সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

ইয়াবাসহ পুলিশের এসআই আটক

দেশের খবর: চট্টগ্রামে আবুল বাশার নামে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৭। এসময় তার কাছ থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মিরসরাইয়ের বারৈয়ারহাট এলাকা থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব।

আটক আবুল বাশার বাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার এলাকার আবদুল হামিদের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. নুরুজ্জামান বলেন, ফেনী ক্যাম্পের কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়াত জামিল ফাহিমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি টিম মিরসরাইয়ের বারৈয়ারহাট এলাকা থেকে ইয়াবাসহ আবুল বাশার নামে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) আটক করেছে। তার কাছ থেকে প্রায় ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবাগুলো নিয়ে মোটরসাইকেলে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন বাশার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চেক প্রতারণার মামলায় নলতার কুখ্যাত ডুয়েল এখন কারাগারে

 

তরিকুল ইসলাম লাভলু : অনেকেরই কাছে ত্রাসের নাম ডুয়েল। বিএনপি নেতা মৃত ওয়াজেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে এই সাইফুল ইসলাম ডুয়েল (৪৮)। খুলনা নিরালার বাসিন্দা হলেও জন্মস্থান সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার কাজলায়। সখিপুর ডেলটা ফিস এর প্রোফাইটরও ছিল এই ডুয়েল। যেখান থেকে শতশত শ্রমিক ও ব্যবসায়ী সর্বশান্ত হয়েছে। আর মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ডেলটা ফিস পরিত্যক্ত করে দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে উল্টো বিপাকে ফেলানোর অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। খুলনা, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিভিন্ন কোম্পানির ব্যবসা চলে। তার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাকে যৌথবাহিনী ও সেনাবাহিনী আটক করে বলেও জানা যায়।
সাইফুল ইসলাম ডুয়েল একইভাবে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে দেবহাটার মাটিকোমরা গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আনারুল ইসলামকে। নলতা আহছানিয়া ফিসের প্রোপাইটর আনারুল ইসলাম ডুয়েলের কোম্পানিতে মাছ দেয়। লেনদেনের এক পর্যায় ২০১৬ সালের ১লা ডিসেম্বর ডুয়েল আনারুল ইসলামকে ৪ কোটি ১২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার একটি চেক দেয়। ন্যাশনাল ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার চেকটির নাম্বার ঘউঈ/ই- ৫৮৩৩১৮৬। পরবর্তিতে টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যাংকে গেলে ঐ হিসাবে টাকা নেই বলে জানতে পারে আনারুল ইসলাম। এরপর আনারুলকে টাকা না দেওয়ার ফন্দি এঁটে উল্টো আনারুলকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে ডুয়েল। কিন্তু তার সব প্রতারণা ও ফন্দি ব্যর্থ হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারী ডিসঅনার করে দেয়। বিষয়টি নিয়ে আনারুল ইসলাম আদালতের স্বরণাপন্ন হলে ডুয়েলকে প্রথমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু সে বিষয়টি কোন তোয়াক্কা করেনি বলে জানা যায়। তারপর ১৭ সালের ২০ এপ্রিল নিগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারার বিধান মোতাবেক সাতক্ষীরা জজকোর্টে মামলা দায়ের করেন বাদী আনারুল ইসলাম। মামলা চলাকালেও আসামী ডুয়েল কয়েকবার আদালত অবমাননা করেছে বলেও জানা গেছে। সর্বশেষ ১৭ আগস্ট বৃহঃবার ধূর্ত ডুয়েল আদালতে হাজির দিলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এদিকে আনারুল ইসলাম আদালতের বিচারের উপর নির্ভর করে অর্থ ফেরতের প্রত্যাশা কামনা করছে বলেও জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির ঈদ সামগ্রী বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে সচেতন মূলক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির মহাসচিব আবুল কালাম আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, জাতীয় অন্ধ সংস্থার সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ, প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী সদস্য রেহেনা পারভীন, সভানেত্রী নুর জাহান খাতুন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী আসাদুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলী, কালিগঞ্জ থানা প্রতিনিধি মোঃ গোলাম রব্বানী, দেবহাটা থানা প্রতিনিধি আকবার আলী, আব্দুস সাত্তার, জাহিদ হোসেন, জামাত আলী সহ সংস্থার নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা বলেন, গত জুন মাসের শেষ সপ্তাহে ২ হাজার কেজি চাউল জেলা প্রশাসকের ত্রাণ শাখা থেকে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অবৈধভাবে উত্তোলন করে নিয়েছে। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে সড়ক অবরোধ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা করেন নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আরো বলেন, আমরা প্রতিবন্ধী। আর বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধীদের প্রতি খুব আন্তরিক। তিনি প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ৭শ টাকা করে সম্মানি ভাতা দিচ্ছে। কিন্তু বর্তমান বাজারে সেই অল্প টাকায় সংসার পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য মাসিক ৩ হাজার টাকা করে বরাদ্ধ দেওয়ার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানান। পৌর এলাকায় কোনো প্রতিবন্ধীকে ভিজিএফ কার্ড প্রদান করা হয়নি। অথচ সরকার সকলের জন্যই বরাদ্ধ দিয়েছেন। যারা কার্ড পাওয়ার যোগ্য তাদেরকে যেন কার্ড দেওয়া হয় সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের প্রতি আহবান জানান। বক্তারা আরো বলেন, বর্তমানে একটি কুচক্রি, স্বার্থান্বেষী মহল সাতক্ষীরা জেলা প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতি ও জাতীয় অন্ধ সংস্থা ভাঙার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অনেকেই প্রতিবন্ধী না হয়েও প্রতিবন্ধী সেজে সংগঠনকে ধ্বংস করার পায়তারা করে স্বার্থ হাসিল করার চেস্টা করছে। এসকল দোষীদের থেকে সজাগ থাকতে এবং তাদের চিহিৃত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান প্রশাসন সহ উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের কাছে। সমাবেশ শেষে প্রতিবন্ধী পূর্নবাসন কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে জেলায় মোট ৪শ জন প্রতিবন্ধীকে ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সেমাই, চিনি ও সোয়াবিন তেল প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল সপ্তাহ ব্যাপী বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন: চরম দূর্ভোগে রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে গত এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুত না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন রোগিরা। বিশেষ করে সে সব রোগি আগে অপারেশন হয়েছেন তারা পড়েছে আরও চরম বিপাকে। এদিকে জেলা শহরের দুর দরান্ত থেকে অপারেশন করতে আসা অসহায় ও গরীব রোগিরা সদর হাসপাতালের দুরাবস্থা দেখে ফিরে যাচ্ছে। বিশেষ করে চরম বিপাকে পড়েছে সিজারিয়ান রোগিরা। সিজারিয়ান মা ও নবজাতক বাচ্চা অসহনীয় গরমে নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। দেখা দিচ্ছে নানাবিধ রোগ। এদিকে বিদ্যুতের পাশাপাশি পানি না থাকায় হাসপাতলে পরিবেশ দুষন দেখা দিয়েছে। নিচ থেকে পানি নিয়ে রোগিদের বাথরুম ও অন্যান্য কাজ সারতে হচ্ছে।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিসাধীন শেফালি খাতুনের স্বামী মহব্বত আলি জানান গত তিনদিন আগে তার স্ত্রীকে সিজার করার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। হাসপাতল কতৃপক্ষ বলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে বিদ্যুত নেই। তোমার স্ত্রীকে যদি সিজার করতে হয় তাহলে জেনারেটরে তেল কিনে দিতে হবে। আমি তেল কিনে দিলে তারপর ডাক্তারা আমার স্ত্রীকে সিজার করে।

রোগির আত্মীয় সিদ্দিকুর রহমান জানান, তার এক আত্মীয় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতলে ১০ দিন আগে ভর্তি হয়েছেন। এরপর থেকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে বিদ্যুত ও পানি নেই।
রোগিদের অসহনীয় কষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটা জেলা শহরের হাসপাতালের অবস্থা এমন হতে পারে না। বিষয়টি তিনি উর্দ্বতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা: তওহীদুর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ আগে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ট্রান্সফরমারটি নষ্ট হয়ে যায়। সাতক্ষীরা সদর হাতপাতালের প্রয়োজন ১৫০ কেভি পাওয়ার ট্রান্সফরমার। বিদ্যুত অফিসে বারবার বলা হলেও তারা ৫০ পাওয়ার কেভির বেশি ট্রান্সফরমা দিতে পারছে না। এ বিষয়ে খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে ১৫০ পাওয়ার কেভি ট্রান্সফরমর চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। নতুন ট্রান্সফরমারটি পাওয়া গেলে অপারেশনসহ যাবতীয় কাজ করা যাবে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন ৫০ কেভি পাওয়ার ট্রান্সফরমা লাগানো হয়েছে তাতে কাজ হচ্ছে না। বর্তমানে হাসপাতালে ২৫০/৩০০ জন রোগি ভর্তি আছে। দুর দরান্ত থেকে অপারেশন করতে আসা রোগিরা ফিরে যাচ্ছে বলে তিনি জানান। এ ছাড়া হাসপাতালের অপারেশন আপাতত বন্ধ আছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মো: ইফতেখার হোসেন জানান, রোগিদের দুর্ভোগের কথা চিন্ত করে সাতক্ষীরা বিদ্যুত অফিস থেকে ৫০ কেভি পাওয়ারের একটি ট্রান্সফরমা লাগানো হয়েছে। নতুন ১৫০ কেভি ট্রান্সফরমটি দুই একদিনে মধ্যে হাতে পাওয়া যাবে। নতুন ট্রান্সফরমাটি হাতে পেলে আগের মত অপারেশনসহ যাবতীয় কার্যক্রম শুরু হবে বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আদালতে শামির জয়, ক্ষুব্ধ হাসিন

অনলাইন ডেস্ক: ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ শামি ও তার স্ত্রী হাসিন জাহানের বিতর্ক পুরো ক্রিকেট বিশ্বে সমালোচিত। তবে এবার হাসিন জাহানের দায়ের করা একাধিক মামলার একটিতে জয় পেলেন শামি। হাসিন জাহানের ভরণপোষণ আবেদন নাকচ করলেন বিচারক। প্রতি মাসে ৭ লক্ষ টাকা ভরণপোষণের দাবি জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন হাসিন। যা কিনা নাকচ করেছে আদালত। এছাড়া তিন বছর বয়সী মেয়ের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচের জন্য আরও তিন লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন হাসিন। তিন লক্ষ না পেলেও কিছুটা ভরণপোষণ এক্ষেত্রে পাবেন হাসিন।

বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতের তিন নম্বর বিচারবিভাগীয় বিচারক নেহা শর্মা হাসিনের মাসে ৭ লক্ষ টাকা ভরণপোণের আবেদন খারিজ করেন। তবে মেয়ের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ বাবদ মাসিক ৮০ হাজার টাকা শামিকে দিতে হবে। প্রত্যেক মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এই টাকা হাসিনকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

শামির আইনজীবী সেলিম রহমান বলেন, ‘আমার মক্কেল মেয়ের খরচ দেবেন, এটা আগেই আদালতকে জানিয়েছিলাম। আদালতে তা মঞ্জুরও হয়েছে। হাসিন যে সিনেমায় অভিনয় করছে ও মডেলিংয়ের দুনিয়ায় ফিরে গেছে, তার প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, হাসিন যেহেতু ফের নিজের পুরনো পেশা মডেলিং শুরু করেছেন, তাই তাকে ভরণপোষণ দেওয়ায় আপত্তি জানানো হয়েছে শামির পক্ষ থেকে। তার আইনজীবী দাবি করেন, হাসিন এখন নিজেই উপার্জন করছেন। তাই শামির কাছে ভরণপোষণর কোন প্রয়োজন নেই। শুধু মডেলিং নয়, হাসিন অভিনয়ের জগতেও পা রেখেছেন। বলিউডের একটি আসন্ন সিনেমাতেও দেখা যাবে তাকে।

হাসিনের আইনজীবী জাকির হোসেন পাল্টা যুক্তি দেন, এখনও তার মক্কেল পাকাপাকি কোন কাজ পাননি। বরং তিনি কাজের খোঁজে রয়েছেন হাসিন। তাই এই মুহূর্তে ভরণপোষণ বন্ধ হলে সমস্যা হবে। কিন্তু, আদালত তাতে কর্ণপাত করেনি। এই রায়ের বিরুদ্ধে আবারও আদালতে যাওয়ার কথা ভাবছেন হাসিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

খেলার খবর: আইরিশ ‘এ’ দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে রাজকীয় জয় তুল নিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ও সিরিজ নির্ধারণী টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মোহাম্মদ মিঠুনের ঝড়ো ৩৯ বলের ৮০ রানের ইনিংসের সাথে সৌম্য সরকারের তাণ্ডব ছড়ানো ৪৭ রানের ইনিংসে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড উলভসের দেওয়া রান পাহাড় টপকে ৬ উইকেটের জয়ে ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নেয় সফরকারী বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
উদ্বোধনী জুটিতে ১১৭ রান যোগ করেন সৌম্য-মিঠুন। অর্ধশতক পেরিয়ে ব্যাটে ঝড় তুলে আরও ভয়ঙ্কর রুপ ধারণ করেন মিঠুন। বিপরীতে ছন্দের সাথে ঝড়ো গতিতে ব্যাট করতে থাকেন সৌম্যও। তবে বিপত্তি ঘটে অর্ধশতক থেকে ৩ রান দূরে থাকতে গেটকাট’কে উড়িয়ে মারতে গেলে। পোর্টারফিল্ডের হাতে তালুবন্দী হলে সমাপ্ত হয় তার ২ চার ও ৪ ছয়ে করা ৩০ বলের ৪৭ রানের ইনিংসের।
এরপর ক্রিজে এসে থিতু হতে পারেননি নাজমুল হাসান শান্ত। ৪ বলে ৬ রান করে লিটলের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পর ছন্দপতন ঘটে মোহাম্মদ মিঠুনেরও। এবারও বাধা হয়ে সফরকারীদের ইনিংসে বিপত্তি ঘটান গেটকাট। ৩৯ বলের দূর্দান্ত ৮০ রানের ইনিংস খেলে আউট হলে ১৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
৭ চার ও ৬ ছক্কায় মিঠুনের এমন বিধ্বংসী ইনিংস থেকে আত্মবিশ্বাস নিয়ে এরপর লড়াই চালিয়ে চান জাকির ও আল-আমিন। জাকির ১৩ রানের ইনিংস খেলে দলীয় ১৬২ রানে গেটকাটের ফাঁদে পা দিলে মুমিনুলকে সাথে নিয়ে দলকে জেতানোর বাকি কাজটুকু সাড়েন আল-আমিন। শেষ পর্যন্ত আল-আমিন ১৩ বলে ২১ রানে ও মুমিনুল ৬ বলে ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন।
আইরিশ বোলারদের মধ্যে ৩৬ রান খরচায় গেটকাট তিনটি ও ৩ ওভার বল করে ৪০ রান দিয়ে একটি উইকেট লাভ করেন লিটল।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন সাইফউদ্দিন। নিজের কোটার ৪ ওভার থেকে ২৮ রান নিয়ে তুলে নিয়েছেন প্রতিপক্ষের সর্বোচ্চ চারটি উইকেট। বাকি বোলারদের মধ্যে শরিফুল নিজের ঝুলিতে জমা করেন একটি উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশুর অ্যাংজাইটি দেখা দিতে পারে আট মাস বয়স থেকে

স্বাস্থ্য কণিকা: কচি কচি মুখ দেখলেই চারপাশে ফুফু-খালাদের হরদম বলতে শুনি ‘ওই বয়সটাই বেশ ছিল, কোনও চিন্তা নেই, ভাবনা নেই, মাথা ব্যথা নেই’। আচ্ছা, সত্যিই এসব থেকে দূরেই আছে তো এরা? আপনি নিশ্চিত তো আপনার শিশুর মধ্যে কোনও উদ্বেগ, কোনও ভাবনা নেই।
চিকিৎসা বিজ্ঞান কিন্তু অন্য কথা বলছে। শিশুদের মধ্যে উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটি দেখা দিতে পারে আট মাস বয়স থেকে। এবং কিছু ক্ষেত্রে অ্যাংজাইটি নাকি ভালোও, তা চারিত্রিক বিকাশে সাহায্য করে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে তা ভয়ের কারণ তো বটেই।
তিন বছর সময় পর্যন্ত মা-বাবার কাছ থেকে দূরে থাকলেই উদ্বেগ কাজ করে শিশুদের মধ্যে। স্বভাবতই তাদের চোখের আড়াল হলেই কেঁদে ওঠে বাচ্চারা। এছাড়া কোনও বিশেষ পোকামাকড় কিংবা জন্তু জানোয়ার থেকে ভয়, অন্ধকার থেকে ভয়, এসব বাচ্চাদের মধ্যে থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু এই ভয় মনের গভীরে ঢুকে গেলে সেটা থেকে বেরিয়ে আসা সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। এরকম পরিস্থিতিতে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার।

সামাজিক উদ্বেগ
এরকম পরিস্থিতিতে সামাজিক মেলামেশায় অস্বস্তিতে পড়ে শিশুরা। মন খুলে কথা বলতে পারে না। আর পাঁচজন তার ব্যাপারে কী ভাবছে, সে ব্যাপারে সব সময় সচেতন থাকে। স্কুলের এক্সকারশন, খেলাধুলোর সময় এদের বন্ধু তৈরি করতে সময় লেগে যায় অনেক। শুরু থেকেই সে দিকে খেয়াল রাখা উচিত অভিভাবকদের।

যেসব শিশুরা অতিরিক্ত উদ্বেগের শিকার, তাদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স (মস্তিস্কের যে অংশ যুক্তিবোধ নিয়ন্ত্রণ করে) কাজ করা কমিয়ে অথবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় শিশুর চিন্তাভাবনা। তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে খুব দোলাচলের মধ্যে পড়ে এরা।

অ্যাংজাইটিতে ভোগা শিশুদের মধ্যে লক্ষণগুলো দেখা যায়-

১.চট করে কেঁদে ফেলা

২. ক্ষণে ক্ষণে মেজাজ হারানো

৩. ঘুমের ব্যাঘাত হয়, হামেশাই দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে যাওয়া

৪. রাতে ঘুমের মধ্যে বিছানা ভিজিয়ে ফেলা

৫. এক জায়গায় বেশ খানিকক্ষণ স্থির হয়ে বসে থাকতে পারে না

৬. খাদ্যাভ্যাসে ঘন ঘন বদল আসে, কখনও খিদে থাকে না, কখনও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খায়

৭.চাহিদা না মেটা পর্যন্ত ঘ্যানঘ্যান করতে থাকে

৮. সারা শরীর মাঝে মধ্যেই কাঁপতে থাকা

৯. স্কুলের অথবা বাবা-মায়ের দেওয়া সামান্য চাপও এরা সামলাতে পারে না

১০.সারাক্ষণ বাবা-মায়ের থেকে আলাদা হওয়ার ভয় এদের গ্রাস করে রাখে

১১. বাবা-মায়ের মধ্যে বিচ্ছেদের আশঙ্কা থাকে এই সব বাচ্চাদের মধ্যে ভবিষ্যতে কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা তাদের পরিবারকে ভেঙে দিতে পারে, এই ভয় তাদের মধ্যে ঘুরপাক খাওয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের ব্রুণ দূর করতে কলার খোসা

স্বাস্থ্য কণিকা: কলার খোসা ফেলে দেওয়ার আগে কখনও ভেবেছেন আপনার কত কাজে আসতে পারে? বিউটি টিপস থেকে বাড়ির নানা রকমের কাজ সবেতেই সাহায্য করে কলার খোসা। তাই কলা খেয়ে খোসা ফেলবেন না। টাটকা খোসাকে ব্যবহার করে ফেলুন এই কাজগুলোতে।
ত্বকের ব্রুণ দূর করতে ব্যবহার করুন কলার খোসা। খোসার ভেতরের অংশটা ব্রুণর ওপর ভালো করে ঘষতে থাকুন। এক দিনেই ফল পাবেন আপনি। এছাড়া সময় থাকলে কলা খোসাগুলো মিক্সার গ্রাইন্ডারে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। সেটাও একটা মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। তাতেও আপনি আশানুরূপ ফল পাবেন।
দাঁত সাদা করতে কলার খোসা যে কার্যকর তা অনেকেই জানেন। খোসার ভেতর দিকটা দাঁতে ঘষতে থাকুন। দিন কয়েক এই পদ্ধতি অনুসরণ করলেই আপনার দাঁতের হলদেটে ভাব চলে যাবে। প্রতিদিন পাঁচ-দশ মিনিট করে ঘষুন। তারপর পানি দিয়ে কুলকুচি করে পানিটা বাইরে ফেলে দিন। বা ব্রাশও করে নিতেন পারেন। কয়েকদিনেই এই প্রক্রিয়া কাজ দেয়।
অধিকাংশ মানুষের সমস্যা হল আঁচিল। ছোট হোক বা বড়, আঁচিল দূর করার চেষ্টা সকলেই করেন। তার ওপর মুখে আঁচিল হলে তো আরও বিরক্তিকর। খোসার ভেতরটা আঁচিলের ওপর কিছুক্ষণ চেপে রাখুন। সপ্তাহখানেক ব্যবহার করলেই আপনার আঁচিল আপনা থেকেই শুকিয়ে পড়ে যাবে। তবে খেয়াল রাখবেন সাতদিনের মাথায় আঁচিল শুকিয়ে না পড়লে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
সিডি, ডিভিডির ওপর স্ক্র্যাচ পড়ে গেলে তা দূর করুন কলার খোসা দিয়ে। স্ক্র্যাচের কারণে সিডি বা ডিভিডি খারাপ হয়ে যায়, ভিডিও কিংবা অডিও আটকে যায়। সেই সমস্যার সমাধান করবে কলার খোসা। কলার খোসাটির ভেতরটা সিডি, ডিভিডির ওপর ভালো করে ঘষে নিনি। এর ফলে স্ক্র্যাচ তো চলে যাবেই সঙ্গে ভিডিও অডিও পরিষ্কার চলবে।
নানা রকমের পোকা, মশার কামড়ে ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয়। ক্রমাহত চুলকাতে থাকলে ত্বকের কিছু অংশ লাল হয়ে ফুলে যায়। পোকা বা মশা কামড়ালে যদি জায়গাটি জ্বলতে থাকে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে খোসার ভেতরটা ঘষে নিন। চুলকানি এবং জ্বালা তো কমবেই আর দাগও হবে না।
ময়লা জুতা চকচকে করে তুলতে সাহায্য করে কলার খোসা। জুতা পালিশ দিয়েও অনেক সময় জুতা পরিষ্কার হয় না। তখন বাধ্য হয়ে নোংরা জুতা পড়েই যেতে হয়। সেই জুতাই নিমেষে চকচকে করে তুলবে কলার খোসা। পাকা কলার খোসার ভেতরটা জুতার ওপর কয়েক মিনিট ঘষুন। তারপর একটা কাপড়ের টুকরো দিয়ে মুছে নিন। দেখবেন জুতা চকচকে হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest