সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ

রোনালদোর লাল কার্ড সত্ত্বেও ইউভেন্তুসের জয়

খেলার খবর: ইউভেন্তুসের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিষেকে চোখে জল নিয়ে মাঠ ছাড়লেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। টুর্নামেন্টে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো দেখলেন লাল কার্ড। অবশ্য প্রায় এক ঘণ্টা এক জন কম নিয়ে খেলেও ভালেন্সিয়াকে হারিয়ে দিয়েছে মাস্সিমিলিয়ানো আল্লেগ্রির দল।

‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছে ইউভেন্তুস। দুই অর্ধে পেনাল্টি থেকে গোল দুটি করেন মিরালেম পিয়ানিচ।

এই গ্রুপের অন্য ম্যাচে পল পগবার জোড়া গোলে ইয়াং বয়েজকে ৩-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

প্রতিপক্ষের মাঠে বুধবার রাতে প্রথম ভালো সুযোগ পায় ইউভেন্তুস। ফেদেরিকো বের্নারদেস্কির ক্রসে ঠিক মতো শট নিতে পারেননি রোনালদো। গোল মুখে বল পেয়ে যান মারিও মানজুকিচ। খুব কাছে থেকেও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড।

সপ্তম মিনিটে সামি খেদিরার অবিশ্বাস্য মিসে আবার হতাশ হতে হয় ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের। ফেদেরিকোর কাছ থেকে গোল মুখে বল পেয়ে ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান জার্মান মিডফিল্ডার।

২১তম মিনিটে দুবার দলকে বাঁচান ভালেন্সিয়ার ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক নেতো। খুব কাছ থেকে ফেদেরিকোর শট ফেরানোর পর ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন ব্লেইস মাতুইদির চেষ্টা।

জেইসন মুরিয়োকে হালকা ধাক্কা দিয়ে লাল কার্ড দেখেন রোনালদো। ৩১তম মিনিটে চোখে জল নিয়ে মাঠ ছাড়েন তারকা রোয়ার্ড।
ইউরোপ সেরার প্রতিযোগিতায় ১৫৪তম ম্যাচে এসে প্রথমবারের মতো লাল কার্ড দেখলেন তিনি।

ম্যাচের এই বাঁক বদল কাজে লাগাতে পারেনি ভালেন্সিয়া। অবশ্য ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া ইউভেন্তুসকে চেপে ধরেছিল তারা। ৩৭তম মিনিটে মিচি বাতশুয়াইয়ের শট ফিরিয়ে অতিথিদের ত্রাতা গোলরক্ষক ভয়চেখ স্ট্যাসনি।

৪৩তম মিনিটে দলকে প্রায় এগিয়েই নিচ্ছিলেন জোয়াও কানসেলো। একটি ক্রসে ঠিক মতো শট নিতে পারেননি তিনি। তবে বল নিজের নিয়ন্ত্রণেই থাকায় আবার শট নেওয়ার সুযোগ পান তিনি। এবার গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে বল ফিরে মাঠে।

বিপদমুক্ত করার চেষ্টায় ডি-বক্সে কানসেলোকে ফাউল করে বসেন দানিয়েল পারেয়ো। সফল স্পট কিকে ৪৫তম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন পিয়ানিচ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পিয়ানিচ। তার কর্নারের সময় ডি-বক্সে লিওনার্দো বোনুচ্চিকে ফাউল করেন মুরিয়ো। ৫১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে আবার নেতোকে ফাঁকি দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন পিয়ানিচ।

আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়া স্প্যানিশ দলটি দ্বিতীয়ার্ধে প্রবল চাপে রাখে ইউভেন্তুসকে; কিন্তু জালের দেখা পায়নি।
যোগ করা সময়ে একটি ক্রস বিপদমুক্ত করার চেষ্টায় লাফিয়ে হেড করার সময় গাব্রিয়েল পাউলিস্তার মুখে দানিয়েল রুগানির কনুই লাগলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। ব্যবধান কমানোর সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ভালেন্সিয়া অধিনায়ক। পারেয়োর শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন ভয়চেখ।ইয়াং বয়েজের মাঠে ৩৫তম মিনিটে ইউনাইটেডকে এগিয়ে নেন পল পগবা। ৪৪তম মিনিটে সফল স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ফরাসি তারকা।

৬৬তম মিনিটে জালের দেখা পান অঁতনি মার্সিয়াল। প্রতিপক্ষের মাঠে ৩-০ গোলের জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল জোসে মরিনিয়োর শিষ্যরা।

টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে শিরোপাধারী রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ইতালির দল রোমাকে।

‘জি’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে চেক রিপাবলিকের ভিক্তোরিয়া প্লজেনের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছে রাশিয়ার সিএসকেএ মস্কো।

শুভ সূচনা করেছে টুর্নামেন্টের অন্যতম সফল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখও। পর্তুগালের ক্লাব বেনফিকাকে তাদেরই মাঠে ২-০ গোলে হারিয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।

‘ই’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে ডাচ ক্লাব আয়াক্স ঘরের মাঠে ৩-০ গোলে হারিয়েছে গ্রিসের এইকে অ্যাথেন্সকে।

‘এফ’ গ্রুপে ম্যানচেস্টার সিটিকে তাদেরই মাঠে ২-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে ফ্রান্সের অলিম্পিক লিওঁ। গ্রুপের অন্য ম্যাচে ইউক্রেনের শাখতার দোনেৎস্কের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছে জার্মানির হফেনহাইম।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে ২-০ গোলে জিতেছে ইউভেন্তুস। দুই অর্ধে পেনাল্টি থেকে গোল দুটি করেন মিরালেম পিয়ানিচ।

এই গ্রুপের অন্য ম্যাচে ইয়ং বয়েজকে ৩-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

প্রতিপক্ষর মাঠে বুধবার রাতে প্রথম ভালো সুযোগ পায় ইউভেন্তুস। ফেদেরিকো বের্নারদেস্কির ক্রসে ঠিক মতো শট নিতে পারেননি রোনালদো। গোল মুখে বল পেয়ে যান মারিও মানজুকিচ। খুব কাছে থেকেও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড।

সপ্তম মিনিটে সামি খেদিরার অবিশ্বাস্য মিসে আবার হতাশ হতে হয় ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের। ফেদেরিকোর কাছ থেকে গোল মুখে বল পেয়ে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল পাঠান জার্মান মিডফিল্ডার।

২১তম মিনিটে দুবার দলকে বাঁচান ভালেন্সিয়ার ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক নেতো। খুব কাছ থেকে ফেদেরিকোর শট ফেরানোর পর ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন ব্লেইস মাতুইদির চেষ্টা।

জেইসন মুরিয়োকে হালকা ধাক্কা দিয়ে লাল কার্ড দেখেন রোনালদো। ৩১তম মিনিটে চোখে জল নিয়ে মাঠ ছাড়েন তারকা ফরোয়ার্ড। ম্যাচের এই বাঁক বদল কাজে লাগাতে পারেনি ভালেন্সিয়া।
ইউরোপ সেরার প্রতিযোগিতায় ১৫৪তম ম্যাচে এসে প্রথমবারের মতো লাল কার্ড দেখলেন রোনালদো। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া ইউভেন্তুসকে চেপে ধরে ভালেন্সিয়া। ৩৭তম মিনিটে মিচি বাতশুয়াইয়ের শট ফিরিয়ে অতিথিদের ত্রাতা গোলরক্ষক ভয়চেখ স্ট্যাসনি।

৪৩তম মিনিটে দলকে প্রায় এগিয়েই নিচ্ছিলেন জোয়াও কানসেলো। একটি ক্রসে ঠিক মতো শট নিতে পারেননি তিনি। তবে বল নিজের নিয়ন্ত্রণেই থাকায় আবার শট নেওয়ার সুযোগ পান তিনি। এবার গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে বল ফিরে মাঠে।

বিপদমুক্ত করার চেষ্টায় ডি বক্সে কানসেলোকে ফাউল করে বসেন দানিয়েল পারেয়ো। সফল স্পট কিকে ৪৫তম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন পিয়ানিচ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান দ্বিহুণ করেন পিয়ানিচ। তার কর্নারের সময় ডি বক্সে লিওনার্দো বোনুচ্চিকে ফাউল করেন মুরিয়ো। ৫১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে আবার নেতোকে ফাঁকি দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন পিয়ানিচ।

আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়া স্প্যানিশ দলটি দ্বিতীয়ার্ধে প্রবল চাপে রাখে ইউভেন্তুসকে। কিন্তু জালের দেখা পায়নি ভালেন্সিয়া।

গ্রুপের অন্য ম্যাচে ইয়ং বয়েজের বিপক্ষে ৩৫তম মিনিটে ইউনাইটেডকে এগিয়ে নেন পল পগবা। ৪৪তম মিনিটে সফল স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ফরাসি তারকা।

৬৬তম মিনিটে জালের দেখা পান অঁতনি মার্সিয়াল। প্রতিপক্ষের মাঠে ৩-০ গোলের জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল জোসে মরিনিয়োর শিষ্যরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হুমকির মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি-এস কে সিনহা

দেশের খবর: যাকে ঘিরে এক বছর আগে বাংলাদেশের বিচারঙ্গনে রীতিমত ভূমিকম্প ঘটে গিয়েছিল, সেই বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বিদেশে বসে একটি বই লিখেছেন, যেখানে দেশত্যাগ ও পদত্যাগ নিয়ে এসেছে বেশ কিছু বিস্ফোরক মন্তব্য।

‘এ ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শিরোনামে আত্মজীবনীমূলক এই বইয়ে বাংলাদেশের সাবেক এই প্রধান বিচারপতি দাবি করেছেন, তিনি দেশ ছেড়েছেন ‘হুমকির মুখে’; একই কারণে বিদেশ থেকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

আর সেই হুমকি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা– ডিজিএফআইয়ের তরফ থেকে এসেছিল বলে দাবি করা হয়েছে বইটিতে।

বিচারপতি সিনহার অভিযোগের বিষয়ে সরকারের মন্ত্রীদের কারও বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আর ডিজিএফআই বলেছে, কাওকে হুমকি ধামকি দেওয়ার মত কাজ তারা কখনোই করে না।

৬১০ পৃষ্ঠার এই বইটি অ্যামাজনের কিন্ডেল সংস্করণে বিক্রি হচ্ছে। বইয়ের কিছু অংশ অ্যামাজনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিচারপতি সিনহা ভূমিকায় লিখেছেন, ১৯৭৪ সাল থেকে বাংলাদেশের বিচারাঙ্গনে যুক্ত থাকার সুবাদে এর রূপান্তর এবং বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাগুলো দেখার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। সিলেটের নিম্ন আদালতের একজন আইনজীবী হিসেবে শুরু করে বাংলাদেশের বিচারালয়ের শীর্ষ অবস্থানে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনের সৌভাগ্য হয়েছে তার।

“কিন্তু ২০১৭ সালে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে ঐতিহাসিক এক রায় দেওয়ার পর বর্তমান সরকার আমাকে পদত্যাগ করতে এবং নির্বাসনে যেতে বাধ্য করে।”
বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে দেওয়াকে ওই রায়ের মাধ্যমে অবৈধ ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। আর তারপর যা ঘটেছে, তাকে বিচারপতি সিনহা বর্ণনা করেছেন ‘নজিরবিহীন ঘটনা’ হিসেবে।পৌন তিন বছর প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করা বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার অবসরে যাওয়ার কথা ছিল ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি। কিন্তু কার্যকাল শেষ হওয়ার ৮১ দিন আগেই তাকে ‘নজিরবিহীন’ ওই পরিস্থিতির মধ্যে পদত্যাগ করতে হয়।

বাংলাদেশে আর কখনও কোনো প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে এত আলোচনা হয়নি; আর কোনো প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগও করতে হয়নি।

অবসরের পর রায় লেখা নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সহকর্মীর সঙ্গে বাদানুবাদ, বিচার বিভাগের ক্ষমতা খর্ব করার অভিযোগ আনা, অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরিবিধির গেজেট প্রকাশ নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিরোধ, সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ভাস্কর্য স্থাপন নিয়ে উত্তেজনা- এরকম বহু ঘটনায় বিচারপতি সিনহা বহুবার সংবাদ শিরোনামে এসেছেন।

সর্বশেষ ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় এবং কিছু পর্যবেক্ষণের কারণে ক্ষমতাসীনদের তোপের মুখে ২০১৭ সালের অক্টোবরের শুরুতে তিনি ছুটিতে যান। সরকারের পক্ষ থেকে অসুস্থতার কথা বলা হলেও ১৩ অক্টেবর তিনি রীতিমত বোমা ফাটিয়ে বিদেশে চলে যান।

বিচারপতি সিনহা বলে যান, তিনি অসুস্থ নন, ক্ষমতাসীনদের সমালোচনায় তিনি ‘বিব্রত’। তার ছুটির মেয়াদ শেষে ১১ নভেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিচারপতি সিনহা পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন।

পদত্যাগ করার পর বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম ও নৈতিক স্খলনসহ সুনির্দিষ্ট ১১টি অভিযোগ ওঠার কথা সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়। বলা হয়, ওইসব অভিযোগের কারণে আপিল বিভাগের অন্য বিচারকরা আর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বসে মামলা নিষ্পত্তিতে রাজি নন। সেসব অভিযোগ নিয়ে দুদক পরে অনুসন্ধানও শুরু করে।

ক্ষমতাসীন দলের নেতা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সে সময় বলেন, একজন বিচারপতির মাধ্যমে দেশে জুডিশিয়াল ক্যু করার চেষ্টা হয়েছিল। আর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, বিচারকদের নিয়ন্ত্রণে সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, শৃঙ্খলা বিধির নামে তা কেড়ে নিতে চেয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা।

বিচারপতি সিনহার পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে আসেন বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞা। তার সময়ে বিচারকদের চাকরিবিধির গেজেট নিয়ে সরকারের সঙ্গে সর্বোচ্চ আদালতের টানাপড়েনের অবসান ঘটে।

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে নেওয়া অবৈধ ঘোষণার যে রায় নিয়ে সঙ্কট জটিল মাত্রা পেয়েছিল, সেই রায় পুনর্বিবেচনার জন্যও সরকার আবেদন করে।

অবশ্য সরকার সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দিলে আপিল বিভাগের তখনকার জ্যেষ্ঠতম বিচারক ওয়াহহাব মিঞাও চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে বিদায় নেন।
‘দুর্ভাগ্যজনক, নজিরবিহীন

বিচারপতি সিনহার বইয়ের ভূমিকাসহ ১০টি অধ্যায় অ্যামাজানের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

আইন পেশায় এস কে সিনহার টিকে থাকার সংগ্রাম, নানা অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশের বিচার বিভাগের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদদের নৈতিকতার ‘অবক্ষয়’, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও বাংলাদেশের ‘শিশু গণতন্ত্রের’ অবস্থা, পুলিশের ‘বাড়াবাড়ি’, জরুরি অবস্থার প্রভাব এবং জরুরি অবস্থার প্রভাব, এবং ‘ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের অর্থ আদায়ের’ বিষয়ে আলোকপাত করার কথা বলা হয়েছে ভূমিকায়।

শৈশব থেকে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং যুদ্ধাপরাধের বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনাল নিয়েও এ বইয়ে লিখেছেন বিচারপতি সিনহা।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির পদে থাকা অবস্থায় কোন পরিস্থিতিতে সরকারের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়েছিল, কোন পরিস্থিতিতে দেশ ছাড়তে হয়েছিল, আর কেন বিদেশে থেকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল- সে বিষয়ে নিজের ভাষ্য এ বইয়ে তুলে ধরেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি।

তিনি লিখেছেন, ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে যখন বিচারক অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দেওয়া হল তখন থেকেই টানাপড়েনের শুরু।

২০১৬ বছরের ৫ মে হাই কোর্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। পরের বছর জুলাইয়ে আপিল বিভাগের রায়ে তা বাহল থাকলে ক্ষমতাসীনদের সমালোচনায় পড়েন বিচারপতি সিনহা।

পরের মাসে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হলে তাতে বিচারপতি সিনহার ৪০০ পৃষ্ঠার পর্যবেক্ষণ দেখে শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক। সাবেক প্রধান বিচারপতি বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ওই রায়কে ‘ভ্রমাত্মক’ বলেন।

ওই পর্যবেক্ষণে সংসদ ও সরকার এবং জাতির জনককে খাটো করা হয়েছে অভিযোগ তুলে বিচারপতি সিনহার পদত্যাগের দাবি তোলে আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা; অন্যদিকে বিএনপি প্রধান বিচারপতির পক্ষে দাঁড়ায়।

সেই সময়ের কথা তুলে ধরে বিচারপতি সিনহা তার বইয়ে লিখেছেন, “আপিল বিভাগের রায়ের পর ১৩ সেপ্টেম্বর পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব পাস করা হয়, যেখানে সুপ্রিম কোর্টের রায় বাতিলের জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়। পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী, তার দলের লোকজন এবং সরকারের মন্ত্রীরা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আইনমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ আনতে থাকেন।”

বিচারপতি সিনহা অভিযোগ করেছেন, ওই সময় তাকে তার বাসভবনে আটকে থাকতে হয়। আইনজীবী ও বিচারপতিদেরকে তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছিল না। সংবাদমাধ্যমকে বলা হচ্ছিল- তিনি অসুস্থ, ছুটির আবেদন করেছেন।

“কয়েকজন মন্ত্রী বলছিলেন যে, আমি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাব। ২০১৭ সালের ১৪ অক্টোবর আমি যখন দেশ ছাড়তে বাধ্য হলাম, একটি বিবৃতি দিয়ে আমি বিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা করলাম যে আমি অসুস্থ নই, চিরতরে দেশ ছেড়েও যাচ্ছি না।

“আমি আশা করছিলাম, আদালতে আমার অনুপস্থিতি আর আদালতের নিয়মিত অবকাশের মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা থিতিয়ে আসার সুযোগ পাবে এবং সুবিবেচনার উদয় হবে, সরকার হয়ত ওই রায়ের মর্ম বুঝতে পারবে, তারা বুঝবে যে বিচারবিভাগের স্বাধীনতা রাষ্ট্র ও দেশের জন্যই দরকার।

“শেষ পর্যন্ত আমার পরিবার আর স্বজনরা যখন দেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, যাকে বলা হয় ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স, তাদের হুমকির মুখে পড়ল, তখন আমি বিদেশ থেকেই পদত্যাগপত্র জমা দিই।”

বিচারপতি সিনহার অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ডিজিএফআইয়ের পিআরএমসি বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বইটি তারা এখনো হাতে পাননি, সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

“তবে স্পষ্ট কথা হল, ডিজিএফআই কখনো কোনো ব্যক্তিকে হুমকি দেয় না বা এ ধরনের কোনো কাজও করে না।”

বইটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা বিভাগ। বুধবার রাতে বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠান প্রবাহে বিচারপতি সিনহা ওই সময়ের পরিস্থিতি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়েও কথা বলেন।

ওই সাক্ষাৎকারের অডিও বিবিসি বাংলার ফেইসবুক পেইজেও দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মতামত উপেক্ষা করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস

দেশের খবর: জাতীয় সংসদের ভেতরে-বাইরে বিভিন্ন পক্ষের আপত্তি, উদ্বেগ ও মতামত উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস করা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে বিলটি পাস হয়।

এই আইনে বলা হয়েছে, আইনটি কার্যকর হলে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল হবে। তবে এই আইনটিতেই বিতর্কিত ৫৭ ধারার বিষয়গুলো চারটি ধারায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশকে পরোয়ানা ও কারও অনুমোদন ছাড়াই তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই আইনে ঢোকানো হয়েছে ঔপনিবেশিক আমলের সমালোচিত আইন ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’। আইনের ১৪টি ধারার অপরাধ হবে অজামিনযোগ্য। বিশ্বের যেকোনো জায়গায় বসে বাংলাদেশের কোনো নাগরিক এই আইন লঙ্ঘন হয়, এমন অপরাধ করলে তাঁর বিরুদ্ধে এই আইনে বিচার করা যাবে।

এই আইনের অধীনে সংগঠিত অপরাধ বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে। অভিযোগ গঠনের ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। এ সময়ে সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়ানো যাবে। আইনে বলা হয়েছে, তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর বিধানাবলি কার্যকর থাকবে।

আইনে ডিজিটাল মাধ্যমে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ; মানহানিকর তথ্য প্রকাশ; ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত; আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো, অনুমতি ছাড়া ব্যক্তি তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে অপরাধে জেল জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্যও আইনের বেশ কিছু ধারা নিয়ে আপত্তি তুলেন। তবে সেসব আপত্তি টেকেনি।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বিলটি পাসের জন্য সংসদে তোলেন। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির ১১ জন ও স্বতন্ত্র একজন সাংসদ বিলটি নিয়ে জনমত যাচাই ও আরও পরীক্ষা-নীরিক্ষা করার প্রস্তাব দেন। তবে এর মধ্যে তিনজন সাংসদ উপস্থিত ছিলেন না। আর জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেন।

বিরোধী দলের সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, অংশীজনদের আপত্তি ও বিতর্কিত ধারাগুলো অপরিবর্তিত রেখে সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা খুবই উদ্বেগজনক। একদিকে বিলের ৮, ২৮, ২৯ ও ৩১ ধারার বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্বেগ ও মতামতকে উপেক্ষা করা হয়েছে। যা তাদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের ঝুঁকি সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে বিতর্কিত ৩২ ধারায় ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির ক্ষেত্রে ঔপনিবেশিক আমলের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-১৯২৩ অনুসরণের সুপারিশ করার দৃষ্টান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাব্যঞ্জক। নিবর্তনমূলক এই আইন সংযোজনের উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেন।

ফখরুল ইমাম বলেন, প্রস্তাবিত আইনের ৩২ ধারার অপপ্রয়োগের ফলে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী দুর্নীতি মানবাধিকার লঙ্ঘনজনিত আইনি অধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হবে। ফলে এই ধরনের অপরাধের আরও বিস্তার ঘটবে। এ ছাড়াও অনুসন্ধানীমূলক সাংবাদিকতা ও যে কোনো ধরনের গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে। এটি আইনে পরিণত হলে তা সংবিধানের মূল চেতনা, বিশেষ করে মুক্ত চিন্তা, বাক স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করবে। ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে নাগরিকদের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তি কল্যাণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন নিশ্চিতের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে প্রস্তাবিত আইনটি তাতে বাধা সৃষ্টি করবে। গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের ভূমিকা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে। গণমাধ্যমসহ সকল নাগরিকের সমস্ত ধরনের ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে সরকারকে সহযোগিতা প্রদান এবং বাধাহীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারে তার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব করেন।

বিরোধী দলের সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারি বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মতামত ও চিন্তার স্বাধীনতার যে কথা বলা হয়েছে, এই আইন হবে তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করা হলেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেক জায়গায় ৫৭ ধরার ভীতি আরও বেশিভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে অনেক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার প্রতিকারে কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। বিরোধী দলের এই সাংসদ বলেন, সম্পাদকদের উদ্বেগের বিষয়ে সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা দেওয়া হলেও আইনে তা প্রতিফলিত হয়নি। এই আইন গণমাধ্যমকে ক্ষুব্ধ করবে। নির্বাচনের আগে সমাজের এ রকম একটি বিশাল প্রগতিশীল অংশকে ক্ষুব্ধ করা ঠিক হবে না।

নুরুল ইসলাম মিলন, নুর ই হাসনা লিলি চৌধুরী, মাহজাবিন মোর্শেদ, রওশন আরা মান্নান ও শামীম হায়দার পাটোয়ারি, মোহাম্মদ নোমান বিলটি নিয়ে জনমত যাচাই ও আরও পরীক্ষা নীরিক্ষা করার প্রস্তাব দেন।

কাজী ফিরোজ রশীদ তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাহার করে বলেন, সময়োপযোগী বিলটি আরও আগে আসা উচিত ছিল। প্রচুর যাচাই বাছাই হয়েছে, কালক্ষেপণ না করে আইনটি পাস করা হোক।

সাংসদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, ‘সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট দেখলে দেখা যাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কী পরিমাণ আলোচনা করেছি। আইনমন্ত্রী যে কতবার তাদের সঙ্গে বসেছেন, পরামর্শ নিয়েছেন। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। যেটা সংসদে উত্থাপিত বিল ও সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনের সঙ্গে তুলনা করলে স্পষ্ট হবে। তারা যেসব বিষয়ে একমত হয়েছেন তাসহ যেসব জায়গায় যে ধরনের সংশোধন করা দরকার আমরা করেছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সম্পাদক পরিষদ নেতৃবৃন্দ সংসদীয় কমিটি ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে যে কথাগুলো বলেছেন, তা সম্ভবত ভুলে গিয়েছেন। না হলে এই বিল সম্পর্কে তাদের সমালোচনার অবস্থান বিরাজ করে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার উপায়টি এই আইন খুলে দেবে।’

মোস্তফা জব্বার বলেন, সাংবাদিকেরা ৩২ ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেখানে তারা গুপ্তচরবৃত্তির কথা বলেছিলেন-সংসদীয় কমিটি সেটাকে সংশোধন করে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের কথা বলেছেন। এই আইনের অপপ্রয়োগের নজির নেই।

মোস্তফা জব্বার দাবি করেন, তাঁরা সাংবাদিকদের সামনে সব উপস্থাপন করেছেন। তাঁদের কথা অনুসারে যেসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন দরকার তার সবই করেছেন। সংবাদপত্র দমন বা নিয়ন্ত্রণের জন্য এই আইন নয়। এই আইন কেবল ডিজিটাল অপরাধ দমন করার জন্য।

ভবিষ্যতে ডিজিটাল যুদ্ধ হবে উল্লেখ করে মোস্তফা জব্বার বলেন, এই যুদ্ধে যদি রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা দিতে না পারি, রাষ্ট্র যদি বিপন্ন হয় তাহলে অপরাধটা আমাদেরই হবে। আমরা তা হতে দিতে পারি না।

মোস্তফা জব্বার বলেন, ‘এই আইনটি বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক আইন। আমরা একটি ঐতিহাসিক কাজের সাক্ষী হয়ে সংসদে থাকছি।’
পরে জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। তবে ফখরুল ইমামের দেওয়া একটি সংশোধনী গৃহীত হয়। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এই আইন কার্যকর হলে তথ্যও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা বাতিল হবে। তবে এসব ধারায় বিচারাধীন মামলা এসব ধারাতেই চলবে।

গত ২৯ জানুয়ারি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া অনুমোদন করেছিল মন্ত্রিসভা। তখন থেকে এই আইনের বেশ কয়েকটি ধারা নিয়ে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পক্ষ আপত্তি জানিয়ে আসছে। সম্পাদক পরিষদ এই আইনের ৮টি (৮,২১, ২৫,২৮, ২৯,৩১, ৩২ ও ৪৩) ধারা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছিল। সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এসব ধারা বাক্স্বাধীনতা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে বাধা হতে পারে। এ ছাড়া ১০টি পশ্চিমা দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকেরা এই আইনের ৪টি ধারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ৯টি ধারা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছিল।

আপত্তির মুখে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে। এই প্রেক্ষাপটে গত ৯ এপ্রিল বিলটি পরীক্ষার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠায় সংসদ। সাংবাদিকদের তিনটি সংগঠন সম্পাদক পরিষদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বিলটি নিয়ে দুই দফা বৈঠক করে সংসদীয় কমিটি। প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আইনে বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। যে ধারাগুলো নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের আপত্তি ছিল, তার কয়েকটিতে কিছু জায়গায় ব্যাখ্যা স্পষ্ট করা, সাজার মেয়াদ কমানো এবং শব্দ ও ভাষাগত কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালের দুর্দান্ত সূচনা

খেলার খবর: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা ধরে রাখার অভিযানের শুরুটা দুর্দান্ত হল রিয়াল মাদ্রিদের। ইতালিয়ান ক্লাব রোমাকে হারিয়ে ৩-০ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।

বুধবার রাতে সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ের নিজেদের মাঠে ম্যাচের পুরোটা সময় দাপটের সঙ্গে খেলে হুলেন লোপেতেগির দল। অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণ করতে রিয়াল। প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে ইসকোর গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফ্রি কিক থেকে আসে স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ডের গোলটি।

পরে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে সাফল্যের দেখা পান বেল। মদ্রিচের বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে জালে পাঠান এই উইঙ্গার। এরপর অতিরিক্ত সময়ের দুর্দান্ত এক গোলে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেন বেলের বদলি নামা মারিয়ানো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন তালাক শাস্তিযোগ্য অপরাধ: ভারতে নির্বাহী আদেশ

বিদেশের খবর: মুসলিম সমাজের মধ্যে প্রচলিত তিন তালাক প্রথাকে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বুধবার একটি অর্ডিন্যান্স বা নির্বাহী আদেশ জারি করেছে।

তিনবার তালাক উচ্চারণ করে স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদ দিলে এই আইন অনুযায়ী মুসলিম পুরুষদের তিন বছরের জেল ও আর্থিক জরিমানার বিধান থাকছে। তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর খোরপোষ পাওয়ারও অধিকার থাকবে।

গত বছরের অগাস্টে এক ঐতিহাসিক রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাককে বেআইনি ও অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু এ ব্যাপারে আইন প্রণয়নের ভার তারা ছেড়ে দিয়েছিল সরকারেরই ওপর।

এরপর এই প্রথাকে শাস্তিযোগ্য করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ‘দ্য মুসলিম উইমেন প্রোটেকশন অব রাইটস ইন ম্যারেজ অ্যাক্ট’ নামে একটি বিলও আনে, যা সাধারণভাবে ‘তিন তালাক বিল’ নামেই পরিচিতি পায়।

গত বছরের ডিসেম্বরে ওই বিলটি ভারতীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় পাস হয়ে গেলেও রাজ্যসভায় সেটি বিরোধীদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে।

অনেক বিরোধী দলের নেতাই যুক্তি দেন, ভাল করে খুঁটিয়ে দেখার জন্য বিলটিকে একটি সংসদীয় সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো উচিত।

ওই বাধার মুখে বিলটি পাস করাতে না-পেরে সরকার এখন ঘুরপথে সেটিকে অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে আইনে পরিণত করল। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভারতের আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ এরপর বিরোধী কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, “তাদের দলের সর্বোচ্চ নেত্রী একজন মহিলা (সোনিয়া গান্ধী), তা সত্ত্বেও নিছক ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির জন্য তারা পার্লামেন্টে আইন করে এই বর্বর প্রথা বন্ধ করতে রাজি হলেন না, সেটাই আশ্চর্যের ও দু:খের।”

তবে পার্লামেন্টে যে বিলটি আনা হয়েছিল, তার তুলনায় এদিন আনা অর্ডিন্যান্সে শাস্তির বিধান বেশ কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

মূল বিলটিতে ছিল তিন তালাক হয়েছে বলে অভিযোগ যে কেউ আনতে পারেন, এমন কী প্রতিবেশীরাও। অর্ডিন্যান্সে অবশ্য বলা হয়েছে কেবল মাত্র তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ও তার রক্ত সম্পর্কের আত্মীয়রাই অভিযোগ আনতে পারবেন।

এমন কী, তিন তালাক দেওয়া স্বামী যদি আপষ মীমাংসায় রাজি থাকেন, তাহলে স্ত্রী-র সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ারও সুযোগ থাকছে অর্ডিন্যান্সে।

অভিযুক্ত স্বামীর এর আগে জামিন পাওয়ারও কোনও সুযোগ ছিল না। কিন্তু অর্ডিন্যান্সটি বলছে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর বক্তব্য শোনার পর বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে অভিযুক্তের জামিন মঞ্জুর করতে পারবেন।

কংগ্রেস এর আগে সরকারকে জানিয়েছিল, তারা পার্লামেন্টে বিলটিকে সমর্থন করতে রাজি – যদি কথা দেওয়া হয় যে তিন তালাক দেওয়ার অভিযোগে কোনও স্বামীর জেল হলে সে সময় তার স্ত্রীর আর্থিক ভরণপোষণের দায়িত্ব সরকারই নেবে।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকার অবশ্য সে প্রস্তাব মেনে নেয়নি। তবে বিলের সমর্থনে তারা বেশির ভাগ রাজ্য সরকারের সমর্থন পেয়েছে বলেই দাবি করছে।

আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ এদিন আরও বলেছেন, শুধুমাত্র ভারতের মুসলিম নারীদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তার কথায়, “এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই জেন্ডার জাস্টিস (সব লিঙ্গের জন্য ন্যায়) নিশ্চিত করার জন্য, এর সঙ্গে ধর্ম বা ভোটের রাজনীতির কোনও সম্পর্কই নেই।”

এর আগে ভারতের বেশ কয়েকজন মুসলিম নারী একযোগে তিন তালাক নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।

তাদের বক্তব্য ছিল, শুধু মুখে তিনবার তালাক উচ্চারণ করেই নয়, অনেক সময় ফোনে, হোয়াটসঅ্যাপে বা এসএমএস পাঠিয়েও তালাক দেওয়ার ঘটনা ঘটছে – আর তা চরম দুর্বিষহ অবস্থায় ফেলে দিচ্ছে বিবাহ বিচ্ছেদের শিকার ওই নারীদের।

তবে সুপ্রিম কোর্ট এই প্রথাকে অসাংবিধানিক ঘোষণার পরও এই ধরনের ‘ইনস্ট্যান্ট’ বা তাৎক্ষণিক তালাক পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি।

গত অগাস্টে ওই রায় আসার পরও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত সত্তরটি এ ধরনের ঘটনার খবর এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মর্যাদার লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয়

খেলার খবর: এশিয়া কাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলো রোহিত বাহিনী। পাকিস্তানের দেয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১২৬ বল বাকি থাকতেই দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। শুরুতেই তারা পড়ে বড় বিপদে। স্কোর বোর্ডে ৩ রান উঠতেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে সরফরাজ আহমেদের দল। শেষপর্যন্ত ভারতীয় বোলারদের তোপে ১৬২ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান, ইনিংসের ৪১ বল বাকি থাকতে।

ভুবনেশ্বরকে আক্রমণ করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরমুখী হন ইমাম উল হক (২)। এরপর ফাখর জামানও ভুল করে বসেন। ভারতীয় পেসারকে তুলে মারতে গিয়ে ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের ক্যাচ হন তিনি, রানের খাতা না খুলেই।

তৃতীয় উইকেটে বিপদ কিছুটা সামলে উঠেছিলেন বাবর আজম আর শোয়েব মালিক। তাদের ৮২ রানের জুটিটি ভাঙার পর আবার যেন তাসের ঘর পাকিস্তান।

বাবর ৪৭ রান করে কুলদ্বীপ যাদবের বলে বোল্ড। এরপর ছক্কা মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে মনিশ পান্ডের দুর্দান্ত ক্যাচ হয়েছেন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ (৬)।

পাকিস্তানের অবস্থা আরো খারাপ হয় শোয়েব মালিক ৪৩ রানে রানআউটের ফাঁদে পড়লে। কিছুক্ষণ পরই আউট হয়ে যান এক বল আগেই বড় ছক্কা হাঁকানো আসিফ আলি (৯)।

শেষদিকে ফাহিম আশরাফ আর মোহাম্মদ আমির দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আশরাফ ২১ রান করে আউট হন। আমির অপরাজিত ছিলেন ১৮ রান নিয়ে।

ভারতের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন কেদর যাদব আর ভুবনেশ্বর কুমার। জাসপ্রিত বুমরাহর শিকার ২টি।

পাকিস্তানকে ধসিয়ে দিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার ও কেদার যাদব। উভয়ই নেন ৩টি করে উইকেট। যোগ্য সহযোদ্ধার মতো এ দুইজনকে সমর্থন দেন জাসপ্রিত বুমরাহ। তার শিকার ২ উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদ আলী সুমন ও সাধারণ সম্পাদক একেএম তৌহিদুর রহমান শাইন স্বাক্ষরিত এক পত্রে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন- সভাপতি মহানন্দ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্যা আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান (মির্জা), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কমলেশ সরকার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সোলাইমান হোসেন কাজল, স্থাণীয় উন্নয়ন সম্পাদক মোঃ রোকনুজ্জামান সরদার, পরিবহন হাফিজুল ইসলাম গাজী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহাজান গাইন, কৃষি সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক কবির সরদার, আইন বিষয়ক সম্পাদক শামীম অক্তার মুকুল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শেখ হুমায়ুন কবির, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শ্যামল কুমার মন্ডল, শিক্ষা ও মানব সম্পাদক বিষয়ক সম্পাদক পবন কুমার সরকার, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হায়দার আলী, সাংস্কৃতি সম্পাদক রুহুল আমিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মল্লিকা রাণী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহীদ আলাউদ্দীন এর হত্যার দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে  মানববন্ধব

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় কদমতলা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা শহীদ স. ম আলাউদ্দীন এর হত্যাকারীদের দ্রত বিচার ও ফাসির দাবিতে মানববন্ধব ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে কদমতলা বাজারস্থ বৈকারী সড়কে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও সমাবেশে কদমতলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সেলিম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিল্লুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক পত্রদূতের বার্তা সম্পাদক এস এম শহীদুল ইসলাম, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, সেলিম হোসেন, সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম, ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দীন, জেলা সৈনিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম, বল্লী ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শামীম আক্তার, আগরদাড়ি ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন বয়াতী, আগরদাড়ি ইউপি সদস্য এরশাদ আলী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান, ইকরামুল কবির, আব্দুল হাকিম, আশিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের আগরদাড়ি ইউনিয়নের কবিরুল ইসলাম, মোমিন, রবিউল ইসলাম, আবুল কালাম, বাবলু, খায়রুল, বাবুল, আসাদুল, আসারুল, সোহেল, শফিকুল, নুর ইসলাম, শাহীনুর, মিঠু, শওকত, জাহিদ, রফিকুল সহসকল পেশাজীবীবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ স .ম আলাউদ্দীন ছিলেন সাতক্ষীরার গর্ব। তিনি ছিলেন ভোমরাস্থল বন্দরের প্রতিষ্ঠাতা, আধুনিক সাতক্ষীরার রুপকার। তিনি পত্রিকা অফিসে কর্মরত অবস্থায় কিছু দুস্কৃতিকারীদের গুলিতে নিহত হন। তাঁর বিচারিক কার্যক্রম এখনও চলমান। স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহন প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুনিরা এখনও স্বোচ্চার রয়েছে যাতে করে স্বাক্ষীরা স্বাক্ষ্য দিতে না পারে। সমাবেশে বক্তারা খুনিদের খুজে বের করে দ্রুত বিচার কার্যকর ও ফাঁসির দাবি জানান। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest