সর্বশেষ সংবাদ-
সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহততালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যু

কঠোরতম ভাষায় সু চির সমালোচনা করলেন জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

বিদেশের খবর: জাতিসংঘ গঠিত স্বাধীন আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিশনের সদস্য ক্রিস্টোফার ডমিনিক সিডোটি কঠোরতম ভাষায় মিয়ানমারের বেসামরিক সরকারের নেত্রী অং সান সু চির সমালোচনা করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার আইনজীবী ক্রিস্টোফার বলেছেন, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্মমতা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী চালিয়েছে, তা ঢাকতে গিয়ে নোবেল বিজয়ী সু চি নিজেকে পরিণত করেছে ‘লজ্জা নিবারণের ডুমুরপত্রে’।

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের ৪০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন উপস্থাপনের আগে যুক্তরাজ্যের টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

মঙ্গলবার জেনিভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে তাদের ওই প্রতিবেদন উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

সিডোটি বলেন, রাখাইনে সহিংসতা থামাতে ব্যর্থতার দায় মিয়ানমারের নেত্রী সু চি এড়াতে পারেন না।

নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েক ডজন স্থাপনায় একযোগে হামলার পর গতবছর ২৫ অগাস্ট থেকে রাখাইনে সেনাবাহিনীর ওই দমন অভিযান শুরু হয়। সেই সঙ্গে শুরু হয় এশিয়ার এ অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সঙ্কট।

তিন সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন অগাস্টের শেষে তাদের ২০ পৃষ্ঠার যে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে, সেখানে নৃশংস সেই দমন অভিযানের ভয়াবহতার চিত্র উঠে আসে।

ওই প্রতিবেদনে বলা বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ‘গণহত্যার অভিপ্রায়’ থেকেই রাখাইনের অভিযানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণের মত ঘটনা ঘটিয়েছে।

আইন প্রয়োগের নামে ভয়ঙ্কর ওই অপরাধ সংঘটনের জন্য মিয়ানমারের সেনাপ্রধান এবং জ্যেষ্ঠ পাঁচ জেনারেলকে বিচারের মুখোমুখি করারও সুপারিশ করেছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন।

এই মিশনের নেতৃত্ব দেন ইন্দোনেশিয়ার সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মারজুকি দারুসমান। সদস্য হিসেবে আরও ছিলেন শ্রীলঙ্কার আইনজীবী নারী অধিকার বিশেষজ্ঞ রাধিকা কুমারস্বামী।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক মানবাধিকার কমিশনার ও দেশটির আইন সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য সিডোটি বলেন, সু চি প্রথম যে কাজটি করতে পারতেন তা হল- রাখাইনে গণহারে ধর্ষণের যে বিপুল অভিযোগ এসেছে সেসব ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে না দিয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষে সাফাই গাওয়া বন্ধ করা।

‘২০১৫ সালের নির্বাচনে ৮০ শতাংশ মানুষের ভোট তিনি পেয়েছেন। এটা তাকে বিপুল নৈতিক সমর্থন দিয়েছে কর্তৃত্ব দিয়েছে। সেনাবাহিনীর নৃশংসতার লজ্জা ঢাকতে কৌপিনের ভূমিকা নেওয়া তিনি বন্ধ করতে পারতেন।’

গতবছর গঠিত জাতিসংঘের এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের সদস্যরা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়ে থাকা ৮৭৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নিয়ে, নথিপত্র, ভিডিও, ছবি এবং স্যাটেলাইট ইমেজ পর্যালোচনা করে তাদের প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

সেখানে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে যুগ যুগ ধরে রোহিঙ্গাদের ওপর রাষ্ট্র আরোপিত যে অবিচার চলছে তা প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের রূপ পাওয়ায় জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ভুগতে হচ্ছে এই জনগোষ্ঠীকে।

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন বলছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাদের অপরাধের জন্য পূর্ণ দায়মুক্তি পেয়ে আসছে, কখনোই তাদের বিচারের জবাবদিহি করতে হয়নি। কোনো একটি অভিযোগ উঠলেই তা অস্বীকার করা, খারিজ করে দেওয়া এবং তদন্তের পথ বন্ধ করে দেওয়া হল তাদের সাধারণ নিয়ম।

তদন্তকারীরা তাদের প্রতিবেদনে বলেছেন, রাখাইনের হত্যাযজ্ঞের হোতাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা অস্থায়ী একটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের মধ্যে দিয়ে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে; আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

এর পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিষদে ওই হোতাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা বা এ ধরনের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

এদিকে চলতি মাসের শুরুতে হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) সিদ্ধান্ত দিয়েছে, রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের মধ্যে দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের যে অভিযোগ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে উঠেছে, তার বিচারের এখতিয়ার ওই আদালতের রয়েছে।

আইসিসির সদস্য না হওয়ার যুক্তি দেখিয়ে মিয়ানমার ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করলেও বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে তাতে সমর্থন দিয়েছে।

সিডোটি বলছেন, রোহিঙ্গাদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধের সুবিচারের জন্য আইসিসি হতে পারে একটি পথ। এর বাইরে রাখাইনের ঘটনার বিচারের জন্য আলাদাভাবে বিশেষায়িত একটি ফৌজদারি আদালত গঠন করা যেতে পারে।তাছাড়া যে মাত্রার অপরাধ সেখানে হয়েছে, তাতে যে কোনো দেশ তার সার্বজনীন বিচারিক এখতিয়ার কাজে লাগাতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুপার ফোরে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কার বিদায়

খেলার খবর: এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে ১৩৭ রানে হেরেছিল শ্রীলঙ্কা। ফলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় ছাড়া কোনো পথ খোলা ছিল না তাদের। কিন্তু পারল না তারা। আফগানদের কাছে ৯১ রানে হেরে গেল চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা। এরই সঙ্গে এশিয়া কাপের ১৪তম আসর থেকে বিদায় নিল হলো শ্রীলঙ্কাকে।

এ জয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত হলো আফগানিস্তানের। সুপার ফোরে উঠল বাংলাদেশও। শ্রীলংকাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল টাইগাররা। আফগানদের বিপক্ষে লংকানরা হারলেই পরের পর্বে যেত তারা। অবশেষে তাই হলো।

শ্রীলংকার শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। প্রথম ওভারেই মুজিব-উর-রহমানের শিকার বনে ফেরেন কুশল মেন্ডিস। দ্বিতীয় উইকেটে ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন উপুল থারাঙ্গা। ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন ধনঞ্জয়াও। কিন্তু হঠাৎই ভুল বোঝাবুঝি। দলীয় ৫৪ রানে রানআউটে কাটা পড়েন তিনি।

দুই ব্যাটসম্যান ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন থারাঙ্গা। কিন্তু তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কুশল পেরেরা। ব্যক্তিগত ১৭ রানে রশিদ খানের শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। পরক্ষণেই হার মানেন থারাঙ্গা। গুলবাদিন নায়েবের শিকারে পরিণত হন তিনি। এর আগে ৬৪ বলে ৩ চারে ৩৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন থারাঙ্গা। এতে বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলংকা। সেই বিপর্যয়ের মধ্যে রানআউট হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন শেহান জয়সুরিয়া।

এরপর থিসারা পেরেরাকে নিয়ে বিপর্যয় সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। ধীরে ধীরে জমে উঠছিল তাদের জুটি। আফগানদের চোখ রাঙাতেও শুরু করেন তারা। তবে আশা দেখিয়েও প্রদীপ নিভিয়ে দেন ম্যাথুস। মোহাম্মদ নবীকে অযাচিত শট খেলতে গিয়ে রশিদ খানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে করেন ২২ রান। এতে ফের বিপাকে পড়ে শ্রীলংকা।

সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। খানিক বাদেই মুজিবের শিকার হয়ে ফেরেন শানাকা। ৩৮.২ ওভারে সেই পথ ধরেন আকিলা ধনাঞ্জয়া। শেষ পর্যন্ত ১৫৮ রানে অলআউট হয় শ্রীলংকা। আফগানিস্তানের হয়ে মুজিব, রশিদ, নায়েব, নবী প্রত্যেকে নেন ২টি করে উইকেট।

এর আগে আবুধাবিতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আফগানিস্তান অধিনায়ক আসগার আফগান।

সোমবার আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৪৯ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয় আফগানিস্তান। পরে শ্রীলঙ্কা ব্যাট করতে নেমে ৪১.২ ওভারে ১৫৮ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‌’বিখ্যাত ব্যক্তিদের’ মনোনয়ন দেবে আ. লীগ

রাজনীতির খবর: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনি কৌশল হিসেবে এবার থাকছে বিশেষ চমক। এরই অংশ হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন পেশাজীবীর মধ্য থেকে ‘তারকা’ খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ক্ষেত্রে ঢাকার বেশিরভাগ আসনে ‘তারকা ব্যক্তিদের’ মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আগামী নির্বাচনে এই ‘তারকাদের’ অংশগ্রহণ করানো গেলে সাধারণ ভোটারের মধ্যে উৎসাহ দেখা দেবে বলেও ক্ষমতাসীন দলটি মনে করে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ-পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে এমন তথ্য জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা জানান, আগামী নির্বাচনে চমক সৃষ্টির চিন্তা থেকে ফুটবলার, ক্রিকেটার, অভিনেতা-অভিনেত্রী, শিল্পী-সাহিত্যিক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীদের প্রতি মনযোগ দিয়েছে দলটি। এরই অংশ হিসেবে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের ‘তারকা ব্যক্তিদের’ আমন্ত্রণ জানানো হবে। ইতোমধ্যেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিভিন্ন পেশার ‘তারকা ব্যক্তিদের’ একটি তালিকাও তৈরি করেছে দলের নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। তাদের ওপর গবেষণাও চলছে।

‘তারকা ব্যক্তিদের’ মনোনয়ন দিলে ঢাকাসহ সারাদেশে নির্বাচনি উৎসব বিরাজ করবে। ‘তারকা ভক্তদের’ ভেতরে প্রচারণায় নামার আগ্রহ দেখা দেবে। যা নির্বাচনে এক ধরনের জোয়ার তৈরি করবে। এতে তারকাদের জয়ের সম্ভাবনাও বেশি থাকবে। মূলত এই চিন্তা থেকে ‘তারকা ব্যক্তিদের’ বিষয়টি নিয়ে শীর্ষপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানান দলটির একাধিক নেতা। তারা জানান, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে মিলিয়ে এই সংখ্যা ২০/২৫ জনও হতে পারে।

এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘সমাজে বিভিন্ন পেশায় ইমেজ সম্পন্ন ব্যক্তিদের এবার মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পেশায় যারা নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছেন, তাদের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।’

সূত্র জানায়, সমাজে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইতিবাচক মনোভাব দেখানোর কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর অন্যতম হলো—যাদের বেছে নিয়ে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাদের বিজয়ের ব্যাপারে নিশ্চয়তা মিলবে। এই ক্ষেত্রে তরুণ-ইমেজ সম্পন্ন ‘তারকা ব্যক্তিদের’ মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। তবে, এমন প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতাও দেখাবে আওয়াম লীগ। কোনও দলীয় পরিচয় নেই এমন কয়েকজন ‘তারকা ব্যক্তিকেও’ মনোনয়ন দেওয়ার কথা ভাবছেন দলের নীতি-নির্ধারণী-পর্যায়ের নেতারা।

এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন পেশায় খ্যাতিমানদের মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক আওয়ামী লীগ।’ তিনি বলেন, ‘‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ‘তারকারা’ রাজনীতিতে যুক্ত হন, নির্বাচন করেন। এটা নতুন নয়।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা উপজেলা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ) কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

 

১৭ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ০ তালা উপজেলার কাউন্সিল এসএম আব্দুল আলিমের সভাপতিত্বে ও এসএম শামীম হোসেনের পরিচলনায় পাটকেলঘাটাস্থ জাসদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-১ আসনের জাসদ মনোনীত ও ১৪ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সম্পাদক, সাতক্ষীরা জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলু। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আশরাফ কামাল, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ সদস্য অনুপন কুমার অনুপ, জাসদ তালা উপজেলার সভাপতি বিশ্বাস আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মোল্যা আব্দুর রাজ্জাক, জাতীয় যুবজোট সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ সম্পাদক মিলন ঘোষাল প্রমুখ। সভায় শিক্ষা,শান্তি, প্রগতিকে মুল মন্ত্র এবং এক দেশ এক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু, ডাকসুসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও পাঠ্যসুচিতে সাম্প্রদায়িকীকরণ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে সকল সচেতন ছাত্রসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। কাউন্সিল অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে নিন্মক্তদের নিয়ে এসএম আব্দুল আলিম সভাপতি, জাকিরুল ইসলাম ইমরান হোসেন, মোমরেজ আলম, শফিকুল ইসলাম রানা, এস কে রোমান হোসেন সহ-সভাপতি, এসএম শামীম হোসেন সাধারণ সম্পাদক, মোঃ সাইদুজ্জামান শুভ, নাজমুল হোসেন শুভ, জিয়াদ হোসেন খোকন, মোস্তাফিজুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, জুয়েল রানা সহ-সম্পাদক, শেখ রোকনুর জামান সাংগঠনিক সম্পাদক, সমীর কুমার পাল প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, শেখ মেহেদী হাসান দপ্তর সম্পাদক, শেখ সুমন হোসেন সহ-দপ্তর সম্পাদক, শেখ ইমরান হোসেন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মোঃ সুজন মোড়ল অর্থ সম্পাদক, মোঃ মহিদুর জামান স্কুল বিষয়ক সম্পাদক, আল আমিন হোসেন সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক, হাবিবুর রহমান ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ রবিউল ইসলাম, শেখ আবু মুছা, মুকতি, মোঃ আমির হোসেন, মোঃ মাসুম মোড়ল কে সদস্য নির্বাচিত করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তালা উপজেলার কমিটি গঠন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে লেখাপড়া করে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: ডা. লোটে শেরিং। পড়ালেখা করেছেন বাংলাদেশে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে। পরে তিনি এফসিপিএসও করেন। কিন্তু তিনি এখন ভুটানের সফল রাজনীতিবিদ।
লোটে শেরিং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ১৮তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। এখান থেকে এমবিবিএস পাস করেন। পরে বাংলাদেশে জেনারেল সার্জারি বিষয়ে তিনি এফসিপিএসও করেন।
কিন্তু চিকিৎসা পেশা ছেড়ে ২০১৩ সালে রাজনীতিতে যোগ দেন লোটে শেরিং। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি রাজনীতিতে ব্যাপক সফল হয়েছেন।
ভুটানে গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম দফা নির্বাচনে লোটে শেরিংয়ের রাজনৈতিক দল ডিএনটি জয়লাভ করে।
এরপর তিনি প্রথম দফা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেকে হারিয়ে দেন। ডা. লোটে শেরিং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চূড়ান্ত ফলাফল আগামী ১৮ অক্টোবর জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডা: রুহুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের

সাতক্ষীরার গর্ব, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি’র বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট মনগড়া অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশন। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুজিদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ বিবৃতি প্রদান করা হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক ও পিতা মরহুম আলহাজ্জ নজির আহমদ সাহেবের নামে গত ১৪/৯/১৮ তারিখে আফছার উদ্দীন বাবলু, সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের সদস্য মোঃ সাগর, মোঃ আলাল হোসেন ও মোঃ মঈন প্রমুখ যে মিথ্যা বানোয়াট মনগড়া অপপ্রচার মূলক বক্তব্য দিয়েছেন সেটির জন্য আমরা নিন্দা জানাচ্ছি। এবং তাকে কার্যকরী পরিষদের পক্ষ থেকে ধিক্কার জানাচ্ছি। আলহাজ্জ নজির উদ্দীন আহমদ সাহেব ভারত পাকিস্তান দেশ বিভাগের পূর্বে তিনি একজন নামকরা ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক ছিলেন। হজরত খানবাহাদুর আহছানউল্লা (র.) যখন চাকুরী শেষে নলতা শরীফে এসে নলতা কেন্দ্রিয় আহছানিয়া মিশন প্রতিষ্ঠা করেন সে সময় তিনি মিশনের ৩জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের মধ্যে একজন সদস্য ছিলেন। আহছানিয়া মিশন প্রতিষ্ঠায় তার উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল। ১৯৩৫ সাল থেকে ১৯৯২ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের কার্যকরী পরিষদের সম্পাদক ও সহ-সভাপতি হিসাবে মিশনের গুরুদায়িত্ব পালন করেন। তিনি পীর কেবলা হজরত খানবাহাদুর আহছানউল্লা (র.) এর একজন ¯েœহ ভাজন ছিলেন। হজরত পীর কেবলা (র.) এঁর বয়সের ছোট হলেও বিভিন্ন সময় তিনি তার পরামর্শ গ্রহন করতেন। এবং তাকে আপনি বলে সম্মোধন করতেন।
তিনি ১৯৭৬ সালে নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। একই সালে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সেবক ব্যবসায়ী ও মানব দরদী। হজরত পীর কেবলা (র.) এঁর নির্দেশে তিনি তার একমাত্র পুত্রকে উচ্চ শিক্ষিত করেন। এম.বি.বি.এস পাশ করান। উচ্চতর ডিগ্রির উদ্দেশ্যে তাকে লন্ডন পাঠান। দেশে ফিরে এসে তিনিও পিতার পথ অনুসরণ করে জনসেবায় জড়িয়ে পড়েন। জনগনের ভালোবাসায় তিনি দু-দুবার জাতীয় সংসদের এমপি মনোনিত হন। তিনি আমাদের সাতক্ষীরার গৌরব এই জননেতা দেশের জন্য সাতক্ষীরা জেলার জন্য কি কি করেছেন আপনাদের সকলেরই জানা আছে। তার পিতা মরহুম আলহাজ্জ নজির আহমদ সাহেব কখনই দেশ বিরোধী কার্যকলাপ করেন নাই এবং কখনই রাজাকার ছিলেন না। তার পিতার বিরুদ্ধে দেয়া মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য অপ-প্রচার নিন্দনীয় বলে আমরা মনে করি।’ প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সানস্ক্রিন ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি

অনলাইন ডেস্ক: বাইরে বের হলেই প্রচণ্ড গরম। তাই ত্বক ভালো রাখতে বিশেষজ্ঞরা সানস্ক্রিন ব্যবহারের কথা বলে থাকেন। ত্বক ভালো রাখতে, শরীরের খোলা অংশের ত্বককে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করতে এই ক্রিমের প্রয়োজনীয়তার কথা কে না জানে!
কিন্তু সানস্ক্রিন মাখারও বেশ কিছু নিয়ম আছে, যা হয়তো আমরা অনেকেই মেনে চলি না। আর তাই সানস্ক্রিন মাখার পরেও তার উপকারিতা অনেকেই পান না।
রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে বিশেষ কয়েকটি নিয়ম মেনে সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা তো রক্ষা হবেই, সঙ্গে সূর্যের আলোয় ত্বকের পুড়ে যাওয়ার ভয়ও আর থাকবে না।
আসুন জেনে নেই সানস্ক্রিন ব্যবহারের কয়েকটি নিয়ম।
সানস্ক্রিন
বাইরে বা ঘরে থাকুন, দিনের বেলা সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আপনি কোনও না কোনও ভাবে আসছেনই। তাই বাড়িতে থাকলেও সানস্ক্রিন মাখুন। এসি ঘরে বসে থাকলে বা কোনও ঢাকা জায়গায় থাকলে দিনের বেলা প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। বাইরে রোদে বেরনোর কাজ থাকলে তা অবশ্যই দুইঘন্টা অন্তর ব্যবহার করুন।

পানি ব্যবহার
যে ব্র্যান্ডেরই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন না কেন, ব্যবহারের সময় অবশ্যই তাতে কিছুটা পানি দিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পানি নিজেই খুব বড় ময়শ্চারাইজার। তাই সানস্ক্রিন ব্যবহারের সময় অল্প পানি দিতে পারেন।
হাতের তালুতে কয়েক ফোঁটা পানি যোগ করে তারপর তার সঙ্গে সানস্ক্রিন মিশিয়ে মাখুন শরীরে। এতে ক্রিম অনেক ক্ষণ থাকবে আর সানস্ক্রিন মাখলেই যে ঘাম হওয়ার প্রবণতা থাকে তাও কমবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়ায় স্ট্রবেরিতে সূঁচ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তদন্তের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ায় স্ট্রবেরিতে একের পর এক সূঁচ পাওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে কেন্দ্রীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
অস্ট্রেলিয়ায় এখন সব মিলিয়ে মোট ছয়টি প্রদেশ এবং অঞ্চলে বিক্রি হওয়া স্ট্রবেরির ভেতর সূঁচ পাওয়ার খবর আসার পর ঘটনাটিকে ‘নিষ্ঠুর অপরাধ’ আখ্যা দিয়েছেন এক মন্ত্রী।
স্ট্রবেরি খেয়ে গলায় সূঁচ আটকে একজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।
বাজারে একাধিক ব্র্যান্ডের স্ট্রবেরির ভেতর সূঁচ পাওয়ার পর বেশ কয়েকটি কোম্পানির স্ট্রবেরি বিক্রি বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি বিক্রি হওয়া পণ্য ফেরত চেয়েছে।
পূর্বসতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নিউজিল্যান্ডে অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি করা স্ট্রবেরি বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
অন্তত ছয়টি ব্র্যান্ডের স্ট্রবেরির মধ্যে সূঁচ পাওয়া গেছে। সেগুলো হল: বেরি অবসেশন, বেরি লিসাস, লাভ বেরি, ডনিব্রুক বেরিস, ডিলাইটফুল স্ট্রবেরিস এবং ওয়েসিস।
অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্রেগ হান্ট অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ডের খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষকে এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “এটি খুবই নিষ্ঠুর অপরাধ এবং জনসাধারণের উপর নির্বিচার হামলা।”
যেসব প্রদেশ এবং অঞ্চলে সূঁচ ভরা স্ট্রবেরি পাওয়া গেছে ওই সব অঞ্চলের স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকেও তদন্ত চলছে। তবে এখন পর্যন্ত এর জন্য দায়ী সন্দেহে কাউকে সনাক্ত করা যায়নি।
গত সপ্তাহে কুইন্সল্যান্ডে প্রথম স্ট্রবেরির ভেতর সূঁচ থাকার খবর পাওয়া যায়। তারপর একে একে নিউ সাউথ ওয়েলস, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরি, সাউথ অস্ট্রেলিয়া ও তাসমানিয়া থেকে একই ধরনের খবর আসে।
কুইন্সল্যান্ড সরকার এ ঘটনায় জড়িতদের সম্পর্কে কেউ তথ্য দিলে তাকে এক লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।
প্রাদেশিক প্রধান বলেন, “কিভাবে একজন সুস্থ মনের মানুষ এরকম ভয়ঙ্কর কাণ্ড করে শিশু-কিশোর বা যে কোনো মানুষের স্বাস্থ্য এতটা মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলতে পারে?”
বৃহস্পতিবার কুইন্সল্যান্ড স্ট্রবেরি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, খুব সম্ভবত কোনো ‘অসন্তুষ্ট কর্মী’ এ কাজ করেছেন। তবে এ বিষয়ে কিছু বলার সময় এখনো হয়নি বলে মনে করছে পুলিশ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জনগণকে স্ট্রবেরি কেটে তারপর খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় স্ট্রবেরি পাকার মৌসুম চলছে। এ সময় এতে সূঁচ পাওয়ার ঘটনা নিয়ে জনমনে যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে তাতে স্ট্রবেরি বিক্রির উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চাষীরা। এরই মধ্যে দেশজুড়ে স্ট্রবেরির দাম পড়তে শুরু করেছে।
ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ায় দাম এতটাই কমে গেছে যে, চাষীদের উৎপাদন খরচও উঠবে না। অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি বছর স্ট্রবেরি শিল্পে ১৩ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলারের বাণিজ্য হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest