সর্বশেষ সংবাদ-

১২ বছর পর বর্ষসেরার চূড়ান্ত তিনে নেই মেসি

খেলার খবর: রাশিয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে তেমন কিছু করে দেখাতে পারেননি লিওনেল মেসি। আর এর খেসারতটা এবার হাড়ে হাড়ে দিতে হচ্ছে বার্সা ফরোয়ার্ডকে।বিস্ময়কর হলেও সত্যি, পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জয়ী সেই মেসিই নেই ফিফা বর্ষ সেরা খেলোয়াড়ের সেরা তিনের তালিকায়।

২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ফিফা বর্ষসেরার চূড়ান্ত তিনে জায়গা হলো না মেসির। ফলে দীর্ঘ এক যুগ পর এই তারকা ফরোয়ার্ডকে সরিয়ে সেরা তিনে জায়গা করে নিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, লুকা মদরিচ ও মোহাম্মদ সালাহ। এদের মধ্যে নিজেদের ফুটবল ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো এই তালিকায় নাম উঠেছে মদরিচ ও সালাহর।

২০০৮ সাল থেকে ফিফা বর্ষসেরার এই পুরস্কারটি মেসি ও রোনালদোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এবার পর্তুগিজ তারকা রোনালদো এই দৌড়ে থাকলেও ছিটকে গেছেন মেসি।

২০১৬ সালে ব্যালন ডি’অর থেকে আলাদা হয়ে এককভাবে পুরস্কার দেওয়া শুরু কর ফিফা। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের ৩ জুন থেকে ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত পারফরম্যান্সকে বিবেচনায় বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের চূড়ান্ত তিন ফুটবলের নাম ঘোষণা করেছে ফিফা। সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঘোষিত এই তালিকার মধ্যে কোনো এক জনের হাতে উঠবে পুরস্কার। ২৪ সেপ্টেম্বর এই পুরস্কার সেই তারকার হাতে তুলে দেওয়া হবে।

কিছু দিন আগে উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন মদরিচ। বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে কাটিয়েছেন ক্যারিয়ারের সেরা সময়। ক্রোয়েটদের প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার পথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে জিতে নিয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ‘গোল্ডেন বল’-এর পুরস্কারও।

‘লস ব্লাঙ্কোদের’ টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে একাই ১৫ গোল করেন রোনালদো। ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি বিশ্বকাপেও পর্তুগালের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা। স্পেনের বিপক্ষে রাশিয়া বিশ্বকাপে আছে হ্যাটট্রিকও। ফিফা বর্ষসেরার গত দুইবারের জয়ী এবার হ্যাটট্রিক পুরস্কার উঁচিয়ে তোলার অপেক্ষায় আছেন।

২০১৮ বিশ্বকাপে বলার মতো কিছু না থাকলেও লিভারপুলের জার্সিতে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগে স্বপ্নের মতো এক মৌসুম কাটিয়েছেন সালাহ। মিশরীয় এই ফরোয়ার্ডই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে প্রিমিয়ার লিগের ৩৮ ম্যাচে করেন ৩২ গোল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ৩৯ ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব তদন্তে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার ৩৯ জন ব্যবসায়ীর ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের (তিন সদস্যের ) একটি তদন্ত টিম আজ সোমবার সাতক্ষীরাতে পৌছে তালিকাভূক্ত ৩৯ ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব নাম্বার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানাগেছে। যাদের ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত হচ্ছে তাদের ব্যাংকিং লেনদেন অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনক বলে সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো তালিকাভূক্ত ৩৯ ব্যবসায়ীর মধ্যে রয়েছে সাতক্ষীরার জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকার জুয়েলার্স মালিক, ভোমরার একাধিক সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী, কয়েক জন গরু ব্যবসায়ী, কয়েক জন (বর্তমান ও সাবেক) ইউপি চেয়ারম্যান, একজন উপজেলা চেয়ারম্যান ও একজন জেলা পরিষদ সদস্য।

সাতক্ষীরার যেসব ব্যবসায়ীর ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত শুরু হয়েছে তারা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা শহরের খান মার্কেটের অংকন জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গৌর দত্ত, অমিত জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী জয়দেব দত্ত, তালার কুমিরার আদিত্য মজুমদার, ব্রাদার্স জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী আশুতোষ দে, আলিপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, জনপ্রিয় জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী সুমন কর্মকার ও বাবু কর্মকার, শ্যামনগরের নকীপুরের বিশ্বজিৎ মন্ডল, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মোর্শেদ, শ্রী জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী দীন বন্ধু মিত্র, ঝাউডাঙ্গার এম ভি জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী মুকুন্দ ভারতী, ঝাউডাঙ্গার সাগর জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী রবিন্দ্র নাথ দে, আশাশুনির নিউ দে জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী দেব কুমার দে, কলারোয়ার সন্ধ্যা জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী হরেন্দ্র নাথ রায়, আধুনিক জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গোপাল চন্দ্র দে, তালার দীপা জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গনেশ চন্দ্র শীল, তালার নিউ জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী বাসুদেব দত্ত, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারীর মো: রাশেদুল ইসলাম, পদ্মশাখরার মো: লিয়াকত হোসেন, ঘোনার মো: হাবিবুর রহমান, কলারোয়ার বলিয়ানপুরের জালালউদ্দিন গাজী, কলারোয়ার চন্দ্রনপুরের গরু ব্যবসায়ী নাসির, একই উপজেলার কাকডাঙ্গার গরু ব্যবসায়ী ইয়ার আলী মেম্বর, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য আল ফেরদৌস আলফা, বৈকারীর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অসলে, ভোমরার ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী, কলারোয়ার সোনাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা শহরের রয়েল স্যানেটারীর সত্বাধিকারী মো: নজরুল ইসলাম, ভোমরার এ এস ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী আজিজুল ইসলাম, বাঁকালের ফিরোজ ইন্টারপ্রাইজ এর সত্বাধিকারী ফিরোজ হোসেন, বাঁকালের কে হাসান ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী খালিদ কামাল , ভোমরার মামা-ভাগ্নে ভান্ডারের সত্বাধিকারী আজহারুল ইসলাম, মেসার্স কাজী ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু, মেসার্স সুলতান ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী ইসরাইল গাজী, মেসার্স সাব্বির ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী শাহানুর ইসলাম শাহিন, মেসার্স নাজিম ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী গোলাম ফারুক বাবু (দেবহাটার পারুলিয়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ), মেসার্স রিজু এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী আবু মুসা এবং মেসার্স রোহিত ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী রাম কৃষ্ণ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাংক ব্যবস্থাপক জানান, গত সপ্তাহে ৩৯জনের এই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো হয়। এসব ব্যসায়ীদের ব্যাংক লেনদেন ( ব্যাংক একাউন্ট ওপেন থেকে আজ পর্যন্ত ) অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক বলে সূত্র জানায়। এসব ব্যবসায়ীদের ব্যাংকের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে , যে কোন সময় বাংলাদেশের ব্যাংকের তদন্ত টিম সরেজমিন এসে তালিকাভূক্তদের ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করবে।

গত সপ্তাহে ৩৯ জন ব্যবসায়ীর এই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানোর পর ব্যাংক গুলোতে তোলপাড় শুরু হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত টিম সাতক্ষীরা পৌছে গেছে। তদন্ত টিম সোমবার সকাল থেকে তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। তবে তদন্তকারী ওই টিমের সদস্যদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।এনমে
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার ৩৯ জন ব্যবসায়ীর ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের (তিন সদস্যের ) একটি তদন্ত টিম আজ সোমবার সাতক্ষীরাতে পৌছে তালিকাভূক্ত ৩৯ ব্যবসায়ীর ব্যাংক হিসাব নাম্বার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানাগেছে। যাদের ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত হচ্ছে তাদের ব্যাংকিং লেনদেন অস্বাভাবিক এবং সন্দেহজনক বলে সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো তালিকাভূক্ত ৩৯ ব্যবসায়ীর মধ্যে রয়েছে সাতক্ষীরার জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকার জুয়েলার্স মালিক, ভোমরার একাধিক সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী, কয়েক জন গরু ব্যবসায়ী, কয়েক জন (বর্তমান ও সাবেক) ইউপি চেয়ারম্যান, একজন উপজেলা চেয়ারম্যান ও একজন জেলা পরিষদ সদস্য।

সাতক্ষীরার যেসব ব্যবসায়ীর ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত শুরু হয়েছে তারা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা শহরের খান মার্কেটের অংকন জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গৌর দত্ত, অমিত জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী জয়দেব দত্ত, তালার কুমিরার আদিত্য মজুমদার, ব্রাদার্স জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী আশুতোষ দে, আলিপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, জনপ্রিয় জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী সুমন কর্মকার ও বাবু কর্মকার, শ্যামনগরের নকীপুরের বিশ্বজিৎ মন্ডল, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মোর্শেদ, শ্রী জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী দীন বন্ধু মিত্র, ঝাউডাঙ্গার এম ভি জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী মুকুন্দ ভারতী, ঝাউডাঙ্গার সাগর জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী রবিন্দ্র নাথ দে, আশাশুনির নিউ দে জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী দেব কুমার দে, কলারোয়ার সন্ধ্যা জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী হরেন্দ্র নাথ রায়, আধুনিক জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গোপাল চন্দ্র দে, তালার দীপা জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী গনেশ চন্দ্র শীল, তালার নিউ জুয়েলার্সের সত্বাধিকারী বাসুদেব দত্ত, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারীর মো: রাশেদুল ইসলাম, পদ্মশাখরার মো: লিয়াকত হোসেন, ঘোনার মো: হাবিবুর রহমান, কলারোয়ার বলিয়ানপুরের জালালউদ্দিন গাজী, কলারোয়ার চন্দ্রনপুরের গরু ব্যবসায়ী নাসির, একই উপজেলার কাকডাঙ্গার গরু ব্যবসায়ী ইয়ার আলী মেম্বর, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য আল ফেরদৌস আলফা, বৈকারীর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান অসলে, ভোমরার ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী, কলারোয়ার সোনাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা শহরের রয়েল স্যানেটারীর সত্বাধিকারী মো: নজরুল ইসলাম, ভোমরার এ এস ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী আজিজুল ইসলাম, বাঁকালের ফিরোজ ইন্টারপ্রাইজ এর সত্বাধিকারী ফিরোজ হোসেন, বাঁকালের কে হাসান ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী খালিদ কামাল , ভোমরার মামা-ভাগ্নে ভান্ডারের সত্বাধিকারী আজহারুল ইসলাম, মেসার্স কাজী ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু, মেসার্স সুলতান ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী ইসরাইল গাজী, মেসার্স সাব্বির ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী শাহানুর ইসলাম শাহিন, মেসার্স নাজিম ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী গোলাম ফারুক বাবু (দেবহাটার পারুলিয়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ), মেসার্স রিজু এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী আবু মুসা এবং মেসার্স রোহিত ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী রাম প্রসাদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাংক ব্যবস্থাপক জানান, গত সপ্তাহে ৩৯জনের এই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো হয়। এসব ব্যসায়ীদের ব্যাংক লেনদেন ( ব্যাংক একাউন্ট ওপেন থেকে আজ পর্যন্ত ) অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক বলে সূত্র জানায়। এসব ব্যবসায়ীদের ব্যাংকের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে , যে কোন সময় বাংলাদেশের ব্যাংকের তদন্ত টিম সরেজমিন এসে তালিকাভূক্তদের ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করবে।

গত সপ্তাহে ৩৯ জন ব্যবসায়ীর এই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানোর পর ব্যাংক গুলোতে তোলপাড় শুরু হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত টিম সাতক্ষীরা পৌছে গেছে। তদন্ত টিম সোমবার সকাল থেকে তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। তবে তদন্তকারী ওই টিমের সদস্যদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফালুসহ ৯ ব্যবসায়ীকে অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকে তলব

অনলাইন ডেস্ক: দুবাইয়ে ৮০ লাখ মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে বিএনপির নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ ৯ ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন তাদের তলব করে পৃথক নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকালে এই ৯ ব্যবসায়ীকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ১৪ আগস্ট মোসাদ্দেক আলী ফালুকে তলব করা হয়েছিল। তখন তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের কোম্পানি সচিবের মাধ্যমে দুদকের কাছে সময়ের আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক তাকে সময় প্রদান করে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন করে তাকে তলব করা হলো বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।
আগামী ৫ সেপ্টম্বর যাদের তলব করা হয়েছে, তারা হলেন- মোসাদ্দেক আলী ফালু, আরএকে পেইন্টসের পরিচালক শায়লিন জামান আকবর ও কামার উজ্জামান, রোজা প্রোপার্টিজের পরিচালক আশফাক উদ্দিন আহমেদ, আরএকে কনজ্যুমার প্রোডাক্টসের পরিচালক মো. আমীর হোসাইন ও এম এ মালেক, আরএকে পাওয়ার লিমিটেডের পরিচালক মো. মাকসুদুল ইসলাম, আরএকে সিরামিকসের স্বতন্ত্র পরিচালক ফাহিমুল হক এবং স্টার সিরামিকসের পরিচালক প্রতিমা সরকার।
দুদক সূত্র জানায়, বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ অন্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, তথ্য গোপন ও জালিয়াতিপূর্বক অবৈধ উপায়ে দুবাইয়ে ৮০ লাখ মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তারা বিদেশে অফশোর কোম্পানি খুলে মানিলন্ডারিং ও হুন্ডির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচার করেছেন। এ বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর গত ৩ আগস্ট এ অভিযোগে বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু ও জিজ্ঞাসাবাদকৃত ব্যবসায়ীসহ নয়জনকে বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ইমিগ্রেশনে চিঠি পাঠায় দুদক।
ওই চিঠিতে বলা হয়, ওই নয়জনের বিরুদ্ধে আট মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের প্রায় ৬৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮২ টাকা হিসাবে) দুবাইয়ে পাচার করে অফশোর কোম্পানি খুলে বিনিয়োগ, দুবাইয়ে আরও শত কোটি টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানেও এর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
দুদক বিশ্বস্ত সূত্রে জেনেছে, এ সব ব্যক্তি দেশ ছেড়ে অন্য দেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাই তাঁরা যাতে দেশ ছেড়ে অন্য দেশে চলে যেতে না পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয় দুদকের পক্ষ থেকে।

এ নয়জন হলেন, বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু, আরএকে পেইন্টস ও আশালয় হাউজিংয়ের পরিচালক এস এ কে একরামুজ্জামান, তাঁর ছেলে এবং আরএকে পেইন্টস ও আরএকে কনজ্যুমার প্রোডাক্টসের পরিচালক কামার উজ জামান, ঝুলপার বাংলাদেশ লিমিটেড ও রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান, আরএকে পাওয়ার লিমিটেডের পরিচালক মাকসুদুল করিম, আরএকে কনজ্যুমার প্রোডাক্টসের দুই পরিচালক মোহাম্মদ আমির হোসেন ও এম এ মালেক, রোজা প্রোপার্টিজের পরিচালক আশফাক উদ্দিন আহমেদ এবং আরএকে পেইন্টস ও আরএকে ক্যাপিটাল লিমিটেডের পরিচালক শায়লিন জামান আকবর।

দুদক সূত্র আরও জানায়, দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে দুই সদস্যের টিম এই অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করছেন। টিমের অপর সদস্য হলেন- সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানকে বাংলাদেশের মতো হওয়ার পরামর্শ বুদ্ধিজীবীদের

অনলাইন ডেস্ক: গত ১০ বছর ধরে আর্থনৈতিক সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসনীয়। প্রবৃদ্ধির হার দীর্ঘদিন ৬-এর ঘরে আটকে থেকে তিন বছর আগে ৭-এর ঘরে পড়েছে; এ বছর প্রায় ৮ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকার মনে করছে, চূড়ান্ত হিসাবে এ হার হতে পারে।
প্রায় তিন বছর আগেই বিশ্বব্যাংকের পরিগণনায় বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছে গেছে এবং জাতিসংঘ ঘোষিত স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রাথমিক পরীক্ষায় ভালোভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে।
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ও ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্তি পাওয়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যখন এই, তখনই পাকিস্তানকে বাংলাদেশের মতো হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন সে দেশের বুদ্ধিজীবীরা।
সম্প্রতি পাকিস্তানের ক্ষমতায় এসেছেন এক সময়কার তুখোড় ক্রিকেটার ইমরান খান। তার দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। ক্ষমতার মসনদে বসার পরই দেশটির নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ঘোষণা দিয়েছেন- তার সরকার দেশ পরিচালনায় সুইডিশ গভর্নেন্স মডেল অনুসরণ করবে। এক কথায় পাঁচ বছরের মধ্যে পাকিস্তানকে সুইডেনে রূপান্তরের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তিনি।
কিন্তু বুদ্ধিজীবীরা বলছেন, পাকিস্তান ৫ বছরের মধ্যে সুইডেন নয়, ১০ বছরে অন্তত বাংলাদেশের মতো উন্নতি করুক।
সম্প্রতি পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভি চ্যানেলে প্রচারিত একটি টক-শোর ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে ইন্টারনেটে। যেখানে এক বক্তা বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে কতটা এগিয়ে গেছে, সে দৃষ্টান্ত দেখিয়ে তিনি ইমরান খানের উদ্দেশে বলেছেন, আরে, খোদা কি ওয়াস্তে হামে বাংলাদেশ বানা দো! পাঁচ বছর নয়, অন্তত দশ বছরের মধ্যেও যেন ইমরান খান পাকিস্তানকে বাংলাদেশের সমপর্যায়ে নিয়ে আসতে পারেন।
ভিডিওটি এরইমধ্যে বাংলাদেশের নানা প্রান্তের মানুষ ফেসবুক, ইউটিউবে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে কতটা এগিয়ে গেছে, সে ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে ভিডিওতে ওই বক্তা কয়েকটি বিশেষ খাতের উদাহরণ দেখিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জে বছরে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লেনদেন হয়, যেখানে পাকিস্তানে হয় মাত্র ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবার বাংলাদেশ বছরে রপ্তানি খাতে আয় করে ৪০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের আয় মাত্র ২২ বিলিয়ন ডলার।
এইসব উদাহরণ দেখিয়ে তিনি বলেছেন, পিটিআই যদি সবকিছু ঠিকঠাকও করে, তবু সুইডেন কেন, আগামী দশ বছরে তাদের বাংলাদেশের সমান হওয়াও অনেক কঠিন হয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুড়ো বয়সে ভারতীয় ক্রিকেট কোচ রবি শাস্ত্রীর ভীমরতি

খেলার খবর: নিজের চেয়ে ২০ বছরের ছোট নিমরাত কৌরকে শীঘ্রই বিয়ে করবেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী। ২০০৪ সালে বলিউডে নাম লেখান ৩৬ বছর বয়সী নিমরাত।
তবে নিজেদের বিষয়ে দুজনের কেউই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা সংবাদমাধ্যমে তেমন কিছু জানাননি।
শাস্ত্রী-নিমরাতের এই প্রেমের গুঞ্জন ভালোভাবে নিচ্ছে না সাধারণ মানুষ। কেননা রবি শাস্ত্রীর বয়স বর্তমানে ৫৬, সেখানে নিমরাতের বয়স মাত্র ৩৬। দুজনের বয়সের পার্থক্যের কারণে অনেকেই দুজনের এই সম্পর্কে দোষ দিচ্ছেন শাস্ত্রীকেই। এই ঘটনাকে উল্লেখ করছেন শাস্ত্রীর ‘বুড়ো বয়সে ভীমরতি’ হিসেবে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোর দাবী ২০১৫ সাল থেকে একে-অপরের সাথে ডেটিং করছেন শাস্ত্রী ও নিমরাত। প্রথমবার একটি গাড়ির পর্দা উন্মোচন অনুষ্ঠানে একত্রে ক্যামেরায় বন্দী হয়েছিলেন দুজন। এরপর থেকে নিয়মিতই নানান কোম্পানির গাড়ির অনুষ্ঠানে একত্রে দেখা গিয়েছে নিমরাত-শাস্ত্রী জুটিকে। শীঘ্রই নিজেদের মধ্যকার সম্পর্কের কথা সবার সামনে নিয়ে আসবেন তারা। একইসাথে ঘোষণা দিবেন নিজেদের বিয়ের ব্যাপারেও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় শিবির নেতা গ্রেফতার

তালা ডেস্ক: অস্ত্র উদ্ধার-সাতক্ষীরার তালায় আগ্নেঅস্ত্রসহ ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতিকে গ্রেফতার করেছে তালা থানা পুলিশ। রবিবার রাতে উপজেলার ইসলামকাটী মাঠে কালভাট সংলগ্ন এলকার যাত্রী ছাউনীর ভিতর থেকে গোপান সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত শিবির নেতা হলেন, তালা উপজেলার সুজনশাহা গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমানের ছেলে সাবেক সাতক্ষীরা জেলা শিবিরের সভাপতি মোঃ খোরশেদ আলম(৩৩)। এসময় তার নিকট থেকে ১টি ওয়ান শুটারগান আগ্নেঅস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

তালা থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইসলামকাটী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১টি ওয়ান শুটারগান আগ্নেঅস্ত্র সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে সাতক্ষীরা জেলা সাবেক ছাত্র শিবিরের সভাপতি ছিলেন। সাতক্ষীরা থানায় তার নামে একটি নাশকতা মামলা রয়েছে।
এব্যাপারে তালা থানা এসআই মোঃ আজগর আলী বাদী হয়ে ১৯৭৮ সালে অস্ত্র আইনের ১৯-এ ধারায় একটি মামলা করেছে, মামলা নং-১। তালা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মেহেদী রাসেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ৬ সেপ্টেম্বর

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ৬ সেপ্টেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ পরীক্ষার ফল তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর এ ফল প্রকাশ করা হতে পারে। এছাড়া এই মাসের মধ্যেই শিক্ষকদের যোগদান কার্যক্রম শেষ করা হবে।
রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর চলতি বছর ২০ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। চারটি ধাপে সারা দেশে ৬১টি জেলায় শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ১৩ লাখ প্রার্থী আবেদন করলেও তার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার মধ্যে ২৯ হাজার ৫৫৫ জন উত্তীর্ণ হন। গত ৮ জুলাই লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে গত ২৯ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে শিক্ষকবৃন্দের মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবুর সাথে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষকবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় পি.এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ, আব্দুল জব্বার, মিজানুর রহমান, আমিনুর রহমান, মাগফুর রহমান, মোমিনুর রহমান, এজাজ, আবুল কাশেম, সহকারি শিক্ষক ঈদুজ্জামান ইদ্রীস, পল্টু বাশার, আ: হক, মনোরঞ্জন মন্ডল প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিএম শামছুল হক। এসময় প্রধান অতিথি আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। এ সরকারের আমলেই সবচেয়ে বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করণ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যে সকল সুযোগ সুবিধা পেয়েছে বিগত কোনো সরকারের আমলে এত সুযোগ সুবিধা পাইনি। বিশ্বের কোনো দেশেই বছরের প্রথমেই শিক্ষার্থীদের একমাত্র বাংলাদেশেই বছরের প্রথমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হয়। আর এটা শেখ হাসিনা সরকারের কল্যানেই সম্ভব হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষকদের বেতন কাঠামো দ্বিগুন করে দিয়েছে। দিয়েছে বহু সুযোগ সুবিধা। জাতীয় করণ করা হয়েছে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের জন্য চালু করে দিয়েছে উপবৃত্তি যাতে করে দরিদ্র শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে লেখাপড়া করতে পারে। তিনি আরো বলেন, আমরা আর ২০১৩ সালের সেই বয়াবহু পরিনতি দেখতে চাইনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সুখি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা দেখতে চেয়েছিলেন। সেটা বাস্তবায়নের পথে। নিজ দেশের অর্থায়নে পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা আমরা যখন প্রথম শুনতাম আমাদের কাছে স্বপ্নের মত মনে হত। সেটাও বাস্তবে রুপ দিয়েছে বর্তমান সরকার। তার প্রমাণ আমরা ঘরে বসে দেশে বিদেশের সব খবরাখবর পাই। ধর্মকে পুজি করে আর যাতে কেউ এদেশে অপতৎপরাতা চালাতে না পারে সেজন্য আমাদের সজাগ থাকতে হবে। রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য সহ এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। আগামী মহান জাতিয় সংসদ নির্বাচনে আবারও নৌকা প্রতিক কে বিজয়ী করে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনার আহবান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest