সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণ

সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ৬১

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপি-জামায়াতের ৮ নেতা-কর্মী ও ২ মাদক মামলার আসামীসহ ৬১ জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ইয়াবা ও হেরোইনসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।
রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৭ জন, কলারোয়া থানা থেকে ১০ জন, তালা থানা ৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন, শ্যামনগর থানা ১১ জন, আশাশুনি থানা ৭ জন, দেবহাটা থানা ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে জামাতের কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের জয়েন্ট সেক্রেটারী মোস্তফা গাউসুল হক, ১০নং কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি ইমামুল হক (৩৫)সহ বিএনপি-জামায়াতের ৮ নো-কর্মী রয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরবাসে হঠাৎ দেখা অপু, সুজানা ও নিরবের

বিনোদন সংবাদ: চিত্রনায়ক নিরব কানাডার পর প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠান করতে সংযুক্ত আরব আমিরাত গিয়েছেন সম্প্রতি। সেখানে তিনি সফল প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে সফলতার পেছনের গল্প শুনবেন। ব্যস্ত সময়য় কাটাচ্ছেন।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ‘বেলহাসা ড্রাইভিং সেন্টার’ এ ড্রাইভিং শিখতে দুবাইয়ে গিয়েছেন মডেল সুজানা জাফর। এখানেই গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন সুজানা। শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাত নয় গোটা বিশ্বে এই ড্রাইভিং সেন্টারের সুনাম রয়েছে। আর এই ড্রাইভিং ক্লাবের সদস্য হিসেবে রয়েছে বিশ্ববিখ্যাতরা।

অন্যদিকে ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় শারজার এক্সপো সেন্টারে একটি স্টেজ প্রোগ্রামে অংশ নেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। দুবাই প্রবাসী বাঙালিদেরদের জন্য আয়োজিত ‘আনন্দ উৎসব ও তারকা মেলা’ অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাকে। এই অনুষ্ঠানে অবশ্য নিরব ছিলেন বলে জানা যায়।

কিন্তু তিনজন তিন কাজে গিয়ে একই ফ্রেমে চলে আসাটা ভক্তদের জন্য আনন্দদায়কও বটে। ঘুরতে ঘুরতে কিংবা শপিং করতে গিয়ে কাছের মানুষদের নিকটে পেয়ে যাওয়াটা আনন্দের বটে। অন্তত ছবিটা তাই-বলছে। সম্প্রতি অপু বিশ্বাস-নিরব-সুজানার একইফ্রেমের এই ছবিটি পাওয়া ঙ্গেল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২৭ বছর পর ৪২০ শিক্ষকের পদোন্নতি

দেশের খবর: সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪২০ জন শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৭১ জন পদোন্নতি পেয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং ৫২ জন সহকারী মাধ্যমিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হয়েছেন। নিয়োগের ২৭ বছর পর তারা পদোন্নতি পেলেন।
সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (সরকারি মাধ্যমিক) আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত পদোন্নতি-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জানা গেছে, মামলা, পদমর্যাদা পরিবর্তন হওয়াসহ নানা জটিলতায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের পদোন্নতি স্থগিত ছিল। এ কারণে গত ৮ বছর ধরে এ পর্যায়ের শিক্ষকরা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত ছিলেন। নিয়োগের ২৭ বছর পার হলেও এসব শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়া সম্ভব হয়নি।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের পদটি ১০ গ্রেডে (২য় শ্রেণি) উন্নীত হওয়ায় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) আওতায় নিয়োগ-পদোন্নতি দেয়ার ক্ষমতা চলে যায়। গত তিন মাস আগে তিনটি পদে মোট ৪২৬ শিক্ষককে পদোন্নতি দিতে সুপারিশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তার ভিত্তিতে পিএসসি মোট ৪২০ জনকে পদোন্নতি দিতে সুপারিশ করে। যা আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এসব শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি না হওয়া জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের মধ্যে ১৯৮ জনকে সহকারী মাধ্যমিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, ১৭৩ জনকে সহকারী প্রধান এবং ১৩০ জনকে সহকারী প্রধান শিক্ষিকা পদে পদোন্নতির জন্য পিএসসিতে চাহিদা দেয়া হয়। তার ভিত্তিতে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ১৯৬ জন, সহকারী প্রধান শিক্ষিকা পদে ১৭২ জন এবং সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পদে ৫২ জনসহ মোট ৪২০ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।
১৯৯১ সালের ২৫ মে আগে যোগদান করা শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এসব শিক্ষকরা দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে একই পদে কর্মরত ছিলেন। আজ (১৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার) থেকেই এসব পদোন্নতি কার্যকর করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সারাদেশে ৪৯৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে পুরাতন ৩৩৩টি এবং ১২টি মডেল বিদ্যালয়সহ জাতীয়করণ হওয়া ১৩০টি বিদ্যালয় রয়েছে। সম্প্রতি আরও প্রায় ৩০টি বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়েছে। সব মিলে বর্তমানে সারাদেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪শ’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শান্তির রাজনীতির অঙ্গীকার আ.লীগ-বিএনপি নেতাদের

দেশের খবর: ‘শান্তির অঙ্গীকার’ করলেন দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা।
আজ (সোমবার) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ইউএসএআইডি এবং ইউকেএইডের যৌথ অর্থায়নে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের স্ট্রেংথেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ অঙ্গীকার করেন তারা।
৪০টি জেলার আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতারা রাজনৈতিক সহনশীলতা ও সম্প্রীতির সমর্থনে তাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে সহিংসতার বিরুদ্ধে অঙ্গীকার করেন।
আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলে ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ প্রমুখ।
বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিলকিস জাহান শিরিন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, রাশেদা বেগম হীরা, সাবেক সংসদ সদস্য নীলোফার চৌধুরী মনি প্রমুখ।

যে অঙ্গীকার করলেন দু’দলের নেতারা
‘আমি বিশ্বাস করি, একমাত্র সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতিই দেশের মানুষের কল্যাণ আনতে পারে। আমি বিশ্বাস করি, যারা শান্তিপূর্ণ রাজনীতির চর্চা করবে দেশের মানুষ তাদেরকে সমর্থন করবে। তাই আমি অঙ্গীকার করছি, আমি সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির চর্চা করবো। ভবিষ্যতের যে কোনো নির্বাচনে আমি শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা করবো এবং দলের সহকর্মীদেরকেও নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে উৎসাহিত করবো।

আমি অঙ্গীকার করছি, আমি সব সময় শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে সচেষ্ট থাকবো। শান্তিতে বিজয় বাংলাদেশের ষোলো কোটি মানুষের বিজয়। শান্তি জিতলে জিতবে দেশ।

এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন ব্লুম বার্নিকাট বলেন, বাংলাদেশিদের অবশ্যই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে- নির্বাচনের আগে, চলাকালে এবং পরে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে অহিংস আচরণ করার আহ্বান জানাতে হবে। যারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, দেশ ও নাগরিকদের স্বার্থহানী করতে চায় সহিংসতা শুধু তাদেরই কাজে আসে। একটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার পথে থাকা একটি রাষ্ট্রের জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাকরিতে কোনো কোটা না রাখার সুপারিশ কমিটির

দেশের খবর: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির (নবম থেকে ১৩তম গ্রেড) সরকারি চাকরিতে কোনো কোটা না রাখার সুপারিশ করেছে এ-সংক্রান্ত কমিটি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে কমিটি আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ সুপারিশ করে।

দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে কমিটির আহ্বায়ক সচিব শফিউল আলম বলেন, ‘প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে প্রবেশে কোনো কোটা পদ্ধতি না রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারি চাকরির ক্রমতালিকার নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত কোটা পদ্ধতি থাকছে না। মুক্তিযোদ্ধা কোটাও না রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশ তৈরি করার আগে আমরা সংশ্লিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েছি। আইন বিশেষজ্ঞদের অভিমত হচ্ছে, কোটা রাখা বা না রাখা এটা সরকারের পলিসির ব্যাপার। মুক্তিযোদ্ধা কোটা না রাখলে এ-সংক্রান্ত উচ্চ আদালতে যে রায় হয়েছে, তা লঙ্ঘন হবে না।’

এটি কবে নাগাদ বাস্তবায়িত হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করেছি। এখন প্রধানমন্ত্রী অনুমোদনের পর সেটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন করলে এটি কার্যকর।’

এ বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীসহ সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ এপ্রিল সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে ৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন আন্দোলনকারীরা। পরে প্রধানমন্ত্রী সংসদে কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন। আন্দোলনকারীরা এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিলও করেন। কিন্তু এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি না করায় আবারও মাঠে নামেন আন্দোলনকারীরা। গ্রেপ্তার হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা।

এদিকে, আন্দোলনের মুখে সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর গত ৩ জুলাই সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার। এই কমিটিই আজ এ সুপারিশ করে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঃ যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধুকে নির্যাতন চালিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত গৃহবধুর নাম শাহানারা খাতুন (২০)। তিনি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানাধীন উত্তর শার্শা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আসাদুল গাজীর স্ত্রী ও পার্শ্ববতী এনায়েতপুর শানতলা গ্রামের জলিল সরদারের মেয়ে।
এনায়েতপুর শানতলা গ্রামের হোসনে আরা খাতুন জানান, শাহানারা খাতুন তাদের সাত ভাই বোনের মধ্যে সকলের ছোট। ২০১৬ সালের আগষ্ট মাসে তার সঙ্গে উত্তর শার্শা গ্রামের অমেদ গাজীর ছেলে আসাদুলের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। এ ছাড়া সোনার গহনাসহ পরবর্তীতে জমি বন্দক রাখার জন্য ৪০ হাজার টাকাও আসাদুলকে দেওয়া হয়। শাহানারাকে দেওয়া হয় একটি মোবাইল ফোন। বিয়ের পরপরই বড় ভাই আজাহারুলের সঙ্গে আসাদুল মালয়েশিয়ায় চলে যায়। বিয়ের পর থেকে আসাদুল ও তার পরিবারের সদস্যরা শাহানারাকে বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করতো। টাকা দিতে না পারলে তাকে মানসিক ও শারিরিকভাবে নির্যাতন চালানো হতো। বিষয়টি জানালে মোবাইলে আসাদুল তার স্ত্রী শাহানারাকে হুমকি দিতো।একপর্যায়ে শাহানারার মোবাইল ফোনটি নিয়ে নেয় তার শ্বাশুড়ি চন্দনা বিবি।
হোসনে আরা আরো জানান, প্রতিবেশীদের মুখে খবর পেয়ে শনিবার রাত ১০ টার দিকে তারা শাহানারার শ্বশুর বাড়িতে যান। শ্বাশুড়ি চন্দনা বিবি, বড় ননদের স্বামী চৌরাস্তার নূর হোসেন, চাচা শ্বশুর তাকে নির্যাতনের পর গলায় দড়ি দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে দিয়ে দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছে মর্মে এলাকাবাসি তাদেরকে জানায়। একপর্যায়ে গ্রামবাসি দড়ি কেটে মুমুর্ষ শাহানারাকে রাতেই সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মাহাবুবর রহমান জানান, শাহানারার থুতনিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়না তদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারণ বলা যাবে না।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় নাশকতার প্রস্তুতিকালে জামায়াতের সুরা সদস্যসহ আটক-৪

কলারোয়া প্রতিবেদক :  কলারোয়ায় নাশকতার পরিকল্পনাকালে জামায়ত-বিএনপির ৪ নেতাকর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। রোববার সকালে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মারুফ আহম্মদ জানান-কলারোয়া উপজেলার কে,কে,ই,পি সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের মাঠে শনিবার গভীর  রাতে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা নাশকতার পরিকল্পনা করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এসআই পীষুষ কান্তি ঘোষ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা ককটেল ও টায়ার জ্বালিয়ে পলিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ৪ নেতাকর্মী আটক হয়।

আটককৃতদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য, জেলা জামায়াতের সহকারী আমির, কলারোয়া মহিলা জামায়াতের তত্ববধায়ক, সাবেক উপজেলা জাতায়াতের জেনারেল সেক্রেটারি ১নং জয়নগর ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমীর  মোস্তফা গৌসুল হক (৫৬) রয়েছে। সে উপজেলার খোরদো-বাটরা গ্রামের মৃত আঃ গফুরের ছেলে।

এছাড়া রয়েছে-উপজেলার শাকদহ গ্রামের মৃত জনাব আলীর ছেলে ইমামুল হক (৩৫), একই গ্রামের মৃত লোকমানের ছেলে ছকিম উদ্দিন মোড়ল (৪৮), জয়নগর গ্রামের মৃত বালক চাদের ছেলে মকর আলী গাজী (৩৫)।

 এঘটনায় কলারোয়া থানায় ১৭জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো ২৫/৩০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা(২১(৯)১৮ দায়ের হয়েছে বলে জানান থানার ওসি শেখ মারুফ আহম্মদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টাম-লীর সদস্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ডাঃ মোখলেছুর রহমান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমন, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, চাম্পাফুল ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আফিস শাহবাজ খান প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক, আধুনিক সাতক্ষীরার উন্নয়নের অন্যতম রূপকার, সাতক্ষীরা-০৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক এর বিরুদ্ধে কতিপয় নামপরিচয়হীন ব্যক্তি মিথ্যা, বানোয়াট, কুরূচিপূর্ণ মিথ্যাচার করে গত ১৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সন্নিকটে একটি বিচ্ছিন্ন মানববন্ধন করেছে। কথিত মানববন্ধনে জনা বিশেক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। যার মধ্যে মাত্র ২/১ জন পরিচিত মুখের বাইরে অধিকাংশেরই কোন নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এমনকি মানববন্ধনে যে লিখিত বক্তব্য সরবরাহ করা হয়েছিল সেখানেও কারও কোন নাম-পরিচয় বা স্বাক্ষর নেই।
আমরা মনে করি, ডা. রুহুল হক এমপির জনপ্রিয়তায় ঈর্ষাণি¦ত হয়ে কোন মনোনয়ন প্রত্যাশী চক্র তার বিরুদ্ধে এ ধরনের কুৎসা রটনার চেষ্টা চালাচ্ছে। আপনাদের কারও অজানা নয় যে, ডা. আ ফ ম রুহুল হক একজন বিশ্ববরেণ্য চিকিৎসক। তিনি ছাত্র জীবনে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ(স্বাচিপ)’র সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১, ২০০৮ এবং ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়পন জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেন। ২০০৮ সাল থেকে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি দীর্ঘদিন থেকে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন। বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা থেকে একমাত্র তিনিই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টাম-লীর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটিরও সভাপতি। তিনি ৫ বছর সফলতার সাথে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের এমডিজিসহ বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেতে সাহায্য করেছেন। বর্তমানে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিরও সভাপতি। সম্প্রতি জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মনোনীত করেছেন। ডা. আ ফ ম রুহুল হকের হাত ধরে সাতক্ষীরাতে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি সাতক্ষীরায় অসংখ্য উন্নয়নমূলক কর্মকা- সম্পন্ন করেছেন এবং করছেন। আমরা মনে করি, ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি সাতক্ষীরার সম্পদ। সাতক্ষীরার উন্নয়নে এবং সাতক্ষীরাকে জাতীয় পর্যায়ে উপস্থাপনে তিনি তার চিকিৎসক জীবনে এবং রাজনৈতিক জীবনে উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আমরা মনে করি, যারা ডা. তাকে নিয়ে কুৎসা রটনা করছেন তারা সাতক্ষীরার শক্র, সাতক্ষীরার উন্নয়নের শক্র। সাতক্ষীরার উন্নয়নের জন্য যাকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেই ডা. রুহুল হক এমপিকে অসম্মানিত করা বা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের চেষ্টা সাতক্ষীরাবাসী মেনে নেবে না। তিনি আরো বলেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা প্রেসক্লাবের সন্নিকটে যে কথিত মানববন্ধনটি হয়েছিল তার কোন ছবি কোন সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। সেই মানববন্ধনের কিছু ছবি আমাদের হাতে রয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, হাতেগোনা কিছু যুবক ডা. আ ফ ম রুহুল হক সম্পর্কে কুরূচিকর বক্তব্য সম্বলিত একটি ব্যানার ও কিছু প্লাকার্ড ধরে আছে। ছবি তোলার সময় প্রতিবারই অধিকাংশ যুবক প্লাকার্ড দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছে। এতে বোঝা যায়, এটি কোন স্বতঃস্ফূর্ত কর্মসূচি ছিল না। এটি কোন বিশেষ মহলের ইঙ্গিতে বা প্রযোজনায় মঞ্চস্থ করা হয়েছে। এধরনের কূট কৌশল অসুস্থ মানসিকতার পরিচায়ক।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া দেশের প্রচীনতম এবং বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন। এখানে বহু নেতা আছেন, কর্মী আছেন, বিশিষ্ট জনেরা আছেন। বহু নেতা আসবেন, যাবেন। দলে মনোনয়ন ও নেতৃত্বের জন্য প্রতিযোগিতা থাকবে। এখানে নেতৃত্ব দিতে হলে বা বিভিন্ন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে হলে রাজনীতির মাঠে বিচরণ করতে হবে, দলের নেতা-কর্মীদের আস্থা অর্জন করতে হবে, তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে হবে। দলের প্রতিষ্ঠিত প্রবীণ নেতাদের চরিত্র হননের অপচেষ্টাকারীরা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের শুভাকাক্সক্ষী নন। তারা বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশকে অমান্য করে আওয়ামীলীগের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে তা আমরা বরদাস্ত করব না।
এদিকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা শহীদ আলাউদ্দিন চত্বরে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, উপজেলা আওয়ামীলীগসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংঠগনের নেতৃত্বে সমন্বয়ে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু আজকে কয়েকটি পত্রিকায় ডা: রুহুল হকের মনোনয়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছি মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তা আদৌ সত্য নয়। আমার মানববন্ধন করেছি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে। এছাড়া ওই মানববন্ধনটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একটি মহল সাংবাদিক লাঞ্চিতের গুজব ছড়িয়ে দু একটি অন লাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ করেছে। আসলে সেখানে এধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি। ওই ষড়যন্ত্রকারীরা কিছু ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে এধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে। আমরা সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির বিরুদ্ধে এ ধরনের ঘৃণ্য অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest