সর্বশেষ সংবাদ-
সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহততালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যু

মন্ত্রীদের ‘তিরস্কার’ করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: পদ্মার ভয়াল ভাঙনে আক্রান্ত নড়িয়াবাসীর পাশে না দাঁড়ানোয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দায়িত্বশীল মন্ত্রীদের তিরস্কার করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত মন্ত্রিপরিষদ সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ছাড়াও সরকারের দায়িত্বশীল সিনিয়র মন্ত্রীদের ভৎসনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে অংশ নেয়া নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মন্ত্রী এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পদ্মা নদীর এই ভয়াবহ ভাঙনে হাজার হাজার মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছেন। সর্বস্ব হারিয়েছেন। এটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তাৎক্ষণিক হয়তো মানুষের এক্ষেত্রে তেমন কিছুই করার নেই। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা মন্ত্রী সময়মতো সেখানে যাননি। কিভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপও নেননি।’
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সর্বস্ব হারানো মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ালে, তারা মানসিকভাবে শক্তি পেতো। যখন এটা হলো না তখন তা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।‘এ সময় নড়িয়ায় কোনো প্রকল্প নেই’ জানানো হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্প তো মানুষের জন্য। যেখানে মানুষের ঘরবাড়ি ধ্বংস হচ্ছে, আস্ত আস্ত দালানকোঠা, বাজার, নগর নদীর বুকে হারিয়ে যাচ্ছে, মানুষ বিলাপ করছে, মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, মানুষের খাবার জুটছে না, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ভেসে যাচ্ছে; তখন প্রকল্প তো পরের কথা। আগে তো অসহায় মানুষের কাছে ছুটে যেতে হবে। তাদের বুকে জড়িয়ে ধরতে হবে। আশা দেখাতে হবে। পাশে দাড়াঁতে হবে।’
ভাঙন ঠেকাতে শেখ হাসিনা কার্যকর ভূমিকা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও জানিয়েছে দায়িত্বশীল সূত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অক্টোবরে

দেশের খবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ হিসেবে নিয়োগ পেতে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী অাবেদন করেছেন। সারাদেশে ১২ হাজার আসনের বিপরীতে এই চাকরিপ্রত্যাশীরা পরীক্ষায় বসবেন। অর্থাৎ প্রতি আসনে লড়বেন ২০০ জন। চলতি বছরের ১৯ থেকে ২৬ অক্টোরের মধ্যে লিখিত (এসসিকিউ) পরীক্ষা আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩০ জুলাই এই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ৫টি আবেদন এসেছে।

তিনি বলেন, আগামী ১৯ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত একটি সভা হওয়ার কথা আছে। সেখানে পরীক্ষার দিন, সময় নির্ধারণ করা হবে। অক্টোবরে লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা হলে ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করা হবে। পাস করা যোগ্য প্রার্থীদের পরবর্তী বছরের শুরুতে নিয়োগ দেয়া হবে।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য বারের চেয়ে ২০১৮ সালের এই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। এ সময়ের মধ্যে ২৪ লাখ ৫টি আবেদন জমা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৩৫টি, রাজশাহী বিভাগে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫টি, খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৭৩০টি, বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৭টি, সিলেট বিভাগে ১ লাখ ২০ হাজার ৬২৩টি, রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৮টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭টি আবেদন জমা হয়েছে।
ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় আসনপ্রতি তিনজনকে (একজন পুরুষ ও দুইজন নারী) নির্বাচন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলি এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিনা কর্তনে ছাড়পত্র পেল ‘স্বপ্নের ঘর’

বিনোদনের খবর: বিনা কর্তনে ছাড়পত্র পেয়েছে নির্মাতা তানিম রহমান অংশু’র ‘স্বপ্নের ঘর’। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে সিনেমাটির শুটিং।
‘স্বপ্নের ঘর’-এ অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, জাকিয়া বারী মম, নওশাবা ও শিমুল খান।
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারধর্মী গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। যার মূল গল্প ভাবনা অনীশ দাস অপুর, তার সঙ্গে গল্পের চিত্রনাট্য করেছেন শাওন হক।
সিনেমা প্রসঙ্গে আনিসুর রহমান মিলন বলেন, নতুন এক দম্পতি একটি বাড়িতে ওঠে। বাড়িতে উঠাকে কেন্দ্র করে ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। মূলত এটা নিয়েই এগিয়ে যায় সিনেমাটির গল্প।
শিমুল খান বলেন, সিনেমাটির প্রধান আকর্ষণ হলো এর চরিত্রগুলো। প্রতিটি চরিত্রেই রয়েছে স্বকীয়তা ও বিনোদনের রসদ। সিনেমাটিতে প্রত্যেকের চরিত্র দর্শকদের ভালো লাগবে বলেই আশা করছি।
সিনেমটির মুক্তির তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। তবে চলতি বছরের শেষের দিকে সিনেমাটি মুক্তি পাবে বলে জানা যায়। এছাড়া একই নির্মাতার ‘আদি’ সিনেমাটিও মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চোটাক্রান্ত তামিম দেশে ফিরছেন মঙ্গলবার

খেলার খবর: ডান হাতের আঙুলে চোট নিয়েই এশিয়া কাপ খেলতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের তারকা ওপেনার তামিম ইকবাল। উদ্বোধনী ম্যাচে খেলা নিয়েই ছিল শঙ্কা। তবে শেষ পর্যন্ত খেললেন এবং প্রথম ম্যাচেই শেষ হয়ে গেল তার এশিয়া কাপ। শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় আবারও চোট পাওয়ায় এশিয়া কাপ থেকেই ছিটকে গেলেন তিনি। ফলে মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন দেশসেরা এ ওপেনার। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন।
শনিবারের এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুশফিকুর রহিমের ১৪৪ রানের লড়াকু ইনিংসে লঙ্কানদের সহজেই হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে মাত্র ২ রান করেও নায়ক বনে গেছেন তামিম ইকবার। দলের প্রয়োজনে হাসপাতাল থেকে ফিরে ফের এক হাতে ব্যাটিংয়ে নেমে যে বীরত্বগাথা রচনা করেছেন তামিম, তা প্রবলভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে সবাইকে। তামিমের প্রশংসায় ভেসেছে বিশ্বমিডিয়াও।
শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে লাকমলের বলে বাঁহাতে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন তামিম ইকবাল। হাসপাতালে স্ক্যান করানো হলে জানা যায় হাতের কব্জিতে চিড় ধরা পড়েছে। সেই হাতে আবার আঘাত লাগলে তামিমের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়ে যেতে পারে বলে চিকিৎসকরা জানানো সত্বেও দেশের প্রয়োজনে মাঠে নেমে গত ম্যাচে মুশফিককে সঙ্গ দেন তিনি। তবে পরবর্তী ম্যাচে খেলার অবস্থাতে না থাকায় তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। মঙ্গলবারই দেশে ফিরবেন তামিম ইকবাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আাশাশুনিতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ইনহেল্ডার প্রজেক্টের প্রকল্প অগ্রগতি অবহিত করন কর্মশালা 

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনিতে আশাশুনি এডিপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ইনহেল্ডার প্রজেক্টের প্রকল্প অগ্রগতি অবহিত করন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলা কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাফফারা তাসনীনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি   ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম। আশাশুনি ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার মিলিতা সরকারের পরিচালনায় এসময় কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামিউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, সমাজ সেবা কর্মকর্তা এমদাদুল হক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছা: সামছুন্নাহার, ওয়ার্ল্ড ভিশন সাতক্ষীরা এপিসি ম্যানেজার মেথিন্ডা মেন্ডস, ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, আবু হেনা শাকিল, এস এম রফিকুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আ: হান্নান, প্রধান শিক্ষিকা কামনুন্নাহার কচি, প্রেস ক্লাব সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান, রিপোর্টার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। এসময় সাংবাদিক, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায়  আশাশুনি এডিপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ইনহেল্ডার প্রজেক্টের বিগত এক বছরের কাজের অগ্রগতি সম্বন্দে আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দলীয় সরকারের অধীনেও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব

দেশের খবর: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) মনে করে দলীয় সরকারের অধীনেও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। সেজন্য রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তবে দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে এখানো জনমনে সংশয় রয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। ‘রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে সুশাসন ও শুদ্ধাচার’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে গবেষণাপত্র উত্থাপন করেন টিআইবি’র সিনিয়র প্রগ্রাম ম্যানেজার (রিসার্স এন্ড পলিসি) শাহজাদা এম আকরাম। এসময় টিআইবি’র উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ইফতেখারুজ্জামান আরো বলেন, এক সময়ে দেশে তত্ত্বাবধায়ক প্রক্রিয়াটি গ্রহণ হয়েছিলো। তা সাংবিধানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে। এখন বাস্তবতা মেনে সাংবিধানিকভাবে যেভাবে বৈধ নির্বাচন করা সম্ভব সেভাবে করতে হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেখানে সংসদীয় গণতন্ত্র বিরাজ করছে। সেখানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিরল। যদিও আমাদের দৃষ্টান্ত অনুসরণে কোন কোন দেশ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করছে।

বিশ্বের অধিকাংশ সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের সংস্কৃতিতে যেতে চাই। কিন্তু এটা অবশ্যই মানতে হয়, আস্থাহীনতার যে কথাটি বলা হয়, তাও বাস্তব। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা যেটা আশা করতে পারি, নির্বাচনে যারা অংশগ্রহণকারী দল তাদের সবার মধ্যে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে। সেই শ্রদ্ধা বোধ থেকেই সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে দায়িত্ব পালন করবে। রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা থাকলে তা সম্ভব।

এক প্রশ্নের জবাবে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, এই সরকারের অধীনে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে তার কোনোটাই গ্রহণযোগ্য হয়নি তা বলা যাবে না। কোন কোন স্থানীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়েছে। বিতর্কের ঊর্ধ্বে হয়েছে। কী পরিপ্রেক্ষিতে এই গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে তা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো সুনির্দ্দিষ্ট ভাবে চেয়েছিল বলেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। তারপরও দেশের অনেক মানুষ দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে আস্থাহীনতা রয়েছে। যদি পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাজনৈতিক দলগুলো পালন করে এবং সাধারণ মানুষ যদি সেই ভূমিকা পালন করে পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে তাহলে দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে।

টিআইবি’র গবেষণাপত্রের পর্যবেক্ষণে বিভিন্ন দলের মনোনয়ন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রচর্চার ঘাটতিও রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার ও বাস্তবায়নে অনেক ফারাক রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সুশাসন ও শুদ্ধাচারের বিষয়ে সুনির্দ্দিষ্ট অঙ্গীকার ও পরবর্তীতে নির্বাচিত হতে পারলে তা বাস্তবায়নের তথ্য তুলে ধরার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া দূর্নীতি প্রতিরোধ ও শুদ্ধাচারর্চ্চার স্বার্থে দূর্নীতি দমক কমিশনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি কালাকানুন পাস না করার আহ্বান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতারক বহুবিবাহের হোতা কামরুলকে খুঁজছে পুলিশ!

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরায় বহু অপকর্মের হোতা কামরুল ইসলামকে খুজে পাচ্ছে না পুলিশ। গোয়েন্দা সংস্থা তাকে হন্যে হয়ে খুজে বেড়াচ্ছে। বহু নারীর জীবন নষ্টকারী ও বহু অপকর্মের হোতা কামরুল ইসলাম নিজের অপরাধকে আড়াল করতে কখনো কখনো নিজের নাম, জন্মদাতা পিতার নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করায় গোয়েন্দা সংস্থা তার নাগাল পাচ্ছে না। তবে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তার অপকর্মের খতিয়ান রয়েছে বলে জানা গেছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ জোড়দিয়া গ্রামের আলাউদ্দীন ও ছফুরা খাতুনের ছেলে কামরুল ইসলাম। ভোটার তালিকায় তার নং ১৪১৫। জাতীয় পরিচয়পত্র নং ৮৭০৬৯৭০০০৩৮৯। কামরুল ইসলামের জন্ম তারিখ ৬সেপ্টেম্বর ১৯৭৮। বহু নারীর সর্বনাশকারী ও প্রতারক কামরুল ইসলাম কখনো বকুল গাজী, কখনো বকুল চৌধুরী নাম ধারণ করে। নিজের জন্মদাতা পিতার নাম পাল্টে কখনো আলাউদ্দীনের স্থলে লোকমান গাজী, কখনো জিয়াদ গাজী আবার কখনো সুলতান গাজী লিখে প্রতারণা করেছে। হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। নামে বেনামে পুলিশের নাম করে সাধারণ মানুষকে মামলার ভয় দেখিয়ে আদায় করেছে লক্ষ লক্ষ টাকা। মাদক ব্যবসা করে গড়ে তুলেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট।
এ পর্যন্ত ৮বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে কামরুল ওরফে বকুল। অপরাধ জগতের ভয়ঙ্কর প্রতারক কামরুল ওরফে বকুলের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ জমা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে।
সূত্রমতে, ২০০০সালে যশোর কাজী অফিসের আব্দুর রউফ মাস্টারের দপ্তরে বসে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার সরাফপুর গ্রামের শেখ মুনসুর রহমানের মেয়ে মাগফুরা খাতুনকে বিয়ে করে কামরুল ইসলাম। তার মোস্তাকিম (১৬), মোছাদ্দেক (১৩) ও তফুরা খাতুন (১০) নামে তিনটি সন্তান আছে। মাগফুরার পিতা মুনসুর রহমানকে মিথ্যা ও হয়রানি মামলায় জেলে পাঠিয়ে মাগফুরাকে যশোরে নিয়ে বিয়ে করে কামরুল।
এরপর আশাশুনির সরাফপুর গ্রামের কেরামত আলীর মেয়ে আলেয়া খাতুনকে বিয়ে করে কামরুল ইসলাম। সেখানে রিমা নামে তার একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। রিমা স্থানীয় হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
এরপর ২০১২ সালে আশাশুনি উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামের আবু বক্করের মেয়ে এক সন্তানের জননী ময়না খাতুনকে বিয়ে করে কামরুল। ময়নার আগের ঘরের মেয়েকেও সর্বনাশ করতে ছাড়েনি এই লম্পট কামরুল।
এলাকাবাসি জানায়, কামরুল ইসলাম তার পিতা ও ভগ্নিপতিকেও ছাড় দেয়নি। ফেন্সডিল দিয়ে পিতা ও ভগ্নিপতিকে তুলে দেয় পুলিশের হাতে। বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসির সুপারিশে ও পুলিশের বিচক্ষণতায় কামরুলের পিতা আলাউদ্দীন ছাড়া পেলেও ভগ্নিপতিকে খেতে হয় জেলের ভাত।
এরপর কামরুলের মুখোশ খুলে গেলে স্বেচ্ছায় সে গ্রামছাড়া হয়। বিভিন্ন স্থানে একেক সময় একেক পরিচয় দিয়ে বিয়ের পর বিয়ে করতে থাকে। জোড়দিয়া থেকে চলে এসে নাম ধারণ করে বকুল গাজী ওরফে বকুল চৌধুরী। নিজের পিতার নাম পাল্টে রাখে কখনো জিয়াদ গাজী, কখনো লোকমান গাজী আবার কখনো সুলতান গাজী। সদর উপজেলার বালিথা, এল্লারচর ও সুলতানপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের নাম হয় তার ঠিকানা।
এভাবে বকুল গাজী নাম ধারণ করে ২০১৬ সালের ৯ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের সামছুদ্দিন গাজীর মেয়ে খালেদা খাতুনকে এফিডেভিডের মাধ্যমে বিয়ে করে কামরুল। পরে খালেদা খাতুনকে নিয়ে কামরুল ইসলাম ইটেরভাটার লেবার সর্দার সেজে চলে যায় আমিন বাজারের সাভারের তারা ব্রিক্সস্।ে সেখানে তারা ব্রিকস্ এর মালিককে শ্রমিক দেয়ার কথা বলে প্রায় লক্ষ টাকা ও খালেদার বিয়ের কাগজপত্র নিয়ে খালেদাকে রেখে পালিয়ে আসে কামরুল। পরে ১-৬-২০১৬ তারিখে খালেদার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে এড. এটিএম আকবর আলীর দপ্তর থেকে এফিডেফিড মূলে তালাক দেয় খালেদাকে। এরপর ২০১৮সালের ৭জুন পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকের দপ্তরে বসে আবারো খালেদা খাতুনকে বিয়ে করে।
এরআগে কামরুল ইসলাম নিজেকে বকুল গাজী এবং পিতা আলাউদ্দীনের স্থলে লোকমান গাজী সাং বালিথা পরিচয় দিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলার বন্দকাটি গ্রামের জবেদ আলীর মেয়ে রাশিদা খাতুনকে বিয়ে করে।
এছাড়া পুরাতন সাতক্ষীরা দক্ষিণপাড়া এলাকায় কামরুল ওরফে বকুল ও তার স্ত্রী পরিচয়দানকারী চাঁদনি খাতুন ২০১৮সালের ২৯জুলাই আনিছুর রহমানের বাড়ি থেকে গরু চুরি করে পালানোর সময় এলাকাবাসি ধরে গণধোলাই দেয়।
এদিকে তথ্যানুসন্ধানে এলাকাবাসি আরো জানায়, গত ২১-০১-২০১৮ তারিখে একটি মাছের ঘেরের লিজডিড করে কামরুল। সেখানে নিজের নাম কামরুল ইসলাম, পিতা- আলাউদ্দীনের স্থলে লিখেছে সুলতান গাজী। ঠিকানা লিখেছে সুলতানপুর।
কামরুল ইসলাম ওরফে বকুলের প্রতারণা এখানেই শেষ নয়,পুরাতন সাতক্ষীরার মরহুম গোলাম এজদানির ছেলে ওলিউল্যাহকে পুলিশ ধরলে তাকে ছাড়ানোর নাম করে কামরুল ওরফে বকুল ৪৭হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেন ওই পরিবারের সদস্যরা।
২০১৬ সালের ২নভেম্বর বকুল গাজীর নামে ফেন্সিডিল পাচারের মামলা হয়। মামলা নং ০২/৫৮২।
এভাবেই কামরুল ইসলাম ওরফে বকুল একের পর এক বিয়ে করে অসংখ্য নারীর জীবন নষ্ট করেছে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আদায় করছে লক্ষ লক্ষ টাকা। মাদক পাচার করে হয়েছে কোটিপতি। তার প্রতারণার শিকার হয়ে সর্বশান্ত হয়েছে অগণিত পরিবার। তার জন্ম দেয়া সন্তানেরাও আজ পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
অবিলম্বে এই কামরুল ওরফে বকুলকে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এলাকাবাসির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ লাখ সাড়ে ১০ হাজার সরকারি পদ শূন্য

দেশের খবর: জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমানে দেশে মন্ত্রণালয় অধিদফতর আওতাধীন ৩ লাখ ১০ হাজার ৫১১টি পদ শূন্য রয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদে নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন দফতর/সংস্থায় মোট শূন্য পদের সংখ্যা ২ হাজার ৫৯৬টি। কোনো কোনো দফতর/সংস্থার নিয়োগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন, কিছু কিছু পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণযোগ্য এবং কিছু কিছু পদ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে পূরণযোগ্য বিধায় শূন্য পদ পূরণের তারিখ নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা সম্ভব নয়।
সিলেট-৫ আসনের সেলিম উদ্দিনের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫’ জারির পূর্বে জনপ্রশাসনের কর্মচারীগণ ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণিতে বিভাজিত ছিল। শ্রেণিভিত্তিক উক্ত বিভাজনে ১ম গ্রেড হতে ৯ম গ্রেড ১ম শ্রেণি, ১০ গ্রেড হতে ১৩তম গ্রেড ২য় শ্রেণি, ১৪তম গ্র্রেড হতে ১৬তম গ্রেড ৩য় শ্রেণি এবং ১৭তম গ্রেড হতে ২০তম গ্রেড ৪র্থ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তারিখে জারিকৃত ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫’ এর অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী ‘আপাতত বলবৎ এতদসংক্রান্ত অন্য কোনো বিধি-বিধান যাহাই থাকুক না কেন, কর্মচারীগণ ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণিতে বিভাজনের বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তে বেতনস্কেলের গ্রেডভিত্তিক পরিচিত হইবেন।’ মর্মে বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে জনপ্রশাসনের কর্মচারীগণের পরিচিতি বেতন স্কেলের ‘গ্রেডভিত্তিক’ পরিচিতির ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest