সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

বদলি হচ্ছেন ৩০ সাব-রেজিস্ট্রার

দেশের খবর: নিবন্ধন অধিদফতরের ৩০ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি করা হচ্ছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রোববার বদলি সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদন দিয়েছে। নিবন্ধন অধিদফতরের মহাপরিদর্শককে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে এই সাব-রেজিস্ট্রারদের বদলি করে আদেশ জারি করতে বলা হয়েছে।

মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো আইন ও বিচার বিভাগের অফিস আদেশ অনুযায়ী- মাদারীপুরের রাজৈরের শর্মিলা আহমেদ শম্পাকে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার মো. কামরুজ্জামান কবিরকে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া, মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার মো. বেলাল উদ্দিন আকন্দকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের পথিক কুমার সাহাকে সুনামগঞ্জ সদর, ঢাকা সদর রেকর্ড রুমের মহসিন আলমকে চাঁদপুরের কচুয়া, ঢাকার মিরপুরের মো. সেলিম হাওলাদারকে সিলেট সদর, নোয়াখালী সদরের মিনতী দাসকে ঢাকার পল্লবী, ঢাকার পল্লবীর সাব্বির আহমেদকে নরসিংদী সদর, ঢাকার শ্যামপুরের শেখ মো. কাওসার আহমেদকে কুমিল্লা সদর, সিলেট বিশ্বনাথের খালেদ মো. বিন আসাদকে ঢাকার শ্যামপুরে বদলি করা হচ্ছে।

ঢাকার ধানমন্ডির মো. জামিনুল হককে রাজশাহী সদর, মাগুরা সদরের মো. লুৎফর রহমান মোল্লাকে ঢাকার ধানমন্ডি, কুমিল্লার বরুড়ার নিরোদ বর্মণ বিশ্বাসকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ, পঞ্চগড়ের আটোয়ারীর মো. মাহফুজুর রহমানকে কুড়িগ্রামের উলিপুর, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের নিতেন্দ্র লাল দাসকে হবিগঞ্জের লাখাই, হবিগঞ্জের বাহুবলের মো. মনজুরুল আলমকে জামালপুরের মেলান্দহ, হবিগঞ্জ লাখাইয়ের মো. হাফিজুর রহমানকে সিলেটের জৈন্তাপুর, সিলেটের জৈন্তাপুরের মো. আবুল কাসেমকে জামালপুরের মাদারগঞ্জ, জামালপুর সরিষাবাড়ির দেওয়ান মনসুর আলমকে সিরাজগঞ্জ সদর, যশোর নওয়াপাড়ার মো. দেলোয়ার হোসেন খন্দকারকে গাজীপুর টঙ্গীতে বদলি করা হচ্ছে।

গাজীপুর টঙ্গীর মোশারফ হোসেন চৌধুরী লক্ষ্মীপুর সদর, ভোলা বোরহানউদ্দিনের মো. হুমায়ুন বিন সিরাজ নোয়াখালীর বসুরহাট, লক্ষ্মীপুর সদরের অসীম কুমার বনিককে নাটোর সদর, নরসিংদী সদরের মো. নুরুল হক মিয়া নোয়াখালীর সেনবাগ, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের মনিতা রাণী বিশ্বাস সাতক্ষীরার শ্যামনগর, নীলফামারী সদরের মাহমুদুল হাসান চট্টগ্রামের রাউজান, ময়মনসিংহ সদরের শাহ নেওয়াজ খান ঢাকার মিরপুর, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার খন্দকার মেহবুবুল ইসলাম ময়মনসিংহ সদর, ঢাকার আশুলিয়ার মো. সামছুল আলম ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এবং মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের জবা মন্ডল পটুয়াখালীর দুমকিতে বদলি হচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচন করবেন যেসব সাবেক আমলা

দেশের খবর: আসন্ন জাতীয় সংসদের ১১তম সাধারণ নির্বাচনে বেশ কয়েকজন সাবেক আমলা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। তারা বিভিন্ন সংসদীয় আসন থেকে বিভিন্ন দলের হয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী আমলাদের সংখ্যাই বেশি। এরপরই রয়েছে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচন করতে আগ্রহী আমলারা।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, কমিশনের বিদ্যমান ‘দ্য রিপ্রেজেনটেশন অব পিপলস অর্ডার’ বা গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর তিন বছর অতিবাহিত না হলে কেউ কোনও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্য হবেন না। কাজেই আরপিও অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে কমপক্ষে তিন বছর আগে অবসর নিয়েছেন, এমন আমলারাই এ বছরের নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নির্বাচনে যেসব আমলা অংশ নেবেন বলে শোনা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন আহমেদ, আমলা না হলেও জাতিসংঘের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এএমএ মোমেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন, সাবেক সচিব ও বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নূর মোহাম্মদ, সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান, সাবেক সচিব ও নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, সাবেক কেবিনেট সচিব আবদুল হালিম, সাবেক সচিব হুমায়ুন কবীর, দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার শাহাবুদ্দিন চুপ্পু, সাবেক সচিব সুজা উদ দৌলা এবং সাবেক সচিব এনএম নিয়াজ উদ্দিন মিয়ার নাম উল্লেখযোগ্য। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এলে এই তালিকা আরও লম্বা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিন আহমেদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠাবান হিসেবে পরিচিত ড. ফরাস উদ্দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও আস্থাভাজন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী চান তিনি তার নির্বাচনি এলাকা হবিগঞ্জের একটি আসন থেকে নির্বাচন করুন। এ প্রসঙ্গে ড. ফরাস উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘সময় হোক, সব জানবেন।’
বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ছোট ভাই এএমএ মোমেন। সরাসরি আমলা নন তিনি, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সৌদি আরবের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করেছেন একসময়। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বর্তমান সংসদ সদস্য অর্থমন্ত্রীর আসন (সিলেট-১) থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী তিনি। এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি এবার নির্বাচনে অংশ নেবেন না। তার আসন থেকেই যেন এএমএ মোমেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পান, সেজন্য চেষ্টা করবেন তিনি। এজন্য ইতোমধ্যেই এলাকায় জনসংযোগ শুরু করেছেন মোমেন। সামাজিক ও রাজনৈতিক অনেক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন একসময় ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব। জানা গেছে, তিনি তার জন্মস্থান চাঁদপুরের কচুয়া আসন থেকে নির্বাচনে আগ্রহী। ইতোমধ্যেই তিনি নিজ এলাকায় স্কুল-কলেজসহ নানা ধরনের উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচনে আগ্রহী। এ প্রসঙ্গে গোলাম হোসেন বলেন, ‘আমি নৌকা প্রতীকে ইলেকশন করতে আগ্রহী। সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর থেকেই এলাকায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আমার এলাকায় কলেজ ও স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের খবরাখবর নিচ্ছি। সমস্যা থাকলে তা সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিলে এলাকার সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারবো।’
পুলিশের সাবেক আইজি নূর মোহাম্মদ আওয়ামী লীগের টিকিটে নিজ এলাকা কিশোরঞ্জ থেকে প্রার্থী হতে চান। সে লক্ষ্যে এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন। সম্প্রতি শোডাউনও করছেন। দলীয় সূত্র জানায়, বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসার জন্য বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন। সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কতটা যুক্ত হতে পারবেন, তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। তিনি অনাগ্রহী হলে এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান নূর মোহাম্মদ।

সাবেক স্থানীয় সরকার সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন নিজ জেলা ফরিদপুরের একটি আসন থেকে নির্বচন করতে আগ্রহী। তিনিও নৌকা মার্কার প্রার্থী হতে চান। মনজুর হোসেন জানান, আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিলে জয়ী হবো। সরকারি চাকরির সময় থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে আছি। বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এই সাবেক আমলা।
জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত কুমিল্লার চান্দিনা আসন থেকে নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসেবে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী। ইতোমধ্যেই নিজ এলাকায় জনসংযোগ শুরু করেছেন তিনি। দীর্ঘ চাকরি জীবনে একজন চিকিৎসক হিসেবে এলাকার বহু মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়া ছাড়াও বিভিন্ন জনহিতকর কাজের সঙ্গে যুক্ত তিনি। এমনকি বিরোধী রাজনৈতিক দলের অনেক নেতাকর্মীও তার রোগী, যারা তাকে সমর্থন দেবে বলে আশাবাদী প্রখ্যাত এই চিকিৎক।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক কমিশনার শাহাবুদ্দিন চুপ্পু টাঙ্গাইলের একটি আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে আগ্রহী বলে জানা গেছে। তিনি কিছু সময়ের জন্য দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
একইভাবে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন সিলেটের একটি আসন থেকে, সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান রংপুর থেকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে আগ্রহী বলে জানা গেছে। ছহুল হোসাইন নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালনের আগে সরকারের সচিব ছিলেন।
এদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হলেন সাবেক কেবিনেট সচিব আবদুল হালিম। বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেলে আগামী সংসদ নির্বাচনে জামালপুরে ধানের শীষের প্রার্থী হতে চান। এ ব্যাপারে আবদুল হালিম বলেন, ‘এলাকার মানুষের সঙ্গে আছি। দলের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিজেকে জড়িত রেখেছি। বিএনপির মনোনয়ন পেলে বিজয়ী হবো ইনশাল্লাহ।’
সাবেক সচিব সুজা উদ দৌলা, হুমায়ুন কবীর, এনএম নিয়াজউদ্দিন মিয়াও আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। তবে তারা কোন দলের হয়ে নির্বাচনে আগ্রহী তা জানা যায়নি। সূত্র জানায়, তারা কেউই এখনও পর্যন্ত প্রত্যাশিত দল থেকে মনোনয়নের ব্যাপারে নিশ্চয়তা পাননি। কিন্তু নিজ নিজ এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের প্রার্থিতা ঘোষণা করছেন কৌশলে। কেউ কেউ আওয়াজ দিয়েই জনসংযোগ করছেন। কেউ কেউ মসজিদ মাদ্রাসায় দান-খয়রাত দিচ্ছেন। নিয়মিত এলাকায় যাচ্ছেন। কেউ কেউ নিজে থেকে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করছেন। আবার কেউবা দলের হাইকমান্ডের নির্দেশেই এলাকায় যোগাযোগ করছেন। তৈরি করছেন নির্বাচনি মাঠ।
জানা গেছে, এসব আমলার কেউ কেউ নির্বাচনকে মাথায় রেখে আগে থেকেই এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। আবার অনেকে এখনও এলাকায়ই যাননি। তবে তারা যে দল থেকে মনোনয়ন পেতে প্রত্যাশী, সেই দল থেকে মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পরপরই এলাকায় যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেমের টানে ছাত্রকে নিয়ে ম্যাডাম উধাও

অনলাইন ডেস্ক: প্রেমের টানে এইচএসসির এক ছাত্রকে নিয়ে অজানা উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছেন বরিশালের এক শিক্ষিকা। বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হরিণাফুলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, ওই এলাকার শ্রমিক মজিবর হাওলাদারের মেয়ে ও মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্রী ঝুমুর আক্তার (২৪) এর কাছে প্রাইভেট পড়ত একই এলাকার দলিল লেখক পলাশ সরদারের এক মাত্র ছেলে ও বরিশাল সিটি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র পাভেল সরদার (১৭)। পড়াশুনার সূত্র ধরে তাদের মাঝে তৈরি হয় অসম প্রেম। যার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই দু’জন প্রেমের টানে অজানা উদ্দেশে পাড়ি দেয়।
এ বিষয়ে পাভেলের পিতা হারুন অর রশিদ পলাশ সরদার তার তরুণ ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। পলাশ সরদার বলেন, আমার ১৭ বছর বয়সী ছেলেকে তার চেয়ে ৭ বছরের বড় শিক্ষিকা ঝুমুর ফুসলিয়ে অজানা স্থানে আটকে রেখেছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ৩ বছর ধরে ঝুমুরের কাছে প্রাইভেট পড়ত পাভেল। প্রাইভেট পড়ার মধ্য দিয়েই তাদের মধ্যে গভীর ভালোবাসা ও প্রেমের জম্ম হয়। শিক্ষক-ছাত্রের এই প্রেমের কাহিনী নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নানা কৌতুহলের। এ ঘটনায় শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) বরিশাল নগরী টক অফ দ্যা টাউনে পরিণত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইরানে হামলায় মার্কিন সমর্থিত উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো দায়ী

বিদেশের খবর: গতকাল শনিবার ইরানের সামরিক প্যারেডে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।ওই হামলার জন্য মার্কিন সমর্থিত উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোকে দায়ী করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেছেন, ইরানে ‘যুক্তরাষ্ট্রের পুতুলেরা’ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজে শনিবার সামরিক কুচকাওয়াজ চলাকালে বিপ্লবী গার্ডের সদস্য এবং কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। এতে এক শিশুসহ অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছে; আহত হয় অর্ধশতাধিক।
জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস এবং সরকারবিরোধী আরব গ্রুপ দায় স্বীকার করেছে। কিন্তু তারা হামলায় জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেনি। রাশিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া, ওমানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিয়েতনামকে হারিয়ে গ্রুপসেরা বাংলাদেশ

খেলার খবর: এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে ভিয়েতনামের বিপক্ষে ২-০ গোলের সহজ জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ফলে গ্রুপ সেরা হয়ে পরবর্তী রাউন্ডে খেলবে গোলাম রাব্বানীর শিষ্যরা।
এর আগে বাংলাদেশ আগের তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ২৫ গোল দেয়। ভিয়েতনামও দেয় ২৫ গোল। ফলে দু’দলের কারো জন্যই ম্যাচটি সহজ ছিল না। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ এক গোল দিলেও ম্যাচ থেকে প্রতিপক্ষকে ছিটকে দিতে পারেনি। প্রায় সমান তালে খেলা চলছিল এরপরও। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় তারা। ম্যাচের নিয়ন্ত্রন নেয় নিজেদের হাতে।
বাংলাদেশ সর্বশেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারায়। অন্যদিকে লেবাননকেও ৭ গোল দেয় ভিয়েতনাম। মেয়েদের তাই হারার সুযোগ ছিল না এই ম্যাচে। কারণ পয়েন্ট, গোল ব্যবধান এবং মুখোমুখি লড়াইয়ে সমান-সমান ছিল দুই দল। জিতলে গ্রুপ সেরা, আর হারলে রানার্স আপ এই ছিল সমীকরণ। সমতা থাকলে হতো টাইব্রেকারে। তবে প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকে বাংলাদেশ মেয়েরা ভালো কিছুর ইঙ্গিত দেয়।
কমলাপুরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে বিকেল সাড়ে ৩টায় মুখোমুখি হয় দু’দল। রানার্সআপ হওয়া দুই দলেরই সুযোগ ছিল পরের রাউন্ডে যাওয়ার। তবে তাদের সেরা দুই রানার্সআপ দলের মধ্যে থাকতে হবে সেই সমীকরণে। আর তাই বাংলাদেশের মেয়েদের কোচ গোলাম রাব্বানী জয় তুলে নিয়ে কাজটা এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেন। মাঠে তার শিষ্যরা সেটাই করে দেখিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশকে বিপদে ফেলে শুরুতেই ফিরলেন শান্ত-মিথুন

খেলার খবর: এশিয়া কাপের সুপার ফোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং নেমেই দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছে বাংলাদেশ।
ব্যর্থতার ধারা অব্যাহত রেখে ফিরলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিথুন। ২ বলে ১ রান মিখুন এবং ১৮ বলে ৬ রান করে ফিরেছেন শান্ত। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাশরাফির দলের সংগ্রহ ৭ ওভারে ২ উইকেটে ৩২ রান।
সুপার ফোর পর্বে রবিবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করছে বাংলাদেশ।

আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে একাদশে দুইটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। একাদশে ঢুকেছেন ইমরুল কায়েস ও নাজমুল ইসলাম অপু। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের পরিবর্তে ইমরুল কায়েসকে একাদশে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, রুবেল হোসেনের পরিবর্তে একাদশে রাখা হয়েছে নাজমুল ইসলাম অপুকে। এই ম্যাচের মাধ্যমে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হচ্ছে স্পিনার অপুর।

বাংলাদেশ একাদশ
লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, সাকিব আল হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোহাম্মদ মিথুন, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন ‍মুর্তজা (অধিনায়ক), নাজমুল ইসলাম অপু, মোস্তাফিজুর রহমান।

আফগানিস্তান একাদশ
মোহাম্মদ শাহজাদ (উইকেটরক্ষক), ইহসানুল্লাহ, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শহীদি, আসঘার আফগান (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নবী, সামিউল্লাহ শেনওয়ারি, গুলবদিন নাইব, রশীদ খান, মুজিব উর রহমান, আফতাব আলম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শান্তিনিকেতনে পর্যটকদের মূল আকর্ষণ ‘বাংলাদেশ ভবন’

অনলাইন ডেস্ক: কলকাতা থেকে শান্তিনিকেতনে বেড়াতে এসেছিলেন যাদবপুরের বাপুজিনগরের বাসিন্দা ভারতী পাল। কিন্তু অন্যদের কাছে নবনির্মিত বাংলাদেশ ভবনের নাম শুনেই আর ধৈর্য্য ধরতে পারলেন তিনি।
প্রবল আগ্রহ নিয়েই শনিবার বাংলাদেশ ভবন পরিদর্শন করতে এসেছিলেন ষাটোর্দ্ধ ওই নারী। আর জাদুঘরে প্রবেশের পরই পুরনো স্মৃতি উসকে দিল ভারতী দেবীকে। তবে বাংলাদেশে জন্ম হলেও বয়স কম থাকার কারণে সেভাবে বাংলাদেশকে মনে নেই তার। ফলে কিছুটা দুঃখও আছে তার মনে।
এদিন দুপুরের দিকে জাদুঘরে ঢুকেই দেয়ালে টাঙানো বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের কয়েকটি ছবির দিকে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে ছিলেন ভারতী দেবী। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের পেপার কাটিং।
তিনি বললেন, আমার জন্ম বাংলাদেশে, কিন্তু তখন বোঝার মতো বয়স না থাকার কারণে বাংলাদেশকে সেভাবে মনে নেই। এটাই আমার দুঃখ যে আমি বাংলাদেশকে সেখাবে দেখে আসতে পারিনি। আর এখন বোঝার বয়স হয়েছে কিন্তু যাওয়ার কোন সুযোগ-সময় নেই। আজ সেই বাংলাদেশকে সামনে দেখে মন ছুঁয়ে যাচ্ছে।
ভারতী দেবীর সাথেই এসেছেন তার মা যাদবপুরের সুলেখার বাসিন্দা আশি বছর বয়সী নারী অন্নপূর্ণা কুণ্ডু। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর ১৯৬২ সালে পরিবারের সাথে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় চলে আসেন তিনি।
তিনি জানান, আমাদের প্রত্যেকেরই শিকড় রয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে। বাংলাদেশ ভবনে এসে আগের কথা সব মনে পড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ভবন যে দেখতে পারবো এটাই কখনও ভাবিনি।
তবে কেবল অন্নপূর্ণ বা ভারতী দেবীরাই নয় পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত এই ভবনটি এখন পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্প্রীতির ক্ষেত্রে এক অভিনব নিদর্শন হল এই বাংলাদেশ ভবন। গত ২৫ মে ভারত ও বাংলাদেশ-উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই ভবনটি উদ্বোধন করা হয়। এই ভবনের দুইটি প্রধান আকর্ষণ বিন্দু হল গ্রন্থাগার এবং সংগ্রহশালা বা জাদুঘর। গ্রন্থাগারটি সকলের জন্য আগেই খুলে দেওয়া হলেও গত ১৮ সেপ্টেম্বর জাদুঘরের দরজাও সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
শান্তিনিকতেন গড়ে ওঠা বাংলাদেশ ভবনটিতে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে থাকাকালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত কবিতা, গান ও বিভিন্ন মুহূর্তের ছবিসহ বাংলাদেশের ইতিহাস রাখা হয়েছে। ঠাঁই পেয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের ইতিহাস।
মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ডাকটিকিট, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকারের একাধিক নির্দেশন রয়েছে এখানে। এছাড়াও সুলতান যুগের বিভিন্ন মুদ্রা, ব্রিটিশ আমলের মুদ্রা, পনেরো-ষোল শতকের মাটি খনন করে প্রাপ্ত টেরাকোটার মূর্তিসহ একাধিক মূল্যবান প্রত্মতাত্মিক নির্দশন রয়েছে এখানে।
ভবনটির মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুন করে চেনার দরজা খুলে গেছে বলে মনে করেন এখানে ঘুরতে আসা কলকাতার বাসিন্দা ঝিলাম গুপ্ত।
তিনি জানান, এই ভবন এক কথায় অসাধারণ। ভারতের সংস্কৃতির সাথে বাংলাদেশের সংস্কৃতির খুব একটা পার্থক্য নেই। প্রায় একই ধরনের। তবুও সেটাকেই আবার নতুন করে দেখাটা সত্যিই খুব সুন্দর। তবে পুরোনো দিনের শিল্প প্রদর্শনের সমাহার আরও বেশি হলে ভালো হয় বলে অভিমত তার।
বাংলাদেশ ভবন নিয়ে গর্ব করেছেন অভিনেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব চৈতালি দাশগুপ্ত।
ভবন পরিদর্শনের পর তিনি জানান, খুলনায় আমার মামার বাড়ি, টাঙ্গাইলে শ্বশুর বাড়ি। বাংলাদেশে আমি বহুবার ঘুরে এসেছি। কিন্তু এই ভবন দেখে আমার মনে হচ্ছে এক খণ্ড বাংলাদেশই আমি দেখছি।
শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজরিত জায়গা, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস যেভাবে এখানে স্থান পেয়েছে তা সত্যিই সুন্দর। সবমিলিয়ে তথ্যবহুল একটা জায়গা বলা যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশকে জানতে বা চিনতে এই ভবনের কোন বিকল্প নেই।
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সবুজকলি সেন জানান, ‘বাংলাদেশকে জানতে হলে বা গবেষণা করতে গেলে বাঙালিকে শান্তিনিকতনের বাংলাদেশ ভবনে আসতেই হবে।’ তার অভিমত বাংলাদেশ সম্পর্কিত এ রকম গ্রন্থাগার ভারতে আর নেই।
জাদুঘর নিয়েও আগ্রহের শেষ নেই দর্শকদের মধ্যে। উপাচার্য জানান, এক সপ্তাহ আগে যেদিন জাদুঘরের দরজা সকলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল ওই দিনই প্রায় ২৫০ এর বেশি দর্শক সেটি দেখতে আসেন। এ থেকেই পরিস্কার যে মানুষের মধ্যে ভালো সাড়া পড়েছে।
তিনি আরও জানান, জাদুঘরটিতে অবিভক্ত বাংলার প্রায় তিন হাজার বছরের পুরানো ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। সেই থেকে শুরু করে ভারত ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ ও শিলাইদহের ইতিহাস স্থান পেয়েছে এখানে। সব মিলিয়ে মানুষ খুবই আনন্দ পাচ্ছেন এবং গবেষকরাও যদিও এতে উপকৃত হন, তবে সেখানেই এই ভবন নির্মাণের সার্থকতা।
বাংলাদেশ ভবনকে সার্থক করে তুলতে দুই দেশের শিল্পী, গুণীজনদের নিয়ে মত বিনিময়, আলোচনা সভা, বাংলাদেশ উৎসবের আয়োজন করা উচিত বলেও মনে করেন উপাচার্য।
তবে জাদুঘরটিতে প্রতিটি জিনিসই যে স্থান পেয়েছে তা নয়, এটিকে আরও ভালো করে সাজিয়ে তুলতে বা সমৃদ্ধ করতে আরও দুষ্প্রাপ্য জিনিস বাংলাদেশ নেওয়া হলে বলে জানা গেছে।
জাদুঘরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুদর্শনা সেন জানান, ‘এখানে যারা আসছেন, প্রত্যেকেই একটা শ্রদ্ধা নিয়ে আসছেন। তারা প্রত্যেকে ভালোবেসে আসছেন।’ তার অভিমত বাংলাদেশ যেভাবে ভাষাকে সম্মান দিয়ে বা শ্রদ্ধার সাথে রেখেছে কিংবা বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে যেভাবে সকলের সামনে প্রদর্শন করছে-সেটা একটা গর্বের বিষয়।
বাংলাদেশ ভবন নিয়ে খুব ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই ভবনের চিফ কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনই (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে শিক্ষামূলক ভ্রমণে এসেছিল স্থানীয় চাঁদপাড়া স্কুলের শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও শান্তিনিকেতন, বিশ্বভারতী ও বাংলাদেশ থেকে প্রথমদিন ২৫০ জনের মতো দর্শক পেয়েছি এবং প্রত্যেকেই আপ্লুত।’
মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় আরও জানান, এই ভবনের গ্রন্থাগার ও জাদুঘর-দুইটিই অত্যন্ত সমৃদ্ধ। আপাতত সচিত্র পরিচয় পত্র দেখিয়েই প্রবেশ করা যাবে এই ভবনে। গ্রন্থাগারে বসেই বই পড়ারও সুযোগ থাকছে যদিও এখনই কোন বই বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইস্যু করা হবে না। এই মুহূর্তে গ্রন্থাগারটিতে ৩০৭৪টি বই থাকলেও বাংলাদেশ সরকার আরও অতিরিক্ত তিন হাজার বই দেবে বলে জানিয়েছেন মানবেন্দ্র।
তার অভিমত বাংলাদেশ বিষয়ক এতগুলো বই পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতে খুবই দুর্লভ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে কেউ যদি অবহিত করতে চান-তাদের কাছে এই গ্রন্থাগারটি অত্যন্ত বড় জায়গা। যদিও ভবনের ক্যাফেটারিয়া এখনই সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে না।
আগামী দিনে টেন্ডারের মাধ্যমে এই ক্যাফেটারিয়ার দায়িত্ব কোন সংস্থাকে খুলে দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
তবে বাংলাদেশ ভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে এখনই কোন প্রবেশমূল্য না থাকলেও ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণে দুর্গোৎসবের পরই প্রবেশমূল্য ধার্য করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও ভবনটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এককালীন আর্থিক সহায়তা করা হচ্ছে পাশাপাশি অর্থ বরাদ্দের জন্য ভারত সরকারের কাছেও আর্জি জানানো হতে পারে জানিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।
বুধ ও বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির দিন এবং সরকারি ছুটির দিন বাদে অন্য দিনগুলোতে খোলা থাকবে এই ভবন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কৃষকলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে আসাদুজ্জামান বাবু’র মতবিনিময় সভা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সদর ও পৌর কৃষকলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিয় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরদার, সদর উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক স ম তাজমিনুর রহমান টুটুল, পৌর কৃষকলীগের আহবায়ক শামছুজ্জামান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক শাহ মোঃ আনারুল, সদস্য সচিব বাসুদেব সিংহসহ কৃষকলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এসময় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, দেশের চলমান উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে কোন মূল্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা কে ক্ষমতায় আনতে হবে। তা না হলে ওই স্বাধীনতা বিরোধীরা যদি ক্ষমতায় আসীন হয় তাহলে দেশের উন্নয়ন থেমে যাবে। মানুষ অশান্তি থাকবে। তাই আগামী নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে নৌকা প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করতে। আর এ বিজয় নিশ্চিত করার জন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest