সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

আজ থেকে ঢাকায় সাফ ফুটবল শুরু

খেলার খবর: বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল ভক্তদের অপেক্ষার পালা শেষ হতে চলেছে আজ। ঢাকায় প্রস্তুত দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ ফুটবল প্রতিযোগিতার মঞ্চও। ৭ দল যোগ দেবে ১২ দিনের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মহারণে।

১২তম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর্দা উঠছে নেপাল ও পাকিস্তানের লড়াই দিয়ে। বিকাল ৪টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে তারা। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি ও চ্যানেল নাইন। আর সন্ধ্যায় একই ভেন্যুতে স্বাগতিক বাংলাদেশ লড়বে ভুটানকে। উদ্বোধনী দিনে ‘এ’ গ্রুপের চার দল নামছে মাঠে।

শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে ‘বি’ গ্রুপে লড়বে ভারত, যেখানে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ। এই ৭ দলের মধ্যে একটি দল ট্রফি উঁচু করে ধরবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর।

১৯৯৩ সালে ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও নেপালকে নিয়ে সার্ক গোল্ডকাপ ফুটবল নামে যাত্রা শুরু হয়েছিল এই টুর্নামেন্টের। চার বছর পর কাঠমান্ডু আসরে নাম পাল্টে হয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এনিয়ে তৃতীয়বার টুর্নামেন্টের আয়োজক বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে প্রথমবার স্বাগতিক হয়েই একমাত্র শিরোপা জিতেছিল তারা। সবশেষ ২০০৯ সালে আয়োজক হয়ে সেমিফাইনালে বিদায় নেয় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সাফে অংশ নিচ্ছে ১৯৯৫ সাল থেকে। শুরুটা চার দলের হলেও আস্তে আস্তে এতে অংশ নেয় ৮ দল। বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও ভারতের সঙ্গে সবশেষ যুক্ত হয়েছিল আফগানিস্তান। ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত টানা ছয়টি সাফ খেলার পর মধ্য এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় সাফ খেলার যোগ্যতা হারায় তারা।

৮ দলের মধ্যে সাফ সাফল্যে সবচেয়ে দাপট ভারতের। ১৯৯৩ সালে প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন তারা। তারপর থেকে আরও ছয়টি শিরোপা জিতেছে ভারতীয়রা। তারা ছাড়াও একবার করে ট্রফি পেয়েছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।

এবারও সপ্তম ট্রফি জয়ের দৌড়ে ফেভারিট হয়েই নামছে ভারত। ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ৯৬তম দলটি তৃতীয়বার টানা দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে খেলবে। র‌্যাংকিংয়ের বিচারে তাদের চেয়ে অনেক পিছিয়ে অন্যরা- মালদ্বীপ ১৫০তম, নেপাল ১৬১, ভুটান ১৮৩, বাংলাদেশ ১৯৪, শ্রীলঙ্কা ২০০ ও পাকিস্তান ২০১ নম্বরে।

অবশ্য র‌্যাংকিংয়ের প্রভাব মাঠে পড়ুক চান না কোনও দলের খেলোয়াড় ও কোচ। তারা আভাস দিয়ে রেখেছেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের। কঠিন হলেও দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে এশিয়ান গেমসে নক আউটে উঠে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশ।

এক আসর বাদ দিয়ে সাফে প্রত্যাবর্তনে ভালো কিছু করার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। ১৯৯৫ সালের চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা তো একমাত্র প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিকদের হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। ২০০৮ সালের পর প্রথম শিরোপা স্বপ্ন না দেখলেও লড়ে যেতে চায় মালদ্বীপ। টানা চারবার গ্রুপ পর্বে ছিটকে যাওয়ার পুনরাবৃত্তি হতে দিতে চায় না ভুটান।

উত্তেজনায় ভরপুর এক টুর্নামেন্ট দর্শকদের উপহার দিতে প্রস্তুত দক্ষিণ এশিয়ার ৭ ফুটবল দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার কাছে ৫০ আসন চান নাজমুল হুদা !

রাজনীতির খবর: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে ৫০টি আসন দাবি করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় জোট (বিএনএ) ও তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় জোট আগামী নির্বাচনে ৫০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এ লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ ও ১৪-দলীয় ঐক্যজোটের সঙ্গে একমত হয়ে জোটবদ্ধ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ৫০টি আসনে বিএনএর প্রার্থী তালিকাও দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ১৪-দলীয় জোটনেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিএনএ।’

গতকাল বিকালে রাজধানীর তোপখানার মেহেরবা প্লাজায় বিএনএ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। এর আগে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটে অংশগ্রহণ বিষয়ে জরুরি সভায় সভাপতিত্ব করেন তিনি। বিএনএর সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী খানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন বিএনএর কো-চেয়ারম্যান এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, মহাসচিব মেজর (অব.) ডা. শেখ হাবিবুর রহমান, তৃণমূল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গোলাম সারওয়ার মিলন, মহাসচিব ব্যারিস্টার আকবর আমিন বাবুল প্রমুখ। বৈঠকের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, ‘বিএনএ একটি নির্বাচনমুখী মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক অসামপ্রদায়িক জাতীয়তাবাদী জোট। কোনো প্রেক্ষাপটেই জাতীয় নির্বাচন বর্জনে বিশ্বাস করে না। দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে কোনো পরিস্থিতিতেই নির্বাচনে অংশগ্রহণে বিশ্বাস করে। সুস্থ রাজনীতির মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলনে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশে গণতন্ত্র সুসংহত এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে বিশ্বাস করে বিএনএ।’

তিনি বলেন, ‘দেশে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন একমাত্র নির্বাচিত সরকারের অধীনেই সম্ভব। কারণ একটি নির্বাচিত সরকারের জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা থাকে এবং তাদের ব্যর্থতার জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক কিংবা সহায়ক সরকারের কাছে জনগণের দায়বদ্ধতা থাকে না। বিএনএ বিশ্বাস করে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের গুরুদায়িত্ব একমাত্র শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অধীনেই হতে পারে। নির্বাচিত সরকারকেই এই মহান দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা ও আ. লীগের জনপ্রিয়তা বেড়েছে: আইআরআই জরিপ

রাজনীতির খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ওয়াশিংটনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) পরিচালিত এক জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ৬৬ শতাংশ নাগরিক প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ৬৪ শতাংশ নাগরিক আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

জরিপে বলা হয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি আশানুরূপভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ৬২ শতাংশ নাগরিক মনে করেন অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় দেশ সঠিক পথে আছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ৬৯ ভাগ নাগরিক। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইনসাইট অ্যান্ড সার্ভের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ৬৬ ভাগ নাগরিকের কাছে জনপ্রিয় শেখ হাসিনা। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রতি ৬৪ ভাগ নাগরিকের সমর্থন রয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনের নোটে বলা হয়েছে, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। আর সে কারণেই ৬৮ ভাগ নাগরিক জননিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট। এর মধ্যে ৫৭ ভাগ মনে করছেন, সামনে জননিরাপত্তা ব্যবস্থার আরও উন্নতি হবে।

জরিপের ফলাফলে বলা হয়, সরকারি বিভিন্ন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও জনসন্তুষ্টির পরিমাণ বেড়েছে। জনস্বাস্থ্য খাতে সরকারি সেবায় সন্তুষ্ট ৬৭ ভাগ মানুষ এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ৬৪ ভাগ নাগরিক। এছাড়া সড়ক ও ব্রিজের উন্নয়নের প্রভাব নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ৬১ ভাগ নাগরিক।

দেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক আবহ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ৫১ ভাগ নাগরিক। পার্লামেন্টের কার্যক্রমের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। নাগরিকদের কাছে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ৮১ ভাগ জানায়, আগামী নির্বাচনে তারা ভোট প্রদান করবেন।

এই বছরের এপ্রিলের ১০ তারিখ থেকে ২১ মে পর্যন্ত এই জরিপ চালানো হয়। সেখানে দেশের মোট জনসংখ্যাকে কিছু স্তরে ভাগ করে কয়েকটি পর্বে বাছাই করা হয় এবং তাদের সঙ্গে সরাসরি অথবা বাসায় ফোন করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার জন্য স্তরগুলো দেশের বিভাগ ও জেলা এবং গ্রাম ও শহর হিসেবে ভাগ করে নেওয়া হয়। এই গবেষণার জন্য ৫ হাজার মানুষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়, যাদের বয়স ১৮ বা তার বেশি এবং আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার রাখেন।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিক ইনস্টিটিউট (আইআরআই)-এর গবেষণা প্রতিবেদনেও কাছাকাছি ফল পাওয়া যায়। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত গবেষণা সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬৪ ভাগ নাগরিক মনে করে দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

২০১৫ সালে ব্রিটিশ কাউন্সিল, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এর যৌথ আয়োজনে পাওয়া পরিসংখ্যানেও একই কথা বলা হয়।

প্রতিবেদন জানানো হয়, ৭৫ ভাগ তরুণের মতে বাংলাদেশ আগামী ১৫ বছরে আরও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে এবং তাদের মধ্যে ৬০ ভাগ তরুণ মনে করেন দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই গবেষণা প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ৭২ দশমিক ৩ ভাগ নাগরিক দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনার পক্ষে ‘ভালো মত’ প্রকাশ করেন। এই প্রতিবেদনেই ২৬ দশমিক ৬ ভাগ নাগরিক দেশ পরিচালনায় খালেদা জিয়ার পক্ষে ‘ভালো মত’ প্রকাশ করেন। ২০১৫ সালে আইআরআই প্রকাশিত অপর এক জরিপ অনুসারে, ৬৭ ভাগ নাগরিক দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখেন।

সূত্র : বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের নিয়ে ভুয়া ছবির জন্য বর্মী সেনাবাহিনীর ক্ষমা প্রার্থনা

বিদেশের খবর: রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে প্রকাশিত একটি বইয়ে ভুয়া ছবি প্রকাশের জন্য ক্ষমা চেয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বলেছে, দুটি ছবি তারা ‘ভুলভাবে’ প্রকাশ করেছে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মুখপত্র মিন্দানাও ডেইলিতে সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, “এই ভুলের জন্য পাঠক এবং ওই ছবি দুটির আলোকচিত্রীদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।”

রোহিঙ্গা সঙ্কটের ‘আসল সত্য’ প্রকাশের ঘোষণা দিয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গত জুলাই মাসে বইটি প্রকাশ করে, যেখানে অন্য দেশের পুরনো দুটি ছবি ব্যবহার করে রাখাইনের রোহিঙ্গাদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা হয়। আরেকটি ছবির ক্যাপশনে দেওয়া হয় ভুয়া তথ্য।

‘মিয়ানমারের রাজনীতি ও সেনাবাহিনী: প্রথম পর্ব’ নামে ১১৭ পৃষ্ঠার ওই বইয়ে গতবছরের অগাস্টের পর শুরু হওয়া সামরিক অভিযান নিয়ে সেনাবাহিনীর ভাষ্য তুলে ধরা হয়েছে।

গত জুলাইয়ে ইংরেজি ও বর্মী ভাষায় বইটি প্রকাশ করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রচার শাখা ‘ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক রিলেশনস অ্যান্ড সাইকোলজিকাল ওয়ারফেয়ার’ ।

ওই বইয়ে রোহিঙ্গাদের নিয়ে ভুয়া ছবি ছেপে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে গত শুক্রবার একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে রয়টার্স।
এর মধ্যে পুরনো সাদা-কালো একটি ঝাপসা ছবিতে দেখা যায়, এক লোক কৃষিকাজে ব্যবহৃত নিড়ানি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন দুই লাশের পাশে। ক্যাপশানে বলা হয়েছে- ‘স্থানীয়দের নির্মমভাবে হত্যা করেছে বাঙালিরা’।

ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছে ওই বইয়ে ১৯৪০ এর দশকে মিয়ানমারের দাঙ্গার অধ্যায়ে। ছবির বিবরণে বর্মী ভাষায় বোঝানো হয়েছে- রোহিঙ্গাদের হাতে বৌদ্ধ হত্যার ছবি।

বইটিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইনের মুসলিম রোহিঙ্গাদের বর্ণনা করেছে ‘বাঙালি অবৈধ অভিবাসী’ হিসেবে।

খোঁজ করতে গিয়ে রয়টার্স দেখতে পায়, ওই ছবি আসলে তোলা হয়েছিল ১৯৭১ সালে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়, যখন লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।
ঝাপসা হয়ে আসা আরেকটি সাদা-কালো ছবিতে দেখা যায়, অসংখ্য মানুষ গাট্টি বোচকা নিয়ে পাহাড়ি পথ ধরে কোথাও যাচ্ছে। তার ক্যাপশনে বলা হয়েছে, “ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তি মিয়ানমারের দক্ষিণ অংশ দখল করে নেওয়ার পর বাঙালিরা এ দেশে প্রবেশ করে।”

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বোঝাতে চেয়েছে, ওই ছবি ১৯৪৮ সালের আগের, মিয়ানমারের কোনো এলাকার। কিন্তু রয়টার্সের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালে রুয়ান্ডায় তোলা একটি রঙিন ছবিকে বিকৃত করেই সেনাবাহিনীর বইয়ের ওই ছবি তৈরি হয়েছে।

রুয়ান্ডায় সহিংসতার পর হুটু শরণার্থীদের দেশত্যাগের ওই ছবি তুলে পিটসবার্গ পোস্ট-গেজেটের আলোকচিত্রী মার্থা রিয়াল পুলিৎসার পুরস্কার পেয়েছিলেন।
সাদা কালো আরেকটি ছবিতে দেখা যায় বেহাল চেহারার একটি নৌকা বোঝাই মানুষ। তাতে ক্যাপশন- “সাগর পথে মিয়ানমারে ঢুকছে বাঙালিরা।”

আসলে ওই ছবিটি তোলা হয় ২০১৫ সালে ইয়াঙ্গনে। ওই সময় লাখ লাখ মানুষ নৌকায় করে সাগরপথে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমানোর চেষ্টা করছিলেন। বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের বহনকারী এরকমই একটি নৌকা সে সময় মিয়ানমারের নৌবাহিনীর হাতে ধরা পড়ে।

আসল ছবিটি উল্টে দিয়ে সেটি সাদা-কালো আর ঝাপসা করে ব্যবহার করা হয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বইয়ে, যাতে ছবিটি অনেক পুরনো মনে হয়।

প্রথম দুটি ছবির বিষয়ে ইংগিত করে মিন্দানাও ডেইলিতে প্রকাশিত বিবৃতিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বলেছে, “আমরা দেখতে পাচ্ছি, দুটো ছবি ভুলভঅবে ওই বইয়ে প্রকাশিত হয়েছে।”

তবে তৃতীয় ছবিতে ক্যাপশনের ভুল তথ্য দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিবৃতিতে কিছু বলা হয়নি।

রয়টার্স লিখেছে, এ ব্যাপারে মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র জ হাতোই বা সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুন তুন নাইর বক্তব্য তারা জানতে পারেনি।

গতবছরের ২৫ অগাস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েক ডজন নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার জবাবে সেনাবাহিনী ওই নির্মম দমন অভিযান শুরু করে। জাতিসংঘ বলছে, সেনাবাহিনীর ওই অভিযানে এ পর্যন্ত দশ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

ওই হামলার জন্য ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’ নামের এক সংগঠনকে দায়ী করে আসছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। তবে ওই সংগঠনটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করে আসছে।
বর্মী সেনাদের বইয়ে রোহিঙ্গাদের ইতিহাস খোঁজারও একটি চেষ্টা করা হয়েছে। রোহিঙ্গারা নিজেদের রাখাইনের স্থানীয় বাসিন্দা বলে দাবি করে এলেও ওই বইয়ে তাদের দেখানো হয়েছে বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবেবইয়ের মুখবন্ধে লেফটেন্যান্ট কর্নেল চিয়াও চিয়াও ও লিখেছেন, রাখাইনে ‘বাঙালিদের ইতিহাস প্রকাশ্যে আনতেই’ তারা ‘প্রামাণ্য ছবিসহ’ এই সংকলনটি প্রকাশ করেছেন।

“দেখা গেছে, যখনই মিয়ানমারে কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে বা কোনো ধরনের জাতিগত সহিংসতা হয়েছে, ওই বাঙালিরা ফায়দা লোটার চেষ্টা করেছে ।”

ওই বইয়ে থাকা ৮০টি ছবির মধ্যে বেশিরভাগই সাম্প্রতিক ছবি। বেশিরভাগ ছবিই মিয়ানমারের সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের। আর কিছু ছবি নেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’র পোস্ট করা ভিডিও থেকে।

রয়টার্স বলছে, যে আটটি ছবিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করেছে, তার মধ্যে তিনটি ছবি তাদের পরীক্ষায় ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। বাকি ছবিগুলোর বিষয়ে রয়টার্স নিশ্চিত হতে পারেনি।

মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে গতবছর অগাস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আর গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে আরও প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা।

আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও গত দশ মাসে প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি। এর দায়ও বাংলাদেশের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেছেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাংলাদেশর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে আমরা সবসময় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। মিয়ানমার কখনও আপত্তি করে না। বলে নিয়ে যাবে। … বাস্তবতা হল- তারা বলে, কিন্তু করে না।”

আর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বইয়ে রোহিঙ্গাদের নিয়ে ভুয়া ছবি দিয়ে অপপ্রচারের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, “মিয়ানমার যা করেছে অত্যন্ত জঘন্য কাজ করেছে। নিজেরাই নিজেদের সম্মানটা খারাপ করেছে। আন্তর্জাতিকভাবে নিজেরাই নিজেদের অবস্থান খারাপ করেছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেসব ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

দেশের খবর: গত ২৫ জুলাইয়ের জাতীয় নির্বাচনে পাকিস্তানের ক্ষমতায় এসেছে দেশটির সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইমরান খানের দল পিটিআই। ক্ষমতায় আসার পরপরই তার দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- দুনিয়ার শীর্ষ উন্নত দেশ সুইডেনের মডেলে উন্নয়ন ঘটাবেন তিনি পাকিস্তানের। এমন দাবির জবাবে সম্প্রতি পাকিস্তানের ক্যাপিটাল টিভির আওয়াম নামের টক শোতে ইমরানকে দেশের উন্নয়নের জন্য সুইডেন বাদ দিয়ে আগে বাংলাদেশকে অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

এই পরামর্শ দেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট জাইঘাম খান। উর্দু ভাষার ওই টিভি শো’র ভিডিও ক্লিপ এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় তুলেছে। এতে দেখা যায় জাইঘাম খান বাংলাদেশের উন্নয়নের ব্যাপক প্রশংসা করেন। আসুন জেনে নেয়া যাক পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের অগ্রগতির খতিয়ান।

১. বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জে বছরে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লেনদেন হয়, যেখানে পাকিস্তানে হয় মাত্র ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবার বাংলাদেশ বছরে রপ্তানি খাতে আয় করে ৪০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের আয় মাত্র ২২ বিলিয়ন ডলার।

২. বর্তমানে একজন বাংলাদেশী ৭২ বছর বাঁচার আশা করতেই পারেন, যেখানে পাকিস্তানিদের গড় আয়ু মাত্র ৬৬। ভারতীয়দের গড় আয়ুও বাংলাদেশীদের চেয়ে কম, মাত্র ৬৮। নারীদের গড় ইনকামের দিক থেকেও বাংলাদেশ অনেকটাই এগিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে। আর ভারতীয়দের চেয়েও সামান্য ব্যবধানে আমাদের দেশের নারীরা এগিয়ে। এর প্রধান কারণ হলো বাংলাদেশে তৈরী পোশাক শিল্পের প্রভূত উন্নতি। আর এই শিল্পটি তো মূলত নারীদের কল্যাণেই টিকে রয়েছে।

৩. শিশু পুষ্টির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুধু পাকিস্তান বা ভারতই নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যেই সেরা। অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য লাভের হার বাংলাদেশে ৩৬.১%, যা কিনা পাকিস্তান, ভারতসহ অধিকাংশ তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহের চেয়েই অনেক ভালো। বাংলাদেশ যে শুধু শিশু পুষ্টির দিক থেকেই এগিয়ে তা নয়, পরিসংখ্যান মোতাবেক বাংলাদেশ শিশু মৃত্যুর দিক থেকেও ভারতের চেয়ে সিকিভাগ এগিয়ে, আর পাকিস্তানের চেয়ে পুরো ৫০% এগিয়ে। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি হাজারে মাত্র ৩৭.৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়।

৪. চাকরির স্থায়িত্বের দিক থেকেও বাংলাদেশের অবস্থান এই অঞ্চলের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে ভালো। এদেশের কর্মজীবী মানুষের মধ্যে ৫৭.৮% স্থায়ী চাকরি করে থাকে, যা পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি। আর সেখানে ভারতের অবস্থা তো খুবই খারাপ। সেখানে ৮০% কর্মজীবী মানুষেরই স্থায়ী কোনো চাকরি নেই, অর্থাৎ আজ তারা যে কাজ করছে, কালও সেখানে কাজ করতে পারবে কি পারবে না তার কোনোই গ্যারান্টি নেই।

৫. প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি বিশেষভাবে লক্ষণীয়। বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগণ, যাদের ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে, তাদের ৩৪.১%-ই ২০১৭ সালে অনলাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল ট্রানজাকশন করেছে। সেখানে গোটা দক্ষিণ এশিয়াতেই গড় ডিজিটাল ট্রানজাকশনের হার হলো ২৭.৮%। এছাড়া বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্টগুলোর মধ্যে মাত্র ১০.৪% গত বছর ‘সুপ্ত’ অবস্থায় ছিল অর্থাৎ সেগুলোতে গত বছর কোনো টাকা যেমন জমা করা হয়নি, তেমনি সেখান থেকে কোনো টাকা তোলাও হয়নি। এই পরিসংখ্যানটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ ভারতে গতবছর বিশেষ কিছু অর্থনৈতিক রদবদলের পরও, ৪৮% ব্যাংক একাউন্টই পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় ছিল।

৬. শিক্ষা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খাত যেখানে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে গেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৭১% হলেও, পাকিস্তানে তা মাত্র ৫৫%।

৭. ২০০৬ সালের পর থেকে বাংলাদেশের জিডিপির অগ্রগতি পাকিস্তানের চেয়ে প্রতি বছরে ২.৫ শতাংশ বেশি। চলতি বছরেই বাংলাদেশের জিডিপি ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে। এছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার মাত্র ১.১%, যা পাকিস্তানের ২% এর থেকে অনেক কম। ফলে প্রতি বছরই বাংলাদেশের পার ক্যাপিটা ইনকাম পাকিস্তানের চেয়ে ৩.৩% বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধারা অব্যহত থাকলে, ২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের মানুষের পার ক্যাপিটা ইনকাম পাকিস্তানিদের চেয়ে বেশি থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এভ্রিলের ঈদ কেটেছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

বিনোদন সংবাদ: এবারের ঈদ কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কেটেছে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের। ২১ থেকে ২৬ আগস্ট ‘ব্লুসমস ফ্রম অ্যাশ’ নামের একটি তথ্যচিত্রের শুটিং করতে সেখানে ছিলেন তিনি।

এ বিষয়ে এভ্রিল জানান, অসহায় নিষ্পেষিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রথম থেকেই। খুব চেয়েছিলাম রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সময় কাটাতে। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাব কখনো ভাবিনি।

এভ্রিল বলেন, ‘নোমান রবিন ভাই আমার সেই ইচ্ছা পূরণ করতে সাহায্য করেছেন। যেটুকু সময় শুটিং করেছি, ওদের সঙ্গে কাটিয়েছি, চেষ্টা করেছি ওদের মুখে হাসি ফোটাতে। একটি ঈদ পার করলাম ওদের সঙ্গে। এটা জীবনের সেরা ঈদ হিসেবে রয়ে যাবে। এই প্রাপ্তির কথা কখনো ভোলার নয়।’

নোমান রবিনের পরিচালনায় তথ্যচিত্রটির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে এভ্রিলকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসুস্থ সৈনিকলীগ সভাপতি সুমনের শয্যাপাশে আসাদুজ্জামান বাবু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.এফ.এম এন্তাজ আলীর জ্যোষ্ঠ পুত্র মাহমুদ আলী সুমন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাড়িতে আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা।
এদিকে মাহমুদ আলী সুমনের অসুস্থতার খবরে সোমবার রাতে হাসপাতালে ছুটে যান সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবুসহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ। এসময় তিনি অসুস্থ সুমনের সার্বিক খোঁজ খবর নেন এবং তার আশু রোগমুক্তি কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টে বুধহাটা ও প্রতাপনগরের জয়

আশাশুনি ব্যুরো: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট (অনুর্ধ-১৭) -১৮ এর ১ম রাউন্ডের শেষ দিনে দু’টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ দল ও প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদ দল জয়লাভ করে। সোমবার দরগাহপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯ টায় দিনের ১ম খেলায় প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদ দল ও মুক্তিযোদ্ধা হাকিম স্মৃতি সংসদ দল মুখোমুখি হয়। খেলায় প্রতাপনগর ইউনিয়ন দল ২-০ গোলে জয়লাভ করে। বিকাল সাড়ে ৩ টায় দিনের দ্বিতীয় ও ১ম রাউন্ডের শেষ খেলায় বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ ও কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ মুখোমুখি হয়। খেলায় বুধহাটা দল ৭-০ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে। বুধহাটার আব্দুল্লাহ একাই ৫টি গোল করেন। খেলা পরিচালনা করেন আনিছুর রহমান। সহকারী রেফারী ছিলেন আকবর, বাবলুর রহমান ও ইমরান। মঞ্চে বসে খেলা উপভোগকারী অতিথিদের মধ্যে ছিলেন, সিনিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, আরডিও, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারী স ম সেলিম রেজা সেলিম, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দীপংকর কুমার সরকার, বুধহাটা ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি হাতেম আলি, সেক্রেটারী সামাদ ও তাঁতীলীগের সাবেক সভাপতি সেলিম রেজা এবং ইউপি সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার একই মাঠে দ্বিতীয় রউন্ডের ১ম খেলায় কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদ ও দরগাহপুর ইউনিয়ন পরিষদ দল এবং বিকালে ২য় খেলায় শ্রীউলা ও আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ দল মুখোমুখি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest