সর্বশেষ সংবাদ-
চলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভাগণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিলগড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হকের স্মরণসভা

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরায় সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইনামুল হক বিশ্বাস স্মরনে এক স্মরনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আয়োজনে শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ স্মরন সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক ফাহিমুল হক কিসলুর সভাপতিত্বে উক্ত স্মরন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদার, জেলা জাসদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনদ কুমার, জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ নিমাই মন্ডল, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাসানুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, শ্যামনগর উপজেলা কমান্ডার দেবীরঞ্জন মন্ডল, তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মফিজউদ্দিন, এড. মুস্তফা নুরুল আলম,এড. অরুণ ব্যানার্জী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সাংস্কৃতিক পরিষদের হেনরি সরদার, কলেজ শিক্ষিক সমিতির নিত্যনন্দ, উদীচীশিল্পী গোষ্ঠীর সিদ্দিকুর রহমান, জাসদের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক ওবায়দুস সুলতান বাবলু, জেলা বাসদের শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, জেলা সিপিবি’র সভাপতি আবুল হোসেন, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল, প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হকের পুত্র রুবেল, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশি। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সাবেক অধ্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, জেলা ডেপুটি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু বকর সিদ্দিক,বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী এম এ জলিল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হক বিশ্বাস ৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর আহবানে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহন করে সাতক্ষীরার ভোমরা, টাউনশ্রীপুরসহ ৮ ও ৯ নং সেক্টরের বিভিন্ন জায়গায় সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে পাক সেনাদের পর্যদুস্ত করেছিলেন। তিনি যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মুক্তি যোদ্ধাদের সংগঠিত করে বিশেষ ভুমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৮৯ ও ২০১০ সালে দুই দুইবার জেলার নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হয়েছিলেন। তিনি মুক্তিাযোদ্ধার চেতায় বিশ্বাসী জনগনকে এবং নতুন প্রজন্মকে সংগঠিত করে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে প্রতিরোধ ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে বলিষ্ঠ ভুমিকার পালন করেন।
উল্লেখ ঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হক বিশ্বাস ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগভোগের খুলনার আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে মারাযান।

০৮.০৯.১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠার মিশন

খেলার খবর: ভারত এক ম্যাচ জিতেই সেমিফাইনালে, অথচ বাংলাদেশ টানা দুই ম্যাচ জেতার পরও আছে অপেক্ষায়! কোচ জেমি ডে তাই একটু অবাকই। তবে সেই অপেক্ষা শেষ হচ্ছে আজ। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করছে লাল-সবুজ দলের শেষ চারের অঙ্ক।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ মুখোমুখি হচ্ছে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে। জিতলে তো বটেই, ড্র করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নাম লেখাবে সেমিফাইনালে। এমনকি হারলেও শেষ চার নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে বিটিভি ও চ্যানেল নাইনে।
অবশ্য অনেক ‘যদি’, ‘কিন্তু’ জড়িয়ে আছে ‘এ’ গ্রুপে। পয়েন্ট টেবিলের অবস্থা এমন যে, চার দলেরই সম্ভাবনা আছে সেমিফাইনালে যাওয়ার। বাংলাদেশ দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে। পাকিস্তান ও নেপালের সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট, আর ভুটানের পয়েন্ট শূন্য। স্বাগতিকদের সেমিফাইনালে ওঠার সহজ সমীকরণ হলো নেপালের সঙ্গে ন্যুনতম ড্র করা। এছাড়া আগের ম্যাচে পাকিস্তান যদি ভুটানের কাছে পয়েন্ট হারায় তাহলে কোনও হিসাব-নিকাশের প্রয়োজন পড়বে না, নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে স্বাগতিকদের।
হিসাব-নিকাশের মধ্যে যেতে চাইছেন না বাংলাদেশ দলের কোচ জেমি ডে। টানা তিন ম্যাচ জিতে গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্য তার। শুক্রবার কমলাপুর স্টেডিয়ামে অনুশীলনের আগে এই ইংলিশ কোচ বলেছেন, ‘আমরা এগিয়ে যেতে চাই। আগের মতো ভালো খেলে গ্রুপ পর্ব পেরোনোই লক্ষ্য আমাদের। যদি না পারি তাহলে আমরা বাদও পড়তে পারি। সেটা হলে আমাদের জন্য বড় অঘটন হবে। তবে আমরা তা চাই না।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে ভালো খেলে হার আর ভুটানের বিপক্ষে ৪ গোলে জিতে নেপাল মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের। এই দলটিকে সমীহ করছেন জেমি, ‘নেপাল শক্তিশালী দল। তারা আমাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে ভালো খেলে হেরেছে, আর ভুটানের বিপক্ষে ৪ গোলে জিতেছে। তারা যে ভালো দল, এতেই পরিষ্কার। তবে আমরা ভালো খেলে সেমিতে যেতে চাই।’
ফরোয়ার্ড সাদ উদ্দিন টানা তিন ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন, ‘আগের দুই ম্যাচের মতো এবারও জিততে চাই। কোচের নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠে খেলতে পারলে জয় আসবেই।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের নায়ক তপু বর্মণ জার্সি খুলে উল্লাস করতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেছেন। আজ নেপালের বিপক্ষে কার্ড দেখলেই পড়বেন বিপদে। তখন বাংলাদেশ সেমিফাইনালে উঠলে তাকে দর্শক হিসেবে থাকতে হবে। স্বভাবতই তপু তা চাইবেন না।
সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে বাংলাদেশের ন্যুনতম ১ পয়েন্ট দরকার, আর নেপালের দরকার পূর্ণ ৩ পয়েন্ট। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভুটান জিতলে তখন পরিস্থিতি বদলে যাবে। নেপাল কোচ বাল গোপাল মহার্জন অবশ্য বাংলাদেশকে হারিয়েই সেমিফাইনালে যেতে চান।
২০১৬ সালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ আন্তর্জাতিক ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন নেপাল। সেই দলের কোচ ছিলেন বাল গোপাল। এর পরেই ব্রাদার্স ইউনিয়নের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ঢাকার মাঠ তার জন্য পয়মন্ত। যদিও তিনি খুব সতর্ক, ‘বাংলাদেশ ভালো দল, নিজেদের মাঠে খেলবে। তাদেরকে হারানো সহজ হবে না। তবে আমরা জেতার জন্য মাঠে নামব। জিতেই সেমিতে খেলতে চাই।’
দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে। ২১বারের সাক্ষাতে বাংলাদেশ জিতেছে ১২ ম্যাচ, বিপরীতে নেপাল জিতেছে ৬টিতে, আর ড্র হয়েছে বাকি ৩ ম্যাচ। আজ জয়ের সংখ্যা আরও বাড়িয়ে সেমিফাইনালে ওঠার উৎসবে মাততে চায় বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘এখন আর কৃষককে গুলিতে প্রাণ হারাতে হয় না’

দেশের খবর: বিএনপি সরকারের সময় সারের দাবিতে লাইনে দাঁড়িয়ে গুলি খেয়ে প্রাণ দিতে হয়েছিল ১৮ জন কৃষককে। সেই প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন সারের জন্য কৃষকদের গুলি খেতে হয় না। সার কৃষকের হাতের মুঠোয় চলে আসে।
শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় কৃষি কনভেনশন ও আন্তজার্তিক কৃষি কনফারেন্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভাষণকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘১০ টাকায় কৃষকদের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছি। তাদের ভর্তুকির টাকা তাদের হাতে পৌঁছায়। সরকারে এসে তিন দফা সারের দাম কমিয়েছি। যাতে কৃষকরা উৎপাদন বাড়াতে পারেন।’
‘আগে বর্গাচাষীরা ঋণ পেত না। কিন্তু আমরা প্রথম এই প্রথম ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’
‘কৃষি ব্যাংকের তেমন শাখা ছিল না। হাটের দিন ব্যাংকের লোকজন পৌঁছে যেত। সেখানে টাকা নিয়ে কৃষকদের হাতে দিত এভাবেই আমরা তাদের ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম। জামানতহীন ঋণের ব্যবস্থাটা আওয়ামী লীগ সরকারই প্রথম করেছিল।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা সারাটা জীবন সংগ্রাম করেছেন বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। পেটে ক্ষুধা, শোষিত বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য কীভাবে তিনি পরিবর্তন করবেন সেটিই ছিল তার চিন্তা। সে কারণে তিনি ২৩ বছর সংগ্রাম করেছেন। তারই ডাকে ৯ মাসের মধ্যে আমরা সংগ্রাম করে স্বাধীনতা পাই।’
‘স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের দিকে নিয়ে যান। জাতির পিতার এ কর্মসূচির কারণে বাংলাদেশ সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধের ভয়াবহতা অতিক্রম করে এগিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু কৃষিখাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি কৃষিবিদদের মর্যাদা প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করেন’ বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শূন্য থেকে ধীরে ধীরে যাত্রা ছিল বঙ্গবন্ধু। তিনি সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। যে কারণে আমাদের দেশ কৃষিক্ষেতে খুব দ্রুত এগিয়ে যায়। কিন্তু ৭৫ এ তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল তাদের কাজ ছিল এদেশের মানুষকে নিপীড়ন করা। বাংলাদেশ এগিয়ে যাক তা তারা চায়নি।’
‘৭৫ এ যারা ক্ষমতায় এসেছিল তাদের লক্ষ্য ছিল ব্যবসা করা। তারা চায়নি দেশে উৎপাদন বাড়ুক।’
‘সার, বীজ কৃষি উপকরণ যেন কৃষকরা পায় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। জাতির পিতা যে ব্যবস্থা নিয়েছিল পরবর্তীতে যারা ক্ষমতায় এসেছে তা বন্ধ করে দিয়েছিল। জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া তাদের চিন্তাভাবনা বৈরী ছিল’ বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি আওয়ামী লীগ সরকারের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা ক্ষমতায় এনেছেন বলেই দেশের সেবা ও জনগণের সেবা করতে পারছি। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসি বা না আসি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি যেন ব্যহত না হয়ে পড়ে আমি সেটিই আশা করি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিডনি ইনফেকশন প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা

স্বাস্থ্য কণিকা: আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কিডনিতে সংক্রমণ (ইনফেকশন) মানবদেহের মারাত্মক রোগগুলোর মধ্যে একটি।
কিডনি সংক্রমণকে মূলত ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। কারণ, খুব সমস্যা না হওয়া পর্যন্ত কিডনি ইনফেকশনের লক্ষণগুলি তেমনভাবে প্রকট হয় না। যার ফলে অনেকাংশেই উপযুক্ত সময়ে চিকিৎসা শুরুই করা যায় না। এর ফলে রোগীর মৃত্যুর আশংকাও বেড়ে যায়। তাই কিডনি ইনফেকশনের লক্ষণগুলি জেনে রাখা ভাল, যাতে চিকিৎসা শুরু করতে খুব বেশি দেরি না হয়ে যায়।

প্রথমেই জেনে নিন, কিডনি ইনফেকশনের লক্ষণ সমূহ-

১) অতিরিক্ত তাপমাত্রায় জ্বর হওয়া। জ্বরের সঙ্গে মারাত্মক কাঁপুনি হওয়া।
২) বমি বমি ভাব, বমি হওয়া এবং ডায়রিয়া।
৩) ক্ষুধা মন্দা ভাব। অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভব হওয়া।
৪) পিঠের নিচের অংশের একদিকে ও কুঁচকিতে ব্যথা হওয়া।
৫) ঘন ঘন প্রস্রাব আর প্রস্রাবের সময় জ্বালা করা। ঘোলাটে ধরণের প্রস্রাব হওয়া বা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত।

এই লক্ষণগুলি দেখা দেওয়া মাত্রই যত দ্রুত সম্ভব চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এবার জেনে নিন, কিডনি ইনফেকশন প্রতিরোধে ৩টি কার্যকরী ব্যবস্থা-
রোগ হওয়ার পর চিকিৎসা করার চেয়ে আগে থেকে নিজেকে রোগে আক্রান্ত ও মারাত্মক রোগাক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা বা প্রতিরোধ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। তাই জেনে নিন কিডনি ইনফেকশন প্রতিরোধের ঘরোয়া ৩ টি কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা-

১) বেকিং সোডা-
বেকিং সোডা আমাদের ইউরিনারি ট্র্যাক্ট অর্থাৎ মূত্রনালির অ্যালকালাইনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন নিয়মিত ১ গ্লাস (৩০০ মিলিলিটার) পানিতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পান করলে কিডনি ইনফেকশনের সমস্যা দূর করা সম্ভব।

২) রসুন-
প্রতিদিন ২-৩ কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে ইনফেকশনের হাত থেকে কিডনিকে দূরে রাখা সম্ভব। রসুনের জীবাণুনাশক (অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল) উপাদান কিডনির সুস্ততার জন্য খুবই কার্যকরী।

৩) অ্যালোভেরার রস-
অ্যালোভেরার রস নানা সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। অ্যালোভেরার রস কিডনির ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। তাই কিডনি ইনফেকশন প্রতিরোধে প্রতিদিন অন্তত এক গ্লাস অ্যালোভেরার রস পান করা উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে কারিনার গল্প

বিনোদনের খবর: ফিল্মি ফ্যামিলি থেকে এসেছিলেন। তাই স্ট্রাগল হয়তো অনেকের থেকে কম করতে হয়েছে। কিন্তু একেবারেই যে করতে হয়নি তা তো নয়। সাফল্য পেতে গেলে পরিশ্রমের বিকল্প নেই। এত কষ্ট করে ক্যারিয়ার দাঁড় করালেন, তারপর আবার ক্যারিয়ারের মধ্য গগনে বিয়ে করলেন কারিনা কাপুর খান। অনেকেই বলেছিলেন, নিজের হাতে নিজের ক্যারিয়ার ধ্বংস করলেন বেবো। যখন তিনি মা হন, তখনও একই কথা উঠেছিল। কিন্তু নিন্দুকদের কথা মিথ্যে করে দিয়ে সিলভার স্ক্রিনে ফের ফিরলেন তিনি। তাঁর এই বারবার ফিরে আসা অনেক নারীকে উদ্বুদ্ধ করবে।
বিয়ের পর বেগম হন করিনা। কিন্তু তার জন্য পর্দাসীন থাকেননি তিনি। ক্যামেরার সামনে খোলামেলা পোশাক পরেছেন। পরপুরুষের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমুও খেয়েছেন। কিন্তু স্বামী সাইফ কোনও আপত্তি তোলেননি। কারিনা মা হওয়ার পর ষোলো আনা সম্ভাবনা ছিল সিনেমা জগত থেকে দূরে সরে যাওয়ার। কিন্তু সেখান থেকেও কামব্যাক করেন তিনি। তৈমুরের জন্ম দেওয়ার পর করে ফেলেন ‘ভিরে দি ওয়েডিং’-এর মতো একটি ছবি।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, অভিনেতা বা অভিনেত্রীরা সবার জীবনেই খবু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁরা জনগণের কাছে রোল মডেল। তাই তাঁদের এমন কিছু করা উচিত যাতে সঠিক উদাহরণ তৈরি হয়। সবার কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছায়। তিনি নিজের মতো করে জীবন উপভোগ করছেন। প্রেগন্যান্সির পর বেবি বাম্প নিয়ে তিনি সর্বসমক্ষে এসেছেন, ব়্যাম্প ওয়াক করেছেন। এটি তাঁর ক্যারিয়ারের অংশ। তাই গর্ভাবস্থাতেও কাজ করেছেন তিনি। কোনও অজুহাতে সরে আসেননি। এমনকী তৈমুর জন্মের পরও তিনি কাজ থেকে বিশ্রাম নেননি। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনকে সুন্দরভাবে ব্যালেন্স করে গিয়েছেন তিনি। তাঁর এই কাজ নারীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করেন কারিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রকাশ্যে গোপন কথা জানালেন আলিয়া

বিনোদনের খবর: বলিউড পাড়ার নায়ক-নায়িকাদের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে এখন আর তেমন গোপনীয়তা নেই। ববং নতুন প্রজন্ম সব কিছু প্রকাশ করতেই বেশি পছন্দ করেন। কিন্তু আলিয়ার উঁক্তি একটু বেশিই যেন বিস্ফোরক। সত্যি নাকি মিথ্যে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না।
তবে কিছুদিন আগে শোনা গিয়েছিল, ফের বরুণ ধবনের সঙ্গে প্রেম করছেন আলিয়া। কিন্তু সেই গুজব উড়িয়ে দেন আলিয়া। নায়িকার কথায় তার প্রথম প্রেম রণবীর কাপুর। পরিচালক করণ জোহর তার সঙ্গে প্রথম আলাপ করিয়ে দেন রণবীরের। তখন রকস্টার ছবিটি নিয়ে চারিদিকে রণবীরের প্রশংসা চলছিল। ‘ব্রহ্মাস্ত্র’-এর শুটিংয়ের সময় থেকেই রণবীর কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান আলিয়া ভাট।
কিন্তু, রণবীর কাপুরের আগে সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গেও ছিল আলিয়ার দূরন্ত প্রেম। যা নিয়ে বলিউডে কম জল্পনা হয়নি। হাবভাব দেখে মনে হয় প্রেমিক-প্রেমিকার, তবে মুখ ফুটে কিছুই বলেননি কেউ-ই। তবু আলিয়া ভাট ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রার প্রেম নিয়ে ‘যার বিয়ে তার খবর নেই, পাড়াপড়শির ঘুম নেই’ অবস্থা ভারতীয় মিডিয়ার।
মিডিয়া বলছে, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ মুভিতে অভিনয়ের শুরু থেকেই প্রেম করছেন আলিয়া-সিদ্ধার্থ। যদিও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেখাতে পারেনি তারা। এরপর নতুন এক গুঞ্জন। আর তা হল গণমাধ্যমের সামনেই নাকি সিদ্ধার্থের সন্তানের মা হওয়ার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন আলিয়া!
কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসেন আলিয়া। এরপরই কাপুর-পুত্রের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক তৈরি হয় ভাট-কন্যার। কিন্তু, জীবনে কখন প্রথম সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন আলিয়া? এমন প্রশ্নে জানালেন নতুন তথ্য। যা এর আগে কারও জানা ছিলনা।

প্রকাশ্যে আলিয়ার গোপন কথা জানিয়েছে জিনিউজ পত্রিকা। মাত্র ১৭ বছর বয়সে প্রথম প্রেম পড়ে ছিলেন তিনি।
আলিয়া জানান, স্কুলে পড়ার সময় মাত্র ১৭ বছর বয়সে প্রথম প্রেম আসে তার জীবনে। ওই সময়েই তিনি প্রথম চুম্বন করেন। কিন্তু এক বছরের মাথায় যখন তার সম্পর্ক ভেঙে যায় সেই সময় মন থেকেই তিনিও দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছিলেন। প্রথম সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু, এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জলই গড়িয়ে গেছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। যার মধ্যে বরুণ ধাওয়ান এবং অর্জুন কাপুরের নাম উঠে আসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের অন্তরঙ্গ অবস্থায় স্পর্শিয়া

বিনোদনের খবর: ভালোবাসার টানে বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রেমিক সুমিতের হাতে হাত রাখে স্পর্শিয়া। দুজনে মিলে সংসার বাঁধার স্বপ্ন দেখেন। সুমিত-স্পর্শিয়া জুটি ভালাবাসার সম্পর্কে নতুন বন্ধনে রুপ দিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
এরপর তাদের মধ্যে শুরু হয় তুমুল রোমান্স। এ সময় তাদের মাঝে চলতে থাকে ভালোবাসার নানান খুঁনসুটি। কখনো ঘরের ভেতর অন্তরঙ্গ অবস্থায় আবার কখনো বাসার ছাদে চলে তাদের প্রেম বিনিময়।
রাত কিংবা দুপুর, চায়ের কাপে চলে তুমুল বৃষ্টি। খুনসুটি, ভালোবাসার রোমান্স আর চুমুতে চুমুতে চলতে থাকে সুমিত-স্পর্শিয়া জুটির প্রেমলীলা। এভাবেই জীবনের গল্প এগিয়ে চলে সুমিত ও স্পর্শিয়ার।
একটি সূত্রে জানা যায়, এই মিউজিক ভিডিওতে স্পর্শিয়া নাকি একাধারে ১৪টি চুমু দিয়েছেন সুমিতকে। অবশ্য মিউজিক ভিডিও’র খাতিরেই এটা করেছেন তিনি। এই তো কিছুদিন আগে ভিজুয়ালাইজার টিম সংগীতশিল্পী পিয়াল হাসান গান ‘চায়ের কাপে তুমুল বৃষ্টি’ এর এই ভিডিওটি নির্মাণ করে। সেখানেই অন্য রকম একটি আবহে স্পর্শিয়া ও সুমিত সেন গুপ্তকে খুঁজে পাওয়া যাবে।
এই গানটি লিখেছেন, জামাল রেজা। গানটি টিউন ও মিউজিক করছেন শিশির। কোরিওগ্রাফিতে ছিলেন নিডো খান। ভিজুয়ালাইজার টিমের এই ভিডিও নিমার্ণে ডিওপি হিসেবে ছিলেন ফরহাদ হোসেন। গানটি নিয়ে সংগীতশিল্পী পিয়াল হাসান দারুণ সন্তুষ্ট।
এ বিষয়ে সংগীতশিল্পী পিয়াল হাসান বলেন, বহু দিন পরে এমন স্বাদের একটি গান করেছি। ভক্তরা গানটির মাঝে আগের সেই পিয়াল হাসানকেই খুঁজে পাবেন। গানটি শ্রোতা-দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
গানটি নিয়ে সুমিত বলেন, এখনই কিছু বলতে চাচ্ছি না। আশা করি, গানটিতে স্পর্শিয়ার ও আমার উপস্থিতি শ্রোতা-দর্শকদের কাউকে নিরাশ করবে না।
এদিকে গান ও মিউজিক ভিডিওটি প্রসঙ্গে স্পর্শিয়া বলেন, অনকদিন পর এমন মিষ্টি স্বাদের গানের মিউজিক ভিডিওটিতে কাজ করলাম। গানের কথা ও গায়কীর সাথে সুমিতের সঙ্গে কাজটি আমার ভীষণ পছন্দ হয়েছে। আশা করি, দর্শক-শ্রোতারা ভালো একটি মিউজিক ভিডিও এর স্বাদ পাবে।
প্রসঙ্গত, গানটি শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) পিয়াল হাসানের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

খেলার খবর: ব্রাজিল একাধিক অধিনায়কের পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসেছে। নেইমারই এখন ব্রাজিল দলের নিয়মিত অধিনায়ক। নেইমারের অধীনে ব্রাজিল মাঠে নামছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। নেইমার অবশ্য আগেও ব্রাজিলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে নেইমারকে দিনকয়েকের মধ্যে কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হবে। আগামী মাসেই ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সুপারক্ল্যাসিকো হতে যাচ্ছে। সৌদি আরবের জেদ্দায় আগামী ১৬ অক্টোবর ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ব্রাজিল খেলবে যুক্তরাষ্ট্র, এল সালভাদর ও সৌদি আরবের বিপক্ষে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা সুপারক্ল্যাসিকো খেলতে নামার আগে মুখোমুখি হবে গুয়াতেমালা এবং কলম্বিয়ার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest