সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

বিশ্বে বসবাসের অনুপযুক্ত শহরের মধ্যে দ্বিতীয় ঢাকা

বিদেশের খবর: ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের বার্ষিক বৈশ্বিক জরিপ প্রতিবেদনে রাজধানী ঢাকা বিশ্বের বসবাসের অনুপযুক্ত শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

বসবাসের অনুপযোগী শহরের তালিকায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে নাইজেরিয়ার লাগোস, চতুর্থ স্থানে পাকিস্তানে করাচি এবং পঞ্চম স্থানে পাপুয়া নিউ গিনির শহর পোর্ট মোরেসবি।

এই তালিকায় আরও রয়েছে, সেনেগালের ডাকার, আলজেরিয়ার আলজিয়ার্স, ক্যামেরুনের ডউয়ালা, লিবিয়ার ত্রিপোলি ও জিম্বাবুয়ের হারারে।

দ্য ইকোনমিস্ট জানায়, তালিকার নিচের দিকে স্থান পাওয়া শহরগুলোর স্কোর শক্তিশালীভাবে প্রভাবিত করেছে অপরাধ, গণবিক্ষোভ, সন্ত্রাসবাদ ও যুদ্ধ।

ইকোনমিস্টের জরিপে এবারই প্রথম ইউরোপের কোনও বসবাসের সবচেয়ে উপযুক্ত শহর হিসেবে প্রথম স্থান দখল করেছে। অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নকে হটিয়ে এবার প্রথম স্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। জরিপে রাজনীতি, সামাজিক স্থিতিশীলতা, অপরাধ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্তির বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

২০১৮ সালে বসবাসের উপযুক্ত অন্যান্য শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন (দ্বিতীয়), জাপানের ওসাকা (তৃতীয়), কানাডার কালগারি (চতুর্থ), অস্ট্রেলিয়ার সিডনি (পঞ্চম), কানাডার ভ্যানকুবার (ষষ্ঠ), জাপানের টোকিও (সপ্তম), কানাডার টরেন্টো (অষ্টম), ডেনমার্কের কোপেনহেগেন (নবম) এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেইড (দশম)।
ইকোনমিস্টের জরিপে বসবাসের উপযুক্ত শহরগুলো শীর্ষ দশটি শহরের তালিকায় নেই যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়ার কোনও শহর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাঁধে বাজার নিয়ে মধ্যরাতে অনাহারির বাসায় এমপি!

অনলাইন ডেস্ক: মধ্যরাতে অনাহারি দরিদ্র পরিবারের ভাঙা কুটিরে কাঁধে বাজার সদাই নিয়ে উপস্থিত একজন সংসদ সদস্য। এমন কথা যদি শোনেন তাৎক্ষণিকভাবে আপনার কী মনে হবে? মনে হতে পারে আরব্য রজনীর কোনো গল্পের অংশ। আদতে তা নয়। এমনটি ঘটেছে সাতক্ষীরায়। আর এই কাজ করেছেন সাতক্ষীরা চার আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার চৌধুরী।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন-ঘেঁষা উপকূলীয় এ আসনের বর্তমান এমপি এসএম জগলুল হায়দার শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। যদিও বলা হচ্ছে ভোটারদের মন জয়ের লক্ষ্যে কখনও লুঙ্গি পরে কোমরে গামছা বেঁধে শ্রমিকদের সঙ্গে নেমে পড়ছেন বেড়ি বাঁধ ও রাস্তা সংস্কারের কাজে; কখনও গভীর রাতে অসহায় মানুষের দুয়ারে গিয়ে বাড়িয়ে দিচ্ছেন সহায়তার হাত।

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমেও উঠে আসছে তার কর্মকাণ্ডের বৃত্তান্ত। এমপি জগলুলের এসব কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করছেন অনেকে। কেউ কেউ বলছেন, এসব স্রেফ মনোনয়ন টেকানোর কৌশল। তবে দলের শীর্ষ পর্যায়ে এসব তৎপরতা ইতিবাচক হিসেবেই গৃহীত হয়েছে বলে দাবি এমপি জগলুল হায়দারের।

তিনি বলেন, এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করছি। প্রয়োজন ছাড়া এলাকার বাইরে যাইনি। গরিব ও অসহায়দের পাশেই আছি, আগামীতেও থাকব।

গতকাল মঙ্গলবার রাতেও জগলুল হায়দার একটি দরিদ্র পরিবারের বাসায় বাজার সদাই নিয়ে হাজির হয়েছেন। তার কানে আসে তারই এলাকার একটি গ্রামে এক পরিবার না খেয়ে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে একটি স্যান্ডো গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় কাঁধে বাজার নিয়ে মধ্যরাতে উপস্থিত হন ওই দরিদ্রের জির্ন কুটিরে। এ বিষয়ে জগলুল হায়দার বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত ১২ টা। বাসায় শুয়ে বিশ্রাম করছি। হঠাৎ মোবাইল ফোনটি বেজে ওঠে। ফোন রিসিভ করে জানতে পারি শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের আমির আলী গাজীর পরিবারের সদস্যরা খাবারের অভাবে অর্ধাহারে এবং অনাহারে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘পরিবারটির জন্য মন কেঁদে ওঠে। সংবাদ দাতাকে সেখানে অপেক্ষা করতে বলি এবং তাদের জন্য খাবার নিয়ে এখনই আসছি বলে জানাই। তারপর বাসা থেকে চাল, ডাল, তেল এবং পার্শ্ববর্তী ফার্ম থেকে মুরগী নিয়ে নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে রওনা হই। সেখানে পৌঁছে দেখি সংবাদ দাতা ছেলেটি আমির গাজীর বাড়ির সামনে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তাকে সাথে নিয়ে খাবারের ব্যাগ নিজে কাঁধে নিয়ে উক্ত বাড়িতে যাই এবং তাদেরকে ঘুম থেকে ডেকে তুলি।’

জগলুল হায়দার নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে বলেন, অসহায় পরিবারটির সদস্যদের কাছে খাবারগুলো দেই এবং নগদ আর্থিক সহায়তা করি। তাদের জীর্ণ কুটির দেখে যতদ্রুত সম্ভব ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য কথা দেই। তাদের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্য দোয়া চাই। শুধু আজ বলে নয় বহু আগে থেকেই অসহায় মানুষের সেবা দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।’

পুরো ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। জগলুল হায়দার বলেন, আমার অজান্তে ওই যুবক ভিডিও করে ফেসবুকে দিয়েছে। পরে সেটা আমি পোস্ট করেছি, যেন এরকম অসহায় মানুষের পাশে সকলে দাঁড়ায়।
সূত্র: কালেরকণ্ঠ অনলাইন।

সময় আজ মঙ্গলবার রাত ১২ টা। বাসায় শুয়ে বিশ্রাম করছি। হঠাৎ মোবাইল ফোনটি বেজে ওঠে। ফোন রিসিভ করে জানতে পারি শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের আমির আলী গাজীর পরিবারের সদস্যরা আর্থিক অনটনে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। পরিবারটির জন্য মন কেঁদে ওঠে। সংবাদ দাতাকে সেখানে অপেক্ষা করতে বলি এবং তাদের জন্য খাবার নিয়ে এখনই আসছি বলে জানাই। তারপর বাসা থেকে চাল, ডাল, তেল এবং পার্শ্ববর্তী ফার্ম থেকে মুরগী নিয়ে নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে রওনা হই। সেখানে পৌঁছে দেখি সংবাদ দাতা ছেলেটি আমির গাজীর বাড়ির সামনে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তাকে সাথে নিয়ে খাবারের ব্যাগ নিজে কাঁধে নিয়ে উক্ত বাড়িতে যাই এবং তাদেরকে ঘুম থেকে ডেকে তুলি। অসহায় পরিবারটির সদস্যদের কাছে খাবারগুলো দেই এবং নগদ আর্থিক সহায়তা করি। তাদের জীর্ণ কুটির দেখে যতদ্রুত সম্ভব ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য কথা দেই। তাদের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্য দোয়া চাই। শুধু আজ বলে নয় বহু আগে থেকেই অসহায় মানুষের সেবা দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। আমার অজান্তে সংবাদ দাতা ছেলেটি সম্পূর্ণ ঘটনা তার মোবাইলে ধারণ করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেয়।

Posted by Jaglul Hayder MP on Monday, 13 August 2018

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় চিত্রাংকণ, সুন্দর হাতের লেখা, ও রচনা প্রতিযোগিতা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাংকণ, সুন্দর হাতের লেখা, ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক শিশু অংশ গ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা পর্যবেক্ষণ করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন, সদর উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন বিশষ্ট চিত্র শিল্পী এম এ জলিল।
আজ ১৫ আগস্ট সুর্যদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবন সমুহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলন, সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে থেকে রাজ্জাক পার্ক পর্যন্ত শোক র‌্যালী, সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অসমাপ্ত মহাকাব্য শীর্ষক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন, ৯.৪৫ মিনিটে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর জন্য নিবেদিত কবিতা, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা পাঠ, সকাল ১০টা শিল্পকলা একাডেমিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভা ও প্রতিযোগিতরা পুরস্কার বিতরণী, সকাল ১১টায় শিল্পকলা একাডেমিতে যুব ঋণের চেক বিতরণ, বেলা ১২টায় জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা মহিলা বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান, বাদ যোহর/ সুবিধামত সময়ে সকল মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, বিকাল সাড়ে ৩টায় মায়ের বাড়ি মন্দিরে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বিশেষ প্রার্থনা, সন্ধ্যা ৭টায় শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন, সুবিধামত সময়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারে রোজনামচা, জাতীয় শোক দিবসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কবিতা পাঠ, রচনা, চিত্রাংকন, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন, ১-৩০ আগস্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী কারাগারে রোজনামচা পাঠ, ২৬-৩০ আগস্ট শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বঙ্গবন্ধুর অসামপ্ত আত্মজীবনী কারাগারে রোজনামচা ৭ মার্চ এর ভাষণ প্রতিযোগিতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে চার শিশুসহ নিহত ৭

দেশের খবর: নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চার শিশুসহ ৭ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় বর-কনেসহ আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুরের সোনাইমুড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, শুভ বর্মন (৩০), সজল বর্মন (২০), স্নিগ্ধা (৫), প্রান্তিকা (৬), বৃষ্টি (৭), সৌরভ বর্মন (১২) ও অজ্ঞাত ক্যামেরাপারসন (২৮)।

দুর্ঘটনাকবলিত বাসযাত্রী নরসিংদীর সিদ্দিকুর রহমান জানান, সকাল সাতটার দিকে উপজেলার চৈতন্য এলাকায় তাদের বহনকৃত বাসের সঙ্গে একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত ও অনেকে আহত হন। সৌভাগ্যক্রমে তিনি নিজে বেঁচে গেছেন।

ইটাখোলা হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ হাফিজুর রহমান জানান, ঢাকা থেকে সিলেটগামী মিতালী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস চৈতন্য এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় বাসটির সামনের চাকা ফেটে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নরসিংদীর রায়পুরা থেকে চাঁদপুরগামী বরযাত্রীর বহরের একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

তিনি আরো জানান, এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের তিন শিশু মারা যায়। বর-কনেসহ বাস-মাইক্রোবাসের কমপক্ষে ১৫ যাত্রী আহত হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক সজল নামে আরো একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে চিকিৎসকরা সৌরভ বর্মন, শুভ বর্মন ও বিয়ের অনুষ্ঠানের অজ্ঞাত ক্যামেরাপারসনকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাফিজুর রহমান জানান, লাশগুলো নরসিংদী জেলা হাসপাতাল ও ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রেস্তোরাঁর ওয়েটার যখন বানর!

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: জাপানের এক নাম করা রেস্তোরাঁর নাম কায়াবুকি টাভার্ন। বাইরে থেকে দেখতে আর পাঁচটা রেস্তোরাঁর মতো হলেও আসল মজাটা ভেতরে। সেখানে ওয়েটার আছে কিন্তু কোনও পুরুষ বা মহিলা নয়, আছে তিনটি বানর। এই তিন বানরই অতিথিদের অর্ডার সার্ভ করে। ফুকু চ্যান নাম ধরে ডাকলেই হাজির হয় একজন।

আপনার পছন্দের অর্ডার করা ডিস বা বিয়ার নিয়ে হাজির হবে তারা। কোনও পারিশ্রমিক ছাড়াই তারা কাজ করে। তিন বেলা কলা দিলেই তারা সন্তুষ্ট। মূলত এই বানর ওয়েটারের জন্য এই রেস্তোরাঁয় ভিড় করে বিভিন্ন দেশ বিদেশের পর্যটকেরা। যাদের এই রেস্তোরাঁ সম্বন্ধে কোনও আইডিয়া নেই বা যারা প্রথমবার যান, তাঁরা রেস্তোরাঁয় বানর দেখে একটু অবাক হয়ে যান। প্রথমটায় হকচকিয়ে যান অনেকেই। ব্যাপারটা কী?

রেস্তোরাঁর প্রধান আকর্ষণ এই ওয়েটার ফুকু চ্যান। মাত্র তিন বছর বয়সে এই রেস্তোরাঁর মালিক ইয়াক চ্যান তাকে নিয়ে আসেন। তিনি লক্ষ্য করেন, তিনি যা করছেন বানরটিও তাঁকে নকল করে সেটাই করছে।

তারপর তিনি ঠিক করেন এই বানরকে দিয়েই কাজ করাবেন। এরপর থেকে অর্ডারের সব জিনিস সবার কাছে পৌঁছে দিতে থাকে এই বানর। শুধু ওয়েটারের কাজ নয়, এই ফুকু চ্যান মাঝে মাঝে বলের ওপর ব্যালান্স করা, লং জাম্প রনপায়ে হেঁটে খেলাও দেখায়। রেস্তোরাঁয় খেতে আসা লোকজন তাদের সঙ্গে ফটো তোলাটা কেউ মিস করে না।

মালিক ইয়াক চ্যানের কাছে এই বানরগুলি তাঁর ফ্যমিলি মেম্বারের মতো। খাওয়া ঘুম সবটাই তাদের সঙ্গে। ইয়াক চ্যানের কথায় এই বানর গুলি তাঁর কাছে খুবই প্রিয় এবং ওদের ছাড়া কিছু ভাবতে পারেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাবনূর আমার চেয়েও জনপ্রিয়: মৌসুমী

বিনোদন সংবাদ: মাছরাঙা টেলিভিশনের ঈদের বিশেষ সেলিব্রেটি টক শো স্টার নাইট-এ অতিথি হয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমী ও শাবনূর। বড়পর্দায় অভিনয় করে দু’জনই দর্শক হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। এ দু‘জনের মধ্যে কে বেশি জনপ্রিয়? এমন প্রশ্নের উত্তরে দর্শক দ্বিধাবিভক্ত হবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে, চিত্রনায়িকা মৌসুমীর উত্তরে এলো শাবনূরের নাম। মাছরাঙা টেলিভিশনের ঈদের বিশেষ সেলিব্রেটি টক শো স্টার নাইট এ উপস্থিত হয়ে মৌসুমী বললেন, “শাবনূর আর আমার মধ্যে শাবনূর বেশি জনপ্রিয়। ”

শুধু তাই নয়, সালমান শাহ এবং ওমর সানির তুলনা করতে গিয়েও স্বামীর প্রতি পক্ষপাত করেননি এ নায়িকা। ওমর সানির চেয়ে জনপ্রিয়তার দৌড়ে প্রয়াত সালমান শাহকে এগিয়ে রাখেন মৌসুমী। যদিও স্বামী ওমর সানিকে জীবনে চলার পথে সবচেয়ে বড় অবলম্বন, সবচেয়ে বড় বন্ধু বলে দাবী করেন তিনি।

চলচ্চিত্রের ‘প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়িকা’ খ্যাত এ নায়িকা সম্প্রতি পূর্ণ করেছেন তার চলচ্চিত্রে অভিনয় জীবনের ২৫ বছর। বাংলা চলচ্চিত্রে তার রজতজয়ন্তীকে স্মরণীয় করে রাখতে ‘স্টার নাইট’-এর অনুষ্ঠানটি সাজানো হয় বিশেষভাবে।
সম্প্রতি মাছরাঙা স্টুডিওতে এই অনুষ্ঠানের ধারণ সম্পন্ন হয়। এতে মৌসুমীর বড়পর্দার ২৫ বছর কিংবা তার-ও আগে মডেলিং সময়কার বিভিন্ন তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র দিয়ে তাকে সারপ্রাইজ দেয় ‘স্টার নাইট’ টিম। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ে একের পর এক সারপ্রাইজ পেয়ে মৌসুমী অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। ক্যারিয়ারের সাথে, জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা কিছু মানুষের মন্তব্য ও ভিডিওবার্তা দেখে আবেগ সামলাতে পারেননি মৌসুমী।

জনপ্রিয় উপস্থাপিকা মারিয়া নূর-এর সঙ্গে কথোকথনে মৌসুমী নিজের লেখা কবিতা আবৃত্তি করেন, গান গেয়ে শোনান। আলাপচারিতার ফাঁকেই উঠে আসে বিভিন্ন তথ্য: বলিউডে মিঠুন চক্রবর্তী ও আমির খানের সাথে একটা সময় হিন্দি ছবিতে অভিনয় করার কথা ছিল তার।

মৌসুমী জানান, সমাজের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে উপকার হয় এমন যে কোনো কাজে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হলে তিনি সেখানে যুক্ত হতে চান। তবে সক্রিয় রাজনীতিতে সহসাই জড়িয়ে পড়ার কোনো ইচ্ছা তার নাই।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের রজত জয়ন্তী উদযাপনের কেক কাটেন মৌসুমী।

রুম্মান রশীদ খান-এর গ্রন্থনা ও পরিকল্পনায় ‘স্টার নাইট’ প্রযোজনা করেছেন অজয় পোদ্দার। অনুষ্ঠানটি মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে আসছে ঈদের দিন, রাত ৮টায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের সাত রাজ্যে বন্যা-বৃষ্টিতে ৭৭৪ জনের মৃত্যু

বিদেশের খবর: চলতি বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি ও বন্যায় ভারতের সাত রাজ্যে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৭৭৪ জন মানুষ। গতকাল সোমবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি রেসপন্স সেন্টার (এনইআরসি) জানিয়েছে, চলতি বর্ষায় কেরালায় ১৮৭ জন, উত্তরপ্রদেশে ১৭১ জন, পশ্চিমবঙ্গে ১৭০ জন, মহারাষ্ট্রে ১৩৯ জন, গুজরাটে ৫২ জন, আসামে ৪৫ জন ও নাগাল্যান্ডে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

খবরে জানানো হয়, এর বাইরে কেরালায় ২২ জন ও পশ্চিমবঙ্গের ৫ জনসহ মোট ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। আর এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রায় আড়াই শ মানুষ। ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে মহারাষ্ট্রের ২৬টি, আসামের ২৩টি, পশ্চিমবঙ্গে ২২টি, কেরালার ১৪টি, উত্তরপ্রদেশের ১২টি, নাগাল্যান্ডের ১১টি এবং গুজরাটের ১০টি জেলা।

এছাড়া দুর্গতদের উদ্ধারে উত্তরপ্রদেশে ৮টি, পশ্চিমবঙ্গে আটটি, গুজরাটে সাতটি, কেরালা ও মহারাষ্ট্রে চারটি এবং নাগাল্যান্ডে একটি উদ্ধারকারী দল কাজ করেছে বলেও জানানো হয়। কেরালার বন্যা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। রাজ্যের আবহাওয়া দপ্তর রাজ্যটিতে আরো ভারী বর্ষণের আভাস দিয়েছে।

এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, কেরালা রাজ্যের ১৪টির মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি জেলায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নিচু এলাকা থেকে ৩০ হাজার মানুষকে সরকারি ত্রাণশিবিরে আনা হয়েছে। সেখানকার বন্যা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। আবহাওয়া দপ্তর রাজ্যটিতে ভারী বর্ষণের আভাস দিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌম্যর ব্যাটে আইরিশদের হারাল ‘এ’ দল

খেলার খবর: মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, শরিফুল ইসলামদের দারুণ বোলিংয়ে লক্ষ্যটা থাকলো হাতের নাগালে। সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত ও আফিফ হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সহজেই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেললো বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ড উলভসকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে সৌম্যরা। স্বাগতিকদের ১৫২ রান ১২ বল বাকি থাকতে পেরিয়ে যায় অতিথিরা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জাতীয় দলের হয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে পুরোপুরি নিষ্প্রভ ছিলেন সৌম্য। ছন্দ হারিয়ে ফেলা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তিন ইনিংসে সব মিলিয়ে করেন ১৯ রান।

‘এ’ দলের হয়ে ছন্দে ফেরার আভাস মিলেছে সৌম্যর ব্যাটিংয়ে। অধিনায়ক দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। দারুণ সঙ্গ পেয়েছেন শান্তর কাছ থেকে।

রান তাড়ায় প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে ফিরে যান জাকির হাসান। তবে তার বিদায়ের কোনো প্রভাব দলের ওপর পড়তে দেন শান্ত-সৌম্য।

শুরু থেকেই স্বাগতিক বোলারদের ওপর চড়াও হন শান্ত। তার একের পর এক বাউন্ডারিতে দ্রুত এগোয় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দ্বিতীয় উইকেটে ৬২ রানের জুটিতে শান্তর অবদান ২৩ বলে ৭ চারে ৩৮।

শান্ত যখন ঝড় তোলেন অন্য প্রান্তে তখন নীরব সঙ্গী সৌম্য। শুরুতে একটু সময় নেওয়া বাঁহাতি ওপেনার ডানা মেলেন শান্তর বিদায়ের পর। ৪১ বলে ৫ চার ও তিন ছক্কায় ৫৭ রান করে সৌম্য ফিরে যাওয়ার সময় ম্যাচ অনেকটাই অতিথিদের মুঠোয়।
দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি মোহাম্মদ মিঠুন ও আল আমিন জুনিয়র। তবে আফিফের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে বাকিটা সহজেই সারে বাংলাদেশ। জয়কে সঙ্গী করে ফেরা আফিফ ২১ বলে চারটি চার আর একটি ছক্কায় করেন ৩৫ রান।

এর আগে সোমবার ক্লোনটার্ফ ক্রিকেট ক্লাব মাঠে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করে আইরিশরা। ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটির পরও ৫২ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় আয়ারল্যান্ড।

সেখান থেকে দলকে দেড়শ রানে নিয়ে যাওয়ায় বড় অবদান সিমি সিং ও কেভিন ও’ব্রায়েনের। সিমি ৩৭ বলে করেন ৪১। ও’ব্রায়েন ১২ বলে খেলেন ২১ রানের ঝড়ো ইনিংস।

আঁটসাঁট বোলিংয়ে ২১ রানে ২ উইকেট নেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফ। শরিফুল ২ উইকেট নেন ৩১ রানে। বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ২ উইকেট নেন ৩৫ রানে।

আগামী বুধবার একই ভেন্যুতে হবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: আয়ারল্যান্ড উলভস: ২০ ওভারে ১৫২ (টমসন ২৮, পোর্টারফিল্ডার ১৪, বালবার্নি ৯, ম্যাকব্রাইন ১৫, সিমি ৪১, ও’ব্রায়েন ২১, টাকার ১১, ডকরেল ৬, কেন ২, ম্যাককার্থি ১*, চেইস ০; হাসান ১/৩১, আফিফ ১/১৬, শরিফুল ২/৩১, তাইজুল ২/৩৫, সাইফ ২/২১, সৌম্য ১/১৭)

বাংলাদেশ এ: ওভারে ১৮ ওভারে ১৫৫/৬ (জাকির ০, সৌম্য ৫৭, শান্ত ৩৮, মিঠুন ৮, আল আমিন জুনিয়র ৫, আফিফ ৩৫*, মিজানুর ২, সাইফ ৪*; ম্যাকব্রাইন ৩/২৩, কেন ০/২৮, সিমি ০/১২, চেইস ২/২৯ ডকরেল ০/২৯, ম্যাককার্থি ০/৩৪)

ফল: বাংলাদেশ ‘এ’ দল ৪ উইকেটে জয়ী

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest