সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে

নিজের পরিবর্তনে ৮ অভ্যাস

অনলাইন ডেস্ক: নতুন অভ্যাস তৈরি করা বেশ কঠিন কাজ। প্রতিদিন একই কাজ করতে করতে আমাদের অভ্যাস তৈরি হয়। হুট করেই নতুন অভ্যাস তৈরি করা কঠিন। এমনই ৮ টি অভ্যাসের কথা প্রকাশিত হয়েছে, যা টুকরো অভ্যাস হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

পরিকল্পনা করা শিখুন
আমরা পরিকল্পনা ছাড়াই কাজ করতে অভ্যস্ত। পরিকল্পনা করা শিখতে হবে। কাগজে-কলমে লিখে পরিকল্পনা করা শিখতে হবে। ক্যারিয়ার বা জীবন নিয়ে পরিকল্পনা করুন। কাগজে লিখে পরিকল্পনা তৈরি করুন।

শরীরের যত্ন নিন
কাজের অজুহাতে আমরা শরীরের যত্ন নিই না। নিজের শরীরের যত্ন নিতে শিখুন। ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে তুলতে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। হালকা যোগব্যায়াম প্রতিদিনের রুটিনের সঙ্গে যুক্ত করুন। নিজের মানসিক অবস্থা, শারীরিক অবস্থা ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

অন্যদের কথা শুনুন
আমরা সাধারণত নিজেকে প্রকাশ করতেই বেশি আগ্রহ প্রকাশ করি। অন্যের আবেগ কিংবা কথা আমরা গুরুত্ব দিই না। প্রতিদিন অন্যদের কথা শোনার অভ্যাস করুন। অন্যরা কী বলছে আর কী বলছে না, তা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। কথা শুনে চিন্তা করুন।

নতুন ধারণা গ্রহণে উৎসাহী হোন
আমরা প্রতিদিনকার জীবনে নতুন কিছু গ্রহণ করতে চাই না। প্রতিদিন নতুন নতুন ধারণা গ্রহণ ও জীবনে প্রয়োগ করতে শিখুন। কোন নতুন ধারণায় আপনার জীবন পরিবর্তন হবে, তা আপনি জানেন না, তাই নিত্যনতুন ধারণা গ্রহণ করতে শিখুন।

নিজেকে সমালোচনা করতে শিখুন
আমরা নিজের ভুলত্রুটি সহ্য করতে পারি না। ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে নিজের ভুলগুলো স্বীকার করুন। ভুল থেকে নতুন কিছু জানার চেষ্টা করুন। নিজের সমালোচনা অন্যদের কাছ থেকে গ্রহণ করুন। যারা সমালোচনা করে তাদের শত্রু ভাবার বদলে তাদের মতামতকে সম্মান জানিয়ে নিজেকে ইতিবাচকভাবে পরিবর্তন আনুন।

পরামর্শ নিন
ব্যক্তিজীবনে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন। কয়েকজন ব্যক্তিকে নিজের আদর্শ মেনে তাদের পরামর্শ নিন কিংবা তাদের মতো করে ইতিবাচকভাবে জীবন গড়তে শিখুন।

কথা দিয়ে কথা রাখুন
আমরা অনেক সময়ই কথা দিয়ে কথা রাখি না। ব্যক্তিজীবনে উন্নয়নের জন্য কথা দিয়ে কথা রাখা গুরুত্বপূর্ণ। যা বলবেন তা অবশ্যই করার চেষ্টা করুন। কথা দিয়ে কথা রাখতে না পারলে দুঃখ প্রকাশ করুন, প্রয়োজনে সময় বাড়িয়ে নিয়ে কাজ শেষ করুন। প্রয়োজনে কম কাজ নিয়ে বেশি কাজ করার অভ্যাস করুন। প্রত্যাশা দিয়ে হতাশ করবেন না অন্যদের।

নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না
স্কুলে পড়ার সময় আমরা নিজেরা অন্যদের সঙ্গে তুলনা করি নানা বিষয়ে। কখনোই নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না। অন্যের সাফল্যে দুঃখ কিংবা হতাশাবোধ করবেন না। অন্যের যা আছে, তা নিয়ে কখনোই মন খারাপ করবেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধুর খুনি রশিদের জামাতা গ্রেপ্তার

দেশের খবর: বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খানের মেয়ের জামাই ফুয়াদ জামানকে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
পুলিশের বিশেষায়িত এ ইউনিটের অতিরিক্ত উপ কমিশনার নাজমুল ইসলাম বলেন, বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে ফুয়াদকে তারা গ্রেপ্তার করেন।
তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি এবং তার আত্মস্বীকৃত খুনিদের প্রশংসা করে ফেইসবুকে পোস্ট দেওয়ায় অভিযোগে এক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য মোহাম্মদ নাজমুল হাসান পিয়াস গত ২৩ আগস্ট ধানমণ্ডি মডেল থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ওই মামলা করেন।
আসামি ফুয়াদ জামান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুলতান শাহরিয়ার রশিদের মেয়ে শেহনাজ রশিদ খানের স্বামী বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে কটূক্তি করে এবং আদালতের রায়ে প্রমাণিত হত্যাকারীদের প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে গত ১৫ অগাস্ট ফেইসবুকে একটি পোস্ট দেন ফুয়াদ।
বিষয়টি জাতির পিতার প্রতি ‘চরম অসম্মান ও মানহানিকর এবং উসকানিমূলক’ বলে অভিযোগ করা হয় মামলায়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে একদল সেনা সদস্য। তারপর ইনডেমিনিটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচারের পথও রুদ্ধ করে দেওয়া হয়।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর বিচারের পথ খোলে; মামলার পর বিচার শুরু হলেও বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় যাওয়ার পর ফের শ্লথ হয়ে যায় মামলার গতি।
আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে দণ্ডিত সুলতান শাহরিয়ার রশিদসহ পাঁচজনের ফাঁসি ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কার্যকর হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুলেট ট্রেনে চীন থেকে কলকাতা, যুক্ত হবে বাংলাদেশও

অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমার ও বাংলাদেশের ওপর দিয়ে কুনমিং থেকে কলকাতা পর্যন্ত বুলেট ট্রেন চালু করতে চায় চীন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, কলকাতায় চীনের কনসাল জেনারেল মা হান বুধবার এক সম্মেলনে তার দেশের এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
হান বলেন, ভারত ও চীনের যৌথ উদ্যোগে কলকাতা ও কুনমিংয়ের মধ্যে উচ্চগতির ট্রেন চালুর এ পরিকল্পনা এগিয়ে নেয়া যায়।
তিনি বলেন, আর যদি তা সম্ভব হয়, তা হলে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ট্রেনে চড়ে কলকাতা থেকে কুংমিংয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
আর সে ক্ষেত্রে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সামনেও লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকবে বলে মনে করছেন এ চীনা কূটনীতিবিদ।
তিনি বলেন, আমরা ২৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ওই রেলপথের বিভিন্ন অংশে শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে পারি। তাতে যেসব দেশের ওপর দিয়ে এই রেলপথ যাবে, তাদের সবারই অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকবে।
কুনমিংয়ে ২০১৫ সালে যে গ্রেটার মেকং সাবরিজিয়ন সম্মেলন হয়েছিল, সেখানেও এ পরিকল্পনার উল্লেখ করা হয়েছিল বলে জানান হান।
তিনি বলেন, এ রেলপথের লক্ষ্য হবে বিসিআইএম (বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার) করিডরে আন্তঃবাণিজ্য বাড়ানো। আর কলকাতা থেকে কুনমিং পর্যন্ত ইতিহাসের সেই সিল্ক রুট পুনরুদ্ধারে চীন বদ্ধপরিকর।
কলকাতায় চীনের কনসাল জেনারেল এই বলে আশ্বস্ত করেন যে, তার দেশের আলোচিত বেল্ট অ্যান্ড রোড পরিকল্পনা বিশ্বজয়ের বা প্রতিবেশীদের দখল করার পরিকল্পনা থেকে নেয়া হয়নি।
হানের ভাষায়, এ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে যাতে আলোচনা আর পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে সবারই লাভবান হওয়ার সুযোগ তৈরি করা যায়।
তিনি বলেন, এই রেল চালু হলে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা থেকে কুনমিং পৌঁছানো যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেলিফিল্মে অরুণা বিশ্বাস

বিনোদনের খবর: অভিনেত্রী ও নির্মাতা অরুণা বিশ্বাস বিজয় দিবসের জন্য নির্মিত একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন। নাম ‘জয়নব বিবি মরে নাই’। মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে মান্নান হীরা রচিত এই টেলিফিল্মটি পরিচালনাও করেছেন তিনি।
এতে নাম ভূমিকায় দেখা যাবে অরুণাকে। সম্প্রতি ধামরাইয়ের বাড়িগাঁওতে টেলিফিল্মটির দৃশ্য ধারণের কাজ শেষ হয়েছে। এতে অরুণার পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে জ্যোতিকা জ্যোতিকেও দেখা যাবে। টেলিফিল্মটি প্রসঙ্গে অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘আগে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে আমি অভিনয় করতাম। কিন্তু এখন প্রেক্ষাপট ভিন্ন।
বিভিন্ন ধরনের গল্প নিয়ে আমি নাটক টেলিফিল্ম নির্মাণ করেছি। মান্নান হীরা ভাইয়ের কাছ থেকে যখন এই টেলিফিল্মের স্ক্রিপ্ট পেলাম, এক নিমিষে পড়ে ফেললাম। জয়নব বিবির চরিত্রে আমি নিজেকেই দাঁড় করলাম।
এ সময়ে এসে নিজেকে এ ধরনের চরিত্রের জন্য পূর্ণ মনে করি। তাই চরিত্রটিতে অনেক আন্তরিকতা নিয়ে অভিনয় করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে কাজ করেন তাদের সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা উচিত।
যেন তারা ধারাবাহিকভাবে তা নির্মাণ করে যেতে পারেন। তাতে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত থাকবে।’ আগামী বিজয় দিবসে চ্যানেল আইতে টেলিফিল্মটি প্রচার হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এছাড়াও অরুণা বিশ্বাস আরও কয়েকটি নাটকের কাজ হাতে নিয়েছেন। শিগগিরই সেগুলোর শুটিং শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশসহ ৯ দেশে কূটনীতিক মিশনে রদবদল আনছে ভারত

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত একাধিক কূটনীতিক মিশনে ব্যাপক রদবদল আনতে চলেছে ভারত। পরিকল্পনা অনুসারে, বাংলাদেশে নিযুক্ত হাই-কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলাকে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন নাভতেজ স্বর্ণা। এই বছরের শেষে তার অবসর গ্রহণের কথা রয়েছে।
শ্রিংলাকে যুক্তরাষ্ট্রে বদলি করা হলে তার জায়গায় বাংলাদেশে হাই-কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হতে পারেন রিভা গাঙ্গুলি দাস। তিনি বর্তমানে ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংস্কৃতিক বিভাগ ‘আইসিসিআর’-এর ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।
সব মিলিয়ে ৯টি দেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের মধ্যে রদবদল আনতে চলেছে ভারত। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, স্পেন ও রাশিয়া।
চীনের আগামী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে গৌতম বাম্বাওয়ালেকে প্রতিস্থাপন করতে পারেন বিক্রম মিসরি। বর্তমানে মিয়ানমারে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করছেন মিসরি। আর মিসরির জায়গায় বদলি হতে পারেন ইরানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সৌরভ কুমার। চীনে মিসরির নিয়োগ নিশ্চিত হলে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্করের পরে তিনিই হবে দ্বিতীয় দূত, যিনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যাপকভাবে পরিচিত ‘চায়না ব্লকে’র অংশ নন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সুপার স্পেশালাইজড’ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার সকালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রকল্পের স্থাপনাগুলো উদ্বোধন করেন।
২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০১২ সালে বর্তমান হাসপাতালের উত্তর পাশের ৩ দশমিক ৮ একর (প্রায় ১২ বিঘা) জমির বন্দোবস্ত দেন।
দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সহযোগিতায় এ ৩ দশমিক ৮ একর জমির ওপর নির্মিত হবে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। ২০১৬ সালে ১৩৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক। ১৩ তলাবিশিষ্ট হাসপাতালটিতে থাকবে এক হাজার শয্যা।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণতকরণ ২য় পর্যায় প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়েই সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের আওয়তায় ইতিমধ্যে কেবিন ব্লকের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, পাঁচতলা পর্যন্ত দুটি সর্বাধুনিক বহির্বিভাগ নির্মাণ, পাঁচতলাবিশিষ্ট ডক্টরস ডরমিটরিস নির্মাণ, সর্বাধুনিক মেডিকেল কনভেনশন সেন্টার এবং পাঁচতলাবিশিষ্ট অনকোলজি ভবন নির্মাণকাজ শতভাগ শেষ।
এ প্রকল্পের মোট ব্যয় নির্ধারিত ছিল ৫২৬ কোটি টাকা। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হলেও বিস্ময়করভাবে ২০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন ৬ হাজার, যোগ্য দেড় হাজার

দেশের খবর: এমপিওভুক্তির জন্য তৈরি করা সফটওয়্যার নতুন এমপিওভুক্তির জন্য ১ হাজার ৫৩৭টি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছে। তবে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেছিল ৬ হাজার ১৪১টি প্রতিষ্ঠান। সফটওয়ারের বিবেচনায় এমপিওভুক্তি করা হলে আবেদন করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাদ পড়বে ৪ হাজার ৬০৪টি প্রতিষ্ঠান।
গত ৫ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য সারাদেশের প্রায় ৬ হাজার ১৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবেদন জমা পড়ে। সফটওয়্যারে মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনলাইনেই বাছাই করা হয় আবেদনগুলো। তথ্য অনুযায়ী, নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন জমা পড়েছে ১ হাজার ৯৬৭টি। এর মধ্যে এমপিওভুক্তির সব শর্ত পূরণ করে যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে ৫৭৯টি প্রতিষ্ঠান। মাধ্যমিক স্তরের এমপিওভুক্তির জন্য ২ হাজার ৭৩৯টি আবেদনের মধ্যে সব শর্ত পূরণ করে যোগ্য বিবেচিত হয়েছে ৭৬৪টি প্রতিষ্ঠান। উচ্চ মাধ্যমিক (ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ) ৩৩৫টি আবেদনের মধ্যে সব শর্ত পূরণ করে যোগ্য ৬৬টি, উচ্চ মাধ্যমিক শুধু কলেজের ৫৪৫টি আবেদনের মধ্যে সব শর্ত পূরণ যোগ্য ৮৫টি। এছাড়া ডিগ্রি স্তরের এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেছে ৫৫৫টি যার মধ্যে যোগ্য বিবেচিত হয়েছে ৪৩টি প্রতিষ্ঠান। এমপিওভুক্তির নীতিমালা ২০১৮ এর আলোকে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল্যায়ন করা হয়। যে প্রতিষ্ঠানগুলো নীতিমালার সব শর্ত পূরণ করেছে তাদের প্রাথমিকভাবে যোগ্য হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

নতুন এমপিওভুক্তির জন্য কত টাকা লাগবে
অন্যদিকে আবেদন করা নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুলগুলোর সবগুলো এমপিওভুক্তি করতে কত টাকা লাগবে তার একটি হিসাব তৈরি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। নিম্নমাধ্যমিক স্তরের একটি স্কুলে একজন প্রধান শিক্ষক, ১১ জন সহকারী শিক্ষক, ২ জন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী এবং ৪ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীসহ ১৮ জন এমপিওভুক্তি হবে। উত্সবভাতা বাড়ি ভাড়াসহ এক বছরে একটি স্কুলের পেছনে সরকারের ব্যয় ৩৪ লাখ ৮২ হাজার ৩শ’ টাকা। সে হিসাবে নিম্নমাধ্যমিকে আবেদন করা ১ হাজার ৯৬৭টি প্রতিষ্ঠানের জন্য বছরে প্রয়োজন ৬৮৪ কোটি ৯৬ লাখ ৮৪ হাজার ১শ’ টাকা।
মাধ্যমিক স্কুলে একজন প্রধান শিক্ষক, একজন জন সহকারী প্রধান শিক্ষক, ১৩ জন সহকারী শিক্ষক, ১ জন গ্রন্থগারিক, ২ জন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী এবং ৪ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীসহ মোট জনবল হবে ২২ জন। মাসিক বেতন, উত্সবভাতা বাড়িভাড়াসহ প্রতিটি স্কুলের পেছনে সরকারের বছরে ব্যয় হবে ৪৫ লাখ ১৬ হাজার ৮শ’ টাকা। সে হিসাবে মাধ্যমিক স্কুল এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করা ২ হাজার ৭৩৯টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য ১ হাজার ২৩৭ কোটি ১৫ লাখ ১৫ হাজার ২শ’ টাকা প্রয়োজন। এদিকে গত ২৬ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে কারিগরি ও মাদরাসা এমপিওভুক্তির আবেদন কার্যক্রম। ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ প্রক্রিয়া।

২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এরপর থেকে এমপিওভুক্তি সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। শিক্ষক সংগঠনগুলোর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে এমপিওবিহীন দেশের ৮ হাজার স্কুল ছিল, আর শিক্ষক ১ লাখ ২০ হাজার। আর্থিক সুবিধা না পাওয়ার কারণে গত ছয় বছরের মধ্যে ২ হাজার স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদে গান গেয়ে প্রশ্ন মমতাজের

বিনোদনের খবর: জাতীয় সংসদে গান গেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করলেন আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরের দিনে ফোকসম্রাজ্ঞী খ্যাত মানিকগঞ্জ-২ আসনের এ সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তাঁর মৌখিক প্রশ্নের জবাব পাওয়ার পর কার্যপ্রণালীবিধি অনুযায়ী সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ পান। তিনি তাঁর মূল প্রশ্নটি করার আগে সরকারের খাতভিত্তিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। সারা দেশের মানুষ উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য প্রধানমন্ত্রীর গুণগান গেয়ে থাকে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় মমতাজ উন্নয়ন নিয়ে সম্প্রতি পরিবেশিত নিজের একটি গানের দুটি লাইন গেয়ে শোনান। গানটি হলো ‘রাখব ধরে এই উন্নয়ন, আমরা দেশের জনতা, শেখ হাসিনার হাতে আবার দিয়ে ক্ষমতা’। এ সময় তিনি এ-ও বলেন, ‘গানের সুবাদে আমি সারা দেশের জেলা-উপজেলায় যাই। সারা দেশের মানুষের মনের কথা এই একটাই।’
নিজের নির্বাচনী এলাকায় প্রধানমন্ত্রী আঞ্চলিক মহাসড়ক, বিদ্যুতায়নসহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন উল্লেখ করে সিঙ্গাইরের ওপর দিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক নির্মাণ, ঢাকা-মানিকগঞ্জ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং নির্বাচনী এলাকায় গ্যাস দেওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান মমতাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest