সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoir

আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু

দেশের খবর: সামনে একাদশ জাতীয় নির্বাচন। আসন্ন এ নির্বাচনে জনসংযোগ বাড়াতে উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করেছে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদল। রেলযোগে এ সফর শুরু হয়েছে আজ শনিবার সকালে। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
ঢাকা থেকে আন্তঃনগর ট্রেন নীলসাগর এক্সপ্রেসে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক নেতা ও গণমাধ্যমকর্মী।
যাত্রাপথে ট্রেনটি টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটোর, বগুড়া, জয়পুরহাট, দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলার অন্তর্ভুক্ত রেলস্টেশনগুলোতে থামবে। সেখানেই পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়া হবে।
এবার নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত ১৫টি সাংগঠনিক দলের চলমান সফরের অংশ হিসেবে এই যাত্রা শুরু হলো। দুই দিনের সফরে টিমের শনিবার সকাল ৮টায় কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদল উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
সফরের প্রথম পর্যায়ে ট্রেনটি নীলফামারী গিয়ে থামবে। যাত্রা পথে ট্রেনটির ৮টি স্টপেজে যাত্রাবিরতির জায়গাগুলোতে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বিএম মোজাম্মেল হক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, নির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেনসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা সাধারণ সম্পাদকের সফরসঙ্গী থাকবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিলো বেলজিয়াম

খেলার খবর: আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়েছে বেলজিয়াম। হ্যাজার্ড-লুকাকুদের গোলে ৪-০ ব্যবধানের জয় পেয়েছে বিশ্বকাপের অন্যতম সফল দল বেলজিয়াম।
শনিবার রাতে স্কটল্যান্ডের ঘরের মাঠে খেলার ২৮তম মিনিটে এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লুকাকু। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই ব্যবধান বাড়ায় বেলজিয়াম। ডি-বক্সে ডান পায়ে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাম পায়ের বুলেট গতির শটে প্রতিপক্ষের জালে বড় জড়ান হ্যাজার্ড। ৫২তম মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করে ফেলেন বাতসুয়াই। আট মিনিট পর আবার জালের দেখা পান চেলসি থেকে ধারে ভালেন্সিয়ায় খেলা বাতসুয়াই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরোক্ষ ধূমপান ফুসফুসের ক্যানসার এবং হৃদরোগের কারণ

স্বাস্থ্য কণিকা: তামাকের ধোঁয়ায় চার হাজারের বেশি উপাদান থাকে। এগুলোর মধ্যে যেসব কণা রয়েছে তা হলো আলকাতরা, নিকোটিন, বেনজিন ও বেনজোপাইরিন। আর গ্যাসীয় উপাদানগুলো রয়েছে কার্বন মনোক্সাইড, অ্যামোনিয়া, ডাই-মিথাইল নাইট্রোস অ্যামাইন, ফরমালডিহাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড ও অ্যাক্রোলিন। এক হিসাবে দেখা যায়, তামাকের ধোঁয়ায় অন্তত ৬০ রকমের উপাদান রয়েছে, যেগুলো ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে। আর শ্বাসনালীর জন্য উত্তেজক যে কত উপাদান রয়েছে তার ইয়ত্তা নেই।

ধূমপানরত ব্যক্তির বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়া দ্বিতীয় ব্যক্তি গ্রহণ করলে সেটাকে পরোক্ষ ধূমপান বলা হয়। এটা দুইভাবে আসতে পারে, ধূমপানরত ব্যক্তির জ্বলন্ত বিড়ি কিংবা সিগারেটের পাশ থেকে নির্গত ধোঁয়া কিংবা ধূমপায়ী ধোঁয়া গ্রহণের পর নিঃশ্বাসের সঙ্গে পরিত্যক্ত ধোঁয়া। ৩০ মিনিট পরোক্ষ ধূমপান করলে হৃদপিণ্ডের মধ্য দিয়ে রক্ত চলাচল বন্ধ করার জন্য তা যথেষ্ট। হাঁপানির রোগীর হাঁপানির প্রকোপ বাড়ানোর জন্য পরোক্ষ ধূমপান বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

বাড়িতে পরোক্ষ ধূমপানের ফলে হৃদরোগ এবং ফুসফুসের ক্যানসারের প্রকোপ ২৫ শতাংশ বেড়ে যায়। আর কর্মস্থল এবং পথেঘাটে পরোক্ষ ধূমপানের ফলে হৃদরোগের হার বেড়ে যায় ৫০-৬০ শতাংশ। অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদনে দেখা যায়, অধূমপায়ীদের ফুসফুসের ক্যানসার এবং হৃদরোগের কারণ পরোক্ষ ধূমপান। ধূমপায়ী মা-বাবার শিশুদের মধ্যে শ্বাসনালীর রোগব্যাধির প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি। উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এখন আমাদের পরোক্ষ ধূমপানের বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে।

ঘরের ভেতর ধূমপান করলে তা ধূমপায়ীর জন্য তো বটেই, সঙ্গে সঙ্গে তা তার পরিবারের অন্যদের, বিশেষত শিশুদের জন্যও ক্ষতিকর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হজমশক্তি ফেরায় ত্রিফলা

স্বাস্থ্য কণিকা: ত্রিফলা কী
এটি চূর্ণ বাদামি রঙের পাউডার, যা আমলকী, হরীতকী ও বহেরার মিশ্রণ। আয়ুর্বেদ বলে, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ পেটের নানা পীড়া নিরাময়ে সেরা সমাধান ত্রিফলা। হজমশক্তি পুনরুদ্ধারকারী ত্রিফলার উপাদান সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক—

হরীতকী
ত্রিফলার এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হরীতকী। এতে মেলে গুরুত্বপূর্ণ রেচক উপাদান। এটি পাকস্থলীর সংকোচক এবং পিচ্ছিলকারক উপাদান হিসেবে কাজ করে। এতে মল তৈরি হয় এবং অন্যান্য সমস্যা দূর হয়।

আমলকী
এতেও আছে রেচক উপাদান। পেট ঠাণ্ডা রাখে আমলকী। পাকস্থলীর অভ্যন্তরীণ অঞ্চলকে স্থিতিশীল রাখে। ইনফ্লামেশন হতে দেয় না। পেটের যেকোনো জ্বালা-পোড়া এবং অস্বস্তিকর অবস্থা সামাল দেয় এই হারবাল।

বহেরা
এতেও আছে প্রাকৃতিক রেচক উপাদান। হজমযোগ্য ফাইবার আছে। ফলে এটি হজমে সহায়ক। কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য বহেরা খুবই উপকারী।

ত্রিফলার ব্যবহার
ত্রিফলার পানি পান করলেই আপনার পেটের সমস্যা থাকবে না। এক চা চামচ ত্রিফলা চূর্ণ এক জগ পানিতে মিশিয়ে দিন। সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পান করুন। কিংবা সারাদিন ধরে এই পানি খেতে পারেন। ত্রিফলায় আছে মূত্রবর্ধক উপাদান। কাজেই রাতে এর পানি বেশি খেলে অসুবিধায় পড়তে পারেন। সবচেয়ে ভালো হয় ভোরবেলা যদি খান। ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে পান করুন। যদি এর স্বাদ ভালো না লাগে তবে এতে মধু মেশাতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বাধীনতা প্রজন্মলীগ সাতক্ষীরা জেলা কমিটি অনুমোদন

 

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বাধীনতা প্রজন্মলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর’১৮ তারিখে কেন্দ্রীয় চেয়াম্যান মোঃ আনিছুর রহমান আনিছ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক পত্রে আব্দুল্যাহ আল মামুন কে সভাপতি, মোমিনুর ইসলাম, শওকত হোসেন, ফজর আলীকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, ডাঃ বাকী বিল্লাহ(বাপ্পী)কে সাধারণ সম্পাদক, মোজাহিদুল ইসলাম (তুষার) কে যুগ্ম সম্পাদক, রাইসুল ইসলাম, ডি এম সুজন, জাহাঙ্গীর আলমকে সহ-সাধারণ সম্পাদক ও রাজ ইসলাম রাজুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৯১ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় চেয়াম্যান মোঃ আনিছুর রহমান আনিছ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সকল আন্দোলন সংগ্রামে এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে সকলকে একযোগে নৌকার পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের কুইজ প্রতিযোগিতা

জি.এম আবুল হোসাইন : ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের আয়োজনে সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আলিপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ, সহকারি শিক্ষক অর্চনা বালা, সহকারি শিক্ষক মো. মেজবাহ উদ্দীন, সহকারি শিক্ষিকা নাছিমা বেগম, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো: মনিরুজ্জামান টিটু, প্রজেক্ট অফিসার আব্দুল হান্নান, ইয়ুথ ভলান্টিয়ার সালমা আক্তার ও সামছুদ্দীন কাজল, জেলা এডলোসেন্ট ও ইয়ুথ ক্লাবের সদস্য মো. হাবিবুল্লাহ ইসলাম, আতিকুর রহমান, মোত্তালিব হোসেনসহ সকল ইউনিয়ন ইয়ুথ সদস্যবৃন্দ।
কুইজ প্রতিযোগিতায় মোট ১১০জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় মো. ফিরোজ হোসেন ১ম, ফিরোজ হাসান ২য় ও মো.
অনিক ৩য় স্থান অধিকার করায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা  হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একসঙ্গে কাজ করবে বিজিবি-বিএসএফ

অনলাইন ডেস্ক: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে ৪৭তম সীমান্ত সম্মেলন আজ জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশন (জে আর ডি) স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া সীমান্ত সম্মেলন শেষে আজ সীমান্ত হত্যা বন্ধ, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীদের অনুসন্ধান ও মানবপাচার রোধসহ আটটি বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছে একসঙ্গে কাজ করার যৌথ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

ঐক্যমতে পৌঁছানো বিষয়গুলো হল সীমান্ত হত্যা বন্ধে পদক্ষেপ, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর অনুসন্ধান, সীমান্ত লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, মানবপাচার রোধ, জাল মুদ্রা পাচার রোধ, আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তে উন্নয়ন, ক্রাইম ফ্রি জোন ঘোষণা, সুসম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করা।

শুক্রবার দিল্লির লোধি রোডে অবস্থিত বিএসএফ’এর সদর দফতর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ-বিজিবি)-এর ডিজি পর্যায়ের ৪৭ তম বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই বাহিনীর ডিজি উপস্থিত ছিলেন। সেখানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজিবি’র ডিজি মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে ভারতের মাটিতে বড় ধরনের কোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি। আপনারা জানেন এই মুহূর্তে বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার চলছে, আমাদের জিডিপি এখন ৭.১ শতাংশ এবং দেশের মানুষ প্রকৃত অর্থেই খুব সুন্দর জীবন উপভোগ করছেন। তাই সংঘবদ্ধভাবে বা বিশাল সংখ্যায় দেশত্যাগ করার কোন ঘটনা নেই।’
বিজিবি ডিজি’র অভিমত যে সমস্ত বাংলাদেশি নাগরিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসেন, তারা মূলত সাংস্কৃতিক বন্ধন ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কারণেই সীমান্ত অতিক্রম করেন। তিনি জানান ‘অনেক বাংলাদেশি নাগরিকেরই আত্মীয়-স্বজনরা এপারে (ভারত) থাকেন। সেই সম্পর্কের খাতিরেই তারা এপারে আসেন। তাই প্রধান এই কারণেই অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে। কিন্তু বন্ধু ও পরিবারের সাথে দেখা করে তারা আবার ফিরেও আসেন এবং সেই সংখ্যটাও নগন্য।’
অন্যদিকে বিএসএফ ডিজি কে. কে. শর্মা বলেন, ‘ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে চলতি বছরে ১৫২২ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৬৬ জন অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, বাকিরা পাচার হয়ে আসা। নির্যাতিত ও অপরাধীদের মধ্যে পার্থক্য বোঝার জন্য আমাদের সেনাবাহিনীকে আরও সংবেদনশীল করা হয়েছে।
সীমান্ত বরাবর গবাদি পশু পাচারের ঘটনাও কমেছে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন দুই দেশের ডিজি। তাদের অভিমত সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে গবাদি পশু পাচারের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে-এর প্রথম কারণ সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি, দ্বিতীয়ত বাংলাদেশে গবাদি পশুর লালন-পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
অন্যদিকে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর হার কমেছে বলে জানান বিজিবি’র ডিজি। তিনি বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা নিয়ে বাংলাদেশ যথেষ্ট উদ্বিগ্ন এবং যারা পাচারের সাথে জড়িত থাকে তাদের সাথেই এই জিনিস বেশি হয়ে থাকে। এই বিষয়টি অনুধাবন করে দুই বাহিনী একযোগে কাজ করছে। আমরা এই সীমান্ত হত্যার সংখ্যা শূণ্যে নামিয়ে আনতে চাই। সীমান্তে যাতে গবাদি পশু পাচারের ঘটনা না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক রয়েছি। তাছাড়া পাচারের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ছে কিন্তু পাচার কম হওয়ার ফলে দেশের মানুষও স্বয়ং সম্পূর্ণ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
বিএসএফ ডিজিও আরো বলেন, ‘আমি খুবই খুশি যে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত সীমান্তে একটিও বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনা নেই।’
রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে কে. কে. শর্মা জানান, ‘আমরা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত রয়েছি। মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে প্রচুর সংখ্যায় রোহিঙ্গা নাগরিক আশ্রয় নিয়েছে এবং সেখান থেকে ছোট ছোট দলে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা তাদের সেই প্রচেষ্টাকে সফল হতে দেইনি। তাই সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে বড় সংখ্যায় কোন রোহিঙ্গা প্রবেশের ঘটনা নেই। দেশে এখনও পর্যন্ত যে রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে, তারাও কিছু কিছু জায়গায় যথেষ্ট চাপে রয়েছে এবং সেই কারণেই তারা এখন পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিচ্ছেন। কারণ এই রাজ্যটিতে তারা কিছুটা স্বস্তি অনুভব করার কারণেই দেশের অন্য প্রান্ত থেকে সেখানে আসছে এবং সেই রোহিঙ্গাদের জন্য শিবিরও খোলা হয়েছে।’ এখনও পর্যন্ত রাজ্যটিতে ৭০ টি পরিবারের খোঁজ মিলেছে বলেও জানান তিনি।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সতর্ক রয়েছে বিজিবিও। বিজিবি প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে প্রচুর রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন এবং বিজিবিসহ অন্য নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি সবসময় তাদের ওপর নজর রাখছে এবং একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু তার পরেও দেশের অন্য প্রান্তে তারা চলে যাচ্ছেন।’
ভারত সফরকালে বিজিবি ডিজি সফিনুল ইসলাম গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং’এর সাথেও সাক্ষাত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব মাথাব্যথাকে অবহেলা নয়; হতে পারে মারাত্মক রোগের লক্ষণ

স্বাস্থ্য কণিকা: কম-বেশি সকলেই মাথা ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকেন। রোদে ঘোরাঘুরি, ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, মাইগ্রেন-সহ অন্যান্য অনেক কারণেই মাথা ব্যথার সমস্যা হতে পারে। আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনেকেই মাথা ব্যথার সমস্যাকে খুব অবহেলা করি। কখনও কম, কখনও বেশি এ সব ব্যথাকে আমরা অধিকাংশ সময়েই তেমন একটা গুরুত্ব দিতে চাই না। অথচ এ সব ব্যথাই হতে পারে অনেক বড় কোনও সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ যা ভবিষ্যতে মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হয়ে দাঁড়াতে পারে! তাই এ সব ব্যাথাকে মোটেই অবহেলা করা উচিত নয়। হয়তো আপনার অবহেলার কারণে মারাত্মক সমস্যাটি বেড়েই চলেছে দিনের পর দিন! তাই জেনে রাখা ভাল কোন ধরণের মাথাব্যথা মারাত্মক রোগের লক্ষণ হতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক…
১। হুট করে শুরু হয়ে মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে অসম্ভব রকমের মাথাব্যথার সমস্যা শুরু হওয়া অনেক মারাত্মক একটি সমস্যা। আর এই মাথাব্যথার কারণ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, স্ট্রোক এবং অ্যানিউরিজম। সুতরাং, সতর্ক থাকুন!
২। মাথায় কোনও আঘাত পাওয়ার পর থেকে মারাত্মক ব্যথা শুরু হলে তা মোটেই অবহেলা করবেন না। অনেকেই ভাবেন আঘাত পেলে ব্যথা তো করবেই! কিন্তু আপনার অবহেলার কারণে আপনি পড়তে পারেন মারাত্মক সমস্যায়। খুব সামান্য আঘাতের কারণেও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে যা মাথার খুলিতে চাপের সৃষ্টি করে।
৩। প্রতিদিন সকালে উঠে কি মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন? মাথাব্যথা সেই সাথে বমি করার সমস্যা প্রায় নিয়মিত লক্ষ্য করলে তা অবহেলা করা মোটেই উচিত নয়। এটি হতে পারে মারাত্মক একটি রোগের লক্ষণ। যদি বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা কমতে থাকে, আবার হাঁটাচলা, শারীরিক পরিশ্রম, মাথা নিচু করা ইত্যাদির সঙ্গে সঙ্গে মাথাব্যথা বাড়তে থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিত্সকের পরামর্শ নিন কারণ, এটি ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ হতে পারে।
৪। সবচেয়ে মারাত্মক মাথাব্যথার সমস্যা হচ্ছে সেলেব্রাল অ্যানিউরিজমের। মাথার সঙ্গে এই ব্যথা গলা, ঘাড়েও অনুভূত হতে থাকে, সেই সঙ্গে বমি বা বমি বমি ভাব। এরই সঙ্গে আলোতেও ব্যথা বাড়ার প্রবনতা দেখা দেয়। এই সমস্যা লক্ষ্য করলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest