সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ : আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংসসাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘ্নে চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপিউচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনশ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারা

ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলার মদরিচ

খেলার খবর: এবার ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক অ্যাওয়ার্ড জিতলেন লুকা মদরিচ। প্রথম ক্রোয়েশিয়ান হিসেবে এই অর্জন হলো তার। মেয়েদের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ব্রাজিলের তারকা মার্তা।
গত ৩০ আগস্ট চ্যাম্পিয়নস লিগ গ্রুপ পর্বের ড্রতে উয়েফার বর্ষসেরা হয়েছিলেন মদরিচ। রোনালদো ও মোহাম্মদ সালাহকে টপকে প্রথম ক্রোয়েশিয়ান হিসেবে এই মর্যাদা পান তিনি। এবারও দুই তারকাকে পেছনে ফেলে ফিফা দ্য বেস্ট জিতলেন ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক। দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে অভিনন্দন জানিয়ে উচ্ছ্বসিত মদরিচ বলেছেন, ‘আমি রোনালদো ও সালাহকে তাদের দারুণ একটি মৌসুমের জন্য অভিনন্দন জানাতে চাই। আমি নিশ্চিত তোমরা ভবিষ্যতে এই ট্রফি জেতার সুযোগ আবারও পাবে।’
অ্যাওয়ার্ডটি জয়ে মদরিচ কৃতজ্ঞতা জানালেন কাছের মানুষদের প্রতি, ‘এটা শুধু আমার পুরস্কার নয়; এটা আমার রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ, ক্রোয়েশিয়া সতীর্থ ও কোচদেরও। আমার পরিবারের জন্যও এটা, তাদের ছাড়া আমি আজকের এই খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারতাম না। প্রথমবারের মতো ফিফা বেস্টের তিন জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নাম উঠেছিল মদরিচের। ক্লাব ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে তার অবদান ছিল দারুণ। তাছাড়া বিশ্বকাপে প্রথমবার ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে তুলতে নেতৃত্ব দেন তিনি, জেতেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর তিন সুপারিশ

অনলাইন ডেস্ক: রোহিঙ্গা সংকট স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘে তিন দফা সুপারিশ উপস্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শরণার্থীবিষয়ক বৈশ্বিক প্রভাব শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিন দফা সুপারিশ তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ স্বল্প সময়ের মধ্যে ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাসস্থান, খাদ্য ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করেছে। শরণার্থী সংকট সমাধানে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্থায়ীভাবে ফেরত নেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক হাইকমিশনার ‘শরণার্থী বিষয়ক বৈশ্বিক প্রভাবের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক : এ মডেল ফর গ্রেটার সলিডারিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন’ শীর্ষক এ বৈঠকের আয়োজন করে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেজ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম সুপারিশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারকে অবশ্যই বৈষম্যমূলক আইন ও নীতি বিলোপ, এবং রোহিঙ্গাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধ ও তাদের সে দেশ থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে জোরপূর্বক তাদের ঘর-বাড়ি থেকে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। অথচ তারা সেখানে কয়েকশ’ বছর ধরে বসবাস করে আসছে।
দ্বিতীয় সুপারিশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারকে অবশ্যই সকল রোহিঙ্গার নাগরিকত্ব প্রদানের সঠিক উপায়, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। প্রয়োজনে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় মিয়ানমারের ভেতরে ‘সেফ জোন’ তৈরি করতে হবে।
তৃতীয় সুপারিশে তিনি বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য রোধে অপরাধীদের জবাবদিহিতা, বিচার, বিশেষ করে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের সুপারিশমালার আলোকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছি, যা আমাদের জন্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা তাদের জন্য ৬ হাজার একরের বেশি জমি বরাদ্দ দিয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক ও অন্যান্য সম্পদ, সমাজ, পরিবেশ ও অর্থনীতি আন্তর্জাতিক অংশীদার, বিশেষ করে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো সাহায্য দিয়ে আসছে।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট মিয়ামার সরকারই তৈরি করেছে এবং মিয়ানমারকে এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, ‘দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে আমরা মিয়ামার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য আমরা আমাদের সীমান্ত খুলে দিয়েছি। এটা করে আমরা শুধু তাদের জীবন রক্ষা করিনি বরং আমরা আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করে পুরো অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ও নিরাপত্তা এবং মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে স্থায়ীভাবে ফেরত নেয়া দেখতে চায়। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফেরত না নেয়া পর্যন্ত আমরা তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা ভাষানচর নামক একটি দ্বীপের ব্যাপক উন্নয়ন করে রোহিঙ্গাদের সেখানে স্থানান্তর করবো, যাতে তারা ওই দ্বীপে উন্নত জীবনযাপন ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারে।’
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কম্প্যাক্ট অন রিফিউজি’ এমন সময় গ্রহণ করা হলো যখন সারা বিশ্ব মারাত্মক শরণার্থী সংকট মোকাবেলা করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সব দেশ শরণার্থীদের বোঝা কাঁধে নেয় বিশ্বের উচিত তাদের এ অবদানকে স্বীকৃতি দেয়া এবং বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা প‌রিষ‌দের সভায় দুর্নী‌তিবাজ মাহবুবকে বদ‌লির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুল আলোচিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহবুবুর রহমানকে বদলী করার জন্য সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ২০তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলেও রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহাসীন আলী ওই রেজুলেশনে স্বাক্ষর করেন। এরআগে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষর করেছিলেন গত ১৯ সেপ্টেম্বর।
বিভিন্ন কারণে আলোচিত সমালোচিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহবুবুর রহমান। সম্প্রতি জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সাটলিপিকারকে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের অভিযানে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ও সদস্যবৃন্দ স্বশরীরে প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনও করেন। কিন্তু এক যাদুবলে মাহাবুব অতীতের মতই পার পেয়ে যান। জেলা পরিষদের নির্বাচনের পূর্বেও প্রার্থী হিসেবে মো. নজরুল ইসলাম বিভিন্নস্থানে মাহাবুবকে অপসারণ করার অঙ্গীকারও করেছিলেন। কিন্তু সবাইকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মাহাবুব জেলা পরিষদে ছিলেন বহাল তবিয়তে।
এদিকে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, বর্তমান নির্বাচিত পরিষদ দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বের ৫ বছরে জেলা পরিষদের কমপক্ষে সাড়ে ৩ কোটি টাকার কোন হিসাব নেই। বিষয়টি সম্প্রতি নজরে আসার পর তোলপাড় শুরু হয়। আর এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে দুর্নীতিবাজ চক্রটি তৎপর হয়ে উঠেছে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ পরিষদের ২১তম সভার নোটিশে ৪নং আলোচ্য সূচি হিসেবে ‘২০১০-২০১১ হতে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছর পর্যন্ত এডিপি’র বরাদ্দকৃত অর্থ রাজস্বখাতে ব্যয় এবং এডিপি’র বরাদ্দকৃত অর্থের হিসাব ঘাটতি সংক্রান্ত’ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও মাহাবুবের পিতা স. ম আব্দুর রউফ এর নামে প্রতিষ্ঠিত কমপ্লেক্স জেলা পরিষদের টাকায় আর পরিচালিত হবে কি না সেটিও ৩নং আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর নির্বাচিত পরিষদ ক্ষমতা গ্রহণ করেন। এরপর থেকে পরিষদে ঘটে যাওয়া একটির পর একটি দুর্নীতি অনিয়ম বেরিয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে ছড়ি ঘুরিয়েছেন ‘টুয়েন্টি পার্সেন্ট’ নামে পরিচিত মাহবুব। জেলা পরিষদকে জনগণের সেবা কেন্দ্রে পরিণত করতে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। জেলা পরিষদ সূত্র জানায়, ইতোপূর্বে জেলা পরিষদ থেকে কোন প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ দেয়া হলে বরাদ্দের ২০ শতাংশ উৎকোচ দিতে হতো মাহবুবকে। নজরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর দুর্নীতিবাজরা এ ২০ শতাংশ উৎকোচ পাচ্ছে না। ঘুষ দুর্নীতিমুক্ত জনবান্ধব সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে জেলা পরিষদকে রূপান্তরিত করার ঘোষণা দিলে গাত্রদাহ শুরু হয় দুর্নীতিবাজদের। তারা শুরু করে ষড়যন্ত্র। নানা কৌশলে জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতে থাকে মাহবুব ও তার লোকজন। সূত্র জানায়, জেলা পরিষদের অর্থায়নে কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হলে মাহবুবুর রহমান শর্ত জুড়ে দিতেন। শর্ত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি হতে হবে তার পছন্দের নামে। তার পিতা স.ম আব্দুর রউফের নামে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে এবং বরাদ্দ থেকে ২০ ভাগ টাকা তাকে দিতে হবে। এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুললে বরাদ্দের টাকা বন্ধ রাখা হতো। অথবা বরাদ্দ বাতিল করা হতো। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপোষহীনভাবে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নেন নজরুল ইসলাম। জেলা পরিষদকে উন্নয়নের সূতিকাগার হিসেবে গড়ে তোলার দৃপ্ত শপথ নিয়ে এগিয়ে চলেছেন দুর্বার গতিতে। ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত জেলা পরিষদ গড়তে তিনি বদ্ধপরিকর। জেলা পরিষদের অতীতের কলঙ্ক মোচন করে সাতক্ষীরাবাসির আশা-আকাক্সক্ষার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান হিবেবে গড়ে তুলতে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোন ঠাঁই এ পরিষদে নেই বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদ নির্বাচনে ভোটার সাড়ে ১০ কোটি, তালিকা প্রকাশ আজ

দেশের খবর: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসনভিত্তিক ভোটার তালিকার সিডি প্রকাশ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ (মঙ্গলবার) এ সিডি প্রকাশ করে মাঠপর্যায়ে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশের পর ইসি কর্মকর্তারা জানান, সংসদ নির্বাচনে এবার ভোট দিতে পারবেন প্রায় সাড়ে ১০ কোটি ভোটার। চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশিত ১০ কোটি ৪১ লাখ ভোটারের সঙ্গে নতুন আরও প্রায় ৯ লাখ ভোটার যুক্ত হচ্ছে। তালিকা থেকে মৃত ভোটার বাদ দেবে ইসি।

সূত্র জানায়, ইসি যে ভোটার তালিকার সিডি প্রকাশ করতে যাচ্ছে সেখানে সিটি কর্পোরেশন এলাকার আসনগুলোতে ভোটার সংখ্যা বেশি থাকবে। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলের আসনগুলোতে ভোটার কম থাকবে। সংসদীয় আসনের সীমানা ও জনসংখ্যার তারতম্যর কারণে আসনগুলোতে বড় ধরনের ভোটার সংখ্যায় তারতম্য আসছে।

এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে ইসি। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মাঠপর্যায়ে জেলা, উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকা অনুযায়ী একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪০ হাজার ৬৫৭টি। ভোটকক্ষ (বুথ) দুই লাখ ৯ হাজার ৪১৮টি।
গত ১০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের ২৫ দিন আগে গেজেট আকারে ভোট কেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করব।’
৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ৮দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে চাঁদপুর জয়ী

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের দ্বিতীয় খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে কাদাকাটি যুব মজলিস ফুটবল মাঠে ও কাদাকাটি যুব মজলিসের আয়োজনে ৮ দলীয় নক আউট ফুটবল টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় পাইকগাছা উপজেলার লাড়–লী ইউএফডি ফুটবল একাদশ ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর তরুন সংঘ ফুটবল একাদশ পরস্পরের মুখোমুখি হয়। খেলায় ভালুকা চাঁদপুর তরুন সংঘ ফুটবল একাদশ ১-০ গোলে জয়লাভ করে। খেলাটি পরিচালনা করেন, বরুন কুমার, ইয়ামিন হোসেন ও আবুল বাশার। খেলায় ধারাভাষ্যে ছিলেন, একরামুল ইসলাম, আশরাফ হোসেন ও সবুজ আহমেদ। এ সময় সমাজ সেবক মাষ্টার রজব আলী সরদার, সাবেক মেম্বর ইয়াকুব আলী বেগ, মেম্বর আবু হাসান বাবু, সমাজ সেবক শরিফুল ইসলাম খোকা, কাদাকাটি যুব মজলিস সভাপতি মহাসিন আলী বকুল, সম্পাদক মাশহুরুল হক সাজু, গোলাম রসূল, আ. সুবহান, মিজানুর রহমান সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, কাদাকাটি যুব মজলিসের সকল সদস্যবৃন্দ ও দর্শকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। একই মাঠে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ১৮ বৃহস্পতিবার বিকেলে টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় খেলায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার বাঁকা ফুটবল একাদশ ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার জোড়দিয়া ফুটবল একাদশ পরস্পরের মুখোমুখি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির বড়দলে জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনির বড়দলে জমি জবর দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকালে দক্ষিণ বড়দল কালীমন্দিরের সামনে গ্রামবাসীর আয়োজনে এলাকার জেলে সম্প্রদায় এ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন। মানববন্ধরে দেবেন মন্ডল (৮৫), বিভুতি রায়, নমিতা রাণী মন্ডল, কালিদাসী মন্ডলসহ একাধিক ব্যক্তি তাদের বক্তব্যে বলেন দঃ বড়দল গ্রামে ১০৮ পরিবার জেলে সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করেন। তাদের বাড়ী সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের প্রায় ২ শতাধিক বিঘা চরভরাটি জমি উঠলে বিগত ২০০৯ সাল থেকে আশাশুনি সীমানার উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ সহ একই সম্প্রদায়ের ৩৭ জন সরকারি ইজারা পরিশোধ করে ২৩ একর জমি ভোগদখলে নিয়ে মাছচাষ করে আসছিলো। দু’জেলার মধ্যে সীমানা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হলে গত ১৮/৬/২০১৭  সালে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার পক্ষে সার্ভেয়ার মাপ জরিপ করে দুই জেলার সীমানা নির্ধারন করে দেন।
কিন্তু বড়দল গ্রামের মৃত ইন্তাজ গাজীর পুত্র আনিছ গাজী, বাছেদ গাজী, জোহর গাজীর পুত্র মিজানুর গাজী, ইসলাম গাজীর পুত্র আমিরুল গাজী খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার নোবায়েত মোল্যার পুত্র মনিরুল, একই গ্রামের আরিফুল, কামাল গাজীসহ কিছু ভূমিদস্যু উক্ত সরকারি সীমানা পিলার না মেনে জেলে সম্প্রদায়ের উক্ত ভোগদখলী ইজারাকৃত জমি থেকে ১৪৬৫ দাগের প্রায় ১৫ একর জমি তারা দখল করে নিয়েছে। নমিতা রাণী মন্ডল জানান- উপরোক্ত ভূমিদস্যুরা প্রকাশ্যে আমাদের জানমালের ক্ষয় ক্ষতি ও জমি ছেড়ে দিতে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের রাত হলে ভয়ে ভয়ে থাকতে হচ্ছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে মৃত: ইনতাজ গাজীর পুত্র বাছেদ গাজী জানান,  আমাদের যেমন ডিসিয়ার আাছে তদরুপ তাদের ও ডিসিয়ার আছে। কিন্তু পার্থক্য হলো আমরা গত ৫ বছর যাবত অনেক শ্রম ও অর্থ ব্যায় করে ঘেরের পরিবেশ তৈরী করে মৎস্য চাষ করে আসছি। কয়েক দিন পূর্বে দেবব্রত মেম্বর তার লোক জন নিয়ে  আমাদের ৪ জনের ডিসিয়ারের  ৪টি ঘেরের বেড়ি কেটে ব্যাাপক ক্ষতি সাধন করেছে। এখাানে প্রায় ২৬০ বিঘা খাস সম্পত্তি আছে তাই আমরা যেহেতু কয়েক বছর থেকে উক্ত সম্পত্তি বৈধ ডিসিয়ার নিয়ে ভোগ দখল করে আসছি সেহেতু আামাদের বেআাইনি ভাবে উঠিয়ে না দিয়ে যারা অবৈধ ভাবে দখলে আছে তাদেরকে উঠানোর ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। তিনি আরও জানান, আমরা তাদের উপর নির্যাতন করছি না দেবব্রত মেম্বর এবং তার লোকজন আমাদের ক্ষতি সাধন করেছেে সেটা এলাকায় আসলে সবাই জানতে পারবে। এ ব্যাপারে বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মোল্যা জানান- উভয় উপজেলার সীমানা নির্ধারন করার পরেও এপার ওপারের কিছু লোকজন সীমানা না মেনে এলাকার শান্তি নষ্ট করছে।
উপরোক্ত ইজারাকৃত জমি জেলে সম্প্রদায়ের মধ্যে ফিরিয়ে দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনকাট ছাড়পত্র পেল বাপ্পি-অধরার ‘নায়ক’

বিনোদনের খবর: ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়ক বাপ্পি ও নবাগতা অধরা খান অভিনীত ছবি ‘নায়ক’ আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছে। ইস্পাহানী আরিফ জাহানের পরিচালিত ছবিটি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডে রবিবার প্রদর্শিত হওয়ার পর আজ সোমবার আনকাট সেন্সর ছাড়পত্র পায়।

সেন্সর বোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইউটিউবে প্রকাশ হয় ছবিটির প্রথম গান ‘এলোমেলো’। এই ছবির মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হচ্ছে চিত্রনায়িকা অধরার। ছবির গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

ছবিটিতে বাপ্পি, অধরা ও মৌসুমী ছাড়াও অভিনয় করেছেন অমিত হাসান, আমান রেজা, নুসরাত জাহান পাপিয়া প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে শহরে ১৯ বছর ধরে কোনও গাড়ি নেই!

ভিন্ন স্বাদের খবর: বাইরে বের হলেই গাড়ির শব্দে আর ধোঁয়ায় হাঁস ফাঁস অবস্থা হয় আমাদের।অথচ জানেন কি এমন এক শহর আছে যেখানে গাড়ি নিষিদ্ধ। স্পেনের একটি ছোট্ট শহর পন্টেভেদ্রা। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে এই শহরে গাড়ি নিষিদ্ধ। খুব প্রয়োজন ছাড়া এখানে গাড়ি চলাচল করে না।

শহরের বাসিন্দারা পায়ে হেঁটে বা বাইসাইকেলে গন্তব্যে পৌঁছান। শহরটা ছোট হওয়ায় বাইসাইকেলেই যাওয়া যায়।

১৯৯৯ সাল থেকে এই শহরে গাড়ি নিষিদ্ধ। জানেন কি কেন ১৯ বছর ধরে গাড়ি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এই শহরে? মিগুয়াল অ্যাঙ্গসো ফারনানডেজ লরেস। পন্টেভেদ্রার মেয়র। এই নিয়ে চার বার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ১৯৯৯ সালে প্রথমবার মেয়র হওয়ার পরই তিনি গাড়ি নিষিদ্ধ করে দেন।

যানজট আর দূষণমুক্ত করে পন্টেভেদ্রাকে বাসযোগ্য করে তোলার পরিকল্পনা তার। আর শুধুমাত্র সে কারণেই গাড়ি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাতে জনগণ সাড়াও দেন। সে জন্য ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তাকেই মেয়র নির্বাচিত করা।

১৯৯৬ থেকে ২০০৬, এই ১০ বছরে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৩০ জনের। এর পরের ১০ বছর অর্থাৎ ২০০৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা মাত্র ১০। এমনকি ২০০৯ সালের পর থেকে একটি মৃত্যুও পথ দুর্ঘটনার কারণে হয়নি বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন মেয়র নিজেই।

পায়ে হেঁটে আর বাইসাইকেলে যাতায়াত করার জন্য দূষণের মাত্রাও প্রচুর কমেছে। পন্টেভেদ্রার বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে। গাড়ির ভিড়ে অন্যান্য শহরে যেমন নাভিশ্বাস ওঠার জোগড়, রাস্তায় পা ফেলার জায়গা পাওয়া যায় না, পন্টেভেদ্রায় ঠিক উল্টো।

গাড়ির সংখ্যা কমে যাওয়ায়, মানুষের বসতি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯৯ সালে গাড়ি নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে এই শহর ১২ হাজার নতুন বাসিন্দা পেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest