সর্বশেষ সংবাদ-
উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনশ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা

রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন এরশাদ

দেশের খবর: জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ বলেছেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা রাতে ঘুমায় না। এরা ফেসবুকে আসক্ত হয়ে গেছে। এটি একটি সময়সীমার মধ্যে আনা গেলে ভালো হয়। ১১টার পরে ফেসবুক বন্ধ করতে পারলে পড়াশোনায় মন থাকবে।

বৃহস্পতিবার দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, চীনে নেই, সৌদি আরবে ফেসবুক নেই। শিশুদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়া আর কোকেন তুলে দেওয়া একই কথা। ডিজিটাল বাংলাদেশ, সোনার বাংলাদেশ গড়তে চাইলে ছেলেমেয়দের রক্ষা করতে হবে। উপায় খুঁজতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ১২

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার জামালনগরে গীর্জার মিশন মাষ্টারের দায়িত্ব’র বিরোধ নিয়ে গীর্জা বন্ধ করার ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় ১২ জন আহত হয়েছেন। এব্যাপারে থানায় লিখত অভিযোগ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, জামালনগর গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা পৌল সরকারের পুত্র লালন সরকার জামালনগর গীর্জায় মিশন মাষ্টার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। বিবাদীরা তাকে উক্ত পদ থেকে সরাতে ষড়যন্ত্র করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় ৪ মাস যাবৎ তারা গীর্জা বন্ধ করে রেখেছেন। ফলে কেউ ধর্মকর্ম করতে পারছেনা। ১৯ সেপ্টেম্বর বিষয়টি মীমাংসার জন্য ঢাকা থেকে তার ভাইপো মাইকেল ও যাকোব সরকার বাড়িতে ফিরে রাস্তার উপর উভয় পক্ষকে নিয়ে কথাবার্তা বলছিলেন। এসময় প্রতিপক্ষ টমাস সরদার, অসীম সরকার, ডেভিট, সুফল, বিশ^জিৎ, রাফেল, সুশান্ত, মনোরঞ্জনসহ তাদের লোকজন বাঁশের লাঠি, রড, দা ইত্যাদি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষর উপর হামলা করলে ফিলিপ, জোসেফ, আশু, সুবীর, তৃুষ্ণা, অমলসহ ১২ জন আহত হয়। প্রথমোক্তদের আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি সরকারি কলেজে পরিবর্তনকামী নাগরিক হিসাবে জনগোষ্ঠিতে উদ্বুদ্ধকরণে শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ হল রুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এনজিও রূপান্তরের সহযোগিতায় অগ্রগতি সংস্থার পিচ কনসোর্টিয়াম প্রজেক্টের আয়োজনে প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর হোসেন আলি। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন অগ্রগতি সংস্থার মাষ্টার ট্রেইনার আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান ও রাজু আহমেদ। কলেজের ৩ জন শিক্ষক ও ৩০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য, বহুমাত্রিকতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং উগ্রপন্থা ও সহিংসতা বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া রেডিকালাইজেশন এর ধাপ সমুহ সচিত্র আলোচনা পূর্বক উগ্রপন্থায় জড়িয়ে পড়ার ১৪টি সূচক সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফার র‌্যাঙ্কিংয়ে ফ্রান্স-বেলজিয়াম যৌথভাবে শীর্ষে

খেলার খবর: ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ২৫ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এল রাশিয়া বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রান্স ও একই আসরে তৃতীয় হওয়া বেলজিয়াম। ফিফার র‌্যাঙ্কিংয়ে সর্বশেষ প্রকাশিত তালিকায় দুটি দেশই সমান ১৭২৯ পয়েন্ট অর্জন করেছে।

শীর্ষ দশে আর মাত্র একটি পরিবর্তন হয়েছে। নয় থেকে দশে চলে গেছে ডেনমার্ক। সেই র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের অবস্থান তৃতীয়। চতুর্থস্থানে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা ক্রোয়েশিয়া। উরুগুয়ে, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড ও স্পেন যথাক্রমে নবম পর্যন্ত আগের অবস্থানেই আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা এর আন্তরিক সহযোগিতায় নিশ্চিত হবে প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান

 

প্রাথমিক শিক্ষা হলো বুনিয়াদী শিক্ষা। এই শিক্ষা’ই মোটামুটি নির্ধারণ করে দেয় শিশুর ভবিষ্যৎ জীবন। কেননা, প্রাথমিক শিক্ষা’ই শিশুকে পরবর্তী ধাপের শিক্ষা গ্রহণের উপযুক্ত করে গড়ে তোলে। ‘প্রাথমিক শিক্ষা চক্রে’ বর্তমানে শিশুর জন্য ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা রয়েছে। যে গুলো অর্জন করা একজন শিশুর জন্য অতীব জরুরী। খাদ্য তৈরীর জন্য গাছের পাতায় ‘ক্লোরোফিল’ যেমন অত্যাবশ্যকীয় উপাদান ঠিক তেমনি আজকের শিশুকে একজন পরিপূর্ণ ‘মানুষ’ হয়ে উঠার জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো প্রাথমিক শিক্ষা চক্রের জন্য নির্ধারিত এই ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা। কোন শিশু যদি সফলতার সাথে এই যোগ্যতা সমূহ অর্জন করতে পারে তাহলে নি:সন্দেহে পরবর্তী শিক্ষা গ্রহনের জন্য তার ভীত অত্যন্ত মজবুত হবে। একটি মজবুত ফাউন্ডেশনের উপর একজন নির্মাতা/মালিক যেমন বহুতল ভবন করার স্বপ্ন দেখতে পারেন, ঠিক তেমনি ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা অর্জনকারী একজন শিশুকে নিয়ে আমরা ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হিসাবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নিব -এই স্বপ্ন আমরা দেখতেই পারি। প্রখ্যাত চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াস-এর একটি বহুল প্রচলিত উক্তি–‘‘যদি তোমার পরিকল্পনা হয় ১ বছরের তাহলে ধান লাগাও,যদি পরিকল্পনা হয় ১০ বছরের তাহলে গাছ লাগাও আর যদি পরিকল্পনা হয় ১০০ বছরের তাহলে জাতিকে শিক্ষিত করো।” স্বাধীনতা যুদ্ধের পর যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের পুর্ন:গঠনের কাজে হাত দিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধীনায়ক,বাংলাদেশের স্থাপতি ,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, তৃতীয় বিশ্বের গণ মানুষের দাবী আদায়ের অবিসংবাদী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সোনার বাংলা গড়তে তিনি সোনার মানুষের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। অনুসরণ করলেন কনফুসিয়াসের বাতলে দেওয়া পথ। ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই জাতীয়করণ করলেন দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ৩৬,৭১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে। এর মধ্যদিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশা, আকাঙ্খা ও প্রত্যাশা-প্রাপ্তির এক জোয়ার এসে জাতিকে বিভোর করে তুললো। শিক্ষা নামক তরীতে যুক্ত হলো বিশাল আকৃতির পাল। দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলল বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা। মহান নেতার সুযোগ্য তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই পালের অবয়ব বৃদ্ধি করলেন ২০১৩ সালে আরো ২৬,১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করার মাধ্যমে। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে গ্রহণ করা হলো বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প। শিক্ষকগণের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদী বৃদ্ধি করা হলো, ব্যবস্থা নেওয়া হলো -তাদের জন্য উন্নত ও সময়োপযোগী সব ধরনের প্রশিক্ষণের, বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা হলো ল্যাপটপ,মাল্টিমিডিয়া,প্রজেক্টর প্রভৃতি ডিজিটাল ডিভাইস। শিক্ষার্থীদের মধ্যে গনতান্ত্রিক মনোভাব শৈশব থেকেই জাগ্রত করার জন্য ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ গঠনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ‘ক্ষুদে ডাক্তারের’ ন্যায় প্রশংসনীয় কার্যক্রম চালু রয়েছে বিদ্যালয়ে, চালু রয়েছে -কাবিং কার্যক্রম। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্ণামেন্ট চালু রয়েছে, ক্রীড়াঙ্গনে যার সুফল বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পেয়েছে। শুধু ক্রীড়াঙ্গনে নয়, সমাজের প্রায় ৯৮%শিশুকে বিদ্যালয়ে আনা সম্ভব হয়েছে , সম্ভব হয়েছে ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্য পরিমানে হ্রাস করা। এর প্রেক্ষিতে, নির্ধারিত সময়ের পূর্বেইMillennium Development Goals Gi Goal-2 Gi Universal Primary Education অর্জন করে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা( Sustaiable Development Goals) Gi Goal-4 এ ঘোষিত মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করণের জন্য ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় গ্রহণ করা হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। এতদ্বসত্ত্বে ও প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান কিন্তু এখনো কাঙ্খিত পর্যায়ের কাছাকাছি ও পৌঁছায়নি। মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের পাশাপাশি ‘মা’ কে তাই রাখতে হবে অগ্রনী ভূমিকা। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়-পৃথিবীতে যত মহামানব এসেছেন,যত মানুষ অন্যের জন্য আলোকবর্তীকা হয়েছেন তাঁদের প্রত্যেকের পিছনে তাঁদের মায়েদের অসমান্য অবদান রয়েছে। বিখ্যাত সূফী সাধক খাঁজা মঈনুদ্দীন চিশতি(রহ.)এক সফর শেষে এসে তাঁর মাকে বলছেন- আম্মাজান এই সফরে লক্ষাধিক মানুষ আমার হাতে বাইয়্যাত গ্রহণ করে মুসলমান হয়েছেন। তাঁর এই কথা শুনে তাঁর আম্মা বলছেন- বাবা এর জন্য তোমার বিশেষ কোন কৃতিত্ব নাই। এই বুর্জগীতো আমার, বিনা ওজুতে আমি তোমাকে কখনো দুধ পান করাই নাই। আমরা যদি বর্তমান সময়ের প্রতি একটু লক্ষ্য করি দেখতে পাবো অধিকাংশ মায়েরা কি পরিমানে বাজে কাজে (বিভিন্ন সিরিয়াল দেখা, ফেসবুক চালানো, অন্যের সাথে অযথা গল্প গুজুব করা প্রভৃতিতে) ব্যস্ত সময় পার করছেন। সন্তানের সাফল্যে নিজেকে অংশীদার বানানোর চিন্তা আজকে আমাদের মায়েদের কল্পনায়’ই আসছেনা না। সাধারণত শিশুর জন্মের পর এবং বিদ্যালয়ে যাওয়ার পূর্বে তার মায়ের কাছেই শিক্ষার হাতে খড়ি হয়ে থাকে। সে সময় মা তাকে যেরুপ শিক্ষা দেয়, পরবর্তী জীবনে তার একটি প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণস্বরুপ, আমরা হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.) এর জীবনের ২/১টি ঘটনা উল্লেখ করতে পারি। মক্তবের শিক্ষক হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.) কে আউযু বিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ সবক দানের সাথে সাথে আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.) কুরআন মাজিদের প্রথম থেকে আঠারো পারা পর্যন্ত মুখুস্ত বলে ফেললেন। মক্তবের শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, হে বৎস! তুমি কিভাবে কুরআন মুখুস্ত করেছো! আজ মক্তবে তোমার প্রথম দিন। হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.) বলেন, আমার মাতা ১৮ পারা পর্যন্ত কুরআন মুখুস্ত করেছিলেন। আমি গর্ভে থাকা কালীন সময়ে তিনি কুরআন পাঠ করতেন। আমি মায়ের তেলাওয়াত শুনেশুনে ১৮ পারা পর্যন্ত কুরআন মুখুস্ত করে ফেলেছি। আজ আমাদের মায়েদের কাছ থেকে আমাদের সন্তানেরা কী শিখছে?। সন্তান গর্ভে থাকলে আজকে অধিকাংশ মায়েদের অবসর যেন কাটতেই চায় না। অলস সময় তারা যে কিভাবে পার করেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। সত্যবাদিতা ,নৈতিকতা বই পড়ে অর্জনের কোন বিষয় না,এটি পরিবার থেকে চর্চার বিষয়। যার সূচনা হয় মায়ের হাত ধরেই, কারণ-শিশু যে তার মাকেই সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করে। পড়াশুনার উদ্দেশ্যে হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.) ব্যবসায়িক কাফেলার সাথে বাগদাদ যাওয়ার পথে ডাকাতের কবলে পড়লেন। হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.)কে ডাকাত সর্দার জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার সাথে কি আছে? তিনি বললেন আমার নিকট ৪০টি স্বর্ণ মুদ্রা আছে। ডাকাত সর্দার আশ্চার্যন্বিত হয়ে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন,হে যুবক! তুমি তো মিথ্যা কথা বলে আমার নিকট থেকে স্বর্ণ মুদ্রা লুকাতে পারতে। হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.) বললেন-মিথ্যা কথা বলতে আমার ‘মা’ নিষেধ করেছেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ঐ ডাকাত সর্দার সহ আরো ৬০ জন অশ্বারোহী ডাকাত নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে অন্ধকার জগত থেকে আলোর পথে ফিরে আসল। আজ সমাজে এ রকম মায়ের খুবই অভাব। বাড়িতে সন্তানের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে কোন রকমে দায়সারাভাবে অধিকাংশ ‘মা’ তার সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছে। যখন তার সন্তানের পড়ালেখার জন্য বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে, হাতে গোনা কয়েকজন মা আসছেন। মিড-ডে মিল বাস্তবায়নে বিদ্যালয়কে সহায়তার পরিবর্তে পরিবারের অন্যান্য সদস্য নিয়ে তারা ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে সব দায় যেন সরকার বাহাদুরের। যা গুণগত মানের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে অন্যতম প্রধান অন্তরায়। তারা ভুলে গেছেন(অনেক ‘মা’ হয়ত জানেন ই না) মাতৃগর্ভ থেকে অন্ধ হয়ে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ইমাম বুখারী(রহ.)। তাঁর মায়ের একান্ত সাধনায় চোখের জ্যোতি ফিরে পান ইমাম বুখারী(রহ.)। আল্লামা আসকালানী ইমাম বুখারী(রহ.) এঁর বাল্যকালীন শিক্ষা সর্ম্পকে লিখেছেন যে, মায়ের কোল থেকেই ইমাম বুখারী (রহ.) শিক্ষা লাভ করেন। শৈশবে পিতার মৃত্যুর পর তাঁর মা তাঁকে লালন-পালন করেন। মাত্র ৬ বছর বয়েসে তিনি কুরআন মুখুস্ত করেন। ২০টির অধিক গ্রন্থ তিনি রচনা করেন। ইমাম বুখারী(রহ.) যে মানুষের জন্য আলোর দিশারী হলেন এটি সম্ভব হয়েছে তাঁর মায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। আমরা কি আমাদের সকল মায়েদের কাছে এটা প্রত্যাশা করতে পারিনা , ‘তাঁদের মতো আপনি ও আপনার সন্তানের শিক্ষার প্রতি আন্তরিক হবেন।’ কেননা- উন্নত বাংলাদেশের হ্নদস্পন্দন যে আজ আপনার কোলে। সরকারের গৃহীত কার্যক্রমকে (মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা)বাস্তবায়নের জন্য আপনার আন্তরিকতাপূর্ণ সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। “শিক্ষিত মা এক সুরভিত ফুল, প্রত্যেকটি ঘর হবে এক একটি স্কুল” –আসুন, আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এই স্লোগানের সাথে একত্ত্বতা ঘোষণা করে প্রিয় স্বদেশ ভূমিকে উন্নত দেশে রুপান্তরিত করতে কাধে কাধ মিলিয়ে গুণগতমানের প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসি।

মো: মনজুরুল আলম
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার
দেবহাটা, সাতক্ষীরা।
মোবাইল নং:০১৭৮৭-৪১৮৫৫৩

E-mail: monzualam1@gmail.com

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায়  ইউএনও হিসাবে আলমগীর হুসাইনের যোগদান

নিজস্ব প্রতিনিধিঃকলারোয়ায় উপজেলা নির্বাহী( ইউএনও) হিসাবে নতুন যোগদান করেছেন মোঃ আলমগীর হুসাইন। এর আগে জেলা প্রসাশক কার্যালয় সাতক্ষীরাতে  যোগদান করেন  বৃহস্পতিবার সকালে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কার্যালয় অফিসে যোগদান করেন।কলারোয়ায় যোগদানের পূর্বে তিনি বাগেরহাট মোড়লগঞ্জের এসিল্যান্ড হিসাবে কর্মরত ছিলেন।সিনিয়র সহকারী সচিব হিসাবে এই প্রথমে ইউএনও হয়ে কলারোয়ায় যোগদান করলেন।তিনি ৩১তম বিএসএস ক্যাডারভুক্ত হন,তিনি খুলনা জেলার সন্তান। নবাগত ইউএনও জানান সকলের সহযোগীতায় কলারোয়াকে মডেল হিসাবে গড়ে তুলতে চাই।উল্লেখ্য সদ্য বিদায়ী মনিরা পারভীনের বিদলীর জনিত কারনে কলারোয়াতে  তিনি যোগদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা বাস, মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচন স্থগিত

 

সাতক্ষীরা জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতি (রেজিঃ নং- খুলনা-২০৯১) এর ২২ সেপ্টম্বরের নির্বাচন সাময়িক স্থাগিত ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর১৮ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা বাস মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হয়।
ওইপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর১৮ তারিখে নির্বাচনের দিন ধার্য্য ছিল। কিন্তু নির্বাচনের বিষয়ে বিভাগীয় শ্রম আদালত, খুলনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং-শ্রম৮০/২০১৮। উক্ত মামলায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে কেন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হবে না এই মর্মে সংশ্লিষ্ট আদালত কারণ দর্শনোর নোটিশ জারি করেছে। এমতাবস্থায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষে আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের নির্বাচন সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করা হলো। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির বড়দলে ইউপি সদস্যেরর বিরুদ্ধে  মৎস্য ঘের লুটের অভিযোগ

বড়দল (আশাশুনি) প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বড়দলে ভূমি দুস্য ইউপি সদস্য দেবব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে মৎস্য ঘেরের বাসা ভেঙে, ঘেরের বেড়ি বাধ কেটে জাল টেনে ঘেরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বড়দল মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের ৮৪৬ দাগের ২০০শতক জমি ২০১৩ সাল থেেকে একসানা ডিসিয়ার নিয়ে বড়দল গ্রামের মৃত: ইনতাজ গাজীর পুত্র বাছেদ গাজী, আনিচ গাজী, জহোর গাজীর পুত্র মিজানুর গাজী এবং ইসলাম গাজীর পুত্র আনারুল গাজী শান্তিপূর্ণ ভোগ দখল করে আসছিলো। তাদের প্রত্যেকর আলাদা আলাদা ঘেরের বেড়ি মেম্বর ও তার লোক জন মিলে গতকাল রাত আনুমানিক দেড়টাার দিকে কেটে দিয়ে ঘেরের বাসা ভেঙে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। বৈধ্ ডিসিয়ারের মালিক বাছেদ গাজী জানান, মধ্যম বড়দল গ্রামের মনি মন্ডলের পুত্র দেবব্রত মেম্বর ও তারি সহযেগি সুুবোল কুমার, সিবপদ জেলে, নিপপদ মন্ডল, বিভূতি মন্ডল, জান্টু মন্ডল, সুব্রত মন্ডল, মধু মন্ডল সহ  আরও কয়েক জন মিলে সংগবদ্ধ হয়ে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আমাদের মৎস্য ঘেরে এসে বেড়ি কেটে ও বাসা ভাংচুর করে তাদের মৎস্য ঘের লুট করে চলে যায়। এসময় তারা ঘেরের প্রায় লক্ষাধিক টাকার মাছ ও ঘেরের বাসায় থেকে বেশ কিছু জিনিষ পত্র নিয়ে যায়। এঘটনার পূর্বে মেম্বর ও তার লোক জন আমাদেরকে ফোনে ও সন্মুখে একাধিক বার ঘেরে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলো। বছরের প্রথম দিকে একই এলাকার মৎস্য ঘের মালিকদের মারপিট করে ঘের দখল করার কারনে পাইকগাছা থানায় মেম্বর দেবব্রত সহ তার সহযোগিদের নামে মামলা হয়। মেম্বর দেবব্রত তার বিষয়ে আনিত অাভিযোগ অস্বীকার করলেও পরবর্তিতে বলেন আমার লোকজন ২০০৯ সাল থেকে ডিসিয়ার কেটেও জমি দখল পাচ্ছে না। আমরা প্রথমে মনে করেছিলাম ওটা পাইকগাছার চাদখালীদের জমি কিন্তু পরে জানলাম ওটা আমাদের বড়দল ওয়ালাদের জমি। এবিষয়ে বড়দল ইউনিয়ন সহকারি ভুমি কর্মকর্তা রনজিত কুমার মন্ডল জানান, বাছেদ গাজীগং কয়েক বছর ধরে উল্লখিত জমি  ডিসিয়ার কেটে আসছে। এবছর ডিসিয়ার দেয়া বন্ধ বিধায় এবছরের ডিসিয়ার তারা এখনও নিতে পারেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest