সর্বশেষ সংবাদ-
উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনশ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা

ডা. রুহুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ঢাকায় মানববন্ধন

তোষিকে কাইফু : সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য ডা: আ.ফ.ম রহুল হক এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ঢাকাস্থ সাতক্ষীরার আওয়ামীলীগ এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের শত শত নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ঢাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় বি এস এম এম ইউ এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা: আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে ঢাকা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জবি শিক্ষক অধ্যাপক জি এম তরিকুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সহকারী অধ্যাপক কাজী ফারুক হোসেন, প্রভাষক ফেরদৌস আলম, চিকিৎসক নেতা ডা: রবীন, ডাঃ আলাউদ্দিন, ডাঃ পিযুষ, ছাত্রলীগ নেতা জি এম আল আমিন, নাহিদ হাসান শাহীন, সাংবাদিক সাঈদ মেহেদী সেকেন্দারসহ ঢাকাস্থ সাতক্ষীরাবাসী। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি সাতক্ষীরাবাসীর গর্ব। তিনি দক্ষিণ বঙ্গের মানুষের প্রাণ প্রিয় নেতা। তার জন্য সাতক্ষীরাবাসীর উন্নত চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি ডিজিটালের ছোঁয়া পেয়েছে। কিন্তু আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে কিছু মৌসুমি পাখি, ভূমিদস্যুরা অবৈধ টাকার প্রভাবে নির্বাচনের স্বপ্নে বিভোর হয়েছে। তারা ডা: আ.ফ.ম রুহুল হকের জনপ্রিয়তায় ঈষান্বিত হয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা ভুলে গেছেন একজন সম্মানিত ব্যক্তির সম্মান হানি করে কখনো জনপ্রতিনিধি হওয়া যায় না। বক্তারা আরো বলেন, ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি ছিলেন বলেই সাতক্ষীরাবাসী মেডিকেল কলেজ পেয়েছে, বাইপাস সড়ক পেয়েছে, প্যারামেডিকেল পেয়েছে, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল আধুনিকায়ন হয়েছে। আশাশুনিতে বাইপাস সড়ক এবং দেবহাটা-আশাশুনির দুটি কলেজ সরকারি করণ ও বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মিত হয়েছে। যার সম্পূর্ণ অবদান ডা: আ.ফ.ম রুহুল হকের। যে কারণে তিনি সাতক্ষীরাবাসী হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। বক্তারা হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, আগামীতে যদি সাতক্ষীরাবাসীর এই প্রাণপ্রিয় নেতার বিরুদ্ধে কোন ধরনের অপপ্রচারের মত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে, তাহলে সাতক্ষীরার জনসাধারণকে সাথে নিয়ে তাদের বিষ দাঁত ভেঙ্গে দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাগজের তৈরি কলম বানাচ্ছেন ওঁরা, ব্যবহারের পর ফেলে দিলেই গাছ!

অনলাইন ডেস্ক: কাগজের কলম। পরিবেশের বন্ধু।
কিন্তু গাছ কেটে তৈরি করা কাগজ দিয়ে পরিবেশের কোন উপকারটা হবে? ‘‘হিসেবটা অত সাদামাটা নয়,’’ বলছিলেন মৌমিতা, ‘‘প্রত্যেকটা কলমের মধ্যে একটা করে বীজ রাখা আছে। ব্যবহার করে ফেলে দিলে সেটা থেকেই গজিয়ে উঠবে গাছ।’’ তাঁর আশা, এ ভাবেই এক দিন রুক্ষ জেলার মাটি হয়ে উঠবে শ্যামলে শ্যামল।
পুরুলিয়ার পাড়া ব্লকে স্বনির্ভর দলের সদস্য আর কন্যাশ্রীরা বানাচ্ছেন এমন আজব কলম। এনআরএলএম-এ (ন্যাশনাল রুলাল লাইভলিহুডস মিশন) ব্লকের প্রোজেক্ট ম্যানেজার মৌমিতা মাহাতো জানান, এক বার পুরুলিয়ার শিল্প মেলায় গিয়ে এই কলম দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কলমের স্টলটা ছিল পুরুলিয়া শহরের বাসিন্দা শম্পা রক্ষিত সেনের। তিনি ব্লকে ব্লকে ঘুরে সরকারি প্রকল্পে মহিলাদের নানা রকমের প্রশিক্ষণ দেন। তবে কাগজের কলম তৈরি শেখাননি আগে।
শম্পার সঙ্গে কথা এগিয়ে রেখে মৌমিতা যোগাযোগ করেছিলেন মহকুমাশাসক (রঘুনাথপুর) আকাঙ্ক্ষা ভাস্করের সঙ্গে। ব্লকের ৩২ জন মহিলাকে বেছে নিয়ে শুরু হয়েছে ২১ দিনের প্রশিক্ষণ। সম্প্রতি পাড়া ব্লকের এসএইচজি হলে গিয়ে দেখা গেল, খবরের কাগজ, কাঁচি আর আঠা নিয়ে গুছিয়ে বসেছেন স্বনির্ভর দলের সদস্য ও কন্যাশ্রীরা। শম্পা জানালেন, সহজ পদ্ধতি! বাজার থেকে রিফিল কিনে আনা হয়েছে। সেটার গায়ে কাগজ জড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে। শেষের পরতে একটা রঙিন কাগজ। ব্যস! বাহারি কলম তৈরি।
মৌমিতা বলেন, ‘‘আমাদের স্লোগান— একটি কলম একটি গাছ/ একটি গাছ হাজার প্রাণ।’’ কলমের পিছনে ফাঁকা জায়গায় থাকছে একটা করে বীজ। শম্পা জানান, কলমগুলি গড়ে দিন পঁচিশেক ব্যবহার করলেই কালি ফুরিয়ে যাওয়ার কথা। তখন ফেলে দিতে হয়। বেছে বেছে এমন বীজ দেওয়া হচ্ছে, যাতে মাসখানেক পরে মাটিতে পড়লেও গাছ গজাতে পারে। কী গাছ? পুরুলিয়ার মাটি আর জলস্তরের কথা চিন্তা করে বেছে নেওয়া হয়েছে পলাশ, নিম, কাপাস তুলো, শিরীষ, কৃষ্ণচূড়া, পেঁপে, পেয়ারা। আপাতত শম্পা নিজে বীজ নিয়ে যাচ্ছেন। পরে স্বনির্ভর দলের সদস্যরাই বীজ তৈরি করবেন।
এই কলম তিনি প্রথম দেখেছিলেন এক আত্মীয়ের কাছে। শম্পা জানান, কেরল থেকে সেই আত্মীয় কলমটা এনেছিলেন। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, লক্ষ্মী মেনন নামে এক জন সেটি তৈরি করেন। নিজের মতো করে শম্পাও কাজ শুরু করছিলেন। বললেন, ‘‘স্বনির্ভর দলের মেয়েদের শেখানোর প্রস্তাব পেতেই এক কথায় লুফে নিই।’’ এখন তাঁর কাছে কলম তৈরি শিখছেন স্বনির্ভর দলের ১৮ জন সদস্য আর ১৪ জন কন্যাশ্রী ছাত্রী।
মৌমিতা বলেন, ‘‘সাধারণত টেলারিং, বিউটিশিয়ানের মতো প্রশিক্ষণ দিয়ে মেয়েদের স্বনির্ভর করার চেষ্টা হয়। আমরা একটু অন্য রকমের চেষ্টা করছি।’’ তিনি জানান, এক একটি কলম তৈরি করতে খরচ পড়ে সাকুল্যে দেড় টাকা। দাম রাখা হয়েছে তিন টাকা। বাজারে প্লাস্টিকের কলমও তার থেকে সস্তায় মিলবে না। কাজের ফাঁকে তুলসী দাস, রূপালী মুখোপাধ্যায়, ইয়াসমিন পারভিন, প্রথমা মাহাতোরা বলেন, ‘‘কয়েকটা কলম তৈরি করতে দেখার পরেই অনেকটা শিখে গিয়েছি। এখন সহজেই বানিয়ে ফেলছি।’’
তাঁদের তৈরি এই কলম প্রশাসনই কিনে নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মহকুমাশাসক আকাঙ্খা ভাস্কর। তিনি বলেন, ‘‘সরকারি অফিস এমনিতেই কলম কেনে। তার উপরে লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই কাজে আরও কলম লাগবে। আমরা মেয়েদের তৈরি ওই কলম কিনে নেব।” আকাঙ্ক্ষা জানান, কলমের কথা শুনে জেলাশাসকও উৎসাহ দেখিয়েছেন। তাঁদের আশা, গোটা জেলাতেই পাড়ার এই কলম ব্যবহার করা হবে।
মৌমিতার দাবি, তেমন দিন এলে জোগান দিতে তাঁরাও প্রস্তুত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল পাঠ্যবইয়ের উদ্বোধন

দেশের খবর: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল টেক্সটবুক শিশুদের পাঠ গ্রহনে সহায়ক হবে। সহজে বুঝতে ও শিখতে সহায়তা করবে। ডিজিটাল টেক্সটবুক শিক্ষকদের জন্যও সহায়ক হবে। প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন।
বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ৬ষ্ঠ শ্রেনির ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল টেক্সটবুক (আইডিটি) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৬ষ্ঠ শ্রেনির ১৬টি ইন্টারএকটিভ পাঠ্যবই তৈরি করা হয়েছে। বইগুলোতে অডিও, ভিডিও, টেক্সট এবং এনিমেশন ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষনীয় ও আনন্দদায়ক হবে। সহজে এসব বই থেকে তাদের কাঙ্খিত পাঠ গ্রহন করতে পারবে। ফলে শিক্ষার্থীদের শিখন স্থায়ী হবে।
নাহিদ বলেন, এর আগে নবম-দশম শ্রেণির ৬টি বইয়ের ই-লানিং ম্যাটেরিয়াল তৈরি করা হয়েছে। সেসিপ প্রকল্পের আওতায় ৭ম শ্রেণির ৬টি এবং ৮ম শ্রেণির ৬টি ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল বই তৈরি প্রক্রিয়াধীন আছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের জন্য আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে ধারণ করতে হবে। প্রযুক্তির সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে আইসিটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ভর্তি, ফলাফল প্রকাশসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনেক কার্যক্রম পেপারলেস করা হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নারয়ণ চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, এশীয় ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন পারকাশ এবং টিচিং কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট-২ প্রকল্পের পরিচালক মো. জহির উদ্দিন বাবর।
উল্লেখ্য, টিচিং কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট-২ প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা এবং ব্রাকের কারিগরি সহায়তায় এই ১৬টি আইডিটি তৈরি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমি তো আওয়ামী লীগের সঙ্গেই থাকব: এরশাদ

দেশের খবর: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ১০০ আসনের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। আর সেই তালিকা জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগকে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো আসনেই ছাড়তে রাজি নই। ১০০ আসন চেয়েছি ৭০/৮০টি আসন তো পাবই।’
বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রংপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। এদিন ব্যক্তিগত সফরে রংপুরে আসেন এরশাদ।
এরশাদ নিজে এবার তিন আসন থেকে নির্বাচন করবেন জানিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে ঢাকা-১৭ ও রংপুর-৩ রয়েছে। আর বাকি আসনের কথা উল্লেখ না করে বলেন, সময় বলে দেবে আর কোন আসনে দাঁড়াব।’
জাতীয় ঐক্যে বিএনপির যোগ দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপি জাতীয় ঐক্যে যোগ দিলে কতটা শক্তিশালী হবে তা বলতে পারব না। তবে যদি বিএনপি নির্বাচনে আসে, জাতীয় পার্টি আমি তো আওয়ামী লীগের সঙ্গেই থাকব।’
‘জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকলে মহাজোটকে কেউ হারাতে পারবে না। যতই জাতীয় ঐক্য হোক না কেন, তারা মহাজোটের ধারে কাছেও আসতে পারবে না। নির্বাচনে মহাজোট বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে তা নিশ্চিত।’
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচনকালীন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে থাকতে আশাবাদও ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এইচ এম এরশাদ।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকারে নিজের মন্ত্রী হওয়ায় বাধা নেই। সরকারে থাকতে সাংবিধানিক কোনো বাধা নেই। আমি তো বলেছি থাকতে পারি। কারণ আমার তো কোনো বাধা নেই। বিরোধীদলীয় নেত্রী (রওশন) থাকতে পারবেন না। কারণ উনি বিরোধীদলীয় নেত্রী থাকবেন শেষ দিন পর্যন্ত। উনি হয়ত নাও থাকতে পারেন। কিন্তু আমি থাকবো।’
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়েও কথা বলেন জাপা চেয়ারম্যান। বলেন, ‘তিনি অসুস্থ কি না জানি না। সরকার তাকে যদি হাসপাতালে নিতে চায় তাহলে আমার বলার কিছু নাই। বলা উচিতও না।’
নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতি বাংলাদেশের মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেনি। বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। এ কারণে আমি নিজেও ইভিএম পদ্ধতি পছন্দ করি না।’
এ সময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ, রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘামের গন্ধে রাতে বিছানায় উঠে আসে যে সাপ

অনলাইন ডেস্ক: সারাদিন কাজের পর ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ি ফেরা হয়, ঠিক এ সময় শরীরে ঘামের গন্ধ ছোটে। আর এই গন্ধ নিয়েই বিছানায় ঘুমোতে যাওয়ার পর ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। কেননা মানুষের এই গন্ধে বিছানায় উঠে আসতে পারে বিষধর ‘কালাচ’ সাপ।
শুনেই হয়তো অবাক হবেন, কারণ এই সাপটি অনেকের কাছেই অপরিচিত। অনেকেই হয়তো জানেন না ক্লান্ত শরীরের ত্বক নিঃসৃত ঘামের গন্ধে নেশাতুর কালাচ সাপ। আপনার অজান্তেই সেই গন্ধ নিতে হাজির হবে বিছানায়।
আসলে বিষধর সাপের যে অভিজাত শ্রেণি, তার মধ্যে এই সাপের নামটি তেমন প্রচলিত নয়। অথচ এদের বিষ কিন্তু কেউটে বা অন্য বিষাক্ত সাপের থেকে বেশি তীব্র। পশ্চিমবঙ্গে এটি খুব বেশি পরিচিত। এদের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য এমনই যেটা অন্য বিষধর সাপেদের সঙ্গে মেলে না।
প্রথম কথা, এই সাপ ফণাহীন। দ্বিতীয়ত, এই সাপ কামড়ালে ব্যথা হয় না। জায়গাটা ফোলেও না। ফলে যাকে কামড়াল, সে বুঝতেও পারে না। অথচ আস্তে আস্তে নার্ভবিষের লক্ষণগুলি দেখা যায়। শুরু হয় পেটে ব্যথা, গলায় ব্যথা কিংবা সারা শরীর জুড়ে অস্বস্তি। যেন জ্বর আসছে। চিকিৎসা সময়মতো শুরু না হলে অবধারিত মৃত্যু। কারণ আদতে ভীষণ শান্ত স্বভাবের এই কালাচ। যার দংশনে নিমেষে অনিবার্য মৃত্যু।
শান্ত স্বভাবের হলেও সাপটির বিষ খুবই তীব্র। কাউকে কামড়ালে ব্যথা না হওয়ায় প্রথমাবস্থায় কেউ বুঝতেই পারবেন না যে তাকে সাপে দংশন করেছে। এমনকি কাটা জায়গা ফুলবেও না। থাকবে না কোনও অনুভূতিও। এই অবস্থায় অনেকের কাছেই সাপের কামড়ের ব্যাপারটি প্রথমে অজানাই থেকে যায়।
তবে ধীরে ধীরে বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় গলা ও পেটের ব্যথা এমনকি অস্বস্তি বোধের মত লক্ষণগুলিও। সময়ে চিকিৎসার সুযোগ না হলে যার পরবর্তী পর্যায় মৃত্যু। কালাচকে কেউ কেউ ইন্ডিয়াম ক্রেট, কেউ আবার ব্ল্যাক ক্রেট এমনকি ঘামচিতি নামেও ডাকেন। মানুষের গায়ের ঘামের গন্ধ এদের খুবই প্রিয়।
ঘামের গন্ধের টানে এরা মাঠ ছেড়ে মানুষের শোওয়ার ঘরে রীতিমতো বিছানায় উঠে লুকিয়ে পড়ে। ঘুমের ঘোরে গায়ে হাত পা পড়লে তখনই কামড় বসিয়ে পালিয়ে যায়। কোনও কিছুর কামড়ের ঘটনা ঘটুক না কেন অহেতুক ভীত হওয়া নয়। ঠাণ্ডা মাথায় এক মুহূর্তও দেরি না করে সোজা হাসপাতালে চলে যাওয়া উচিত।

কালাচ সাপের কামড়ের বিশেষ লক্ষণগুলো-
১) গলা বা পেটে ব্যথা। তাও সাধারণত সকাল বা ভোরের দিকে। মনে রাখতে হবে, কালাচ কিন্তু নিশাচর সাপ। তাই তার কামড়ের প্রতিক্রিয়া ভোর বা সকালেই বেশি দেখা যাবে।
২) শরীরে এক ধরনের অস্বস্তিবোধ অনুভূত হবে। জ্বর আসবে।
৩) সময় গড়ালে রোগীর চোখের পাতা পড়ে আসবে। কিছুতেই সে চোখ তুলে তাকাতে পারবে না।
৪) মনে রাখতে হবে, কালাচের কামড়ে ক্ষতস্থান ফুলে যায় না। ব্যথাও হয় না। তাই এই বিষয় নজর রাখতে হবে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা করালে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে, না হলে মৃত্যু হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পূর্ণিমার অতিথি কুমার বিশ্বজিৎ ও হাবিব

বিনোদনের খবর: প্রতি শনিবার বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভিতে প্রচার হয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার উপস্থাপনায় সেলিব্রেটি টকশো ‘এবং পূর্ণিমা’। বর্তমানে দেশের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম ।
এখানে প্রতিটি পর্বেই দেখা মেলে সংস্কৃতি অঙ্গনের জনপ্রিয় ও গুণী তারকার। আড্ডায় আড্ডায় নিজেদের জীবনের পছন্দ-অপছন্দ, ভালো লাগা, মন্দ লাগাসহ নানান বিষয় উঠে আসে।
এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি পূর্ণিমার অতিথি হয়ে হাজির হয়েছিলেন সংগীতে দুই প্রজন্মের নন্দিত দুই তারকা। তারা হলেন কুমার বিশ্বজিৎ ও হাবিব ওয়াহিদ। তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে পূর্ণিমার সঙ্গে শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তারা। কথা বলেছেন সংগীত চর্চা, বর্তমান সংগীতাঙ্গনের অবস্থা, নিজেদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে।
আলাদা দুই পর্বে দেখা যাবে এই দুই তারকার উপস্থিতি। তারমধ্যে কুমার বিশ্বজিৎকে নিয়ে নির্মিত পর্বটি প্রচার হবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার রাত ১০টায়। হাবিব হাজির হবেন পরবর্তী কোনো পর্বে।
অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করছেন সোহেল রানা বিদ্যুত। গ্রন্থনা করেছেন অনিন্দ্য মামুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মায়া’ সিনেমার পোষ্টার নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে

বিনোদনের খবর: সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘মায়া দ্য লস্ট মাদার’-এর ফার্স্ট লুক পোস্টার। এরই মধ্যে পোস্টার নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছেন নির্মাতা মাসুদ পথিক। নির্যাতিত এক বীরাঙ্গনার হাত বাঁধা নগ্নমূর্তি প্রকাশ করে মিলছে ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। পোষ্টারটি প্রকাশের পর থেকেই এ নিয়ে বিতর্ক এখন তুঙ্গে।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের চিত্রকর্ম ‘নারী’ এবং কবি কামাল চৌধুরীর ‘যুদ্ধশিশু’ কবিতা অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রটিতে কেন্দ্রীয় দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুমতাজ সরকার (কলকাতা) ও জ্যোতিকা জ্যোতি, প্রান রায়, দেবাশীষ কায়সার, হাসান ইমাম, ঝুনা চৌধুরী।
তবে পোস্টারে কার নগ্ন শরীর ব্যবহার করেছেন, তা স্বীকার করতে নারাজ নির্মাতা। যদিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই এই অবয়ব নিয়ে নানান কথা বলে যাচ্ছেন। অনেকেই আবার ‘জ’ অদ্যাক্ষরের অভিনেত্রীর দিকেও আঙ্গুল তুলছেন।
নির্মাতা মাসুদ পথিক বলছেন, ‘আসলে পোস্টারটা একজন নির্যাতিত বীরাঙ্গনার টাইপো ইমেজ, পাকিস্তানি আর্মি টর্চার ক্যাম্পে এরকম বীভৎস নির্যাতন করত, তারই একটি চিত্র পোস্টারটিতে উঠে এসেছে। এটাকে খারাপ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার অবকাশ নাই। এখানে সত্য আছে, কোনো অশ্লীলতা নেই।’
চলতি বছর ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় চলচ্চিত্রের শুটিং। ঢাকা ও নরসিংদীর রায়পুরায় টানা ৪০ দিন শুটিং শেষে চলচ্চিত্রটি এখন সম্পাদনাও শেষ পর্যায়ে।
সিনেমাটি এবছরই রিলিজ হবার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবেলায় দূরদর্শী ভূমিকা রাখায় দুই পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন চলাকালে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও এ সংকট মোকাবেলায় দূরদর্শী ভূমিকার জন্য দুটি পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে লন্ডনে একদিন যাত্রাবিরতি করে রোববার নিউইয়র্কে পৌঁছবেন।
এবারের সফরে তিনি ৫০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। ব্যবসায়ীদের ২০০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলও তার সঙ্গে যাবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর সম্পর্কে জানাতে বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানবিক কারণে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে নজির স্থাপন করায় প্রেস সার্ভিস নিউস এজেন্সি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এবার ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দেবে।
জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান ও বুট্রোস বুট্রোস-ঘালি এবং ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট মার্তি আহতিসারি এর আগে এ পুরস্কার পেয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে দাতব্য সংগঠন গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশনের পরিচালনা পর্ষদ শেখ হাসিনাকে স্পেশাল রিকগনিশন ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড দেবে।
জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে- মেকিং দি ইউএন রিলেভেন্ট টু অল পিপল: গ্লোবাল লিডারশিপ অ্যান্ড শেয়ারড রেসপনসিবিলিটিস ফর পিসফুল, ইকুইটেবল অ্যান্ড সাসটেইনেবল সোসাইটিস।
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য চ্যালেঞ্জগুলো এবারের সাধারণ অধিবেশনে তুলে ধরবে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন শেষে ২৯ সেপ্টেম্বর দেশের পথে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest