আজ নেপালকেও উড়িয়ে দেয়ার আশায় মারিয়ারা

খেলার খবর: মুকুট ধরে রাখার লক্ষ্যে সাফ অনুর্ধ-১৫ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত শুরু করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে উড়িয়ে দেয়ার পর এক ম্যাচ হাতে রেখেই সেমিফাইনাল খেলা নিশ্চিত হয়েছে মারিয়া, আঁখিদের।

ভুটানের থিম্পুতে চলমান আসরে আজ নিজেদের গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের দল। ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নেপাল। ম্যাচটি হবে থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে। দু’দলেরই ইতোমধ্যে শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হয়েছে। যে কারণে ম্যাচটির ফলাফলের মধ্য দিয়ে নির্ধারণ হবে কোন্ দল গ্রুপ সেরা হবে। এক্ষেত্রে এগিয়ে আছে বাংলাদেশের কিশোরীরা। পাকিদের গোলবন্যায় ভাসানোর কারণে ম্যাচটি ড্র করলেই গ্রুপের শীর্ষস্থান পাবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। আর তাই গ্রুপসেরা হতে হলে জয়ের বিকল্প নেই নেপালের।

কিন্তু বাংলাদেশ কোন ছাড় দিতে রাজি নয় প্রতিপক্ষকে। সেমি নিশ্চিত হলেও নেপালকে হারানোর প্রত্যয় পুরো দলের। গত আসরেও নেপালকে সহজে হারিয়েছিল বাংলার মেয়েরা। এবারও অভিন্ন লক্ষ্য। শামসুন্নাহার, তহুরারা পাকিস্তানের মতো নেপালকেও উড়িয়ে দিতে আত্মবিশ্বাসী। শক্তি, সামর্থ্য ও পরিসংখ্যানে স্পষ্ট ফেবারিট বাংলাদেশ। নেপাল যেখানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র চার গোলে জিতেছে সেখানে বাংলাদেশের জয় চৌদ্দ গোলে। বাস্তবতা বুঝতে পেরে নেপালও বাংলাদেশকে ফেবারিট বলছে। ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে সেমিফাইনালে স্বাগতিক ভুটানের বিরুদ্ধে খেলার সম্ভাবনা বেশি বাংলাদেশের। কেননা ‘এ’ গ্রুপের সেরা হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছে গতবারের রানার্সআপ ভারত। ‘এ’ গ্রুপ থেকে ইতোমধ্যে ভারত ও ভুটানের সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত হয়েছে।

ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। তিনি বলেন, আমাদের দলের অবস্থা সবদিক দিয়ে ভাল। সবাই শতভাগ ফিট আছে। সবার মনে একটাই চাওয়া, জিততে হবে। আমরা জয় ছাড়া কিছুই ভাবছি না। স্ট্রাইকার তহুরা খাতুন বাংলাদেশের আক্রমণভাগে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছেন। গত বছর এই আসরে নেপালের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করার স্মৃতি স্মরণ করে তহুরা বলেন, আমি গত সাফে নেপালের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেছিলাম। এ বছর প্রথম ম্যাচে দুই গোল করেছি। এই ম্যাচেও গোল করে বাংলাদেশের জয়ে অবদান রাখতে চায়। তবে নেপাল পাকিস্তানের চেয়ে ভাল দল। দলটিতে বেশ কয়েকজন ভাল ফুটবলার আছে।

প্রতিপক্ষ নেপাল সবদিক দিয়েই বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে। বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন দলটির কোচও। নেপাল কোচ বলেন, বাংলাদেশ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। দলটি অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রতিটি পজিশনই ব্যালেন্সড। তবে আমাদেরও বেশ কিছু ভাল খেলোয়াড় আছে। জয়ের জন্যই খেলবে আমার মেয়েরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রের সেই বিমান ছিনতাইকারীর শেষ কথোপকথন প্রকাশ!

বিদেশের খবর: যুক্তরাষ্ট্রে গত শুক্রবার আলাস্কা এয়ারলাইন্সের একটি খালি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। তবে বড় কোনও বিপদের আগেই সামরিক বাহিনী বিমানটির পিছু নেয়। এমনকি এক পর্যায়ে সেটি বিধ্বস্ত হয়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৯ বছর বয়সী ওই ছিনতাইকারী তাদেরই কর্মী। স্থানীয় বাসিন্দা। ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
ভেঙে পড়ার আগে কন্ট্রোল রুমের কর্মীদের সঙ্গে ওই যুবকের কথাবার্তার একটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে তাকে রিচ বলে সম্বোধন করা হচ্ছিল।
তবে ঘটনাটি সন্ত্রাসের নয় বলেই ধারণা করছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর তারা জানায়, ওই যুবক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। কন্ট্রোল রুমের কর্মীদের কাছে সে কথা স্বীকারও করে সে।
বিমানের জ্বালানি ফুরিয়ে আসছে বলে এক সময় আশঙ্কাও প্রকাশ করে। কর্মীদের বলে, ‘আমি কারও ক্ষতি চাই না। অনেকে আমায় ভালোবাসেন। আমি এমন ঘটিয়েছি জানলে তারা হতাশ হবেন। আমায় পাগল ভাববেন। আমি সত্যিই ভেঙে পড়েছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেই দেশ থেকে এসেছেন, সেই দেশ স্বীকার করলেই ফেরত

বিদেশের খবর: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আসামের জাতীয় নাগরিকত্ব নিবন্ধনের (এনআরসি) জন্য কোনো ভারতীয়কে দেশ ছাড়তে হবে না। সবাইকে নাগরিকত্ব প্রমাণের সুযোগ দেয়া হবে। বাদ পড়াদের মধ্যে যারা যে দেশ থেকে ভারতে এসেছেন, সেই দেশ নাগরিক হিসেবে স্বীকার করলে তবেই তাদের জন্মভূমিতে ফেরত পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, এমনটা ভাবার কারণ নেই যে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে না পারলেই তাদের পুশব্যাক করা হবে।
আসামের এনআরসি নিয়ে এই প্রথম মুখ খোলেন নরেন্দ্র মোদী। গত ৩০ জুলাই প্রকাশিত হয়েছে আসামের জাতীয় নাগরিকত্ব নিবন্ধনের খসড়া। চল্লিশ লাখ অসমীয়ের নাম সেই খসড়াতে নেই। বাদ পড়া এসব ভারতীয়রা চরম উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।
শনিবার সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মোদি বলেন, যারা নিজেদের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন, জনসমর্থন হারানোর ভয় করছেন এবং যাদের গণতন্ত্র ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা নেই, তারাই গৃহযুদ্ধ, রক্তস্নানের মতো শব্দ ব্যবহার করতে পারেন, যারা ভারতের নাড়ির স্পন্দন থেকে বিচ্ছিন্ন।
তিনি বলেন, এনআরসি রাজনীতির জন্য নয়, সাধারণ মানুষের জন্য। কিন্তু সেটা নিয়ে কেউ রাজনীতি করলে তা দুর্ভাগ্যজনক। কংগ্রেস এবং তৃণমূল সেটাই করছে। কয়েক দশক ধরে কংগ্রেস বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্নটি জিইয়ে রেখেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অধিনায়ক হয়েই শিরোপা জিতলেন মেসি

খেলার খবর: আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার বিদায়ের পর মাত্র কয়েকদিন আগে বার্সেলোনার অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন। জাতীয় দলে ব্যর্থ হলেও প্রিয় ক্লাবের জার্সিতে প্রথম সুযোগেই শিরোপা জিতলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। এবারই প্রথম স্প্যানিশ সুপার কাপ হলো স্পেনের বাইরে। এই প্রথম দুই লেগের পরিবর্তে লড়াইটা হলো এক ম্যাচের। মরক্কোর তানজিয়ারে রবিবার রাতের এই লড়াইয়ে ২-১ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা।
ম্যাচের ৯ম মিনিটে লুইস মুরিয়েলের কাছ থেকে বল পেয়ে সেভিয়াকে এগিয়ে দেন পাবলো সার্বিয়া কিন্তু রেফারি শুরুতে অফসাইডের জন্য গোল বাতিল করেন। পরে রিপ্লে দেখে গোলের বাঁশি বাজান তিনি। ১৬তম মিনিটে লিওনেল মেসির বুলেট গতির শট ঠেকিয়ে দেন সেভিয়া গোলকিপার। ২ মিনিট পর ব্যর্থ করে দেন জর্দি আলবার চেষ্টা। ২৭তম মিনিটে মেসি আর ৩৮তম মিনিটে সুয়ারেস দুটি সুযোগ মিস করেন।
৪২তম মিনিটে বার্সেলোনাকে সমতায় ফেরান জেরার্ড পিকে। মেসির ফ্রি কিক পোস্টে লাগলে সুযোগ এসে যায় এই ডিফেন্ডারের সামনে। সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেননি তিনি। ৭৮তম মিনিটে খুব কাছে থেকে মেসির শট ফিরিয়ে দেন সেভিয়া গোলকিপার। তিন মিনিট পরেই বার্সেলোনাকে জয়সূচক গোলটি উপহার দেন বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য উসমান দেম্বেলে। অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি পেলেও সেটা কাজে লাগাতে পারেনি সেভিয়া।
এই নিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের ১৩তম শিরোপা জিতল বার্সেলোনা। গতবার তাদের হারিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দশম শিরোপা জিতেছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুবলিই এখন ঢাকাই ছবির সুপারস্টার

বিনোদন সংবাদ: চলচ্চিত্রে জুটিবদ্ধ নায়ক-নায়িকা দেখতেই পছন্দ করেন সিনেমাপ্রেমীরা। হলিউডের ব্র্যাঞ্জেলিনা, বলিউডের শাহরুখ-কাজল এবং ঢালিউডের সালমান শাহ-শাবনুরকে আজও মনে রাখার কারণ হয়তো সেটাই। সালমান-শাবনুরের অনেক কাল পর ঢালিউডে আবারও গড়ে উঠেছে নতুন একটি জুটি। শাকিব-বুবলী। সম্প্রতি সেই জুটিকে নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন শঙ্কা। শাকিবের নতুন ছবির নায়িকা হচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া। এ খবর প্রকাশের পর চলচ্চিত্রের একটি পক্ষ বলছে, তাহলে কী ভেঙে যাচ্ছে শাকিব-বুবলীর জুটি?
বাংলাদেশের এ সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে সম্প্রতি জুটি বাঁধলেন হালের আলোচিত নায়িকা নুসরাত ফারিয়া। ‘শাহেনশাহ’ নামের নতুন ওই ছবিটি পরিচালনা করবেন শামীম আহমেদ। ছবিতে নুসরাত ফারিয়া ছাড়াও আরেকজন নায়িকা অভিনয় করবেন। অক্টোবরে ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

চলচ্চিত্রের একটি পক্ষ যখন জুটি ভাঙার শঙ্কায়, তখন শাকিব-বুবলী শুটিং করছেন ব্যাংককে। সেখানে চলছে ঈদে মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি ‘ক্যাপ্টেন খান’-এর শুটিং। ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত এই ছবির গানের শুটিংয়ের জন্য ৬ আগস্ট দল বেঁধে ব্যাংকক গেছেন শাকিব-বুবলী। আজ সোমবার তাঁদের দেশে ফেরার কথা। এরপর ছবিটি সেন্সর ছাড়পত্রের জন্য জমা দেওয়া হবে।
জুটি ভাঙার শঙ্কাকে তুড়ি দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন শাকিব খান। মোবাইলে ব্যাংকক থেকে বলেন, ‘বুবলীই তো এখনকার সুপারস্টার। তাঁর ছবি তো একের পর এক সুপারহিট হচ্ছে। তাঁর ছবির গানগুলোও মানুষের মুখে মুখে। এখানে জুটি ভাঙার প্রশ্ন এল কেত্থেকে!’

দেড় যুগের অভিনয় জীবনে শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে অনেকেই কাজ করেছেন। বেশির ভাগ ছবিতে শাকিব খানের বিপরীতে যাঁরা নায়িকা হয়েছেন, সবাই আলোচনায় এসেছেন। এ তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন শবনম বুবলী। সংবাদ পাঠিকা থেকে চলচ্চিত্রে নাম লেখানো বুবলী প্রথম ছবিতে নায়ক হিসেবে পেয়েছেন শাকিব খানকে। ‘বসগিরি’ নামের সেই ছবি আলোচিত হয়। এরপর শাকিবের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন ‘শুটার’ ছবিতে। ‘বসগিরি’ ও ‘শুটার’ ছবি দুটির পর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি হিসেবে সবচেয়ে বড় নির্ভরতার নাম হয়ে উঠেছে বুবলী। এই জুটি পেয়েছে জনপ্রিয়তা, গড়ে উঠেছে এই জুটির দর্শকও।

১৯৯৯ সালের ২৮ মে মুক্তি পাওয়া ‘অনন্ত ভালোবাসা’ ছবি দিয়ে শাকিব খান জুটি বাঁধেন ইরিন জামানের সঙ্গে। সোহানুর রহমান সোহানের এই ছবি দিয়ে পর্দায় অভিষেক হলেও একই বছরে শাকিব প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান আফতাব খান টুলু পরিচালিত ‘সবাই তো সুখী হতে চায়’ চলচ্চিত্রে। এই ছবিতে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেন নবাগত কারিশমা শেখ নামের একজন নায়িকা। শাকিব ও ইরিনের প্রথম ছবি ‘অনন্ত ভালোবাসা’ সাফল্যের মুখ না দেখলেও নায়ক শাকিব খান ঠিকই সবার নজর কাড়তে সক্ষম হন।

১৯ বছর পরিশ্রমের পর শাকিব খান দেশের সিনেমার এক নির্ভরতার নাম। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অনেক নায়িকা তাঁর বিপরীতে নায়িকা হয়ে পর্দায় এসেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত জুটি হিসেবে শাকিবের সঙ্গে দর্শকেরা অপুকেই বেশি দেখেছেন। গত এক দশকে তাঁরা দুজন একসঙ্গে প্রায় ৬৫টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এফ আই মানিক পরিচালিত ‘কোটি টাকার কাবিন’ এ জুটির প্রথম সিনেমা। শাকিব খানের নায়িকাদের মধ্যে রয়েছেন মৌসুমী, শাবনূর, পপি, পূর্ণিমা, কেয়া, রত্না, মিম, বিন্দু, শখ, রোমানা, সিমলা, মুনমুন ও ববি।

দেশের বাইরের নায়িকাদের মধ্যে শাকিবের সঙ্গে অভিনয় করেছেন স্বস্তিকা, শ্রাবন্তী, পাওলি দাম, শুভশ্রী, পায়েল ও সায়ন্তিকা। তবে শাকিবের ছবিতে ঘুরেফিরে একটি নাম আছে, তা হচ্ছে বুবলী। নির্মাতাদের মধ্যে যাঁরাই শাকিবকে নিয়ে ছবি করছেন, নায়িকা হিসেবে বুবলীকেই চাইছেন তাঁরা। তাঁদের মতে, শাকিব খানের সঙ্গে বুবলীই এখন সেরা পছন্দ। তাঁদের ছবি মানেই দর্শকদের জন্য বাড়তি আগ্রহের বিষয়।

এদিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র বুকিং এজেন্ট সমিতি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এক যুগ ধরেই শাকিব খানের ছবি ব্যবসায়িকভাবে সফল। শাকিবের ছবি মানেই প্রেক্ষাগৃহ মালিকদের লাভ। সমিতির পক্ষে সারোয়ার আলী ভূইঁয়া বলেন, আগে শাকিব খানের সঙ্গে অপু বিশ্বাসের ছবি দর্শকেরা দেখতে ছুটে আসতেন। দুই বছর ধরে সেই জায়গাটা এখন শাকিব-বুবলীর।

নব্বইয়ের দশক থেকে এ দেশের চলচ্চিত্র দাপিয়ে বেড়ানো নায়িকারা হলেন শাবনাজ, শাবনূর, মৌসুমী, পপি ও পূর্ণিমারা। ২০০৬ সালে আমজাদ হোসেনের ‘কাল সকালে’ ছবির মাধ্যমে দেখা মেলে অপু বিশ্বাসের। আর ২০১২ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার আবিষ্কার হিসেবে ঢালিউডে আসেন মাহিয়া মাহী। তারপর অনেকেই এসেছেন ক্ষণিকের আলো জ্বেলে, আবার নিভু নিভু অবস্থানে চলে গেছেন। হঠাৎ করেই জমকালো এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পরিচালক শামীম আহমেদ রনি সবার সামনে নায়িকা হিসেবে হাজির করালেন শবনম ইয়াসমীন বুবলীকে। ২০১৬ সালে খান ফিল্মসের ব্যানারের আবিষ্কার এই নায়িকাই এখন পর্যন্ত শাকিবের জুটি হয়ে সমানতালে উপহার দিয়ে যাচ্ছেন চমৎকার সব ছবি।
গত ঈদুল ফিতরে শাকিব-বুবলী জুটির দুটি ছবি দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। ছবিগুলো হচ্ছে ‘সুপারহিরো’ ও ‘চিটাগাংইয়া পোলা নোয়াখাইল্লা মাইয়া’। এর বাইরেও বুবলী অভিনীত ছবির মধ্যে আছে ‘রংবাজ’ ও ‘অহংকার’। চুক্তি হয়ে আছে শাকিব খানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ‘প্রিয়তমা’সহ নাম ঠিক না হওয়া নতুন আরেকটি ছবি। এসব ছবির কোনোটিতে বুবলীকে দেখা যাবে রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে, আবার কোনোটিতে অ্যাকশন গার্ল হিসেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পেল শিশু জিহাদের পরিবার

দেশের খবর: রাজধানীর শাহজাহানপুরে পাইপে পড়ে নিহত শিশু জিহাদের পরিবারকে আদালতের আদেশ অনুসারে ২০ লাখ টাকার ‘চেক ও পে অর্ডার’ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

রবিবার এ সংক্রান্ত রিট মামলার আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম ও জিহাদের বাবা নাসির উদ্দিন এ তথ্য জানান।

ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম বলেন, ফায়ার সার্ভিস ১০ লাখ টাকার পে-অর্ডার এবং রেলওয়ে ১০ লাখ টাকার চেক দিয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু ১৪ তারিখ (১৪ আগস্ট) আদালতে মামলাটির তারিখ রয়েছে। এর মধ্যে আমি হলফনামা না পাওয়া পর্যেন্ত বিষয়টি পরিষ্কার করতে পারবো না।

তবে জিহাদের বাবা নাসির উদ্দিন বলেন, গত ৬ তারিখ আমাকে চেক দিয়েছে। আমি ও আমার স্ত্রী খাদিজার নামে উত্তরা ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় যৌথ অ্যাকাউন্ট খুলেছি। গত বৃহস্পতিবার চেক জমা দিয়েছি। সোমবার ব্যাংকে যাবো টাকা জমা হয়েছে কিনা দেখবো।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহম্মেদ খান জানান, আদালতের আদেশ মোতাবেক জিহাদের পরিবারকে অর্থ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিকালে বাসার কাছে শাজাহানপুর রেলওয়ে মাঠের পাম্পের পাইপে পড়ে যায় জিহাদ। প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর ২৭ ডিসেম্বর বিকেল ৩টার দিকে জিহাদকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এরপর ২৮ ডিসেম্বর জিহাদের পরিবারের জন্য ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে ‘চিলড্রেন চ্যারিটি বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’র পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম হাইকোর্টে রিট করেন।

পরে ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শিশু জিহাদের পরিবারকে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

রুলের শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের রায়ে শিশু জিহাদের পরিবারকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে ১০ লাখ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষকে ১০ লাখ টাকা (মোট ২০ লাখ টাকা) ৯০ দিনের মধ্যে তার বাবা-মার কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতকে ইনিংস ব্যবধানে হারাল ইংল্যান্ড

খেলার খবর: ইংল্যান্ডের ইনিংসের এক পর্যায়ে তেমন একটা সুইং পাচ্ছিলেন না ভারতের পেসাররা। মনে হচ্ছিল ব্যাটিংয়ের জন্য ভালোর দিকে লর্ডসের উইকেট। তবে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতেই দেখা মিলল সুইংয়ের। তাতে উড়ে গেল অতিথিদের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপ। অনায়াসে জিতল ইংলিশরা।

দ্বিতীয় টেস্ট ইনিংস ও ১৫৯ রানে জিতেছে জো রুটের দল। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে স্বাগতিকরা এগিয়ে ২-০ ব্যবধানে।

প্রথম ইনিংসে ১০৭ রানে গুটিয়ে যাওয়া ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ১৩০ রান। চার দিনে শেষ হয়ে যাওয়া ম্যাচের প্রথম দিন মাঠে গড়ায়নি কোনো বল। পরের তিন দিনও বারবার বিঘ্ন ঘটে বৃষ্টির বাধায়।

ইংল্যান্ডকে আরেকবার ব্যাটিং করাতে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৯ রান করতে হতো ভারতকে। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় তার ধারে কাছে যেতে পারেনি বিরাট কোহলির দল।

আগের ইনিংসের মতো এবারও অতিথিদের দিক হারানোর শুরু মুরালি বিজয়ের উইকেট দিয়ে। টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো শূন্য রানে ফিরেন ভারতীয় ওপেনার। তার পর লোকেশ রাহুলকেও বিদায় করেন জেমস অ্যান্ডারসন।
বিজয়কে ফিরিয়ে প্রথম বোলার হিসেবে লর্ডসে টেস্টে একশ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন অ্যান্ডারসন।

সিরিজে আগের তিন ইনিংসে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে না পারা স্টুয়ার্ট ব্রড দারুণ বোলিংয়ে কাঁপিয়ে দেন ভারতের মিডল অর্ডার। চেতেশ্বর পুজারা, অজিঙ্কা রাহানের প্রতিরোধ ভাঙার পর তুলে নেন আরও দামি উইকেট। ফিরিয়ে দেন থিতু হয়ে যাওয়া কোহলিকে। পরের বলে ব্রড গোল্ডেন ডাকের স্বাদ দেন দিনেশ কার্তিককে।

৬১ রানে ৬ উইকেট হারানো ভারত এর পর পায় নিজেদের সেরা জুটি। সপ্তম উইকেটে ৫৫ রান যোগ করেন হার্দিক পান্ডিয়া ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ক্রিস ওকস তুলে নেন পান্ডিয়া ও ইশান্ত শর্মার উইকেট। মাঝে শূন্য রানে কুলদীপ যাদব ও মোহাম্মদ শামিকে বিদায় করেন অ্যান্ডারসন।

৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন অশ্বিন। প্রথম ইনিংসের মতো এবারও তিনি ভারতের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।
২৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের সেরা বোলার অ্যান্ডারসন। ব্রড ৪ উইকেট নেন ৪৪ রানে। সেঞ্চুরি আর দুই ইনিংস মিলিয়ে ৪ উইকেট ওকসকে এনে দেয় ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

এর আগে ৬ উইকেটে ৩৫৭ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড। রোববার স্বাগতিকরা খেলে মাত্র ৭.১ ওভার। স্যাম কারান আউট হতেই ৭ উইকেটে ৩৯৬ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেন জো রুট।

ওকসের সঙ্গে আগের দিনের ৩৭ রানের জুটিকে ৭৬ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পর বিচ্ছিন্ন হন কারান। দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় থাকা অলআরাউন্ড ফিরেন হার্দিক পান্ডিয়ার বলে মোহাম্মদ শামির হাতে ধরা পড়ে। ৪৯ বলে পাঁচ চার ও এক ছক্কায় কারান ফিরেন ৪০ রান করে।

১২০ রান নিয়ে দিন শুরু করা ওকস অপরাজিত থাকেন ১৩৭ রানে। তার ১৭৭ বলের ইনিংসটি গড়া ২১ চারে।

আগামী শনিবার ট্রেন্ট ব্রিজে শুরু হবে তৃতীয় টেস্ট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ভারত ১ম ইনিংস: ১০৭

ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: (তৃতীয় দিন শেষে ৩৫৭/৬) ৮৮.১ ওভারে ৩৯৬/৭ ডিক্লে. (কুক ২১, জেনিংস ১১, রুট ১৯, পোপ ২৮, বেয়ারস্টো ৯৩, বাটলার ২৪, ওকস ১৩৭*, কারান ৪০; ইশান্ত ১/১০১, শামি ৯৬/৩, কুলদীপ ০/৪৪, পান্ডিয়া ৩/৬৬, অশ্বিন ০/৬৮)

ভারত ২য় ইনিংস: ৪৭ ওভারে ১৩০ (বিজয় ০, রাহুল ১০, পুজারা ১৭, রাহানে ১৩, কোহলি ১৭, পান্ডিয়া ২৬, কার্তিক ০, অশ্বিন ৩৩*, কুলদীপ ০, শামি ০, ইশান্ত ২; অ্যান্ডারসন ৪/২৩, ব্রড ৪/৪৪, ওকস ২/২৪, কারান ০/২৭)

ফল: ইংল্যান্ড ইনিংস ও ১৫৯ রানে জয়ী

সিরিজ: পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ইংল্যান্ড ২-০তে এগিয়ে

ম্যান অব দা ম্যাচ: ক্রিস ওকস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় পল্লী বিদ্যুতের দালাল ত্রিদীব ও ইলেকট্রিশিয়ান রাম গ্রেফতার

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বৈদ্যুতিক সংযোগ দ্রুততার সাথে দেওয়ার নাম করে ৮০ জন নতুন গ্রাহকের কাছ থেকে ৬৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পরে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছে ধরা পড়েছে দালাল চক্রের দু’সদস্য। ভূক্তভোগী গ্রাহক ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মাস আগে তালার দোহার গ্রামের একটি এলাকায় দ্রুততার সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করে দেওয়ার নাম করে একটি লডের গ্রাহকদের কাছ থেকে মিটারের টাকা জমা দেওয়া বাবদ ৮০ জন গ্রাহকদের কাছ থেকে ৬৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেই ইলেকট্রিশিয়ান দোহার গ্রামের সত্য রঞ্জন চক্রবর্তির পুত্র রাম প্রসাদ চক্রবর্তি (৪১) ও জালালপুর গ্রামের নিতাই ঘোষের পুত্র ত্রিদীব কুমার ঘোষ (৩৯)। কিন্তু দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও গ্রাহকদের বৈদ্যুতিক সংযোগ না পাওয়ায় ত্রিদীব ও রাম প্রসাদকে তাগিদ দিতে থাকলে তারা বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসে মিটারের টাকা জমা দেওয়ার রশিদ চাইলে উক্ত চক্রটি অন্য একটি মিটারের টাকা দেওয়ার রশিদ কম্পিউটারের সাহায্যে স্ক্যানিং করে সিরিয়াল বসিয়ে ফটোষ্ট্যাট করে গ্রাহকদের হাতে তুলে দেয়। প্রায় মাস পার হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ না যাওয়ায় গ্রাহকরা সরাসরি সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসে যোগাযোগ করলে বলে আপনারা আগে টাকা জমাদেন। এসময় বেশকিছু গ্রাহক দালাল চক্রের দেওয়া ভূয়া রশিদ বের করে দিলে অফিস কর্তৃপক্ষে বুঝতে পারে এগুলো নকল। পরবর্তিতে গ্রাহকরা ত্রিদীব ও ওয়েরিং ম্যান রাম প্রসাদ কে চাপ দিলে তারা আতœগোপনে চলে যায়। গোপনে সংবাদ পেয়ে দোহারের বিদ্যুৎ প্রত্যাশি গ্রাহকরা দু’দালাল চক্রের সদস্যকে পাটকেলঘাটা বাজারের কাউন্সিল রোড থেকে ধরে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে নিয়ে আসলে গ্রাহকদের রোষানলে পড়ে ৬১ হাজার ৭৫০ টাকা ফেরৎ দিয়ে তাদের ভুল স্বীকার করে। ততক্ষণে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জেনে ও এধরনের সমিতির নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতারনা মূলক কর্মকান্ড করার জন্য দুজনে পুলিশে সোপর্দ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest