ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সহাবস্থান করছে

অনলাইন ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের নতুন রাজ্যপাল কাপ্তান সিং সোলাঙ্কি। বুধবার ত্রিপুরার আগরতলা-আখাউড়া আন্তর্জাতিক সীমান্তে চেক পোস্ট পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল।এসময় তার সাথে ছিলেন রাজ্যপালের স্ত্রী রানি সোলাঙ্কিসহ বিএসএফ ও সরকারি কর্মকর্তারা। এরপর তারা আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, গত ২৫ আগস্ট ত্রিপুরার রাজ্যপালের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এই প্রথম সীমান্তে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলাম। এটা জেনে ভাল লাগল যে ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সহাবস্থান করছে এবং উভয় পাড়ের মানুষই বন্ধুত্বপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ আন্তরিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
রাজ্যপাল আরও জানান, আমি এটা জেনেও খুব খুশি হয়েছি যে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মানুষ ত্রিপুরায় চিকিৎসার জন্য আসেন।
উল্লেখ্য, গত প্রায় চার বছর ধরেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আগরতলা-আখাউড়া সীমান্তে এই সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নিচ্ছেন দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিদিন সূর্যাস্তের ঠিক আগেই বেজে ওঠে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিউগল। তারই সুরে দিনের শেষে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় প্রতিদিনই অর্ধনমিত করা হয় দুই দেশের জাতীয় পতাকা। সীমান্তের এই কুচকাওয়াজ দেখতে সীমান্তের উভয় দিকের বসবাসকারী বহু মানুষও তা দেখতে আসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে কখনই সফলতার মুখ দেখেনি

দেশের খবর: জাতীয় ঐক্যমত ও আন্দোলনের নামে সহিংসতা সৃষ্টি করা হলে জনগণকে সাথে নিয়ে সমুচিত জবাব দেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বৃহস্পতিবার গাজীপুরের ভোগড়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বিআরটি প্রকল্প ও সড়ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, গত চার বছরে বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে কখনই সফলতার মুখ দেখেনি। জনগণ বিএনপিকে ভয় কারণ, তাদের আন্দোলন মানেই জ্বালাও-পোড়াও।
জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই সময় এবং খরচ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ইভিএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তাই আওয়ামী লীগ ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়ক উন্নয়নের কাজে জনদুর্ভোগ কমাতে যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়া ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকপ্লের প্রকল্প পরিচালক সানাউল হক ও বিআরটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (বিবিএ অংশ) লিয়াকত আলীকে কারণ দর্শাতে বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি নেতাদের সংশ্লিষ্ট যাঁরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে দেশে একটা অস্থিতিশীল নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চান, তাঁরা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। বাংলাদেশে ২০১৪ সাল, ২০০১ সাল আর ফিরে আসবে না। সেই খোয়াব দেখলে অচিরেই কর্পূরের মতো উড়ে যাবে।’
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সানাউল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ঢাকা জোন) মো. আব্দুস সবুর, সড়ক ও জনপথের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিন রেজা, গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহারসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাসিখুশি মানুষ পছন্দ করে ছাগল

অনলাইন ডেস্ক: কুকুর মানুষের মেজাজ বুঝতে পারে। গবেষকরা এবার জানিয়েছেন, ছাগলও বুঝতে পারে একজন মানুষ খুশি না রাগান্বিত। লন্ডনের কুইন মেরি ইউভার্সিটির অ্যালান ম্যাকএলিগোটের নেতৃত্বে একদল গবেষক বিষয়টি প্রমাণ করে দেখিয়েছেন।
গবেষণাটি করার সময় এতে নমুনা হিসেবে ব্যবহৃত ছাগলের সামনে একই ব্যক্তির রাগান্বিত মুখভঙ্গি ও হাসিমাখা প্রফুল্ল মুখের ছবি আলাদা-আলাদা টাঙানো হয়।
তখন দেখা যায় যে, রাগী-রাগী ছবির চেয়ে হাসিমাখা মুখের ছবিটির দিকে বেশি আকৃষ্ট হয় এবং এই ছবিটির সাথেই ছাগলটি অপেক্ষাকৃত বেশি সময় কাটায়।
গবেষকেরা সিদ্ধান্তে আসেন, কুকুর বা ঘোড়ার মতন পোষা প্রাণীগুলোই যে শুধু মানুষের মুখের অভিব্যক্তি বুঝতে পারে এমন নয়। বরং ছাগল বা অন্যান্য প্রাণীরাও মানুষের মুখের হাবভাব খুব ভালো বুঝতে পারে। গবেষণার ফলাফল রয়্যাল সোসাইটি ওপেন সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্ট সুস্থ রাখে মাছ

স্বাস্থ্য কণিকা: আশঙ্কাজনকভাবে হার্টের রোগ বেড়ে চলেছে। সাধারণত জেনেটিক বা বংশগত, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, দুশ্চিন্তা, ধূমপান ইত্যাদি কারণেই হার্টের রোগ হয়। বংশগত কারণ ছাড়া বাকিগুলো নিয়ন্ত্রণে রেখে কিংবা পরিবর্তন করে হার্টকে সুস্থ রাখা সম্ভব।
১. ক্যারটিনয়েড ও ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার
ক্যারটিনয়েড ও ভিটামিন-সি যুক্ত ফলমূল হচ্ছে: কমলালেবু, পেঁপে, আপেল, কলা, স্ট্রবেরি, আঙ্গুর ইত্যাদি। এই খাবারগুলোতে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা হার্টের জন্য খুবই উপকারী।
২. খাবার তালিকায় মাছ যোগ করুন
মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় যা খেলে হার্টের রোগের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে আসে। পাশাপাশি এই এসিড রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ও রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমাট বাঁধা প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
৩. রান্নায় সঠিক তেলের ব্যবহার
হার্টের সুস্থতায় রান্নার তেল নির্বাচনের সময় সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। রান্নায় অলিভ ওয়েল বা বাদাম তেল ব্যবহার করা ভালো। ভেজিটেবল ওয়েলও হার্টের জন্য ভালো।
৪. ফলমূল ও সবুজ শাক-সবজি
নিয়মিত ফলমূল ও সবুজ শাক-সবজি খেলে হার্ট ভালো থাকে। বিশেষ করে, তাজা ফলের রস হার্টের জন্য খুবই ভালো। সবুজ শাক-সবজির মধ্যে পালংশাক, লাউ, কুমড়া, গাজর, বিট, বাঁধাকপি, ভুট্টা, লাল আলু ইত্যাদি হার্টের জন্য বেশ উপকারী।
৫. আদা, রসুন ও হলুদ
রান্নার সময় মসলা হিসেবে আদা, রসুন ও হলুদ ব্যবহার করুন। এগুলো রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
থানকুনি পাতা খেলে ১০টি রোগের উপশম হয়

স্বাস্থ্য কণিকা: থানকুনি পাতা। আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম centella aciatica। গ্রামাঞ্চলে থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি আমল থেকেই চলে আসছে। ছোট্ট প্রায় গোলাকৃতি পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সব গুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়।প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য উপায়ে এর সরাসরি গ্রহণ রোগ নিরাময়ে থানকুনি যথার্থ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে আদামনি, তিতুরা, টেয়া, মানকি, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, নামে ডাকা হয়। তবে বর্তমানে থানকুনি বললে সবাই চেনে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কেউ যদি নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়া শুরু করে, তাহলে মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অংশের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। যেমন ধরুন…

১. চুল পড়ার হার কমে:
নানা সময়ে হওয়া বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়ার মাত্রা কমতে শুরু করে। চুল পড়ার হার কমাতে আরেকভাবেও থানকুনি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। কীভাবে? পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা নিয়ে তা থেঁতো করে নিতে হবে। তারপর তার সঙ্গে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা এবং আমলা মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। সবশেষে পেস্টটা চুলে লাগিয়ে নিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। ১০ মিনিট পরে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে কম করে ২ বার এইভাবে চুলের পরিচর্যা করলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!

২. টক্সিক উপাদানেরা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়:
নানাভাবে সারা দিন ধরে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে, রক্তে প্রবেশ করে। এইসব বিষেদের যদি সময় থাকতে থাকতে শরীর থেকে বের করে দেওয়া না যায়, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ! আর এই কাজটি করে থাকে থানকুনি পাতা। কীভাবে করে? এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়। ফলে একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়।

৩. ক্ষতের চিকিৎসা করে:
থানকুনি পাতা শরীরে উপস্থিত স্পেয়োনিনস এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো এবার থেকে কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে।

৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতারও উন্নতি হবে। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে টিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

৫. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্য়াটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে কম বয়সে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

৬. আমাশয়ের মতো সমস্যা দূর হয়:
এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে থানকুনি পাতা খেতে হবে। এমনটা টানা ৭ দিন যদি করতে পারেন, তাহলেই কেল্লাফতে! এই ধরনের সমস্যা কমাতে আরেকভাবেও থানকুনি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। প্রথমে পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা বেটে নিন। তারপর সেই রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মেশান। এই মিশ্রনটি দু চামচ করে, দিনে দুবার খেলেই দেখবেন কষ্ট কমে যাবে।

৭. পেটের রোগের চিকিৎসায় কাজে আসে:
অল্প পরিমাণ আম গাছের ছালের সঙ্গে ১ টা আনারসের পাতা, হলুদের রস এবং পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা ভাল করে মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিন। এই মিশ্রনটি নিয়মিত খেলে অল্প দিনেই যে কোনও ধরনের পেটের অসুখ সেরে যায়। সেই সঙ্গে ক্রিমির প্রকোপও কমে।

৮. কাশির প্রকোপ কমে:
২ চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়। আর যদি এক সপ্তাহ খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে কাশির কোনও চিহ্নই থাকবে না।

৯. জ্বরের প্রকোপ কমে:
সিজন চেঞ্জের সময় যারা প্রায়শই জ্বরের ধাক্কায় কাবু হয়ে পারেন, তাদের তো থানকুনি পাতা খাওয়া মাস্ট! কারণ আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে যে জ্বরের সময় ১ চামচ থানকুনি এবং ১ চামচ শিউলি পাতার রস মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে অল্প সময়েই জ্বর সেরা যায়। সেই সঙ্গে শারীরিক দুর্বলতাও কমে।

১০. গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়:
অসময়ে খাওয়ার কারণে ফেঁসেছেন গ্যাস্ট্রিকের জালে? নো প্রবেলম! থানকুনি পাতা কিনে আনুন বাজার থেকে। তাহলেই দেখবেন সমস্যা একেবারে হাতের মধ্যে চলে আসবে। আসলে এক্ষেত্রে একটা ঘরোয়া চিকিৎসা দারুন কাজে আসে। কী সেই চিকিৎসা? হাফ লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি এবং অল্প পরিমাণে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করে ফেলুন। তারপর সেই মিশ্রন থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এমনটা এক সপ্তাহ করলেই দেখবেন উপকার মিলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওজন ৩২১ কিলোগ্রাম থেকে ৮৫

অনলাইন ডেস্ক: আট ফুট দূরত্ব পর্যন্ত এক টানা হাঁটতে পারতেন না ২৪ বছরের মার্কিন ক্রিশ্চিনা ফিলিপস। এই বয়সে তার ওজন ছিল ৩২১ কিলোগ্রাম। তিনি ভেবেছিলেন হয়তো বাঁচবেন না। সব কাজের উৎসাহ শেষ হয়ে গিয়েছিল ওজন বাড়তে বাড়তে।
তবে জীবনের কাছে হার মানেননি তিনি, উঠে দাঁড়িয়েছেন নতুন উদ্যোমে। ওজন কমানোর জন্য তিনি প্রাণপণ চেষ্টা করে গেছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সফলও হয়েছেন। অস্ত্রোপচার, ডায়েট এবং শরীরচর্চার মাধ্যমে ওজন কমিয়েছেন তিনি। ক্রিশ্চিনার ওজন এখন ৮৫ কিলোগ্রাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৬ জামায়াত-শিবির নেতাসহ আটক ৭৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ৬ জন নেতাকর্মী ও মাদক মামলায় ৬ জন ব্যবসায়ীসহ ৭৬ জনকে আটক করা হয়েছে। সাতক্ষীরা পুলিশের বিশেষ শাখার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে ৭৩ বোতল ফেন্সিডিল, ৪০ পিচ ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য। এসময় তাদের বিরুদ্ধে ৬টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ২০ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৯ জন, তালা থানা থেকে ৪ জন, কালিগঞ্জ থানা থেকে ১০ জন, শ্যামনগর থানা থেকে ১১ জন, আশাশুনি থানা থেকে ৮ জন, দেবহাটা থানা থেকে ৫ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ বছর করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৩২ বছর করার প্রস্তাব এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গতকাল বুধবার পাঠানো এই প্রস্তাবে অবশ্য চাকরিতে অবসরের সময়সীমা নিয়ে কিছু বলা হয়নি। এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ ও অবসরের সময়সীমা ৬৫ বছর করার সুপারিশ করে। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ এর আগে গতকাল সকালে বলেন, ‘আমরা সংসদীয় কমিটির প্রস্তাব নিয়ে কাজ করেছি। সেই আলোকে বিভিন্ন বিষয় আমলে নিয়ে নতুন একটা প্রস্তাব তৈরি হচ্ছে, যা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। বিষয়টি অনুমোদিত হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৯৯১ সালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ২৭ থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হয়। সেই সময় অবসরের বয়সসীমা ছিল ৫৭ বছর। প্রায় ২১ বছর পর অবসরের বয়স দুই বছর বাড়িয়ে ৫৯ বছর করা হয়। এরপর মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়স এক বছর বাড়িয়ে ৬০ বছর করে সরকার। সেই থেকে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর দাবি তোলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে শিক্ষার্থীরা সমাবেশও করে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের পাশাপাশি তারাও বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ করে।
এ অবস্থায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৫৯ থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করার সুপারিশ করে।
এ বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সভাপতি আশিকুর রহমান বলেন, ‘বিশেষ বিবেচনায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার সুপারিশ করেছি। কেউ ৩৫ বছর বয়সে চাকরিতে যোগ দিলে ক্ষতি তো নেই। আর আমাদের অনেক কারিগরি পদ শূন্য রয়েছে। উপযুক্ত প্রার্থীর অভাবে সেগুলো শূন্য রয়েছে। চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ালে এসব পদও পূরণ হবে।’
কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে সেশনজট নেই। এ অবস্থায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানো হলে তা সমালোচনার মুখে পড়বে কি না জানতে চাইলে আশিকুর রহমান আরো বলেন, ‘সেশনজট নেই সত্যি। কিন্তু যারা বেকার তাদের একটা সুযোগ দিলে ক্ষতি নেই। আর আমরা তো অবসরের বয়সও বাড়ানোর প্রস্তাব করেছি। মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। অবসরের পর অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্য কোথাও চাকরি করে। সেই হিসাবে অবসরের বয়স বাড়তেই পারে। আমরা বিভিন্ন বিষয় আমলে নিয়ে প্রস্তাব দিয়েছি। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, সংসদীয় কমিটি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করার সুপারিশ করলেও তা দুই বছর বাড়িয়ে ৩৪ বছর করার প্রস্তাব দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এখন কতটুকু বাড়ানো হবে তা প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করবে। সংসদীয় কমিটি অবসরের বয়স বাড়ানোর সুপারিশ করলেও মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে তা নেই।
এদিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গতকাল বুধবার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়াতে আলোচনা শুরু হলেও বর্তমান সরকারের মেয়াদে তা হচ্ছে না।
গতকাল সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয় নির্বাচনের আগে (অবসরের বয়স নিয়ে) কোনো পরিবর্তন হবে না। বয়স বাড়ানোর পরিকল্পনা আমার ছিল, প্রস্তাবও দিয়েছিলাম, কিন্তু হয়নি।’
সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচনের আগে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তবে ক্ষমতাসীন দল নির্বাচন সামনে রেখে যে নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করবে, সেখানে প্রায় দেড় কোটি নতুন ভোটারকে আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা থাকবে। বয়স বাড়ানোর বিষয়টিও সেই পর্যন্ত গিয়ে থামতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest