তালায় স্কুলের ভবনের ভিত্তি প্রস্থ উদ্বোধন করলেন এমপি লুৎফুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহের উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের ঘোনা পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তুর উদ্বোধণ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হেয়ছে।
সোমবার স্কুল চত্বরে এ ভবন নির্মান কাজের ভিত্তি প্রস্থ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, ভাইস চেয়ারম্যান ইফতেখার হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা, মুক্তিযোদ্ধা কলেজের উপাধ্যক্ষ মহিবুল্লাহ মোড়ল, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র সেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সোবহান সরদার, প্রধান শিক্ষক স্বপন হালদার, পল্লী মঙ্গল মিলন সংঘের (ঘোনা) এর সভাপতি গাজী ছকিল উদ্দিন সহ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল বলে দেশ এখন এত উন্নত। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকাররা মা-বোনদের ইজ্জত হরণ, লুণ্ঠনসহ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো। তাদের বিচার চাওয়া ও বিচার হওয়া কি অপরাধ। আইন তাদের উপযুক্ত বিচার করে শাস্তি দিয়েছে। আর জামায়াত-বিএনপি ইসলামের কথা বলে মানুষ হত্যা করে। এটি কোন ইসলাম। যারা মানুষ হত্যা করে তারা কোন ইসলাম পালন করে।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ২ কোটি ৭৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে চারতলা ভিত বিশিষ্ট) চারতলা একাডেমিক ভবনের নির্মান কাজ বাস্তবায়ন করবে। ইসলামের দোহাই দিয়ে যারা রাস্তা কাটে, গাছ কাটে, স্কুল পুড়িয়ে ভোট চায়। তাদেরকে প্রতিহত করে আগামী নির্বাচনে আবারো বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কে ক্ষমতায় আনার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকা প্রতীকের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান। পরে সংসদ সদস্য খলিষখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাটকেলঘাটা ঘোনা পল্লী মঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝাউডাঙ্গা মাঠে আলোক ফাঁদ উৎসব

 

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে সারা জেলায় ২৩৬টি ব্লকে আমন ধান ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকামাকড় সনাক্তকরণের জন্য আলোক ফাঁদ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর অংশ হিসাবে সোমবার সন্ধ্যায় ঝাউডাঙ্গা মাঠে অনুষ্ঠিত আলোকফাঁদ উৎসবে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চল খুলনার অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ নিত্যরঞ্জন বিশ্বাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, উপ-পরিচালক সদর দপ্তর কৃষিবিদ মোহন কুমার ঘোষ, জেলা প্রশিক্ষন অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নূরুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আমজাদ হোসেন, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার অমল কুমার ব্যনার্জি, কিরন্ময় সরকার এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য ও কৃষকবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকার পক্ষে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে শিবপুরে নির্বাচনী পথসভা

নিজস্ব প্রতিবেদক : নৌকার স্বপক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে “শেখ হাসিনার সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন” শ্লোগানে নৌকার স্বপক্ষে জনমত সৃস্টির লক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিবপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সিনিয়র সহূসভাপতি জতিন্দ্রনাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কাশেমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আকবার আলী, মনিরুল হোসেন মাছুম, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেজুতি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহেদুজ্জামান টিটু, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আসিফ শাহাবাজ, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলাম,ঘোনা ইউনিয়ন আ’ লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, শিবপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হোসেন মানি, সহূসভাপতি আজহারুল ইসলাম সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।
পথসভায় প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকলে কিছু চাওয়া লাগেনা। না চাইতে সবকিছু পাওয়া যায়।
বাংলার মাটিতে পদ্মাসেতু এখন দৃশ্যমান। শেখ হাসিনা সরকার ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশের অর্থায়নে পদ্মাসেতু হবে, সেই পদ্মা সেত্রু কার্যক্রম এখন চলমান, দৃশ্যমান। একইভাবে বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট, শিক্ষা, চিকিৎসা স্বাস্থ্য সহ প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা চলমান রয়েছে। বিএনপি সরকার ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে আওয়ামীলীগের অনেক নেতা কর্মীকে হত্যা করেছিল। বর্তমান তারা একটি সন্ত্রাসীদল হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। এজন্য তাদেরকে আর বাংলার মানুষ ক্ষমতায় দেখতে চায়না। তিনি আরো বলেন, বিগত সকল সরকারের চেয়ে শেখ হাসিনা সরকার সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন করেছে। কৃষকের সারের জন্য এখন আর জমির পর্চা দেখানো লাগেনা, সার এখন কৃষকের দ্বোর গড়ায়।
কোনো শিশু যাতে শিক্ষা থেকে ঝরে পড়তে না পারে সেজন্য শেখ হাসিনা সরকার ১লা জানুয়ারীতে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিচ্ছে। বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। এ সরকার জনগনের সরকার, উন্নয়নের সরকার,।
সরকারের উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা অব্যহত রাখতে আগামী জাতিয় নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকার কে আবার রাস্ট্রীয় ক্ষমতায়;আনার আহবান জানান নজরুল ইসলাম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আ’লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, শিবপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুজ শাহাদাত জাকির, আ’লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য ইব্রহিম খলিল প্রমুখ। একই দিনে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে পরানদহ বাজারের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভূমিহীন নেতা অ্যাড. আব্দুর রহিমের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ ১৯৮৭ সালের ৩০ মার্চ সাতক্ষীরা শহরতলীর বাকালে এক ভ্যান চালকের ছেলে ইসলামকে পুড়িয়ে হতা পরবর্তী ভূমিহীনদের অধিকার আন্দোলন প্রতিষ্ঠায় অ্যাড. আব্দুর রহিমের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। এ আন্দোলনে শরীক হয়ে সংগঠণকে শক্তিশালী করেছিলেন কৃষক নেতা সাইফুল্লাহ লস্কর, অধ্যাপক আবু আহম্মদ, কলেজ শিক্ষক আনিছুর রহিম, অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, আব্দুস সাত্তারসহ কয়েকজন ব্যতিক্রমধর্মী মানুষ। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালের কালিগঞ্জের বাবুরাবাদে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ প্রতিরোধ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অ্যাড. আব্দুর রহিম। পরবর্তীতে পুলিশ, ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত ভূমিহীন জাহেদার মিছিল পরবর্তী ভূমিহীন আন্দোলনের গতি বাড়াতে জেলা নাগরিক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও জাপা নেতা হিসেবে তার ভূমিকা অবিষ্মরনীয়। ভূমিহীন আন্দোলনকে রুখে দিতে পুলিশ ও ভূমিদস্যুরা সাইফুল্লাহ লস্করকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে এ কথাটি প্রথম জোরালো কণ্ঠে বলেছিলেন আব্দুর রহিম। ১৯৫২ সালের ভাষা আনোদালনে তিনি রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছিলেন। কলেজে শিক্ষকতা করাকালিন নয়, আইনজীবী পেশায় নিয়োজিত থাকাকালিন তিনি সাতক্ষীরার জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, বিদ্যুতের লোডশেডিংসহ সামাজিক উন্নয়নে তার কতা অস্বীকার করা যাবেনা। সকলে মিলে তার কর্মজীবনে ফেলে যাওয়া পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে তার বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে।
সোমবার সকাল ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আব্দুর রহিমের ষ্ষ্ট মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আনিছুর রহিমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজাহার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও নাগরিক কমিটির সদস্য সচীব অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারি, জেলা বাসদের সমন্বায়ক অ্যাড. আজাদ হোসেন বেলাল, কলারোয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেন, মরহুমের ছেলে আনোয়ার জাহিদ তপন, জাসদ নেতা সরদার কাজেম আলী, ওবায়দুস সুলতার বাবলু, সিপিব নেতা আবুল হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মদ্যপ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট করতে গিয়ে ধরা বিমান ক্রু

অনলাইন ডেস্ক: মদ পানের অভিযোগে ভিভিআইপি ফ্লাইট থেকে বাদ পড়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কেবিন ক্রু।
শুক্রবার লন্ডনের উদ্দেশে যাওয়া প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা বিজি-০০১ ফ্লাইটে এই ঘটনা ঘটে। রেওয়াজ অনুযায়ী ভিভিআইপি ফ্লাইটে ওঠার আগে পরীক্ষাকালে ওই ক্রু’র শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
বিমানের চিফ মেডিকেল অফিসার-সিএমও এর ফাইনাল স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ধরা পড়ে অ্যালকোহলের উপস্থিতি। অ্যালকোহলের টেস্ট পজিটিভ হওয়ায় অভিযুক্ত কেবিন ক্রু সৈয়দা মাসুমা মুফতিকে ভিভিআইপি ফ্লাইট থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ফ্লাইটে চিফ পার্সার হিসেবে গেছেন কাস্টমার সার্ভিসের ডিজিএম নুরুজ্জামান রঞ্জু। ঘটনা ধামাচাপা দিতে গিয়ে ফেঁসে যাচ্ছেন তিনি। সেই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগে মহাব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধেও।
জানা গেছে, নুরুজ্জামান রঞ্জু ও সৈয়দা মাসুমা মুফতিকে গ্রাউন্ডেড করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ফিরিঙ্গি’ রূপী আমির খান এলেন প্রকাশ্যে

বিনোদনের খবর: কখনো ক্রিকেট ব্যাট হাতে ব্রিটিশদের থেকে কর মুক্তি পেতে এসেছেন, কখনো নীলবিদ্রোহী মোঙ্গল পাণ্ডের অবয়বে, কখনো ভীনগ্রহ হতে মানুষরূপী এলিয়েন হয়ে হাজির হয়েছেন তিনি।
জ্বী হ্যা, বলিউডের মি. পারফেক্টশনিস্ট আমির খানের কথা বলছি। ভিন্নভিন্ন চরিত্রে হাজির হয়ে যিনি রুপালি পর্দা দাপিয়ে বেড়ান।
এবার তাকে দেখা যাবে ‘ফিরিঙ্গি’ সাহেবের চরিত্রে।
সোমবার সকালে নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে একটি মোশন পোস্টার শেয়ার করেন আমির খান। যেখানে তাকে রাজকীয়ভাবে ঘোড়ার পিঠে চড়ে সহাস্যে সালাম জানাতে দেখা গেছে।
পরনে তার সবুজ রঙের পর্তুগিজ জ্যাকেট, মাথায় হ্যাট, চোখে গোল চশমা, গলায় ঝোলানো একটি দূরবীন, কোমরের কাছে ঝুলছে এক বোতল পানীয়।
‘থাগস অব হিন্দুস্থান’ ছবিতে এভাবেই হাজির হয়েছেন আমির খান। সামাজিক মাধ্যমে ছবিটি শেয়ার করে আমির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমি হলাম ফিরিঙ্গি, আমার মতো মানুষ এই পৃথিবীতে আর কোথাও পাবেন না। হল আমার দ্বিতীয় নাম। আর ভরসা দেওয়ায়ই আমার কাজ। কসম করে বলছি!!!’
প্রসঙ্গত, থাগস অব হিন্দুস্থান অর্থাৎ হিন্দুস্তানের ঠগিদের নিয়ে এ ছবিটির চিত্রনাট্ট বানানো হয়েছে। ভারতবর্ষে একটা সময় ঠগি ছিল এক আতঙ্গের নাম।
ঠগিরা ছিল বিশেষ ধরণের দস্যু যারা নিরিহ পথিকদের মালামাল লুট করে তাদের হত্যা করত।
গিনেজ বুজ অব ওয়ার্ল্ডের রেকর্ড অনুযায়ী, ১৭, ১৮ ও ১৯ শতকে ঠগিদের হাতে ২০ লাখের বেশি পথিক নিহত হয়েছিল।
আমির খানের ‘থাগস অব হিন্দুস্থান’ ছবিটিতে ১৭৯০ থেকে ১৮০৫ এর মধ্যেকার সময়ের এসব ঠগিদের একটি গল্প উঠে এসেছে।
হিন্দুস্তান টাইমস এর খবর, এই ছবির কাহিনী ফিলিপ মিডোস টায়লরের ১৮৩৯ সালের উপন্যাস ‘কনফেশন্স অব এ থাগ’ এর ভিত্তিতে তৈরি।
যেহেতু আমির খান মানেই নতুনত্ব। তাই আমিরের টুইটে ছবির মোশন পোস্টার দেখে সিনে প্রেমীরা ভয়ানক ঠগিদের ও ফিরিঙ্গি আমির খানকে দেখতে অধীর অপেক্ষা করছে, সেটা সহজেই অনুমান করা যায়।
ছবিতে আরও আছেন অমিতাভ বচ্চন, ক্যাটরিনা কাইফ, ফাতিমা সানা শেখ। আগামি ৮ নভেম্বর ২০১৮ তে ছবিটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চুল পড়া রোধে প্রাকৃতিক উপায়

অনলাইন ডেস্ক: চুল পড়ার সমস্যা কম বেশি সবারই দেখা দেয়। ঠিকঠাক পরিচর্যা করলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
রূপচর্চা-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া উপায় এখানে দেওয়া হল।

গরম তেল মালিশ করা: নারিকেল বা জলপাইয়ের তেল গরম করে আঙ্গুলের সাহায্যে ধীরে ধীরে মাথার ত্বকে মালিশ করুন। এটা চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, গোড়া শক্ত হয় এবং মাথার ত্বকের উন্নতি হয়।

পেঁয়াজের রস: এর সালফার উপাদান চুল পড়া রোধে সাহায্য করে, চুলের ফলিকলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলিকলের সংক্রমণ কমিয়ে পুনুরুজ্জিবিত করে। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাথার ত্বকে সংক্রমণ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করে। ফলে চুল পড়া কমে।

বিটের রস: বলা হয়ে থাকে শরীরের সর্বরোগের সমাধান রান্নাঘরেই রয়েছে। চুল পড়া কমাতে ও সার্বিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে বিট সাহায্য করে। তাই চুল পড়ার সমস্যা সমাধানে প্রতিদিন খাবার তালিকায় বিট রাখার চেষ্টা।

গ্রিন টি: চুলের ফলিকল পুনুরুজ্জীবিত করতে ও চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া, গ্রিন টি বিপাক বাড়ায় ফলে স্বাভাবিকভাবেই চুলের বৃদ্ধি হয়। গ্রিন টি’র দ্রবণ দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন

আমলকী: চুল পড়ার অন্যতম কারণ ভিটামিন সি’র অভাব। আমলকী ভিটামিন সি’র ভালো উৎস। চুল সুন্দর রাখতে এর বিকল্প নেই। এই ফলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ব্যাকটেরিয়া রোধী উপাদান যা খুশকি ও মাথার ত্বকের সংক্রমণ দূর করে। আমলকী মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবারহ করে চুল শক্ত ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।

নিম পাতা: এর ঔষধি গুণ সবারই জানা। এটা চুল পড়া কমাতেও সাহায্য করে। নিমের ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস রোধী উপাদান খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। চুলের ফলিকল শক্ত করতে ও বৃদ্ধি করতে নিম সহায়তা করে। চাইলে নিমের প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

নিম পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে পেস্ট বানিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর শ্যাম্পু করে নিন। ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে দুদিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সন্তানের ধর্ষণের ভিডিও করতেন মা

অনলাইন ডেস্ক: নিজের শিশু সন্তানকে অনলাইনে যৌন নির্যাতনকারীদের কাছে বিক্রি করেছে এক নারী। ওই শিশুর বয়স ৯ বছরের চেয়েও কম। এ ঘটনায় ওই জার্মান নারী ও তার সহযোগিদের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
তদন্তে উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর সব তথ্য। যেখানে দাবি করা হচ্ছে শুধু অন্যদের হাতে তুলে দেয়াই না, শিশুটির মা ও তার সহযোগী নিজেরাই তাদের সন্তানকে যৌন নির্যাতন করতেন। তারা অনলাইনে যোগাযোগ হওয়া বেশ কিছু জার্মান ও বিদেশি নাগরিককে ৯ বছরের এই শিশুকে ধর্ষণ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। দুই বছর ধরে এই কাজ করে তারা হাজার হাজার ইউরো উপার্যন করেছেন।
এ ধরনের অনেক নির্যাতনের দৃশ্য রেকর্ড করে ভিডিও অনলাইনে বিক্রি করা হতো।
অজ্ঞাত এক ফোনে তথ্য পেয়ে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পুলিশ এই চক্রকে সনাক্ত করে। বেরিন টি. ও তার সঙ্গীসহ মোট আটজনকে এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের শিশু নির্যাতনের আরো অভিযোগ রয়েছে।
তদন্তকারীরা বলছেন, তাঁদের দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ শিশু নির্যাতনের ঘটনা এটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest