চুম্বনের সময় কামড়ে স্বামীর জিভ ছিঁড়ে ফেললেন স্ত্রী!

অনলাইন ডেস্ক: মাঝে মধ্যে খুনসুটি, টুকিটাকি ঝগড়া হতেই পারে। কিন্তু তা যে এমন মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছাবে কে জানত! এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের দিল্লিতে। যেখানে স্ত্রী কামড়ে জিভ হারিয়েছেন স্বামী।
শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে দিল্লির রানহোলার বিকারনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। আহত যুবকের নাম করণ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ অভিযোগ স্বীকার করেছেন ওই নারী। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় (ধারালো অস্ত্র বা অন্য কিছু দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করা) মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে করণকে চুম্বন করার সময় জিভ ছিঁড়ে দেন ওই নারী। আগে থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্বামীর চেহারা নিয়ে বিদ্রূপ, উপহাস করতে শুরু করেন ওই নারী।
করণের আর্তনাদে ছুটে আসেন প্রতিবেশিরা। তারা দেখেন করণের মুখের মধ্য থেকে অনবরত রক্ত বের হচ্ছে। সেই সঙ্গে মেঝেতে অর্ধেক জিভ পড়ে রয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরা তাকে দিল্লির সফদর জং হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, করণের মুখের অবস্থা মারাত্মক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়াবা সেবনে ভয়াবহ শারীরিক ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক: সম্প্রতি বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের মধ্যে ইয়াবা ব্যাপক জনপ্রিয়। আর বহন করতে সহজ হওয়ায় বেশির ভাগ মাদক ব্যবসায়ীরা ইয়াবা ব্যবসার দিকে বেশি ঝুঁকছেন। ইয়াবার মরণ ছোবলে বিপথগামী হচ্ছে পরিবার, সমাজ ও ব্যক্তিজীবন। দীর্ঘদিন ‘ইয়াবা’ সেবনে শারীরিক ও মানসিক মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়। এর মরণ ছোবলে জীবন নিঃশেষ হয়ে যায়।

আসুন জেনে নেই ইয়াবা সেবনে যেসব শারীরিক ক্ষতি হয় আপনার।

মস্তিষ্কের সমস্যা
ইয়াবা সেবনে মস্তিষ্কের কিছু ছোট রক্তনালি নষ্ট হতে পারে। দীর্ঘদিন সেবনে অল্প বয়সেও ব্রেনস্ট্রোক করে প্যারালাইজড হওয়া বা চলাচলে অক্ষম হওয়ার আশঙ্কা ৯৫ শতাংশ।

রক্তচাপ বেড়ে যায়
ইয়াবা সেবন দ্রুত হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ জাগিয়ে তোলে। এছাড়া তীব্র মাথাব্যথা হয় বা মাথা ধরে। তাই ইয়াবা সেবন থেকে রিবত থাকুন।

দৃষ্টিশক্তি কমে যায়
চোখের মণি প্রসারিত (ডায়ালাইটেড) হয়। দৃষ্টি আস্তে আস্তে কমে যায় বা নষ্ট হয়। কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না বা ভুলে যায়। কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায় বা আগ্রহ থাকে না।

ক্ষুধা নষ্ট
ইয়াবার মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হলো ক্ষুধা কমে যাওয়া বা ক্ষুধাহীনতা। ফলে আস্তে আস্তে ওজন কমে যায়। মাঝেমধ্যেই বুক ধড়ফড় করে, অস্থিরতায় ভোগে। বুকে ব্যথা বা হার্টের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

লিভার ও কিডনি
ইয়াবা সেবনের ফলে লিভারসিরোসিস থেকে লিভার ক্যানসারেও পরিণত হতে পারে। এছাড়া শরীরে একধরনের তাপ তৈরি হয়, যা কিডনির ক্ষতি করতে পারে।

ফুসফুসের সমস্যা
নাক দিয়ে ধোঁয়া হিসেবে ব্যবহার করায় ফুসফুসে পানি জমা বা অন্য ক্ষতি হতে পারে। স্কিন বা চামড়া লাল হয়ে যায় বা মারাত্মক চর্মরোগের সমস্যা তৈরি করে।

কর্মক্ষমতা হারায়
শরীর প্রচণ্ড অলস হয়ে পড়ে। পড়াশোনা, দৈনন্দিন কাজকর্মে আগ্রহ কমে যায়, কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। অতিরিক্ত ইয়াবা গ্রহণ হাইপারথার্মিয়া বা উচ্চ শারীরিক তাপমাত্রার কারণ হতে পারে।

ঘুমের সমস্যা
এর প্রভাবে কেউ দিনে ঘুমায়, রাতে জেগে থাকে। কেউ কেউ টানা সাত থেকে ১০ দিন জেগে থাকে, আবার একটানা ঘুমায়।

সিজোফ্রেনিয়া ও হ্যালুসিনেশন
কারো ক্ষেত্রে সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। অনেকে পাগল হয়ে যায়। চোখে উল্টাপাল্টা দেখে। কারো কারো ক্ষেত্রে হ্যালুসিনেশন বা গায়েবি আওয়াজ শোনার ঘটনা ঘটে।

আত্মহত্যার প্রবণতা
ডিপ্রেশন বা হতাশাজনিত নানা রকম অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি পায়। আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ে। অনেকে হঠাৎ আত্মহত্যা করে বসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৯ বছর ধরে কোনও গাড়ি নেই এই শহরে

অনলাইন ডেস্ক: বাইরে বের হলেই গাড়ির শব্দে আর ধোঁয়ায় হাঁস ফাঁস অবস্থা হয় আমাদের। অথচ জানেন কি এমন এক শহর আছে যেখানে গাড়ি নিষিদ্ধ। স্পেনের একটি ছোট্ট শহর পন্টেভেদ্রা। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে এই শহরে গাড়ি নিষিদ্ধ। খুব প্রয়োজন ছাড়া এখানে গাড়ি চলাচল করে না।
শহরের বাসিন্দারা পায়ে হেঁটে বা বাইসাইকেলে গন্তব্যে পৌঁছান। শহরটা ছোট হওয়ায় বাইসাইকেলেই যাওয়া যায়।
১৯৯৯ সাল থেকে এই শহরে গাড়ি নিষিদ্ধ। জানেন কি কেন ১৯ বছর ধরে গাড়ি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এই শহরে? মিগুয়াল অ্যাঙ্গসো ফারনানডেজ লরেস। পন্টেভেদ্রার মেয়র। এই নিয়ে চার বার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ১৯৯৯ সালে প্রথমবার মেয়র হওয়ার পরই তিনি গাড়ি নিষিদ্ধ করে দেন।
যানজট আর দূষণমুক্ত করে পন্টেভেদ্রাকে বাসযোগ্য করে তোলার পরিকল্পনা তার। আর শুধুমাত্র সে কারণেই গাড়ি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাতে জনগণ সাড়াও দেন। সে জন্য ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তাকেই মেয়র নির্বাচিত করা।
১৯৯৬ থেকে ২০০৬, এই ১০ বছরে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৩০ জনের। এর পরের ১০ বছর অর্থাৎ ২০০৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা মাত্র ১০। এমনকি ২০০৯ সালের পর থেকে একটি মৃত্যুও পথ দুর্ঘটনার কারণে হয়নি বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন মেয়র নিজেই।
পায়ে হেঁটে আর বাইসাইকেলে যাতায়াত করার জন্য দূষণের মাত্রাও প্রচুর কমেছে। পন্টেভেদ্রার বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে। গাড়ির ভিড়ে অন্যান্য শহরে যেমন নাভিশ্বাস ওঠার জোগড়, রাস্তায় পা ফেলার জায়গা পাওয়া যায় না, পন্টেভেদ্রায় ঠিক উল্টো।
গাড়ির সংখ্যা কমে যাওয়ায়, মানুষের বসতি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯৯ সালে গাড়ি নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে এই শহর ১২ হাজার নতুন বাসিন্দা পেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলা; নিহত ৩,৩০০ বেসামরিক নাগরিক

বিদেশের খবর: মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলায় যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় এ পর্যন্ত তিন হাজার ৩৩১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। ব্রিটেনভিত্তিক কথিত মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এ তথ্য দিয়েছে। এ খবর দিয়েছে পার্সটুডে।
উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে বিনা অনুমতিতে চার বছর আগে মার্কিন বাহিনী সিরিয়ায় বিমান হামলা শুরু করে। তবে মার্কিন হামলায় দায়েশের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও বেসামরিক নাগরিক ও সিরিয়ার সেনাবাহিনীর ওপর বহুবার হামলা করেছে তারা এবং সেসব খবর আন্তর্জাতিক গণমধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়া সম্পর্কে সিরিয়ান অবজারভেটরির প্রধান রামি আবদেল রহমান জানান, নিহতদের মধ্যে ৮২৬টি শিশু এবং ৬১৫ জন নারী রয়েছেন।
অন্যদিকে, আমেরিকা ভিন্ন এক রিপোর্টে দাবি করেছে, তাদের বিমান হামলায় চলতি বছরের ৩০ জুলাই পর্যন্ত সিরিয়া ও ইরাকে মাত্র এক হাজার ৬১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এ দাবিকে সত্য গোপনের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বেসামরিক নাগরিক হত্যার বিষয়টি তদন্ত না করায় মানবাধিকার সংগঠনগুলো মার্কিন সরকারের সমালোচনা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কোটি টাকা দিয়েও প্রাথমিকের শিক্ষক হওয়া যাবে না’

দেশের খবর: বর্তমানে টাকার বিনিময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের চাকরি মেলে না, কেবল মেধার ভিত্তিতে এখানে চাকরি পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।
সোমবার ‘মীনা দিবস-২০১৮’ উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এমন কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘কোটি টাকা দিয়েও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া যাবে না, কেবলমাত্র মেধার ভিত্তিতেই প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ হয়। যারা টাকা দিয়ে চাকরি নেয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ধন্না দেন, দেন-দরবার করেন, তারা টাকাটাই হারাবেন, চাকরি পাবেন না। কিছু কুচক্রি মহলের উদ্দেশ্যই থাকে ধোঁকা দিয়ে মানুষের টাকা আত্মসাৎ করা।’
তিনি বলেন, ‘মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে কোয়ালিটি শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব। সরকার একটি নির্দিষ্ট টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে খুব বেশি দেরি নেই। এটি করতে আমরা সেদিকেই হাঁটছি। বিদেশে অশিক্ষিত নয়, শিক্ষিত মানবসম্পদ পাঠাতে চাই। যেন বিদেশে গিয়ে মাথা উঁচু করে থাকতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘মীনা চরিত্র কন্যা শিশুদের একটি স্বপ্নের চরিত্র। যুগের পর যুগ মীনার বয়স ১০ বছরই আছে, আমারা তাকে বড় হতে দেব না। কারণ, মীনাকে এ বয়সেই মানায়। মীনা অপ্রতিরোধ্য, সে সব কন্যা শিশুর আদর্শ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন, যাদুশিল্পী জুয়েল আইচ, অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান খানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও বক্তব্য রাখেন।
পরে মীনা চরিত্রের উপর বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনার ৮৬ শিক্ষক সহ এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ৯০৯ শিক্ষক

দেশের খবর: দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে শূন্যপদে নিয়োগ পাওয়া ৯০৯ শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) এমপিও কমিটি। তারা নিয়োগ পাওয়ার পর এমপিওভুক্তির (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন। সোমবার অধিদফতরে অনুষ্ঠিত এমপিও কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামছুল হুদা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
পরিচালক শামছুল হুদা জানান, ৯১৩ শিক্ষককে এমপিও দেয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে চার শিক্ষককের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ আসায় ৯০৯ শিক্ষককে এমপিও দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
তার মধ্যে স্কুল ও কলেজের ৯০৯ শিক্ষকের মধ্যে বরিশাল অঞ্চলে ৪৭ জন, চট্টগ্রাম ৪২, কুমিল্লা ৬২, ঢাকা ১৪৩, খুলনা ৮৬, ময়মনসিংহ ১৪২, রাজশাহী ৭৭, রংপুর ২৩৭ জন এবং সিলেট অঞ্চলে ১০ জনকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এছাড়া অফলাইনে আবেদন করা ৬৭ জনকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়াও এক হাজার ২৫২ জনের এমপিওশিটে নানাবিধ সংশোধনী আনার সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় অধিদফতরের দুজন পরিচালক, মাদরাসা অধিদফতরের একজন পরিচালক, শিক্ষা অধিদফতরের নয় আঞ্চলিক উপ-পরিচালক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনজন প্রতিনিধিসহ প্রায় ৩০ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
অসুস্থতার কারণে এবারের সভায় অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান উপস্থিত থাকতে পারেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে থাকছে আর্টক্যাম্প

বিনোদনের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭১ তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে ২৮ সেপ্টেম্বর বালাদেশ শিশু একাডেমি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শিশু-কিশোরদের মধ্যেকার ছবি আঁকার আর্টক্যাম্প এবং প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা বরাবর শিশুকিশোরদের চিঠি লেখা।
হাসুমণি পাঠশালার সঙ্গে যৌথভাবে আর্টক্যাম্প আয়োজন করছে শিশু একাডেমি। আজ (সোমবার) শিশু একাডেমির পরিচালক ও শিশু সাহিত্যিক আনজির লিটন এ তথ্য জানান।
লিটন জানান, ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে দশটায় ঢাকায় শিশু একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে ‘আর্টক্যাম্প’। এতে ঢাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৪র্থ থেকে দশম শ্রেণির শিশুকিশোরা অংশ নিয়ে ছবি আঁকবেন। ছবি আঁকার বিষয় থাকবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি আঁকা এবং মুক্তিযুদ্ধের ছবি আঁকা। তিনি জানান, শিশুদের আঁকা ছবিগুলো নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে একাডেমির পক্ষ থেকে।
ছবি আঁকার আর্টক্যাম্পে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ। এতে শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান ও কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন উপস্থিত থাকবেন।
এ ছাড়া শিশু একাডেমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজন করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে শিশুকিশোরদের চিঠি লেখা। ঢাকাসহ সারাদেশের ৪র্থ থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লেখার সুযোগ পাচ্ছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চিঠি ঢাকার শিশু একাডেমিতে পাঠাতে বলা হয়েছে। শিশুদের লেখা এই চিঠি থেকে বাছাই করে ৭১টি চিঠি নিয়ে শিশু একাডেমি প্রকাশ করবে ‘প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠির ঝাঁপি’ শীর্ষক একটি পুস্তক । চিঠি ‘পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, দোয়েল চত্বর সড়ক, শাহবাগ, ঢাকা–১০০০ বাংলাদেশ’ এই ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখার জন্য শিশুকিশোরদের আহবান জানিয়ে শিশু একাডেমি থেকে বলা হয়েছে ‘তোমাদের ভাল থাকার রঙিন দিনগুলোর কথা জানিয়ে চিঠি লেখো প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং জানাও তোমার অনুভূতির কথা ’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় পার্টিতে আবার এরশাদ-রওশন গৃহবিবাদ!

দেশের খবর: সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে এলেই এইচএম এরশাদের জাতীয় পার্টিতে (জাপা) অন্তর্কলহ দেখা দেয়, গত কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলটিতে সৃষ্ট পরিস্থিতিই এর সাক্ষী। এবারও একাদশ সংসদ নির্বাচন যখন আসন্ন তখন আবারও ঝামেলা শুরু হয়েছে দলে। দলের চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ এবং তার স্ত্রী, দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদকে ঘিরে আবারও পৃথক দুটি বলয় আকার পেতে শুরু করেছে জাপায়।

গত ৯ সেপ্টেম্বর সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এরশাদের নেতৃত্বে দলের পাঁচ নেতার বৈঠকের পর থেকে এই ঝামেলা শুরু হয়। বৈঠকে জাপার অন্য নেতাদের মধ্যে ছিলেন- দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ও জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। ওইদিন সংসদ অধিবেশনে রওশন এরশাদও উপস্থিত ছিলেন। তবে এরশাদ যে মাগরিগের বিরতির সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন এটা রওশন ও দলে তার বলয়ের সংসদ সদস্যরা জানতেন না। এনিয়ে পরে চটেছেন রওশন। মন্ত্রিসভায় থাকা জাপার একজন প্রতিমন্ত্রীসহ জাপার একাধিক এমপি জানান, তারা যখন জানতে পারেন এরশাদসহ পাঁচ নেতা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেছেন তখন বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের ডালপালা মেলে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এরশাদ তার দলের তিন নেতার নাম উল্লেখ করে তাদেরকে সম্ভাব্য নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রী হিসেবে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি। বরং রওশনকে ছাড়া এরশাদ কেন একা এসেছেন-এনিয়ে কথা তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকে যাওয়া জাপার এক নেতাকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন—আপনি দুই নৌকায় পা রেখে চলছেন, আপনাদের দলের বিষয়ে যা কিছু বলবেন তা দু’জনের (এরশাদ-রওশন) সমন্বয়ের মাধ্যমে জানাবেন। দু’দিন পর জাপার ওই নেতা সংসদ ভবনে রওশনের কক্ষে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বকা খাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে তার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন।

এরশাদের বৈঠকের পর রওশনও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য কয়দিন ধরে চেষ্টা চালান। পরে রওশনও প্রধানমন্ত্রীর কাছে দলের অন্য তিনজন সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ করে তাদেরকে নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভায় রাখার অনুরোধ করেন।

জাপার প্রেসিডিয়ামের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা নিয়েই নয়, বিভিন্ন আসনে আগেই মনোনয়ন দিয়ে এরশাদ দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করায়, কখনও দল করেননি এমন কয়েকজনকে দলীয় মনোনয়ন প্রদানের ঘোষণা দেওয়ার ঘটনায়ও ক্ষেপেছেন রওশন। এমনকি নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় প্রার্থী তালিকা প্রণয়ন এবং আসন নিয়ে অন্য দলের সঙ্গে দরকষাকষির বিষয়ে কিছু না জানানোর কারণে রওশন সংক্ষুব্ধ। রওশনপন্থী একাধিক সংসদ সদস্য জানান, কয়েকদিনের মধ্যে রওশন দলের সংসদ সদস্যদের সভা ডাকতে পারেন, সেখানে দলের অভ্যন্তরীণ এসব বিষয় আলোচনার পাশাপাশি আগামী নির্বাচন সামনে রেখে করণীয় নিয়ে কথা বলবেন।
সৃষ্ট দ্বন্দ্বের কারণে দলের নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল নিয়ে গত ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত দু’দিনব্যাপী ওয়ার্কশপে রওশন এরশাদকে আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার কারণে দলের প্রেসিডিয়ামের ও সংসদ সদস্যদের অনেকেই ওই অনুষ্ঠানে যাননি। তাছাড়া অনুষ্ঠানের মূল পৃষ্ঠপোষক জনৈক পীরজাদা শফিউল্লাহ আল মুনিরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে দলের ভেতরে। মুনীর আগে কখনও জাপার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না থাকলেও এরশাদ তাকে টাঙ্গাইল সদর আসনে আগামী নির্বাচনে জাপার প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest