সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

ঈদ মাতবে মাহফুজুর রহমান ও ইভার গানে

বিনোদনের খবর: ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে এটিএন বাংলার ঈদ আয়োজনের দুই দিন থাকছে কণ্ঠশিল্পী ইভা রহমান ও ড. মাহফুজুর রহমানের বিশেষ গানের অনুষ্ঠান। এই ঈদে ইভা রহমান হাজির হচ্ছেন ‘মনের রঙে রাঙাবো’ শিরোনামের গানের অনুষ্ঠান নিয়ে। অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে ঈদের দিন, রাত ১০.৩০ মিনিটে। আর ড. মাহফুজুর রহমান হাজির হচ্ছেন ‘বলো না তুমি কার’ শিরোনামের একটি গানের অনুষ্ঠান নিয়ে। এটি প্রচার হবে ঈদের তৃতীয় দিন রাত ১০.৩০ মিনিটে। শিল্পী ইভা রহমানের গাওয়া গান নিয়ে এ পর্যন্ত ২৪টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এসব অ্যালবাম থেকেই বাছাই করা গানগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘মনের রঙে রাঙাবো’ অনুষ্ঠানটি। আর গানগুলো চিত্রায়িত হয়েছে দেশে এবং দেশের বাইরের মনোরম সব লোকেশনে। অন্যদিকে কণ্ঠশিল্পী ড. মাহফুজুর রহমান যে গানগুলো পরিবেশন করবেন সেগুলো হলো- একটা মন দাও, কত সুন্দর তুমি, স্মৃতি নিয়ে বেঁচে আছি, শুধু তোমাকেই, আমার চেয়ে অনেক বেশি, আজ কেন মনে হয়, আমাকে আর ভালোবাস না, একা থাকার যন্ত্রণা ইত্যাদি। স্টুডিওসহ দেশে এবং দেশের বাইরের মনোরম লোকেশনে চিত্রায়িত হয়েছে অনুষ্ঠানের গানগুলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩০০ আসনে তৎপর আওয়ামী লীগের ১৫০০ প্রার্থী

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতি আসনে গড়ে পাঁচজন প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান। কিছু আসনে একক প্রার্থী আবার কিছু আসনে ডজন প্রার্থীও রয়েছেন। ফলে গড়ে ৩০০ আসনে নৌকার টিকিট পেতে চান ১৫০০ প্রার্থী। এ বিপুল সংখ্যক প্রার্থী সারা দেশের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় যে যার মতো করে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র চার মাস বাকি থাকায় নতুন মুখের পদচারণায় তৃণমূলে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে তৃণমূল রাজনীতি। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের নানা রঙের পোস্টার-ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। তৃণমূলকে আস্থায় নিতে যে যার মতো দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাই এবার কঠিন হবে। তৃণমূলের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে চার স্তরের জরিপ মিলিয়ে দেখা হবে। সে কারণে বর্তমান এমপি কিংবা আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক ছাত্রনেতা— এসব যোগ্যতা থাকলেই নৌকার টিকিট পাওয়া যাবে না। যাকে মনোনয়ন দিলে জিতে আসার সম্ভাবনা বেশি, আগামী নির্বাচনে তাকেই দেওয়া হবে নৌকার টিকিট। ক্ষমতাসীন নেতারা বলেন, প্রতিটি আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। সবকিছু যাচাই-বাছাই করে যিনি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, তাকেই মনোনয়ন দেবেন শেখ হাসিনা। সে কারণে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এখন তৃণমূলের দিকে ঝুঁকছেন। তারা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন। আসন্ন ঈদুল আজহায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বেশি করে গরু-ছাগল কোরবানি দিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে এটাই শেষ ঈদ। সে কারণে ঈদকে গুরুত্ব দিচ্ছেন দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন, ঢাকা বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থীরা রয়েছেন ফরিদপুর-১ আসনে। এ আসনে বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান। এখানে মনোনয়ন চান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী সিরাজুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দিলীপ রায় ও কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান দোলন। তারা সমানতালে এলাকায় গণসংযোগ করছেন।

শরীয়তপুর-২ আসনের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া মহল্লায় গণসংযোগ, কর্মিসভা করে চলেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম। কুমিল্লা-৪ আসনের বর্তমান এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের পাশাপাশি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সাবেক মন্ত্রী এবিএম গোলাম মোস্তফা, যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল কালাম আজাদ। চাঁদপুর-৩ আসনে বর্তমান এমপি ডা. দীপু মনি ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী নির্বাচনী প্রচারণায় রয়েছেন। তারা দুজনই সমানতালে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এ ছাড়াও নৌকার টিকিটের প্রত্যাশায় আছেন মো. রেদওয়ান খান (বোরহান)। নোয়াখালী-৬ আসনে দলীয় এমপি বেগম আয়েশা ফেরদাউস ছাড়াও মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী, মাহমুদ আলী রাতুল ও আমিরুল ইসলাম নিয়মিত এলাকায় গণসংযোগ করে চলেছেন। চট্টগ্রাম-৬ আসনে দলীয় এমপি এবিএম ফজলে করিম ছাড়াও মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন নিয়মিত গণসংযোগ করছেন। দিনাজপুর-১ আসনে বর্তমান এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপালের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় আছেন সাবেক ছাত্রনেতা আবু হোসাইন বিপু। গাইবান্ধা-৫ আসনের এমপি ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া ছাড়াও এই আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন। প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড নেতাদের সঙ্গে নিয়ে সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি কর্মিসভা, আলোচনা সভা ও পথসভা করে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন তিনি। নওগাঁ-৫ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ করছেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলের ছেলে নিজাম উদ্দিন জলিল জন। নাটোর-৪ আসনে বর্তমান এমপি আবদুল কুদ্দুস নিয়মিত এলাকায় থাকছেন। এ আসনে দলীয় মনোনয়ন চান এমপিকন্যা যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী ও সাবেক ছাত্রনেতা আহমদ আলী মোল্লা। ঢাকা-২ আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত আছেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ। ঢাকা-৫ আসনে বর্তমান এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লার পাশাপাশি তারপুত্র মশিউর রহমান সজল মোল্লা, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন মনু গণসংযোগে তৎপর। ঢাকা-৮ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জোর প্রচারণায় আছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। পিরোজপুর-১ আসনের এমপি এ কে এম আউয়াল ছাড়াও দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন, আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগ নেতা শাহ আলম ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বর্তমান এমপি গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন দলীয় ও সরকারি কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণের পাশাপাশি এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই আসনে দলের অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও বসে নেই। এদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা বিশিষ্ট শিল্পপতি লুত্ফর রহমান দিলু, কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুইট ও প্রয়াত এমপি ইসহাক আলীর পুত্র ইমন তালুকদার। পাবনা-৪ আসনে বর্তমান এমপি শামসুল রহমান শরিফ ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লিটন প্রচারণায় আছেন। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে এমপি আলী আজগর টগর ছাড়াও এই আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পারছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা হাসেম রেজা। মাগুরা-১ আসনে প্রতিটি গ্রাম ঘুরে বেড়াচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শিখর। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ছাড়াও উঠান বৈঠক, সরকারের উন্নয়নগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরতে মতবিনিময় সভা করছেন তিনি। বাগেরহাট-৪ আসনে নিয়মিত গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ। খুলনা-৩ আসনে নিয়মিত গণসংযোগ করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এসএম কামাল হোসেন। সাতক্ষীরা-৪ আসনের বর্তমান এমপি এসএম জগলুল হায়দার ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রচারণায় আছেন। তিনি কখনো কৃষক শ্রমিকদের সঙ্গে ভাত ভাগাভাগি করে খান, কখনো গভীর রাতে নিজ কাঁধে চাল, ডাল ও মুরগি নিয়ে হাজির হন অনাহারির বাড়িতে। আবার শ্রমিকদের সঙ্গে কৃষি কাজেও দেখা যায় তাকে। পটুয়াখালী-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালের পাশাপাশি গণসংযোগ করছেন কৃষক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ হাওলাদার। বরিশাল-৩ আসনে নিয়মিত যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার। ময়মনসিংহ-৫ আসনে জোর প্রচারণা শুরু করেছেন সাবেক এমপি শামসুল হকের ছেলে মোহাম্মদ তারেক। নেত্রকোনা-১ আসনে এবার নির্বাচনী প্রচারণায় রয়েছেন সাবেক এমপি মোস্তাক আহমেদ রুহী। নেত্রকোনা-২ আসনে নৌকার টিকিট চান সাবেক এমপি আশরাফ আলী খান খসরু, সাবেক ছাত্রনেতা চিত্রনায়ক রানা হামিদ। নেত্রকোনা-৩ আসনে বর্তমান এমপি ইফতিকার উদ্দিন পিন্টু ছাড়াও জোর প্রচারণায় আছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল। তিনি গত কয়েক বছর ধরেই সপ্তাহে দুই দিন নিয়মিত এলাকায় যাচ্ছেন এবং দলীয় কর্মসূচি ছাড়াও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরছেন। এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আরও আছেন যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল, সাবেক এমপি মঞ্জুর কাদের কোরাইশী। নেত্রকোনা-৪ আসনে রেবেকা মমিনের পাশাপাশি নিয়মিত এলাকায় যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা শফি আহমেদ। নেত্রকোন-৫ আসনে ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল ছাড়াও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা তুহিন আহম্মদ খান দলীয় মনোনয়ন চান। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে সোহরাব উদ্দিন এমপি ছাড়াও জোর প্রচারণায় রয়েছেন সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ। এ ছাড়াও এ আসনে নৌকা পেতে চান সাবেক ছাত্রনেতা ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে সুকুমার রঞ্জন ঘোষের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভুইয়া ডাবলু, সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম সরোয়ার কবির গণসংযোগে আছেন। নরসিংদী-৫ আসনে বর্তমান এমপি রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর পাশাপাশি সমানতালে গণসংযোগ, কর্মিসভা ও মতবিনিময় করে চলেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ মেয়েদের শিরোপা নবায়নের ফাইনাল

খেলার খবর: মাহমুদার কাছে ফুটবল খেলাটা বড় বিরক্তিকর হয়ে গেছে। সে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের কর্মহীন গোলরক্ষক! গোলপোস্টের নিচে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া বিশেষ কোনো কাজ নেই। প্রতিপক্ষের কোনো চাপ নেই, বড় পরীক্ষা নেই, তাই ভুলেরও সুযোগ নেই। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবলের সেই ঢাকা আসর থেকে ধরলে এখনো পর্যন্ত সবই ‘ক্লিন শিট’। টানা সাত ম্যাচে গোল খায়নি সে! অষ্টম ম্যাচের আগে মাহমুদা আক্তারের কণ্ঠে তাই দুর্দান্ত আত্মবিশ্বাস, ‘গোলহীন আরেকটা ম্যাচ কাটাতে চাই আমি। আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। সেটা করতে পারলেই শিরোপা আমাদের কাছে থেকে যাবে।’ নিজেদের পোস্ট না হয় সুরক্ষিত থাকল, কিন্তু শিরোপা জিততে হলে যে গোল করতে হবে। এ নিয়ে বাংলাদেশ কোচেরও দেখছি ন্যূনতম টেনশন নেই, ‘গোল নিয়ে অত চিন্তা নেই। স্বাভাবিক খেলায় সুযোগ আসবে, গোলও হবে।’

এই বাংলাদেশ দলে আসলে গোলের মানুষ অনেক। দুই ফরোয়ার্ড শামসুন্নাহার ও তহুরার আছে সর্বোচ্চ চার গোল করে। অন্যদেরও অনেক গোল। বড় সুবিধা হলো, ডিফেন্ডাররাও গোল করছে সমানে। তাহলে তো হয়েই গেল। গোল খাওয়া এবং দেওয়ায় যখন সমস্যা নেই তখন গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলকে ঠেকায় কে! ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচ হয়ে যাচ্ছে একরকম শিরোপার আনুষ্ঠানিকতা। থিম্পুতে আজ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবলের শিরোপা নবায়নের ম্যাচ বাংলাদেশের। চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে এই ফাইনাল।

ঠিক সাত মাস আগে ঢাকায় হয়েছিল এই টুর্নামেন্টের প্রথম ফাইনাল। সেখানেও প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। সে এক নতুন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের মহিলা ফুটবলের। ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আঞ্চলিক সেরার আসনে বসে বাংলাদেশ। নতুন পাঁচ খেলোয়াড় বাদ দিলে সেই দলই খেলছে ভুটানের এই টুর্নামেন্টে। তবে আরো পরিপক্ব এবং পরিণত হয়ে। কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের চোখে পরিমিতিবোধটা এ রকম, ‘মেয়েদের এখন বলে দিতে হয় না কিভাবে খেলবে। ম্যাচের কোন সময়ে কিভাবে খেলতে হয় তারা জানে। চাপের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসার খেলাটাও তারা শিখে গেছে। দলটি আসলে দেশে বড়দের সঙ্গে অনেক প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলেছে, তাদের কাছে ম্যাচ সিচুয়েশনগুলো এ রকম জানা।’ টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো তাই বার্ষিক পরীক্ষায় ‘কমন’ পড়ে যাওয়ার মতো ব্যাপার হয়ে গেছে। পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে হারিয়ে শুরুর পর নেপালের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে তারা হয় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। সেমিফাইনালে ৫-০ গোলে ভুটানকে গুঁড়িয়ে উঠেছে ফাইনালের মহামঞ্চে।

ফাইনালে আবার সেই চেনা প্রতিপক্ষ ভারত। দুদিন আগেও ছোটন কথায় কথায় ভারতকে ‘কমজোরি’ বললেও কাল দিয়েছেন মহারণের প্রতিপক্ষের সম্মান, ‘তাদের আগেরবারের দলের সঙ্গে আমি তুলনায় যাব না। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল হয়েই তারা ফাইনালে পৌঁছেছে। তবে আমাদের স্বাভাবিক খেলটা বজায় থাকলে কোনো প্রতিপক্ষই কঠিন নয়।’ শ্রীলঙ্কার জালে ১২ গোল করা ভারত সেমিফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে কোনো রকমে হারিয়ে উঠেছে ফাইনালে। সুবাদে তারা অন্যতম সেরা হলেও খেলার মান এবং শক্তির পার্থক্যে এগিয়ে থাকে বাংলাদেশ। তবে ফাইনাল এক ম্যাচের মামলা, যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে। এমন শঙ্কা অঙ্কুরে বিনাশ করে বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন দলের স্বাভাবিক খেলাটা প্রত্যাশা করছেন, ‘অঘটনে অনেক কিছু হয়। আমাদের প্রত্যাশা মেয়েদের স্বাভাবিক পারফরম্যান্স। এ পর্যন্ত মাঠের পারফরম্যান্সে স্পষ্ট হয়ে গেছে কারা টুর্নামেন্টের সেরা। ফাইনালে সেটা আমাদের প্রমাণ করতে হবে ভারতকে হারিয়ে। এই ম্যাচ জেতার জন্য বাড়তি কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এত দিন যেভাবে খেলেছে সেই ধারাটা বজায় রাখতে হবে শুধু।’

অঘটন না ঘটলে খেলার স্বাভাবিক ধারাটাই বজায় থাকবে শামসুন্নাহার-মারিয়াদের পায়ে। এটা তাদের অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেরালায় বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪

বিদেশের খবর: ভারতের কেরালা রাজ্যে টানা বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। বন্যার কারণে ঘর-বাড়ি ছাড়তে হয়েছে কমপক্ষে ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ। এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে রাজ্যের ব্যস্ততম কোচি বিমানবন্দর। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই- এর অফিস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দিশটির গণমাধ্যম বলছে, রাজ্যের ১৪টি জেলার মধ্যে ১৩টিতেই চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইদুকি জেলার। তবে পরিস্থিতি আগের থেকে কিছুটা উন্নত হয়েছে আলাপুঝা, এর্নাকুলাম, ত্রিশূর এবং পথনমথিত্তায়।

ত্রিশূর ও চালাকুড়ি শহরের বেশির ভাগ পানির নিচে চলে গিয়েছে। যে সব জায়গায় ত্রাণ শিবির তৈরি করা হয়েছে, নতুন করে বৃষ্টি হওয়ায় সেখানেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

বন্যার ফলে রাজ্যের ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি রাস্তার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। প্রবল বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যায় কোচি বিমানবন্দর শনিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের রানওয়ে, পার্কিং এলাকা ডুবে গেছে।

আবহায়াবিদরা জানাচ্ছেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ১ জুন থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে বৃষ্টি হয়েছে ২,০৮৭.৬৭ মিলিমিটার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান ড. কামাল

রাজনীতির খবর: গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী অনেক ব্যস্ত, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে কাজের চাপে অনেক ব্যস্ত থাকেন। তারপরও তিনি যদি ১০ মিনিট সময় দেন তাহলে কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে কথা বলতে চাই।

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংহতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কামাল হোসেন বলেন, এই দুটি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সাধারণ যে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদেরকে ছেড়ে দিন। প্রয়োজনে আমি আপনার পা ধরতেও রাজি আছি। আপনার পা ধরে নিবেদন করতে চাই গ্রেফতার করা শিক্ষার্থীদের আপনি মুক্তি দিন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ প্রমুখ।

ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মালিক জনগণ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যারা আছেন তাদেরকে জণগণের সেবক হিসেবে দেশ শাসন করা উচিৎ। সবাইকে মালিক হিসেবে একত্রে দাঁড়াতে হবে। আসুন আমরা এই ঈদে এই বাণী নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাই এবং সকলকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ রাসেল একটি স্মৃতি বিজড়ীত নাম — নজরুল ইসলাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সুলতানপুরস্থ আজাদী সংঘ ক্লাবে এ আলোচনা সভা, দোয়া অনুষ্ঠান ও তাবারক বিতরণ করা হয়। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সদর থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর আ’লীগের সহ-সভাপতি আশরাফুল করিম ধনী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, সদস্য সবুর খান, ২নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, শামছুল আলম, জুলফিকার আলী ভুট্টো, আব্দুল মজিদ, কুরবান আলী, মুজিবুর রহমান, নুরুল হক, কবির হোসেন, আশরাফুল কবির খোকন, নূর মনোয়ার হোসেন, রুহুল আলিম, আব্দুস সেলিম, আঃ রহমান, রোকেয়া বেগম, মাস্টার রুস্তম আলী, আনছার আলী, আমজাদ হোসেন প্রমুখ।
এসময় প্রধান নজরুল ইসলাম বলেন, শেখ রাসেল একটি স্মৃতি বিজড়ীত নাম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে শিশু পুত্র শেখ রাসেলকে হত্যা করেছিল ঘাতকরা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের কল্পনাও আমরা করতে পারতাম না। বঙ্গবন্ধুর সুনিপুন দুরদর্শীতার কারণে বাংলাদেশ খুব তাড়াতাড়ি স্বাধীনতা লাভ করেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে যিনি তাঁর সারাজীবন লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন। সেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল এদেশেরই ঘাতকরা। যেটা বাঙালী জাতির জন্য কলঙ্ক জনক অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ঘাতকরা মনে করেছিল তারা এদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম চিরতরে মুছে দিতে। কিন্তু তারা শতচেষ্টা করেও সেটা পারেনি। বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন এদেশের মাটি ও মানুষের হৃদয়ে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে যারা বিদেশে আছে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। তাদের বিচারও শেষ করা হবে। তিনি আরো বলেন, নৌকা হচ্ছে উন্নয়ননের প্রতীক। শেখ হাসিনা সরকার এদেশের ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে বিদ্যুৎ, শিক্ষা, চিতিৎসা, রাস্তাঘাট সহ এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। পদ্মাসেতু বর্তমানে দৃশ্যমান। বাংলাদেশের যারা উন্নয়ন চায়না। ওই জামাত-শিবির চক্র আর যাতে এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আগামী মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরায় যারাই নৌকার প্রতীক পাবে দলীয় স্বার্থে সকল ভেদাভেদ ভুলে নৌকার পক্ষে কাজ করে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার মাধ্যমে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাকডাঙ্গায় ফুটবল টুর্নামেন্টে আটুলিয়া একাদশ চ্যাম্পিয়ন

হোসেন আলী, কাকডাঙ্গা।

কলারোয়ার কাকডাঙ্গা তরুন সংঘের আয়োজনে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী কাকডাঙ্গা ফুটবল ময়দানে নক-আউট ভিত্তিক চার দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন অত্র ফুটবল মাঠ কমিটির কোষাধ্যক্ষ আাশারাফুজ্জামান, এসময় উপস্থিত ছিলেন উক্ত মাঠ কমিটির সদস্য বৃন্দ, ৪টি দলের টিম ম্যানেজার, কোচ ও খেলোয়ার সহ এলাকার সুধীবৃন্দ।
অত্র খেলায় অংশ গ্রহন করেন, কাকডাঙ্গা তরুন সংঘ ফুটবল একাদশ, চুপড়িয়া আপন স্পোটিং ফুটবল একাদশ, ভাদড়া বন্ধু মহল ফুটবল একাদশ ও আটুলিয়া ফুটবল একাদশ। এ ৪টি দলের মধ্যে ১ম রাউন্ডে ভাদড়া বন্ধু মহল ফুটবল একাদশ, চুপড়িয়া আপন স্পোটিং ফুটবল একাদশকে ১-০ ব্যবধানে ও আটুলিয়া ফুটবল  একাদশ কাকডাঙ্গা তরুন সংঘ ফুটবল একাদশকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়।
ভাদড়া বন্ধু মহল ফুটবল একাদশ ও আটুলিয়া ফুটবল একাদশের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি জমজমাট উত্তেজনার মধ্যদিয়ে প্রথমার্ধ গোল শূণ্য থাকে এবং দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে ভাদড়া বন্ধু মহল গোল করে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
টানটান উত্তেজনার মধ্যে খেলা শেষ হওয়ার ৫ মিনিট আগে আটুলিয়া গোল করলে খেলাটি ১-১ সমতায় শেষ হয়।
নিয়মানুসারে টাইব্রেকারে আটুলিয়া ফুটবল একাদশ ভাদড়া ফুটবল একাদশকে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলে দেন অধ্যাপক সানোয়ার হোসেন। রানার্সাপ ট্রফি তুলে দেন অত্র ফুটবল মাঠ কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রদর্শক শাহিনুর রহমান। ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কার তুলে দেন প্রভাষক হাবিবুর রহমান লালটু।
টুর্নামেন্টটি পরিচালনা (রেফারি) করেন ইমারুল ইসলাম এবং সহকারী রেফারি ছিলেন আরিজুল ইসলাম ও জিয়ারুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা ইউএনওর বৃক্ষ রোপনে জাতীয় পুরষ্কার গ্রহণ

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ বৃক্ষ রোপনে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার ২০১৭ গ্রহন করেছেন। বৃহষ্পতিবার সকালে ঢাকার আগারগাঁও বন ভবনের হৈমন্তি মিলনায়তনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নিকট থেকে ইউএনও এই জাতীয় পুরষ্কার গ্রহন করেছেন। সম্প্রতি বন শাখা-২ এর ২২.০০.০০০০.০৬৭.৪৩.০০০৯.১৬-১৬৩ নং স্মারকে “গ” শ্রেণিতে দেবহাটা উপজেলা পরিষদ এই পুরষ্কারের জন্য মনোনিত হয়। উক্ত পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান বন সংরক্ষক মোহাম্মদ সফিউল আলম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রনালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী। উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্র জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ দেবহাটা উপজেলায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি বৃক্ষ রোপনের উপর কাজ করেন। তারই ফলশ্রুতিতে তিনি দেবহাটা উপজেলার মধ্যে একটি ঔষধী গাছের বাগান রোপন করেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন প্রজাতির দূর্লভ গাছের চারা রোপন করেছেন। এছাড়া তিনি প্রায় ৩ একর জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলজ, ভেষজ (ঔষধী) ছাড়াও শোভাবর্ধনকারী ও দেশীয় বিলুপ্ত প্রায় গাছের চারা রোপন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দেশীয় ফল, টক জাতীয় ফল, ঔষধী গাছ রক্ষা, নতুন প্রজন্মকে বর্নিত গাছসমূহের সাথে পরিচিতি ঘটানো এবং বিলুপ্তপ্রায় গাছসমূহকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এই বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পাওয়া এই পুরষ্কার সকল দেবহাটাবাসীর বলে তিনি জানান। ইউএনও বলেন, আরো একাধিক বাগান সৃষ্টি এবং বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষ রোপন করে জনগনকে সম্পৃক্ত করে বৃক্ষ রোপনে উৎসাহ প্রদান করার জন্য তিনি কাজ করবেন। উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ দেবহাটায় যোগদানের পর থেকে দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর, দেবহাটা রুপসী ম্যানগ্রোভকে আরো উন্নত ও বিনোদনমূলক করা, উপজেলা গেট নির্মান, উপজেলা মুক্ত মঞ্চ নির্মান, উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে সেবা গ্রহনকারীদের জন্য কাচারী ঘর নির্মান, উপজেলা পরিষদের শোভা বর্ধন করা সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest