সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সেবা পাচ্ছেন

দেশের খবর: ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি তুলে দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, বর্তমানে প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড়ে খরচ হচ্ছে ৬ টাকা ২০ পয়সা করে, বিক্রি হচ্ছে ৪ টাকা ৮২ পয়সা করে। দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সেবা পাচ্ছেন। সবাইকে এ সেবার আওতায় আনতে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ সুযোগ আর থাকবে না।
বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা নিয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়ায় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। এ সময় বিদ্যুতের অপচয় রোধ সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

‘দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সেবা পাচ্ছেন’ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ১৬০০ মেগাওয়াট থেকে ৪৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছিল। আমরাই প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ উন্মুক্ত করেছিলাম।’
‘২০০৯ সালে সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সময় বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততা ও লোডশেডিং-এ জনজীবন বিপর্যস্ত ছিল। এ অবস্থার উত্তরণের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। বিগত প্রায় সাড়ে ৯ বছর সরকারি ও বেসরকারি খাতে ৯৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১৩ হাজার ৮১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ১৪ হাজার ১৩৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৫৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। দেশের ৯০ শতাংশ জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।’
তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে আমরা সকলের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেব, ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ ঢালিউড বরপুত্র সালমান শাহর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী

বিনোদনের খবর: জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। অথচ ২২ বছরেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি জননন্দিত এই অভিনেতা আত্মহত্যা করেছিলেন না খুন হয়েছিলেন। চার দফা তদন্ত এ প্রশ্নের সর্বজনগ্রাহ্য উত্তর দিতে পারেনি। অবশেষে আবার শুরু হয়েছে তদন্ত। এবার মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

২০ বছর আগে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১১/বি নিউ ইস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজার বাসার নিজ কক্ষে সালমান শাহকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার বছর ১৯৭১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলায় অবস্থিত জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ! বিটিভিতে শিশুশিল্পী হিসেবে শুরু করে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ঢালিউডের মুকুটহীন সম্রাট হয়ে যান। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। প্রথম সিনেমায়ই বাজিমাত করেন তিনি। অল্পদিনের ক্যারিয়ারে ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। পাশাপাশি টিভি নাটকেও তাকে দেখা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিম নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ

স্বাস্থ্য কণিকা: আমাদের রোজকার খাদ্য তালিকায় ডিম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। তবে কেউ কেউ ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে, রক্তে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাওয়া ভয়ে কিংবা হৃদরোগের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য ডিম খেতে চান না। কিন্তু এগুলো নিতান্তই ভুল ধারণা। ছোট্ট একটি ডিম নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আসুন জেনে নেই রোজ একটি ডিম খেলে কি কি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিম-এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। ডিমের কেরোটিনয়েড, লুটেন ও জিয়েক্সেনথিন চোখের ছানি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।
ছোট্ট একটি ডিম হাজারো ভিটামিনে ভরা। এর ভিটামিন বি-১২ আমাদের গ্রহণকৃত খাবারকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে ভিটামিন ডি, যা পেশীকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। ডিমের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের নাস্তায় একটি ডিম খেলে সারাদিন আপনার ক্ষুধা কম হবে। তাই খাওয়াও হবে কম। গবেষণায় দেখা যায় শরীর থেকে দিনে প্রায় ৪০০ ক্যালরি কমাতে পারে সকালে একটি ডিম খাওয়াতে। একটি ডিমে রয়েছে ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন বা ৭০-৮৫ ক্যালরি। যা রোজকার প্রোটিন এর চাহিদার অনেকটা পূরণ করে।

ডিমে রয়েছে আয়রন, জিংক, ফসফরাস। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আর ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে ডিম কোলেস্টেরল বাড়ায় না। দিনে একটা ডিম খেলেও আপনার লিপিড প্রোফাইল কোনো প্রভাব পড়বে না। একটি ডিমে প্রায় ৩০০ মাইক্রোগ্রাম কোলাইন থাকে। যা কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম, স্নায়ু, যকৃত ও মস্তিষ্কের জন্য ভালো। চুল ও নখের মান উন্নত রাখতে নিয়মিত ডিম খান। কারণ ডিমের মধ্যে থাকা সালফার চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ডিমের নানাবিধ গুণের কারণে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডিম রাখুন। সুস্থ থাকুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রিয়াঙ্কার উপর চটেছেন সালমান খান

বিনোদনের খবর: তখনও কেউ আন্দাজ করতেই পারেনি যে নিজের রোকা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। সবাইকে চমকে দিয়ে ধূমধাম করে পপ গায়ক নিক জোনাসের সঙ্গে রোকা অনুষ্ঠান সেরে ফেললেন তিনি। কিন্তু তার আগে যা করলেন তা দেখে গোটা বলিউডের চক্ষু চড়কগাছ।
আগাম কিছু না জানিয়ে সালমান খানের সিনেমা ‘ভারত’ থেকে বেরি যান প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সালমানের মুখের উপর ‘না’ বলে দেওয়ার হিম্মত ইন্ডাস্ট্রিতে খুব কম জনই দেখাতে পেরেছেন। শোনা যাচ্ছিল তাতে নাকি প্রিয়াঙ্কার উপর বেজায় চটেছিলেন সালমান। যদিও প্রিয়াঙ্কার রোকা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালমানের বোন অর্পিতা। নিক আর প্রিয়াঙ্কার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অর্পিতার ছবি ভাইরালও হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এ প্রসঙ্গে ‘বিগ বস’-এর ১২তম সিজনের উদ্বোধনে সংবাদমাধ্যমকে সালমান বলেন, ‘না না। আমি কেন প্রিয়াঙ্কার উপর রাগ করতে যাব? নিকের সঙ্গে এনগেজমেন্ট ওর জীবনের একটা সেরা মুহূর্ত। অর্পিতা তো ওই অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিল।’
তবে প্রিয়াঙ্কার মুখে ‘না’ শুনে সালমান একটু আশাহত হয়েছেন তা পরিষ্কার। সালমান বলেন, ‘তবে দুঃখের বিষয়টা হল ভারত সিনেমায় প্রিয়াঙ্কার আর থাকা হল না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিষেক-রানির ‘বন্ধুত্ব’ সম্পর্ক মেনে নেননি ঐশ্বরিয়া

বিনোদনের খবর: বলিউডের তারকা অভিনয় শিল্পী রানি মুখার্জি ও অভিষেক বচ্চন। দুজনে জুটি বেঁধে বেশ কিছু সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই দুজনের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি হয়। যে কারণে বান্টি অউর বাবলি’-তে শেষবারের মতো তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। ‘বান্টি অউর বাবলি’ বলিউডে দমদার ব্যবসা করার পরও অভিষেক-রানিকে একসঙ্গে দেখা যায়নি।
জানা যায়, ‘বান্টি অউর বাবলি’-র সময় থেকেই নাকি রানির সঙ্গে অভিষেকের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। বলিউডের একাংশের মতে, ওই সময় নাকি রানির সঙ্গে বন্ধুত্বের চেয়ে কয়েক ধাপ বেশি মাত্রার সম্পর্ক গড়ে ওঠে অভিষেকের। মাঝে মধ্যেই তাঁদের একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও দেখা যেত বলে শোনা যায়। কিন্তু, কোনও কারণে সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সেই সঙ্গে ‘চলতে চলতে’-র সময় থেকেই ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে রানির অশান্তি শুরু হওয়ায়, বচ্চনরা রানিকে দূরেই ঠেলে দেন। এমনকী, অভিষেক, ঐশ্বরিয়ার বিয়েতেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রানিকে। ফলে অভিষেক, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে রানির সম্পর্ক একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকে।
ফলে ‘বান্টি অউর বাবলি’-র সিক্যুয়েল তৈরি হলে সেখানে অভিষেক বচ্চনকে আর রাখা হবে কী না, সে বিষয়ে যথেষ্ঠ সন্দিহান জুনিয়র বচ্চন। তিনি বলেন, কোনও সিনেমার প্রজেক্টের জন্য তাঁকে বেছে নেওয়া হলে, আদিত্য চোপড়া নিজে তাঁকে ফোন করে সেই কথা জানান। কিন্তু, ‘বান্টি অউর বাবলি’ পার্ট টু-এর জন্য আদিত্যর কাছ থেকে তিনি এখনও কোনও ডাক পাননি বলেই জানান অভিষেক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক: চুল মানুষের সৌন্দর্যের একটি বড় অনুষঙ্গ। তাই শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রতঙ্গের মধ্যে মানুষের কাছে চুলের কদর অনেক বেশি। তবে ঋতু পরিবর্তন এবং দূষণের কারণে মানুষ তার বড় সাধের চুল হারাতে পারেন। পুরুষ কিংবা নারী উভয়ের কাছেই এটি একটি গুরুতর সমস্যা। কিন্তু নির্দিষ্ট পদ্ধতি অবলম্বনে চুল পড়া রোধ করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক চুল পড়া বন্ধের তিনটি উপায়।
প্রোটিং সমৃদ্ধ খাদ্যগ্রহণ: আমাদের হাড়, কার্টিলেজ, ত্বক, চুল এবং শরীরের অন্যান্য অংশের গঠনের জন্য প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের চুল প্রোটিন থেকেই তৈরি। আমাদের দেহের বিভিন্ন কোষের গঠনের জন্য প্রোটিন প্রয়োজন। দেহে পর্যাপ্ত প্রোটিনের অভাবে আমাদের চুলের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। তাই চুল পড়া ও অন্যান্য সমস্যা দূর করতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য, বাদাম রাখতে হবে।
মাথায় ম্যাসাজ করান: নারকেল কিংবা ক্যাস্টার তেল আমাদের চুলের জন্য উপকারী। তাই সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন হলেও তেল দিয়ে মাথার তালুতে ৫ থেকে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করান। এতে মাথার ফলিকলগুলো অ্যাক্টিভ থাকবে এবং মাথার তালুতে পর্যাপ্ত রক্তসঞ্চালন সম্ভব হবে ও চুল পড়া বন্ধ হবে।
গরম পানিতে চুল ধোয়া বন্ধ করুন: শীতকালে গরম পানি স্নান করতে মজা লাগলেও এটা চুলকে শুষ্ক করে দেয়। তাই গরম পানি চুলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে চুল পড়ার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। তাই চুল পরার সমস্যা দূর করার জন্য ঠাণ্ডা পানিতে চুল ধোয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মদ পানে প্রতি বছর ২৮ লাখ মানুষের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: মাদক ও ধূমপানের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে নানা রকম প্রচার লক্ষ্য করা যায়। সিগারেটের প্যাকেট থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপন সবখানেই সতর্কবার্তা দেখা গেলেও মদপান রুখতে তেমন প্রচার দেখা যায় না। তবে কেবল মদপানের কারণে প্রতি বছর পৃথিবীতে মারা যাচ্ছে লাখ লাখ মানুষ।
সম্প্রতি লানসেট জার্নালে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় জানা গেছে, পুরো বিশ্বে মদপানের কারণে প্রতিবছর ২৮ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। কেবল তাই নয়, ১৫ থেকে ৪৯ বছরের মানুষের প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যুর জন্য দায়ী অপরিমিত মদপান।
সমীক্ষায় আরও জানানো হয়, ১৯৯০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে অ্যালকোহল ব্যবহার ও শরীরের উপর তার কুপ্রভাব ছড়িয়েছে ১৯৫টি দেশে। ধূমপানের মতোই মদ্যপানের ফলেও ক্যানসারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
সমীক্ষায় দেখা যায়, বর্তমান বিশ্বে তিনভাগের একভাগ (৩২ দশমিক ৫ শতাংশ) মানুষ মদ্যপানে আসক্ত। যার প্রায় ২৫ শতাংশই নারী। মদ্যপায়ীদের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিভিন্ন দেশে পড়াশুনার খরচ যেমন

শিক্ষা সংবাদ: পৃথিবীর অনেক দেশেই স্কুলে নতুন সেশনের ক্লাস শুরু হয় সেপ্টেম্বরে। আবার কোনো কোনো দেশে সেশন শুরু হয় জানুয়ারি মাসে। একেক দেশে স্কুলের একক নিয়ম-কানুন। সারা বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে অনেক পার্থক্য। বিভিন্ন দেশের কোমলমতি শিশুদের লেখাপড়ার সবচেয়ে বড় পার্থক্যটা পরিলক্ষিত হয় শিক্ষার পেছনে পরিবারের খরচের ক্ষেত্রে।

যুক্তরাষ্ট্রে কিন্ডারগার্টেন থেকে মাধ্যমিক স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর পেছনে গড়ে একটি পরিবারের খরচ হয় ৬৮৫ ডলার। গত এক যুগে খরচ দ্বিগুণের মতো বেড়েছে। এ হিসেবে সব খরচ এক সাথে যোগ দিলে যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৮ শিক্ষা বছরে অভিভাবকদের মোট খরচের পরিমাণ দাঁড়াবে ২ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হয় কম্পিউটারের পেছনে। প্রত্যেক পরিবারে এ খরচ ২৯৯ ডলার। তারপরে রয়েছে স্কুলের ইউনিফর্ম, পোশাক বাবদ খরচ হয় ২৮৬ ডলার। ট্যাবলেট ও ক্যালকুলেটরের মতো ইলকেট্রনিক যন্ত্রপাতি কিনতে লাগে ২৭১ ডলার। আর সবচেয়ে কম অর্থ খরচ হয় যেসব জিনিসের পেছনে তার মধ্যে রয়েছে ফাইল, ফোল্ডার, বই, হাইলাইটারসহ অন্যান্য সামগ্রী। এ সব জিনিসের পেছনে খরচ গড়ে ১১২ ডলার।

সন্তানের লেখাপড়ায় কত খরচ করতে হবে তা নির্ভর করছে কোন দেশে পড়াচ্ছেন তার ওপর। দেশ ভেদে এ পার্থক্য এক লাখ ডলারও ছাড়িয়ে যেতে পারে। স্কুলের বেতন, বইপত্র কেনা, স্কুলে যাওয়া আসার খরচ, থাকা-খাওয়া সব একসাথে যোগ করলে হংকং-এ প্রাথমিক স্কুল থেকে কলেজ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি খরচ হয়। অর্থাত্ স্কুলে লেখাপড়ার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হংকং। এবং অন্যান্য দেশের খরচের তুলনায় এটা খুব বেশি। হংকং-এ বৃত্তি, ঋণ, রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা এ সব বাদ দিলেও একজন শিক্ষার্থীর পেছনে অভিভাবকদের তাদের নিজেদের পকেট থেকে খরচ করতে হয় আরো ১ লাখ ৩১ হাজার ১৬১ ডলার।

এরপরেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেখানে অভিভাবকদের খরচ হয় ৯৯ হাজার ডলার। সিঙ্গাপুরে ৭১ হাজার ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮ হাজার ডলার। কিন্তু ফ্রান্সে একটি পরিবারকে তাদের সন্তানের শিক্ষা জীবনের পেছনে খরচ করতে হয় ১৬ হাজার ডলার।

গবেষণায় দেখা গেছে, ৩৩টি উন্নত দেশের মধ্যে রাশিয়ায় শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে কম সময় স্কুলে কাটাতে হয়। এক বছরে তারা স্কুলে থাকে গড়ে ৫শ ঘণ্টার মতো। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে এ সময় গড়ে ৮শ ঘণ্টা। তার মানে রাশিয়ায় একজন শিক্ষার্থী প্রতিদিন গড়ে পাঁচ ঘণ্টার মতো স্কুলে কাটায়। স্কুল খোলা থাকে আট মাস। আবার স্কুলে সময় কাটানোর জন্য রাশিয়ার ছেলে-মেয়েরা যে লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়ছে বিষয়টি তেমন নয়। রাশিয়ায় সাক্ষরতার হার ১০০%।

রাশিয়ার পরেই রয়েছে ডেনমার্কের অবস্থান। ডেনমার্কে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বছরে গড়ে এক হাজার ঘণ্টা ক্লাসে কাটাতে হয়। অর্থাত্ রাশিয়ার শিক্ষার্থীদের তুলনায় তাদের দুই মাস বেশি ক্লাস করতে হয়। ডেনমার্কে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন লম্বা সময় ধরে স্কুলে থাকতে হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা তাদের সদস্য দেশগুলোর শিক্ষার মান নিয়ে যে জরিপ পরিচালনা করে থাকে তাতে দেখা যায় ডেনমার্কের অবস্থান তালিকার শীর্ষস্থানীয় পাঁচটি দেশের ভেতরে। তার অর্থ কেউ কেউ এভাবেও ব্যাখ্যা করতে পারেন যে, বেশি সময় ধরে স্কুলে থাকলে তার একটা ভালো দিকও থাকে।— বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest