সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

শ্যামনগরের কাশিমাড়ীতে এমপি জগলুল হায়দারের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

শ্যামনগর ডেস্ক: বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও সফলতা জনগণের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে সোমবার বিকালে শ্যামনগর উপজেলার শংকরকাটি সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় স্থানীয় আ.লীগের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সরকারের সফলতা ও উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস.এম জগলুল হায়দার। এসময় এমপি জগলুল হায়দার সরকারের বিভিন্ন সফলতা ও উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা এখনও নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। একাত্তরের চেতনায় সব ষড়যন্ত্রকে গুড়িয়ে দিতে হবে ।’

একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সহ্য করতে পারে না। ওরা বাংলাদেশকে থামিয়ে দিতে চায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা বেঁচে থাকতে তা কখনোই হতে দেয়া হবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে, আমাদের সকলকে এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

সবশেষে এমপি জগলুল হায়দার উপস্থিত সকলকে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিপুল ভোটে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করার আহবান জানান।

কাশিমাড়ী ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শমসের আলী ঢালীর সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মণ্ডল, প্রভাষক ওলিউর রহমান, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম আবুল হোসেন, শ্যামনগর উপজেলা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সভাপতি জিএম রহমত আলী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান, ইউনিয়ন মহিলা আ.লীগের সভানেত্রী সুফিয়া খাতুন, সাধারণ সম্পাদিকা মাহফুজা খাতুন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ০১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুস আলী, ০২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল জব্বার, সাধারণ সম্পাদক রনজিত মন্ডল, ০৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি গাজী নুরুল হক বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব, ০৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাবিবুল্লাহ পাড়, সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান মোড়ল, ০৫ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি সানাউল্লাহ সরদার, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, ০৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. রাজগুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, ০৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল হক তরফদার, ০৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আশরাফ হোসেন মিন্টু, শ্রমিকলীগ নেতা আব্দুল ওহাব পিয়াদা সহ স্থানীয় আ.লীগ ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আ.লীগ নেতা মো. আব্দুল আলীম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপনে বিয়ে করেছেন যেসব বলিউড তারকা

বিনোদনের খবর: তারকাদের বিয়ে নিয়ে ভক্ত ও দর্শকদের আগ্রহের সীমা নেই কে কবে বিয়ে করছেন। কাকে বিয়ে করছেন এ নিয়ে অধীর হয়ে অপেক্ষা করেন তারা। আর বলিউডে সেটা আরও একধাপ এগিয়ে। কিন্তু বলিউডে এমন কয়েকটি বিয়ে হয়েছে যেখানে ঢাক-ঢোল পেটানো দূরে থাক বিয়ের খবরটিই অনেকে প্রকাশ করেন নি। বিয়ের কাজটা গোপনেই সেরে নিয়েছেন। চলুন এমন সব তারকা জুটিদের সম্পর্কে জেনে নিই।

সঞ্জয় দত্ত ও মান্যতা:
২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন সঞ্জয় ও মান্যতা। গোয়ায়, স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট ১৯৫৪ আইনে তারা বিয়ে করেন। তাদের বিয়েতে নিমন্ত্রিত ছিল শুধু ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের লোকরা। রিয়া পিল্লাইয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের এক মাসের মধ্যেই মান্যতাকে বিয়ে করেন সঞ্জয়।

রানি মুখার্জি ও আদিত্য চোপড়া:
রানি মুখার্জি আর আদিত্য চোপড়ার সম্পর্কের কথা বলিউডে অনেক দিন ধরে শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু বিয়েটা হঠাৎই সেরে ফেলেন রানি। তাও এ দেশে নয়। ইটালিতে। বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর খবরটা জানাজানি হয়। আর এখন তো তাদের জীবনে ছোট্ট আদিরাও এসে গেছে।

প্রীতি জিনতা ও গেনে গুডএনাফ:
কবীর বেদি যখন প্রীতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন, প্রীতি স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে বিয়ে তিনি করে ফেলেছেন। প্রীতির বিয়েতে অবশ্য বলিউডের তেমন কেউ নিমন্ত্রিত ছিলেন না। শুধু ছিলেন সুসান খান ও ফ্যাশন ডিজাইনার শ্রুতি গোয়েল।

মিনিষা লাম্বা ও রিয়ান থাম:
গত বছর ৬ জুলাই বিয়ে করেন মিনিষা লাম্বা ও রিয়াম থাম। সেই সময় শহিদ কাপুরের বিয়ে নিয়ে চর্চা চলছিল। মিনিষার বিয়ে হয়ে যায় মিডিয়ার আড়ালেই। তাদের বিয়ের খবর সামনে আসে পূজা বেদির টুইটের মাধ্যমে।

কবীর বেদি ও পরভিন দুসাঞ্জ:
৭০ বছরের জন্মদিনে বিয়ে করেন কবীর বেদি। পাত্রী পরভিন দুসাঞ্জের বয়স ৪২ বছর। কবীরের এটি চতুর্থ বিয়ে। পরভিনের প্রথম। শুধু ফ্যানদের নয়, এঁদের বিয়ে অবাক করেছিল কবীরের মেয়ে পূজা বেদিকেও। বিয়েতে তিনি নিমন্ত্রিত ছিলেন না। এরপর টুইটারে পূজা নরম গরম কথা শোনান পরভিনকে। এ নিয়ে বাবা-মেয়ের মধ্যে ছোট্ট ঝামেলাও হয়।

কুণাল কাপুর ও নয়না বচ্চন:
আমিতাভ বচ্চনের ভাইয়ের মেয়ে নয়না বচ্চনকে গত বছরই বিয়ে করেন কুণাল কাপুর। দিনটি ছিল ৯ ফেব্রুয়ারি। বিয়ের আগে দুই বছর ধরে ডেট করেছিলেন কুণাল ও নয়না। অমিতাভের মেয়ে শ্বেতা তাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৃত্যুদণ্ডের পর বিচারকের কলমের নিব ভাঙার কারণ

অনলাইন ডেস্ক: সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই চলে আসছে এই প্রথা। মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে বিচারক বা বিচারপতিরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন। কিন্তু তারা কেন এমনটি করে থাকেন তা হয়তো অনেকেই জানেন না। বিচারক বা বিচারপতিতের এই কলমের নিব ভেঙ্গে ফেলার পেছনে রয়েছে যুক্তিসঙ্গত কারণ বা ব্যাখ্যা।
জানা গেছে, এই কলমের নিব ভেঙ্গে ফেলার কারণ একটি নয়, একাধিক।

প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বি‌ষয়। ব্যাখ্যা হল, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারও জীবন নিতে না পারে।

দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটিও এর সঙ্গেই সম্পৃক্ত। বলা হয়ে থাকে বিচারক বা বিচারপতি ওই মৃত্যুদণ্ড এবং সেটার বিষণ্নতা থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চান। সে কারণেই পেনের নিবটি ভেঙে ফেলেন। একজন বিচারক বা বিচারপতি তার দেওয়া মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারেন না।

তৃতীয় ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়, তিনি যাতে কোনওভাবেই মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবতে না পারেন।

চতুর্থ ব্যাখ্যা, সব মৃত্যুই দুঃখের হয়ে থাকে। কিন্তু তারপরও কখনো মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই কলমের নিব ভেঙে ফেলা হয় এটা বোঝাতে যে, মৃত্যুদণ্ড একটি দুঃখজনক ব্যাপার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশকে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে ভারত

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হচ্ছেন। ঢাকা ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, সেদিন ভারত থেকে বাংলাদেশে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে তা উদ্বোধন করবেন। নতুন করে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর গ্রিড থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার আন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রিডে যুক্ত হবে। এই ৫০০ মেগাওয়াটের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট আসবে ভারতের সরকারি খাত ‘ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট’ (এনটিপিসি) থেকে। অন্য ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে ভারতের বেসরকারি খাত ‘পাওয়ার ট্রেডিং করপোরেশন’ (পিটিসি) থেকে।

জানা গেছে, বর্তমানে ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের পরিমাণ ৬৬০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ৫০০ মেগাওয়াট পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় যুক্ত হয়েছে। বাকি ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ভারত থেকে প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা দিয়ে। পরের বছর দুই দেশের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ভেড়ামারা আন্ত সংযোগ গ্রিডের সক্ষমতা বাড়াতে উদ্যোগ নেয়। এরপর নতুন করে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য নতুন সাবস্টেশন নির্মাণ ও এর সঙ্গে ভেড়ামারা-ঈশ্বরদী ২৩০ কিলোভোল্ট (কেভি) ‘ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন’ নির্মাণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১১ এপ্রিল সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ভারতের এনটিপিসি ও পিটিসি থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করে। এর আওতায় আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বল্প মেয়াদে এবং ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ মে পর্যন্ত দীর্ঘ মেয়াদে বিদ্যুৎ আমদানির কথা রয়েছে। এনটিপিসি থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম স্বল্প মেয়াদে ইউনিটপ্রতি চার টাকা ৭১ পয়সা এবং দীর্ঘ মেয়াদে ছয় টাকা ৪৮ পয়সা ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে পিটিসি থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম স্বল্প মেয়াদে ইউনিটপ্রতি চার টাকা ৮৬ পয়সা ও দীর্ঘ মেয়াদে ছয় টাকা ৫৪ পয়সা ধরা হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ বাণিজ্য থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বাণিজ্য দুই দেশের জন্যই লাভজনক। বাংলাদেশের কাছে ভারতের বিদ্যুৎ অন্য যেকোনো উেসর তুলনায় সাশ্রয়ী।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। ২০১৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে এবং ২০১৬ সালে ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে আমদানি শুরু হয়েছে। সাতক্ষীরা রামপালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের এনটিপিসির মধ্যে সমান (৫০:৫০) অংশীদারি এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। গত বছর এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতীয় সরকারি/বেসরকারি কম্পানিগুলো তিন হাজার ৬০০ মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন/সরবরাহ/অর্থায়ন বিষয়ে চুক্তি সই করে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও গত দুই বছরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ভারতের সরকারি খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান যেমন ইন্ডিয়ান ওয়েল করপোরেশন, নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড, পেট্রোনেট এলএনজি লিমিটেড তেল-গ্যাস খাতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহের জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর পর্যন্ত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন নির্মাণে অর্থায়ন করতেও ভারত রাজি হয়েছে। এ ছাড়া ভারতের তেল ও প্রাকৃতি গ্যাস করপোরেশন (ওএনজিসি) বিদেশ লিমিটেড অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের সঙ্গে কনসোর্টিয়ামের ভিত্তিতে দুটি ব্লকে অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্প উদ্বোধনের অপেক্ষায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাজের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

ভিডিও কনফারেন্স উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে এক সুধী সমাবেশ আয়োজনেরও কথা রয়েছে। ওই সুধী সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারের একাধিক মন্ত্রীও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভিডিও কনফারেন্স উপলক্ষে সাইট পরিদর্শন করতে গত ১ সেপ্টেম্বর আখাউড়ায় এসে তিনি সাংবাদিকদেরকে এসব তথ্য জানান।

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পটি নির্মাণ হলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রথম দিকে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা পাওয়া গেছে।

২০১৬ সালের ৩১ জুলাই একই প্রকল্পের ভারতের আগরতলা অংশে কাজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, ভারতের রেলপথমন্ত্রী সুরেশ প্রভাকর প্রভু। এরই মধ্যে ভারতের অংশে রেলপথ নির্মাণের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাওলি দামের নতুন সিনেমা ‘সিজনস গ্রিটিংস’

বিনোদন সংবাদ: পাওলি দাম। টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন। ‘অগ্নি পরীক্ষা’ সিনেমার মাধ্যমে ২০০৬ সালে টলিউডে পা রাখলেও সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস কালবেলা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রটি তাকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দেয়।

এরপর বাংলা ও হিন্দি ভাষার অনেক দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

এবার ‘সিজনস গ্রিটিংস’ নামের নতুন একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন পাওলি দাম। এটির মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করবেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন লিলেট দুবে। রাম কমলের সঙ্গে সিনেমাটি যৌথভাবে পরিচালনা করবেন অভ্র চক্রবর্তী। এর গল্প লিখেছেন রঞ্জীব মজুমদার। চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন চন্দ্রোদয় পাল।

এ প্রসঙ্গে রাম কমল বলেন, ‘এত বড় মাপের দুজন প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী একসঙ্গে কাজ করতে রাজি হওয়ায় সত্যি আমি খুব খুশি। পাওলিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। ও মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করবে, আর মায়ের চরিত্র করবে লিলেট।’

পাওলি বলেন, ‘রাম কমল যখন চিত্রনাট্য পড়ছিলেন, আমি চোখের সামনে যেন তা দেখতে পাচ্ছিলাম। তিনি অন্যরকম কিছু করার চেষ্টা করছেন। আর প্লট নিয়ে খুব বেশি কিছু এখনই বলতে পারব না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শার্শায় ডাক্তারের ভুল অপারেশনে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে প্রসূতি মা সাবিনা

মোঃ রাসেল ইসলাম (যশোর)প্রতিনিধি: শার্শায় ভুল অপারেশনে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এক প্রসূতি মা সাবিনা(৩০)। সে শার্শার শ্যামলাগাছী গ্রামের প্রবাসী জামাল উদ্দীনের স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, ১৯ শে জুলাই প্রসূতি সাবিনার প্রসববেদনা উঠলে নাভারন সেবা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হয়। ক্লিনিক কত্রিপক্ষ তাকে তড়িঘরি করে সিজারিয়ান করে এবং একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। ২৪ শে জুলাই তাকে ছাড় পত্র দেয়। বাড়ি ফেরার পর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। ও সময় ক্লিনিক কত্রি পক্ষের সাথে রক্তক্ষরণ বিষয়ে যোগাযোগ করলে তারা বলে এরকম কিছুদিন হবে পরে ঠিক হয়ে যাবে। এর পরথেকে দিন দিন অবস্থার অবনতি হলে সাবিনার পরিবার তাকে যশোর নোভা ক্লিনিকে ভর্তি করে।সেখানে পরিক্ষা নিরক্ষা চালালে পেটের ভিতরে শিশুর অবশিষ্ট ফুলের অংশ আছে বলে রিপোর্টে জানা যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে সেখানে দুই ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়।

সেখানেও সাবিনার উন্নতি না হয়াই বাড়ি ফিরে এসে পুনরায় যশোর সদর হাসপাতাল ও কুইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে পেটের ভিতর শিশুর অবশিষ্ট ফুলের অংশ আছে বলে জানা যায়। বর্তমানে সাবিনা কুইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতিনিয়ত তার উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে একের পর এক রক্ত দিতে হচ্ছে। বর্তমানে এতেও তার উন্নত না হয়াই অবনতির দিকে যাচ্ছে সাবিনা। যন্ত্রণায় ছটফট করছে সাবিনা। এ ব্যাপারে সাবিনার পাশে থাকা শাশুড়ির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উপরোক্ত তথ্য গুলি বর্নণা করেন। যার ভয়েস রেকর্ড কৃত আছে।

সর্বশেষ পহেলা সেপ্টেম্বর রাতে হাসপাতালের বেডে থাকা সাবিনার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বিষয় টি পত্রিকায় প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো জানান, বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে চাপের মুখে থাকতে হবে। এজন্য বিষয়টি গোপন করার জন্য এড়িয়ে যেতে বলেন। এ ব্যাপারে সাবিনার ছাড়পত্রে লিখিত ডাক্তার এ,বি,এম আক্তার মারুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সাবিনার সিজারিয়ান করিনাই। বিষয়টি আমার জানা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চায়ের সাথে একটু হলুদ, দেখুন ম্যাজিক!

স্বাস্থ্য কণিকা: প্রতিদিনের প্রিয় পানীয় হিসেবে সবাই আমরা কমবেশী চা পানে অভ্যস্ত। চনমনে অনুভূতি আর সতেজ শরীর ফিরে পেতে চায়ের বিকল্প খুব কম। চা তো আপনি পান করছেনই স্বাভাবিক নিয়মে, তো সেই চায়ের সাথে এবার একটু হলুদ মিশ্রিত করেই দেখুন এক আশ্চর্য ম্যাজিক! নিয়মিত হলুদ চা পানের উপকারিতা এতো বেশি যে, আপনিও আশ্চর্য হয়ে যাবেন জানলে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেয়া যাক হলুদ চায়ের গুণাগুণ।

১. ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্তি ওজনের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে সকাল-বিকাল হলুদ চা খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন শরীরের অতিরিক্তি ইতি-উতি জমতে থাকা মেদ ঝরে যেতে সময় লাগবে না। আসলে হলুদে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু পরিবর্তন করে যে মেদ জমার আর কোনও সুযোগই থাকে না।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে: ২০১৩ সালে হওয়া বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন, শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু খেল দেখায় যে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। তাই তো যাদের পরিবারে এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত হলুদ চা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

৩. খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কার্কিউমিন রক্তে জমতে থাকা এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্বাভাবিভাবেই হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। আসলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমতে শুরু করে, তত হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। সেই সঙ্গে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

৪. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: নিয়মিত হলুদ মেশানো চা খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে ত্বকের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে ছোট-বড় সব ধরনের স্কিন ডিজিজের প্রকোপই কমতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, সোরিয়াসিস এবং একজিমার মতো মারাত্মক ত্বকের রোগের চিকিৎসাতেও এই বিশেষ পানীয়টি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

৫. হজম শক্তির উন্নতি ঘটে: বাঙালি মানেই জন্ম খাদ্যরসিক, আর পেটুক মানেই বদহজম রোজের সঙ্গী! তাই তো প্রতিটি বাঙালির নিয়ম করে হলুদ চা খাওয়া উচিত। কারণ হলুদে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান পাকস্থলিতে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়ার শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজন ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে বদ-হজম দূরে পালায়।

৬. হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে হার্টে রক্ত সরবরাহকারি আর্টারিদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার বা হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, স্ট্রোকের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতেও হলুদ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই হার্টকে যদি দীর্ঘদিন চাঙ্গা রাখতে চান, তাহলে হলুদ দিয়ে বানানো চা খাওয়া মাস্ট! সূত্র: বোল্ডস্কাই ডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য

বিদেশের খবর: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্যটি নির্মিত হচ্ছে ভারতের গুজরাট রাজ্যে। ১৮২ মিটার বা ৬০০ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্য নির্মাণের কাজে শেষের দিকে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

বর্তমানে চীনের একটি বৌদ্ধমূর্তি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য। যার উচ্চতা ১২৮ মিটার।

সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য ভারত সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ভারতীয় রুপি বা ৪৩০ মিলিয়ন ডলার। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগ্রহে এই ভাস্কর্য নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’ বা ‘ ঐক্যের ভাস্কর্য’ হিসেবে পরিচিত এটি আগামী ৩১ অক্টোবর নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন।

ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর মন্ত্রীসভায় উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সরদার বল্লভভাই প্যাটেল। ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এই নেতা ‘ভারতের লৌহ মানব’ হিসেবে পরিচিত।

ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর বিভিন্ন কলহ-বিবাদ মিটিয়ে ঐক্যের ভারত গড়ার ক্ষেত্রে সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ভারতের অনেক হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা মনে করেন, ইতিহাসে সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের ভূমিকা উপেক্ষা করা হয়েছে। জওহরলাল নেহেরু বেশি প্রধান্য পেয়েছেন।

২০১৩ সালে নরেন্দ্র মোদি এক নির্বাচনী প্রচারণায় বলেন, সরদার বল্লভভাই প্যাটেল স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী না হওয়ায় ভারতের প্রতিটি নাগরিকের অনুতপ্ত হওয়া উচিত।

ধারণা করা হচ্ছে, ভাস্কর্যটি উন্মুক্ত হবার পর এটি হবে পর্যটকদের আকর্ষণের জায়গা। এই ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য ২ হাজার ৫০০ শ্রমিক কাজ করছে, যাদের মধ্যে চীন থেকেও কয়েকশ’ শ্রমিক এসেছে। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest