সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে দ. আফ্রিকার বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার জয়

খেলার খবর: ওয়ানডে সিরিজ হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একমাত্র টি-টোয়েন্টিও জিতে নিয়েছে লঙ্কানরা। কলম্বোয় উত্তেজনা ছড়ানো কুড়ি ওভারের ম্যাচটি স্বাগতিকরা জিতেছে ৩ উইকেটে।

প্রোটিয়াদের দাঁড়াতেই দেয়নি শ্রীলঙ্কা। স্বাগতিকদের স্পিন বিষে নীল হয়েছে সফরকারীরা। লাকশান সান্দাকান (৩/১৯), আকিলা ধনাঞ্জয়া (২/১৫) ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার (২/২২) ঘূর্ণির সামনে ১৬.৪ ওভারে তারা অলআউট মাত্র ৯৮ রানে। সহজ এই লক্ষ্যটাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল স্বাগতিকদের। যদিও শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে লঙ্কানরা।

টস জিতে ব্যাটিং নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন হাশিম আমলা। কুইন্টন ডি ককের শুরুটা ভালো হলেও দুঃখজনক রান আউটে থামেন ১১ রানে। ৩০ রানে ২ উইকেট হারানো দলকে টেনে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন অধিনায়ক জেপি দুমিনি। ফাফ দু প্লেসি না থাকায় অধিনায়কের দায়িত্ব পেলেও ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। মাত্র ৩ রান করে আউট হয়ে দলের বিপদ আরও বাড়িয়ে যান এই ব্যাটসম্যান।

রেজা হেনড্রিকস আশা জাগিয়েও ফেরেন ১৯ রান করে। হেনরিখ ক্লাসেন (১৮) ও ডেভিড মিলারও (১৪) লম্বা করতে পারেননি ইনিংস। লোয়ার অর্ডারেও ব্যর্থতার মিছিল সচল থাকলে মাত্র ৯৮ রানে ‍গুটিয়ে যায় প্রোটিয়ারা।

সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটাও ছিল নড়বড়ে। ৬ রানের মধ্যে স্বাগতিকরা হারায় দুই ওপেনার কুশল পেরেরা (৩) ও কুশল মেন্ডিসকে (১)। শুরুর ধাক্কা অবশ্য ভালোভাবেই কাটিয়ে ওঠে তারা দিনেশ চান্ডিমাল ও ধনাঞ্জয় ডি সিলভার ব্যাটে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেন গুরুত্বপূর্ণ ৫৩ রান।

এই জুটিটাই আসলে গড়ে দেয় জয়ের পথ। যদিও ডি সিলভা ২৬ বলে ৩১ রান করে আউট হওয়ার পর অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ শূন্য রানে ফিরে গেলে আবার এলোমেলো শ্রীলঙ্কা। দাসুন শানাকা (১৬), থিসারা পেরেরা (০) ও আকিলা ধনাঞ্জয়া (২) আউট হওয়ার হলে হারের আশঙ্কাও জন্মেছিল স্বাগতিকদের। তবে ক্রিজে দিনেশ চান্ডিমাল থাকায় সেটা আর হয়নি। ৩৩ বলে হার না মানা ৩৬ রানের ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন তিনি।

জিততে না পারলেও বল হাতে দিনটা খারাপ কাটেনি প্রোটিয়া বোলারদের। কাগিসো রাবাদা, তাবরেজ শামসি ও জুনিয়র ডালা প্রত্যেকে নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। আর ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। ক্রিকইনফো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাবি ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গেল ডিবি

শিক্ষা সংবাদ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি নামে কোটা সংস্কার আন্দোলনে যুক্ত এক ছাত্রীকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে তুলে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেয়া হয়েছে। আমরা বিষয়টি অবহিত আছি।’

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলের সামনে থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

ইমি ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয়কর্মী ছিলেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি। আন্দোলনে তিনি কোটা সংস্কারের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে অনন্য রেকর্ড শুধু বঙ্গবন্ধু পরিবারেরই

খেলার খবর: ফুটবলে প্রতিটি পজিশনই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু স্ট্রাইকারদের কদরই আলাদা। স্ট্রাইকার পজিশনে খেলে অসংখ্য মনোমুগ্ধকর গোল করে উপমহাদেশে বিখ্যাত হন সামাদ। পরবর্তীতে তিনি জাদুকর সামাদ বলেই পরিচিত হয়ে উঠেন। পেলে ও ম্যারাডোনা স্ট্রাইকার পজিশনে খেলেই দুনিয়ার সেরা ফুটবলার হন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফুটবলার ছিলেন তা কারোর অজানা নয়। তখনকার বিখ্যাত ক্লাব ওয়ান্ডারার্সের নিয়মিত ফুটবলার ছিলেন। ১৯৪১ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত তিনি এই ঐতিহ্যবাহী দলের সাদা-কালো জার্সি পরেই মাঠে নেমেছিলেন। অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন।

ফুটবলার বঙ্গবন্ধু পরিচিত হলেও মাঠে তার পজিশন বা পারফরম্যান্স কেমন ছিল তা অনেকেরই জানা নেই। বঙ্গবন্ধু খেলতেন স্ট্রাইকার পজিশনে। তিনি প্রতিপক্ষদের আতঙ্ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু বল পাওয়া মানেই নিশ্চিত গোল। তার শর্টে এতটা পাওয়ার ছিল যে গোল পোস্টের জাল অনেক সময় ছিঁড়ে যেত। হ্যাটট্রিকও করেছেন বেশ কটি ম্যাচে। ঢাকা প্রথম বিভাগ লিগের যাত্রা হয় ১৯৪৮ সালে। রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকায় বঙ্গবন্ধুর লিগ খেলা সম্ভব হয়নি। তার আগে অসংখ্য টুর্নামেন্ট খেলেছেন। চল্লিশ দশকে বগুড়ায় অনুষ্ঠিত এক জনপ্রিয় টুর্নামেন্টে বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বে ওয়ান্ডারার্স অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়। ওই ম্যাচে ফাইনালে ওয়ান্ডারার্স ৫-০ গোলে জয়ী হয়। তখনকার সত্তর মিনিটের ম্যাচে প্রথমার্ধেই বঙ্গবন্ধুর দেওয়া অসাধারণ ২ গোলে ওয়াল্ডারার্স এগিয়ে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি গোল হয় তার নিখুঁত পাসে। টুর্নামেন্টে সেরা ফুটবলারদের পুরস্কার পান বঙ্গবন্ধু। ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ১০ ও ৯ নম্বর জার্সি পরে খেলতেন বঙ্গবন্ধু।

কিশোর বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধু ছিলেন ফুটবলে পারদর্শী। কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে পড়া অবস্থায় তিনি কলকাতার বিখ্যাত দুই ক্লাব এরিয়ান্স ও মোহামেডানে খেলার অফার পেয়েছিলেন। কিন্তু সেই অফার গ্রহণ করেননি। দেশে ফিরে তিনি ঢাকার একটি শৌখিন ক্লাব পরবর্তীতে ওয়ান্ডারার্সে যোগ দেন। সাবেক খ্যাতনামা ফুটবলার গজনবী বঙ্গবন্ধুর খেলা নিজ চোখে দেখেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন রাজনীতিতে ব্যস্ততার কারণে বঙ্গবন্ধু বেশিদিন খেলতে পারেননি। যদি খেলতেন তিনি চল্লিশ দশকে এশিয়ার অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হতে পারতেন।

বাবা ছিলেন তারকা ফুটবলার। যা অনুপ্রেরণা জোগায় দুই ছেলে শেখ কামাল ও শেখ জামালকে। কামাল ফুটবলে সেভাবে খ্যাতি না পেলেও ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল খেলে দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন ওয়ান্ডারার্সের তুখোড় ফুটবলার। ছেলে কামাল ছিলেন সেই দলের তারকা বাস্কেটবল খেলোয়াড়। ১৯৭৩ ও ১৯৭৪ সালে ওয়ান্ডারার্স লিগ জয়ের পেছনে কামালের অবদান স্মরণীয় হয়ে আছে। মহসীন স্মৃতি ট্রফি জিতে কামালের নেতৃত্বে। ক্রিকেটে অফ স্পিনার হিসেবে সত্তর দশকে তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে ক্রীড়াঙ্গনে। খেলেছেন কলাবাগান ও আবাহনীতে। দেশের প্রতিষ্ঠিত ক্লাব ঢাকা আবাহনী ক্রীড়া চক্রের (বর্তমান আবাহনী লিমিটেড) প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামালই। ১৯৭২ সালে ক্রীড়াঙ্গনে এই ক্লাবের অভিষেক হলেও ফুটবল, ক্রিকেট ও হকিতে সর্বোচ্চ লিগ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে।

শেখ জামালও খেলেছেন ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স। ক্রীড়াঙ্গনে দুই ভাইয়ের ছিল অসম্ভব রকম প্রতিযোগিতা। শেখ কামাল আবাহনী গড়ার পর শেখ জামাল ১৯৭৪ সালে ঐতিহ্যবাহী আজাদ স্পোর্টিংয়ের ফুটবলে শক্তিশালী দল গড়েন। জামালের অফারে সাড়া দিয়ে অসংখ্য তারকা ফুটবলার সেবার যোগ দিয়েছিলেন আজাদে। শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল খুকি ছিলেন দেশের খ্যাতনামা অ্যাথলেট। ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান অলিম্পিক গেমসে লং জ্যাম্পে নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন সুলতানা। ১৯৭০ সালে অল পাকিস্তান অ্যাথলেটিক্সে লং জ্যাম্পে চ্যাম্পিয়ন হন সুলতানা। তখনও সুলতানা বঙ্গবন্ধুর পুত্রবধূ হননি। ১৯৭৩ সালে স্বাধীনতার পর প্রথম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার হার্ডলসে সোনা জেতেন সুলতানা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাথলেটিকসে প্রথম নারী ব্লু পাওয়ার কৃতিত্ব সুলতানারই।

বঙ্গবন্ধু নিজে ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। দুই ছেলে কামাল ও জামাল এবং পুত্রবধূ সুলতানাও ছিলেন ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত মুখ। পৃথিবীতে এক পরিবারের বাপ-ছেলের খেলোয়াড় হওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু কোনো দেশের স্থপতি বা জাতির জনকের এক পরিবারে এতজন খেলাধুলার সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন এই রেকর্ড শুধু বঙ্গবন্ধু পরিবারেরই।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টুর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর মধুর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে তিনি জানালেন, ‘ফুটবলার পিন্টু হিসেবে দেশ জুড়ে যে পরিচয়টা পেয়েছি তার পেছনে বড় অবদান বঙ্গবন্ধুরই। সোজা কথা বলব আমি ফুটবলার হতে পেরেছি বঙ্গবন্ধুর কারণেই। ১৯৫৬ সালে আমি তখন পিরোজপুরে নবম শ্রেণিতে পড়ি। বঙ্গবন্ধু এসেছিলেন রাজনীতি সফরে। আমিই তখন বঙ্গবন্ধুর কাছে অনুরোধ করি আপনি যখন এসেছেন আমাদের একটা ম্যাচ দেখে যেতে হবে। বঙ্গবন্ধু বললেন ঠিক আছে তোরা খেলার ব্যবস্থা কর।’

পিন্টু সেই মধুর স্মৃতিচারণে বললেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে প্রধান অতিথি করে আমরা স্কুলে প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করি। আমি ছিলাম স্কুল দলের ক্যাপ্টেন। প্রতিপক্ষ অফিসার্স ক্লাবের অধিনায়ক ছিলেন আমার বাবা ডা. নজিব উদ্দিন আহমেদ। বঙ্গবন্ধু দুই দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হয়েই বললেন, দেখি বাপ-বেটার লড়াইয়ে কে জিতে? ম্যাচে আমারই দেওয়া ২ গোলে স্কুল দল চ্যাম্পিয়ন হয়। পুরস্কার দেওয়ার আগে বাবাকে কাছে ডেকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু বললেন আগে আমাকে কথা দিতে হবে। তারপর পুরস্কার দেব। বঙ্গবন্ধু বললেন আপনি আপনার ছেলেকে চিকিৎসক করতে চান। আমি বলব চিকিৎসক না হয়ে পিন্টুকে ফুটবল খেলতে দিন। আমি নিশ্চিত ও একদিন দেশের নামকরা ফুটবলার হবে। বাবা বঙ্গবন্ধু কথা দিলেন আপনি যা চাইছেন তাই হবে।’

পিন্টু জানালেন, ‘১৯৭৩ সালে মারদেকা গোল্ডকাপ খেলতে মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে গণভবনে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাই। সেখানে আমাকে দেখেই বললেন কিরে পিন্টু বলেছিলাম না তুই নামকরা ফুটবলার হবি। দেখলিতো তুই হয়ে গেলি বাংলাদেশ দলের প্রথম অধিনায়ক। বঙ্গবন্ধুর সেই কথা এখনো কানে বাজে। একজন মহান নেতা ফুটবলকে যে কতটা ভালো বাসতেন তা বলে শেষ করতে পারব না। কি খেলা পাগল পরিবার, নিজে ছিলেন ফুটবলার। দুই ছেলে খেলেছেন। পুত্রবধূ ছিলেন খ্যাতনামা অ্যাথলেট। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও খেলা পাগল। অথচ আফসোস এরপরও দেশের ফুটবলে কি নাজুক অবস্থা।’-

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাঙালির বেদনাবিধুর শোকের দিন আজ

দেশের খবর: আজ সেই কলঙ্কময় দিন। শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। ইতিহাসের বেদনাবিধুর ও বিভীষিকাময় একদিন। ১৯৭৫ সালের এই দিন প্রত্যুষে ঘটেছিল ইতিহাসের সেই কলঙ্কজনক ঘটনা। সেনাবাহিনীর কিছু উচ্ছৃঙ্খল ও বিপথগামী সৈনিকের হাতে সপরিবারে প্রাণ দিয়েছিলেন বাঙালির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সন্তান, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। এছাড়া এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে আরিফ, ভাগ্নি বেবি, ভাগ্নে যুবনেতা, সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, ভাগ্নের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৭ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান। ওই সময় স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে জার্মানিতে সন্তানসহ অবস্থান করছিলেন শেখ হাসিনা। শেখ রেহানাও ছিলেন বড় বোনের সঙ্গে।

রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে আজ পালিত হবে জাতির জনকের ৪১তম শাহাদাতবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

সেদিন যা ঘটেছিল

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রত্যুষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে কাপুরুষোচিত আক্রমণ চালায় ঘাতক দল। সেই নারকীয় হামলার পর দেখা গেছে, ভবনটির প্রতিটি তলার দেয়াল, জানালার কাচ, মেঝে ও ছাদে রক্ত, মগজ ও হাড়ের গুঁড় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। গুলির আঘাতে দেয়ালও ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। চারপাশে রক্তের সাগরের মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল ঘরের জিনিসপত্র। প্রথমতলার সিঁড়ির মাঝখানে নিথর পড়ে আছেন চেক লুঙ্গি ও সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত স্বাধীনতার মহানায়ক, জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মরদেহ। তার তলপেট ও বুক ছিল বুলেটে ঝাঁঝরা। পাশেই পড়েছিল তার ভাঙা চশমা ও অতিপ্রিয় তামাকের পাইপটি।

অভ্যর্থনা কক্ষে শেখ কামাল, মূল বেডরুমের সামনে বেগম মুজিব, বেডরুমে সুলতানা কামাল, শেখ জামাল, রোজি জামাল, নিচতলার সিঁড়ি সংলগ্ন বাথরুমে শেখ নাসের এবং মূল বেডরুমে দুই ভাবির ঠিক মাঝখানে বুলেটে ক্ষত-বিক্ষত রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিল ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলের মরদেহ। লুঙ্গিতে জড়ানো শিশু রাসেলের রক্তভেজা মরদেহ দেখে খুনিদের প্রতি চরম ঘৃণা-ধিক্কার জানানোর ভাষা খুঁজে পান না মানবতাবাদী বিশ্বের কোনো মানুষ। এভাবেই নারকীয় পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।

কর্মসূচি

আজ সরকারি ছুটির দিন। সরকারি কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৫ আগস্ট সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসহ বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা। এছাড়া আলোচনা সভা। সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন এবং সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে। এছাড়া ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত হবে। পরে ঢাকার বনানী কবরস্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির জনকের পরিবারের শাহাদতবরণকারী সদস্য ও অন্য শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া করবেন।

সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এ ছাড়া সেখানে ফাতেহা পাঠ, সশস্ত্র বাহিনীর গার্ড অব অনার প্রদান এবং মোনাজাত হবে। পাশাপাশি সমাধিস্থলে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, অধিদফতর ও সংস্থা স্ব স্ব কর্মসূচি পালন করবে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সারাদেশে মসজিদগুলোতে বাদ জোহর বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডায় সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে ক্রোড়পত্র প্রকাশ, পোস্টার মুদ্রণ ও বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রোথ সেন্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতীয় শোক দিবসের পোস্টার লাগানো। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিশু একাডেমি এবং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক বক্তৃতার আয়োজন করবে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তারা কর্মসূচি পালন করবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনকের সমাধিস্থলে এবং ঢাকায় ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা। দেশের সব সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি পালন করবে।

তথ্য মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সংস্থা এবং দফতরের মাধ্যমে জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আলোকচিত্র প্রদর্শনী, নিরীক্ষা, সচিত্র বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ কোয়ার্টারলির বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ, স্মরণিকা ও বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশ, আলোচনা সভা। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থ দুটির পাঠ আগস্টব্যাপী প্রচারের ব্যবস্থা করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন।

আওয়ামী লীগের দুদিনব্যাপী কর্মসূচি

আওয়ামী লীগের দুদিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৫ আগস্ট সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সংগঠনের সবস্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে ৬টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল সাড়ে ৭টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল। সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। এতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পক্ষে জাতীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

প্রথম দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বাদ জোহর দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবংং সুবিধামতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা ও উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা। ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড, পাড়া ও মহল্লায় দুপুরে অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে। বাদ আসর বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।

শোক দিবসের পরের দিন বিকেল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে দলটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আলোচনা সভা

 

জাতির জনক জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল কাদের, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জিব কুমার দাশ প্রমুখ।
এসময় প্রধান অতিথি বলেন, আগস্ট মাস বাঙালি জাতির জন্য শোকের। এই দিনে বাঙালি জাতি পিতা শেখ মুজিবকে হারিয়েছিলো। সেই মহান নেতাকে আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন শেখ মুজিব বাঙালির হৃদয়ে থাকবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬দফ দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রমৈত্রীর ছাত্রসমাবেশ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী’র কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র মৈত্রী ৬ দফা দাবিতে ছাত্রসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত ছাত্রসমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ সম্পাদক অদিতি আদৃতা সৃষ্টি, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি হোসেন বেলাল এবং রাজনৈতিক, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক সাকিব মোড়ল।

৬ দফা দাবি গুলো হলো –

চলতি বছরেই সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজের হল- হোস্টেল সকল শিক্ষার্থীদের জন্য সিট নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে নতুন নতুন হল নির্মাণ করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে সকল স্তরে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। কোচিং-গাইড বানিজ্য বন্ধে শিক্ষা আইন কার্যকর করতে হবে। সকল প্রকার বর্ধিত ফি-ডোনেশন প্রথা বাতিল করতে হবে। অবিলম্বে ডাকসুসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে। শিক্ষা খাতে জাতীয় আয়ের ৮ ভাগ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করতে হবে। সড়ক আইনের মাধ্যমে গণপরিবহনে চলমান নৈরাজ্য প্রতিহত করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সিটিং সার্ভিসের নামে যাত্রী হয়রানি বন্ধ করাসহ সকল গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নিশ্চিত করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাঁকালে পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শহরের বাঁকালে ১৪৫ ধারা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাঁকাল পূর্বপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী জমির মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, রামদেবপুর মৌজায় এস এ খতিয়ান নং-৮৩, দাগ নং- ১৪২৬, ১৪২৫, ১৩৬৬ দাগে আমার পিতার নামীয় জমির পরিমাণ ২৭ শতক সম্পত্তি রয়েছে। যা দীর্ঘদিন ধরে আমরা ৫ ভাই ও ৪ বোন যৌথভাবে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি বাঁকাল পূর্বপাড়া এলাকার মৃত আলকাজ সরদারের পুত্র আব্দুল আলিম ওই সম্পত্তি তার পাশ্ববর্তী হওয়ায় গায়ের জোরে দখলের চেষ্টা চালাতে থাকে এবং আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। বর্তমান মাঠ জরিপ, প্রিন্ট পর্চাসহ সকল কাগজপত্র আমাদের পক্ষে রয়েছে। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। আদালত মামলটি আমলে নিয়ে উক্ত ১৪৫ ধারা জারি পুর্বক স্থানে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সাতক্ষীরা সদর থানাকে নির্দেশ দেন এবং আব্দুল আলিমকে আদালতে উপস্থিত হয়ে দখলের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য পেশ করার নির্দেশ দেন।
সে অনুযায়ী সাতক্ষীরা সদর থানার এস আই মিজানুর রহমান আব্দুল আলিমকে গত ২২ জুলাই’১৮ তারিখে- নোটিশ দেন। এসময় আলিম ওই নোটিশে স্বাক্ষরও করেন। কিন্তু ১৪ আগস্ট সকালে আদালতের ওই নিষেধাজ্ঞা না মেনে একই এলাকার মৃত জেহের আলীর ছেলে আব্দুল জলিল, হামজার আলীর ছেলে জামাল উদ্দীনসহ ২০/২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল নিয়ে দখলের উদ্দেশ্যে ওই সম্পত্তিতে প্রবেশ করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে তারা ধারালো অস্ত্র উচিয়ে করে আমাদের হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এসময় তারা ওই সম্পত্তিতে বাঁশখুটি পুতে চলে যায়। আমরা বর্তমানে ওই দখলদার আলিম গংয়ের কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যে কোন সময় সেখানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে বলে আমরা ধারনা করছি। আমরা ওই দখলদার আলিম গংয়ের কাছ থেকে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার পৌর মেয়র আক্তারুল বরখাস্ত

কলারোয়া প্রতিনিধিঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে হামলা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পৌরসভার মেয়র আকতারুল ইসলাকে পৌরসভা থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি কলারোয়া পৌরসভায় এসে পৌঁছেছে।

জানা গেছে, কলারোয়া পৌরসভার মেয়র আকতারুল ইসলাম বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামী। তিনি দীর্ঘ দিন পৌর সভায় আসেন না। তিনি পৌর সভায় না আসায় পৌরসভার সকল কার্যক্রম বন্ধ হবার উপক্রম হয়ে পড়েছে। বিষয়টি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে অবগতি করার পর গত ৮ আগষ্ট-২০১৮ তারিখে পৌর আইনের-২০০৯ এর ৩১ ধারা এর উপ-ধারা (১) এপ্রদত্ত ক্ষমতাবলে কলারোয়া পৌরসভার মেয়র আকতারুল ইসলামকে পৌরসভার মেয়রের পদ হতে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়। সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে উপসচিব ফারজানা মান্নান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যার স্বারক নং-পৌর-২/৪৬, ০০, ০০০০, ০৬৪, ৩২, ১৪০, ১৬, ৯০৭। প্রসঙ্গত: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা ও গুলিবর্ষণ করে। এঘটনায় দায়ের করা মামলায় কলারোয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কলারোয়া পৌরসভার মেয়র আক্তারুল ইসলাম চার্জশীটভুক্ত ০৯নং আসামী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest