সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

চায়ের সাথে একটু হলুদ, দেখুন ম্যাজিক!

স্বাস্থ্য কণিকা: প্রতিদিনের প্রিয় পানীয় হিসেবে সবাই আমরা কমবেশী চা পানে অভ্যস্ত। চনমনে অনুভূতি আর সতেজ শরীর ফিরে পেতে চায়ের বিকল্প খুব কম। চা তো আপনি পান করছেনই স্বাভাবিক নিয়মে, তো সেই চায়ের সাথে এবার একটু হলুদ মিশ্রিত করেই দেখুন এক আশ্চর্য ম্যাজিক! নিয়মিত হলুদ চা পানের উপকারিতা এতো বেশি যে, আপনিও আশ্চর্য হয়ে যাবেন জানলে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেয়া যাক হলুদ চায়ের গুণাগুণ।

১. ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্তি ওজনের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে সকাল-বিকাল হলুদ চা খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন শরীরের অতিরিক্তি ইতি-উতি জমতে থাকা মেদ ঝরে যেতে সময় লাগবে না। আসলে হলুদে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু পরিবর্তন করে যে মেদ জমার আর কোনও সুযোগই থাকে না।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে: ২০১৩ সালে হওয়া বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন, শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু খেল দেখায় যে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। তাই তো যাদের পরিবারে এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত হলুদ চা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

৩. খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কার্কিউমিন রক্তে জমতে থাকা এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্বাভাবিভাবেই হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। আসলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমতে শুরু করে, তত হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। সেই সঙ্গে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

৪. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: নিয়মিত হলুদ মেশানো চা খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে ত্বকের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে ছোট-বড় সব ধরনের স্কিন ডিজিজের প্রকোপই কমতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, সোরিয়াসিস এবং একজিমার মতো মারাত্মক ত্বকের রোগের চিকিৎসাতেও এই বিশেষ পানীয়টি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

৫. হজম শক্তির উন্নতি ঘটে: বাঙালি মানেই জন্ম খাদ্যরসিক, আর পেটুক মানেই বদহজম রোজের সঙ্গী! তাই তো প্রতিটি বাঙালির নিয়ম করে হলুদ চা খাওয়া উচিত। কারণ হলুদে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান পাকস্থলিতে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়ার শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজন ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে বদ-হজম দূরে পালায়।

৬. হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে হার্টে রক্ত সরবরাহকারি আর্টারিদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার বা হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, স্ট্রোকের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতেও হলুদ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই হার্টকে যদি দীর্ঘদিন চাঙ্গা রাখতে চান, তাহলে হলুদ দিয়ে বানানো চা খাওয়া মাস্ট! সূত্র: বোল্ডস্কাই ডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য

বিদেশের খবর: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্যটি নির্মিত হচ্ছে ভারতের গুজরাট রাজ্যে। ১৮২ মিটার বা ৬০০ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্য নির্মাণের কাজে শেষের দিকে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

বর্তমানে চীনের একটি বৌদ্ধমূর্তি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য। যার উচ্চতা ১২৮ মিটার।

সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য ভারত সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ভারতীয় রুপি বা ৪৩০ মিলিয়ন ডলার। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগ্রহে এই ভাস্কর্য নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’ বা ‘ ঐক্যের ভাস্কর্য’ হিসেবে পরিচিত এটি আগামী ৩১ অক্টোবর নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন।

ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর মন্ত্রীসভায় উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সরদার বল্লভভাই প্যাটেল। ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এই নেতা ‘ভারতের লৌহ মানব’ হিসেবে পরিচিত।

ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর বিভিন্ন কলহ-বিবাদ মিটিয়ে ঐক্যের ভারত গড়ার ক্ষেত্রে সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ভারতের অনেক হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা মনে করেন, ইতিহাসে সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের ভূমিকা উপেক্ষা করা হয়েছে। জওহরলাল নেহেরু বেশি প্রধান্য পেয়েছেন।

২০১৩ সালে নরেন্দ্র মোদি এক নির্বাচনী প্রচারণায় বলেন, সরদার বল্লভভাই প্যাটেল স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী না হওয়ায় ভারতের প্রতিটি নাগরিকের অনুতপ্ত হওয়া উচিত।

ধারণা করা হচ্ছে, ভাস্কর্যটি উন্মুক্ত হবার পর এটি হবে পর্যটকদের আকর্ষণের জায়গা। এই ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য ২ হাজার ৫০০ শ্রমিক কাজ করছে, যাদের মধ্যে চীন থেকেও কয়েকশ’ শ্রমিক এসেছে। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মিস ইংল্যান্ড’ এর ফাইনালে প্রথম কোনো হিজাবি নারী!

বিদেশের খবর: সারা ইফতেখার। বয়স ২০। হিজাব পরিহিত এই নারী মিস ইংল্যান্ড-২০১৮ সালের আসরে ফাইনালে উঠেছেন।আজ মঙ্গলবার নটিংহ্যামশায়ারের কেলহ্যাম হলে মিস ইংল্যান্ডের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। আর এই প্রতিযোগিতায় হিজাব পরে অংশ নেবেন সারা।প্রথম মুসলিম হিসেবে মিস ইংল্যান্ড হতে চান তিনি।

এই প্রতিযোগিতায় জিততে আরো ৪৯ জন প্রতিযোগীর সঙ্গে ব্যাপক লড়াই করতে হবে সারাকে। এই প্রতিযোগিতায় জয়ী হলে চীনে মিস ওয়ার্ল্ডে ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই মুসলিম নারী।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সারা জানান, প্রতিযোগিতার ফাইনালের পৌঁছানো ‘কতটা দারুণ’ তা তিনি বোঝাতে পারবেন না।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সেলফি দিয়ে সারা লিখেন, ওয়াও!!! ২০১৮ সালের মিস ইংল্যান্ডের ফাইনালে পৌঁছানোর অনুভূতি বোঝাতে পারবো না। আলহামদুল্লিাহ।

সারা বলেন, এটা একটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি এবং আমি কখনো ভুলবো না।

জানা গেছে, ১৬ বছর বয়সে নিজের ব্যবসা চালু করা সারা তার জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার যে অর্থ পেয়েছেন তা দিয়ে একটি দাতব্য সংস্থা খুলেছেন। সারা গোফান্ডমি দাতব্য সংস্থাটি দক্ষিণ আমেরিকা, শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া, ভিয়েতনামের বাস্তুচ্যুত শিশু এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করে থাকে।

সূত্র: ডেইলি মেইল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাড়ে ৩ হাজার বছরের পুরনো নথিতে মিশরীয় চিকিৎসা জ্ঞান

ভিন্ন স্বাদের খবর: চিকিত্সা বিজ্ঞান বা চিকিত্সা শাস্ত্র হল রোগ উপশমের বিজ্ঞান কলা বা শৈলী। মানব শরীর এবং মানব স্বাস্থ্য ভালো রাখার উদ্দেশ্যে রোগ নিরাময় ও রোগ প্রতিষেধক বিষয়ে চিকিত্সা বিজ্ঞানে অধ্যয়ন করা হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। প্রাচীন চিকিত্সার প্রমাণগুলো পাওয়া গেছে মিসরীয় ঔষধ, বেবিলিনিয়ান ঔষধ, আয়ুর্বেদিক ঔষধ, ক্লাসিক্যাল চীনা ওষধ, প্রাচীন গ্রিক ঔষধ এবং রোমান ঔষধ থেকে। এর মধ্যে মিসরীয়দের চিকিত্সা জ্ঞানের প্রমাণ পাওয়া গেছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছরের পুরনো নথিতে।

ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেন এর একদল গবেষক এই সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত গবেষণা করে সাড়ে তিন হাজার বছর আগে মিসরীয়দের চিকিত্সা জ্ঞান সম্পর্কে জানিয়েছেন।

মিসরের ইমহোতেপ ছিল প্রথম পরিচিত চিকিত্সক যা ইতিহাসে পাওয়া যায়। ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে প্রাচীনতম মিসরীয় চিকিত্সা পাঠ্যক্রমটি কাহুন গাইনোকোলজিক্যাল প্যাপিরাস নামে পরিচিত যা মূলত গাইনোকোলজিক্যাল রোগের বর্ণনা দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহূত হতো। ১৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এডউইন স্মিথ প্যাপিরাস সার্জারির ওপর প্রথম কাজ করেছিলেন, আর ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে Ebers Papyrus কাজ করেছিলেন যা চিকিত্সা সংক্রান্ত পাঠ্যপুস্তকের অনুরূপ ছিল। ঐ সময়েই মিসরীয় নারীরা গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে বিশেষ এক ধরনের চিকিত্সা পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। বর্তমান সময়ে যেমন নারীরা আধুনিক ‘কিটস’ দিয়ে গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হন তেমনি কৌশল অবলম্বন করতেন মিসরীয় নারীরা। গর্ভবতী নারীরা বার্লি এবং ‘ইমার’ (বিশেষ এক ধরনের প্রাচীন ফসল) ফসলের চারার ওপর পৃথকভাবে ‘ইউরিন’ নিঃসরণ করতেন। যদি বার্লি জন্মাতো তাহলে ধরে নেওয়া হতো পুত্রসন্তান হবে। যদি ইমার জন্মাতো তাহলে ধরে নেওয়া হতো কন্যা সন্তান হবে ঐ নারীর। আর যদি দুটি ফসলের কোনটি-ই না জন্মাতো তাহলে নিশ্চিত হওয়া যেতো যে ঐ নারী গর্ভবতী নন। মজার বিষয় হলো, তাদের এই পরীক্ষা পদ্ধতি কোন কুসংস্কার থেকে নয় বরং চিকিত্সা বিজ্ঞানের আলোকেই তারা এটি করতেন। ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেন এর একদল গবেষক মূলত নারীদের গর্ভধারণের পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছে।

মিসরীয় চিকিত্সা জ্ঞান নিয়ে অনুসন্ধান করা ডেনমার্কের একজন বিশেষজ্ঞ ১৯৩৯ সালে প্রথম মিসরীয়দের গর্ভধারণের পূর্বাভাসের বিষয়টি মানুষকে জানান। কার্লসবার্গ ফাউন্ডেশনের কাছে থাকা এই ধরনের পরীক্ষার ১৪০০ এর বেশি নমুনা ‘পেপিরি’ নিয়ে কাজ করছে ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের ঐ দলটি। এর মধ্যে রয়েছে সাড়ে তিন হাজার বছর আগের কিছু লিখিত নমুনাও। মিসরীয় চিকিত্সা জ্ঞান নিয়ে কাজ করা কার্লসবার্গ ফাউন্ডেশনের প্রধান কিম রাইহোল্ট বলেন, আমরা এমন কিছু তথ্য উপাত্ত নিয়ে কাজ করছি যেগুলো সত্যিই খুব দুর্লভ। এই ১৪০০ ‘পেপিরি’ নমুনার মধ্যে মাত্র ১০ থেকে ১২টি নমুনাই কেবল ভালোভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। আর এই ধরনের নতুন কোন তথ্য নতুন আলোর দিশা দেখানোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কিম রাইহোল্ট বলেন, বিশেষ এই লিখিত নমুনাগুলোর বেশিরভাগই নষ্ট হয়ে গেছে। এই লেখাগুলো পুনরুদ্ধার করা এবং এগুলো খুব কম সংখ্যক মানুষ পড়তে পারবে। যে টার্মগুলো সেখানে ব্যবহূত হয়েছে সেগুলো সত্যিই বোঝা দুষ্কর।-সিএনএন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে মিগ-২৭ বিমান বিধ্বস্ত

বিদেশের খবর: ভারতে বিমান বাহিনীর মিগ-২৭ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রাজস্থান প্রদেশের যোদপুরের দেবারিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিমান বিধ্বস্ত হলেও পাইলট নিরাপদে রেবিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে বলে এনডিটির খররে বলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়েছেন। আগুন লেগে ভারসাম্য হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়েই অন্যান্য সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৃত্যুদণ্ডের পর বিচারক যে কারণে কলমের নিব ভাঙেন

ভিন্ন রকমের খবর: সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই চলে আসছে এই প্রথা। মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে বিচারক বা বিচারপতিরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন। কিন্তু তারা কেন এমনটি করে থাকেন তা হয়তো অনেকেই জানেন না। বিচারক বা বিচারপতিতের এই কলমের নিব ভেঙ্গে ফেলার পেছনে রয়েছে যুক্তিসঙ্গত কারণ বা ব্যাখ্যা।

জানা গেছে, এই কলমের নিব ভেঙ্গে ফেলার কারণ একটি নয়, একাধিক।

প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বি‌ষয়। ব্যাখ্যা হল, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারও জীবন নিতে না পারে।

দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটিও এর সঙ্গেই সম্পৃক্ত। বলা হয়ে থাকে বিচারক বা বিচারপতি ওই মৃত্যুদণ্ড এবং সেটার বিষণ্নতা থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চান। সে কারণেই পেনের নিবটি ভেঙে ফেলেন। একজন বিচারক বা বিচারপতি তার দেওয়া মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারেন না।

তৃতীয় ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়, তিনি যাতে কোনওভাবেই মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবতে না পারেন।

চতুর্থ ব্যাখ্যা, সব মৃত্যুই দুঃখের হয়ে থাকে। কিন্তু তারপরও কখনো মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই কলমের নিব ভেঙে ফেলা হয় এটা বোঝাতে যে, মৃত্যুদণ্ড একটি দুঃখজনক ব্যাপার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীলেখা মিত্রের ‘গিফট’

বিনোদন সংবাদ: সন্ধ্যা সান্যাল৷ মধ্যবিত্ত বাড়ির বউ৷ পেশায় তিনি একজন প্রসাধনী বিক্রেতা৷ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কসমেটিকস বিক্রি করেন৷ সন্ধ্যার স্বামী সমর সরকারি চাকরি করলেও নানা বাধা-বিপত্তির কারণে সমস্যা তৈরি হয়৷ এই কসমেটিক বিক্রি করাই যে একদিন সন্ধ্যার পুরো জীবনটা পাল্টে দেবে তা সে নিজেও জানত না৷ এক ধনী ব্যক্তির বাড়িতে পৌঁছাতেই এক সাধারণ বাড়ির বউ কীভাবে পাল্টে যাবে সেই নিয়ে গল্প বুনেছেন পরিচালক অরিন্দম বসু৷ ছবির নাম ‘দ্যাট গিফট‘৷

ছবিটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের৷ চারটি ছোট গল্প নিয়েই এই শর্ট ফিল্ম৷ যার একটি গল্পের মুখ্য চরিত্র হল সন্ধ্যা সান্যাল৷ এই চরিত্রে অভিনয়ে রয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র৷ তাঁর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এবং সেই ধনী ব্যক্তি চরিত্রে রয়েছেন অরিজিৎ দত্ত৷

পরিচালক অরিন্দম বসুর নিজের লেখা বই ‘ডার্টি ডজন অ্যান্ড ওয়ান’ থেকই নেওয়া হয়েছে এই ছবির চিত্রনাট্য৷ ‘দ্যাট গিফট’এ নবাগত হিসেবে দেখা যাবে অভি দে-কে৷ শ্রীলেখা এবং বিপ্লবের ছেলের চরিত্রে রয়েছেন তিনি৷ ফিল্ম সিরিজটির আরেকটি গল্পে রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত৷ ছবির প্রযোজকও তিনি৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ থেকে ঢাকায় সাফ ফুটবল শুরু

খেলার খবর: বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল ভক্তদের অপেক্ষার পালা শেষ হতে চলেছে আজ। ঢাকায় প্রস্তুত দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ ফুটবল প্রতিযোগিতার মঞ্চও। ৭ দল যোগ দেবে ১২ দিনের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মহারণে।

১২তম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর্দা উঠছে নেপাল ও পাকিস্তানের লড়াই দিয়ে। বিকাল ৪টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে তারা। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি ও চ্যানেল নাইন। আর সন্ধ্যায় একই ভেন্যুতে স্বাগতিক বাংলাদেশ লড়বে ভুটানকে। উদ্বোধনী দিনে ‘এ’ গ্রুপের চার দল নামছে মাঠে।

শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে ‘বি’ গ্রুপে লড়বে ভারত, যেখানে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ। এই ৭ দলের মধ্যে একটি দল ট্রফি উঁচু করে ধরবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর।

১৯৯৩ সালে ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও নেপালকে নিয়ে সার্ক গোল্ডকাপ ফুটবল নামে যাত্রা শুরু হয়েছিল এই টুর্নামেন্টের। চার বছর পর কাঠমান্ডু আসরে নাম পাল্টে হয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এনিয়ে তৃতীয়বার টুর্নামেন্টের আয়োজক বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে প্রথমবার স্বাগতিক হয়েই একমাত্র শিরোপা জিতেছিল তারা। সবশেষ ২০০৯ সালে আয়োজক হয়ে সেমিফাইনালে বিদায় নেয় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সাফে অংশ নিচ্ছে ১৯৯৫ সাল থেকে। শুরুটা চার দলের হলেও আস্তে আস্তে এতে অংশ নেয় ৮ দল। বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও ভারতের সঙ্গে সবশেষ যুক্ত হয়েছিল আফগানিস্তান। ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত টানা ছয়টি সাফ খেলার পর মধ্য এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় সাফ খেলার যোগ্যতা হারায় তারা।

৮ দলের মধ্যে সাফ সাফল্যে সবচেয়ে দাপট ভারতের। ১৯৯৩ সালে প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন তারা। তারপর থেকে আরও ছয়টি শিরোপা জিতেছে ভারতীয়রা। তারা ছাড়াও একবার করে ট্রফি পেয়েছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।

এবারও সপ্তম ট্রফি জয়ের দৌড়ে ফেভারিট হয়েই নামছে ভারত। ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ৯৬তম দলটি তৃতীয়বার টানা দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে খেলবে। র‌্যাংকিংয়ের বিচারে তাদের চেয়ে অনেক পিছিয়ে অন্যরা- মালদ্বীপ ১৫০তম, নেপাল ১৬১, ভুটান ১৮৩, বাংলাদেশ ১৯৪, শ্রীলঙ্কা ২০০ ও পাকিস্তান ২০১ নম্বরে।

অবশ্য র‌্যাংকিংয়ের প্রভাব মাঠে পড়ুক চান না কোনও দলের খেলোয়াড় ও কোচ। তারা আভাস দিয়ে রেখেছেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের। কঠিন হলেও দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে এশিয়ান গেমসে নক আউটে উঠে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশ।

এক আসর বাদ দিয়ে সাফে প্রত্যাবর্তনে ভালো কিছু করার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। ১৯৯৫ সালের চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা তো একমাত্র প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিকদের হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। ২০০৮ সালের পর প্রথম শিরোপা স্বপ্ন না দেখলেও লড়ে যেতে চায় মালদ্বীপ। টানা চারবার গ্রুপ পর্বে ছিটকে যাওয়ার পুনরাবৃত্তি হতে দিতে চায় না ভুটান।

উত্তেজনায় ভরপুর এক টুর্নামেন্ট দর্শকদের উপহার দিতে প্রস্তুত দক্ষিণ এশিয়ার ৭ ফুটবল দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest