সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

শার্শায় ডাক্তারের ভুল অপারেশনে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে প্রসূতি মা সাবিনা

মোঃ রাসেল ইসলাম (যশোর)প্রতিনিধি: শার্শায় ভুল অপারেশনে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এক প্রসূতি মা সাবিনা(৩০)। সে শার্শার শ্যামলাগাছী গ্রামের প্রবাসী জামাল উদ্দীনের স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, ১৯ শে জুলাই প্রসূতি সাবিনার প্রসববেদনা উঠলে নাভারন সেবা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হয়। ক্লিনিক কত্রিপক্ষ তাকে তড়িঘরি করে সিজারিয়ান করে এবং একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। ২৪ শে জুলাই তাকে ছাড় পত্র দেয়। বাড়ি ফেরার পর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। ও সময় ক্লিনিক কত্রি পক্ষের সাথে রক্তক্ষরণ বিষয়ে যোগাযোগ করলে তারা বলে এরকম কিছুদিন হবে পরে ঠিক হয়ে যাবে। এর পরথেকে দিন দিন অবস্থার অবনতি হলে সাবিনার পরিবার তাকে যশোর নোভা ক্লিনিকে ভর্তি করে।সেখানে পরিক্ষা নিরক্ষা চালালে পেটের ভিতরে শিশুর অবশিষ্ট ফুলের অংশ আছে বলে রিপোর্টে জানা যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে সেখানে দুই ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়।

সেখানেও সাবিনার উন্নতি না হয়াই বাড়ি ফিরে এসে পুনরায় যশোর সদর হাসপাতাল ও কুইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে পেটের ভিতর শিশুর অবশিষ্ট ফুলের অংশ আছে বলে জানা যায়। বর্তমানে সাবিনা কুইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতিনিয়ত তার উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে একের পর এক রক্ত দিতে হচ্ছে। বর্তমানে এতেও তার উন্নত না হয়াই অবনতির দিকে যাচ্ছে সাবিনা। যন্ত্রণায় ছটফট করছে সাবিনা। এ ব্যাপারে সাবিনার পাশে থাকা শাশুড়ির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উপরোক্ত তথ্য গুলি বর্নণা করেন। যার ভয়েস রেকর্ড কৃত আছে।

সর্বশেষ পহেলা সেপ্টেম্বর রাতে হাসপাতালের বেডে থাকা সাবিনার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বিষয় টি পত্রিকায় প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো জানান, বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে চাপের মুখে থাকতে হবে। এজন্য বিষয়টি গোপন করার জন্য এড়িয়ে যেতে বলেন। এ ব্যাপারে সাবিনার ছাড়পত্রে লিখিত ডাক্তার এ,বি,এম আক্তার মারুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সাবিনার সিজারিয়ান করিনাই। বিষয়টি আমার জানা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চায়ের সাথে একটু হলুদ, দেখুন ম্যাজিক!

স্বাস্থ্য কণিকা: প্রতিদিনের প্রিয় পানীয় হিসেবে সবাই আমরা কমবেশী চা পানে অভ্যস্ত। চনমনে অনুভূতি আর সতেজ শরীর ফিরে পেতে চায়ের বিকল্প খুব কম। চা তো আপনি পান করছেনই স্বাভাবিক নিয়মে, তো সেই চায়ের সাথে এবার একটু হলুদ মিশ্রিত করেই দেখুন এক আশ্চর্য ম্যাজিক! নিয়মিত হলুদ চা পানের উপকারিতা এতো বেশি যে, আপনিও আশ্চর্য হয়ে যাবেন জানলে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেয়া যাক হলুদ চায়ের গুণাগুণ।

১. ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্তি ওজনের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে সকাল-বিকাল হলুদ চা খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন শরীরের অতিরিক্তি ইতি-উতি জমতে থাকা মেদ ঝরে যেতে সময় লাগবে না। আসলে হলুদে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু পরিবর্তন করে যে মেদ জমার আর কোনও সুযোগই থাকে না।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে: ২০১৩ সালে হওয়া বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন, শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু খেল দেখায় যে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। তাই তো যাদের পরিবারে এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত হলুদ চা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

৩. খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কার্কিউমিন রক্তে জমতে থাকা এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্বাভাবিভাবেই হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। আসলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমতে শুরু করে, তত হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। সেই সঙ্গে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

৪. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: নিয়মিত হলুদ মেশানো চা খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে ত্বকের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে ছোট-বড় সব ধরনের স্কিন ডিজিজের প্রকোপই কমতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, সোরিয়াসিস এবং একজিমার মতো মারাত্মক ত্বকের রোগের চিকিৎসাতেও এই বিশেষ পানীয়টি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

৫. হজম শক্তির উন্নতি ঘটে: বাঙালি মানেই জন্ম খাদ্যরসিক, আর পেটুক মানেই বদহজম রোজের সঙ্গী! তাই তো প্রতিটি বাঙালির নিয়ম করে হলুদ চা খাওয়া উচিত। কারণ হলুদে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান পাকস্থলিতে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়ার শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজন ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে বদ-হজম দূরে পালায়।

৬. হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে হার্টে রক্ত সরবরাহকারি আর্টারিদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার বা হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, স্ট্রোকের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতেও হলুদ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই হার্টকে যদি দীর্ঘদিন চাঙ্গা রাখতে চান, তাহলে হলুদ দিয়ে বানানো চা খাওয়া মাস্ট! সূত্র: বোল্ডস্কাই ডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য

বিদেশের খবর: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্যটি নির্মিত হচ্ছে ভারতের গুজরাট রাজ্যে। ১৮২ মিটার বা ৬০০ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্য নির্মাণের কাজে শেষের দিকে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

বর্তমানে চীনের একটি বৌদ্ধমূর্তি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য। যার উচ্চতা ১২৮ মিটার।

সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য ভারত সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ভারতীয় রুপি বা ৪৩০ মিলিয়ন ডলার। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগ্রহে এই ভাস্কর্য নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’ বা ‘ ঐক্যের ভাস্কর্য’ হিসেবে পরিচিত এটি আগামী ৩১ অক্টোবর নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন।

ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর মন্ত্রীসভায় উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সরদার বল্লভভাই প্যাটেল। ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এই নেতা ‘ভারতের লৌহ মানব’ হিসেবে পরিচিত।

ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর বিভিন্ন কলহ-বিবাদ মিটিয়ে ঐক্যের ভারত গড়ার ক্ষেত্রে সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ভারতের অনেক হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা মনে করেন, ইতিহাসে সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের ভূমিকা উপেক্ষা করা হয়েছে। জওহরলাল নেহেরু বেশি প্রধান্য পেয়েছেন।

২০১৩ সালে নরেন্দ্র মোদি এক নির্বাচনী প্রচারণায় বলেন, সরদার বল্লভভাই প্যাটেল স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী না হওয়ায় ভারতের প্রতিটি নাগরিকের অনুতপ্ত হওয়া উচিত।

ধারণা করা হচ্ছে, ভাস্কর্যটি উন্মুক্ত হবার পর এটি হবে পর্যটকদের আকর্ষণের জায়গা। এই ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য ২ হাজার ৫০০ শ্রমিক কাজ করছে, যাদের মধ্যে চীন থেকেও কয়েকশ’ শ্রমিক এসেছে। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মিস ইংল্যান্ড’ এর ফাইনালে প্রথম কোনো হিজাবি নারী!

বিদেশের খবর: সারা ইফতেখার। বয়স ২০। হিজাব পরিহিত এই নারী মিস ইংল্যান্ড-২০১৮ সালের আসরে ফাইনালে উঠেছেন।আজ মঙ্গলবার নটিংহ্যামশায়ারের কেলহ্যাম হলে মিস ইংল্যান্ডের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। আর এই প্রতিযোগিতায় হিজাব পরে অংশ নেবেন সারা।প্রথম মুসলিম হিসেবে মিস ইংল্যান্ড হতে চান তিনি।

এই প্রতিযোগিতায় জিততে আরো ৪৯ জন প্রতিযোগীর সঙ্গে ব্যাপক লড়াই করতে হবে সারাকে। এই প্রতিযোগিতায় জয়ী হলে চীনে মিস ওয়ার্ল্ডে ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই মুসলিম নারী।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সারা জানান, প্রতিযোগিতার ফাইনালের পৌঁছানো ‘কতটা দারুণ’ তা তিনি বোঝাতে পারবেন না।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সেলফি দিয়ে সারা লিখেন, ওয়াও!!! ২০১৮ সালের মিস ইংল্যান্ডের ফাইনালে পৌঁছানোর অনুভূতি বোঝাতে পারবো না। আলহামদুল্লিাহ।

সারা বলেন, এটা একটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি এবং আমি কখনো ভুলবো না।

জানা গেছে, ১৬ বছর বয়সে নিজের ব্যবসা চালু করা সারা তার জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার যে অর্থ পেয়েছেন তা দিয়ে একটি দাতব্য সংস্থা খুলেছেন। সারা গোফান্ডমি দাতব্য সংস্থাটি দক্ষিণ আমেরিকা, শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া, ভিয়েতনামের বাস্তুচ্যুত শিশু এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করে থাকে।

সূত্র: ডেইলি মেইল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাড়ে ৩ হাজার বছরের পুরনো নথিতে মিশরীয় চিকিৎসা জ্ঞান

ভিন্ন স্বাদের খবর: চিকিত্সা বিজ্ঞান বা চিকিত্সা শাস্ত্র হল রোগ উপশমের বিজ্ঞান কলা বা শৈলী। মানব শরীর এবং মানব স্বাস্থ্য ভালো রাখার উদ্দেশ্যে রোগ নিরাময় ও রোগ প্রতিষেধক বিষয়ে চিকিত্সা বিজ্ঞানে অধ্যয়ন করা হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। প্রাচীন চিকিত্সার প্রমাণগুলো পাওয়া গেছে মিসরীয় ঔষধ, বেবিলিনিয়ান ঔষধ, আয়ুর্বেদিক ঔষধ, ক্লাসিক্যাল চীনা ওষধ, প্রাচীন গ্রিক ঔষধ এবং রোমান ঔষধ থেকে। এর মধ্যে মিসরীয়দের চিকিত্সা জ্ঞানের প্রমাণ পাওয়া গেছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছরের পুরনো নথিতে।

ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেন এর একদল গবেষক এই সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত গবেষণা করে সাড়ে তিন হাজার বছর আগে মিসরীয়দের চিকিত্সা জ্ঞান সম্পর্কে জানিয়েছেন।

মিসরের ইমহোতেপ ছিল প্রথম পরিচিত চিকিত্সক যা ইতিহাসে পাওয়া যায়। ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে প্রাচীনতম মিসরীয় চিকিত্সা পাঠ্যক্রমটি কাহুন গাইনোকোলজিক্যাল প্যাপিরাস নামে পরিচিত যা মূলত গাইনোকোলজিক্যাল রোগের বর্ণনা দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহূত হতো। ১৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এডউইন স্মিথ প্যাপিরাস সার্জারির ওপর প্রথম কাজ করেছিলেন, আর ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে Ebers Papyrus কাজ করেছিলেন যা চিকিত্সা সংক্রান্ত পাঠ্যপুস্তকের অনুরূপ ছিল। ঐ সময়েই মিসরীয় নারীরা গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে বিশেষ এক ধরনের চিকিত্সা পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। বর্তমান সময়ে যেমন নারীরা আধুনিক ‘কিটস’ দিয়ে গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হন তেমনি কৌশল অবলম্বন করতেন মিসরীয় নারীরা। গর্ভবতী নারীরা বার্লি এবং ‘ইমার’ (বিশেষ এক ধরনের প্রাচীন ফসল) ফসলের চারার ওপর পৃথকভাবে ‘ইউরিন’ নিঃসরণ করতেন। যদি বার্লি জন্মাতো তাহলে ধরে নেওয়া হতো পুত্রসন্তান হবে। যদি ইমার জন্মাতো তাহলে ধরে নেওয়া হতো কন্যা সন্তান হবে ঐ নারীর। আর যদি দুটি ফসলের কোনটি-ই না জন্মাতো তাহলে নিশ্চিত হওয়া যেতো যে ঐ নারী গর্ভবতী নন। মজার বিষয় হলো, তাদের এই পরীক্ষা পদ্ধতি কোন কুসংস্কার থেকে নয় বরং চিকিত্সা বিজ্ঞানের আলোকেই তারা এটি করতেন। ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেন এর একদল গবেষক মূলত নারীদের গর্ভধারণের পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছে।

মিসরীয় চিকিত্সা জ্ঞান নিয়ে অনুসন্ধান করা ডেনমার্কের একজন বিশেষজ্ঞ ১৯৩৯ সালে প্রথম মিসরীয়দের গর্ভধারণের পূর্বাভাসের বিষয়টি মানুষকে জানান। কার্লসবার্গ ফাউন্ডেশনের কাছে থাকা এই ধরনের পরীক্ষার ১৪০০ এর বেশি নমুনা ‘পেপিরি’ নিয়ে কাজ করছে ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের ঐ দলটি। এর মধ্যে রয়েছে সাড়ে তিন হাজার বছর আগের কিছু লিখিত নমুনাও। মিসরীয় চিকিত্সা জ্ঞান নিয়ে কাজ করা কার্লসবার্গ ফাউন্ডেশনের প্রধান কিম রাইহোল্ট বলেন, আমরা এমন কিছু তথ্য উপাত্ত নিয়ে কাজ করছি যেগুলো সত্যিই খুব দুর্লভ। এই ১৪০০ ‘পেপিরি’ নমুনার মধ্যে মাত্র ১০ থেকে ১২টি নমুনাই কেবল ভালোভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। আর এই ধরনের নতুন কোন তথ্য নতুন আলোর দিশা দেখানোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কিম রাইহোল্ট বলেন, বিশেষ এই লিখিত নমুনাগুলোর বেশিরভাগই নষ্ট হয়ে গেছে। এই লেখাগুলো পুনরুদ্ধার করা এবং এগুলো খুব কম সংখ্যক মানুষ পড়তে পারবে। যে টার্মগুলো সেখানে ব্যবহূত হয়েছে সেগুলো সত্যিই বোঝা দুষ্কর।-সিএনএন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে মিগ-২৭ বিমান বিধ্বস্ত

বিদেশের খবর: ভারতে বিমান বাহিনীর মিগ-২৭ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রাজস্থান প্রদেশের যোদপুরের দেবারিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিমান বিধ্বস্ত হলেও পাইলট নিরাপদে রেবিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে বলে এনডিটির খররে বলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়েছেন। আগুন লেগে ভারসাম্য হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়েই অন্যান্য সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৃত্যুদণ্ডের পর বিচারক যে কারণে কলমের নিব ভাঙেন

ভিন্ন রকমের খবর: সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই চলে আসছে এই প্রথা। মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে বিচারক বা বিচারপতিরা কলমের নিব ভেঙে ফেলেন। কিন্তু তারা কেন এমনটি করে থাকেন তা হয়তো অনেকেই জানেন না। বিচারক বা বিচারপতিতের এই কলমের নিব ভেঙ্গে ফেলার পেছনে রয়েছে যুক্তিসঙ্গত কারণ বা ব্যাখ্যা।

জানা গেছে, এই কলমের নিব ভেঙ্গে ফেলার কারণ একটি নয়, একাধিক।

প্রথমত, এটি একটি প্রতীকী বি‌ষয়। ব্যাখ্যা হল, যে কলম একজনের জীবন নিয়ে নিয়েছে, তা যেন আর কারও জীবন নিতে না পারে।

দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটিও এর সঙ্গেই সম্পৃক্ত। বলা হয়ে থাকে বিচারক বা বিচারপতি ওই মৃত্যুদণ্ড এবং সেটার বিষণ্নতা থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চান। সে কারণেই পেনের নিবটি ভেঙে ফেলেন। একজন বিচারক বা বিচারপতি তার দেওয়া মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারেন না।

তৃতীয় ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়, তিনি যাতে কোনওভাবেই মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবতে না পারেন।

চতুর্থ ব্যাখ্যা, সব মৃত্যুই দুঃখের হয়ে থাকে। কিন্তু তারপরও কখনো মৃত্যুদণ্ডের মতো চরম শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই কলমের নিব ভেঙে ফেলা হয় এটা বোঝাতে যে, মৃত্যুদণ্ড একটি দুঃখজনক ব্যাপার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীলেখা মিত্রের ‘গিফট’

বিনোদন সংবাদ: সন্ধ্যা সান্যাল৷ মধ্যবিত্ত বাড়ির বউ৷ পেশায় তিনি একজন প্রসাধনী বিক্রেতা৷ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কসমেটিকস বিক্রি করেন৷ সন্ধ্যার স্বামী সমর সরকারি চাকরি করলেও নানা বাধা-বিপত্তির কারণে সমস্যা তৈরি হয়৷ এই কসমেটিক বিক্রি করাই যে একদিন সন্ধ্যার পুরো জীবনটা পাল্টে দেবে তা সে নিজেও জানত না৷ এক ধনী ব্যক্তির বাড়িতে পৌঁছাতেই এক সাধারণ বাড়ির বউ কীভাবে পাল্টে যাবে সেই নিয়ে গল্প বুনেছেন পরিচালক অরিন্দম বসু৷ ছবির নাম ‘দ্যাট গিফট‘৷

ছবিটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের৷ চারটি ছোট গল্প নিয়েই এই শর্ট ফিল্ম৷ যার একটি গল্পের মুখ্য চরিত্র হল সন্ধ্যা সান্যাল৷ এই চরিত্রে অভিনয়ে রয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র৷ তাঁর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এবং সেই ধনী ব্যক্তি চরিত্রে রয়েছেন অরিজিৎ দত্ত৷

পরিচালক অরিন্দম বসুর নিজের লেখা বই ‘ডার্টি ডজন অ্যান্ড ওয়ান’ থেকই নেওয়া হয়েছে এই ছবির চিত্রনাট্য৷ ‘দ্যাট গিফট’এ নবাগত হিসেবে দেখা যাবে অভি দে-কে৷ শ্রীলেখা এবং বিপ্লবের ছেলের চরিত্রে রয়েছেন তিনি৷ ফিল্ম সিরিজটির আরেকটি গল্পে রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত৷ ছবির প্রযোজকও তিনি৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest