রিক বিবেচনা করছি। এর থেকে বিরত থাকতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

মঙ্গলবার দেওয়া বিবৃতিতে ড. ইফতেখারুজ্জামান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সম্পাদক পরিষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর সরকারের মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের বৈঠক ও মন্ত্রিপরিষদে সম্পাদকদের উদ্বেগের বিষয় উপস্থাপনের ঘোষণা ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ব্যাপক উৎকণ্ঠা ও সুস্পষ্ট পরামর্শ পাশ কাটিয়ে অস্বাভাবিক দ্রুততায় আইনটি সংসদে অনুমোদন দেওয়ার পর আলোচনার মাধ্যমে বিতর্ক নিরসনের ইঙ্গিত আমাদের আরও উদ্বিগ্ন করছে।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আইনটিতে এত বেশিসংখ্যক নিবর্তনমূলক, সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ধারা রয়েছে যে, কোনো প্রকার আংশিক পরিবর্তন উদ্ভূত নিরাপত্তাহীনতার অবসান ঘটাবে না। মতপ্রকাশ ও বাকস্বাধীনতাবিরোধী ও আইনের জবাবদিহিহীন অপব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টিকারী সকল ধারা বাতিল করে আইনটি নতুন করে ঢেলে সাজানো ছাড়া এ পর্যায়ে অন্য কোনো বিকল্প নেই।

ড. জামান আরও বলেন, আইনটির খসড়ার ওপর দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা তাঁদের উৎকণ্ঠার কথা জানিয়ে সুস্পষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন। আমলে নেওয়ার অঙ্গীকার করা হলেও বাস্তবে তা হয়নি। এই বাস্তবতায় তড়িঘড়ি করে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা বা দাবি মানা হয়েছে, এমন ধারণা সৃষ্টির প্রচেষ্টা করা হলে তা যেমন হতাশাব্যঞ্জক, তেমনি আত্মঘাতী হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধবার আসাদুজ্জামান বাবুর মটরসাইকেল শোভাযাত্রা

 

কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে বুধবার সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবুর নেতৃত্বে নির্বাচনী মটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষ্যে আজ সকাল ১০টা সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠ থেকে মটরসাইকেল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে শেষ হবে। উক্ত মটরসাইকেল শোভাযাত্রা আওয়ামীলীগসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন ও শুভাকাঙ্খীদের যথাসময়ে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ চত্বরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন আসাদুজ্জামান বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এরশাদ-রওশন দ্বন্দ্বে জাপায় অস্থিরতা

দেশের খবর: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের দ্বন্দ্বে দলটিতে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। একাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন সংসদের বিরোধী দলের শীর্ষ দুই নেতা। দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দলটির নীতিনির্ধারণী নেতাদের ভাষ্য মতে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা, না করা নিয়ে দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম রওশন এরশাদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত। ওই নির্বাচনে এরশাদের কথায় রাতারাতি ২১৭ প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এরশাদের নির্দেশ অমান্যকারীদের বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করা হলেও নির্দেশ মেনে যারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিলেন তাদের বিভিন্ন জেলার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

দলটির নেতারা জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বৈঠকে জাপা মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন বাবলু ও কাজী ফিরোজ রশিদ উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু বৈঠকের বিষয়টি জানতেন না বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাপার এক নেতা জানান, বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে না আনার কারণ জানতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অপরদিকে এরশাদ নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনজনের নাম প্রস্তাব করেন।
বৈঠকে জাতীয় পার্টির এক নেতাকে অন্য দলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে অভিযুক্ত করা হয় বলে দাবি ওই নেতার।

জাতীয় পার্টির নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি না জানাকে কেন্দ্র করে এবারের বিরোধ। এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের কাছে জানতে চান রওশন এরশাদ। তিনি (রওশন এরশাদ) বৈঠকের বিষয়টি না জানায় জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য ক্ষুব্ধ হন। পরবর্তীতে (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, এরশাদ আমাদের নেত্রী রওশন এরশাদকে না নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বিষয়টি ছিল রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রওশন এরশাদ একান্তে বৈঠক করেন। বৈঠকে আগামী নির্বাচনে জাপার আসন সংখ্যা, নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন নেতার দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে দলের চেয়ারম্যান এরশাদ নির্বাচনকালীন সরকারে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ ও জিয়াউদ্দীন আহমেদ বাবলুর নাম প্রস্তাব করেন।
চেয়ারম্যানের ওই প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।
জাপার ওই নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রওশন এরশাদ নির্বাচনকালীন সরকারে সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামসহ অন্যদের নাম প্রস্তাব করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম ওমরকে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ করারও প্রস্তাব করেন রওশন। পরবর্তীতে নুরুল ইসলাম ওমর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পান।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে তলব করে। দলটির এরশাদপন্থী নেতাদের দাবি, পার্টির মহাসচিব সরকারবিরোধী জোটের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন- এমন তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে দুদক থেকে পাওয়া চিঠি সেই ইঙ্গিত বহন করে। জাতীয় পার্টির মহাসচিব পদ হারানোর আগেও দুদক থেকে একই কায়দায় চিঠি পেয়েছিলেন হাওলাদার।

এদিকে গত ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে অনুষ্ঠিত জাপার ডিজিটাল নির্বাচনী প্রচারণা কর্মশালায় রওশন এরশাদসহ দলের অধিকাংশ সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। রওশনপন্থী হিসেবে পরিচিত জাতীয় পার্টির নেতারা মনে করেন, দলের মহাসচিব এরশাদ ও রওশনের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছেন। নিজেদের সংসদ সদস্য পদ টিকিয়ে রাখতে বিপাকে পড়েছেন দলের সংসদ সদস্যরা। আগামীতে কার নেতৃত্বে আসন নির্ধারণ হবে তা কেউ নিশ্চিত নন। তাই তারা দু-কূলই রক্ষা করে চলছেন।
জাতীয় পার্টির এক নেতা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে রওশন এরশাদের পক্ষ থেকে এক প্রতিমন্ত্রী জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যদের বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে থাকতে বলেছেন। খুব শিগগিরই দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে ওই প্রতিমন্ত্রী বসবেন বলে জানা গেছে।
জাতীয় পার্টির নীতিনির্ধারণী এক নেতা জানান, নির্বাচনের আগে জাতীয় পার্টির এই অবস্থান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কিছুটা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়েও জাতীয় পার্টি নিয়ে আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে।

জাপার ওই নীতিনির্ধারণী নেতা দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান এরশাদ ও রওশন দু’জনে মিলে দলের হাল ধরুক। আস্থার সংকট কাটিয়ে পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ ও বিরোধী দলের নেতা রওশনকে একই প্লাটফর্মে আনা যায় কিনা- এমন চেষ্টা করতে জাপার এক শীর্ষ নেতা ও প্রতিমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব দিয়েছেন বলে ওই নেতার দাবি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় পার্টির প্রভাবশালী এক নেতা বলেন, বিগত নির্বাচনের পর থেকে দলে এক ধরনের বিভেদ চলছিল। যারা তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা এবার আর ক্ষতির মুখে পড়তে চাইছেন না।
‘এরশাদ-রওশনের মাঝে মতবিরোধ তো ছিলই, এখন সেটা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে’- যোগ করেন তিনি।
তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেন, ‘আমাদের পার্টিতে কোনো বিরোধ নেই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কদবেলের পুষ্টিগুণ

অনলাইন ডেস্ক: মৌসুমি ফল মানেই রোগের সমাধান। তাই সুস্থ থাকতে মৌসুমি ফল খাওয়া জরুরী। মৌসুমি ফল কদবেলে রয়েছে নানান পুষ্টি। কদবেল খুব উপকারী ফল। এটা মৌসুমি জ্বর–ঠাণ্ডা, পেটের সমস্যা ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। টক ফল কদবেল ভিটামিন সি’য়ের ভালো উৎস।
কদবেলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে তিনি জানান- প্রতি ১০০ গ্রাম কদবেলে ১.৮ গ্রাম প্রোটিন, ৩১.৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেইট, ০.৩ গ্রাম চর্বি থাকে। কদবেলে ২ গ্রাম খনিজ, ১.১ মি.গ্রাম নায়াসিন, ১.১৯ মি. গ্রাম রিবোফ্লাভিন, .০১৩ মি.গ্রাম থায়ামিন এবং ৮৫ মি.গ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।
কদবেল ভিটামিনেরও ভালো উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম কদবেলে ৫৫ মি.গ্রাম ভিটামিন এ, ৬০ মি.গ্রা. ভিটামিন সি থাকে। এছাড়াও ৫ গ্রাম আঁশ, ৫০ মি.গ্রাম ফসফরাস ও ৬শ’ মি.গ্রা. পটাশিয়াম পাওয়া যায়।

কদবেল শরীরে নানান উপকার করে। যেমন-

* কদবেল ডায়রিয়া রোগের চিকিৎসায় সহায়তা করে।
* আঁশবহুল হওয়ায় এটা কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ দূর করে।
* পেপ্টিক আলসার থেকে রক্ষা করে।
* ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে সহায়তা
* কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
* ভিটামিন সি’য়ের ভালো উৎস; তাই স্কার্ভি প্রতিরোধে সহায়ক।
* কানের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
* জ্বর কমায়।
* ক্যান্সার প্রতিরোধক।

উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কদবেল দেহকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরতে হবে- জগলুল হায়দার এমপি”
আব্দুল আলিম, শ্যামনগর  :
শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্তব্যরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও সৌজন্যসাক্ষাত করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি এস.এম জগলুল হায়দার।
মঙ্গলবার (০২ রা অক্টোবর) বিকাল ৫ ঘটিকায় শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি, দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরার শ্যামনগর প্রতিনিধি গাজী আল ইমরানের সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমার প্রথম বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই, আমার এম পি হওয়ার চাইতে শেখ হাসিনা কে প্রধানমন্ত্রী হওয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য খুবই দরকার। এ সময় তিনি বলেন,আমার নির্বাচনীয় এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, আমাদের সরকার আবারও ক্ষমতায় এলে এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে, সাংবাদিকদের তিনি বলেন,আমাকে নিয়ে অতি রন্জিত কিছুই লেখার দরকার নেই, আমি এমপি হওয়ার জন্য লালায়িত নই। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য কাজ করে যাবো।
মতবিনিময় শেষে শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে এস.এম জগলুল হায়দার এমপি কে “জনবন্ধু স্মারক” প্রদান করা হয়।
সবশেষে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক করে সকল সাংবাদিকের হাতে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ শীর্ষক লিফলেট বিতরণ করেন।
উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি স.ম ওসমান গনী সোহাগ এর সার্বিক সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি পলাশ দেবনাথ, অনাথ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন মিঠু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম, বিজয় কৃষ্ণ মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী আঃ আলিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ রুবেল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাহেব আলী, তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশিকুর রহমান, কার্যকরী সদস্য এম.এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, রবিউল ইসলাম, জগোবন্ধু কয়াল, আজিজুর রহমান প্রমুখ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest