সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

বিশ্বের সর্বপ্রথম ‘উড়ন্ত ট্রেন’ নিয়ে আসছে চীন

বিদেশের খবর: এবার আকাশপথে উড়বে ট্রেন। বিমান ছাড়া এতদিন মানুষ রোপওয়ের মাধ্যমে আকাশপথ পরিভ্রমণের সুযোগ পেতেন। সেই সুযোগকেই আরও বাড়িয়ে সাধারণকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দিতে চলেছে চীন। পরিবহন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে চীন নিয়ে আসছে ‘Skytrain’৷ সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুসারে, পূর্বচীনের শ্যানডং অঞ্চলের কিংডাওতে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করা হয় এই নতুন ট্রেনটিকে।
সাধারণ ভূগর্ভস্থ ট্রেনগুলির থেকে তিনগুণ বেশি ভাল পরিষেবা দিতে চলেছে এই ‘Skytrain’৷ এমনটাই মনে করছেন চীনা ইঞ্জিনিয়াররা। আকাশপথে ট্রাফিক জ্যামের সমস্যাও অনেক কম থাকবে। ফলে, যাত্রীরা দ্রুত পৌঁছাতে পারবেন গন্তব্যে।
এছাড়া, ট্রেনটির নানাবিধ সুবিধা মার্কেটে ট্রেনটির চাহিদাকেও বাড়াবে অনেকাংশে। যা বাড়াবে বাণিজ্যিক লভ্যাংশকে, সমৃদ্ধ করবে দেশের আয়কে। যাত্রাপথের পাহাড়ঘেরা মনোরম পরিবেশ যাত্রীদের এক অন্যন্য অনুভূতি দেবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
যাত্রীরা ‘Skytrain’টির পরিষেবাটি পেতে চলেছেন সিআরআরসি কিংডাও সিফ্যাং কম্পানি লিমিটেডের দৌলতে। ৫১০ জন যাত্রী একসঙ্গে চড়তে পারবেন ট্রেনটিতে। ঘন্টায় ৭০ কিলোমিটার বেগে দৌঁড়াবে এই ট্রেন। প্রজেক্টটির টেকনিক্যাল ডিরেক্টর বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে মন্তব্য করেন।
তিনি জানান, আধুনিক পার্মানেন্ট ম্যাগনেন্ট মোটর টেকনোলজিকে ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এই আধুনিক ট্রেন। যার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যাত্রীদের এক অন্য ধরণের অভিজ্ঞতা দেবে। রিপোর্টের তথ্য অনুসারে, বিশ্বের মধ্যে ‘Skytrain’তৈরিতে চীন রয়েছে তৃতীয়স্থানে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানি এবং জাপান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমাবেশে যে ৭ দফা দাবি জানাল বিএনপি

দেশের খবর: রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির পূর্বনির্ধাতি জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়। রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে জনসভার অনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
২২টি শর্তে পুলিশের অনুমতি পাওয়ার পর বিএনপি এ সমাবেশ করছে। এর আগে পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় দুই দফায় জনসভার তারিখ পেছানো হয়।

বিএনপির সমাবেশে ৭ দফা উপস্থাপন করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম।

১। তফসিলের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি।
২। তারেক রহমান সহ সকল নেতা কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।
৩। সংসদ ভেঙ্গে নিরপেক্ষ সরকার গঠন।
৪। নির্বাচন কমিশন পূনর্গঠন।
৫। সেনাবাহিনী মোতায়েন।
৬। ইভিএম পদ্ধতি বাতিল ও
৭। নতুন করে মামলা দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

দুপুরে জনসভা শুরু হলেও সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা উদ্যানে আসতে শুরু করে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সভামঞ্চে দেশাত্মবোধক ও দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। বেলা ২টার আগেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশস্থল যেন জনসমুদ্রে রূপ নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দল পরিচালনায় মাশরাফির অবিস্মরণীয় ৫টি গুণ!

খেলার খবর: মূল বক্তব্যে যাওয়ার আগে একবার শুধু ভাবুন, তাঁর পায়ে রয়েছে সতেরটি অস্ত্রোপচারের অভিজ্ঞতা। এগুলো নিয়েই মাঠে বল করার পাশাপাশি সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। মাশরাফির অধিনায়কত্ব এবারের এশিয়া কাপে প্রশংসিত হয়েছে ব্যাপকভাবে। ক্রিকেট এক্সপার্ট থেকে শুরু করে সাবেক রথী-মহারথীরা সবাই মেতে উঠেছেন টাইগার অধিনায়কের বন্দনায়। চলুন তাদের পর্যালোচনা আলোকে জেনে নেয়া যাক দলপরিচালনায় মাশরাফির আলোচিত গুণাবলী।

১)টিমকে উদ্দীপ্ত করার সামর্থ: বাংলাদেশ টিমে পারফর্মারের সংখ্যা বেড়েছে আগের চেয়ে। সিনিয়র পঞ্চ পান্ডবের সাথে ভালো খেলছেন মিরাজ, মোস্তাফিজ, লিটন, মিথুন, রুবেলরা। তবে দলের সবাইকে একসূত্রে গাঁথার কাজটা করেন মাশরাফি। মাঠে নামার আগে তো বটেই খেলা চলাকালীন সময়েও টিমের সব প্লেয়ারদের উদ্দীপ্ত করার কাজে তিনি অতুলনীয়। মুশফিকের বয়ানে পাওয়া যায় তার প্রমাণ, ‘মাঠে নামার আগে মাশরাফি ভাই বলেছিলেন, হয় মারবি নয় মরবি; যুদ্ধে নেমে গা বাঁচিয়ে চলা যায়না।’

২)সিচুয়েশন বুঝে বোলিং পরিবর্তন: আফগানিস্তানের বিপক্ষে যখন হাশমতুল্লাহ শাহিদি আসগর আফগানের জুটিটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল তখন, নিজেই এলেন বোলিংয়ে। ফলাফল পাওয়া গেল কিছুক্ষণ পরেই। দুই সেট ব্যাটসম্যানই সাজঘরে ফিরলেন ম্যাশের সেকেন্ড স্পেলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে। একইভাবে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই পার্ট টাইমার মাহমুদুল্লাহ ও সৌম্যকে সময়মত ব্যবহার করাও তাঁর কুশলী ক্যাপ্টেনসির প্রমাণ। ভারতের বিপক্ষে নাজমুলের প্রথম স্পেলটাও ছিল তাঁর শক্তিশালী সিদ্ধান্ত। শেখর ধাওয়ানের মূল্যবান উইকেটটি পড়েছে সেই দূরদর্শীতার ফলে।

৩)আগ্রাসী ফিল্ডিং সাজানো: এ বিষয়েও মাশরাফির ক্রিকেট সেন্স প্রশ্নাতীত। এশিয়া বেশ কয়েকবার দেখা গেছে মোস্তাফিজ ও রুবেলের বলে তিনি আক্রমণাত্নক ফিল্ডিং সাজিয়েছেন। নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেই তাকে চেপে ধরার জন্য স্লিপে ফিল্ডার নিয়েছেন। কখনও আবার সিঙ্গেল বন্ধ করার জন্য শর্ট ফাইন লেগ ও শর্ট মিড উইকেটে ফিল্ডার রেখেছেন। ভারতের বিপক্ষে অল্প রানের পুঁজিতে লড়ার জন্য তাঁর ফিল্ড প্লেসমেন্ট ছিল প্রশংসনীয়।

৪)ড্রেসিংরুমের নেপথ্য ভূমিকা: প্রথম ম্যাচে চোট পাওয়া তামিমকে মাঠে নামানোর নেপথ্য কারিগর মাশরাফি। তিনিই নন স্ট্রাইকে থাকলে তামিমকে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেন। পাশাপাশি গ্লাভস কেটে সাজ-সরঞ্জামও প্রস্তুত করেন তিনি। শুধু কী তাই ড্রেসিংরুমে তাঁর ভূমিকাটা আরো ভালো করে বুঝতে চাইলে মনে করুন সেই দৃশ্যটা যখন ফাইনালে লিটনের হাফ সেঞ্চুরির পর দূর থেকে ইশারায় বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন, ‘ইনিংসটা বড় কর, দেশের জন্য হৃদয় দিয়ে খেল..।’এ থেকেই আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন একজন মাশরাফি ড্রেসিংরুমেও কতোটা নিবেদিত প্রাণ নেতা।

৫)সিদ্ধান্ত গ্রহনের সক্ষমতা: মিরাজকে দিয়ে ওপেন করানো কিংবা ইমরুলকে নিচের দিকে নামিয়ে মিডল অর্ডারে খেলানো সবকিছুর পেছনেই রয়েছে দলনায়ক মাশরাফির চিন্তা দূরদর্শীতা। তাঁর সিদ্ধান্ত নেয়ার এই দক্ষতার প্রতি ইঙ্গিত করেই রমিজ রাজা বলেছেন, ‘ও খেলাটাকে দারুণভাবেই বোঝে। একই সঙ্গে সে জানে কখন, কোথায়, কাকে ব্যবহার করতে হবে।’

সবমিলিয়ে সাকিব-তামিম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত কম শক্তির একটি দল নিয়ে এশিয়া কাপে মাশরাফি বাংলাদেশকে যতো দূর নিয়ে গেছেন, তার জন্য সবদিকেই চলছে তাঁর গুণগান। ফাইনালে হারলেও তার দল লড়াই করেছে শেষ বল পর্যন্ত। পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মত দলকে পেছনে ফেলে এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলাটাও কিন্তু সামান্য কিছু নয়। এই দলের অন্তর্গত সম্ভাবনাকে মাশরাফি যেভাবে মাঠে প্রয়োগ করেছেন, তা এক কথায় অসাধারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শর্তভঙ্গ করে লাঠিসোটা নিয়ে সমাবেশে বিএনপি

দেশের খবর: বিএনপির সমাবেশ থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দেয়া শর্ত ভঙ্গ করা হয়েছে। ২২ শর্তে দলটিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। তবে তারা বেশ কয়েকটি শর্ত ভঙ্গ করেছে।
ডিএমপির ১৯ নম্বর শর্ত অনুযায়ী সমাবেশে কোনো ধরনের লাঠি-সোটা/ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে লাঠি, রড ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিএনপির সমর্থকদের লাঠিসোটা নিয়ে আসতে দেখা গেছে।
ডিএমপির দেয়া ৫ নম্বর শর্ত অনুযায়ী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে জনসভার কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হলেও বিএনপির অধিকাংশ সমর্থক উদ্যানের বাইরে ও রমনা পার্কের ভেতরে জড়ো হচ্ছেন। সেখানেও বিচ্ছিন্নভাবে বক্তৃতা দিচ্ছেন। একত্র হয়ে উদ্যানে ঢুকছেন। সোহরাওয়ার্দী থেকে শাহবাগের সড়কে শোডাউন করতে দেখা গেছে।
ডিএমপির দেয়া ১৩ নম্বর শর্তে অনুমোদিত স্থানের বাইরে, রাস্তায় বা ফুটপাতে লোক সমাগম করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়। তবে বিএনপির সমর্থকরা শাহবাগ, মৎসভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, রমনা পার্ক এলাকার সড়ক ও ফুটপাথে অবস্থান নিয়েছেন।
ডিএমপির ১৮ নং শর্ত অনুযায়ী অনুমোদিত সময়ের পূর্বে কিংবা পরে রাস্তায় কোনো অবস্থাতেই সমবেত হওয়া যাবে না ও যান চলাচলে কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। ২০ নম্বরে মিছিল করে সমাবেশে আসা যাবে না বলে উল্লেখ করা হলেও সেটিও মানা হচ্ছে না। বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড়ে মৎস্যভবন থেকে শাহবাগে সড়কে কোনো যান চলাচল করছে না। শাহবাগ থেকে মৎস্যভবনের সড়কে দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে।
ডিএমপির দেয়া ৯ নম্বর শর্তে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভেহিকেল স্ক্যানার (যানবাহন তল্লাশি) সার্চ মিরর-এর মাধ্যমে জনসভাস্থলে আগত সকল যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা করার কথা হলেও সেটি করেনি বিএনপি। তল্লাশি ছাড়াই সবার গাড়ি ঢুকছে উদ্যানে।

bnp-(2)

ডিএমপির শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে— সমাবেশে আইন-শৃঙ্খলাপরিপন্থী, রাষ্ট্র ও জননিরাপত্তাপরিপন্থী কোনো কার্যকলাপ পরিচালনা করা যাবে না, উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য এবং প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে— এমন কোনো ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য প্রদান ও প্রচার করা যাবে না, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আইডি কার্ডসহ নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী নিয়োগ করতে হবে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশ পথে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে আসা প্রতিটি যানবাহন তল্লাশি করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সড়ক ও ফুটপাতে প্রজেকশন ব্যবহার করা যাবে না, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সড়কে অথবা ফুটপাতে সমবেত হওয়া যাবে না, আজান, নামাজ এবং ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক চালু রাখা যাবে না, জনসভার মঞ্চ অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না, জনসভার ২ ঘণ্টা আগে মানুষ জনসভাস্থলে আসতে পারবে, বিকেল ৫টার মধ্যে জনসভা শেষ করতে হবে, মিছিলসহকারে জনসভায় আসা যাবে না, ব্যানার-ফেস্টুনের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠি, সোটা, রড আনা যাবে না, শর্ত না মানলে তাৎক্ষণিকভাবে অনুমতি বাতিল বলে গণ্য হবে, জনস্বার্থে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই কর্তৃপক্ষ এ অনুমতি বাতিল করতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘দুই পাকিস্তানকে মোকাবেলা করতে হবে ভারতের’

বিদেশের খবর: শ্রীলঙ্কা ও নেপালের ওপর থেকে প্রভাব হারিয়েছে ভারত, বাংলাদেশের ওপর থেকেও হারাবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা। তিনি বলেন, আগামীতে ভারতকে দুটি পাকিস্তানের মোকাবেলা করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে তার নতুন বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। রাইট টু ফ্রিডম নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, সাতবোন রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে বাংলাদেশের ভেতর থেকে ভারতের করিডোর দরকার। মিজোরাম, লাগাল্যান্ড ও মনিপুরে বিদ্রোহ আছে। এসব রাজ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তিনি বলেন, এজন্যই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থাকতে সহায়তা করছে ভারত। ভারতের জন্য লাভজনক বলেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। ভবিষ্যতে আমি ভারত নিয়ে লিখব।
সিনহা বলেন, আমি এমন কাউকে পাইনি যে আমাকে সহায়তা করবে। কোনো অর্থ, কোনো সাহায্য, কোনো প্রকাশক কিংবা দাতাও খুঁজে পাইনি।
তিনি বলেন, এখন আমার কোনো স্ট্যাটাস নেই। আমি একজন শরণার্থী। আজ, এখনো আমি একজন শরণার্থী। আমাকে একের পর এক লড়াই করে যেতে হয়েছে। কিছু বন্ধু আমাকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন। কিন্তু তাদের নাম প্রকাশ করতে পারছি না। তারা আমাকে অনুরোধ করেছেন, যাতে তাদের নাম প্রকাশ না করি।
‘তারা বলেছেন, যদিও আমরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, কিন্তু আমাদের পরিবার ও স্বজনরা বাংলাদেশে বসবাস করছেন। এতে তারা সমস্যায় পড়তে পারেন।’
তিনি বলেন, আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু দেশে এখনো বৈষম্য রয়েছে, আইনের শাসন ও গণতন্ত্র নেই।
এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বিচারপতি সিনহা বলেন, আমি কখনও রাজনীতিতে জড়িত ছিলাম না, আমি রাজনীতি ঘৃণা করি, কারণ যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ১৯৭৪ সাল থেকে আমি দেখছি… আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা নিইনি।
সাবেক এই প্রধান বিচারপতি বলেন, সরকার অভিযোগ করছে, কিছু রাজনৈতিক দল আমাকে সাহায্য করছে। এমনকি এও বলেছেন, লন্ডন থেকে জামায়াতে ইসলামীর একজন, ব্যারিস্টার রাজ্জাক আমাকে সাহায্য করেছে।
‘রাজনৈতিক কেউ আমাকে এ কাজে সহযোগিতা করেনি। কেবল কয়েকজন সিনিয়র সিটিজেন, যারা ডক্টর, প্রফেসর, জার্নালিস্ট আমাকে হেল্প করেছেন।’
বইটি প্রকাশে একটি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার কথা অস্বীকার করে সাবেক প্রধান বিচারপতি বলেন, বইটি প্রকাশ করেছে অ্যামাজন।
পদত্যাগের পর দেশে সরকারের তরফ থেকে বিচারপতি সিনহার যেসব দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে, সেসব বিষয়ে তার কোনো প্রতিক্রিয়া এ অনুষ্ঠানে পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, আমি লড়ছি আইনের শাসনের জন্যে, গণতন্ত্রের জন্যে, মানবাধিকারের জন্যে। কারণ আমার এখন আমাদের দেশে কিছু প্রকাশ করতে পারি না।
‘আপনারা দেখবেন, কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই দুই থেকে তিনশ সাংবাদিক রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন, কারণ তারা স্বাধীনভাবে কিছু লিখেছিলেন।’
তার ভাষায়, মহান যুক্তরাষ্ট্রের মুক্ত-স্বাধীন পরিবেশে মানবাধিকার সংরক্ষিত বলেই অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ তার হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে প্রথম নারী মেজর জেনারেল

দেশের খবর: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম নারী মেজর জেনারেল হলেন সুসানে গীতি। আর্মি মেডিকেল কোরের অধ্যাপক মেজর জেনারেল সুসানে গীতিকে পদোন্নতি দিয়ে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয়।
রোববার সেনাবাহিনী সদর দফতরে তাকে র‌্যাংক পরিয়ে দেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমদ ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল শামসুল হক।
পদোন্নতি পাওয়ায় সুসানে গীতি এখন আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথোলজিতে কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, মেজর জেনারেল সুসানে গীতি ১৯৮৫ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। এরপর ১৯৮৬ সালে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নারী ডাক্তার হিসেবে ক্যাপ্টেন পদে যোগ দেন।
তিনি ১৯৯৬ সালে প্রথম নারী হিসেবে হেমাটোলজিতে এফসিপিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন ও বিভিন্ন সামরিক হাসপাতালে প্যাথলজি বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব পালন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জার্মানিতে প্রতি সপ্তাহে উড়ে বাংলাদেশের পতাকা

অনলাইন ডেস্ক: প্রবাসী বাঙালিরা বিদেশে বাংলাদেশের গৌরব, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নানাভাবে তুলে ধরেন। বহন করেন বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল পতাকা।
জার্মানিতে এমনই একজন প্রবাসী ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম খান বকুল। তিনি ফ্রাঙ্কফুটে নিজের নামানুসারে গড়ে তুলেছেন একটি গার্মেন্টস শিল্পের বিক্রয় প্রতিষ্ঠান। যার মাধ্যমে তিনি সারা জার্মানিতে ছড়িয়ে দিচ্ছেন বাংলাদেশের পোশাক।
বকুল ১৯৯০ সাল থেকে অদ্যাবধি জার্মানির শহরগুলোতে বিভিন্ন শিল্পমেলায় প্রতি সপ্তাহে তুলে ধরছেন বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা। ফলে ২৮ বছর যাবৎ বকুল এখন জার্মানিতে বাংলাদেশের প্রতীক।
নুরুল ইসলাম খান বকুল জানান, বাংলাদেশের শার্ট, টি-শার্ট, শাল ও অন্যান্য পোশাক গুণগত মান ও স্বল্প মূল্যের কারণে ইউরোপে বাজারে এই পণ্যের প্রচুর চাহিদা। আমি শুধু ব্যবসায়িক কারণে নয়, বাংলাদেশের সুনাম অর্জনের জন্যও এই পেশার সঙ্গে যুক্ত।
উল্লেখ্য, জনাব বকুল দেশে থাকাকালীন সময়ে ব্যাংকার ছিলেন এবং লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আশির দশকে সম্পাদনা করতেন ‘চারণ’ নামে একটি ম্যাগাজিন। তিনি এখনও ফ্রাঙ্কফুটের বইমেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সময় নানাভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প ও সুনামিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৩২

বিদেশের খবর: ইন্দোনেশিয়ার উপকূলীয় পালু শহরে ভূমিকম্প ও সুনামিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৩২ । আহত হয়েছেন কয়েক শতাধিক। তবে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা কর্মকর্তাদের। রবিবার একথা জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।
গত শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু, ডোঙ্গালা ও অন্যান্য কয়েকটি উপকূলীয় এলাকায় ৬.৬ ফুট উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়েছে। ভূমিকম্পের পরপর সমুদ্র উপকূলীয় পালু শহরটিতে সুনামিও আঘাত হানে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, সকল মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে সুলাওয়েসি দ্বীপের রাজধানী পালুতে। পুরো শহর ভরে গেছে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষ দিয়ে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার এক মুখপাত্র সুতোপো পুরয়ো নুগ্রোহো বলেন, চারটি হাসপাতাল থেকে খবর এসেছে, কয়েকশ’ মানুষ আহত হয়েছেন। এখনও অনেক লোক হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন সঙ্গে নিহতের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। হাতপাতালে বিদ্যুৎ না থাকায় আহতের চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
তিনি আরো বলেন, সুনামির কারণে উপকূলে অনেক মৃতদেহ এখনও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপে এক প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে অন্তত ৪৬০ জন প্রাণ হারিয়েছে। সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স, আল-জাজিরা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest