সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নবগঠিত কমিটির অভিষেক

 

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির অভিষেক ও আলোচনাসভা পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি নাট মন্দির প্রাঙ্গনে সংগঠনের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, সহ-সভাপতি ও তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, সহ-সভাপতি মঙ্গল কুমার পাল, স্বপন কুমার শীল, এড. অনিত মুখার্জী, নয়ন কুমার সানা, জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ কুমার গুহ, বিকাশ চন্দ্র দাশ, অরুন কুমার ঘোষ, রণজিৎ বৈদ্য, কৃষ্ণপদ মন্ডল, নির্মল মন্ডল, অধ্যক্ষ শীবপদ গাইন, জোৎস্না দত্ত, বিশ্বরূপ ঘোষ প্রমুখ। সভার শুরুতে নবগঠিত কমিটির সকলকে ফুলদিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। সংগঠনের সভাপতি মনোরঞ্জন মুখার্জী সুস্থ্যতা এবং সহ-সভাপতি গোষ্ট বিহারী মন্ডলের সহ-ধর্মীনি চায়না রানী মন্ডল সহ ইতোমধ্যেই যারা ইহলোক ত্যাগ করে পরলোক গমন করেছেন তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া আগামী ২ সেপ্টেম্বর শ্রী শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপনের জন্য স্বপন কুমার শীল কে আহবায়ক, অধ্যক্ষ শীবপদ গাইনকে সদস্য সচিব ও কমিটির সকলকে সদস্য করে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে সোমবারের মধ্যে মতামত দেবেন অ্যাটর্নি জেনারেল

দেশের খবর: মুক্তিযোদ্ধা কোট নিয়ে মতামত দেবেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আগামী সোমবারের (২০ আগস্ট) মধ্যে এই মতামত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৭ আগস্ট) অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি দুই-তিন দিন আগে চিঠি পেয়েছি। চিঠিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে আমার মতামত চাওয়া হয়েছে। আগামী সোমবারের মধ্যে আমার মতামত দেবো।’

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ রাখার বাধ্যবাধকতা নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের কাছে মতামত জানতে চেয়েছে সরকার গঠিত কোটা সংক্রান্ত কমিটি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়ে তিনি তার মতামত দেবেন।

গত ১২ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, সরকারি চাকরিতে মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে কোটা প্রথা যতটা সম্ভব তুলে দেওয়ার সুপারিশ করছে এ সংক্রান্ত কমিটি। তবে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যাপারে আদালতের রায় থাকায় এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের মতামত চাইবে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা মাসখানেক কাজ করলাম। সুপারিশ প্রায় চূড়ান্ত। আমাদের কমিটির সুপারিশ হলো— কোটা অলমোস্ট উঠিয়ে দেওয়া, মেধাকে প্রাধান্য দেওয়া। তবে সুপ্রিম কোর্টের একটা রায় আছে, মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা প্রতিপালন ও সংরক্ষণ করতে হবে এবং যদি খালি থাকে তা খালি রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এ কারণে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য বর্তমানে থাকা ৩০ শতাংশ কোটার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চাইবে সরকার। মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা সংরক্ষণ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ কমিটি পুরোপুরি বুঝতে না পারার কারণেই এ বিষয়ে আদালতের মতামত চাওয়া হবে। যদি কোর্ট এটাকেও বাদ দিয়ে দেয়— তাহলে কোটা থাকবে না। আর কোর্ট যদি বলে ওই অংশটুকু সংরক্ষিত রাখতে হবে, তাহলে ওই অংশটুকু (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) বাদ দিয়ে বাকি সব উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।’ অর্থাৎ আদালত যে মতামত দেয় সেটাই প্রাধান্য পাবে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌপথকে ঝুঁকিমুক্ত করতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে —সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহাজাহান খান

 

আসাদুজ্জামান ঃ সরকারের কঠোর অবস্থানের ফলে চার বছরে নৌপথে কোন দূর্ঘটনা ঘটেনি বলে জানান নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহাজাহান খান এমপি। নৌপথকে ঝুঁকিমুক্ত করতে নৌ মন্ত্রনালয় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। শুক্রবার বিকেলে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর উপদেষ্টা কমিটির সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরো জানান, পদ্মাসেতু নির্মাণের পর ভোমরা হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর। ইতিমধ্যে এই বন্দরে আরও ৩৫টি পণ্য আমদানি-রপ্তানীর অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৭৪ টি পন্য আমদানি-রপ্তানীর অনুমতি দেয়া হয়েছে এ বন্দরে। তবে সড়ক নিরাপত্তা আইন বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি মন্ত্রী।
স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে স্থলবন্দর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও সাতক্ষীরা তিন আসনের এমপি আ.ফ.ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা ২ আসনের এমপি মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, নৌপরিবহন মন্ত্রানালয়ের সচিব আব্দুস সামাদ, খুলনা কাষ্টমস কমিশনার ওহিদুল আলম, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন, পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
উক্ত সভা থেকে আরো জানানো হয়, ভোমরা স্থল বন্দওে একটি পুলিশ ফাঁড়ি নির্মান করা হবে। এছাড়া স্থানীয় কমিউিনিটি ক্লিনিককে ছোট পরিসরে একটি হাসপাতালে পরিনত করা হবে এবং বন্দও এলাকার দুই কিলেঅমিটার এরিয়া পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা তৈরী করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গুজবের মামলায় গ্রেপ্তার ফারিয়া ৩ দিনের রিমান্ডে

দেশের খবর: নিরাপদ সড়কের আন্দোলনের মধ্যে ফেইসবুকে ‘উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে গুজব ছড়ানোর’ অভিযোগে গ্রেপ্তার কফিশপ মালিক ফারিয়া মাহজবিনকে তথ্য প্রযুক্তি আইনের এক মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনের শুনানি করে ঢাকার মহানগর হাকিম এ কে এম মাইনুদ্দীন শুক্রবার এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ঢাকার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করা ফারিয়া মাহজাবিন (২৮) ধানমণ্ডিতে নার্ডি বিন কফি হাউজ নামে একটা কফিশপ চালান।

বৃহস্পতিবার রাতে হাজারীবাগ থানাধীন হাজী আফসার উদ্দিন রোডের বাসা থেকে ফারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে শুক্রবার সকালে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফারিয়া ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহার করে ছাত্র আন্দোলনকে ‘ভিন্নখাতে প্রবাহিত ও দীর্ঘায়িত করে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর উদ্দেশ্যে’ বিভিন্ন রকম ‘উসকানিমূলক মিথ্যা তথ্য সম্বলিত আডিও ক্লিপ’ ছড়াচ্ছিলেন।

সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার পরও ফারিয়া ও তার ‘সহযোগীরা অন্যায়ভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পরিচালনা এবং রাস্তায় সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করার উদ্দেশ্যে অপতৎপরতা’ চালাচ্ছিলেন বলেও সেখানে অভিযোগ করা হয়।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে র‌্যাব ফারিয়াকে হাজারীবাগ থানায় সোপর্দ করে তার বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) ধারার মামলা দায়ের করে। সেখানে আরেকজনকে আসামি করে তাকে পলাতক দেখানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মাজেুদুর রহমান বিকালে ফারিয়াকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চান। শুনানি নিয়ে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ সময় ফারিয়ার পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে ছিলেন না বলে আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এস আই মকবুলুর রহমান জানান।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, “ছাত্র আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের খাবার সরবরাহ, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে উসকানিমূলক গুজব ছড়িয়েছেন ফারিয়া মাহজাবিন। তার সঙ্গে আরে কে কে জড়িত ছিল তা জানতে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি ।”

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলে আসছেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে ব্যবহার করে সরকার হটানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছিল।

ওই আন্দোলনের সময় গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তথ্য প্রযুক্তি আইনে ঢাকার বিভিন্ন থানায় এ নিয়ে মোট নয়টি মামলা হয়েছে।

এসব মামলায় সব মিলিয়ে মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের কর্মীরাও আছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধূমপান ছাড়তে দারুচিনি!

স্বাস্থ্য কণিকা: তামাক গ্রহণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর, এ কথা সবারই জানা। শরীরের এমন কোনো অংশ নেই যেখানে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। ধূমপান ছেড়ে দিতে চাইলেও অনেকে ছাড়তে পারেন না। এটি নেশায় পরিণত হয়ে যায়।
তবে কিছু ভেষজ রয়েছে যেগুলো ধূমপান ছাড়তে বা তামাক ছাড়তে সাহায্য করতে পারে আপনাকে।

দারুচিনি

দারুচিনি ধূমপানের আসক্তি থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে। যখন ধূমপান বা অন্যান্য তামাক গ্রহণের নেশা জাগে, এক টুকরো দারুচিনি নিন। একে চিবাতে শুরু করুন। এটা ধূমপানে বিরত রাখতে সাহায্য করবে।

ত্রিফলা

ত্রিফলা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করার জন্য পরিচিত। এটি ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে। প্রতিদিন রাতে এক টেবিল চামচ ত্রিফলা খাওয়া ধূমপান কমাতে উপকারী।

পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতা চিবানোও তামাক গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ও রাতে দুই থেকে তিনটি পুদিনা পাতা চিবান।

আদা, আমলকী, হলুদ

আদা, আমলকী ও হলুদ একত্রে মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে খেতে পারেন। এক মাস এটি খাওয়া তামাক গ্রহণের প্রতি আগ্রহ কমাতে কাজ করবে।

অশ্বগন্ধা

অশ্বগন্ধা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে বেশ কার্যকর। এটি উদ্বেগ দূর করতে সাহায্য করে এবং তামাকের প্রতি আসক্তি কমায়। ৪৫০ মিলিগ্রাম থেকে ২ গ্রাম অশ্বগন্ধার শেকড়ের গুঁড়ো খাওয়া ভালো ফলাফল দেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে জামাইয়ের নখ তুলে নিল শ্বশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক : শ্যামনগরে মধ্যযুগীয় কায়দায় শ্বশুর সত্তার ঢালী নিজ মেয় জামাই আব্দুস সামাদ গাজীর পায়ের নখ তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরের দিকে আশাশুনি উপজেলার নাসিমাবাদপুর গ্রামে এ ঘটনায় গুরুত্বর আহত অবস্থায় আব্দুস সামাদ শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। সে কাশিমাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব কাশিমাড়ী গ্রামের আব্দুস সাত্তার গাজীর ছেলে।
আহত আব্দুস সামাদ জানান, সে ভাটায় কাজ শেষে বাড়ীতে ফিরে স্ত্রী সালমাকে আনতে শশুর বাড়ীতে যায়। কিন্তু সালমা আসতে অস্বীকৃতি জানায়। সামাদ কারন জানতে চাইলে সালমা শ্বশুর শাশুরীর সাথে এক সংসারে থাকতে আপত্তি জানায়। এতে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে শ্বশুর সাত্তার ঢালী ছেলেদের সাথে নিয়ে সামাদকে চোখ বেধে বেধড়ক মারপিট করে এবং সাড়াশি দিয়ে সামাদের পায়ের পাঁচ আঙ্গুলের নখ তুলে ফেলে। সমূহ বিপদ বুঝতে পেরে সামাদ কোন রকমে ঘর থেকে দৌড়ে পার্শ্ববর্তী চোরাগাং খাল সাতরে নিজ বাড়ীতে চলে আসে। বিষয়টি কাশিমাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফকে জানালে তিনি সুষ্ট বিচারের আশ্বাস দেন। এঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে সামাদ জানায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হলেন ইমরান খান

বিদেশের সংবাদ: পাকিস্তানের ২২তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান। শুক্রবার পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের ভোটে তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচন করা হয়। ভোটে ইমরান পেয়েছেন ১৭৬ ভোট। সংসদে তার বিরোধীদল নওয়াজ শরিফের প্রতিষ্ঠিত দল পিএমএলএন পেয়েছে ৯৬ ভোট। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এখবর জানিয়েছে।

এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করার সংসদ অধিবেশন শুক্রবার ৪টা ৩০ মিনিটে। ইমরান খান ও শাহবাজ শরিফ দুই জনই নির্ধারিত সময়ে সংসদে পৌঁছেছেন। তবে সোয়া চারটা নাগাদ তারা অধিবেশন কক্ষে হাজির হন।  প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ইমরানের প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন শাহবাজ শরিফ। পিএমএল-এন নেতা নির্বাচনে কারচুপির প্রতিবাদে হাতে কালো কাপড় বেঁধে হাজির হন। পিপিপি’র বিলাওল ভুট্টো ভোটদানে বিরত থাকার ঘোষণা দিলেও সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত হয়েছেন। তিন নেতাই পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করেছেন।

নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে ভোট দেন। তাদের ভোটে নির্বাচিত হন পাকিস্তানের ২২ তম প্রধানমন্ত্রী। এই ভোটাভুটিতে ইমরান খানের জয়ী হয়ে আসাটা নিশ্চিত ছিল।

সংসদ সদস্যের ভোটে ইমরানের নির্বাচিত হওয়ার ঘোষণা দেন নতুন নির্বাচিত স্পিকার আসাদ কায়সার। ফল ঘোষণার সময় ইমরানবিরোধীরা সংসদে ‘মানি না’ বলে স্লোগান দেয়। স্পিকার সংসদের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ বজায় রাখতে চাইলেও পিএমএল-এন সংসদ সদস্যের  প্রতিবাদ অব্যাহত থাকে। এসময় ইমরান খান হাসিমুখে নিজের আসনে বসে ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি দলের নেতাদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করছিলেন।

ডন জানায়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরানের শপথ অনুষ্ঠান আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমূল পরিবর্তন আসছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়

দেশের খবর: সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর হচ্ছে সরকার। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আনা হচ্ছে আমূল পরিবর্তন।
জানা গেছে, নির্ধারিত স্থানে যাত্রী উঠা-নামা, চলন্ত অবস্থায় দরজা বন্ধ রাখাসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আনতে ডজনখানেক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের ‘ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন’ সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হবে। এ জন্য বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) এবং ঢাকা মহানগর পুলিশকে (ডিএমপি) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নে বিআরটিএ, বিআরটিসি, বাংলাদেশ পুলিশ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ঢাকা জেলা প্রশাসক, বাংলাদেশ স্কাউট, আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন এবং শিক্ষা ও তথ্য মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত হচ্ছে:
১. চলন্ত অবস্থায় সব গণপরিবহনের দরজা বন্ধ রাখতে হবে, নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়া যাত্রী উঠানামা করা যাবে না।

২. গণপরিবহনের দৃশ্যমান দুটি স্থানে চালক ও হেলপারের ছবিসহ নাম এবং চালকের লাইসেন্স নম্বর ও মোবাইল নম্বর প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ দুটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ডিএমপি ও বিআরটিএ দায়িত্ব পালন করবে।

৩. সব মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীকে (সর্বোচ্চ দুইজন আরোহী) বাধ্যতামূলক হেলমেট এবং সিগন্যাল আইন মানতে বাধ্য করতে হবে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে ডিএমপি।

৪. সব মহাসড়কে বিশেষত: মহাসড়কে চলমান সব পরিবহনে (বিশেষত: দূরপাল্লার বাস) চালক এবং যাত্রীর সিটবেল্ট ব্যবহার এবং পরিবহনসমূহকে সিট বেল্ট সংযোজনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে বিআরটিএ এবং বাংলাদেশ পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ চারটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে ২০ আগস্টের মধ্যে।

সড়ক ব্যবস্থাপনায় ৯টি সিদ্ধান্ত এবং পরিবহনের ফিটনেস এবং লাইসেন্সের জন্য চারটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সর্বাত্মক প্রচার ও গণমাধ্যমে প্রচারণা, সভা আয়োজনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়।

সড়ক ব্যবস্থাপনায় ৯ সিদ্ধান্ত:
১. ১৮ আগস্টের মধ্যে রাজধানীর যেসব স্থানে ফুটওভার ব্রিজ বা আন্ডারপাস রয়েছে সেসব স্থানের উভয় পাশের ১০০ মিটারের মধ্যে রাস্তা পারাপার সম্পূর্ণ বন্ধ করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি যারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ফুটওভার ব্রিজ বা আন্ডারপাস ব্যবহার করবে তাদের ‘ধন্যবাদ’ কিংবা ‘প্রশংসাসূচক’ সম্বোধনের ব্যবস্থা নিতে হবে।

২. ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাসে প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ২০ আগস্টের মধ্যে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা এবং ৩০ আগস্টের মধ্যে বাইরে আয়নার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. ১৮ আগস্টের মধ্যে শহরের সব সড়কে জেব্রা ক্রসিং ও রোড সাইন দৃশ্যমান করে ফুটপাত দখলমুক্ত ও অবৈধ পার্কিং এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে। সড়কের নাম ফলক দৃশ্যমান স্থানে সংযোজন করতে হবে।

৪. ট্রাফিক সপ্তাহে চলমান কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত অব্যাহত রাখতে হবে। দুই সিটি কর্পোরেশন ও ডিএমপিকে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে হবে।

৫. স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক বাস্তবায়িত ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা কর্তৃত্ব পুলিশকে হস্তান্তর করতে হবে। এ জন্য আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডিএনসিসি ও ডিএমপিকে সময় দেয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অনিষ্পন্ন বাংলাদেশ পুলিশ থেকে পাওয়া ‘জনবল’ বিষয়ক প্রস্তাবের সব সিদ্ধান্ত সমন্বয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ফোকাল পয়েন্টে কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ এবং উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে।

৬. শহরে রিমোট কন্ট্রোল অটোমেটিক বৈদ্যুতিক সিগন্যালিং পদ্ধতি চালু করা। ১৫ অক্টোবরের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে ডিএমপি।

৭. দুই সিটি কর্পোরেশনকে রোড ডিভাইডারের উচ্চতা বৃদ্ধি বা স্থানের ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৮. মহাখালী ফ্লাইওভারের পর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ন্যূনতম দুটি স্থানে স্থায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি দৈবচয়নের ভিত্তিতে যানবাহনের ফিটনেস এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা নেয়া হবে। শহরের অন্যান্য স্থানেও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী অস্থায়ী অনুরূপ কাজের জন্য মোবাইল কোর্ট বা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসন, ডিএমপি ও বিআরটিএকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

৯. স্কুল সময়ে যেখানে সেখানে রাস্তা পারাপার বন্ধেও সভায় আলোচনা হয়েছে। এ জন্য শহরের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিষ্ঠান ছুটি বা শুরুর আগে অপেক্ষাকৃত বয়ঃজ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী, স্কাউট এবং বিএনসিসির সহযোগিতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের রাস্তা পারাপারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

ফিটনেস এবং লাইসেন্স সংক্রান্ত সিদ্ধান্তসমূহ

১. অবৈধ পরিবহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, ফিটনেস সনদ প্রদান প্রক্রিয়াতে অবশ্যই পরিবহন দর্শনপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ,

২. রুট পারমিট বা ফিটনেসবিহীন যানবাহনগুলোকে দ্রুত ধ্বংস করার সম্ভাব্যতা যাচাই,

৩. লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ‘লার্নার’ সনদ দেয়ার সময় ড্রাইভিং টেস্ট নেয়া যেতে পারে বলেও মতামত দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া উত্তীর্ণদের দ্রুত লাইসেন্স প্রদান,

৪. কর্মকর্তা-কর্মচারীর ঘাটতি থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণে পদক্ষেপ নেবে বিআরটি।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ সর্বাত্মক প্রচারে জনসাধারণকে অবহিতের জন্য গণমাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা নিতে তথ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সভায় শনিবার ১৮ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি), স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও মহাপরিচালক (জিআইইউ) এয়ারপোর্ট সড়ক হতে নগর ভবন পর্যন্ত ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) এসব বিষয়ে সমন্বয় করবেন। সভা থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest