সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

যেভাবে ফাইনালে যেতে পারে বাংলাদেশ

খেলার খবর: তৃতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলার খুব কাছে চলে এসেছে বাংলাদেশ। কঠিন কোনো সমীকরণ নয়, একদম সোজাসাপটা কিছু কাজ করলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল দেখা যাবে।
আফগানিস্তানকে নাটকীয়ভাবে ৩ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সুপার ফোরে মাশরাফিদের এ জয়ে আফগানিস্তানের বিদায় যেমন নিশ্চিত হয়েছে, তেমনি নিশ্চিত হয়েছে ভারতের ফাইনাল খেলা। সুপার ফোরের দুই ম্যাচ শেষে ভারত পূর্ণ চার পয়েন্ট নিয়ে সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে। এক জয় ও এক হার নিয়ে সমান দুই পয়েন্ট পাকিস্তান ও বাংলাদেশের। কিন্তু ভারতের কাছে হারের ব্যবধানে পাকিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে ভালো করায়, রান রেটে পাকিস্তানই একটু এগিয়ে আছে। ঋণাত্মক ০.৫৫৬ রানরেট নিয়ে দুইয়ে আছে পাকিস্তান। আর ঋণাত্মক ০.৬৪৫ রান রেট নিয়ে তিনে আছে বাংলাদেশ। আর দুই হারে শূন্য হাত আফগানিস্তানের। ২৮ তারিখের ফাইনালে ‘স্বাগতিক’ ভারতের মুখোমুখি কারা সেটাই হচ্ছে প্রশ্ন। বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান?
২৫ তারিখের ম্যাচটা ভারতের জন্য ফাইনালের প্রস্তুতি ম্যাচ, আর আফগানিস্তানের জন্য গৌরব পুনরুদ্ধারের। এ ম্যাচের ফল এশিয়া কাপে কোনো প্রভাব ফেলবে না। আর ২৬ তারিখ বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ এখন অলিখিত সেমিফাইনাল। সে ম্যাচে জয় পেলেই তখন দ্বিতীয় সেরা হিসেবে ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আর পাকিস্তান একমাত্র জয় নিয়ে নিয়ে তৃতীয় হয়ে সন্তুষ্ট হবে।
আর যদি ম্যাচটি টাই কিংবা পরিত্যক্ত হয়, তবে শ্রেয়তর রানরেটে পাকিস্তানই উঠবে ফাইনালে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইপিএলের পরের আসর দ. আফ্রিকায়!

খেলার খবর: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) পরের আসর বসতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকায়। ২০১৯ সালে ভারতে সাধারণ নির্বাচন।
সে সময় দেশে আইপিএলের মতো বড় আসর আয়োজন সম্ভব হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আট ফ্র্যাঞ্চাইজিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় আইপিএল আয়োজনের সম্ভাবনার বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। ২০১৯ সালে আবার ওয়ানডে বিশ্বকাপও হবে।
ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) জানিয়েছে, বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্ট শুরুর কমপক্ষে ১৫ দিন আগে আইপিএলের আসর শেষ করা হবে। আগামী বছরের মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে আইপিএল শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে মিটিংয়ে বসবে আইপিএলের পরিচালনা পর্ষদ।
বিসিসিআইয়ের ঘনিষ্ঠ সূত্র দক্ষিণ আফ্রিকায় টুর্নামেন্ট করার সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নিয়ে বলেছে, ‘আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা বাদ দিলে, আমরা ধরে নিতে পারি নির্বাচন এপ্রিল বা মে মাসে হবে। যদিও আইপিএল শুরু হবে মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে। টুর্নামেন্টের মাঝখানে আমরা জায়গা বদলাতে পারব না। এতে দলগুলোকে শেষদিকে এসে আবার কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে।’
তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের পরিকল্পনায় দক্ষিণ আফ্রিকা এক নম্বরে। সেখানকার কন্ডিশন একদম আলাদা। সেখানে আলাদা কৌশলে এগোতে হবে। ইংল্যান্ডও আমাদের ভাবনায় ছিল। কিন্তু সেখানকার আবহাওয়া অনুকূল নয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতে মাত্র তিনটি ভেন্যু। সেখানে আমরা পুরো আইপিএল করতে পারব না। এজন্যই দক্ষিণ আফ্রিকাকে বেছে নেয়া। শুধু বেশি ভেন্যু আছে এমন নয়, তাদের খেলোয়াড়রাও পুরো টুর্নামেন্ট খেলতে পারবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রসব করানোর সময় সন্তানের দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন

দেশের খবর: প্রসব করানোর সময় পেটে মাথা রেখেই দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন দুই নার্স ও এক আয়া। কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটেছে।
পরে তা ডাস্টবিনে লুকানোর চেষ্টাকালে রোগীর স্বজনদের নজরে আসে। এতে প্রসূতির জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়লে পেটে সন্তানের মাথার অংশ রেখে তড়িঘড়ি করে তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক অপারেশন করে রবিবার ওই প্রসূতির পেট থেকে সন্তানের মাথার অংশ বের করে আনেন। তার অবস্থা বর্তমানে আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন পরিবারের স্বজনরা।
এদিকে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বশীল মেডিক্যাল অফিসার ডা. আহসানুল হক ও ডা. ডা. নীলা পারভীন কিছুই জানতেন না বলে দাবি করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহমেদ কবির। এ ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে।
জানা গেছে, দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের রিকশাচালক সেলিম মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে স্বাভাবিক প্রসবের জন্য শনিবার বিকাল পৌনে ৩টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে্ক্সে মেডিক্যাল অফিসার ডা. নীলা পারভীনের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ফাতেমার স্বামী সেলিম মিয়া ও স্বজনরা জানান, প্রসব বেদনা থাকলেও কোন চিকিৎসক না থাকায় সন্তান প্রসবের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। হাসপাতালের নার্স আছিয়া ও ঝর্না রোগীর স্বজনদের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের জন্য বাইরের দোকান থেকে ওষুধপত্র ক্রয় করান। পরবর্তীতে প্রসব বেদনায় প্রসূতি হাসপাতালে কাতরালেও সময়মত ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার ব্যবস্থা কোন ব্যবস্থা নেননি। একপর্যায়ে ওই রাত সাড়ে ১১টার দিকে নার্স আছিয়া, ঝর্না ও আয়া জেসমিন মিলে ফাতেমার গর্ভের সন্তানের পা এবং হাত ধরে টানাটানি শুরু করলে হাত-পাসহ অর্ধেকাংশ ছিঁড়ে প্রসুতির পেট থেকে বেরিয়ে আসে এবং মাথা ছিঁড়ে পেটে থেকে যায়।
এ অবস্থায় প্রসূতির জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়লে গভীর রাতে প্রসূতিকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। রবিবার ওই হাসপাতালে অপারেশন করে প্রসূতির পেটে থাকা সন্তানের মাথাসহ অর্ধেকাংশ বের করে আনা হয়। বর্তমানে ওই প্রসূতি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
ওই প্রসূতির স্বামী সেলিম জানান, আমি রিকশা চালাই, কার কাছে বিচার চাইব, অভিযোগ কেমনে করবো, কোথায় যাবো?
তিনি জানান, ডা. নীলা সরকারি ডাক্তার, তিনি দেবিদ্বারের একটি প্রাইভেটে হাসপাতালে আমার স্ত্রীকে পরীক্ষা করেন, কিন্তু কাংখিত টাকা দিতে পারবো না, এ আশংকায় আমাদের পাঠিয়ে দেয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ডা. নীলার কথা মতো আমি সরকারি হাসপাতালে যাই, কিন্তু টাকা দিতে না পারায় তিনি একবারও আমার স্ত্রীর খবর নেননি। ডাক্তার ও নার্সের অবহেলায় আমার স্ত্রী আজ মরতে বসেছে, আমি তাদের বিচার চাই।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহমেদ কবির জানান, দায়িত্বশীল মেডিক্যাল অফিসার ডা. আহসানুল হক ও ডা. নীলা পারভীনকে না জানিয়ে রাতে নার্স আছিয়া, ঝর্না ও আয়া জেসমিন মিলে সন্তান ডেলিভারির চেষ্টা করেন। এসময় সন্তানের দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে মাথার অংশ পেটে রেখেই প্রসূতিকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনার তদন্তের জন্য দেবিদ্বার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তামান্না সোলেমানকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সদস্য সচিব একই হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মনজুর রহমান ও সদস্য মেডিক্যাল অফিসার ডা. আহসানুল হক। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিটিকে বলা হয়েছে।
কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. মুজিবুর রহমান জানান, দেবিদ্বার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়ে আমার কাছে যে তথ্য এসেছে তাতে আমি মর্মাহত হয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় মধু

অনলাইন ডেস্ক: প্রাচীনকাল থেকেই ঔষধ হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন সকালে মধু খেলে ওজন কমে। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এতে লিভার পরিস্কার থাকে।

শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে মধু। কারণ মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠাণ্ডা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়।

মধুর সঙ্গে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ ভাগ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।

হজমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। মধু পেটের অম্লভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা দূর করার জন্য মধু খেতে চাইলে প্রতিবার ভারি খাবার খাওয়ার আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু কিন্তু খুবই উপকারী।

মধুতে আছে প্রাকৃতিক চিনি যা শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখে। বিশেষ করে যারা মিষ্টি জাতীয় কিছু খেতে পছন্দ করেন, তারা অন্য মিষ্টি খাবারের বদলে মধু খেতে পারেন। শরীরের দুর্বলতা ও চা-কফির নেশা কমায় মধু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধ করে লেবুর রস

স্বাস্থ্য কণিকা: কিডনি আমাদের শরীর থেকে প্রস্রাবের সঙ্গে বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করে। কখনো লবণের সঙ্গে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ মিশে কিডনিতে একধরনের কঠিন পদার্থের জন্ম দেয়, যাকে আমরা কিডনির পাথর বলি। আর লেবু বা লেবু জাতীয় ফল যেমন মাল্টা, কমলা ইত্যাদির রস কিডনিতে পাথর হওয়া থেকে আমাদের শরীরকে প্রতিরোধ করে।

লেবুর রসে hydroxycitrate (HCA) থাকে, যা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল গলিয়ে দিতে সাহায্য করে। এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টালের কারণেই মূলত কিডনিতে পাথর হয়।

ইউনিভার্সিটি অব হাউজটনের অধ্যাপক জেফ্রি রিমার জানিয়েছেন, মিনারেল জমে শক্ত হয়ে আমাদের কিডনিতে জমে যায়। একেই আমরা কিডনির পাথর বলে থাকি। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ওবেসিটি থেকে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। যে কোনও লেবুর রস এই জমাট বাঁধা ক্যালসিয়াম গলিয়ে দিতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ’লীগই আ’লীগের বড় শত্রু

আ’লীগই আ’লীগের বড় শত্রু

কর্তৃক daily satkhira

দেশের খবর: বিএনপি জামায়াত আমাদের প্রতিপক্ষ নয়, প্রতিপক্ষ আমরা নিজে নিজেই সৃষ্টি করছি। কেউ কার বিরুদ্ধে সমালোচনা না করে আগামী নির্বাচনের জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। দলে একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে সমালোচনা ও কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করলে ব্যবস্থা নেবে দল বলে জানিয়েছেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া শহীদ আব্দুল হামিদ বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপিরকে নালিশ পার্টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির নাম এখন বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিভিন্ন স্থানে নালিশ করাই এখন তাদের মূল কাজ। এক মাস ধরে প্রচারণা চালিয়েও আন্দোলন জমাতে ব্যর্থ হওয়ায় দিশেহারা হয়ে গেছে এখন বিএনপি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, একটি বিদেশি সংস্থা জরিপ চালিয়েছে, যেখানে বলা আছে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা ৬৬ শতাংশ। এই ৬৬ শতাংশ বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য হতে পারে না। যুক্তফ্রন্ট যে ঐক্যের ডাক দিয়েছে, সেটি জাতীয় ঐক্য নয়, জাতীয়তাবাদী সাম্প্রদায়িক ঐক্য।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের উন্নয়নের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারে পৌঁছায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।

তার সফর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক একে এম এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাসান মাহবুব, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল হক আমিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি একই পরিবারের ৩ জন খুন

অনলাইন ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার কপিনবাবা এলাকায় বাংলাদেশি একই পরিবারের ৩ জনকে খুন করা হয়েছে। শনিবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন আফ্রিকান (কালা) পরিবারটির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
খুন হওয়া বাংলাদেশিরা হলেন- মো. ইউনুস, তার স্ত্রী ও মেয়ে। জানা গেছে, ইউনুস তার আফ্রিকান স্ত্রী ও তার মেয়েকে নিয়ে ওই কপিনবাবা এলাকায় বসবাস করতো।
শনিবার রাতে আফ্রিকান কালারা ওই পরিবারের সবাইকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। ইউনুসের হাত-পায়ের রগ কেটে তারা মৃত্যু নিশ্চিত করে। নিহত ইউনুসের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ সদরের আলিরটেক ইউনিয়নে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল ভারত

খেলার খবর: এশিয়া কাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পরাস্ত করেছে ভারত। পাকিস্তানের দেয়া ২৩৮ রানের লক্ষ্য মাত্র ১ উইকেট হারিয়েই টপকে যায় ভারত। সর্বোচ্চ ১১৪ রান করেছেন শেখর ধাওয়ান। এছাড়া ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতেই ২১গ রান তুলে ফেলে ভারত। ধাওয়ান রান আউট হলেও ততোক্ষণে পাকিস্তানের হারটা ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র।

শুরু থেকেই দুই ওপেনার শেখর ধাওয়ান ও রোহিত শর্মার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানী বোলারদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে ভারত। সরফরাজবাহিনীর কোনো পরিকল্পনাই সফল হতে দেননি এই দুই ব্যাটসম্যান।

এর আগে ভারতকে ২৩৮ রানের লক্ষ্য দেয় পাকিস্তান। দুবাই স্টেডিয়ামে, শুরুতেই ভারতীয় বোলারদের দাপটে চাপে পড়ে সরফরাজবাহিনী। দলীয় ২৪ রানে এলবি হয়ে সাজঘরে ফেরেন ইমাম উল হক। চাহালের ষিকার হওয়ার আগে করেছেন ১০ রান। আরেক ওপেনার ফখর জামান বিদায় নিয়েছেন দলীয় ৫৫ রানে। করেছেন ৩১ রান। এরপর রানআউট হয়ে ৯ রান করা বাবর আজমও ফিরে যান প্যাভিলিয়নে।

তবে শোয়েব মালিক ও সরফরাজের ব্যাটে ম্যাচে ফিরে আসে পাকিস্তান। এই দুজনের ১০৭ জুটিতে বড় রানের স্বপ্ন জাগিয়ে তোলে দলটি। ১৬৫ রানের মাথায় ৪৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন সরফরাজ। এদিকে দলীয় ২০৩ রানে শোয়েব মালিক ফেরেন ৭৮ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলে। এরপর টেইলএন্ডারদের কল্যাণে শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২৩৭ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ভারত: ২৩৮/১ (১৮.৩ ওভারে)
ধাওয়ান ১১৪, রোহিত ১১১*

পাকিস্তান: ২৩৭/৭ (৫০ ওভারে)
শোয়েব মালিক ৭৮, সরফরাজ ৪৪
কুলদীপ ২/৪১

দুই দলের একাদশ:

ভারত: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শেখর ধাওয়ান, দিনেশ কার্তিক, আমবাটি রাইডু, মণীষ পান্ডে, মহেন্দ্র সিং ধোনি, কেদার যাদব, দিনেশ কার্তিক, ভুবনেশ্বর কুমার, কুলদিপ যাদব, জসপ্রিত বুমরাহ, যুজবেন্দ্র চাহাল।

পাকিস্তান: ফখর জামান, ইমাম উল হক, বাবর আজম, শোয়েব মালিক, সরফরাজ আহমেদ (অধিনায়ক), আসিফ আলি, শাদাব খান, ফাহিম আশরাফ, মোহাম্মাদ আমির, হাসান আলি ও উসমান খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest