সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

মুস্তাফিজের নৈপুণ্যে বাংলাদেশের শ্বাসরুদ্ধকর জয়

খেলার খবর: ৪৯ ওভার শেষে আফগানিস্তানের জয়ের জন্য দরকার ৬ বলে ৮ রান। টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি পরম নির্ভরতায় বল তুলে দিলেন মুস্তাফিজের হাতে। স্ট্রাইকে রশিদ খান। প্রথম বলেই এক্সট্রা কাভারে ব্যাট চালিয়ে ২ রান নিয়ে নিলেন রশিদ। কিন্তু পরের বলেই রশিদকে চমকে দিলেন মুস্তাফিজ। নিজের বলে নিজে ফিল্ডিং করেই রশিদকে সাজঘরে পাঠালেন বাংলাদেশের বিস্ময় বালক মুস্তাফিজ।

স্কোরবোর্ডে তখন আফগানিস্তানের প্রয়োজ ৪ বলে ৬ রান। সামিউল্লাহ শর্ট ফাইন লেগে পা দিয়ে ঠেলে দিয়ে ১ রান নিলেন। ব্যাটিংয়ে গুলবেদিন নায়িব দরকার ৩ বলে ৫ রান। কিন্তু পরের বলে পুরোপুরি পরাস্ত গুলবেদিন। সমীকরণ তখন ২ বলে ৫ রান। পঞ্চম বলে গুলবেদিনকে ১ রানের বেশি নিতে দেননি মুস্তাফিজ। শেষ বলে স্ট্রাইকে সামিউল্লাহ শেনওয়ারি ১ বলে প্রয়োজন ৪ রান। কিন্তু কোনও রানই পেলেন না শেনওয়ারি উইকেট রক্ষক মুশফিকের বিশ্বস্ত হাতে বন্দী হল বল। আর ৩ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেল বাংলাদেশ। ‘দ্য ফিজ’ খ্যাত মুস্তাফিজ জাদুতে অবশেষে আফগানদের বধ করল টাইগাররা।

এর আগে রবিবার আবুধাবি শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে মাহমুদউল্লাহর ৭৪ ও ইমরুল কায়েসের ৭৭ রানে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২৪৯ রান সংগ্রহ করে মাশরাফিরা। জয়ের জন্য আফগানদের প্রয়োজন ছিল ২৫০ রান।

অাফগানদের হয়ে হাসমত উল্লাহ ৭১, শেহজাদ ৫৩, আসগর ৩৯ ও নাবী ৩৮ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজ ও মাশরাফি ২টি মাহমুদুল্লাহ ও সাকিব ১টি করে উইকেট নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রিয়াদ-কায়েসের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ

খেলার খবর: মাহমুদুল্লাহ ও ইমরুল কায়েসে ব্যাটিং ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত টাইগারদের সংগ্রহ ৪৪.২ ওভারে ২০০ রান। হাতে আছে আরও ৫ উইকেট।
এশিয়া কাপের প্রতিটি ম্যাচের মতো আজকের ম্যাচেও সুপার ফ্লপ বাংলাদেশের টপ অর্ডার। নাজমুল হোসেন শান্ত ৬ রান করে ফিরলেও, মোহাম্মদ মিঠুন ফিরেন মাত্র এক রানে। এরপরই সাকিব ফিরেন রানের খাতায় কোনো রান যোগ না করেই।
এদিকে মাহমুদুল্লাহ রান ৭১ ও ইমরুল কায়েস ৪৮ রানে ক্রিজে রয়েছেন। আফগানিস্তানের পক্ষে আফতাব আলম, রশিদ খান ও মুজিবুর রহমান প্রত্যেকেই একটি করে উইকেট লাভ করেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশি অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। দলীয় ১৬ রানেই ব্যক্তিগত ছয় রানি করে বিদায় নেন শান্ত। এর দুই রান পরই বিদায় নেন মোহাম্মদ মিঠুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পা নয়, কেবল হাত দিয়েই পাহাড়ে চড়েন

অনলাইন ডেস্ক: তার নাম দিরার আবোহয়। ৩২ বছর বয়স্ক এই যুবক এক অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন তার অধ্যবসায় ও অনুশীলন দিয়ে। অনেক ছোট থেকে হাতের উপর ভর দিয়ে হাঁটা রপ্ত করেন তিনি। পরবর্তীতে পায়ের সাহায্য ছাড়াই সম্পূর্ণ দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে উঁচু জায়গায় উঠতে করাও রপ্ত করেন এই বিস্ময়কর মানব। এমনকি তিনি পাহাড়-পর্বতে উঠতেও পারেন কেবল হাত দিয়েই।
দিরার উত্তর ইথিওপিয়ার তিগ্রেতে বসবাস করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি প্রচুর চাইনিজ ও আমেরিকান মুভি দেখতেন। মুভিতে দেখা বিভিন্ন স্টান্টগুলোকে তিনি সত্যি বলে মনে করতেন। এগুলো যে এডিট করা, সে সম্পর্কে তার কোনো ধারনা ছিল না। বড় হয়ে জানলেন, এসব দৃশ্য সবই বানানো কিন্তু ততোদিনে মুভি থেকে প্রভাবিত হয়ে তিনি নিজেই হয়ে গেছেন লিজেন্ডারি স্টান্টম্যান। অনেকে তাকে ‘মাস্টার অব হ্যান্ড ওয়াকিং’ নামেও অভিহিত করা শুরু করে দিয়েছেন।
বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে দিরার জানান, ‘তিনি সকালে অন্তত তিন ঘন্টা অনুশীলন করেন। একইভাবে আরও তিন ঘন্টা করেন প্রতিদিন সন্ধ্যায়।’ গিনেস বুকে নাম তোলার জন্য এই পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। পাহাড়ে চড়ার পাশাপাশি আরো একটি বিস্ময়কর ক্ষমতা রয়েছে তার। দুহাতে ভর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে তিনি টেনে নিয়ে যেতে পারেন আস্ত একটি প্রাইভেট কারকে। সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ভিডিও এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছে ব্যাপক হারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকার পক্ষে ঘোনায় নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে নির্বাচনী গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শেখ হাসিনার সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন, শ্লোগানে নৌকার স্বপক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে ভাড়ুখালী বাজারে এ নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। ঘোনা ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি রহিল উদ্দীন সরদার এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রশিদ, মনিরুল হোসেন, পৌর আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকঅহেদুজ্জামান টিটু, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আসিফ শাহবাজ প্রমুখ।
আগামী মহান জাতিয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে ভোট দেওয়ার আহবান জানিয়ে নজরুল ইসলাম আরো বলেন, নৌকা হচ্ছে উন্নয়নের প্রতিক। ে নৌকায় ভোট দিলে মানুষ শান্তিতে থাকে। শেখ হাসিনা সরকার এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পরথেকে এদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যহত রয়েছে।
দেশে এখন আর মানুষ সারের জন্য মৃত্যুবরণ করেনা, বিদ্যুতের জন্য হাহাকার করেনা। শেখ হাসিনা সরকার প্রতিটি ইউনিয়নকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকার বছরের প্রথমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিচ্ছেন যাতে দেশের কোনো মানুষ নিরক্ষর না থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনে স্কুল পড়–য়া কন্যাকে ভারতে পাচারের অভিযোগ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আমার মেয়েকে শয়তানরা ভারতে পাচার করে দিয়েছে। এ খবর শুনে আর স্থির থাকতে পারিনি। চাকুরি ফেলে ওমান থেকে বাড়ি ফিরে এসেছি। তবু গত ২২ দিনেও উদ্ধার করতে পারিনি মেয়েকে। অথচ পাচারকারীরা দিব্যি বাড়িঘরে থাকছে। হঠাৎ ঝালমুড়ি বিক্রেতা থেকে তারা বেশ টাকার মালিক হয়ে গেছে। ওরাই আমার স্কুল পড়–য়া মেয়েটিকে ভারতে পাচার করে বিক্রি করে দিয়েছে।
রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা মাঠপাড়া গ্রামের দরিদ্র ভ্যানচালক কওছার আলি ও তার স্ত্রী শরিফা খাতুন।
কান্নাজড়িত কন্ঠে তারা বলেন আমাদের মেয়ে মেঘলা খাতুন (খুকুমনি)। স্থানীয় মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। গত ১ সেপ্টেম্বর সে বাড়ি থেকে বের হয়। আর ফিরে আসেনি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া গেছে বারবার। হতাশার এক পর্যায়ে বিষয়টি জিডি হিসাবে সাতক্ষীরা থানা পুলিশকে অবহিত করি গত ১০ সেপ্টেম্বর। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন পাথরঘাটা গ্রামের আসাদুলের স্ত্রী আমাদের মেয়েটিকে ভারতে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। আমাদের মেয়েকে সরিয়ে দেওয়ার সময় তিন চারদিন আসাদুলের স্ত্রী বাড়িতে ছিল না। তাকে গ্রেফতার করা হলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান তারা।
মেয়েটির মা শরিফা খাতুন জানান আমাদের গরিব পরিবার। ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে ওমান গিয়েছিলাম। সেখানে চাকুরি করে যা পেতাম তা বাড়ি পাঠাই। এতেই চলে সংসার। স্বামী ভ্যান চালিয়ে আর কত টাকাই বা আয় করবেন। তিনি বলেন আমার এ সুখ সইলো না। আমার নিরীহ প্রকৃতির মেয়েটিকে অপহরন করে ভারতে পাচার করেছে শয়তানের দল। আমি তাদের বিচার চাই। একই সাথে মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাসচাপায় বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩

দেশের খবর: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ডাউকিয়া এলাকায় দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের চাপায় বাবা-ছেলেসহ মোটরসাইকেলের তিন আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
রোববার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ডাউকিয়া নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গকডা মধুপুর গ্রামের হাদিস মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩০), একই এলাকার আফসু মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (৫৫) ও তার শিশুপুত্র শাহরিয়ার (৫)।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আবুশামা মো. ইকবাল হায়াত জানান, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ থেকে মোটরসাইকেলযোগে কেন্দুয়ার নিজ বাড়ি যাচ্ছিলেন রফিকুল, রুবেল মিয়া ও শাহরিয়ার। পথিমধ্যে ডাউকিয়া নামক স্থানে ময়মনসিংহ থেকে সিলেটগামী এ সালাম ট্রাভেলস সার্ভিসের একটি যাত্রীবাহী মোটরসাইকেলটি বাস চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক রফিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মোটরসাইকেলের অপর দুই আরোহী রুবেল মিয়া ও তার শিশুপুত্র শাহারিয়ারকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসাপাতালের জরুরি বিভাগে পাঠায়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহারিয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল মিয়ারও মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত-পাকিস্তান উভয় দেশের পক্ষেই খেলেছেন যে তিন ক্রিকেটার

খেলার খবর: ক্রিকেটের ২২ গজে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি মানেই উত্তেজনা। যেন বাঘ-সিংহের লড়াই। বর্তমান ক্রিকেট বাস্তবতা এমন হলেও তিনজন ক্রিকেটার রয়েছেন যারা দুই দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
এই তিন ক্রিকেটার হলেন গুল মুহাম্মদ, আবদুল কাদের ও আমির ইলাহি। এই তিন খেলোয়াড় প্রথম জীবনে খেলেছিলেন ভারতের হয়ে। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর যথারীতে তাঁরা খেলেছেন পাকিস্তানের হয়ে।
গুল মুহাম্মদ ১৯২১ সালের ১৫ অক্টোবর লাহোরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার ক্যারিয়ারে মোট নয়টি টেস্ট খেলেছেন। এর মধ্যে আটটি খলেছেন ভারতের হয়ে ও অপরটি পাকিস্তানের হয়ে।
আবদুল কাদের ১৯২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তারও জন্মস্থান ছিল লাহোর। তিনি আবদুল হাফিজ নামে তিনটি টেস্ট খেলেছেন ভারতীয় দলে। পরে পাকিস্তানের হয়ে আবদুল কারদার নামে ২৩টি টেস্ট খেলেছেন।
আমির ইলাহি ১৯০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর লাহোরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ভারতের হয়ে একটি টেস্ট খেলেছেন। অন্যদিকে পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন পাঁচ টেস্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবনের নদী রক্ষায় মোংলায় মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক: সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদীসহ অন্যান্য নদ-নদীতে কয়লা-সার-তেল দূষণ, বিষ প্রয়োগ, জাহাজ থেকে বর্জ্য নিক্ষেপসহ ভাঙন ও দখল থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ রবিবার দুপুরে মোংলায় পশুর নদীর পাড়ে এই কর্মসূচি পালন করে পশুর রিভার ওয়াটারকিপার বাংলাদেশ ও পরিবেশ আন্দোলন বাপা’।
বাপার সমন্বয়কারী মো. নূর আলম শেখের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ আন্দোলনের নেত্রী মিনু হালদার, বাপা’র নাজমুল হক, পশুর রিভার ওয়াটারকিপারের ভলান্টিয়ার মারুফ বিল্লাহ, রাকেশ সানা, ছাত্রনেতা নাঈম, আকবর হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, এবারের বিশ্ব নদী দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘নদী থেকে নির্বিচারে বালু উত্তোলন বন্ধ কর’। দুঃখের বিষয় হলো- প্র্রভাবশালী মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সহায়তায় সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে বিষ দিয়ে মাছ মেরে নদীর পানি দূষণ করছে। অন্যদিকে শিল্প বর্জ্য ও মোংলা বন্দরে আগত জাহাজের বর্জ্য পশুর নদীতে ফেলে সুন্দরবনের জীব-বৈচিত্র এবং জলজ প্রাণীকে মেরে ফেলছে। সমাবেশে বক্তারা নদীর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নদীর পানিকে মাছের বসবাস, মানুষের সাতার কাটা এবং পান করার উপযোগী রাখতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest