সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in Belgiëসাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধনদেবহাটার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহ

গোবিন্দপুর যুব উন্নয়ন সংঘের লাউ বীজ বিতরণ

 

গোবিন্দপুর যুব উন্নয়ন সংঘের পক্ষ থেকে শনিবার বিকাল ৫টার সময় ২৫জন কৃষকের মাঝে লাউ বীজ বিতরণ করা হয়। কৃষকদের বিশেষ করে মহিলা কৃষকদের কৃষি কাজে উদ্বুত্ত করার জন্য প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। উক্ত বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বি এম শামসুল হক এবং গোবিন্দপুর যুব উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী প্রধান মোঃ আছাফুর রহমান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এখনই শচীনের সঙ্গে কোহলির তুলনা নয়: শেবাগ

খেলার খবর: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নটিংহাম টেস্টে ২০৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় ভারত। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীকে ছাড়িয়ে যান বিরাট কোহলি। ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে মাত্র ৩৮টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে ২২টিতে জয় উপহার দেন কোহলি।
আর সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী দেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৯টি টেস্টে নেতৃত্ব দেন। তার অধিনায়কত্বে ২১ টেস্টে জয় পায় ভারত।
শুধু সৌরভকেই নয়, নটিংহাম টেস্ট জয়ের মধ্য দিয়ে কিংবদন্তি ক্রিকেটার ডন ব্রাডম্যানকেও ছাড়িয়ে গেলেন বিরাট। নটিংহ্যাম টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে কোহলির ব্যাট থেকে এসেছে ২০০ রান। তার আগে এজবাস্টে টেস্টে দুই ইনিংস মিলে করেন ২০০ রান।
চলমান ইংল্যান্ড সফরে বিরাট কোহলির অসাধারণ ব্যাটিং দেখার পর অনেকেই শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে কোহলির তুলনা করছেন। ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার বীরেন্দ্র শেবাগ বলছেন, শচীনের সঙ্গে কোহলির তুলনা এখনই করাটা ঠিক নয়। আমার মতে, শচীন যেসব রেকর্ড করে গিয়েছে সেগুলো বিরাট করতে পারলে তখন তুলনাটা যুক্তিযুক্ত হবে।
শেবাগ বলেন, একজন খেলোয়াড় তখনই গ্রেট পর্যায়ে যায়, যখন সে প্রত্যেকটা ম্যাচের প্রস্তুতি নিখুঁতভাবে করে। এই মুহূর্তে ক্রিকেটের তিনটে ফরম্যাটে কোহলির চেয়ে ভালো আর কেউ নেই। আমি তো বলব, বিশ্বের সব প্লেয়ারদের জন্য অনুপ্রেরণা কোহলি। আইপিএলে অনেক ক্রিকেটারের সঙ্গে তো আমার কথা হয়। শুনেছি কোহলি নিয়ে কীভাবে ওরা কথা বলে। কীভাবে ওর সাফল্যের পদ্ধতিকে অনুসরণ করার চেষ্টা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শ্যামনগরে ব্যবসায়ী কালামের বাড়িতে আবারো হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও পুলিশ সুপারের নির্দেশ উপেক্ষা করে শ্যামনগরের ব্যবসায়ী আবুল কালামের ভিটেবাড়ি দখল করার জন্য আবারো হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার ভোরে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী মিঠু ও মোস্তফার নেতৃত্বে ২০/৩০ জন সন্ত্রাসী লাঠি-সোটা নিয়ে এ হামলা চালায়। এদিকে গত ১০ আগস্ট কালামের বাড়ি-ঘর ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের পর তার প্যারালাইসড বৃদ্ধ পিতা-মাতাসহ এই অসহায় পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। ১৫ দিন ধরে এ অবস্থায় থাকার পরও ভুমিদস্যু মাস্টার আব্দুল বারী তার বাহিনী দিয়ে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। এর প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেন ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষে আব্দুস সালামের স্ত্রী সাবিকুন নাহার। আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শ্যামনগর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। ওসির তদন্তের মধ্যে গতকাল আবারো হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের মরধ্য চরম আতংক বিরাজ করছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত ৩ মে ব্যবসায়ী আবুল কালাম বাধঘাটা গ্রামের আব্দুস সবুরের স্ত্রী সাবিনা ও ছেলে এমদাদুল হকের ২২ শতক জমির মধ্যে ৬ শতক জমি ক্রয় করেন। যার মধ্যে একটি ঘর ছিল। জমি ক্রয়ের পরপরই তারা দখলে যায়। সেখানে আবুল কালাম, তার ভাই নূর ইসলাম, আব্দুস ছালাম ও আব্দুস সাত্তার আরো ৫টি ঘর তৈরী করে বসবাস করে আসছিলেন। সাবিনার সাথে তার দেবর আব্দুল বারীর একটি বাটোয়ারা মামলা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। গত ১০ আগস্ট শুক্রবার হঠাৎ করে আব্দুল বারী তার ভাই ও লোকজন নিয়ে সাবিনার বিক্রি জমি (আবুল কালাম) দখল নিতে যায়। এ সময় তারা সীমানা প্রাচীর ভেঙে ঘর-বাড়ি ও আসবাব পত্র ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘরে মধ্যে থাকা আবুল কালামের প্যারালাইসড বৃদ্ধ বাবা নূর আলী গাজী ও বৃদ্ধা মা জহুরা বেগমকে মারধর করে উঠানে ফেলে দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে আব্দুস সালামের স্ত্রী সাবিকুন নাহারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে। এতে সে রক্তাক্ত জখম হয়। এ ছাড়া নূর ইসলামের কলেজপড়–য়া মেয়ে সুমাইয়া ইয়াসমিন ও দশম শ্রেণীর ছাত্রী ফাতেমা খাতুন, আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী রাশিদা বেগম ও আবুল কালামের স্ত্রী পারভীন বেগম আহত হয়। আহতদেরকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আবুল কালাম বাদি হয়ে শ্যামনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (যার নং ১১/১৭৩ (শ্যাম)। এ মামলায় আদালত থেকে জামিন নিয়ে সাকিব হোসেন ও মাস্টার আব্দুল বারীর স্ত্রী রেহানা বেগম কালামের পরিবার-পরিজনকে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। এ ব্যাপারে সাবিকুন নাহার বাদি হয়ে শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন (যার নং-৮৯৩, তাং-২০-০৮-১৮)।
এদিকে গত ১০ আগস্ট শুক্রবার পুলিশের উপস্থিতিতে ঘরবাড়ি ভাংচুরের পর মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে আবুল কালাম পরিবার-পরিজন নিয়ে পলাতক অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপনের প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেন ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষে আব্দুস সালামের স্ত্রী সাবিকুন নাহার। পুলিশ সুপার এই লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শ্যামনগর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। আগামী ২৯ আগস্ট শ্যামনগরের এসিল্যান্ডের কাছে এই জমিজমার বিষয়টি নিয়ে বসাবসির তারিখ রয়েছে। এরমধ্যে তদন্তে যারা ভিটেবাড়িতে দখলে থাকবে তাদের পক্ষে বসাবসির সিদ্ধান্ত যাবে এ আশংকায় শনিবার ভোর ৬টার দিকে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী মাইক্রোবাস চালক আমজাদ হোসেন মিঠু ও গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে ২০/৩০ জন সন্ত্রাসী আবারো কালামের ভিটেবাড়ি দখলে নিতে হামলা চালায়। এ সময় তারা ঘরের দরজা ভাঙার চেষ্টা করলে বাড়িতে থাকা মহিলারা চিৎকার করলে আশ-পাশের লোকজন ছুটে আসে এবং থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তবে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।
শ্যামনগর থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, ব্যবসায়ী আবুল কালামের ক্রয় করা জমি দখল নিয়ে মাস্টার আব্দুল বারীর লোকজন প্রায় মহড়া দেয়। গতকাল সকালেও তারা লোকজন নিয়ে মহড়া দিয়েছে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এসপির কাছে দেয়া আবেদনের তদন্তের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলাটি এসআই হাবিব তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ হলেই প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান বলেন, আজকের (শনিবার) হামলার ঘটনার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি খোজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। সাবিকুন নাহারের আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আবেদন পেয়েছি। তার প্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২৪-০৮-১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেপ্টেম্বরে উত্তপ্ত হতে পারে রাজনীতির মাঠ

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফের উত্তপ্ত হতে যাচ্ছে দেশের রাজনীতি। এরই মধ্যে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাদের বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যে এই উত্তাপের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে সেপ্টেম্বরের শেষ ভাগে এসে এই দুই দলের কথার লড়াই মাঠে গড়াতে পারে। শুধু এই দুটি দল নয়, এ সময় শক্তি দেখাতে মাঠে নামবে বাম দল, ইসলামি দল এবং অন্যান্য ছোট রাজনৈতিক দলগুলো।
মূলত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে দলটির বিভিন্ন দাবি নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠবে রাজনীতির মাঠ। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি এসে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট এবং তাদের সমমনা দলগুলো রাজপথে নামার প্রস্তুতি নেবে। বিএনপি ছাড়াও সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজার নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট এবং বৃহত্তর ঐক্য গড়ার অংশ হিসেবে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণফোরাম সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহের দিকে পৃথক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে। একই সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মসূচি পালন করবে ৮টি বাম দল নিয়ে গঠিত ‘বাম গণতান্ত্রিক জোটে’র নেতারা।
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠ উত্তপ্তের মধ্যে সরকারি দলও নানা কর্মসূচি নিয়ে এ সময় মাঠে থাকার পরিকল্পনা করছে। আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারকেরা বলছেন, মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ডিসেম্বরের নির্বাচন পর্যন্ত সময়ে নানা ধরনের জটিল পরিস্থিতি তৈরি হবে। এ কারণে আওয়ামী লীগ মাঠে থাকবে। ওই নেতা বলেন, তারা মূলত নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রচারের অংশ হিসেবে সারা দেশে মাঠ দখলে রাখার চেষ্টা করবে। বিরোধী দলগুলো যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে নজর রেখে ঢাকাসহ সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সক্রিয় থাকবেন।আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচির পাশাপাশি সরকারকে এ সময় বিভিন্ন গোষ্ঠী ও পক্ষের রাজনৈতিক আন্দোলনও মোকাবিলা করতে হবে। বিশেষ করে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত বা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকদের আন্দোলন বেগবান হতে পারে। তা ছাড়া মেয়াদের শেষ সময়ে এসে সরকারের বিরুদ্ধে নানামুখী ‘ষড়যন্ত্র’ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মোকাবিলা করতে হতে পারে। ফলে রাজনীতির মাঠ বিরোধী দল যেমন দখলে রাখার চেষ্টা করবে তেমনি সরকারকে চাপমুক্ত রাখতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা চাইবেন রাজনীতির মাঠ তাঁদের অনুকূলেই যেন থাকে।
ঈদের দিন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনে অংশ না নিয়ে যদি নির্বাচন বানচালের বা প্রতিহত করার কোনো চেষ্টা যদি বিএনপি করে তাহলে দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে একই দিন বিএনপির মহাসচিব বলেছেন, সরকারকে অতীতের মতো আর একতরফা নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। দলটির জ্যেষ্ঠ নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ একতরফা নির্বাচন প্রতিহত করারও ঘোষণা দিয়েছেন।
রাজনীতির বিশ্লেষকেরা বলছেন, আগামী নির্বাচন কীভাবে হবে বা সব দল মেনে নেবে এমন কোনো ঐক্যবদ্ধ নির্বাচনী প্রক্রিয়া বের করা যায়নি। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কোনো লক্ষণও এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। ফলে আগামী ৩-৪ মাস রাজনীতিতে অনেক কিছুই ঘটবে। দেশি-বিদেশিদের নজরও থাকবে রাজনীতির দিকে। তাই রাজনীতির মাঠ স্বাভাবিকভাবেই মসৃণ থাকবে না। রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও রাষ্ট্র বিজ্ঞানের অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমাদ প্রথম আলোকে বলেন, এই মুহূর্তে রাজনীতিতে সুষ্ঠু ধারা অব্যাহত নেই। বিশেষ করে ভোটাধিকার না থাকায় নির্বাচন নিয়ে সংকট তৈরি হয়ে হয়েছে। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে আসা না আসা নিয়ে চিরাচরিত নিয়ম লঙ্ঘন হচ্ছে। এখন সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে যে অবিশ্বাস তার সুষ্ঠু সমাধান না হলে রাজপথেই এই সমাধান হবে এটাই সব সময় দেখা যায়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বৃহস্পতিবার বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি যে দাবি তুলেছে তা সবার কাছেই যৌক্তিক প্রমাণ হয়েছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। এই দাবিতে বিএনপির সোচ্চার আছে, সামনেও থাকবে। এর সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আছে। তিনি বলেন, বিএনপি তো আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চাচ্ছে। সেটা না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে দাবি আদায়ে বাধ্য করা হবে।
একটি জাতীয় ঐক্য গঠনের মাধ্যমে সরকারকে চাপে ফেলতে কাজ করছে বিএনপি। এই প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে আছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল। আর পুরো প্রক্রিয়াটি সমন্বয় করছেন গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ। তিনি বলেন, তাঁরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি খুব সহজ তা নয়। মধ্য সেপ্টেম্বরে গিয়ে এটি একটি কাঠামোতে আসতে পারে বলে তাঁরা মনে করছেন।
সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে জাতীয় ঐক্য প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সেপ্টেম্বরের ২২ তারিখ ঢাকায় একটি বড় সমাবেশ করার কথা জানিয়েছে ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম। সেখানে ১৪ দল, জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অন্য সব দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই সমাবেশে যুক্তফ্রন্ট অংশ নিতে পারে।
গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী বলেন, দেশ এখন যেভাবে চলছে সেভাবে চলতে পারে না। এক ব্যক্তির শাসন চলছে। আইনের শাসন নেই। এ অবস্থায় ঐক্য দরকার। তাঁরা এ ধরনের একটি ঐক্য গড়ে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে বাধ্য করতে চান। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে যারাই ক্ষমতায় আসবে তারাই দেশ পরিচালনা করবেন। এতে জবাবদিহি থাকবে।’
সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের নানা তৎপরতার মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও এ সময় রাজপথে সক্রিয় থাকবে। দলটি এই প্রক্রিয়াকে জাতীয় নির্বাচনের ‘মনোনয়ন প্রক্রিয়া’ বলছে। দলটি বলছে, তারা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস জুড়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা যাচাই করবে। এ জন্য আসন ওয়ারী সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক এবং সব পর্যায়ের নেতাদের নিজ নিজ এলাকায় যেতে বলেছেন। সরকারের পক্ষে প্রচার চালাতে বলেছেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক বলেন, সামনে নির্বাচন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এখন মাঠেই থাকবেন। সরকারের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীরা নিজ নিজ অবস্থানে থেকে এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবেন। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলো মাঠে নামলে নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগ ঘরে বসে থাকবে না। বিরোধীদের রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগ মোকাবিলা করবে। তিনি বলেন, বিরোধী পক্ষ রাজনীতির মধ্যে থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করলে আওয়ামী লীগ কোনো বাধা দেবে না। তবে খারাপ পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা হলে তখন যেভাবে প্রয়োজন সেভাবেই তা মোকাবিলা করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গৃহকর্মীর বিয়েতে অতিথি আলিয়া

বিনোদনের খবর: এবার গৃহকর্মীর বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এলেন আলিয়া ভাট। গৃহকর্মীর বিয়েতে তোলা একটি ছবি ভাইরাল হলো স্যোশাল মিডিয়ায়।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে, গোলাপী-সোনালি রঙা পোশাক পরে এক নব-দম্পতির সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার জন্য পোজ দিয়েছেন বলিউডের এই অভিনেত্রী।
জানা গেছে- ভাইরাল হওয়া ছবিটিতে আলিয়ার সঙ্গে যে নারী রয়েছেন তিনি হাইওয়ে’খ্যাত এই তারকার বাড়ির গৃহকর্মী। তার বিয়ের অনুষ্ঠানেই অতিথি হয়ে উপস্থিত হয়েছেন তিনি।
অয়ন মুখার্জি পরিচালিত ‘ব্রক্ষ্মাস্ত্র’ ছবির শুটিং করছেন আলিয়া ভাট। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে দেখা যাবে অমিতাভ বচ্চন, নাগার্জুনা, রণবীর কাপুর ও টেলিভিশন তারকা মৌনি রয়কে। এছাড়া ‘কলঙ্ক’ ও ‘গুল্লি বয়’ ছবির কাজ রয়েছে বলিউডের এই অভিনেত্রীর হাতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বলিউড অভিনেত্রী এখন সবজি বিক্রেতা!

বিনোদনের খবর: বড় বড় বলিউড তারকরাই জীবনে অনেক খারাপ সময় পাড়ি দিয়েছেন। তবে এই খবর যখনই পাওয়া যায় তখনই ফ্যানদের মন খারাপ হয়ে যায়। শুধুই ফ্যানই নয়। এই রকমের খারাপ খবর শুনে সবারই মন খারাপ হয়ে ওঠে। ইদানিং আদা শর্মার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তাকে দেখা গেছে সবজি বিক্রি করতে।
গ্ল্যামার ক্যুইন আদা শর্মাকে এই ছবিতে রোগীর মত দেখতে লাগছে। সঙ্গে দুঃখীও লাগছে দেখতে। কোনও অডিশনের আগে আদা শর্মার এই ল্যুক সেট করা হয়েছে। এই মেকআপে আদা শর্মা চিনতে বেশ মুশকিল হয়েছে।
ইনস্টাগ্রামে বেশ সক্রিয় আদা শর্মা। নিজের চরিত্রে পৌঁছাতে যে কোনও রকমের কষ্টকর কাজ তিনি করতে পারেন।
আগে কিকি নিয়ে চ্যালেঞ্জ বেশ চর্চায় এসেছিলেন তিনি। তাকে ক্লাসিক্যাল ডান্সে বেশ স্বচ্ছন্দ লেগেছে।
আদা শর্মা তার ফিল্ম ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ২০০৮ সালে ভৌতিক ছবি ১৯২০ দিয়ে। তারপরে হাম হ্যায় রহি কার কো এবং হাসি তো ফাঁসি ছবিতেও অভিনয় করতে দেখা গেছে আদা-কে।
আদাকে দেখা গিয়েছিল কমাণ্ডো-২ ছবিতে। ছবিতে তার অভিনয় বেশ প্রশংসা পেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিপাকে পিএসজি, শাস্তি হলে ছাড়তে হবে নেইমার-এমবাপ্পেকে!

খেলার খবর: এবার কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে যাচ্ছে ফ্রান্সের ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই। স্পেনের রেডিও স্টেশন ‘ওন্দা সেরো’র রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে শুক্রবার সকাল থেকেই। উয়েফার ক্লাবগুলোর অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি তদন্তের শেষে পিএসজির আর্থিক অনিয়মের জন্য শাস্তির পথে হাঁটে তাহলে ক্লাবটিকে ছেড়ে দিতে হতে পারে নেইমার এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের যেকোন একজনকে।
এছাড়া ওন্দা সেরোর রিপোর্ট অনুযায়ী, উয়েফার অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার শাস্তি কার্যকর হলে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি রিয়াল মাদ্রিদ, মোনাকো, বার্সেলোনা। নেইমারের জন্য প্রস্তুত করতে পারে রিয়াল মাদ্রিদ। মোনাকো তাদের পুরোনো তারকা এমবাপ্পেকে নিতে তৎপর হবে। বার্সেলোনার ভূমিকা আপাতত দর্শকের।
এদিকে, ফিনান্সিয়াল ফেয়ার (প্লে এফএফপি) কথায়, ফুটবলার কেনা-বেচার ক্ষেত্রে আর্থিক নিয়ম মেনে চলা, যাতে কোন ক্লাব অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে বাড়তি সুবিধা না নিতে পারে। এই নিয়মের দিকে চোখ রেখে সব সময় পা ফেলতে হয় ম্যানচেস্টার সিটি, কখনও পিএসজি, কখনও রিয়াল মাদ্রিদ বা বার্সেলোনার মতো ধনী ক্লাবগুলোকে।
উল্লেক্য, গত বছর নেইমারের জন্য বার্সেলোনাকে ২২ কোটি ২০ লক্ষ ইউরো ট্রান্সফার মূল্য দিয়েছিল পিএসজি। তারপর মোনাকো থেকে এমবাপ্পেকে নিতে আইনের ফাঁক খুঁজে বের করেছিল পিএসজি কর্তারা। গত বছরেই এমবাপ্পেকে তারা নিয়েছিল লোনে। কিন্তু একটি শর্ত চুক্তিতে রাখা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, এখন লোনে নিলেও পরে পাকাপাকি ভাবে এমবাপেকে কিনে নেওয়ার ‘অপশন’ আছে। সেখানে ট্রান্সফার মূল্য উল্লেখ ছিল ১৮ কোটি ইউরো।
সেই সময় পিএসজি ঘোষণা করেনি, তারা এমবাপ্পের সঙ্গে পাকাপাকি চুক্তি করছে। তাহলে সেই বছরের অ্যাকউন্টেই ১৮ কোটি ইউরো ট্রান্সফার মূল্যের হিসেব ঢুকে যেত। সরাসরি আর্থিক বেনিয়মের খাতায় চলে যেত তাদের বার্ষিক হিসাব। এখন যা পরিস্থিতি তাতে এফএফপি নিয়ে পিএসজির বিরুদ্ধে তদন্তে যদি তারা দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে কোপ পড়বে এই দুই তারকার যেকোন যে একজনের উপর। নেইমারকে বিক্রি করতে হতে পারে। অথবা, এমবাপ্পের সঙ্গে যে লোন চলছে, তা বাতিল করতে হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতকে হারিয়ে কাবাডিতে সোনা জিতল ইরান

খেলার খবর: এশিয়ান গেমস কাবাডিতে পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগেই সোনা ছিনিয়ে নিয়েছে ইরান। গতকাল শুক্রবার জাকার্তার গারুদা থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত নারী বিভাগের ফাইনালে ইরান বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতকে উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে ২৭-২৪ পয়েন্টে পরাজিত করে স্বর্ণ পদক জিতে।

এর মাধ্যমে ভারতীয় কাবাডির ২৮ বছরের আধিপত্যকে ক্ষুণ্ণ করে সোনা জয়ের কৃতিত্ব দেখায় ইরান। এক পর্যায়ে ভারত ৭-৩ পয়েন্টে এগিয়ে থাকলেও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসে ইরান ১৭-১৩ পয়েন্টের লিড নেয়। এই লিড তারা শেষ পর্যন্ত ধরে রেখেছিল।

ভারতীয় নারী দল ফাইনালে উঠলেও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পুরুষ দলটিকে সেমিফাইনালে পাত্তাই দেয়নি ইরান। ২৭-১৮ পয়েন্টে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল ইরানী কাবাডি দলটি। পরে ফাইনলে দক্ষিণ কোরিয়াকে ২৬-১৬ পয়েন্টে পরাজিত করে দুই বিভাগেই শ্রেষ্ঠত্ব দেখালো ইরান।

এই বিভাগে এশিয়ান দুই পরাশক্তি ভারত ও পাকিস্তান ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছে। নারী বিভাগের ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছে চাইনিজ তাইপে ও থাইল্যান্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest