সর্বশেষ সংবাদ-
পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভাগণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিলগড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিতশাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম – সদস্য সচিব শফিকুল

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গোপন নথির বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

দেশের খবর: তৎকালীন পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে করা গোপন নথি নিয়ে ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক ১৪ খণ্ডের বইয়ের প্রথম খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে গণভবন প্রাঙ্গণে বইটির প্রকাশনা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথম খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি হিসেবে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্যাতিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু আন্দোলন করেছেন, আত্মত্যাগ করেছেন। কিন্তু স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুকে সময় দেয়া হয়নি। ৭৫-এ নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই দেশে উন্নয়ন। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে দেশের উন্নয়নে কাজ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। তাই আজ বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।
ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।
অন্যদের মধ্যে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) দায়িত্বপালনের সময় এসব গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংগ্রহে সহায়তাকারী বর্তমান পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান, হাক্কানী পাবলিশার্সের প্রকাশক গোলাম মোস্তফা।।
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে অমূল্য এসব ডকুমেন্ট দেশ, জাতি ও বহির্বিশ্বে পৌঁছে দেয়ার প্রয়াসে ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক ১৪ খণ্ডে বই আকারে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্রীর চাপেই রানির সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য হন গোবিন্দ

বিনোদনের খবর: সুনিতাকে বিয়ে করেছেন। নর্মদা আহুজা এবং যশবর্ধন নাম দুই সন্তানকে নিয়ে আপাতত সুখেই সংসার করছেন অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ। কিন্তু সুনিতার সঙ্গে বাগদান পর্ব সেরেও প্রথমে সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন তিনি। কিন্তু কেন?
গোবিন্দর বর্তমান থেকে যদি বেশ কয়েক ধাপ পিছিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে এমন কিছু সত্যি সামনে আসবে, যা শুনলে চমকে যাবেন আপনিও। গোবিন্দ যখন উঠতি নায়ক, সেই সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় নিলমের। বলিউডের সেই সময়ের নবাগতা নিলমকে দেখে কী মনে হয়েছিল, তখন একটি সাক্ষাতকারে তা প্রকাশ করেন তিনি।
সেই সাক্ষাতকারে গোবিন্দা বলেন, সাদা শর্টস পরে, চুল ছেড়ে দেওয়া নিলমকে যখন দেখেছিলেন, তখন যেন নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি তিনি। প্রাণলাল মেহতার অফিসে নিলমের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর থেকেই যেন তাকে ভুলতে পারছিলেন না গোবিন্দা। এরপর নিলমের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ারও শুরু করেন তিনি। কিন্তু কোনভাবেই নিলমকে মনের কথা বলে উঠতে পারেননি।
এসবের মাঝেই সুনিতার সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করে দেওয়া হয় বাড়ির তরফ থেকে। কিন্তু কোনভাবেই নিলমকে ভুলতে পারছিলেন না তিনি। এমনকি, মায়ের চাপে যখন সুনিতাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যান গোবিন্দ, তখন হবু স্ত্রীকে পাল্টে ফেলার চেষ্টা করেন তিনি।
সেই সাক্ষাতকারে গোবিন্দ বলেন, নিলমের মত করে নিজেকে তৈরি করতে হবে বলে বার বার চাপ দিতেন সুনিতাকে। যাতে রেগে যেতেন সুনিতা। কোনভাবেই নিজেকে পরিবর্তন করতে পারবেন না বলেও গোবিন্দাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন সুনিতা। শুধু তাই নয়, নিলমের সঙ্গে কি সম্পর্ক আছে? সুনিতা সেই প্রশ্নও বার বার করতেন। ফলে হবু স্ত্রীর উপর রেগে যান তিনি। এবং বাগদান ভেঙে দেন।
বাগদান ভেঙে দেওয়ার পর সুনিতা নাকি ৫ দিন ধরে তার সঙ্গে কথা বলেননি। যোগাযোগও করেননি। এরপর গোবিন্দর মায়ের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত সুনিতাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যান গোবিন্দা। এরপর নিলমও ক্রমশ বলিউডের অন্য অভিনেতাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার শুরু করেন। যে দেখে মনে মনে রেগে যেতেন বলেও জানান গোবিন্দা। কিন্তু ততদিনে সবকিছু হাতের বাইরে চলে যায়। মন থেকে চেয়েও নিলমকে এই কারণেই আর বিয়ে করতে পারেননি বলে সেই সাক্ষাতকারে জানান গোবিন্দা।
শুধু তাই নয়, নিলমের পাশাপাশি জুহি চাওলা এবং দিব্যা ভারতীকেও তার ভাল লাগত। দিব্যা এমন একজন অভিনেত্রী, যাকে দেখে যে কোনও পুরুষেরও ভাল লাগতে পারে বলেও মন্তব্য করেন গোবিন্দা। শুধু তাই নয়, যদি কখনও তিনি চান এবং তার কুন্ডলীতে লেখা থাকে, দ্বিতীয় বিয়ের কথা, তাহলে তিনি অবশ্যই করবেন। এর জন্য সুনিতাকে সব সময় মনের দিক থেকে তৈরি থাকতে হবে বলেও জানান গোবিন্দা।
যদিও তা আর হয়নি। সুনিতার সঙ্গেই সুখে সংসার করছেন বলিউডের এই জনপ্রিয় নায়ক। তবে শুধু নিলম, জুহি বা দিব্যাই নন, রানি মুখার্জির সঙ্গেও এক সময় সম্পর্কে জড়ান গোবিন্দা। শোনা যায় ‘হাদ কর দি আপনে’-র শুটিংয়ের সময় রানির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। রানিকে নিয়ে মুম্বইতে থাকতেও শুরু করেন গোবিন্দ।
রানিকে ফ্ল্যাট কিনে দেওয়া থেকে শুরু করে দামি উপহার এবং গাড়ি, কোনও কিছু দিতেই কসুর করেননি তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রানির সঙ্গেও ভেঙে যায় গোবিন্দর সম্পর্ক। শোনা যায়, স্ত্রী সুনিতার চাপে পড়েই শেষ পর্যন্ত রানির সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য হন গোবিন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরিতে উত্তর কোরিয়ার নাগরিক : যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার এক নাগরিককে দায়ী করে তার পরিচয় প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পার্ক জিন হিয়ক নামের ওই কম্পিউটার প্রোগ্রামারকে ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সনি করপোরেশন এবং ২০১৭ সালে বিশ্বজুড়ে ‘ওয়ানাক্রাই র‍্যানসমওয়্যার’ সাইবার হামলার ঘটনায় দায়ী করেছে মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে আইনজীবী ট্র্যাসি উইলকিনসন এক সংবাদ সম্মেলনে পার্ক জিন হিয়কের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের কথা জানান। উত্তর কোরিয়া সরকার হ্যাকারদের সহযোগিতা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার একটি গ্রুপ বিশ্বের বিভ্ন্নি ব্যাংকে ২০১৫ সাল থেকে সাইবার হামলা করে আসছে এবং এখন পর্যন্ত এক বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলারের বেশি চুরি করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন (আট কোটি ১০ লাখ) মার্কিন ডলার চুরির ঘটনা একটি।
রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্র উদ্যোগ নিলেও নিজেদের এই নাগরিককে উত্তর কোরিয়া বিচারের জন্য ওয়াশিংটনের হাতে তুলে দেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। দুই দেশের মধ্যে অপরাধী হস্তান্তরের কোনো চুক্তিও নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, পার্ক জিন হিয়ক ‘লাজারাস গ্রুপ’ নামে একটি হ্যাকার দলের সদস্য। এদের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা করা। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে পার্ক জিন হিয়ক এবং তিনি যে চীনা কোম্পানিতে কাজ করেন, সেই চোসান এক্সপোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

তবে উত্তর কোরিয়ায় বসবাসরত এই সাইবার হামলাকারীর বিচারের উদ্যোগ মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয় নিলেও, দুই দেশের মধ্যে আসামি বা বন্দি হস্তান্তরের কোনো চুক্তি না থাকায় তা সফল হবে কি না তা স্পষ্ট নয়।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে (ফেড) রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ভুয়া সুইফট বার্তা পাঠিয়ে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো দুই কোটি ডলার লোপাট আটকানো গেলেও ফিলিপাইনে যাওয়া আট কোটি ১০ লাখ ডলার জুয়ার টেবিল ঘুরে হাতবদল হয়ে যায়। তার মধ্যে প্রায় দেড় কোটি ডলার ফিলিপাইন সরকার উদ্ধার করে ফেরত দিলেও বাকি অর্থের হদিস মেলেনি।

২০১৭ সালের জুন জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের মধ্যে তিন কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার উদ্ধার করা হয়েছে।

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫)-এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৪ ধারায় ও ৩৭৯ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাজর ও বিটের রসের উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: গাজর এবং বিটে উপস্থিত ‘ডিটক্সিফায়ার’ শরীরের অন্দরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে দেহের অন্দরে বিষাক্ত উপাদানের মাত্রা বেড়ে গিয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। শুধু তাই নয়, মেলে আরও অনেক উপকার, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নিয়মিত এক গ্লাস করে বিটের রস খাওয়া শুরু করলে শরীরের যে যে উপকারগুলি হয়ে থাকে, সেগুলো হলো-
১. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত বিটরুট বা বিটের রস খেলে হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হৃদপিণ্ডের অন্দরে প্রদাহ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। ফলে কোনো ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও কমে। এই কারণেই তো যাদের পরিবারে হার্টের রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের ৩০-এর পর থেকেই নিয়মিত বিটের রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
২. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: বাড়ির বাইরে খেতে খেতে পাকস্থলি কাজ করা বন্ধ করে দিতে বসেছে। ফলে বাড়ছে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ? ফিকার নট! কাল থেকে এক গ্লাস করে বিট রুটের রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন স্টমাক তার হারিয়ে যাওয়া ক্ষমতা ফিরে পাবে। ফলে হজম ক্ষমতা এমন বেড়ে যাবে যে অম্বল ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। রাশি অনুসারে এই সপ্তাহটা কেমন যাবে জেনে নিতে চান নাকি? বাড়ির এই জায়গায় লাফিং বুদ্ধার মূর্তি রাখলে দেখবেন দুঃখ আপনাকে ছুঁতে পর্যন্ত পারবে না! জন্মাষ্টমী দিন ভগবান কৃষ্ণের মন জয় করতে বিভিন্ন রাশির জাতকদের কি কি নিয়ম মেনে পুজো করতে হবে?
৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে: যেভাবে স্ট্রেস আমাদের ঘিরে ধরছে, তাতে রক্তের আর কি দোষ বলুন! রাগে-দুঃখে-হতাশায় সে ফুলে ফেঁপে উঠছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে রক্তচাপ। এমন অবস্থায় রক্তকে ঠাণ্ডা করতে পারে একমাত্র বিটের রক্তিম রস। আসলে রক্তের মতোই দেখতে এই রসটিতে রয়েছে নাইট্রেস, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. লিভার ফাংশনের উন্নতি ঘটে: প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম, বিটেইন, ভিটামিন বি, আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে এই সবজিটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। কারণ সবকটি উপাদানই নানাভাবে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, লিভারের অন্দরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানেরা যাতে ঠিক মতো বেরিয়ে যেতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে বিটের অন্দরে থাকা বিটেইন এবং ফাইবার।
৫. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: মস্তিষ্কের সোমাটোমটোর কটেক্স অঞ্চলে অক্সিজেনেশানের উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে ব্রেন নিউরোপ্লাস্টিসিটি বাড়াতে বিটের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আর একবার মস্তিষ্কের এই বিশেষ অংশটির ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে স্মৃতিশক্তির উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে বুদ্ধির বিকাশ ঘঠতেও সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, বিটের অন্দরে থাকা নাইট্রেট শরীরে প্রবেশ করে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে যায়, যা ব্রেণের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুমার শানুর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

বিনোদনের খবর: ভারতের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী কুমার শানু পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়েছেন। নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরও রাতে গানের অনুষ্ঠান চলায় কুমার শানু ও আয়োজকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিহারের মুজাফফরপুরের একটি অনুষ্ঠানে লাউড স্পিকারে গান চালানো হয়। সেই অনুষ্ঠানে পারফর্ম্যান্স করছিলেন কুমার শানু। আর সময় নির্ধারণ করা ছিল রাত ১০টা পর্যন্ত। কিন্তু সময় অতিক্রম করা হলেও গান থামানো হয়নি। তাই এলাকাবাসী আয়োজকদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। আর সেই অভিযোগে ৬০ বছর বয়সী গায়ক কুমার শানুর নামও যুক্ত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়াকে হত্যার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার : ফখরুল

দেশের খবর: রাজনৈতিক নীল নকশা বাস্তবায়নে সরকার গুরুতর অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। সরকারকে এই হীন ষড়যন্ত্র থেকে বেরিয়ে এসে অবিলম্বে তার জীবন রক্ষার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালে সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছে দলটি।
দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনে দলের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করেছেন। তারা জানিয়েছেন যে, দেশনেত্রী অত্যন্ত অসুস্থ। তার বা হাত ও বাম পা প্রায় অবশ হয়ে গেছে। অসহ্য ব্যাথা অনুভব করছেন তিনি। একই কথা তিনি বলেছেন ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত বেআইনি আদালত কক্ষে।
তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়ার কোনো চিকিৎসা হচ্ছে না। আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন তার স্বাস্থ্য নিয়ে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে মিথ্যা সাজানো মামলায় শাস্তি দিয়ে কারাগারে বেআইনিভাবে আটক রেখে তাকে হত্যা করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের সংবিধান এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী কোনো অসুস্থ নাগরিককে সুস্থ না হলে বিচার কার্য চালানো যায় না। এটা সম্পূর্ণ অমানবিক এবং সংবিধান পরিপন্থি। আমরা অনেকবার বলেছি, তাকে পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা বলেছেন যে, তিনি মারাত্মকভাবে অসুস্থ। তাই অবিলম্বে বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করে তাকে চিকিৎসা দেয়া তার জীবন রক্ষার জন্য অতি প্রয়োজন। সরকার আমাদের কথার কর্ণপাত না করে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করবার জন্য তাকে কোনো চিকিৎসা না দিয়ে পরিত্যক্ত নির্জন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্যাঁতস্যাঁতে অস্বাস্থ্যকর কক্ষে আবদ্ধ করে রেখেছে। একজন সাধারণ বন্দির সঙ্গেও এ ধরনের আচরণ করা হয় না।
ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার অবদান যারা অস্বীকার করতে চান তারা কেউই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলে আমরা মনে করি না। সরকার তাকে শাস্তি দেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। উচ্চতর আদালত জামিন দেয়ার পরও তাকে মুক্তি দেয়া হচ্ছে না। সম্পূর্ণ মিথ্যা এসব মামলায় তাকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। যদিও এইসব মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তদের সকলকেই জামিন দেয়া হয়েছে।
এটা এখন স্পষ্ট যে, রাজনীতি থেকে এবং আসন্ন নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রেখে একতরফাভাবে নির্বাচন নিজেদের নির্বাচিত ঘোষণা করবার নীল নকশা নিয়েই এই অপপ্রয়াস চালাচ্ছে সরকার। এতোটাই নিচে নেমে গেছে যে, একজন মারাত্মকভাবে অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে তারা চিকিৎসার কোনো সুযোগ দিচ্ছে না। অথচ চিকিৎসা পাওয়া তার সাংবিধানিক অধিকার’- বলেন ফখরুল।
ফখরুল আরো বলেন, এই গণবিরোধী সরকার নিশ্চিত হয়েছে যে, বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব বিপন্ন হবে এবং আগামী নির্বাচনে তাদের ভরাডুবি হতে বাধ্য। এটা এখন শুধুমাত্র আমাদের কথা নয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিনাক ভট্টাচার্য সম্প্রতি তার লেখায় বলেছেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের লজ্জাজনক পরাজয় ঘটবে। আর সেই কারণেই তারা আসন্ন নির্বাচনে তিনি যেন নেতৃত্ব দিতে না পারে এবং জনগণ যেন তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে না পারে সেই জন্যই তারা তার চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে বেআইনিভাবে সাজা দেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। আর সে জন্যই সারাদেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার হীন প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিয়ে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় সকল দায়দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। বিশেষ করে সংবিধান লঙ্ঘন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তাদের অভিযুক্ত হতে হবে। কারা কর্তৃপক্ষকেও আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্তৃপক্ষ। আপনাদের দায়িত্ব সুস্পষ্টভাবে আইন ও বিধান দ্বারা পরিচালিত। এ দায় আপনাদেরকেও বহন করতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘এই সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। এক ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারিতায় দেশ চলছে। বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। জনগণ এদের পরিবর্তন চায়।

আমরা আবারও সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিয়ে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। ইতিহাসের কাঠগড়ায় আপনাদের দাঁড়াতে হবে। সকল দায় দায়িত্ব আপনাদের ওপর বর্তাবে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে জেলগেটে বিচার হয়েছে-আওয়ামী লীগ নেতাদের এই বক্তব্যের প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড . খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমানের সময় জেলগেটে যে বিচার হয়েছে সেটা ছিল রাষ্ট্রদ্রোহীতার। তখন দেশে মার্শাল ল’ ছিল। তখন দেশের সংবিধান রহিত ছিল। এখনকি তাহলে দেশে মার্শাল ল’ চলছে?
‘ক্যামেরা ট্রায়াল নয়। পুরো দরজা খোলাই ছিল। এটা ক্যামেরা ট্রায়াল হলো কীভাবে’- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের প্রসঙ্গে মোশাররফ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এই ধরনের কথা বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চান। তার কথায় সত্যের অপলাপ। কারণ পরিত্যক্ত পুরনো কারাগারের গেটের বাইরেও কত ধরনের বাধা থাকে আপনারা জানেন। গত দুই ঈদে আমরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তখন আপনারা দেখেছেন কারাগারের গেটের বাইরে কোথায় আমাদের আটকে দিয়েছে। তাহলে সেখানে কীভাবে দরজা খোলা থাকে বলছেন প্রধানমন্ত্রী?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়া কাপে উদ্বোধনী ম্যাচে তামিমকে পাওয়া নিয়ে আছে শঙ্কা

খেলার খবর: এশিয়া কাপের আগমুহূর্তে দুঃসংবাদ এল বাংলাদেশ শিবিরে। ইনজুরিতে পড়েছেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের এই মূল স্তম্ভ আঙুলে চোট পেয়েছেন। প্রথমে শোনা গিয়েছিল আঙুলে সামান্য ব্যথা পেয়েছেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জানা গেল, চোট গুরুতর। তামিমের ডান হাতের অনামিকায় চিড় ধরেছে। চিকিৎসকেরা সেটিকে বলছেন ‘স্মল ক্র্যাক।’
তামিম এই চোট পেয়েছিলেন সপ্তাহখানেক আগে ফিল্ডিং অনুশীলন করতে গিয়ে। শুরুতে বড় কিছু ভাবা হয়নি। পরে ব্যথা না কমায় স্ক্যান করার পর ডাক্তাররা শোনান এই দুঃসংবাদ। এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে তামিমকে পাওয়া নিয়ে আছে শঙ্কা। এশিয়া কাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচের বাকি আরও এক সপ্তাহের বেশি। সময় তাই এখনও আছে। তবে এই ধরণের চোট ঠিক হতে অনেক ক্ষেত্রে সময় লাগতে পারে আরেকটু বেশি।
এশিয়া কাপের বাংলাদেশ দলটি এখন চোটে জর্জর। সাকিব আল হাসান পুরনো চোট নিয়ে খেলবেন। ফিল্ডিং অনুশীলনে আঙুলে চোট পেয়ে অনিশ্চিত হয়ে গেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তাদের দলে এবার যোগ দিলেন তামিম। এই চোট সমস্যাগুলোর কারণেই বৃহস্পতিবার এশিয়া কাপের বাংলাদেশ স্কোয়াডে যোগ করা হয়েছে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মুমিনুল হককে। তাকে নিয়ে বাংলাদেশ দল এখন ১৬ জনের। বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, তামিমের খেলার চান্স ফিফটি-ফিফটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরমে ঘামাচি হলে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক: গরমের বিব্রতকর সমস্যা ঘামাচি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই রোগটির নাম মিলিয়ারিয়া। এটি ঘর্মগ্রন্থির রোগ। কোনো ব্যক্তি যদি ঘরে, অফিসে এবং গাড়িতে এয়ারকুলার ব্যবহার করেন তবে বলা যায়, তার এ রোগ হওয়ার আশংকা গরমকালেও নেই।
ঘামাচি কী?
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ঘামাচির নাম মিলিয়ারিয়া। এটি ঘর্মগ্রন্থির রোগ। ঘামাচি তিন ধরনের হয়। প্রথমে আসা যায় মিলিয়ারিয়া কৃস্টালিনা। এ ক্ষেত্রে ত্বক দেখতে প্রায় স্বাভাবিক বলেই মনে হয়। সাধারণত কোনো উপসর্গ থাকে না।
দ্বিতীয়টি অর্থাৎ মিলিয়ারিয়া রুবরার ক্ষেত্রে ঘর্মনালীতে বদ্ধতা দেখা দেয় এবং এ ক্ষেত্রে ত্বকের ওপরে ছোট ছোট অসংখ্য গোটা হতে দেখা যায়। গোটার মাথায় পানির দানা থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে এবং ত্বক স্বাভাবিকের চেয়ে আপেক্ষিকভাবে লালচে রঙের দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে প্রচণ্ড চুলকানি থাকে, যা শরীরের মূল অংশ অর্থাৎ বুক, পিঠ ও ঘাড়ে বেশি হতে দেখা যায়।
তবে অতিরিক্ত ঘাম শরীরের দুর্গন্ধ ও অস্বস্তির কারণ হয়। ঘাম এবং ঘামাচি থেকে গরমে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন সমস্যা হয়। এর মধ্যে ঘামাচি অন্যতম। তবে কিছু পদক্ষেপ নিলে ঘামাচি কমানো সহজ হয়।
আসুন জেনে নেই ঘামাচি হলে কী করবেন?

গোসল
ঠান্ডা পরিবেশে থাকতে হবে। এয়ারকন্ডিশন রুমে থাকা ভালো, তবে ফ্যানের বাতাসেও থাকতে পারেন। এছাড়া দিনে দুই থেকে তিনবার পানি দিয়ে গোসল করা যেতে পারে।

বেবি ট্যালকম পাউডার
বেবি ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। গরমে সব সময় ঢিলেঢালা সুতি জামাকাপড় পরবেন। এতে করে স্বস্তিবোধ করবেন।

ক্যালামিলন লোশন
ক্যালামিলন লোশন (ক্যালামিলন) ঝাঁকিয়ে আক্রান্ত ত্বকে লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক পর ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে তিন থেকে চার দিন করবেন, তার বেশি নয়। এছাড়া খুব বেশি লাল ভাব বা একজিমার মতো হলে কিছুদিন কিউরল অয়েন্টমেন্ট দিনে দুবার করে ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়।

অ্যান্টিবায়োটিক
ফোঁড়া হলে অ্যান্টিবায়োটিক, যেমন—ফ্লক্সাসিলিন অথবা ইক্লরাইথ্রোমাইসিস পাঁচ থেকে সাত দিন যথাযথ মাত্রায় পুরো কোর্স খেতে হবে। তবে যেকোনো ওষুধ খাওয়া বা লাগানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

চুলকাবেন না
ঘামাচি চুলকাবেন না। কারণ ঘামাচি চুলকালে আপনার নখের দ্বারা জীবাণু সংক্রামণ হতে পারে। আর সব সময় পরিচ্ছন্ন থাকুন। নোংরা থাকবেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest