সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণ

মতামত উপেক্ষা করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস

দেশের খবর: জাতীয় সংসদের ভেতরে-বাইরে বিভিন্ন পক্ষের আপত্তি, উদ্বেগ ও মতামত উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস করা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে বিলটি পাস হয়।

এই আইনে বলা হয়েছে, আইনটি কার্যকর হলে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল হবে। তবে এই আইনটিতেই বিতর্কিত ৫৭ ধারার বিষয়গুলো চারটি ধারায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশকে পরোয়ানা ও কারও অনুমোদন ছাড়াই তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই আইনে ঢোকানো হয়েছে ঔপনিবেশিক আমলের সমালোচিত আইন ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’। আইনের ১৪টি ধারার অপরাধ হবে অজামিনযোগ্য। বিশ্বের যেকোনো জায়গায় বসে বাংলাদেশের কোনো নাগরিক এই আইন লঙ্ঘন হয়, এমন অপরাধ করলে তাঁর বিরুদ্ধে এই আইনে বিচার করা যাবে।

এই আইনের অধীনে সংগঠিত অপরাধ বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে। অভিযোগ গঠনের ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। এ সময়ে সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়ানো যাবে। আইনে বলা হয়েছে, তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর বিধানাবলি কার্যকর থাকবে।

আইনে ডিজিটাল মাধ্যমে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ; মানহানিকর তথ্য প্রকাশ; ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত; আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো, অনুমতি ছাড়া ব্যক্তি তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে অপরাধে জেল জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্যও আইনের বেশ কিছু ধারা নিয়ে আপত্তি তুলেন। তবে সেসব আপত্তি টেকেনি।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বিলটি পাসের জন্য সংসদে তোলেন। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির ১১ জন ও স্বতন্ত্র একজন সাংসদ বিলটি নিয়ে জনমত যাচাই ও আরও পরীক্ষা-নীরিক্ষা করার প্রস্তাব দেন। তবে এর মধ্যে তিনজন সাংসদ উপস্থিত ছিলেন না। আর জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেন।

বিরোধী দলের সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, অংশীজনদের আপত্তি ও বিতর্কিত ধারাগুলো অপরিবর্তিত রেখে সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা খুবই উদ্বেগজনক। একদিকে বিলের ৮, ২৮, ২৯ ও ৩১ ধারার বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্বেগ ও মতামতকে উপেক্ষা করা হয়েছে। যা তাদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের ঝুঁকি সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে বিতর্কিত ৩২ ধারায় ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির ক্ষেত্রে ঔপনিবেশিক আমলের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-১৯২৩ অনুসরণের সুপারিশ করার দৃষ্টান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাব্যঞ্জক। নিবর্তনমূলক এই আইন সংযোজনের উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেন।

ফখরুল ইমাম বলেন, প্রস্তাবিত আইনের ৩২ ধারার অপপ্রয়োগের ফলে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী দুর্নীতি মানবাধিকার লঙ্ঘনজনিত আইনি অধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হবে। ফলে এই ধরনের অপরাধের আরও বিস্তার ঘটবে। এ ছাড়াও অনুসন্ধানীমূলক সাংবাদিকতা ও যে কোনো ধরনের গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে। এটি আইনে পরিণত হলে তা সংবিধানের মূল চেতনা, বিশেষ করে মুক্ত চিন্তা, বাক স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করবে। ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে নাগরিকদের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তি কল্যাণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন নিশ্চিতের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে প্রস্তাবিত আইনটি তাতে বাধা সৃষ্টি করবে। গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের ভূমিকা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে। গণমাধ্যমসহ সকল নাগরিকের সমস্ত ধরনের ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে সরকারকে সহযোগিতা প্রদান এবং বাধাহীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারে তার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব করেন।

বিরোধী দলের সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারি বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মতামত ও চিন্তার স্বাধীনতার যে কথা বলা হয়েছে, এই আইন হবে তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করা হলেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেক জায়গায় ৫৭ ধরার ভীতি আরও বেশিভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে অনেক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার প্রতিকারে কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। বিরোধী দলের এই সাংসদ বলেন, সম্পাদকদের উদ্বেগের বিষয়ে সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা দেওয়া হলেও আইনে তা প্রতিফলিত হয়নি। এই আইন গণমাধ্যমকে ক্ষুব্ধ করবে। নির্বাচনের আগে সমাজের এ রকম একটি বিশাল প্রগতিশীল অংশকে ক্ষুব্ধ করা ঠিক হবে না।

নুরুল ইসলাম মিলন, নুর ই হাসনা লিলি চৌধুরী, মাহজাবিন মোর্শেদ, রওশন আরা মান্নান ও শামীম হায়দার পাটোয়ারি, মোহাম্মদ নোমান বিলটি নিয়ে জনমত যাচাই ও আরও পরীক্ষা নীরিক্ষা করার প্রস্তাব দেন।

কাজী ফিরোজ রশীদ তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাহার করে বলেন, সময়োপযোগী বিলটি আরও আগে আসা উচিত ছিল। প্রচুর যাচাই বাছাই হয়েছে, কালক্ষেপণ না করে আইনটি পাস করা হোক।

সাংসদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, ‘সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট দেখলে দেখা যাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কী পরিমাণ আলোচনা করেছি। আইনমন্ত্রী যে কতবার তাদের সঙ্গে বসেছেন, পরামর্শ নিয়েছেন। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। যেটা সংসদে উত্থাপিত বিল ও সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনের সঙ্গে তুলনা করলে স্পষ্ট হবে। তারা যেসব বিষয়ে একমত হয়েছেন তাসহ যেসব জায়গায় যে ধরনের সংশোধন করা দরকার আমরা করেছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সম্পাদক পরিষদ নেতৃবৃন্দ সংসদীয় কমিটি ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে যে কথাগুলো বলেছেন, তা সম্ভবত ভুলে গিয়েছেন। না হলে এই বিল সম্পর্কে তাদের সমালোচনার অবস্থান বিরাজ করে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার উপায়টি এই আইন খুলে দেবে।’

মোস্তফা জব্বার বলেন, সাংবাদিকেরা ৩২ ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেখানে তারা গুপ্তচরবৃত্তির কথা বলেছিলেন-সংসদীয় কমিটি সেটাকে সংশোধন করে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের কথা বলেছেন। এই আইনের অপপ্রয়োগের নজির নেই।

মোস্তফা জব্বার দাবি করেন, তাঁরা সাংবাদিকদের সামনে সব উপস্থাপন করেছেন। তাঁদের কথা অনুসারে যেসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন দরকার তার সবই করেছেন। সংবাদপত্র দমন বা নিয়ন্ত্রণের জন্য এই আইন নয়। এই আইন কেবল ডিজিটাল অপরাধ দমন করার জন্য।

ভবিষ্যতে ডিজিটাল যুদ্ধ হবে উল্লেখ করে মোস্তফা জব্বার বলেন, এই যুদ্ধে যদি রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা দিতে না পারি, রাষ্ট্র যদি বিপন্ন হয় তাহলে অপরাধটা আমাদেরই হবে। আমরা তা হতে দিতে পারি না।

মোস্তফা জব্বার বলেন, ‘এই আইনটি বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক আইন। আমরা একটি ঐতিহাসিক কাজের সাক্ষী হয়ে সংসদে থাকছি।’
পরে জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। তবে ফখরুল ইমামের দেওয়া একটি সংশোধনী গৃহীত হয়। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এই আইন কার্যকর হলে তথ্যও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা বাতিল হবে। তবে এসব ধারায় বিচারাধীন মামলা এসব ধারাতেই চলবে।

গত ২৯ জানুয়ারি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া অনুমোদন করেছিল মন্ত্রিসভা। তখন থেকে এই আইনের বেশ কয়েকটি ধারা নিয়ে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পক্ষ আপত্তি জানিয়ে আসছে। সম্পাদক পরিষদ এই আইনের ৮টি (৮,২১, ২৫,২৮, ২৯,৩১, ৩২ ও ৪৩) ধারা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছিল। সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এসব ধারা বাক্স্বাধীনতা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে বাধা হতে পারে। এ ছাড়া ১০টি পশ্চিমা দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকেরা এই আইনের ৪টি ধারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ৯টি ধারা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছিল।

আপত্তির মুখে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে। এই প্রেক্ষাপটে গত ৯ এপ্রিল বিলটি পরীক্ষার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠায় সংসদ। সাংবাদিকদের তিনটি সংগঠন সম্পাদক পরিষদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বিলটি নিয়ে দুই দফা বৈঠক করে সংসদীয় কমিটি। প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আইনে বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। যে ধারাগুলো নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের আপত্তি ছিল, তার কয়েকটিতে কিছু জায়গায় ব্যাখ্যা স্পষ্ট করা, সাজার মেয়াদ কমানো এবং শব্দ ও ভাষাগত কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালের দুর্দান্ত সূচনা

খেলার খবর: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা ধরে রাখার অভিযানের শুরুটা দুর্দান্ত হল রিয়াল মাদ্রিদের। ইতালিয়ান ক্লাব রোমাকে হারিয়ে ৩-০ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।

বুধবার রাতে সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ের নিজেদের মাঠে ম্যাচের পুরোটা সময় দাপটের সঙ্গে খেলে হুলেন লোপেতেগির দল। অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণ করতে রিয়াল। প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে ইসকোর গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফ্রি কিক থেকে আসে স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ডের গোলটি।

পরে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে সাফল্যের দেখা পান বেল। মদ্রিচের বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে জালে পাঠান এই উইঙ্গার। এরপর অতিরিক্ত সময়ের দুর্দান্ত এক গোলে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেন বেলের বদলি নামা মারিয়ানো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন তালাক শাস্তিযোগ্য অপরাধ: ভারতে নির্বাহী আদেশ

বিদেশের খবর: মুসলিম সমাজের মধ্যে প্রচলিত তিন তালাক প্রথাকে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বুধবার একটি অর্ডিন্যান্স বা নির্বাহী আদেশ জারি করেছে।

তিনবার তালাক উচ্চারণ করে স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদ দিলে এই আইন অনুযায়ী মুসলিম পুরুষদের তিন বছরের জেল ও আর্থিক জরিমানার বিধান থাকছে। তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর খোরপোষ পাওয়ারও অধিকার থাকবে।

গত বছরের অগাস্টে এক ঐতিহাসিক রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাককে বেআইনি ও অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু এ ব্যাপারে আইন প্রণয়নের ভার তারা ছেড়ে দিয়েছিল সরকারেরই ওপর।

এরপর এই প্রথাকে শাস্তিযোগ্য করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ‘দ্য মুসলিম উইমেন প্রোটেকশন অব রাইটস ইন ম্যারেজ অ্যাক্ট’ নামে একটি বিলও আনে, যা সাধারণভাবে ‘তিন তালাক বিল’ নামেই পরিচিতি পায়।

গত বছরের ডিসেম্বরে ওই বিলটি ভারতীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় পাস হয়ে গেলেও রাজ্যসভায় সেটি বিরোধীদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে।

অনেক বিরোধী দলের নেতাই যুক্তি দেন, ভাল করে খুঁটিয়ে দেখার জন্য বিলটিকে একটি সংসদীয় সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো উচিত।

ওই বাধার মুখে বিলটি পাস করাতে না-পেরে সরকার এখন ঘুরপথে সেটিকে অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে আইনে পরিণত করল। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভারতের আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ এরপর বিরোধী কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, “তাদের দলের সর্বোচ্চ নেত্রী একজন মহিলা (সোনিয়া গান্ধী), তা সত্ত্বেও নিছক ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির জন্য তারা পার্লামেন্টে আইন করে এই বর্বর প্রথা বন্ধ করতে রাজি হলেন না, সেটাই আশ্চর্যের ও দু:খের।”

তবে পার্লামেন্টে যে বিলটি আনা হয়েছিল, তার তুলনায় এদিন আনা অর্ডিন্যান্সে শাস্তির বিধান বেশ কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

মূল বিলটিতে ছিল তিন তালাক হয়েছে বলে অভিযোগ যে কেউ আনতে পারেন, এমন কী প্রতিবেশীরাও। অর্ডিন্যান্সে অবশ্য বলা হয়েছে কেবল মাত্র তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ও তার রক্ত সম্পর্কের আত্মীয়রাই অভিযোগ আনতে পারবেন।

এমন কী, তিন তালাক দেওয়া স্বামী যদি আপষ মীমাংসায় রাজি থাকেন, তাহলে স্ত্রী-র সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ারও সুযোগ থাকছে অর্ডিন্যান্সে।

অভিযুক্ত স্বামীর এর আগে জামিন পাওয়ারও কোনও সুযোগ ছিল না। কিন্তু অর্ডিন্যান্সটি বলছে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর বক্তব্য শোনার পর বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে অভিযুক্তের জামিন মঞ্জুর করতে পারবেন।

কংগ্রেস এর আগে সরকারকে জানিয়েছিল, তারা পার্লামেন্টে বিলটিকে সমর্থন করতে রাজি – যদি কথা দেওয়া হয় যে তিন তালাক দেওয়ার অভিযোগে কোনও স্বামীর জেল হলে সে সময় তার স্ত্রীর আর্থিক ভরণপোষণের দায়িত্ব সরকারই নেবে।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকার অবশ্য সে প্রস্তাব মেনে নেয়নি। তবে বিলের সমর্থনে তারা বেশির ভাগ রাজ্য সরকারের সমর্থন পেয়েছে বলেই দাবি করছে।

আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ এদিন আরও বলেছেন, শুধুমাত্র ভারতের মুসলিম নারীদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তার কথায়, “এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই জেন্ডার জাস্টিস (সব লিঙ্গের জন্য ন্যায়) নিশ্চিত করার জন্য, এর সঙ্গে ধর্ম বা ভোটের রাজনীতির কোনও সম্পর্কই নেই।”

এর আগে ভারতের বেশ কয়েকজন মুসলিম নারী একযোগে তিন তালাক নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।

তাদের বক্তব্য ছিল, শুধু মুখে তিনবার তালাক উচ্চারণ করেই নয়, অনেক সময় ফোনে, হোয়াটসঅ্যাপে বা এসএমএস পাঠিয়েও তালাক দেওয়ার ঘটনা ঘটছে – আর তা চরম দুর্বিষহ অবস্থায় ফেলে দিচ্ছে বিবাহ বিচ্ছেদের শিকার ওই নারীদের।

তবে সুপ্রিম কোর্ট এই প্রথাকে অসাংবিধানিক ঘোষণার পরও এই ধরনের ‘ইনস্ট্যান্ট’ বা তাৎক্ষণিক তালাক পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি।

গত অগাস্টে ওই রায় আসার পরও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত সত্তরটি এ ধরনের ঘটনার খবর এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মর্যাদার লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয়

খেলার খবর: এশিয়া কাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলো রোহিত বাহিনী। পাকিস্তানের দেয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১২৬ বল বাকি থাকতেই দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। শুরুতেই তারা পড়ে বড় বিপদে। স্কোর বোর্ডে ৩ রান উঠতেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে সরফরাজ আহমেদের দল। শেষপর্যন্ত ভারতীয় বোলারদের তোপে ১৬২ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান, ইনিংসের ৪১ বল বাকি থাকতে।

ভুবনেশ্বরকে আক্রমণ করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরমুখী হন ইমাম উল হক (২)। এরপর ফাখর জামানও ভুল করে বসেন। ভারতীয় পেসারকে তুলে মারতে গিয়ে ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের ক্যাচ হন তিনি, রানের খাতা না খুলেই।

তৃতীয় উইকেটে বিপদ কিছুটা সামলে উঠেছিলেন বাবর আজম আর শোয়েব মালিক। তাদের ৮২ রানের জুটিটি ভাঙার পর আবার যেন তাসের ঘর পাকিস্তান।

বাবর ৪৭ রান করে কুলদ্বীপ যাদবের বলে বোল্ড। এরপর ছক্কা মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে মনিশ পান্ডের দুর্দান্ত ক্যাচ হয়েছেন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ (৬)।

পাকিস্তানের অবস্থা আরো খারাপ হয় শোয়েব মালিক ৪৩ রানে রানআউটের ফাঁদে পড়লে। কিছুক্ষণ পরই আউট হয়ে যান এক বল আগেই বড় ছক্কা হাঁকানো আসিফ আলি (৯)।

শেষদিকে ফাহিম আশরাফ আর মোহাম্মদ আমির দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আশরাফ ২১ রান করে আউট হন। আমির অপরাজিত ছিলেন ১৮ রান নিয়ে।

ভারতের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন কেদর যাদব আর ভুবনেশ্বর কুমার। জাসপ্রিত বুমরাহর শিকার ২টি।

পাকিস্তানকে ধসিয়ে দিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার ও কেদার যাদব। উভয়ই নেন ৩টি করে উইকেট। যোগ্য সহযোদ্ধার মতো এ দুইজনকে সমর্থন দেন জাসপ্রিত বুমরাহ। তার শিকার ২ উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদ আলী সুমন ও সাধারণ সম্পাদক একেএম তৌহিদুর রহমান শাইন স্বাক্ষরিত এক পত্রে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন- সভাপতি মহানন্দ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্যা আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান (মির্জা), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কমলেশ সরকার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সোলাইমান হোসেন কাজল, স্থাণীয় উন্নয়ন সম্পাদক মোঃ রোকনুজ্জামান সরদার, পরিবহন হাফিজুল ইসলাম গাজী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহাজান গাইন, কৃষি সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক কবির সরদার, আইন বিষয়ক সম্পাদক শামীম অক্তার মুকুল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শেখ হুমায়ুন কবির, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শ্যামল কুমার মন্ডল, শিক্ষা ও মানব সম্পাদক বিষয়ক সম্পাদক পবন কুমার সরকার, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হায়দার আলী, সাংস্কৃতি সম্পাদক রুহুল আমিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মল্লিকা রাণী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহীদ আলাউদ্দীন এর হত্যার দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে  মানববন্ধব

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় কদমতলা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা শহীদ স. ম আলাউদ্দীন এর হত্যাকারীদের দ্রত বিচার ও ফাসির দাবিতে মানববন্ধব ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে কদমতলা বাজারস্থ বৈকারী সড়কে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও সমাবেশে কদমতলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সেলিম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিল্লুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক পত্রদূতের বার্তা সম্পাদক এস এম শহীদুল ইসলাম, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, সেলিম হোসেন, সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম, ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দীন, জেলা সৈনিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম, বল্লী ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শামীম আক্তার, আগরদাড়ি ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন বয়াতী, আগরদাড়ি ইউপি সদস্য এরশাদ আলী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান, ইকরামুল কবির, আব্দুল হাকিম, আশিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের আগরদাড়ি ইউনিয়নের কবিরুল ইসলাম, মোমিন, রবিউল ইসলাম, আবুল কালাম, বাবলু, খায়রুল, বাবুল, আসাদুল, আসারুল, সোহেল, শফিকুল, নুর ইসলাম, শাহীনুর, মিঠু, শওকত, জাহিদ, রফিকুল সহসকল পেশাজীবীবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ স .ম আলাউদ্দীন ছিলেন সাতক্ষীরার গর্ব। তিনি ছিলেন ভোমরাস্থল বন্দরের প্রতিষ্ঠাতা, আধুনিক সাতক্ষীরার রুপকার। তিনি পত্রিকা অফিসে কর্মরত অবস্থায় কিছু দুস্কৃতিকারীদের গুলিতে নিহত হন। তাঁর বিচারিক কার্যক্রম এখনও চলমান। স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহন প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুনিরা এখনও স্বোচ্চার রয়েছে যাতে করে স্বাক্ষীরা স্বাক্ষ্য দিতে না পারে। সমাবেশে বক্তারা খুনিদের খুজে বের করে দ্রুত বিচার কার্যকর ও ফাঁসির দাবি জানান। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের চাঞ্চল্যকর ইউছুফ হত্যার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চাঞ্চল্যকর ইউছুফ হত্যার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শরু হয়েছে। মামলার বাদী’র স্বাক্ষ্য নিয়েছেন বিজ্ঞ বিচারক। এদিকে, মামলার অন্য স্বাক্ষীরা যাতে আদালতে স্বাক্ষ্য দিতে আসতে না পারে সেজন্য আসামী পক্ষ নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে বাদী পক্ষ জানিয়েছেন। এমনকি নিরাপত্তাহীনতায়ও ভুগছেন তারা।
মামলার বাদী সাতক্ষীর্রা কালিগঞ্জ উপজেলার মুড়াগাছা গ্রামের মোহর আলী গাজীর ছেলে আব্দুস সাত্তার গাজী জানান, একই গ্রামের অমেদ আলী গাজীর ছেলে মোমিন গাজী ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম ওরফে মুন্নী প্রতিবেশি হওয়ায় উভয় পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে মোমিনের স্ত্রী রহিমা বেগম শ্যামনগর উপজেলার গুমানতলী গ্রামে তার বাবা বশির সরদারের বাড়ীতে যেয়ে বসবাস শুরু করে। এরপরও তাদের সাথে তার (বাদী) সেজো ভাই ইউছুফ আলী গাজী যোগাযোগ রাখে এবং ওই বাড়ীতে যাতায়াত করে। ২০১৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রহিমা বেগমের বাড়ীতে দাওয়াত খেতে যায় তার ভাই ইউছুফ। রহিমার জামাই কালিগঞ্জের মুড়াগাছা গ্রামের মানিক সরদারের ছেলে জালাল উদ্দীন ইউছুফকে সন্ধ্য বেলা বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ইউছুফ আলী নিখোঁজ থাকে। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে ১৪ সেপ্টেম্বর শ্যামনগরের চুনা নদীতে বস্তায় ভরা পঁচা, ফুলে ফেপে যাওয়া ইউছুফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিকল্পিতভাবে ইউছুফকে হত্যা করে চটের বস্তায় ভরে ইট দিয়ে চুনা নদীতে ফেলে দেয় হত্যাকারীরা। এব্যাপারে ইউছুফের ভাই আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৫। তারিখ-১৪-০৯-২০১৩। ধারা ৩০২/৩৪/২০১ পেনাল কোড। মামলায় আসামী করা হয় অমেদ আলী গাজীর ছেলে মোমিন গাজী , স্ত্রী রহিমা বেগম ওরফে মুন্নী ও জামাই জালাল উদ্দীন গাজীসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন। বাদী আরো জানান, দাওয়াত খেতে যাওয়ার দিন তাদের মাছের ঘরের আদায়কৃত এক লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা সাথে করে নিয়ে যায় তার ভাই ইউছুপ।
ঘটনার কয়েক বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচার কার্যক্রমে স্বাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলেও হুমকি ধামকিসহ আসামীদের নানান ধরণের চাপ অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে বাদী আব্দুস সাত্তার আরো জানিয়েছেন, মামলা দায়েরের কয়েকমাস পর ২০১৪ সালের ১৯ আগষ্ট তারিখে সাতক্ষীরা আদালত থেকে বিকালে বের হলে আসামীরাসহ কয়েকজন ছুরি, ইট ও লোহার রড দিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। এতে তিনি মারাত্মক জখম হন। এব্যাপারে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আরো একটি মামলা করেন বাদী। মামলা নং-সি,আর,পি ৩৪৭/১৪ (সাতঃ)।
বাদী পক্ষের আইনজীবি জহুরুল হক জানান, সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত ১১ সেপ্টেম্বের মামলার বাদী স্বাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার অপর স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য নেবেন বিজ্ঞ বিচারক। আইনজীবি আশা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত মামলার রায় পাবো এবং হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবেন আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে আসাদুজ্জামান বাবুর সৌজন্য সাক্ষাত

 

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন সাতক্ষীরা সদর- ২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাতক্ষীরা উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু। বুধবার সন্ধ্যা ৭.১৫ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনে উপস্থিত হয়ে তিনি নেত্রীর সাথে সাক্ষাত করেন। এসময় জননেত্রী সদর উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সার্বিক খোজ খবর নেন। উল্লেখ্য: আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু দীর্ঘদিন ধরে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় বিভিন্ন এলাকার মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, মসজিদের মুসুল্লীদের মাঝে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রচারসহ বিভিন্ন ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest