সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

২ কোটি টাকার ইয়াবাসহ সৌদিয়া বাস আটক

দেশের খবর: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চলাচলরত সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দামের ৩৯ হাজার ১’শ পিস ইয়াবাসহ যাত্রীবেশী ছয় মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
বুধবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৫ টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ এর স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়াত জামিল ফাহিম জানান, যাত্রী পরিবহনের আড়ালে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহাসড়কে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি চালায় র‌্যাব। এসময় ঢাকাগামী সৌদিয়া পরিবহনের বাস (চট্ট মেট্রো-ব ১১-১০৫৯) এর গতিবিধি সন্দেহজনক হলে র‌্যাব সদস্যরা উক্ত বাসটিকে থামানোর জন্য সংকেত দিলে গাড়িটি না থামিয়ে র‌্যাবের চেকপোস্ট অতিক্রম করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। র‌্যাব সদস্যরা গাড়িটি তাড়া করে ফেনীর রামপুর এলাকায় আটক করে।
বাসটি তল্লাশিকালে কুমিল্লার গয়েসপুর এলাকার খলিলুর রহমান (৫৭), কক্সবাজার জেলার পানখালী গ্রামের মো. রফিক (৪৬), সাতকানিয়া থানার চরকাগুলিয়া এলাকার মো. করিম (২৭), কুমিল্লার কালিকসার এলাকার মো. জাকির হোসেন মহসিন (৪৮), কক্সবাজার এর মহাজরপাড়া গ্রামের মো. পারভেজ উদ্দিন (৩০), রামুর খুনিয়া পালং এলাকার নবী হোসেনের স্ত্রী মোছা. মর্জিনা বেগম (৪৫) এর দেহ তল্লাশিকালে সাড়ে ৬ হাজার পিস এবং তাদের দেয়া তথ্যমতে আটককৃত বাসটির ড্রাইভিং সিটের নিচে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় আরো ৩২ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সর্বমোট ৩৯ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ উক্ত বাসটি জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ০১ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত বাসের আনুমানিক মূল্য ৮০ লক্ষ টাকা। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে জানায় র‌্যাব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
MTCL এর গাড়ি ৩৬টি, চলছে ৭টি

দেশের খবর: রাজধানীতে এমটিসিএল পরিবহনের ৩৬টি গাড়ি থাকলেও রাস্তায় চলছে মাত্র ৭টি। ৫২ সিটের এই গাড়িগুলো আরামবাগের নটরডেম কলেজের সামনে থেকে ছাড়ে। এটি মতিঝিল হয়ে সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, আসাদগেট ও মোহম্মদপুর টাউন হল পর্যন্ত যায়। প্রতিদিন এই রুটে ৩৬টি গাড়ি চলাচল করলেও সম্প্রতি ছাত্র বিক্ষোভের পর থেকে এখন মাত্র ৭টি গাড়ি এই রুটে চলাচল করছে। ফলে এই রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, ছাত্র বিক্ষোভের পর ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ চলছে। তাই রাস্তায় চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় রুট পারমিট ও চালকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় মালিকরা আপাতত গাড়ি রাস্তায় নামাচ্ছেন না।
বুধবার (৮ আগস্ট) দুসঙ্গে রাজধানীতে চলাচলের জন্য ২০১৮ সালের জুন মাসেই রুট পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সরকার রুট পারমিটের মেয়াদ আবারও বাড়াবে কিনা জানেন না মালিকরা। তাই নতুন পুরে রাকিব নামের একজন চালক জানান, রাজধানীতে এই গাড়ির সংখ্যা মোট ৩৬টি। কিন্তু বর্তমানে চলছে মাত্র ৭টি। কারণ জানতে চাইলে চালক রাকিব জানান, এই গাড়ির ফিটনেস নাই। একই করে কাগজপত্রও করতে পারছেন না তারা। এতদিন রুটে সংশ্লিষ্ট পুলিশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে এমটিসিএল গাড়ি চলাচল করেছে। কিন্তু ছাত্র বিক্ষোভের মুখে ডিএমপির বিশেষ পুলিশ সপ্তাহ চলাকালে ট্রাফিক বিভাগ আগের তুলনায় কড়াকড়িভাবে কাগজপত্র চেক করার কারণে মালিকরা গাড়ি নামাতে সাহস পাচ্ছেন না। তাই রাস্তায় গাড়ি কম।
চালক রাকিব বলেন, ‘যে গাড়িটি আমি চালাচ্ছি, তারও কোনও কাগজপত্র নেই। তারপরও খামখেয়ালি করে চালাচ্ছি। কারণ মাসোহারা দেই তো।’ রাকিব বলেন, ‘আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স পাকা। আমার কাগজে কোনও ত্রুটি নাই। এই রুটের গাড়ি আমরা যারা চালাই, তাদের প্রায় বেশিরভাগেরই ড্রাইভিং লাইসেন্স ওকে।’
এদিকে রাজধানীতে চলাচলকারী এমটিসিএল’এর একটি গাড়ির মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে টেলিফোনে বলেন, ‘কম গাড়ি চলাচলের জন্য জনসাধারণের ভোগান্তি হচ্ছে জানি। কিন্তু আমাদের কি করার আছে? কড়াকড়িভাবে ট্রাফিক সপ্তাহে কাগজ চেক হচ্ছে। রাস্তায় গাড়ি নামালেই টাকা দিতে হয়, তার পরেও কাগজ চায়। না পেলে মামলা দেয়। সেই মামলা মিটমাট করতে হয়। এতো ঝামেলা কে করে? তাই বন্ধ রেখেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক, তার পরে গাড়ি নামাবো।’ তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্টরা কাগজের চেয়ে টাকাকে বেশি পছন্দ করে। কারণ কাগজ পাকা থাকলে তো তাদের আয় কমে যায়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জরুরি চিকিৎসা না দিলেই শাস্তি

দেশের খবর: সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে বা অবহেলা করলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রেখে সরকারের করা নীতিমালা গেজেট আকারে জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতের রায়ের কপি পাওয়ার দুই মাসের মধ্যে ‘সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ ও সহায়তাকারী সুরক্ষা প্রদান নীতিমালা-২০১৮’ শিরোনামে করা নীতিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে স্বাস্থ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসংক্রান্ত আইন না হওয়া পর্যন্ত এ নীতিমালা আইন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।
বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেন। সরকারের দাখিল করা নীতিমালার দুটি ধারা পরিমার্জন করে রায় দেন আদালত। রায়ে আহত রোগী বহনের জন্য প্রতিটি হাসপাতালে কয়টি অ্যাম্বুল্যান্স থাকবে, রোগের ধরন অনুযায়ী এসব অ্যাম্বুল্যান্সে কী কী সুবিধা থাকবে, তা নির্ধারণ করে একটি ‘জাতীয় অ্যাম্বুল্যান্স কোড’ করতেও বলা হয়েছে।
আদালতের রায়ের পর রিট আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, কয়েক দফা সংশোধনের পর সরকার একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করে আদালতে দাখিল করে। আদালত দুটি ধারায় কিছু পরিমার্জন করে ওই নীতিমালা চূড়ান্ত করেছেন। রায়ের কপি পাওয়ার দুই মাসের মধ্যে এই নীতিমালা গেজেট আকারে জারি করতে বলেছেন আদালত।
খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, আহত ব্যক্তির চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা মনিটরিংয়ের জন্য সরকার একটি সেবা সেল গঠন করবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তাকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনোভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে সহায়তাকারীর মারাত্মক অবহেলা বা অসৎ উদ্দেশের ফলে আহত ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ওই সহায়তাকারী স্বীয় দায় এড়াতে পারবেন না।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার পর তার স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর বর্তাবে। আহত ব্যক্তিকে জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ব্যক্তি অবহেলা বা শৈথিল্য দেখালে তা অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ছাড়া কোনো হাসপাতাল অবহেলা বা শৈথিল্য দেখালে নিবন্ধন/লাইসেন্স/অনুমতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধিমতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ নীতিমালা বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে সরকার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে একটি জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সেল গঠন করবে। এই সেবা সেলের মনিটরিংয়ের ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক চিকিৎসাসেবা প্রদানে অবহেলা বা শৈথিল্য চিহ্নিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তা বিচার্য হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা সুবিধা বা সক্ষমতা না থাকলে রোগীর শারীরিক অবস্থা এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ করে তাত্ক্ষণিকভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে উন্নত চিকিৎসা দিতে উপযুক্ত চিকিৎসাসুবিধা সংবলিত হাসপাতালে নিজ দায়িত্বে স্থানান্তর করবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, আহত ব্যক্তির চিকিৎসা প্রদানে সক্ষমতাসম্পন্ন হাাসপাতাল কোনো অবস্থাতেই রোগীর চিকিৎসা না দিয়ে ফেরত বা স্থানান্তর করতে পারবে না। আহত ব্যক্তির জরুরি শল্যচিকিৎসার প্রয়োজন পড়লে উপযুক্ত অভিভাবক বা আত্মীয়ের অনুপস্থিতিতে ও সম্মতি ব্যতিরেকেই প্রয়োজনীয় শল্যচিকিৎসা দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে আহত ব্যক্তির জীবননাশের আশঙ্কা থাকলে বা জীবনহানি ঘটলে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কোনোভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাঁদপুরে বাড়ছে ইলিশের আমদানি

দেশের খবর: দেশে ইলিশের সবচেয়ে বড় বাজার চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছের আড়তে বাড়তে শুরু করেছে ইলিশের আমদানি। বুধবার (৮ আগস্ট) এ বাজারে অন্তত ৩৫০ মণ ইলিশ আমদানি হয়েছে। যেখানে গত মাসে প্রতিদিন আমদানি ছিল ৩০-৫০ মণ ইলিশ। এসব মাছ স্থানীয় বাজারগুলোসহ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চল তথা সাগর অঞ্চল থেকে এখনও প্রচুর ইলিশ আসতে শুরু করেনি। ওইসব এলাকা থেকে মাছের আমদানি শুরু হলে এ বাজার ইলিশে কানায় কানায় পূর্ণ হবে। তখন দেশের বাজারেও সাধারণ ক্রেতারা প্রচুর ইলিশ দেখবেন। দামও অনেক কমবে।
মাছঘাটের ব্যবসায়ী শাহীন বলেন,‘গত মাসের চেয়ে এখন ইলিশের আমদানি সামান্য হলেও বেড়েছে। আরও কিছু দিন পর অর্থাৎ এ মাসের মাঝামাঝিতে প্রচুর ইলিশ বাজারে আমদানি হতে পারে। এখন বাজারে যে ইলিশ দেখছেন, তার বেশিরভাগই চাঁদপুর অঞ্চলের। কিছু মাছ আসছে নোয়াখালী এলাকা থেকে।’ চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটের আড়তদার মো. সাগর আলম বেপারী বলেন,‘নামার ফিশিংয়ের মাছ আমদানি একটু বেশি। আজও ৪-৫টি ফিশিং বোট মাছঘাটে এসেছে। প্রতিটি ফিশিং বোটে কমপক্ষে ৫০ মণ থেকে ৭০ মণ মাছ থাকে। হাতিয়া-সন্দ্বীপ, বরিশাল এলাকা থেকে গত দুদিন যাবত মাছ একটু বেশি আসছে। লোকাল মাছসহ এখন প্রতিনিদি চাঁদপুর মাছঘাটে সাড়ে ৩শ থেকে ৪০০ মণ ইলিশ আমদানি হচ্ছে।’ এই মৎস্য ব্যবসায়ী বলেন- মাছের আমদানি বাড়তে শুরু করলেও দাম এখনো একটু বেশি। এ বাজারে পাইকারী দরে এক কেজির বেশি সাইজের মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৪শ টাকা, ৮ থেকে ৯শ গ্রাম জনের মাছ ১ হাজার থেকে ১১শ টাকা, ৬শ-৭শ গ্রামের মাছ ৭৫০-৮০০ টাকা, ৫০০ গ্রামেরগুলো সাড়ে ৫শ থেকে ৬শ টাকা।
চাঁদপর বড়স্টেশন মাছঘাটের আরেক আড়তদার ইমান গাজী জানান, চাঁদপুর অঞ্চলের মাছের দাম সব সময়ই একটু বেশি থাকে। তিনি জানান, এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৫শ টাকা, ৯শ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি কেজি ১২৫০, ৭শ ও ৮শ গ্রাম ওজনের প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা, ৫শ গ্রামের প্রতি কেজি ৭শ এবং ৪শ গ্রাম ও তার চেয়ে ছোট ইলিশ প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা।
তিনি বলেন, ‘চাঁদপুর মাছঘাটে এখন যে পরিমাণ ইলিশ আমদানি হচ্ছে তা তুলনামূলক বেশি নয়। কারণ, এখানে ভর মৌসুমে হাজার মণেরও বেশি ইলিশ আমদানি হয়েছে।’
চাঁদপুর কান্ট্রি ফিশিংবোট মালিক সমিতির সভাপতি শাহ আলম মল্লিক বলেন, ‘মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) থেকে মাছের আমদানি বেড়েছে। তবে চাঁদপুর অঞ্চলে এখনও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা পড়ছে না। তাই এখানের জেলেদের মুখে হাসি ফোটেনি। তবে যেহেতু দক্ষিণাঞ্চলে মাছ ধরা পড়তে শুরু করেছে। আশা করি, চাঁদপুর অঞ্চলেও খুব শিগগিরই প্রচুর মাছ ধরা পড়বে।’
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী বলেন, ‘আগে থেকে এখন মাছ কিছুটা বেশি ধরা পড়ছে। কিছু দিনের মধ্যেই প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে।’
সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ মৃধা বলেন, ‘এটা দেশের ইলিশের সবচেয়ে বড় বাজার। আজ তিন থেকে চারশ মণ ইলিশ ঘাটে এসেছে। এভাবে ধরা পড়তে শুরু করলে আগামী দুই মাস প্রচুর মাছ ধরা পড়বে। তাই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এ বছর উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে। যা গত বছরের তুলনায় দেড়গুণ বেশি হবে বলে আশা করছি।’
চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ইলিশ গবেষক ড. আনিছুর রহমান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ মনে করে, জ্যেষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ ইলিশের ভরা মৌসুম। কিন্তু বিষয়টি ঠিক নয়। আগস্ট থেকে ইলিশের মৌসুম শুরু হয়। আর ভরা মৌসুম হলো সেপ্টেম্বর-অক্টোবর।’ তিনি বলেন, ‘চাঁদপুর অঞ্চলে একটু কম ধরা পড়ছে। তবে ইলিশ আসা শুরু হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই চাঁদপুরেও প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি জানান, গত বছর দেশে ইলিশের উৎপাদন ছিল ৪ লাখ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন। এ বছর ৫ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আয়ারল্যান্ডকে হারালো বাংলাদেশ ‘এ’

খেলার খবর: অধিনায়ক মুমিনুলের রেকর্ড রানে ভর করে ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ । ডাবলিলে বুধবার আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৮৬ রানের বড় স্কোর গড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে এই বিশাল স্কোর গড়ে তোলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এতে ১৩৩ বলে ১৮২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন মুমিনুল। ৩৮৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল ৩০১ রানে সব উইকেট হারায় আইরিশরা। ফলে ৮৬ রানের জয় পায় মুমিনুল বাহিনী।
পাঁচ ম্যাচ আনঅফিসিয়াল সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে জয় পাওয়ায় সিরিেজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রইলো বাংলাদেশ ‘এ’।। প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় পরের তিন ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দুই জয়, আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল জিতেছে একটি ম্যাচে।
আয়ারল্যান্ডে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মুমিনুল। মূল দলের হয়ে মুমিনুল সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০১৫ বিশ্বকাপে। এরপর ৫০ ওভারের ক্রিকেটে আর দলে ডাকা হয়নি তাকে। এই সফরে দারুণ পারফরম্যান্সকে ওয়ানডে দলে ফেরার বড় সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে চাইছেন মুমিনুল। তার সেই চেষ্টা ফুটে ওঠেছে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে। স্বাগতিকদের বিপক্ষে১৩৩ বলে ১৮২ রানের রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলেছেন তিনি। দেশের বাইরে বাংলাদেশি কোনো ক্রিকেটারের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটা সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।
দেশের বাইরে আগের সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড ছিল তামিম ইকবালের ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়েতে ১৫৪। এছাড়া লিস্ট ‘এ ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটিও আজ মুমিনুলের হাতের কাছেই ছিল। গত বছর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনীর বিপক্ষে মোহামেডানের হয়ে রকিবুল হাসান করেছিলেন ১৯০ রান। আজ ইনিংসের ৫ ওভার বাকি থাকতেই আউট হয়ে যান মুমিনুল। দলীয় ৩২৮ রানের সময় রান আউটে কাটা পড়েন তিনি। তার ১৮২ রানের ইনিংসটি ২৭টি চার আর ৬ ছক্কায় সাজানো।
মুমিনুলের রেকর্ড গড়া ইনিংসের দিন মোহাম্মদ মিথুন ৫১ বলে ৮৬ ও ওপেনার জাকির হাসান ৯৩ বলে ৭৯ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন।
বিশাল রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দলের অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালবারনি ছাড়া স্বাগতিকদের কেউই স্বাচ্ছন্দে খেলতে পারেননি। অ্যান্ড্রু ১১১ বল খেলে ১০৬ রান তোলেন তিনি।বাংলাদেশের পক্ষে ফজলে মাহমুদ ৪৭ রান দিয়ে ৩টি ও খালেদ আহমেদ ৭৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। সাইফউদ্দিন ও শফিউল ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার বলিউডে যাচ্ছেন হিরো আলম

বিনোদন সংবাদ: সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আলোচনায় আসা আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে হিন্দি ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। অবিশ্বাস্য শুনালেও ঘটনা কিন্তু সত্য। ২ ঘণ্টা ১০ মিনিট ব্যাপ্তির একটি বলিউড ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। ‘বিজু দ্য হিরো’ নামের এই ছবিটি পরিচালনা করবেন প্রভাত কুমার।

এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে পরিচালক প্রভাত কুমার ও হিরো আলমের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। আগামী ডিসেম্বর থেকে ভারতের রাঁচি শহরে ছবিটির দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

ছবিটিতে ‘মূক’ চরিত্রে অভিনয় করবেন হিরো আলম। পুরো ছবিটার গল্প আবর্তিত হবে তাকে ঘিরে। এতে একজন বলিউড অভিনেত্রী অভিনয় করবেন। তবে তার নাম এখনও জানা যায়নি।

প্রসঙ্গত, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আকস্মিকভাবে আলোচনায় উঠে আসেন হিরো আলম। এরপর বগুড়া থেকে ঢাকায় এসে একের পর মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন। ‘মার ছক্কা’ নামের একটি চলচ্চিত্রেও অভিনয়ের সুযোগ পেলে তার। তবে এবার সবকিছুকে ছাড়িয়ে হিন্দি ছবিতে ডানা মেলতে যাচ্ছেন আলোচিত এই অভিনেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪৭

বিদেশের খবর: ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন কেন্দ্র লুম্বুক দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে।গত রবিবার সকালে ৭ মাত্রার ওই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে আহত হয়েছেন ১ হাজার ৪৪৭ জন মানুষ ।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আজ বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলেছে, দ্বীপের প্রায় ৮০ শতাংশ ভবনই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু কিছু ভবন একেবারে ধসেই গেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে অনেক এলাকায় ত্রাণ নিয়ে যেতে পারছেন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা।

সপ্তাহের ব্যবধানে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ভূমিকম্প অনুভূত হয় ওই দ্বীপে। মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, রিখটার স্কেলে কম্পনটির মাত্রা ছিল ৭। এরপর সুনামি সর্তকতাও জারি করা হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ওই ভূমিকম্পের পর আতঙ্কিত হয়ে লোকজন ছোটাছুটি শুরু করে। উদ্ধারকর্মীরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভূমিকম্পে পর্যটন দ্বীপটির বেশ কিছু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ।

এর আগে একই অঞ্চলে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১৭ জনের প্রাণহানি ও দেড় শতাধিক মানুষ আহত হন। সেসময় পাহাড়ধস হয়ে দ্বীপটির বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশ’ পর্যটক দীর্ঘ সময় আটকাও পড়েছিলেন, পরে তাদের উদ্ধার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৩২ কোটি টাকায় ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন কিনছে সরকার

দেশের খবর: মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের যাত্রা শুরু হয়েছিল যে ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে সেটি প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা দিয়ে কিনে নিচ্ছে সরকার। পুরান ঢাকার হৃষিকেশ রোডের এই ভবনটি এত দিন ব্যক্তিমালিকাধীন পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষিত ছিল।

বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন করা হয়েছে।

কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণলয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন’ অনুসারে সরকার ‘সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে’ বর্তমান মালিকদের কাছ থেকে রোজ গার্ডেন কিনবে। এতে ব্যয় হবে ৩৩১ কোটি ৭০ লাখ দুই হাজার ৯০০ টাকা।

জানা গেছে, পুরনো ঢাকার হৃষিকেশ দাস লেনে বলধা গার্ডেনের সামান্য দূরত্বে ১৯৩১ সালে নির্মিত হয়েছিল প্রাসাদসম ভবন রোজ গার্ডেন। এ বাড়িতে ১৯৪৯ সালে গঠিত হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। প্রথমে দলটির নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’। পরবর্তীকালে, ১৯৫৫ সালে মওলানা ভাসানীর উদ্যোগে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটির নাম থেকে পরে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়; নাম রাখা হয়: ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’। পরবর্তী কালে এর নাম ছিল নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর এই সংগঠনটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

১৯৩১ সালে ঋষিকেশ দাস নামে এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী পুরান ঢাকার ঋষিকেশ রোডে ২২ বিঘা জমির ওপর একটি বাগানবাড়ি তৈরি করেন। বাগনে প্রচুর গোলাপ গাছ থাকায় এর নাম হয় রোজ গার্ডেন। এছাড়া বাগানটি সুদৃশ্য ফোয়ারা, পাথরের মূর্তি দ্বারা সজ্জিত ছিল। মূল ভবনের দ্বিতীয়তলায় পাঁচটি কামরা আর একটি বড় নাচঘর আছে। নিচতলায় আছে আটটি কামরা।

ভবনটির মোট আয়তন সাত হাজার বর্গফুট। উচ্চতায় ৪৫ ফুট। ছয়টি সুদৃঢ় থামের ওপর এই প্রাসাদটি স্থাপিত। প্রতিটি থামে লতাপাতার কারুকাজ করা। প্রাসাদটির স্থাপত্যে করিন্থীয়-গ্রিকশৈলী অনুসরণ করা হয়েছে।

ভবন নির্মাণের কিছুদিন পর ঋষিকেশ দাশ দেউলিয় হয়ে যান। ১৯৩৭ সালে রোজ গার্ডেন বিক্রি হয়ে যায় খান বাহাদুর আবদুর রশীদের কাছে। এর নতুন নামকরণ হয় ‘রশীদ মঞ্জিল’।

এই বাড়িটিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ (পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ) গঠনের প্রাথমিক আলোচনা সভা এই বাড়িতে হয়েছিল। ১৯৬৬ সালে কাজী হুমায়ুন বসির এর মালিকানা লাভ করেন।

১৯৭০ সালে চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘বেঙ্গল স্টুডিও’ কে লিজ দেয়া হয়। এ সময়ে চলচ্চিত্রের শুটিং স্পট হিসেবে এই ভবনটি ব্যবহৃত হয়। এখানে চিত্রায়িত কাহিনী চিত্র ’হারান দিন’ এ রোজ গার্ডেনের সেই সময়কার চিত্র সংরক্ষিত আছে। ১৯৮৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এই প্রাসাদটি সংরক্ষণ তালিকাভুক্ত করে।

১৯৯৩ সালে কাজী হুমায়ুন বসিরের বংশধর কাজী রকীব বাড়িটির মালিকানা ফেরত পান। ১৯৯৫ সালে তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী লায়লা রকীব ওই সম্পত্তির মালিক হন।

রোজ গার্ডেন নামের এই রাজকীয় বাড়িটি নির্মাণের পেছনেও রয়েছে বঞ্চনা আর অপমানের ইতিহাস। বলধার জমিদারখ্যাত নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী বলধায় একটিবাগানবাড়ি নির্মাণ করেন। যা বর্তমানে বলধা গার্ডেন নামে পরিচিত। এখানে নিয়মিত গানের আসর বসতো। সেই সময়কালে পূর্ববঙ্গের উচ্চবিত্তদের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত হয় এটি। জমিদার ও নাট্যকার নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরীর এক অনুষ্ঠানে বিনা আমন্ত্রণে হৃষিকেশ দাস নামের ঢাকার এক ধনী ব্যবসায়ী বলধার এক অনুষ্ঠানে যান। কিন্তু ধনাঢ্য ব্যবসায়ী হলেও সনাতন ধর্ম জাতবিন্যাস অনুযায়ী নিম্ন বর্ণের হওয়ায় সে অনুষ্ঠানে তাকে অপদস্থ করা হয়।

এভাবে অপমান তীব্র ভাবে ঝড় তোলে ব্যবসায়ী হৃষিকেশের মনে। একই রকম বাগানবাড়ি নির্মাণ করে প্রতিশোধ নিতে দৃঢ প্রতিজ্ঞ হন তিনি। এরই ফলশ্রুতিতে নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরীর বাগানবাড়ির আদলে তিনি নির্মাণ করেন রোজ গার্ডেন।

কিন্তু ধনী ব্যবসায়ী হৃষিকেশ একপর্যায়ে ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েন। অপমানের প্রতিশোধ নিতে তৈরি করা সেই বাড়িটিই আত্মসম্মান বাঁচাতে ১৯৩৬ সালে বিক্রি দেন তিনি। কিনে নেন ঢাকার আরেক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী খান বাহাদুর মৌলভী কাজী আবদুর রশীদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest