সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

রাজধানীতে বাসচাপায় একাত্তর টিভির কর্মকর্তা নিহত

দেশের খবর: রাজধানীতে বাসচাপায় নিহত হয়েছেন বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তরের এক কর্মকর্তা। তার দুটি পা বাসের চাকার নিচে পড়েছিল। টেলিভিশনটির বিপণন বিভাগের কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন(৪০) টেলিভিশনটির বিপণন বিভাগের কর্মকর্তা ছিলেন। পুলিশ ও তার সহকর্মীরা জানিয়েছে, তিনি শনিবার সকাল ১০টার দিকে সেনানিবাস সংলগ্ন জাহাঙ্গীর গেইট এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। কাফরুল থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, যাত্রীবাহী একটি বাস মোটরসাইকেল আরোহী আনোয়াকে চাপা দিয়েছিল। গুরুতর আহত অবস্থায় আনোয়ারকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার দুটি পা বাসের চাকার নিচে পড়েছিল।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা পৌনে ১টার দিকে আনোয়ারের মৃত্যু হয় বলে একাত্তর টিভির সাংবাদিক আরিফিন শাকিল জানিয়েছেন।
এসআই আজাদ জানিয়েছেন, পুলিশ বাসটি আটক এবং চালককে গ্রেপ্তার করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুরো দুনিয়া কি বসে বসে মিয়ানমারের হত্যাযজ্ঞ দেখবে? প্রশ্ন মাহাথিরের

বিদেশের খবর: মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ বলেছেন, আমি কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করার পক্ষে নই। কিন্তু পুরো দুনিয়া কি নীরব দর্শক হয়ে বসে বসে একটি হত্যাযজ্ঞ দেখবে এবং কিছুই করবে না?
শুক্রবার জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণে আধুনিক মালয়েশিয়ার জনক মাহাথির এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশগুলো স্বাধীন। কিন্তু তার মানে কি এই যে, নিজ দেশের জনগণের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানোর অধিকার তাদের রয়েছে!
ড. মাহাথির বলেন, মিয়ানমার সরকারের কর্মকাণ্ডে দেশটিতে প্রাণহানি, বাড়িঘর ধ্বংস করে দেয়া এবং নিজ দেশের মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু দেশটির নেত্রী অং সান সু চি এসব অস্বীকার করছেন।
তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের হত্যা করা হচ্ছে। তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। ১০ লাখ শরণার্থী পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। গভীর সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু হয়েছে অনেকের। বেঁচে থাকা লোকজনের খাবার, পানি ও স্যানিটেশনের সুবিধাবিহীন অস্থায়ী শিবিরে কোনো রকম ঠাঁই হয়েছে। তারপরও সু চিসহ মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এসব অস্বীকার করছে।
১৫ বছর পর জাতিসংঘে দেয়া ভাষণে মাহাথির রোহিঙ্গা ইস্যু, ফিলিস্তিন পরিস্থিতি, বিশ্বায়ন, বাণিজ্য যুদ্ধ, মালয়েশিয়ার অগ্রগতিসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন। এ সময় জাতিসংঘের মহৎ লক্ষ্যগুলো অর্জনে তার দেশের পূর্ণ সমর্থন ও সহায়তা থাকবে বলেও অঙ্গীকার করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমালোচনার ভয়ে জাতিসংঘে গেলেন না সুচি

বিদেশের খবর: রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এবারও জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন বর্জন করেছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি। তার পরিবর্তে এবারের অধিবেশনে বর্মী প্রতিনিধি দলের নের্তৃত্ব দিচ্ছেন স্টেট কাউন্সিলর কার্যালয়ের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী টিন্ট শোয়ে। খবর নিউইয়র্ক টাইমস, আল-জাজিরা ও মিয়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের।

এর আগে ২০১৭ সালের জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনও বয়কট করেন মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি এই নেত্রী। অধিবেশনে কয়েক দিন আগে মিয়ানমার জানিয়ে দেয় সুচি যাচ্ছেন না। তবে এ ব্যাপারে কোন কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

মিয়ানমারের রাখাইনে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিহত হয় বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। ২০১৮ সালের আগস্টে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয় এ অভিযানের পর থেকে প্রায় ৭ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানে গণহত্যার উপাদান রয়েছে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ বিষয়ে এরই মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখন প্রবল আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে চাপে পড়েছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অং সান সুচিও। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের সমালোচনার ভয়েই জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন বয়কট করেছেন সুচি।
তবে জাতিসংঘে না যাওয়াটা সমালোচনার ভয়ে নয় বলে দাবি করেছে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল। দলটির মুখপাত্র অং শিন আল-জাজিরাকে বলেন, ‘তিনি কোন সমালোচনার ভয়ে ভীত নন, হয়তো সুচি ভেবেছেন মিয়ানমারে অবস্থান করলে তিনি আরও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয়ে কাজ করতে পারবেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক: পর্তুগালের ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে এবার ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক মার্কিন নারী। শুধু তাই নয়, ওই ঘটনা চেপে যাওয়ার জন্য অভিযোগকারীনীকে প্রায় ৩ কোটি ১১ লাখ টাকা দিয়েছিলেন বলে খবর প্রকাশ করে জার্মানির একটি সংবাদমাধ্যম।
খবরে বলা হয়, ৩৪ বছর বয়সী ওই নারীর নাম ক্যাথরিন মায়ারগা। তার দাবি, ২০০৯ সালে ছুটি কাটাতে লাস ভেগাসে গিয়েছিলেন রোনালদো। সেখানে একটি হোটেলে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন পর্তুগাল অধিনায়ক। সন্ধ্যায় একটি পার্টিতে অংশ নেওয়ার পরে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ক্যাথরিন।
জার্মানির সংবাদমাধ্যমটি ক্যাথরিনের বক্তব্যের একটি ভিডিও প্রকাশ করে এই অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে ডয়েচে ভেল জানায়, রোনালদোর আইনজীবী খ্রিস্টান স্কার্টজ বলেন, অভিযোগটি সত্য নয়। জার্মানির সংবাদমাধ্যমটি কোনো যাচাই না করে শুধুমাত্র ভিত্তিহীন খবর প্রকাশ করেছে। ওই সংবাদমাধ্যমকে আইনি নোটিস পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছে রোনালদোর পক্ষে।
এদিকে ক্যাথরিনের আইনজীবী দাবি করেছেন, যে আর্থিক চুক্তি হয়েছিল তার শর্তপূরণ করা হয়নি। তাছাড়া তার মক্কেলের সঙ্গে সেই শারীরিক সম্পর্কের জন্য প্রচুর শারীরিক সমস্যা হয়েছে। সেকারণেই তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে: মিয়ানমার

বিদেশের খবর: জাতিসংঘে দেয়া ভাষণে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর কার্যালয়ের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী টিন্ট শোয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের কাছে ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট।
টিন্ট শোয়ে বলেন এ পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ৩টি চুক্তি করেছি। তবু দেশটি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
রোহিঙ্গা বিরোধী সামরিক অভিযানে গণহত্যার উপাদান রয়েছে দাবি করে জাতিসংঘের দেয়া রিপোর্টেরও সমালোচনা করেন মিয়ানমারের এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিবেদনটি শোনা কথার উপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়েছে। এতে কোন প্রমাণ নেই।
এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেন, ‘মিয়ানমার চুক্তি করলেও তা বাস্তবায়ন না করে কালক্ষেপণের কৌশল নিয়েছে’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘এ এশিয়া কাপটাই বাংলাদেশের কাছে সেরা’

খেলার খবর: দুবাইয়ে কাল এশিয়া কাপের ফাইনালে ৩ উইকেটে হেরে আরও একবার ফাইনাল হারের যন্ত্রণা পোহাতে হয়েছে বাংলাদেশকে। শিরোপা জিততে পারলে নিশ্চিত ৫৬ হাজার বর্গ মাইলে আনন্দের ঢেউ উঠত। সেটি হয়নি, দুর্দান্ত খেলে তবুও এবারের এশিয়া কাপটা মনে রাখার মতো অনেক কিছুই করেছেন মাশরাফিরা। হারের যন্ত্রণার মধ্যেও বিশ্লেষকদের চোখে তাই এই প্রাপ্তিগুলো বড় হয়ে উঠেছে।

আরও একটি ফাইনাল হার, স্বাভাবিকভাবে আফসোস, আক্ষেপে পুড়ছে বাংলাদেশ। যদি দৃষ্টিটা আরও ছড়িয়ে দেন, এই টুর্নামেন্টে প্রাপ্তির ডালিটা একেবারে শূন্য নয়, বরং সেখানে অনেক মণি–মুক্তায় ভরা! কঠিন কন্ডিশনে রাজ্যের ভ্রমণ ধকল সামলে চোটজর্জর একটা দল তাদের গুরুত্বপূর্ণ দুজন খেলোয়াড়কে হারিয়ে ফেলার পরও ফাইনালে উঠেছে। বিশ্ববিখ্যাত ব্যাটিং লাইনআপের সামনে ২২৩ রানের লক্ষ্য দিয়েও শেষ পর্যন্ত লড়েছে। শিরোপা ছুঁয়ে দেখার সুযোগ হয়নি। তবুও এই এশিয়া কাপটা কেন বাংলাদেশের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, সেটিই বিশ্লেষণ করেছেন হাবিবুল বাশার, খালেদ মাসুদ ও শাহরিয়ার নাফীস—

হাবিবুল বাশার, সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে নির্বাচক
‘এই এশিয়া কাপটাই সেরা বলব। সূচিটা অনেক কঠিন ছিল, আমরা ফাইনাল খেলেছি এক দিনের বিরতিতে। ভারত সেখানে দুই দিনের বিরতি পেয়েছে। এটা কিন্তু খেলায় অনেক প্রভাব ফেলে। কন্ডিশনের কারণেই ফেলে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দলটা চোটজর্জর। তামিম (ইকবাল) নেই, সাকিব (আল হাসান) সবশেষ দুইটা ম্যাচ খেলতে পারেনি। মূল একাদশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়কে ছাড়াই খেলতে হয়েছে আমাদের। এমনিতে প্রচণ্ড গরম, এর মধ্যে ছিল ভ্রমণ ঝক্কি। দুবাই থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের আবুধাবি থেকে রাত তিনটায় খেলে ফিরেছে। এক দিন পর আবার খেলতে নামতে হয়েছে। ফাইনালে প্রতিপক্ষকে অতটা ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।
গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তানের কাছে আমরা যে ম্যাচটা হেরেছি, সেটা নিয়ে ভাবি না। পরের ম্যাচে আমাদের একাদশ তৈরিই ছিল মূল ভাবনা। সুপার ফোরে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটাই শুধু খারাপ করেছি। বাকি ম্যাচগুলো তো আমরা ভালো খেলে জিতেছি। যে জিনিসটা সবচেয়ে খারাপ লাগে, প্রথম ম্যাচ জেতার পর মনে হলো আমরা যুদ্ধে জিতেছি। খেলোয়াড়েরা সবাই জাতীয় বীর! পরের দুইটা ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর আমাদের সিস্টেম খারাপ হয়ে গেল, ক্রিকেট বোর্ড খারাপ হয়ে গেল! বলা হলো, আমাদের হাতে পর্যাপ্ত বিকল্প খেলোয়াড় নেই। এই নেই, সেই নেই! এগুলোই সবচেয়ে খারাপ লাগে। অনেকে আমাদের খেলোয়াড়দের দেশপ্রেম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তখন। এই পারফরম্যান্সের পরও যদি দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, তাহলে বলার কিছু নেই। সাকিব-তামিম না থাকার পরও বাংলাদেশ যে খেলাটা খেলেছে, অনেক তৃপ্ত।
আমরা আশা করেছিলাম কাল ভারতের যে ব্যাটিং লাইনআপ, তাতে ২৮০-২৯০ করতে হবে। পরে দেখলাম ২২২ করেছি, আর ২০টা রান বেশি করতে পারলে ম্যাচের গল্প অন্য রকম হতো। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এ অবস্থায় আমরা কিন্তু হাল ছেড়ে দিইনি। সব সময় বলা হয়, পাকিস্তান বোলিংয়ে অনেক শক্তিশালী। কাল যে উইকেটে খেলা হয়েছে, এই উইকেটে ভারত কিন্তু ওদের উড়িয়ে দিয়েছে। সব সময়ই নেতিবাচক দিক না খুঁজে এবার বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। এই এশিয়া কাপটা সবার ওপরেই রাখব। আগের দুই এশিয়া কাপেও ফাইনাল খেলেছি। এটাকে এগিয়ে রাখব এই কারণে, এবার আমাদের ফাইনাল খেলতে হয়েছে অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়েরা যে চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে, অবশ্যই খুশি।’

খালেদ মাসুদ, সাবেক অধিনায়ক
‘বাংলাদেশ দলের ইতিবাচক দিক অনেক কিছুই আছে। একটা টুর্নামেন্ট খেললে আপনি ইতিবাচক অনেক কিছুই পাবেন। ইতিবাচক ছিল বলেই তো বাংলাদেশ ফাইনালে খেলেছে। যেমন শ্রীলঙ্কা দল অনেক নেতিবাচক ছিল বলে তারা সুপার ফোরেও উঠতে পারেনি। এবার আমাদের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার অধিনায়কত্ব। আমরা জানি, এই দলটা দাঁড়িয়ে আছে পাঁচ স্তম্ভের ওপর। এর মধ্যে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল নেই। সাকিব না থাকাটা বিরাট ক্ষতি, বাঁহাতি স্পিনের সঙ্গে টপ অর্ডারে তাঁর সার্ভিস, প্রতিপক্ষ সব সময়ই এমন খেলোয়াড় নিয়ে চাপে থাকে। ভালো খেলোয়াড় রান না–ও পেতে পারে, উইকেট না–ও পেতে পারে। তবে প্রতিপক্ষের জন্য সে সব সময়ই চাপের। কারণ, ক্রিকেট অনেকটাই মনস্তাত্ত্বিক খেলা।
ব্যাটিংয়ে শুধু মুশফিক ধারাবাহিক রান করেছে। মাহমুদউল্লাহ, মিঠুন, লিটনও ভালো খেলেছে। তবে ধারাবাহিকতা ছিল না। বোলিংয়ে অবশ্য মোস্তাফিজ ধারাবাহিক ভালো করেছে। যে ম্যাচগুলো জিতেছি, একেক ম্যাচে একেকজনের অবদান ছিল। মূল ঘাটতিটা ছিল দল হিসেবে খেলতে পারিনি আমরা। এরপরও দল যে ফাইনালে উঠেছে, ফাইনালে শেষ বল পর্যন্ত লড়েছে। তাদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। দল হিসেবে খেলতে পারলে ভবিষ্যতে ফাইনালে হারের দুঃখটা আর থাকবে না। তবে এর জন্য আরও ট্যাকটিক্যাল হতে হবে। এই পর্যায়ে এসে ব্যাটসম্যানদের সহজে উইকেট দেওয়া যাবে না। ভালো লার্নার হতে হবে, আজকের ভুলকে কাল শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। এখানে এখনো ঘাটতি রয়ে গেছে আমাদের, এটি উন্নতি করতে পারলে ভবিষ্যতে ফাইনাল জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হবে না।
সব মিলিয়ে আমরা এই এশিয়া কাপে ভালো খেলেছি। বোলিং বিভাগটা অসাধারণ করেছে। ফিল্ডিংও ভালো হয়েছে। তবে ব্যাটিংয়ে অনেক ঘাটতি ছিল। এক-দুজন জ্বলে উঠেছে প্রতি ম্যাচে। ব্যাটিংয়ে সম্মিলিত পারফরম্যান্স হলে অনেক খুশি হতাম। সব মিলিয়ে ভালো হয়েছে। খারাপ বলা যাবে না।’

শাহরিয়ার নাফীস, ওপেনার
‘ক্রিকেটে এশিয়া কাপটা চ্যাম্পিয়নস লিগ বা ইউরো ফুটবলের মতো। সারা বিশ্বই খেলে। ফুটবলের বেশির ভাগ শক্তিশালী দল ইউরোপে, ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন বা তাদের দর্শক বেশি। এশিয়া কাপও তা-ই। দর্শক, দল বা চ্যাম্পিয়ন সবকিছুই বেশি এই অঞ্চলে। এমন গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ গত চারবারের তিনবার শিরোপার জন্য লড়েছে। বড় গলায় বলতে পারি, বাংলাদেশ এখন এশিয়ার দ্বিতীয় শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানের চেয়ে আমরা অনেক বড় দল, সেটা প্রমাণ হয়েছে। এটাই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জন।
সাকিব-তামিম না থাকার পরও বাংলাদেশ ফাইনালে দুর্দান্ত লড়াই করেছে, এর অর্থ শক্তিশালী দল হিসেবে আমরা দাঁড়িয়ে গেছি। নির্দিষ্ট দু-একজনের ওপর নির্ভর না থেকে বাংলাদেশ যে দলগত পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভরশীল, সেটাও প্রমাণ হয়েছে। এই এশিয়া কাপটা আমাদের কাছে স্পেশাল হয়ে থাকবে। আমাদের অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ফাইনালে উঠতে হয়েছে। সবকিছু চিন্তা করলে এই এশিয়া কাপটা এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের কাছে সেরা এশিয়া কাপ।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন বিভাগে মহাসমাবেশের ঘোষণা ১৪ দলের

দেশের খবর: রাজশাহী, নাটোর ও খুলনা বিভাগীয় সমাবেশের পর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট।
শনিবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ১৪ দল আয়োজিত কর্মী সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।
তিনি জানান, ৯ অক্টোবর রাজশাহী, ১০ অক্টোবর নাটোর ও ১৩ অক্টোবর খুলনায় ১৪ দল বিভাগীয় সমাবেশ করবে। তারপর নেত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে।
তিনি বলেন, ওরা বলেছে অক্টোবর থেকে মাঠে থাকবে। অক্টোবর তোমাদের জীবনে আসবে না। ডিসেম্বরে নির্বাচনের আগে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠ গরম করব।
১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশ সঞ্চালন করেন ঢাকা মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক শাহে আলম মুরাদ।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাংলাদেশ জাসদ সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, জেপি মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন, বাংলাদেশ জাসদ সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাদেনের চেয়েও জনপ্রিয় তার মডেল ভাইঝি

অনলাইন ডেস্ক: ওসামা বিন লাদেন। এই নামটি শোনার পর বহু মানুষের মন আজও কেঁপে ওঠে। পশ্চিমা বিশ্বে যাকে সবাই ত্রাস বলেই চেনেন।
তবে অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ওসামা বিন লাদেনের চেয়েও তার ভাইঝিকে বেশি মানুষ চেনে। হ্যাঁ, এটা অবশ্য সত্য।
নাম ওয়াফা দুফোর। বর্তমান সময়ে মার্কিন মুলুকের এক নম্বর মডেল ওসামা বিন লাদেনের এই ভাইঝি। তিনি একের পর এক মার্কিন গ্ল্যামার হান্ট কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
সম্প্রতি মার্কিন একটি পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে ওয়াফা দুফোরের আসল পরিচয়। একই সঙ্গে ওয়াফা জানিয়েছেন, তার এই পরিচয়ে একদমই বিরক্ত নন তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে পাকিস্তানের অজ্ঞাতবাস থেকে মার্কিন সেনার হাতে নিহত হওয়ার পর থেকে ওসামা বিন লাদেনের সম্পর্কে একাধিক তথ্য জানা গেছে। লাদেনের একাধিক স্ত্রী ছিল বলে জানা যায়। লাদেনের প্রায় ৪০০ ভাইপো-ভাইঝি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। তার মধ্যে একজন ওয়াফা দুফোর। বর্তমানে তিনি মার্কিন মুলুকের এক নম্বর মডেল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest