ছুটির দিনের নাশতায় ব্রেড পাকোড়া

অনলাইন ডেস্ক: সারা সপ্তাহ ব্যস্ততার কারণে অনেকেই রান্নায় তেমন সময় দিতে পারেন না। এতে প্রিয়জনের জন্য বিশেষ কিছু রান্না করার সময় হয়ে ওঠে না। তাই চাইলে ছুটির দিনে কিছু রান্না করে চমকে দিতেন পারেন সবাইকে। ছুটির দিনে বিকেলের নাশতায় খেতে পারেন ব্রেড পাকোড়া। এটি অত্যন্ত মজাদার একটি নাশতা। শিশুদের বেশ প্রিয়। চলুন তাহলে রেসিপিটি দেখে নিই :

উপকরণ
পাউরুটি ছয়টি/ টুকরা
বেসনের মিশ্রণের জন্য
১. বেসন তিন/ চার কাপ
২. লাল/ শুকনো মরিচের গুঁড়া এক/ চার চা চামচ
৩. হলুদ গুঁড়া এক/ চার চা চামচ
৪. গরম মসলা গুঁড়া এক/ চার চা চামচ
৫. লবণ স্বাদমতো
৬. পানি পরিমাণমতো

আলুর মিশ্রণের জন্য
১. আলু দুটি মাঝারি (সিদ্ধ করে ছিলে নিন)
২. লাল/ শুকনো মরিচের গুঁড়া এক/ দুই চা চামচ
৩. জিরার গুঁড়া এক/ চার চা চামচ
৪. ধনিয়া গুঁড়া এক/ দুই চা চামচ
৫. লবণ স্বাদমতো
৬. তেল পরিমাণমতো

প্রণালি
একটি পাত্রে বেসন, লাল/ শুকনো মরিচের গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া ও লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর পানি দিয়ে বেসনের মিশ্রণ তৈরি করুন (মিশ্রণটি খুব বেশি পাতলা বা খুব বেশি ঘন হবে না)। এবার মিশ্রণটি ঢেকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিন।
এবার সিদ্ধ আলু ভালো করে চটকে নিন। জিরার গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, লাল/ শুকনা মরিচের গুঁড়া (লাল/ শুকনো মরিচের বদলে কাঁচামরিচ ব্যবহার করা যেতে পারে) এবং লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে একপাশে রাখুন।
পাউরুটির পাশের ধারটুকু কেটে নিন। এবার দুই টুকরো পাউরুটি একসঙ্গে নিয়ে পছন্দমতো আকারে কেটে নিন। কাটা এক টুকরো পাউরুটির ওপর আলুর অল্প মিশ্রণ দিয়ে ওপরে অন্য টুকরাটি দিন। তারপর দুই হাতের মুঠোয় নিয়ে হালকা চাপ দিন। এভাবে বাকি টুকরাগুলো তৈরি করুন।
এবার একটি কড়াইয়ে তেল গরম দিন। তৈরি পাউরুটির পাকোড়াগুলো বেসনের মিশ্রণে ডুবিয়ে তেলে বাদামি করে ভেজে নিন। তৈরি হয়ে গেল পাউরুটির পাকোড়া। গরম গরম পাকোড়া কেচাপ দিয়ে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশুর মাথা ফুঁড়ে বেরিয়ে গেল সন্ত্রাসীদের গুলি

বিদেশর খবর: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন নিয়ে সংঘর্ষে তিন বছরের একটি শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। মালদহের মানিকচকের রামনগর গ্রামে মৃণাল মণ্ডল নামে ওই শিশুর মাথা ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছে গুলি।
বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) বিকালে দুষ্কৃতীকারীরা পুতুলদেবীর বাড়ির দিকে গুলি ছোড়ে। তখন তিনি নিজেই বারান্দায় বসেছিলেন। তাঁর স্বামী পরিমলবাবু দাঁড়িয়েছিলেন বাড়ির সামনেই। হঠাৎ কয়েক জন এসে গুলি চালায়। এতে মৃণাল মণ্ডল নামে ওই শিশুর মাথা ফুঁড়ে বেরিয়ে যায় গুলি।
গুলিবিদ্ধ মৃণালের অবস্থা সঙ্কটজনক। মালদহ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাকে। সেখান থেকে মালদহেরই একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘‘ক্ষতর ধরন দেখে প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, সেভেন এমএম কিংবা নাইন এমএম পিস্তল থেকে গুলি করা হয়েছে।’’
এর আগে মানিকচক ব্লকের গোপালপুরে সোমবার বোমার স্প্লিন্টারে আহত হয় জিশান শেখ নামে বছর তিনেকের একটি শিশু। সে এখন অনেকটা সুস্থ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়া কাপ; ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি শেষ

খেলার খবর: আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্দা উঠবে এশিয়া কাপ ২০১৮ আসরের। এরই মধ্যে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য গ্রুপ পর্বের খেলায় ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে ১৯ সেপ্টেম্বর। প্রাথমিকভাবে যেসব টিকিট ছাড়া হয় তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়। এরপর অনলাইনে অতিরিক্ত টিকিট ছাড়া হয়। সেগুলোও দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে।
প্রসঙ্গত, টি-২০ বিশ্বকাপের কথা বিবেচনা করে ২০১৬ সালে এশিয়া কাপ ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ভার্সন টি-টোয়েন্টিতে হলেও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হবে ৫০ ওভারে। গতবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।
দুবাইয়ে বাংলাদেশে- শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের এশিয়া কাপ। এবারের আসরটি এশিয়া কাপের ১৪তম আয়োজন। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবে বাছাইপর্ব থেকে উতরে আসা আরও একটি দল। বাছাইপর্বে খেলবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, হংকং, নেপাল, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ওমান।
গ্রুপ ‘বি’ তে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। এ ছাড়া একই গ্রুপ ‘এ’তে অবস্থান করছে ভারত ও পাকিস্তান। গ্রুপ পর্বের সেরা চার দলকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে সুপার ফোর। সুপার ফোরের সেরা দুই দল খেলবে ফাইনালে। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২৮ সেপ্টেম্বর।
১৯৮৪ সালে শুরু হওয়া এশিয়া কাপ ২০ ওভারে একবারই অনুষ্ঠিত হয়েছে। এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলো নিয়ে এ টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়। গত আসরসহ বাংলাদেশ পাঁচ বার এশিয়া কাপের আয়োজন করে। বাংলাদেশ দুইবার ফাইনালে উঠলেও জিততে পারেনি।

এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের সূচি
১৫ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা, দুবাই
১৬ সেপ্টেম্বর – পাকিস্তান বনাম বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা দল, দুবাই
১৭ সেপ্টেম্বর – শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান, আবু ধাবি
১৮ সেপ্টেম্বর – ভারত বনাম বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা দল, দুবাই
১৯ সেপ্টেম্বর – ভারত বনাম পাকিস্তান, দুবাই
২০ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান, আবু ধাবি

সুপার ফোরের সূচি
২১ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘এ’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘বি’ রানার্স আপ
২১ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘বি’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘এ’ রানার্স আপ
২৩ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘এ’ রানার্স আপ বনাম গ্রুপ ‘বি’ রানার্স আপ
২৩ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘এ’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘বি’ বিজয়ী
২৫ সেপ্টম্বর– গ্রুপ ‘এ’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘এ’ রানার্স আপ
২৬ সেপ্টেম্বর- গ্রুপ ‘বি’ বিজয়ী বনাম গ্রুপ ‘বি’ রানার্স আপ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৫৯

দেশের খবর:এবার ঈদুল আজহার ছুটিতে মাত্র ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৯ জন। এই প্রাণহানির সংখ্যা গত দুই বছরের চেয়ে কিছুটা কম। কিন্তু দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১৬ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত ঈদযাত্রার ১৩ দিনে সড়কে ২৩৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৯ জন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ৯৬০ জন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, গত ঈদুল ফিতরের তুলনায় এবার দুর্ঘটনা ১৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ, প্রাণহানি ২৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং আহত ২৪ দশমিক ১১ শতাংশ কমেছে। তবে গত ব্ছরের ঈদুল আজহার তুলনায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা বেড়েছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এবার র‍্যাব, পুলিশ, বিআরটিএর নানামুখী তৎপরতায় দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা কম হলেও পরিবহন সেক্টরের নৈরাজ্য ও সড়কে হত্যা থামানো যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরে আপনারাই দেখেছেন, আমাদের সব সংস্থা কিন্তু সবার ঘুম ভেঙেছে প্রকৃতপক্ষে। আমরা পুলিশকে সরব থাকতে দেখেছি।’
সম্মেলনে সেইফ রোড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অ্যালায়েন্সের (স্রোতা) আহ্বায়ক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনা তো হতেই পারে নানা কারণে। কিন্তু যেই দুর্ঘটনা একটা হেলপার বা একটা চালকের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে একজনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে মৃত্যু ঘটাল অথবা প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে মৃত্যু ঘটাল অথবা মালিকপক্ষের চাপের মুখে প্রতিযোগিতা করতে বাধ্য হয়ে চালকরা সড়ক দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে; ওইটাই আমাদের ব্যথিত করে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযুদ্ধের ছবি ব্যবহার করে রোহিঙ্গাবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে মিয়ানমার

বিদেশের খবর: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ছবি ব্যবহার করে রোহিঙ্গাবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সে সময় বাঙালিদের ওপর পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর গণহত্যার ছবিকেই মিয়ানমার সেনারা রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের দ্বারা বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী নিধনের ছবি হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পাবলিক রিলেশন অ্যান্ড সাইকোলজিক্যাল ওয়ারফেয়ার ডিপার্টমেন্ট ১১৭ পৃষ্ঠার ওই বইটি জুলাই মাসে প্রকাশ করে। তারা েওই বইয়ে প্রকাশিত ছবিকে ‘ডকুমেন্টারি ফটো’ বলে উল্লেখ করেছে। অথচ এর মধ্যে বেশ কিছু ছবি বাংলাদেশের মুক্তযুদ্ধকালীন ছবি। ওই বইয়ে ব্যবহৃত আটটি ঐতিহাসিক ছবি বিশ্লেষণ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এগুলোর মধ্যে তিনটি ছবি ভুয়া। ছবিগুলো বিকৃত করা হয়েছে।

বইটিতে প্রকাশিত ছবিগুলো রাখাইনের উত্তরাঞ্চলের বলে দাবি করা হয়েছে। তবে প্রকৃতপক্ষে এর মধ্যে একটি বাংলাদেশের মুক্তযুদ্ধকালীন ছবি এবং অপরটি তানজানিয়ার ছবি। তৃতীয় একটি ছবির বর্ণনায় দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে প্রবেশ করছে। অথচ প্রকৃতপক্ষে তা দেখাচ্ছে যে তারা ওই এলাকা ত্যাগ করছে।

একটি ছবিতে দেখা গেছে, এক ব্যক্তি কৃষিকাজে ব্যবহৃত একটি সরঞ্জাম নিয়ে দুইটি মৃতদেহের কাছে দাঁড়িয়ে আছেন। ওই ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ১৯৪০ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় রোহিঙ্গা কর্তৃক বৌদ্ধদের হত্যার ছবি এটি।কিন্তু ওই ছবিটি বিশ্লেষণ করে রয়টার্স বলছে, প্রকৃতপক্ষে এটি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো গণহত্যার ছবি। যখন হাজার হাজার বাংলাদেশিকে হত্যা করেছিল পাক হানাদার বাহিনী। অথচ সেই ছবিকে বলা হচ্ছে রাখাইনের ছবি।

অন্য একটি ছবিতে দেখা গেছে, লং মার্চ করে যাচ্ছে অসংখ্য মানুষ। ছবির ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, মিয়ানমারের নিম্নাঞ্চলীয় এলাকা ব্রিটিশ উপনিবেশের দখলে যাওয়ার পর বাঙালিরা মিয়ানমারে অনুপ্রবেশ করছে। ঔপনিবেশিক যুগে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ হিসেবে ছবিটি দেখানো হয়েছে।

১৯৪৮ সালে ঔপনিবেশিক যুগের সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু ওই ছবিটি বিশ্লেষণ করে রয়টার্স নিশ্চিত করেছে যে, ১৯৯৬ সালে রুয়ান্ডার গণহত্যা থেকে বাঁচতে তানজানিয়ায় পালাতে থাকা শরণার্থীদের রঙ্গিন এই ছবিটিকে সাদা-কালো রূপ দেওয়া হয়েছে। পিটসবার্গ পোস্ট গেজেট পত্রিকার জন্য ওই ছবিটি তুলেছিলেন মারথা রিয়াল। তবে ওই ছবিটি মিয়ানমারের এভাবে ব্যবহারের প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও পিটসবার্গ পোস্ট গেজেটের তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আরও একটি সাদা কালো ছবি প্রকাশিত হয়েছে যেখানে একটি ভাঙ্গাচোরা নৌকায় অনেক মানুষকে দেখা যাচ্ছে। নৌকার এই ছবিটি উল্টো করে দেয়া হয়েছে। পানি পথে বাঙালিরা মিয়ানমারে প্রবেশ করছে বলে দাবি করা হলেও রয়টার্স বলছে, এটি ২০১৫ সালের ছবি। সেসময় রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশি অভিবাসীরা মিয়ানমার ছাড়ছে। নৌপথে হাজার হাজার মানুষ মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহিদ আলাউদ্দিন হত্যার বিচার বাস্তবায়নে সংগ্রাম কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক শহীদ স ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার বিচার বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শহীদ স ম আলাউদ্দিন মিলনায়তনে প্রয়াত এই সম্পাদকের ৭৪তম জন্মদিন ও হত্যা মামলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, সাতক্ষীরা ল’ কলেজের অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট এসএম হায়দার আলী, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদ আব্দুল বারী, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ সাতক্ষীরার আহ্বায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ইদ্রিস আলী, জেএসডির কেন্দ্রীয় নেতা সুধাংশু সরকার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৯ জুন নিজ পত্রিকা অফিসে কর্মরত অবস্থায় ঘাতকদের গুলিতে নিহত হন দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক শহীদ স ম আলাউদ্দিন। এরপর ২২ বছর অতিবাহিত হলেও আজও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার পায়নি সাতক্ষীরাবাসী। হত্যা মামলা হলেও তা কোয়াশমেন্ট করে রাখা হয়েছিল দীর্ঘদিন। এর পর বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা প্রভাবিত করতে হত্যাকারীরা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। এ মামলায় ন্যায় বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরাবাসী ফের রাজপথে নামবে।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে স ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার বিচার বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটিতে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, ডেপুটি কমান্ডার আবু বকর সিদ্দিক, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু আহমেদ, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিসুর রহিম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, পত্রদূতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লাইলা পারভীন সেঁজুতি, বাসদ নেতা শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, জাতীয় পার্টির সভাপতি আহজার হোসেন, সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মাসুম, জাসদ নেতা শেখ ওবায়দুস সুলতান বাবলু, জেএসডি নেতা সুধাংশু শেখর সরকার, জাসদের জেলা সেক্রেটারি ইদ্রিস আলী, ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, জেলা সিপিবির সভাপতি আবুল হোসেন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক আলী নুর খান বাবুল, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের আল মাহমুদ পলাশ, সাহিত্যিক গাজী শাহজান সিরাজসহ ৩১জনকে সদস্য করা হয়েছে।

এই কমিটি শহীদ স ম আলাউদ্দিন হত্যা মামলার বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রসঙ্গত, আধুনিক সাতক্ষীরার রূপকার দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক শহীদ স ম আলাউদ্দিন সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য, সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর ও সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিমান বিধ্বস্ত, ১৫ সেনাসহ নিহত ১৮

বিদেশের খবর: আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ায় একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় বিমানে থাকা ১৫ সেনা সদস্য এবং তিন সাধারণ নাগরিকের সবাই নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা ফানার বরাতে এ খবর দিয়েছে এএফপি।
সংবাদ সংস্থা ফানা জানিয়েছে, দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর দিরে দাওয়া থেকে উড্ডয়ন করে বিশপ্থুতে ইথিওপিয়ান বিমান বাহিনীর সদরদপ্তরে যাওয়ার সময় মাঝপথে ওরমিয়া এলাকায় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। বিশপ্থু দেশটির রাজধানী আদ্দিস আবাবার দক্ষিণাঞ্চলীয় রিসোর্ট এলাকা।
ওরমিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আদ্দিসু আরেগা ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছেন, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। যারা তাদের জীবন হারিয়েছে তাদের জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।
এর আগে ২০১৩ সালে দেশটিতে একটি সামরিক কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে চার ক্রু নিহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৭ বাঙালি কবির ইংরেজি কবিতাসংগ্রহ এখন আমাজনে

অনলাইন ডেস্ক: ৩৭ জন বাঙালি কবির প্রায় সাড়ে তিন’শ কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে ৫৫০ পৃষ্ঠার ইংরেজি কবিতাসংগ্রহ ‘আন্ডার দি ব্লু রুফ’। এই প্রথমবারের মতো বাঙালি কবিদের এরকম একটি সংকলন প্রকাশ করেছে আমাজন। বইটি পৃথিবীর যে কোনো জায়গা থেকে আমাজনে লগ ইন করে অর্ডার করা যাবে। বইটি অনলাইনে কেনা যাচ্ছে মাত্র ২০ ডলারে।
এই গ্রন্থটি প্রকাশের মধ্য দিয়ে বাঙালি কবিদের আন্তর্জাতিক বাজারে পদার্পণ শুরু হল। বইটি সম্পাদনা করেছেন নিউইয়র্কে বসবাসরত কবি কাজী জহিরুল ইসলাম। এই কবিতাসংগ্রহে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে শামীম আজাদ, মাহবুব হাসান, মাসুদ খান, কাজী জহিরুল ইসলাম, দিলারা হাফিজ, সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, মুজিব ইরম, মজনু শাহ, আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ, সালেম সুলেরী, শাহ আলম দুলাল, শাকিল রিয়াজ, আবু যুবায়ের, আহমেদ জামিল, আহমেদ মূসা, অজিত পাত্র, একেএম আবদুল্লাহ, আলম সিদ্দিকী, অশোক কর, ফকির সেলিম, ফেরদৌস নাহার, লালন নূর, শিউলি জাহান, মোহাম্মদ নাসিরুল্লাহ, মনিজা রহমান, নাজমুন নাহার, কাজী আবরার জহির, রবিশঙ্কর মৈত্রী, রিপা নূর, রওনক আফরোজ, সাকিফ ইসলাম, শুকা গাঙ্গুলি, সুজন বড়ুয়া সাইম, উদয় শংকর দূর্জয়, ভায়লা সালিনা লিজা, জেবুন্নেসা জ্যোৎস্না এবং জাকির হোসেন।
এই গ্রন্থে অন্তর্ভূক্ত কবিরা সকলেই কোনো না কোনো কারণে বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। কবিদের অনেকে নিজেই নিজের কবিতা বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন, আবার কেউ কেউ সরাসরি ইংরেজিতেই লিখেছেন। অনেকে পেশাগত অনুবাদকের কাছ থেকে সাহায্য নিচ্ছেন। বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদে কবিদের সাহায্য করেছেন সিদ্দিক মাহমুদ, লুবনা ইয়াসমীন, ইমরান খান, ফখরুজ্জামান চৌধুরী প্রমূখ। প্রচ্ছদের জন্য নির্বাচিত ছবিটি শিল্পী রাগীব আহসানের একটি পেইন্টিং থেকে নেওয়া হয়েছে।
সম্পাদক কাজী জহিরুল ইসলাম জানান, বইটি আমাজনে প্রকাশ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত, পৃথিবীর যে কোনো জায়গা থেকে সংগ্রহ করতে আর কোনো বাধা থাকল না। আমাদের উচিত ভাষার দেয়াল ভেঙে বেরিয়ে আসা, নইলে পৃথিবীর মানুষ জানতে পারবে না বাঙালি কবিরা কত ভালো কবিতা লেখেন। যাত্রা শুরু হল। এখন থেকে এ জাতীয় এন্থলজিই শুধু নয়, বাঙালি কবিদের একক ইংরেজি কবিতার বই বের হবে। সাহস করে পাহাড়ে উঠতে শুরু করলে একসময় ঠিকই মানুষ চূড়ায় পৌঁছে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest