ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা; প্রতি আসনে লড়বে ৩৮ জন

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে প্রার্থীদের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় এ আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়। এ বছর মোট ৭ হাজার ১২৮টি আসনের বিপরীতে ২ লাখ ৭২ হাজার ৫শ’ ১২ জন ভর্তি প্রার্থী অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছেন। ফলে প্রতি আসনের জন্য লড়বেন ৩৮ ভর্তিচ্ছু।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ইউনিটের মোট ৭ হাজার ১২৮টি আসনের বিপরীতে ২ লাখ ৭২ হাজার ৫শ’ ১২ জন ভর্তি প্রার্থী অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ক-ইউনিটে প্রতি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ৪৭ জন। এই আসনে ১ হাজার ৭৫০টি আসনের বিপরীতে আবদেন করেছে ৮২ হাজার ৯শ’ ৭০ জন। খ-ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ১৫ জন লড়বে। এই ইউনিটে ২ হাজার ৩৭৮টি আসনের বিপরীতে আবদেন পড়েছে ৩৬ হাজার ২শ’ ৫০ জন। গ-ইউনিটে প্রতি আসনে লড়বে ২২ জন। এই ইউনিটে ১ হাজার ২৫০টি আসনের বিপরীতে ২৭ হাজার ৫শ’ ৩৪ জন আবেদন করেছে। ঘ-ইউনিটে প্রতি আসনে ৬২ জন লড়বে। সম্মিলিত এই ইউনিটে ১ হাজার ৬১৫টি আসনের বিপরীতে ১ লাখ ৬শ’ ১৪ জন আবেদন করেছে এবং চ-ইউনিটে ১৩৫টি আসনের বিপরীতে ২৫ হাজার ১শ’ ৪৪ জন আবেদন করেছে।
ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ সেপ্টেম্বর, খ-ইউনিটের ২১ সেপ্টেম্বর, গ-ইউনিটের ১৪ সেপ্টেম্বর, ঘ-ইউনিটের ১২ অক্টোবর, চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) ১৫ সেপ্টেম্বর এবং চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (অংকন) ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
‘গ’ ও ‘চ’ ইউনিটের প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে ৫ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টা থেকে পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত। ‘ক’, ‘খ’, ‘ঘ’ ইউনিটের প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টা থেকে পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই ২০১৮ মঙ্গলবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান অনলাইনের মাধ্যমে প্রার্থীদের ভর্তির আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া উদ্বোধন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীলেখার প্রথম চুমু; রেশ ছিল এক বছর

বিনোদনের খবর: শ্রীলেখা মিত্র। ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন। ৪৩ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে। ছোট পর্দা থেকে শুরু করে বড় পর্দা সবর্ত্র তার গ্লামার উপস্থিতি।
নিজের জন্মদিনে স্থানীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের কিছু অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। যার মধ্যে আছে প্রথম চুমুর গল্প।
শ্রীলেখা তখন কলেজে পড়তেন। দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী থাকাকালে কোনো এক কিশোর তার মন কেড়েছিল। সেই কিশোরের সঙ্গে আড্ডা হতো, শেয়ার হতো ক্যাডবেরি। না, হাত দিয়ে ভেঙে নয়; মুখেই হতো শেয়ার। দুজনের কামড়ে কামড়ে যখন চকোলেটটি ছোট হয়ে আসত, মিলে যেত দুজনের ঠোঁট। সেই প্রথম চুমু।
শ্রীলেখার ভাষায়, ‘সেটা মারাত্মক চুমু ছিল। কী করে খেতে হয় জানতাম না। সেটার রেশ বোধহয় পরের এক বছর ছিল।’
এছাড়াও শ্রীলেখা বলেছেন, তার প্রথম মিথ্যেও সহপাঠীদের সঙ্গেই। ‘তোদের বাড়িতে ১০টা টিভি, আমাদের বাড়িতে ৫০টা টিভি’ এই জাতীয় ছেলেমানুষি মিথ্যে। তবে সেই মিথ্যে কোনোদিন কারও ক্ষতি করেনি। আইএসসি পড়ার সময় ডন বক্সো ফেস্টে নাচার কথা ছিল তার। কিন্তু একমাস পরে পরীক্ষা থাকায় বাবা এসে মারধর করে নিয়ে যান তাকে। এটা তখন তার কাছে খুব অপমানজনক ছিল। তবে কোন ছেলেকে চুমু খেয়েছিলেন, সেকথা কিন্তু বলেননি শ্রীলেখা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগ নেতা মামুন ও আশরাফ হত্যা সহ ২৮ মামলার আসামী আশাশুনির আনারুল বহাল তবিয়তে !

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আশাশুনির চিহ্নিত জামায়াত ক্যাডার ছাত্রলীগ নেতা মামুন হত্যা ও আশরাফ হত্যা মামলাসহ প্রায় ২৮ মামলার চিহ্নিত আসামী আনারুল ম্যোলা বহাল তবিয়তে। একাধিক মামলা ও জামায়াত ক্যাডার হওয়ার পরও ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় অর্থলোভী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় এলাকার মানুষকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি, জমি দখল, মৎস্য ঘের লুটসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়েও রয়েছেন ধরাছোয়ার বাইরে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মালেক মোল্যার ছেলে আনারুল। সে উপজেলা জামায়াতের চিহ্নিত ক্যাডার। বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে আনারুলের দাপটে এলাকার আওয়ামীলীগ কর্মীসহ সাধারণ নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা, সংখ্যালঘুদের জোরপূর্বক বাড়ি ছাড়া করা ও শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিগত ২০১৩ সালসহ বিভিন্ন সময়ে আওয়ামীলীগ সরকার উৎখাতের জন্য বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ ছিলো তার। এদিকে বিগত ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্র“য়ারি সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজের সামনে নাশকতা করার সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে নিহত তুয়ারডাঙ্গার সালাম উক্ত আনারুলের আপন চাচা। সে সময় আনারুল বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার জন্য বিভিন্ন নাশকতা মূলক কর্মকান্ড চালিয়েছিলো। এছাড়াও তারা সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াত শিবির ও বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এহেন কর্মকান্ড নেই যা এলাকায় সে করে না। সারাদেশে বিএনপি জামায়াত শিবিরের নৈরাজ্যের অংশ হিসাবে সাতক্ষীরা জেলাধীন আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের গদাইপুর গ্রামে আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আশরাফ ও ছাত্রলীগ নেতা মামুনকে জামায়াত শিবিরের ক্যাডার আনারুল (পিতা মালেক মোল্যা, সাং তুয়ারডাঙ্গা, আশাশুনি) বাহিনী কর্তৃক বোমা মেরে হত্যা করে।
ওই নেতাদের মদদে অত্র এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের বিভিন্ন বর্বর নির্যাতন করারও অভিযোগ রয়েছে আনারুলের বিরুদ্ধে। রাতে সংখ্যালঘু পরিবারের সুন্দরী স্ত্রী ও যুবতীকন্যাদের জোরপূর্বক ধর্ষণ করা আনারুলের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যপার। আনারুলের দস্যুতার এবং সংখ্যালঘু হওয়ায় তারা আনারুলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না।
অন্যদিকে বিস্ফোরক দ্রব্যসহ প্রায় ২৮টি মামলা রয়েছে ওই আনারুল মোল্যার বিরুদ্ধে। মামলা গুলো হচ্ছে- আশাশুনি থানায় ২৯এপ্রিল ২০১৪ তারিখে হত্যা মামলা নং-২৩, ১মার্চ ২০১৩ তারিখে সাতক্ষীরা ছাত্রলীগ নেতা মামুন হত্যা মামলা নং-৩, ৩০ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে মনোরায়া হত্যা মামলা নং- ২৩, ১৯জুলাই’২০০১ তারিখে আশাশুনি থানার ৩৯৫/৩৯৭ ডাকাতি মামলা নং- ০১, ২৩ ডিসেম্বর২০০১ তারিখে মামলা নং-২১, ১৩ ডিসেম্বর ২০০১ তারিখে আশাশুনি থানার ডাকাতি মামলা নং- ১৪, ১৮ মার্চ ২০০২ তারিখে আশাশুনি থানার মামলা নং-১৯, ২৯ ডিসেম্বর ১৯৯৯ তারিখে মটর সাইকেল ছিনতাই মামলা নং- ৫, ৯অক্টোবর ১৯৯৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন বিশেষ আইনের মামলা নং-৮, ২৫ অক্টোবর ১৯৯৬ তারিখে আশাশুনি থানার মামলা নং-০৭, ১৯৯৩ সালের এস.টি.সি ১৮৫/৯৩ নং মামলায় ৫বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী, ১৯৯১ সালে ৪২/৯১ নং বোমা ও অগ্নি সংযোগ ও ঘের লুটপাট মামলার ৭ বছরের সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত আসামী, ৮জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে আশাশুনি থানার মামলার নং-৫, ১৬ ফেব্র“য়ারি২০১৩ তারিখে মামলা নং- ১৩, ২৩ ফেব্র“য়ারি২০১৬ তারিখে আশাশুনি থানার মামলা নং- ১৮, ২১এপ্রিল২০১৪ তারিখে মামলা নং- ১৭, ২৫ মার্চ’১৬ তারিখে আশাশুনি থানার মামলা নং-১৬, ২৯মার্চ২০১৬ তারিখে আশাশুনি থানার মামলা নং- ২৪, ৩১ মার্চ২০১৬ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর অপহরণ মামলা নং- ৩১। ২৩ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে আশাশুনি থানার মামলা নং- ৩৮, ১২ জুলাই ২০১৬ তারিখে আশাশুনি থানার মামলা নং- ১৭, ২৯ আগস্ট২০১৪ তারিখে আশাশুনি থানার মামলা নং- ২৫। এতগুলো মামলা থাকা সত্বেও অজানা কারণে ওই কুখ্যাত চাঁদাবাজ ও চিহ্নিত জামায়াত নেতা আনারুল মোল্যার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
অপরদিকে ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতার সহযোগিতায় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ক্যাডার আনারুল আগামী নির্বাচন কে সামনে রেখে নাশকতা করার জন্য বিএনপি জামায়াত জোটের ক্যাডারদের একত্রিত করার পরিকল্পনা অব্যাহত রেখেছে। আর এ কারণে ওইসব ক্যাডারদের সমন্বয়ে বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক ও সরকার বিরোধী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষনি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে অত্র এলাকায় আবারো বিগত ২০১৩ সালের মত সরকার বিরোধী আন্দোলন সংঘঠিত হবে। অবিলম্বে ওই আনারুল মোল্যাকে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় শোক দিবসে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদশে আওয়ামীলীগ জেলা শাখার আয়োজনে স্বাধীন বাংলাদশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল ৪ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহমেদের সভাপতিত্বে দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম, সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি ও জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিসেস রিফাত আমিন, সহ সভাপতি এড. এস এম হায়দার, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহম্মেদ, সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু, কোষাধ্যক্ষ আসাদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গনি, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এড. অনিত মুখার্জী, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কহিনুর ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকাত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আবু সাঈদ, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজীত সাধু, জাতীয় শ্রমিকলীগ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মীর মোশাররফ হোসেন মন্টু, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লাইলা পারভীর সেঁজুতি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিছুর রহমান, এড. সাইদুজ্জামান জিকো, জেলা তরুনলীগের সভাপতি শাহানুর ইসলাম শাহিন, জেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান তুহিন, পৌর আওয়ামীলীগের কার্যকারী সদস্য সবুর খান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা। সভায় বক্তারা বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক ভূখন্ড পেতাম না। যে নেতার জন্য লাল সবুজের পতাকা পেলাম সেই নেতাকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো তাদের উদ্দেশ্য কখনও সফল হবেনা। বঙ্গবন্ধু নেই কিন্তু তার স্বপ্নের দেশ আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে। জাতির জনককে হত্যা বাংলাদেশের জন্য একটি কলঙ্ক অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে বাংলাদেশের যে অপুরনীয় ক্ষতি হয়েছে তা কখনও পুরন হওয়ার নয়। বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। সর্বদিক দিয়ে বাংলাদেশ আজ উন্নতির শিখরে উঠে গেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট সহ এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই যেখানে বছরের প্রথমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই দেওয়া হয়। শুধুমাত্র শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই বাংলাদেশেই বছরের প্রথমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা আরো বলেন,¡ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ হয়েছিল পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আর এবারের যুদ্ধ হবে সেই সময়ের দোসর জামাত-বিএনপি চক্রের বিরুদ্ধে। আগামী মহান জাতিয় সংসদ নির্বাচনে জামাত-শিবির চক্রকে প্রতিহত করতে আমাদের মাঠে থেকে কাজ করতে হবে। একাদশ জাতিয় নির্বাচনে সাতক্ষীরায় নৌকা প্রতিকের প্রার্থী যাকে দেওয়া হোক না কেন সকল ভেদাভেদ ভুলে নৌকাকে বিজয়ী করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে সম্পত্তির জবর দখল ঠেকাতে সংবাদ সম্মেলন

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে জোর পূর্বক সম্পত্তি জবর দখল করে খেলার মাঠের নামে সাইনবোর্ড বসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আশাাশুনি  উপজেলার জামাল নগর গ্রামের মোতালেব সরদারের পুত্র আজাহারুল সরদার তাার লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন,  উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের কেয়ারগাতী মৌজার জেএল ৯৬, খতিয়ান ১/১১৯ ও দাগ নং ৩৬৭ এবং ৩৮৩ এর ১ একর ৩২ শতক সম্পত্তি তিনি সকল নিয়ম নীতি মেনে সরকার বাহাদুরের নিকট থেকে একসনা ডিসিয়ার নিয়ে বহু বছর থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি গ্রামের গুটি কয়েকজন মিলে আমার ঐ সম্পত্তি নাম মাত্র মাঠের নামে জবর দখল করার পায়তারা করে আসছে। তিনি আরও বলেন, খেড়ুয়ার ডাংগা গ্রামের ছামছুর ফকিরের পুত্র কবিরুল ফকির, জাফর আলী ফকিরের পুত্র ফরিদ ফকির, মৃত : লেয়াকত ফবিরের পুত্র বিল্লাল ফকির ও বি এন পি নেতা শুশিল কুমার শীলের পুত্র পয়তাল শীল বেশ কিছু দিন থেকে তাকে বিভিন্ন ভাবে জমি দখল ছেড়ে দেয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিল। বিবাদী গং এর সাথে উক্ত সম্পতি নিয়ে কোটে মামলা চলছে। ১৯৯৩ সাল থেকে একসনা ডিসিয়ারের মালিব হওয়ায় আমি সরকারের পক্ষ নিয়ে মামলা চালিয়ে আসছি। ইতমধ্যে সরকারের পক্ষে আমি তিনটি ডিগ্রিও পেয়েছি। বিবাদীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে লোকজন নিয়ে জমি জবর দখলে ব্যর্থ হয়ে সর্বশেষ সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বুধহাটা, আশাশুনি, তোয়াড়ডাংগা ও বেয়ারগাতী থেকে শতাধিক ভাড়াটিয়া মাস্তান নিয়ে এসে আমার জমিতে মাঠের নামে সাইনবোর্ড বসানোর চেষ্টা করে। এসময় আমি তাদেরকে বাধাদিলে তারা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এব্যাপারে কোন অনাকাংখিত ঘটনা এড়াতে সংবাদ সম্মেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃ পক্ষের আশু হস্ত ক্ষেপ কামনা করেছেন আজহারুল সরদার।

বড়দল ভুমি অফিসের ইউনিয়ন সহকারি ভুমি কর্মকর্তা  রনজিৎ মন্ডল জানান, ইচ্ছে করলেই তো আর সরকারি সম্পত্তি কেহ দখল করতে পারে না। সরকার যাকে ডিসিয়ার দিবেন সেই সম্পত্তির ভোগ দখল করবেন। খেলার মাঠেরর প্রয়োজন হলে সেটা নিয়ম নীতির মধ্য দিয়ে হতে হবে। একসনা ডিসিয়ারের সম্পত্তি সরকার বাহাদুর ইচ্ছে করলেই এক বছর পর মালিকানা পরিবর্তন করতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে আটক-১১০

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপি-জামায়াতের ৪২ নেতাকর্মী ও ৬ মাদক মামলার আসামীসহ ১১০ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে, ৪টি ককটেলসহ বেশকিছু মাদক দ্রব্য। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে ১০টি মামলা।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৫ জন, কলারোয়া থানা থেকে ২০ জন, তালা থানা ১৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ১০ জন, শ্যামনগর থানা ১৭ জন, আশাশুনি থানা ১২ জন, দেবহাটা থানা ১১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাকরিতে বয়সসীমা ৩২ করতে আপত্তি নেই

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ৩২ বছর করার বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।বয়স বাড়ানো সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, ‘আমার কোনো আপত্তি নেই। আমার মতে চাকরি হওয়া উচিত কনটাক্ট বেসিসে।’

বুধবার (২৯ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী একথা জানান।
মুহিতের ভাষায়, ‘এভরি মানুষ শু্যড বি গিভ ইন উইথ জব টেন ইয়ারস, ফিফটিন ইয়ারস, অ্যান্ড সামথিং, অ্যানি বয়সে।’
‘বয়স বাড়ানোর পরিকল্পনা আমার ছিলো। আমি প্রস্তাবও দিয়েছিলাম, এটা হয়নি। আমার মনে হয়, নির্বাচনের আগে কোনো পরিবর্তন হবে না।’
আগামী ডিসেম্বরের শেষ দিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর। আর অবসরের বয়স ৫৯ বছর নির্ধারিত আছে।
আগে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ২৭ বছর থাকলেও ১৯৯১ সালে তা বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হয়। তবে ওই সময় অবসরের কোনো বয়স বাড়েনি।
পরে ২০১১ সালের ডিসেম্বরে সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স দুই বছর বাড়িয়ে ৫৯ বছর করা হয়। এরপর মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়স এক বছর বাড়িয়ে ৬০ বছর করেছে সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করার সুপারিশ করে।
চাকরিতে ঢোকার সময়সীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে গত মার্চে শিক্ষার্থীরা সমাবেশ করে। এরপর চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়াতে আলোচনা শুরু করে সরকার।
এদিকে বৈঠকে শেষে এএমএ মুহিতকে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এ সময় ওই সরকারে নিজের থাকার সম্ভাবনার কথা রয়েছে বলেও মনে করেন অর্থমন্ত্রী মুহিত।
আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয়ে তিনি বলেন, নিউইয়র্কে মামলা করতে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা নিহত

অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ায় পাজেরো গাড়ীর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহী পাভেল হোসেন সবুজ (১৮) নামের এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছে। আজ দুপুর ২টার দিকে চকরিয়ার ডুলাজারা দরগা গেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অপর ছাত্রলীগ নেতা গুরুত্বর আহত হয়েছে।
নিহত পাভেল চকরিয়া পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের দিগরপানখালী এলাকার জানে আলমের ছেলে ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। আহত নাবিউল আরাফাত (১৭) একই এলাকার মৃত শাহ আলমের ছেলে এবং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহ সভাপতি। তাকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. আলমগীর হোসেন জানান, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দরগা গেইট এলাকায় কক্সবাজারগামী একটি পাজেরো গাড়ির সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল আরোহী একজন নিহত ও অপরজন আহত হয়। গুরুতর অবস্থায় আহত একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest