সর্বশেষ সংবাদ-
৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠন

সালমান বিয়ে নয়, এবার সন্তানের জন্ম দাও: রানি

বিনোদনের খবর: সালমান খানের বিয়ে নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। কিন্তু ভাইজান কবে বিয়ে করবেন? এ প্রশ্ন নিয়ে বহুবার বহু প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। সাম্প্রতিককালে ক্যাটরিনার সঙ্গে সালমানের মায়ের একটি ছবি ঘিরেও সালমানের বিয়ে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। আর এমন পরিস্থিতির মধ্যে সালমান খানকে বিয়ে নিয়ে নতুন পরামর্শ দিলেন অভিনেত্রী রানি মুখার্জি।
সালমান খান সঞ্চালিত অনুষ্ঠান ‘দশ কা দম’ সিজন ৩ -এর গ্র্যান্ড ফিনালে-তে এক মঞ্চে আসতে চলেছেন ‘করণ -অর্জুন’। শাহরুখ ও সালমানকে এই অনুষ্ঠানে ফের একমঞ্চে দেখা যেতে চলেছে। শুধু সালমান-শাহরুখ নন, এই অনুষ্ঠানে হাজির হন রানি মুখোপাধ্যায়ও। আর অনুষ্ঠানে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়। ওই বিশেষ প্রতিযোগিতায় সালমান শাহরুখের টক্কর হয়। সেখানে সালমানের প্রতিভা দেখে রানি মুখার্জি মন্তব্য করেন, আর সালমান বিয়ে নয়, এবার সন্তানের জন্ম দাও।
উল্লেখ্য, মাঝখানে কিছুটা চিড় ধরলেও শাহরুখ সালমানের সম্পর্ক এখনও বেশ মজবুত। আর সেই বন্ধুত্বের হাত ধরে সালমানের সঞ্চালনার এই অনুষ্ঠানে ‘জিরো’ ফিল্মের প্রচারে আসছেন শাহরুখ। আর ‘দশ কা দম’ অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড ফিনালেতে শাহরুখ রানির যোগদানের এই এপিসোড খুব শিগগিরিই সম্প্রচারিত হতে চলেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক সুবর্ণা নদী হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

 

আসাদুজ্জামান : বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘আনন্দ টিভি’র পাবনা প্রতিনিধি সুবর্ণা আক্তার নদীকে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহম্মেদ, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যনার্জী, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি সুজন ঘোষ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বিগত দিনে সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের কোনো সুষ্ঠু বিচার হয়নি। সাগর-রুনিসহ সব সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার হলে সুবর্ণা নদীকে আজ প্রাণ হারাতে হতো না। অবিলম্বে সুবর্ণা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে মানববন্ধন থেকে সারাদেশে সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনকারীদের বিচারের দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য ঃ গত মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) রাত ১০ টার দিকে পাবনা শহরের রাধানগর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় তার বাসার সামনে আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি সুবর্ণা নদীকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিমসটেকের মাধ্যমে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক: বিমসটেকের মাধ্যমে জোটের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মুক্তবাণিজ্য এলাকা সৃষ্টি, বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা, মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অর্থায়ন প্রক্রিয়ার উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেলে নেপালের কাঠমান্ডুতে হোটেল সোয়ালটি ক্রাউনি প্লাজায় চতুর্থ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তৃতকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ভুটানের অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা দাসো শেরিং ওয়াংচুক, শ্রীলংকান প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রিয়ুথ চ্যান-ও-চার, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট (নাম জানি না) বিমসটেক সম্মেলনের উদ্বোধনী সেশনে উপস্থিত ছিলেন।
চতুর্থ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সভাপতি নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সেশন অনুষ্ঠিত হয়। নেপালের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সম্মেলন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি।
বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাত দেশের জোট বিমসটেক (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন)। প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে এ জোট গঠিত হয়। ১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড বিমসটেকের সূচনা হয়। পরে মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান বিমসটেকে যোগ দেয়।
এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও টেকসই বে অব বেঙ্গল অঞ্চল গড়ার পথে’।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে নতুন গতিশীলতার ফলে বিশ্ব পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হয়েছে। এক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ দেশগুলোকে নতুন গতিশীলতার সঙ্গে তাল মেলাতে হবে এবং বর্তমান বাস্তবতা হলো দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয়- এই ত্রিমুখী সহযোগিতার মাধ্যমে এটা করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিমসটেকের মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয় এবং ঢাকায় বিমসটেক সচিবালয় – আঞ্চলিক ফোরামের প্রতি পূর্ণ অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ।
বিমসটেককে বিশ্বের প্রগতিশীল অঞ্চলের জোট হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলে আন্তঃবাণিজ্য সম্প্রসারণের বিশাল সুযোগ রয়েছে এবং দেশগুলোর উচিত এই সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করা।
শেখ হাসিনা বলেন, নেতাদের খুব উৎসাহী সম্মিলিত প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠার ২১ বছরে বিমসটেকের সফলতা হাতে গোনা কয়েকটি।
এ প্রেক্ষিতে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিমসটেকের সুযোগ ও কাঠামো পুনঃপর্যালোচনা করতে উপস্থিত নেতাদের আহ্বান জানান।
দৃশ্যমান ফলাফল পেতে সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাস্তব উদ্যোগের জন্য মৌলিক আইনি কাঠামো মজবুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
২০১৬ সালে ভারতের গোয়ায় বিশেষ বিমসটেক সভার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে নেওয়া ১৬টি এজেন্ডার মধ্যে কয়েকটি বাস্তবায়ন হয়েছে, যার অনেকগুলো এখনো বাকি।
বিমসটেককে সুসংহত, কার্যকর ও মনোযোগের কেন্দ্রে এনে এটি থেকে ভালো কিছু পেতে তিনটি প্রধান বিভাগ ধরে ১৪টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

তিন বিভাগের মধ্যে ‘টেকসই উন্নয়ন’ বিভাগে রয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জ্বালানি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং কৃষি বিষয়ক সহযোগিতার বাড়ানোর পরামর্শ। ‘নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা’ বিভাগে নিরাপত্তা, সন্ত্রাস দমন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরামর্শ এবং ‘জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ’ বিভাগে রয়েছে সংস্কৃতি বিনিময় ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ।
সন্তোষ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, কয়েকটি বিমসটেক দেশ দ্বিপাক্ষিক আয়োজনে ইলেকট্রিসিটি গ্রিড কানেকশন করেছে। অন্য সবার অংশগ্রহণে এটি বিমসটেক ইলেকট্রিক গ্রিডে পরিণত হতে পারে।
সবাইকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাস এই অঞ্চলের দেশগুলোর সবারই শত্রু।
বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা এবং অভিযোজনে উদ্যোগ নিয়েছে এবং নিজস্ব অর্থায়নে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে।
সন্ত্রাস দমন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ সফলভাবে সন্ত্রাস মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে।
বাণিজ্য, বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি-অর্জনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর উন্নয়ন নির্ভর করে। ক্ষুধা-দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা দূরীকরণসহ বৈষম্যহীন সুষম উন্নয়ন নীতি নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ।
‘একটি বাড়ি, একটি খামার’, ‘আশ্রায়ন প্রকল্প’, ‘সবার জন্য শিক্ষা’, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে বই বিতরণ, সামাজিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, সবার জন্য বিদ্যুৎ, ডিজিটাল বাংলাদেশ, নারীর ক্ষমতায়ন, ক্ষুদ্র সঞ্চয় উদ্যোগসহ তার সরকারের সময়ে বাংলাদেশে নেওয়া কিছু অনন্য (ইউনিক) পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।
সরকারের বিভিন্ন জনবান্ধব পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার গত ১০ বছরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি লাভ করেছে। যার কারণে মাথাপিছু আয় ১৭৫২ ডলারে উন্নীত হয়েছে, দারিদ্র্যের হার ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে বিশ্বে ৪৩তম বড় অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ওয়াটার হাউজ কপার বলছে ২০৫০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৩ নম্বর বড় অর্থনীতির দেশ। জাতিসংঘ মহাসচিব তার সাম্প্রতিক সফরে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রশংসা করে এটিকে ‘মিরাকল’ বলেছেন।
২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুর্নব্যক্ত করেন শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুলিয়ায় কেয়ার সেন্টার উদ্বোধন

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও শোকাবহ আগষ্ট উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরার কুলিয়ায় লাইফ এন্ড হোপ কেয়ার সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে দেবহাটা উপজেলার কুলিয়ায় ক্বাব ইবনে মালেক (রাঃ) মসজিদ প্রাঙ্গনে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করেন, নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনার ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে এ সময় সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোঃ মোশারফ হোসেন মশু, দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গণি, কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহেদুজ্জামান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সম গোলাম মোস্তফা, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা, অধ্যাপক আফছার উদ্দীন বাবলু, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক ফোরামের সহপ্রচার ও পকাশনা সম্পাদক আলাল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়া কাপের বাংলাদেশ দল ঘোষণা; বাদ পড়লেন সাব্বির

খেলার খবর: আর কদিন বাদে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসছে এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই আসরের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই আসরের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করে।
এই দলে জায়গা হয়নি তারকা ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমানের। তাঁর সম্প্রতিক পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো না। তাই দল থেকে বাদ পড়েন তিনি।
দলে নতুন মুখ আরিফুল ইসলাম ও নাজমুল ইসলাম অপু। দুজনে এবারই প্রথম ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছেন। অবশ্য এর আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন তাঁরা দুজনেই।
আসরের উদ্বোধনী দিনেই মাঠে মাশরাফি-সাকিবরা। বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ থাকছে শ্রীলঙ্কা। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ খেলবে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান ছাড়াও বাছাইপর্ব থেকে খেলা আসা দুটি দলের সঙ্গে।
আর ‘এ’ গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও বাছাইপর্বের দুটি দল সুযোগ পাবে।
মূল আসরের আগে এশিয়া কাপের বাছাইপর্বে খেলবে ছয়টি দল। দলগুলো হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ওমান, নেপাল, মালয়েশিয়া ও হংকং।
১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই আসরের প্রথম পর্ব শেষ হবে ২০ সেপ্টেম্বর। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুই দল খেলবে সুপার ফোরে, ২১ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর হবে এই পর্বটি। আর ২৮ সেপ্টেম্বর হবে ফাইনাল।
বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে আফগানিস্তানের সঙ্গে ২০ সেপ্টেম্বর।
এশিয়া কাপের সর্বশেষ তিনটি আসর বাংলাদেশে বসেছিল। ঘরের মাঠে তিনটি আসরেই দারুণ সাফল্য পেয়েছিল, খেলেছিল ফাইনালে। এবার কেমন করে, সেটাই এখন দেখার।
দল : মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ মিঠুন, লিটন কুমার দাস, মুশফিকুর রহিম, আরিফুল হক, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম অপু, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান ও আবু হায়দার রনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আপনার ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাশক্তি পাল্টে দেবে কিছু জিনিস

অনলাইন ডেস্ক: যক্তিত্ব একটি সুবিশাল ধারনা। সুস্পষ্টভাবে একে সংজ্ঞায়িত করা কঠিন। তবে মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, ব্যক্তিত্ব হচ্ছে কোনো একজনের মানসিক প্রক্রিয়া ও আচরণের এমন এক স্বতন্ত্র ধরন, ‘যা কেবল তার মধ্যেই বিদ্যমান থাকবে যেটি কিনা অন্যদের কাছ থেকে সেই ব্যক্তিকে আলাদা করবে।’ কমবেশি আমরা সবাই আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে চাই।

এ বিষয়ে ব্রায়ান ট্রেসি বলেছেন ‘Positive expectations are the mark of the superior personality.’ আসলে জীবনে সফল হওয়ার জন্য এর অপরিহার্যতা অনেক বেশি। চলুন জেনে নেয়া যাক ইতিবাচক ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাশক্তি গঠনের কিছু কার্যকর পদ্ধতি।

১. সুন্দর পোশাক নির্বাচন করুন: কথায় বলা হয়, ‘আগে দর্শণধারী পরে গুণবিচারী।’ তাই মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য ও আকর্ষণীয় হতে হলে সুন্দর পোশাক পরিধানের গুরুত্ব অপরিসীম। এমন নয় যে, এর জন্য আপনাকে অনেক দামী বা অভিজাত পোশাক কিনতে হবে। আসলে সিম্পল জামা-কাপড়কেও যদি পরিষ্কার করে আয়রন করেন তো তার মাহাত্ন্যই আলাদা হয়ে যাবে। সেইসাথে যদি বর্তমান ট্রেন্ড ও ফ্যাশনের সাথে সাযুজ্য রেখে নিজের একটা পরিমার্জিত লুক নির্ধারণ করতে পারেন তাহলে তো কথাই নেই।

২. কথা বলায় পরিমিত হোন: খুব বেশি কথা বলা যেমন অনুচিত, তেমনি একদম নির্বাক হওয়াও কোনো কাজের কথা নয়। কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে সব জায়গাতেই একটা ভারসাম্য রক্ষা করুন। গুছিয়ে সুন্দর করে নিজেকে উপস্থাপন করতে জানলে, মানুষের সাথে আপনার কমিউনিকেশন স্কিলটাও বেড়ে যাবে অনেকগুণ।

৩. অর্জন করুন আত্নবিশ্বাস: প্রতি পদক্ষেপেই জীবনে আত্নবিশ্বাসী হতে হবে। সমস্যার সামনে বুক চিতিয়ে লড়াই করা শিখতে হবে আপনাকে। মনে রাখবেন, জীবনে সমস্যা থাকবেই। তাই তাকে এড়িয়ে না গিয়ে সামনে থেকে আত্নবিশ্বাস নিয়ে মোকাবেলা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। যেসব বন্ধু বা আত্নীয়-স্বজন আপনাকে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, তাদের বক্তব্যগুলো এড়িয়ে চলুন।

৪. ইতিবাচক থাকুন সব বিষয়ে: অনেক নেতিবাচক বিষয় সামনে আসবে আপনার। হয়তো তা আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বলও করে দিতে পারে। তবে ভেঙ্গে পড়বেন না। সংযম ধরে রেখে নিজের কাজ ও সাধনায় স্থির থাকুন। মনে রাখবেন সবকিছুরই একটা পজেটিভ দিক আছে। সেটা খুঁজে ইতিবাচক থাকুন, অবশ্যই সাফল্য আসবে। ইতিবাচক মানসিকতা থাকলে আপনার ব্যক্তিত্ব সবাইকে আকর্ষণ করবে, এতে সন্দেহ নেই।

৫. অনুশীলন করুন চিন্তাশীলতার: আপনার চারপাশ, আপনার সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিনিয়তম অনেক কিছু ঘটছে। জ্ঞান ও যুক্তির আলোকে সেগুলো পর্যালোচনা করার অভ্যেস গড়ে তুলুন। কেবল নিজেকে নিয়ে ভাবলেই চলবেনা। হতে হবে আরো উদার ও সর্বজনীন। এতে করে আপনার সচেতনতা ও চিন্তার পরিধি বিস্তৃত হবে। মানুষ হিসেবে গড়পড়তা লোকজনের চেয়ে আপনার ব্যক্তিত্ব অনেক মননশীলতা ও প্রজ্ঞায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে।

৬. প্রচুর বই পড়ুন: অবসরে যেটুকু সময় পান, তা বই পড়ার পেছনে ব্যয় করুন। জীবন ও জগৎতে বুঝতে হলে চাই বিপুল জ্ঞান। আর সেটা সরবরাহ করবে বই। যত বেশি পড়াশোনা করবেন, আপনার ব্যক্তিত্ব ততো বেশি মজবুত ও শক্তিশালী হবে। সেইসাথে পাল্টে যাবে জীবনবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গী। বই থেকে লব্ধ জ্ঞান প্রয়োগ করতে পারবেন জীবনের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে। তাই সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন, বিজ্ঞান, রাজনীতি, ধর্ম সককিছু নিয়েই চালিয়ে যান আপনার পড়াশোনা।

৭. অনুসরন করুন মহৎ ব্যক্তিদের: মণিষী ও বড় মাপের মানুষদের জীবন ও কর্মপদ্ধতি অনুসরন করার চেষ্টা করুন। তাদের মত অত বিশাল কিছু হতে না পারলেও, আপনার চিন্তাশক্তি ও ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক পরিবর্তন অবশ্যই আসবে। মহানবী (সাঃ) থেকে যীশুখ্রিস্ট, কিংবা গৌতম বুদ্ধ বা স্বামী বিবেকানন্দ যে কেউ হতে পারে আপনার পছন্দের ব্যক্তিত্ব। সেই সাথে এ যুগের নেলসন ম্যান্ডেলা, স্টিভ জবস বা অন্য যেকোনো সফল মানুষকে ফলো করতে পারেন নিজের ব্যক্তিত্বের উন্নতির জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হৃদরোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় যেসব কাজে

স্বাস্থ্য কণিকা: সমগ্র পৃথিবীতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। পারিবারিকভাবে এই রোগের ঐতিহ্য থাকা, অনিয়ন্ত্রিত জীবনপদ্ধতি, ত্রুটিযুক্ত খাদ্যাভ্যাস, মানসিকচাপসহ আরো অনেক কারণ রয়েছে যেগুলো অকালেই হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করে আপনার মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক হৃদরোগের কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ।

১. অতিরিক্ত মেদ: যুক্তরাষ্ট্রের ইনডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম থাকলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তবে অতিরিক্ত ফ্যাট ও চর্বিযুক্ত খাবার হৃদযন্ত্রকে বিকল করে দিতে পারে। সুতরাং অতিরিক্ত শরীরে মেদ যাতে না জমে সেদিকে আপনাকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে।

২. শরীরে অন্যান্য রোগের সংক্রমণ: শরীরে যদি কোন ধরনের সংক্রমণ থাকে তাহলেও হৃদরোগের ঝুঁকি দেখা দেয়। কারণ সংক্রমণের কারণে শরীরে ইনফ্লামেটরি দেখা দেয়, ফলে হৃদরোগ ও ষ্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ে।

৩. দুর্বল কিডনি: নেদারল্যান্ডস থেকে করা এক গবেষণায় জানা গেছে, যাদের কিডনি কিছুটা দুর্বল, কিডনির মারাত্মক সমস্যা না থাকলেও তারা হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

৪. ট্রাফিক জ্যামের চাপ: গাড়ি, বাইক অথবা বাস যাতেই থাকুন না কেন নগর জীবনের অসহনীয় ট্রাফিক জ্যামে পড়লে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। এর আগে আরেক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রধান সড়কের কাছাকাছি যারা বসবাস করেন তাদের হৃদরোগজনিত জটিলতা বাড়ে।

৫. ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট: নিউজিল্যান্ডে করা এক গবেষণায় জানা গেছে, যেসব নারী টানা পাঁচ বছর ধরে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাচ্ছেন তারা হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন। অন্যদিকে আরেকটি গবেষণা বলছে, যারা প্রতিদিন ৫০০ গ্রাম ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়।

৬. অ্যাসপিরিন ব্যবহারে অসতর্কতা: এক গবেষণায় দেখা গেছে, হৃদরোগের সমস্যায় ভূগছেন এমন যারা ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা যদি হঠাৎ করে অ্যাসপিরিন থেরাপি বা ননস্টেরিউডাল ওষুধ বন্ধ করে দেন তাহলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ম্যাথিউ সরেনটিনো বলেন, ‘যদি কারও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে এবং কেউ যদি অ্যাসপারিন জাতীয় ওষুধ বন্ধ করতে চান তাহলে তা ধীরে ধীরে করুন অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন’।

এছাড়া যুক্তরাজ্যের গবেষকদের মতে, দাম্পত্য সম্পর্ক খারাপ থাকলেও সঙ্গীর হৃদরোগের ঝুঁকি শতকরা ৩৪ ভাগ বেড়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাসুমের লেখা গানে গাইলেন কনা

বিনোদনের খবর: ঈদে ‘নীল রংধনু’ শিরোনামের নাটকে গেয়েছেন কনা। গানটির শিরোনাম ‘মন বলছে তাই’। বেরসরকারি টেলিভিশনে সম্প্রতি প্রচারিত এই নাটকটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে দর্শকমহলে। বিশেষ করে নাটকের শেষে গানটি উপভোগ করেছেন দর্শকরা। এবার পুরো গানটি প্রকাশ করা হয়েছে জাগো মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে।
‘নীল রংধনু’ নাটকটি নির্মাণ করেছেন হাসান রেজাউল। নাটকটিতে ‘মন বলছে তাই’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন মাসুম আওয়াল। সুর ও সংগীতায়োজনে আছেন চিরকুট ব্যান্ডের ইমন চৌধুরী। গানের ভিডিওতে পাওয়া যাবে নাটকের দুই অভিনয় শিল্পী এফ এস নাঈম ও শবনম ফারিয়াকে।
নতুন এই গানটি নিয়ে কণ্ঠ শিল্পী কনা বলেন, ‘এটা আমার ভীষণ পছন্দের একটি গান। যেদিন আমি প্রথম গানটি গেয়েছি সেই দিন থেকে আমি চেয়েছি এই গানটি যেন ভালো একটা জায়গায় পৌঁছায়। অসম্ভব সুন্দর কথা ও সুরের ইনোসেন্ট প্রেমের একটি গান ‘মন বলছে তাই’। আমার নিজের গাওয়া কিছু প্রিয় গানের মধ্যে এটা একটা।’
গানটির সুরকারও সংগীত পরিচালক ইমন চৌধুরী বলেন, ‘গানের কথাগুলো ছিল অনেক সুন্দর। গানের সুর ও সংগীতায়োজন করেছি আমার সর্বচ্চ ভালোবাসা দিয়ে। কনা আপুও গেয়েছেন দারুন। আমার বিশ্বাস গানটি সবার ভালো লাগবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest