সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোকশ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যুকপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবিসাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগ

শ্যামনগরে চাকুরীর প্রলোভনে যুবতীকে ভারতে পাচার থানায় মামলা !! অবশেষে উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক: ভারতে পাচার হওয়ায় ১ সন্তানের জননী কৌশলে দেশে ফিরে গত শনিবার পিতা মাতার সাথে শ্যামনগর প্রেসক্লাবে এসে তার করুণ কাহিনী সংবাদিকদের জানান। সে শ্যামনগর উপজেলার সেন্টার কালিনগর গ্রামের মতিয়ার মল্লিকের কন্যা। তিনি জানান, গত ০৬/০১/২০১৭ তারিখে একই গ্রামের মৃত তালেব মল্লিকের ছেলে কালাম মল্লিক তাকে ঝিয়ের কাজের জন্য তারই আত্মীয় বাগেরহাট জেলার কাঠাঁয় বাড়ীয়া গ্রামের জাকির হোসেনের বাড়ী পাঠান। কিছু দিন সেখানে থাকার পর জাকির হোসেন তাকে নিয়ে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রয় করে আসে। সেখানে দীর্ঘ সময় শাররিক ও মানসিক অত্যাচার সইতে হয়েছে তাকে। কৌশলে গত ২০ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়ীতে অথাৎ বাংলাদেশে ফিরে আসে। এদিকে দীর্ঘ দিন তার সাথে তার পিতার যোগাযোগ না থাকায় বা কোন খোঁজ না পাওয়ায় তার পিতা মতিয়ার মল্লিক বাদী হয়ে সাতক্ষীরা আদালতে ২৪/০৫/২০১৭ তারিখে মানব পাচারের মামলা করে। বিজ্ঞ আদালত শ্যামনগর থানাকে এজাহার নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। শ্যামনগর থানা গত ০১/০৬/২০১৭ তারিখে এজাহার হিসেবে গণ্য করে যাহার মামলা নং- ২, যার জিআর নং- ২০৮/১৭। মামলার আসামী আবুল কালাম, জাকির হোসেন, মুজিবর গাজী ও তোফাজউদ্দীন গাজী। মামলাটি আদালতে চলমান অবস্থায় গত ২৫/০৬/২০১৮ তারিখে সি,আই,ডিতে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে মামলটা সিআইডিতে তদন্তাধীন রয়েছে। অথচ মামলার আসামীরা বর্তমানে ফিরে আসায় ১ সন্তানের জননী সহ তার পিতা মাতাকে জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে। এবিষয় তারা সিআইডি সহ প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিবস্ত্র হয়ে ঘর পরিষ্কার করে মাসিক আয় ৪ লাখ টাকা

অনলাইন ডেস্ক: ঘর পরিষ্কার করে কত টাকা আয় করা যায়, আপনি কি জানেন? আপানার বাড়ি পরিষ্কার করার জন্য কর্মী নিয়োগ করেছেন। তবে তার মাসিক আয় আপনার জানাই আছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টের বাসিন্দা ২৮ বছরের এক নারী বাড়ির মেঝে এবং জানলা পরিষ্কার করে কত টাকা আয় করে, তা জানলে চোখ কপালে উঠবে।
এক মেয়ের মা সেই নারী মাসে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা রোজগার করেন। আর তা কিনা শুধু ঘর পরিষ্কার করেই। এমনকি, এই বিপুল পরিমাণে অর্থ উপার্জনের জন্য তাকে দিন-রাত পরিশ্রমও করতে হয় না। সারা সপ্তাহে মাত্র ১৬ ঘণ্টার কাজ।
আসলে সেই নারী একজন ‘ন্যাকেড ক্লিনার’৷ অর্থাৎ যখন তিনি ঘর পরিষ্কার করতে যান, তখন তার শরীর অনাবৃতই থাকে। তিনি জানিয়েছেন, যখন থেকে তিনি কোন পোশাক না পরে ঘর পরিষ্কার করার কাজ শুরু করেন, তখন থেকেই তার রোজগার কয়েকগুণ বেড়ে গেছে ৷ এখন তো তিনি আগের তুলনায় অনেক কম সময়ও কাজ করেন ৷
তবে তাদের কাজে নিয়োগ করার আগে, বাড়ির মালিকদের কিছু নিয়ম জানিয়ে দেওয়া হয় নিয়োগকারী কোম্পানির তরফ থেকে। যেখানে নারীদের সঙ্গে কথা বলা এবং তাদের দূর থেকে দেখার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে শরীর স্পর্শ করা নিষেধ।
এই ধরনের কাজ করেন যে সকল নারী, তাদের আশা খুব তাড়াতাড়ি এই পেশাকে মুখ্য ধারায় নিয়ে আসার প্রচেষ্টা শুরু হবে ৷ যে কোম্পানির হয়ে তিনি কাজ করেন তাদের মতে, পোশাকহীন অবস্থায় কাজ করার পদ্ধতিটি বেশ অভিনব এবং আকর্ষনীয়ও বটে ৷ তবে এই পেশা নিয়ে বেশ কিছু বিবাদও ঘটেছিল ৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেম করছেন শাকিব-শ্রাবন্তী

বিনোদনের খবর: কলকাতার গণমাধ্যমে সরগরম শাকিব খান ও শ্রাবন্তী নাকি প্রেম করছেন। এছাড়া টলিউড তারকাদের খুনসুটিতেও সহকর্মীরা নাকি শ্রাবন্তীকে ‘শ্রাবন্তী খান’ বলেই টিপ্পনী কাটেন। যদিও এসব গল্প প্রকাশ্যে এলেই শাকিব-শ্রাবন্তীরা ‘স্রেফ গুজব’ বলে এড়িয়ে যান।
কিন্তু কলকাতার বেশকিছু দৈনিক ও পাক্ষিকে যখন এ নিয়ে লেখালেখি চলছে তখন আর রাখঢাকে নেই। তবে এ ব্যাপারে শাকিব খান একেবারেই চুপ!
শাকিব খান বলেন, ‘দেখুন, কাজ করতে গেলে একটু-আধটু প্রেমের কথা রটবেই। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে বিষয়টিকে সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই। এটা বলিউডেও হয়।’
কিন্তু বলে রাখা ভালো বলিউডে বেশকিছু প্রেমের গল্প তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু তা ওই নায়ক-নায়িকার কোনো ছবি রিলিজের আগে। সেক্ষেত্রে সম্প্রতি শাকিব খান-শ্রাবন্তীর খুব সহসা নতুন কোনো চলচ্চিত্রের খবর নেই!
কিন্তু শাকিব-শ্রাবন্তীর এই নতুন গুঞ্জনের কারণ কী? আর শোবিজে যা রটে তার যে কিছু ঘটে, বারবার তার প্রমাণ পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, শাকিব খান অপু বিশ্বাসের সাথে বিচ্ছেদের পর যেমন সিঙ্গেল রয়েছেন। ঠিক তেমনি একটি নয়, দুটি বিয়ে-সংসার বিচ্ছেদের পর শ্রাবন্তীও এখন সিঙ্গেল। এছাড়া ফেসবুক লাইভেও শাকিব-শ্রাবন্তী একে অপরকে সিঙ্গেল বলে মজা করেন। জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে টলিউডে এখন অবধি শাকিব-শ্রাবন্তী জুটিটাই নাকি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। নিজেদের মানসিক রসায়ন গভীর বলেই হয়তো এই সাফল্য সম্ভব!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোদির রাফাল কেলেংকারি ফাঁস

বিদেশের খবর: ফ্রান্স থেকে রাফাল যুদ্ধবিমান ক্রয় চুক্তি নিয়ে বড় কেলেংকারিতে জড়িয়ে পড়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার।
চুক্তির অধীনে ৩৬টি যুদ্ধবিমান ক্রয় করা হবে। ৯০টি যুদ্ধিবিমান ভারতের মাটিতেই উৎপাদন করা হবে। কিন্তু এ চুক্তিতে সরকার বড় অনিয়ম করেছে।
সম্প্রতি এ খবর ফাঁস হয়ে গেছে। দুই-দুইবার করে করা হয়েছে এই চুক্তি। সেটা ভারতের কোম্পানি রিলায়েন্সের মালিক আম্বানি গোষ্ঠীর স্বার্থেই।
অনিল আম্বানির ভুঁইফোঁড় সংস্থা রিলায়েন্স ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজকে কাজ পাইয়ে দিতে পুরনো চুক্তি বাতিল করে নতুন চুক্তি করা হয়। খোদ সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলান্দ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফলে এ কেলেংকারি থেকে বাঁচার আর কোনো পথই খোলা নেই মোদি সরকারের সামনে। চুক্তি নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করে আসছিলেন প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধীও।
৫৮ হাজার কোটি টাকার রাফাল চুক্তি নিয়ে ওলান্দ আসল খবর ফাঁস করে দেয়ায় ভারতের রাজনীতিতে স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে ঝড় শুরু হয়েছে। ওলান্দের বক্তব্যের পর তিনি বলেছেন, রাফাল চুক্তির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাহিনীর ওপর ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালিয়েছেন মোদি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাইজেরিয়ায় কলেরা মহামারিতে ৯৭ জনের মৃত্যু

বিদেশের খবর: নাইজেরিয়ায় কলেরা মহামারিতে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার জাতিসংঘের কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ওসিএইচএ) এ তথ্য জানিয়েছে।
ওসিএইচএ জানায়, নাইজেরিয়ার ইয়োব এবং বর্নো রাজ্যে তিন হাজার ১২৬টি কলেরা সংক্রমণের রেকর্ড লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জাতিসংঘ বলছে, শুধু গত দুই সপ্তাহেই দেশটির উত্তর পূর্বাঞ্চলে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় শখানেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সপ্তাহ আগে বর্নো রাজ্যে এই কলেরা সংক্রমণের খবরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নাইজেরিয়ার লেক শাদ এলাকায় ২০১৮ সালে ৫০০-এরও বেশি মানুষ কলেরা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গত চার বছরের মধ্যে এটাই অঞ্চলটিতে কলেরার সবচেয়ে বড় সংক্রমণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম নগরে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানা এলাকায় ‘দি কিং অব চিটাগং’ ক্লাবের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- প্রাইভেটকার যাত্রী মো. ফারদিন (১৮) নাসিরাবাদ বাটাগলি এলাকার আবুল বশর মিলনের ছেলে ও অটোরিকশাচালক মো. হানিফ (৪০) হালিশহরের ব্রিকফিল্ড এলাকার মো. মুস্তফার ছেলে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, শনিবার দিবাগত রাতে পাহাড়চূড়ার ওই ক্লাবের সামনে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাইভেটকারে থাকা ফারদিন ও অটোচালক হানিফ গুরুতর আহত হন।
তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রোববার ভোরে চিকিৎসাধীন থেকে তাদের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে ৬ ভুলের কারণে নষ্ট হতে পারে কিডনি

স্বাস্থ্য কণিকা: কিডনি আমাদের শরীরের অন্যতম একটি ভাইটাল অরগান বা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, কিডনি বিকল হলে মৃত্যু নিশ্চিত। তাই কিডনি নিয়ে একটু সচেতনতা দরকার। মানবদেহে কোমরের দু’পাশে দুটি কিডনি থাকে। নানা কারণে আমাদের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি কিডনি বিকল পর্যন্ত হতে পারে। আজ জেনে নেই, যে ৬ টি ভুলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে কিডনি-

১. মদ্যপান কিডনির জন্য সব চাইতে বেশি ক্ষতিকর। অ্যালকোহল কিডনি আমাদের দেহ থেকে সঠিক নিয়মে নিষ্কাশন করতে পারে না। ফলে এটি কিডনির মধ্যে থেকেই কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে কিডনি নষ্ট করে দেয়। অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক রোগে আক্তান্ত হন অনেকেই। এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। তাই মদ্যপান থেকে দূরে থাকুন।

২. কিডনির সুরক্ষার জন্য সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পানি। আমরা অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করি না। এতে ক্ষতি হয় কিডনির। বাড়ি থেকে বাইরে বের হলেই অনেকের পানি পানের কথা মনে থাকে না। কিন্তু এতে কিডনির ওপর অনেক বেশি পরিমাণে চাপ পড়ে এবং কিডনি তার সাধারণ কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ৬-৮ গ্লাস পানি পান করা অত্যন্ত জরুরী। তাই সাথে সব সময় পানির বোতল রাখুন।

৩. অনেকের বাড়তি লবণ খাওয়ার বাজে অভ্যাস রয়েছে। খেতে বসে প্লেটে আলাদা করে লবণ নিয়ে খান অনেকেই। কিন্তু এই অনিয়মটির কারণে অনেক বেশি ক্ষতি হচ্ছে কিডনির। কিডনি অতিরিক্ত সোডিয়াম আমাদের দেহ থেকে নিষ্কাশন করতে পারে না। ফলে বাড়তি লবণের সোডিয়ামটুকু রয়ে যায় কিডনিতেই। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় কিডনি। এমনকি, কিডনি ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

৪. অনেকেই সামান্য ব্যথা পেলেই ব্যথানাশক ঔষধ খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে মাথাব্যথার কারণে অনেকেই এই কাজটি করে থাকেন। কিন্তু এটি কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর একটি কাজ। অতিরিক্ত মাত্রায় এই ধরণের ব্যথানাশক ঔষধ কিডনির কোষগুলোর মারাত্মক ক্ষতি করে। এতে পুরোপুরি ড্যামেজ হয়ে যায় কিডনি। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ভুলেও কোনো ব্যথানাশক ঔষধ খাবেন না।

৫. অনেকের একটি বড় বাজে অভ্যাস রয়েছে যা হলো মাংসের প্রতি আসক্ততা। অনেকেই শাকসবজি ও মাছ বাদ দিয়ে শুধু মাংসের উপর নির্ভরশীল থাকেন। এই অনিয়মটিও কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কিডনির সুরক্ষার জন্য মাছ ও শাকসবজি অনেক বেশি জরুরী। অতিরিক্ত মাংস খাওয়া কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই খাদ্যাভ্যাসটা ঠিক করুন

৬. ঘরের বাইরে বের হলে অনেকেই এই কাজটি করে থাকেন। মনে করেন কিছুটা সময় প্রস্রাব আটকে রাখলে তেমন কোন ক্ষতি হবে না। আপাত দৃষ্টিতে এর ক্ষতির মাত্রা ধরা না পরলেও এটি কিডনিকে নষ্ট করে দেয় খুব দ্রুত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরঞ্জামের অভাবে খুঁড়িয়ে চলছে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট

অনলাইন ডেস্ক: প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবসহ নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে খুঁড়িয়ে চলছে পুলিশের বিশেষ শাখা ‘অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট’। বছর পার হয়ে গেলেও সন্ত্রাস ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড নির্মূল এবং প্রতিরোধে গঠিত ইউনিটটি এখনও পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারেনি। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নীতি থাকলেও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সহযোগিতায় কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে জঙ্গিবাদ নির্মূলে গঠিত বিশেষ এ ইউনিটকে। ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে এখনও টেন্ডার আহ্বান করেনি পুলিশ সদর দফতর।

অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা বলছেন, ইউনিটের অর্গানোগ্রাম ও জনবল নিয়োগ সম্পন্ন না হলেও তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তবে পুরোদমে কাজ শুরু করতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে টেন্ডার আহ্বান করার জন্য পুলিশ সদর দফতরে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটি) দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বলেন, জঙ্গিবাদ বিরোধী অভিযান কিংবা অপারেশনে যেতে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা পুরোপুরি প্রস্তুত। রাজধানীর বারিধারার বি ব্লকের ৩৫ নম্বর বাড়িটি এই বিশেষ শাখার কার্যালয়। কিন্তু অপরাধ দমনে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম হাতে না পাওয়ায়, স্বতন্ত্রভাবে অপারেশন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। জঙ্গি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের কাজে এখন প্রযুক্তির সহায়তা অপরিহার্য। তাই সেই প্রযুক্তিগত সরঞ্জামগুলোর জন্য যে টেন্ডার করতে হয় সেটা প্রক্রিয়াধীন আছে। অর্থমূল্য অনেক বেশি হওয়ায় এসব সরঞ্জামের টেন্ডার আহ্বান এখনও প্রক্রিয়াধীন।

ইউনিটের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘প্রযুক্তিগত সরঞ্জামগুলোর একটি অংশ ইউনিটের জন্য, অন্য অংশ হচ্ছে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) জন্য। এনটিএমসি থেকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলো মনিটরিং করা হয়। এরইমধ্যে মনিটরিং সেন্টারের তালিকাভুক্ত হয়েছে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট।সেখানে প্রবেশাধিকারের অনুমতি আমরা পেয়েছি। অন্যদিকে, ইউনিটের ভেতরে যে এলআইসি (ল’ফুল ইন্টারসেপশন সেল) শাখা হবে সেটার টেকনিক্যাল সরঞ্জামগুলো কেনার জন্য টেন্ডার করার বিষয়টি পাইপ লাইনে আছে।’

তিনি বলেন, ‘ইউনিটের সব পর্যায়ের সদস্যদের প্রশিক্ষণ চলছে। দেশের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতেও অনেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষ হলে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তাদের দিতে হবে। নিজস্ব সরঞ্জামের অভাবে এখন সরাসরি অপারেশনে যাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ সদর দফতরের এলআইসির মাধ্যমে এখন এই ইউনিট কাজ করছে।’

অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট সূত্র আরও জানায়, সারাদেশে এখনও ইউনিটের স্থানীয় অফিস করা যায়নি। শুধুমাত্র জঙ্গি বিষয়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালানোর জন্য ঢাকা থেকেই সাদা পোশাকে অফিসার পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্নস্থানে। ঢাকা মহানগর পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সিটিটিসি জঙ্গি কার্যক্রমের বাইরেও কিছু কাজ করে। কিন্তু অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট শুধুমাত্র জঙ্গি নিয়েই কাজ করবে। জঙ্গির বাইরে কোনও কাজে এই ইউনিট ব্যবহার করা হবে না।

গত বছরের (২০১৭) ডিসেম্বর থেকে কয়েকটি ছোট অপারেশনে টেরোরিজম ইউনিট অংশ নিয়েছে। বর্তমানে পুলিশ সদর দফতরের এলআইসির সঙ্গে কাজ করছে তারা। এছাড়া, বগুড়া ও মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের সঙ্গেও কিছু অপারেশন চালিযেছে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট। এলআইসি শাখার কাজ শেষ হলেই পুরোদমে অপারেশনে যেতে পারবে এই ইউনিট।

ইউনিটের জনবল কাঠামো ৫৮১ জনের। এরমধ্যে প্রায় ৪৫০ জনের মতো নিয়োগ হয়েছে। ইউনিটের প্রধান হিসেবে একজন অ্যাডিশনাল আইজি, একজন ডিআইজি, দু’জন অতিরিক্ত ডিআইজি, পাঁচ জন এসপি, ১০ জন অ্যাডিশনাল এসপিকে পদায়ন করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ১২ জন এখনও পুরোপুরি পদায়ন হয়নি। ৭৫ জন পরিদর্শককে পদায়ন করা হয়েছে। ১২৫ জন উপ-পরিদর্শকের মধ্যে এখনও কিছু নিয়োগ বাকি আছে। কনস্টেবলসহ অন্যান্য পদবীতেও পদায়ন পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি।

অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের ইকুইপমেন্ট ক্রয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কিনা জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের ইকুইপমেন্ট শাখার এআইজি তানভীর মমতাজ বলেন, ‘শুধুমাত্র অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের জন্যেই নয়। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম কেনার বিষয়টি চলমান প্রক্রিয়া।’

জঙ্গি প্রতিরোধ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলছিলেন, ‘আগে জঙ্গি প্রতিরোধ নিয়ে বেশি কাজ করতো র‌্যাব। ২০১৩ সাল থেকে ধারাবাহিক টার্গেট কিলিং এবং ২০১৫ সালে এসে তার ব্যাপকতা বেড়ে যাওয়ায় ২০১৬ সালের শুরুর দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) নামে একটি নতুন ইউনিট গঠন করা হয়। এই ইউনিট শুধু আইজিপির নির্দেশেই ঢাকার বাইরে অপারেশনে যেতে পারে। সেজন্য অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট গঠন করা হয়। সিটিটিসিও অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের অধীনেই কাজ করবে।’

অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট এরইমধ্যে অপারেশনাল কাজ শুরু করেছে। সরঞ্জাম কিছু আছে। কাজের পরিধির সঙ্গে সরঞ্জামের পরিমাণ আরও বাড়বে।’

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সংসদে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশের জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে দেশ থেকে জঙ্গি নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। এই জঙ্গি কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূল ও প্রতিরোধে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট গঠন করা হয়েছে। জঙ্গি দমনে সরকারের সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও নতুন নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest